All posts by jitu

কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান স্বাধীনতা দিবস

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।

রোববার (২৬ মার্চ) ভোরে টাউন হল মাঠে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সূচনা হয়।

পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা, জেলা প্রশাসক মোঃ শামীম আলম, পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বপিএম (বার), জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ড. শফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হেলাল উদ্দিন, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. নাসিমা আক্তার, আদর্শ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম টুটুলসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা।

এরপর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সরকারী, বেসরকারি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এছাড়া নগর উদ্যান সংলগ্ন বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থিত শহিদ জেলা প্রশাসক এ কে এম সামসুল হক খান স্মৃতিভাস্কর্য ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থিত শহিদ পুলিশ সুপার মুন্সি কবির উদ্দিন আহমেদ স্মৃতিভাষ্কর্য, পুলিশ লাইন শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ এবং আলেখারচরে অবস্থিত যুদ্ধজয় ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

কুমিল্লায় র‌্যাবের অভিযানে ৩৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ মোঃ বিপ্লব (৩৪) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

রবিবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলার সাওরাতলী এলাকা থেকে সাড়ে ৩৪ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত মাদক কারবারি গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর থানাধীন মিরবহর গ্রামের মোঃ ইউনুস আলীর ছেলে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

র‌্যাব জানায়, আটককৃত মাদক কারবারি দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুর, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সদর দক্ষিণে মদিনা বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ জনের, গুরুতর আহত ৪

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মদিনা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী মারা গেছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৪ জন।

শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়নের চৌয়ারা-সুয়াগাজী সড়কের ফুলতলি এলাকায় এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার সুয়াগাজী বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী আমানুল্লাহ মজুমদার (৬০) ও টঙ্গিরপাড় গ্রামের ফাতেমা আক্তার (৩০)।

আহতরা হলেন- নিহত ফাতেমা আক্তারের ছেলে মো. জুনাইদ (৯), মাটিয়ারা এলাকার শাহেদ (১৫), শিফাত (২৭) ও অটোরিকশাচালক মো. আশিক (২৫)।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপরিদর্শক (এসআই) মো. মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, চৌয়ারা-সুয়াগাজী সড়কে মদিনা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাতে থাকা ২ জন যাত্রী নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে আরও ৪ জন। আহতদেরকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

কুবিতে গণহত্যা দিবসে ছাত্রলীগের একাংশের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

 

কুবি প্রতিনিধিঃ

২৫ শে মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের রেজা-ই-এলাহীর সমর্থকদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে দশটার দিকে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময় মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের পাশাপাশি ২৫ শে মার্চের কালো রাতে নিহত শহীদদের স্মরনে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

এ কর্মসূচিতে ২০১৭ সালের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজা-ই-এলাহী, সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বজন বরণ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছাত্রলীগ নেতা মোমিন শুভ, আমিনুর বিশ্বাস, মাহী হাসনাইন, নূর উদ্দিন হোসাইন, রিফাত আহমেদ সহ প্রায় দু’ শতাধিক নেতা কর্মী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

এসময় শহীদের স্মরণে সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজা-ই-এলাহী বলেন, বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব শুণ্য করার লক্ষ্যে ‘৭১এর ২৫ শে মার্চের কালো রাতে আমাদের নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর যে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক,ডাক্তারসহ এক লক্ষ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। আজ সে বীর শহীদের স্মরণে আমাদের এই মোমবাতি প্রজ্জ্বলন।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার বিকালে ২৫শে মার্চে গণহত্যার ‘সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিদান’, ‘গণহত্যা অস্বীকৃতি আইন’ প্রবর্তন ও পাকিস্তানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা প্রার্থনা এবং জামাত-শিবিরকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে রেজা-ই-এলাহীর সমর্থকরা।

প্রাইভেট না পড়ায় স্কুল শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

মাদারীপুরে প্রাইভেট না পড়ায় এক স্কুল শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ওই স্কুলেরই এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রমজান মোল্লা। তিনি মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত শিক্ষক। নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর নাম মো. জিহাদ মোল্লা। সে একই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্র।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, রমজান মোল্লা টেনেহিঁচড়ে একজন শিক্ষার্থীর জামার কলার ধরে মারতে মারতে মাঠের দিকে নিয়ে আসছেন। পেছনে ছাত্রছাত্রীরা জড়ো হয়ে সেটি দেখছেন।

জিহাদ মোল্লা জানান, আমি পরীক্ষা দেওয়ার সময় আমার এক সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। রমজান স্যার দেখতে পেয়ে আমার খাতা নিয়ে যান। আমি প্রতিবাদ জানালে তিনি আমার খাতাটা পুরোপুরি ছিঁড়ে আমার জামার কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে সব ছাত্রছাত্রীর সামনে মাঠের মধ্যে নিয়ে আসেন এবং কিল-ঘুষি দিতে থাকেন। এ সময় একই ক্লাসে পড়ুয়া তার নিজের ছেলে এসে স্যারের সঙ্গে আমাকে মারতে থাকেন।

আমি তার পর বাড়ি যেতে চাইলে তিনি আমাকে মাঠের মধ্যে ফেলে দেন। তারপর টেনে লাইব্রেরিতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তিনি আমাকে বেদম মারধর করেন। আমার অপরাধ আমি তার কাছে প্রাইভেট পড়ি না। যারা তার কাছে প্রাইভেট পড়ে তিনি তাদের নকল করার সুযোগ দেন। যারা প্রাইভেট পড়ে না তিনি তাদের বিভিন্ন অজুহাতে মারধর করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া জিহাদের সহপাঠী আরমান বলেন, রমজান স্যার আমাদের স্কুলের কোনো নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক না। তিনি একজন গেস্ট টিচার। সেদিন পরীক্ষার হলে জিহাদকে প্রচণ্ড মারধর করেছেন। জিহাদের উত্তরপত্র ছিঁড়ে ফেলেন। সবার সামনে কলার ধরে মারতে মারতে মাঠের মধ্যে নিয়ে যান। আমরা এর বিচার চাই।

পরশ নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, রমজান স্যার এর আগেও বহু ছাত্রকে মেরেছেন। অনেকে তার মার খেয়ে সুইসাইড পর্যন্ত করতে চেয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে সুইসাইড নোট পর্যন্ত জমা দিয়েছে। সেদিন জিহাদকে যেভাবে মেরেছে এটি অত্যন্ত অমানবিক। আমরা শিক্ষক নামের এই ঘাতকের শাস্তি চাই।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, সম্পূর্ণ মৌখিক ভিত্তিতে তাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ শিক্ষকতা করার কোনো যোগ্যতাই তার নেই। দুই বছরের ডিগ্রিতে পড়াশোনা করেছেন। তাও থার্ড ক্লাস রেজাল্ট। হেড স্যারের কাছে এক ছাত্র কদিন আগে সুইসাইড নোট দিয়েছিল ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত রমজান মোল্লা বলেন, ওই ছাত্র আমার সঙ্গে বেয়াদবি করেছে। তাই রেগে আমি তাকে মেরেছি। সে আমার ছেলেকেও মারতে চেয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিন বলেন, ঘটনার দিন আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলাম না। তবে আমি ঘটনাটি শুনে অভিযুক্ত শিক্ষককে শাসিয়েছি।

জেলা শিক্ষা অফিসার হাবিবুল্লাহ বাহার জানান, কোনো শিক্ষক এ কাজ করতে পারেন না। বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আমি সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ফোন করে বিষয়টি সমাধান করার জন্য বলব।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাইনউদ্দিন বলেন, কোনোভাবেই একজন শিক্ষক এ রকম শাস্তি দিতে পারেন না। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

সর্বাধুনিক আপগ্রেডসহ ‘চ্যাম্পিয়ন’ সি সিরিজের নতুন ফোন নিয়ে আসছে রিয়েলমি

ডেস্ক রিপোর্টঃ

তরুণ প্রজন্মের পছন্দের ব্র্যান্ড রিয়েলমি সবসময় ব্যবহারকারীদের দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে নতুন সব ফিচার নিয়ে আসার চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায়, রিয়েলমি নিয়ে আসছে সি সিরিজের নতুন ফোন। নতুন এই ফোনে ইমেজ, স্টোরেজ, চার্জিং ও ডিজাইন -এ চারটি ক্ষেত্রে একই সেগমেন্টের ফোনগুলোর মধ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যা ‘চ্যাম্পিয়ন’ সি সিরিজের নতুন এই ডিভাইসটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

উদ্ভাবনী সব ফিচার ও পারফরমেন্সের সমন্বয়ে রিয়েলমি সি সিরিজ এ ডিভাইস সেগমেন্টের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ব্যবহারীদের বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। পাশাপাশি, সবরকম ব্যবহারকারীর চাহিদার কথা বিবেচনা করে এই ডিভাইসে এমন সব আপগ্রেড নিয়ে আসা হয়েছে যা ডিভাইসটিকে সেগমেন্টের সেরা ডিভাইসে পরিণত করবে আবার দামও থাকবে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে।

রিয়েলমি’র প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৭০ শতাংশ গ্রাহক স্মার্টফোনে আরও বেশি স্টোরেজ চান, উন্নত ক্যামেরা চান ৫৬ শতাংশ এবং ৫০ শতাংশ গ্রাহক চান ফার্স্ট চার্জিংয়ের সুবিধা। এসব চাহিদার কথা বিবেচনা করে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইস নিয়ে আসবে রিয়েলমি; যা ইমেজ, স্টোরেজ, চার্জিং ও ডিজাইন এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রেই দুর্দান্ত পারফরমেন্স নিশ্চিত করবে।

সি সিরিজের নতুন এই ফোনে স্পায়ার স্ট্র্যাটেজি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সম্ভাব্য সেরা প্রযুক্তি সমন্বয় করা হবে। ‘এভরিওয়ান ইজ আ চ্যাম্পিয়ন ইন লাইফ’ এই ধারণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে স্মার্টফোনটিতে এই সেগমেন্টের মধ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। ‘স্পায়ার স্ট্র্যাটেজি’ অনুসরণ করা মানে হচ্ছে, যে স্মার্টফোনটি অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির দিক থেকে সেগমেন্টের অন্যান্য ফোনের চেয়ে এগিয়ে থাকবে। পাশাপাশি, স্মার্টফোনটিতে থাকবে সেরা ডিজাইন, পারফরমেন্স ও অভিজ্ঞতার চমৎকার সমন্বয়, যা রিয়েলমি’র প্রোডাক্ট টাওয়ারের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

চ্যাম্পিয়ন সিরিজের ডিভাইসের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে তরুণদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে নতুন এই ডিভাইসটিতে এমন কিছু ফিচার নিয়ে আসা হচ্ছে, যা এই সেগমেন্টের আর কোনো ফোনে নেই। এই সেগমেন্টের ফোনগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো সি সিরিজের এই ফোনে থাকছে এআই ক্যামেরা, ৩৩ ওয়াটের সুপার-ফাস্ট চার্জিং, ৮ জিবি/২৫৬ জিবি স্টোরেজ ও ১৬ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ। এছাড়াও, এই ডিভাইসটিতে সানশাওয়ার ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি, এতে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছে আইফোনের মতো মিনি ক্যাপসুল ফিচার; ব্যবহারকারীরা এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যাটারি এলার্ট, চার্জিং স্ট্যাটাস ও ডেটা ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন পাবেন।

সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত করিয়ে দিয়ে তরুণদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখছে রিয়েলমি। আর এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে, স্মার্টফোনের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে উদ্ভাবনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে রিয়েলমি। সি সিরিজের নতুন এ ফোনে রিয়েলমি’র এই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দেখা যাবে। কেবল চ্যাম্পিয়নদের জন্যই এই ‘সি’ নিয়ে এসেছে রিয়েলমি, যেখানে সি সিরিজের মানে হলো- ‘আ চ্যাম্পিয়ন অব দ্য সেগমেন্ট’।

 

কুবিতে ‘ছায়া জাতিসংঘ সংস্থা’র নতুন নেতৃত্বে রায়হান- নাইমুর

 

চাদঁনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ছায়া জাতিসংঘ সংস্থা’র ২০২৩-২৪ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত ২৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সভাপতি হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রায়হান আহমেদ আবির, এবং একই বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান ভুঁইয়া সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবার (২৪ মার্চ) এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি মাইনুদ্দিন ভুঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রিজবান ফাহিম, হেড অব একাডেমিকস হাসান মাহতাব মাহিন, জয়েন্ট হেড অব একাডেমিকস ইমতিয়াজ আহমেদ ছিন্ময়, হেড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ফয়সাল আলম, জয়েন্ট হেড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন শাহারিয়া আলম, হেড অব ইভেন্টস আরিফা আকতার তানজিনা, জয়েন্ট হেড অব ইভেন্ট আনিকা তাহসিন ইল্লিন, হেড অব মিডিয়া অ্যান্ড ডক্যুমেন্টেশন ফাহমিদা তাসনিম তিন্নি, জয়েন্ট হেড অব মিডিয়া অ্যান্ড ডক্যুমেন্টেশন ফাদিয়া মোশারাত।

এছাড়া হেড অব ক্রিয়েটিভ আর্টস নুসরাত জাহান চৌধুরী নয়ন, জয়েন্ট হেড অব ক্রিয়েটিভ আর্টস তাসমিয়া মাহমুদ, হেড অব পাবলিকেশন্স সামিন সাদী, জয়েন্ট হেড অব পাবলিকেশন্স নুসরাত জাহান মিতু, হেড অব পাবলিক রিলেশন্স প্রকাশ পাল, জয়েন্ট হেড অব পাবলিক রিলেশন্স সুস্মিতা রানী পাল, হেড অব ডেলিগেট আ্যাফেয়ার্স কাজী সাদিয়া মোন্নাফ, জয়েন্ট হেড অব ডেলিগেট অ্যাফেয়ার্স আনিকা তাবাসসুম সাদিয়া, জুনিয়র এক্সিকিউটিভ জেসমিন জোশি এবং শফিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নবগঠিত এই কমিটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছায়া জাতিসংঘ সংস্থার চতুর্থ পূর্নাঙ্গ কমিটি।

প্রতিটি ছবি মুক্তির পরই বউয়ের মার খেতে হয় ইমরান হাশমিকে

 

বিনোদন ডেস্কঃ

বলিউডে ‘সিরিয়াল কিসার’ হিসেবে পরিচিত অভিনেতা ইমরান হাশমি। তার সিনেমা মানেই অন্তরঙ্গ দৃশ্য, এটা সবার কাছেই প্রতিষ্ঠিত। একবার স্ত্রীর সামনেই চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনেত্রীকে চুমু খেতে হয়েছিল তার। তা নিয়ে অবশ্য বাস্তবজীবনেও সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। তবে এটা শুধু একটা ছবিতে নয়, প্রায় ছবি বিশেষ করে যেগুলোতে অন্তরঙ্গ দৃশ্য থাকে সেগুলো মুক্তি পাওয়ার পর বউয়ের হাতে মার খেতে হয় তাকে।

বলিউড হাঙামার খবরে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার ৪৫ বছরে পা রাখেন ইমরান হাশমি। তবে কয়েক বছর আগের এক জন্মদিনে গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সংসার জীবন ও পর্দার জীবন নিয়ে বিভিন্ন কথা বলেছেন হাশমি। তিনি জানিয়েছিলেন, ওই ঘটনার পর বাসায় গিয়ে স্ত্রীর হাতে মার খেতে হয়েছে তাকে। এছাড়া প্রত্যেকটা ছবি মুক্তি পেলেই স্ত্রীকে নিয়ে সিনেমাহলে গিয়ে একসঙ্গে সিনেমা দেখতেন তারা। আর যে সিনেমায় ইমরান হাসমী অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতেন, সে সিনেমা দেখার পরই বউয়ের হাতে মার খেতেন তিনি।

ইমরান ২০০৬ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন দীর্ঘ দিনের প্রেমিকা পারভিন সাহানিকে। তত দিনে বলিউডে বেশ পরিচিত মুখ তিনি। চারদিকে তার ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে চর্চা। স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে ইমরান বলেন, ‘আগে ব্যাগ দিয়ে পেটাতো আর এখন হাতই যথেষ্ঠ। তবে সময়ের সঙ্গে অনেকটাই শান্ত হয়েছে।’

২০১৪ সালে করণ জোহরের জনপ্রিয় চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এ এসেছিলেন ইমরান। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘মার্ডার’ ছবিতে মল্লিকা শেরওয়াতের সঙ্গে অন্তরঙ্গতা দেখে কতটা খেপে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী। দেখতে যাওয়ার আগে ছবি সম্পর্কে একেবারেই অবগত ছিলেন না পারভিন। তার পর যখন চোখের সামনে দৃশ্যগুলো দেখছিলেন সঙ্গে সঙ্গে ইমরানের হাতে খামচি বসিয়ে দিচ্ছিলেন। সিনেমা শেষের পর গোটা হাতজুড়ে ছিল শুধুই পারভিনের নখের আঁচড়।

স্ত্রী কর্তৃক মার খাওয়ার কথা ২০১৬ সালে এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার সামনেও অকপটে স্বীকার করেছিলেন ইমরান। তিনি বলেন, ‘ও এখনো রাগ করে। তবে এখন আর আগের মতো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে না।’

ইমরান হাশমি সিনেমায় যতই নায়িকাদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেন না কেন, তবে বাস্তবে কখনই কোনো অভিনেত্রীর সঙ্গে নাম জড়ায়নি তার। আর তাই দাম্পত্য জীবনে সুখেই আছেন তারা।

রোজা রেখে ইনসুলিন, ইনজেকশন ও রক্ত পরীক্ষার বিধান

 

মোঃ আবদুল আউয়াল সরকারঃ

রোজা রাখা অবস্থায় পরীক্ষার জন্য ‘রক্ত দিলে রোজা ভঙ্গ হবে না।শুরু হলো মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা তথা রমজান মাস। ধর্মীয় দিক থেকে রমজান মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়।
রমজান মাসে ডায়াবেটিকস রোগসহ অন্যান্য রোগবালাইয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। রোজা রাখা অবস্থায় রক্ত দিলে রোজা ভেঙে যাবে এমন চিন্তা থেকে অনেকেই রক্ত পরীক্ষা থেকে বিরত থাকেন। তাতে করে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়। আশার কথা হচ্ছে, জীবন রক্ষায় ‘রোজা রাখা অবস্থায় কোন ডায়াবেটিকস বা অন্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরীক্ষার জন্য রক্তদিলে রোজা ভঙ্গ হবে না।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্ত পরীক্ষা, ইনসুলিন, ইনজেকশন, স্যালাইন নেয়া জরুরি। ডায়াবেটিস আক্রান্ত কোন ব্যক্তিকে যদি রোগের কারণে ইনসুলিন, ইনজেকশন, টিকা কিংবা স্যালাইন গ্রহণ করতে হয়, তাহলে রোজার কোন হেরফের হয় না। ইনজেকশন দ্বারা যেসব ওষুধ শরীরে প্রবেশ করনো হয়, তা রোজা ভেঙ্গে যাওয়ার শর্তদের মধ্যে পড়ে না। রোজা ভেঙ্গে যাওয়ার জন্য যে গ্রহণযোগ্য ‘রাস্তা তথা খাদ্যনালী বা মস্তিষ্কের পথ রয়েছে, তা দিয়ে ইনজেকশন, ইনসুলিন, স্যালাইন কিংবা টিকা’ ইত্যাদি প্রবেশ করানো হয় না।

অন্যদিকে ইসলামি আইন শাস্ত্রের সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত হচ্ছে, যে কোনো ধরনের ইনজেকশন বা টিকা নেওয়া হলে রোজার কোন ক্ষতি হবে না। চাই তা শিরায় দেয়া হোক কিংবা চামড়া, মাংসে, বা পেটে।

রক্তদান রোগীর সেবার রোগীর সেবার অন্তর্ভুক্ত। কারণ পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কোনো মানুষের জীবন রক্ষা করল, সে যেন পুরো মানবজাতিকে রক্ষা করল। (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৩২)

আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সাহাবি ইকরিমা (রা.) বলেন, নবী কারিম (সা.) হজের জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় শরীর থেকে শিঙ্গার মাধ্যমে রক্ত বের করেছেন এবং রোজা অবস্থায়ও শরীর থেকে শিঙ্গার মাধ্যমে রক্ত বের করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ১৯৩৮; মুসলিম, হাদিস : ১১০৬; আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৭২)

অতএব, রমজান মাসে মানবসেবার নিয়তে রক্ত দিতে প্রস্তুত থাক উচিত। এতে রোজা রাখার সওয়াব লাভের পাশাপাশি মানবসেবার সওয়াবও লাভ হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন।