All posts by jitu

নোয়াখালীতে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনপুর কবির মাস্টার বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মো. ইয়াছিন (১৮) উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনপুর কবির মাস্টার বাড়ির মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে এবং সোনাপুর ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ইয়াছিনের পরিবারের সদস্য ঢাকায় বসবাস করে। তার বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে সে গ্রামের বাড়িতে একাই থাকত। শুক্রবার ভোররাতে সে নিজের শয়ন কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সকাল পৌনে ৯টার দিকে ইয়াছিনের কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন তার ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ বেলা ১১টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে পুলিশ এ আত্মহত্যার কোন কারণ জানাতে পারেনি।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যুবলীগের মহাসমাবেশে ৩ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে যোগ দিলেন সারওয়ার হোসেন বাবু

 

মোঃ জুয়েল রানা, তিতাসঃ

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের যুব মহাসমাবেশে প্রায় ৩ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে যোগ দিয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বর্তমান সভাপতি প্রার্থী মোঃ সারওয়ার হোসেন বাবু।

শুক্রবার সকালে কুমিল্লা জেলার তিতাস, হোমনা, মেঘনা, চান্দিনা, মুরাদনগর ও দেবীদ্বার উপজেলার যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রায় ৫০টি বাস, মাইক্রো ও প্রাইভেটকারসহ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে দুপুরের মধ্যে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুব মহাসমাবেশ স্থলে যোগ দেন।

যুবলীগ নেতা সারওয়ার হোসেন বাবু বলেন, যুবলীগের ৫০ বছর সুবর্ণ জয়ন্তী সফল করতে ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কুমিল্লা উত্তর থেকে প্রায় ৩ হাজার যুবলীগের নেতাকর্মী নিয়ে যুব সমাবেশে এসেছি। আশা করি যুবলীগের এই সুবর্ণ জয়ন্তীর মধ্য দিয়ে যুব সমাজের সংগ্রামী চেতনার ধারা আরও শাক্তিশালী হবে এবং এই দেশ এগিয়ে যাবে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাপক প্রস্তুতি কাতারের

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ঘনিয়ে আসছে মাহেন্দ্রক্ষণ। আগামী ২০ নভেম্বর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২২। এই বিশাল আয়োজনে ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে দেশটি। কাতার বিশ্বকাপ চলাকালে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে ৫০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। তাদের মধ্যে বিদেশিরাও থাকছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে।

সম্প্রতি কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশ্বকাপ ফুটবলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৫০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কাতারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আওতায় সহায়তা করবে বিদেশি বাহিনীর সদস্যরাও।

তবে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাবর হামুদ জাবর আল নুয়াইমি কোন কোন দেশের বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার কাজে অংশ নেবেন তা খোলাসা করেননি।

তিনি বলেন, কাতারের নেতৃত্বে বন্ধুসুলভ দেশগুলোর বাহিনীর সদস্যরা এ কাজে অংশ নেবেন। বিশেষ করে যাদের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে।

তুরস্ক ৩ হাজার দাঙ্গা পুলিশ প্রদান করছে এবং দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তুর্কি কমান্ডের অধীনে কাজ করবে এসব পুলিশ সদস্য। আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, তুরস্ক অপারেশনে নিয়োজিত আরও ১০০ বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা, ৫০ জন বোমা বিশেষজ্ঞ ও ৮০টি স্নিফার কুকুর পাঠাবে এমন ঘোষণা দিয়েছিল।

গত আগস্টে, পাকিস্তানও ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাতারে সেনা পাঠাতে রাজি হয়। একই মাসে, ফরাসি পার্লামেন্ট উপসাগরীয় রাষ্ট্রটিতে প্রায় ২২০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের অনুমোদন দেয়। পরে ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করে। কাতার মরক্কোর সঙ্গেও একটি নিরাপত্তাবিষয়ক সহযোগিতা চুক্তি করেছে। মরক্কোর সংবাদ আউটলেটগুলো এর আগে জানিয়েছিল, কাতারে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মোতায়েন করবে দেশটি।

৩০ লাখ লোকের দেশ কাতার। এর মধ্যে ১২ শতাংশ হলো দেশটির নাগরিক। ফলে মাসব্যাপী বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় জনবলের ঘাটতি দেখা দেয়। সে কারণে পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে শুরু করে এবারের বিশ্বকাপ আয়োজক দেশটি।

এদিকে, ফিফা বিশ্বকাপের জন্য যারা টিকিট কিনতে পারেননি তাদের টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের পর কাতারে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। সম্প্রতি দোহায় একটি অনুষ্ঠানে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাবর হামুদ জাবর আল নুয়াইমি বলেন, টিকিটবিহীন দর্শকরা ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের পর কাতারে প্রবেশ করতে পারবেন। চলতি বছরের ২ ডিসেম্বর থেকে কাতারে ঢুকতে পারবেন তারা। কাতারে প্রবেশ করতে হলে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাদের হায়া কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।

সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ডাকাত দলের সর্দারসহ গ্রেফতার ৫

 

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ডাকাত দলের সর্দার শিপনসহ ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার বালিয়াকান্দি গ্রামের মো: সোলেমান প্রকাশ ইউসুফ মিকারের ছেলে মো: জাকির হোসেন প্রকাশ শিপন ও মো: সুজন, লক্ষীপুর জেলার সদর থানার রাজিবপুর গ্রামের মৃত মমিন মিয়ার ছেলে মো: শাখাওয়াত হোসেন আরিফ প্রকাশ সাগর, নোয়াখালী জেলার কবিরহাট থানার চর গুইল্লা খালী গ্রামের মৃত আব্দুল হালিমের মো: সোহেল রানা, কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার দল্লাই নবাবপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে আলাউদ্দিন।

জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর গভীর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের বিজয়করা এলাকার ‘গ্রীন ভিলা এগ্রো ফার্ম’ এ সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত দল ফার্মের নৈশ প্রহরীদেরকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৬টি গরু ডাকাতি করে পরিবহনযোগে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের হলে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ত্রিনাথ সাহা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলামসহ চৌদ্দগ্রাম থানার একটি টিম গত ৯-১০ নভেম্বর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নোয়াখালীর কবিরহাট ও সেনবাগ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চালিয়ে ডাকাত সর্দার শিপনসহ ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করে। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ, একটি মোটরসাইকেল ও একটি তালা কাটার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম প্রেস কনফারেন্স এর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম। প্রেস কনফারেন্সে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মামলা রুজু হওয়ার পর ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার শিপনসহ ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি-ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে’।

বিশ্বের ৫০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ দেউলিয়ার ঝুঁকিতে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

বিশ্বের ৫০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ ঋণখেলাপির ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রধান আচিম স্টেইনার।

বৃহস্পতিবার মিসরে কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলনে এমন তথ্য দিয়েছেন তিনি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি উন্নত দেশগুলো এসব দেশকে সহায়তা না করে, তা হলে ঝুঁকিতে থাকা এসব দেশ দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে।

আচিম স্টেইনার জানিয়েছেন, মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং ক্রমবর্ধমান সুদের হার এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে, যেখানে বেশ কয়েকটি দেশ ঋণখেলাপির ঝুঁকিতে পড়েছে। যার মারাত্মক প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের তালিকায় এখন ৫৪ দেশ রয়েছে, যেগুলো ঋণখেলাপির ঝুঁকিতে পড়তে পারে। যদি আমরা আরও ধাক্কা খাই, সুদের হার বাড়ে, ঋণগ্রহণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে যায়, জ্বালানির মূল্য, খাদ্যের মূল্য বাড়ে তা হলে আমরা দেখব এ দেশগুলো আর ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। শ্রীলংকার দিকে তাকান। যেটি এখন নিজের সঙ্গে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে চলছে।’

কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলনে জাতিসংঘের এ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঋণখেলাপির ঝুঁকির বিষয়টি জলবায়ু মোকাবিলার ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। এ রকম ঋণখেলাপির ঝুঁকি জলবায়ু সমস্যা সমাধান আরও জটিল করে তুলবে। এটি অবশ্যই জলবায়ু কার্যক্রমকে সহায়তা করবে না।’

তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোর সহায়তা ছাড়া অনুন্নত দেশগুলো জলবায়ু সমস্যার সমাধান করতে পারবে না।

জাতিসংঘের ইউএনডিপির প্রধান আরও বলেন, জলবায়ুর সমস্যার কারণে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক সমস্যা আরও বাড়ছে। এসব দেশ ইতোমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোকে উন্নত দেশগুলো যে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেগুলো তারা পূরণ করেনি। কিন্তু এর মধ্যে ঝড়, বন্যা, খরা এবং তাপপ্রবাহের মতো সমস্যাগুলোর ঝুঁকি বাড়ছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

অভিনব উপায়ে পেটের ভেতরে করে ইয়াবা পাচারকালে আটক এক

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

অভিনব উপায়ে ইয়াবা পাচারের সময় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা থেকে ২ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

বুধবার (৯ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে ফেনী টু নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের চৌমুহনী লাইফ কেয়ার হাসপাতালে সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত দেলোয়ার হোসেন দেলু (৩৮) লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের আতাকরা গ্রামের আকুর উদ্দিন বেপারী বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেগমগঞ্জের চৌমুহনী লাইফ কেয়ার হাসপাতালের সামনে অভিযান চালায় জেলা মাদকদ্রব্য অধিদফতরের সদস্যরা। এসময় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা জোনাকি সার্ভিসের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে মাদক কারবারি দেলোয়ার হোসেন দেলুকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় তার সাথে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয় ১৫০০ পিস ইয়াবা ও এক্সরে করে তার পেটে বিশেষ কায়দায় আনা আরও ১৩০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতারকৃত আসামিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হবে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

শীতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কেন বাড়ে, এড়াতে করণীয় কী

ডেস্ক রিপোর্ট:

শীত এলে সর্দি-কাশি, জ্বরসহ নানা রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো হার্ট অ্যাটাক। একাধিক গবেষণায় ও বিজ্ঞানভিত্তিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শীতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই এসময়টায় হার্টের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষণায় ও পর্যবেক্ষণে দেখে গেছে, শীতকালে দিনের একটি বিশেষ সময়ে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক এ বিষয়ক আরও তথ্য…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কাদের মধ্যে বেশি?

ইউরোপিয়ান জার্নাল অব এপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যাদের ওজন বেশি বা স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন বা যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি।

রক্ত জমাট বেঁধে হার্ট অ্যাটাক

শীতের মৌসুমে রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তচাপ বাড়তে থাকে। রক্তচাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বাড়তে শুরু করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে মানুষের শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে, যার কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

শীতের সকালে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঠান্ডা আবহাওয়ায় সকালে মানুষ হার্ট অ্যাটাক করে। শীতকালে সকালে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শরীরের তাপমাত্রাও অনেক কমে যায়। এ কারণে শরীরের তাপমাত্রার সমতা ফেরাতে গিয়ে রক্তচাপ বাড়তে পারে, যা হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়াতে যা যা করবেন

১) শীতকালে সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে হাঁটতে যাবেন না। সকাল ৯টার পরই হাঁটতে বের হন।
২) লবণ কম খান।
৩) রোদে সর্বাধিক সময় কাটান।
৪) প্রতিদিন সামান্য শরীরচর্চা করুন।
৫) খাদ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন এবং ভাজা, মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।
৬) ঠান্ডা কাপড়ের বিশেষ যত্ন নিন। শীতকালে নিজেকে ঢেকে রাখা খুবই জরুরি।
৭) নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা জরুরি। বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বেশি থাকে।

ইউপি নির্বাচন:পূর্ব জোড়কাননে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এম হারিছ

মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল।।

আগামী ২৮ নভেম্বর কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা ৫ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান,মেম্বার সংরক্ষিত আসনের মেম্বার দের মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষ হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দ।

নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে বিভিন্ন গণসংযোগ সহ ওঠান বৈঠক। বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে বিভিন্ন প্রার্থীরা ছুটে চলেছেন ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে। চলছে চা দোকানের আড্ডা গুঞ্জন সহ ভোটের মাঠে কথার লড়াই। বেড়ে চলছে সাধারণ জনগণ থেকে সকলের মনে নানারকমের উৎসাহ উদ্দীপনা।

এদিকে নির্বাচনে পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়ন জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান এম হারিছ। বিগত সেশনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পাশ করেছেন বিপুল ভোটে। জনপ্রিয়তা ও কর্মীসমর্থন থাকার পর দলীয় প্রতীক থেকে বঞ্চিত হওয়ার পর ও বঞ্চিত হয় নাই ইউনিয়ন এর সাধারন ভোটার এর মন থেকে। সকলের আস্থার আরেক নাম এম হারিছ মিয়া। ইতিমধ্যে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডে সাধারণ জনগণের সাথে মতবিনিময় করছেন। ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছেন কর্মী থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ের মানুষের।

এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আমরা দলীয় প্রতীক বুঝি না। আমরা হারিছ মিয়াকে চাই । তিনি বিগত দিনে আমাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে নানাভাবে সহযোগিতা করছেন। ওনার দ্বারা বিগত দিনে মানুষের কোনো ক্ষতি হয় নাই। আশা করি সামনে ও হবে না। আমরা আসছে ২৮ তারিখ বিশাল ভোটের ব্যবধানে পুনরায় ওনাকে জয়ের মালা পড়াবো ইনশাআল্লাহ। সবাই ওনার জন্য দোয়া করবেন।

ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউপি নির্বাচন: বাশরা গ্রাম থেকে একক প্রার্থী আলী আহমেদ মিয়াজী

স্টাফ রিপোর্টার:

আসন্ন ২৯ ডিসেম্বর দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাশরা গ্রামে উঠান বৈঠক ও নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে বাশরা গ্রাম থেকে একক প্রার্থী হিসেবে দল মত নির্বিশেষে আলহাজ্ব আলী আহম্মেদ মিয়াজীকে সবাই সমর্থন জানায়।

উক্ত সভায় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সহ সাধারণ জনগন,যুবক, কিশোররা উপস্থিত ছিলেন।উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন তৌহিদ আলম মিয়াজী।

বক্তব্য রাখেন, বর্তমান মেম্বার সাইফুল্লাহ আল কামাল দর্জি,সাবেক মেম্বার মোশাররফ হোসেন মিয়াজী, সাবেক মেম্বার ইসমাইল মজুমদার ,বিশিষ্টজন এন,এম জাহাঙ্গীর আলম, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও রাজনীতিবিদ জনাব ওয়াদুদ মৌলভী,বিশিষ্টজন নজরুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মহাসিন চৌধুরী, আব্দুর রশীদ মাষ্টার বিএসসি,বিল্লাল তালুকদার মাষ্টার, ফরহাদ আহম্মেদ ভুইয়া, তারেক ডালী, কানন মিয়াজী, জসিম মির্জা সাদ্দাম তালুকদারসহ আরো অনেকেই।

বক্তৃতায় বক্তারা বলেন, বাশরা গ্রাম থেকে বিগত সময়ে এখনও পর্যন্ত কোন চেয়ারম্যান হয়নি। তাই তারা একমত হয়ে বাশরা গ্রাম থেকে চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর। গ্রামবাসী সম্মলিতভাবে আলহাজ্ব আলী আহম্মেদ মিয়াজীকে সমর্থন করেন এবং যার যার অবস্থান থেকে নির্বাচনে আলী আহম্মেদ মিয়াজীর পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দেন।

উক্ত সভায় আলী আহাম্মেদ মিয়াজি বলেন,” “কোন অপশক্তি, কোন পেশি শক্তির কাছে আমি হার মানবো না।জনগন আমার পাশে থাকলে আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে জয় ছিনিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন,আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আমার নিজ গ্রাম বাশরাসহ ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামকে উন্নয়নের মডেল গ্রাম হিসাবে পরিনত করবো।”

 

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের বিষয়ে ন্যাশনাল টাস্কফোর্সের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার:

জোর পূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের বিষয়ে ন্যাশনাল টাস্কফোর্সের ৪০ তম সভা  ভাসানচরের মাল্টিপারপাস বিল্ডিংস্থ কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব ও ন্যাশনাল টাস্কফোর্সের প্রধান মাসুদ বিন মোমেন এর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

টাস্কফোর্স সভায় ন্যাশনাল টাস্কফোর্সের প্রধান ছাড়াও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মহাপরিচালক (মায়ানমার), মিয়া মোহাম্মদ মইনুল কবির, মহাপরিচালক (ইউএন) তৌফিক ইসলাম সাতিল, পরিচালক (এফএসও) মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, পরিচালক (মায়ানমার) মোহাম্মদ বারিকুল ইসলাম, সহকারী সচিব (মায়ানমার) রাজেশ ভৌমিক,সিনিয়র সহকারী সচিব ( মায়ানমার উইং) নাবিলা নওশিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কো-অর্ডিনেশন) মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র মহাপরিচালক শেখ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশà