All posts by jitu

কুমিল্লার বরুড়ায় ড্রেজারের গর্তের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার বরুড়ায় ড্রেজার মেশিনে মাটি কাটা গর্তের পানিতে ডুবে আমেনা আক্তার নামে ৫ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকালে উপজেলার পয়ালগাছা ইউনিয়নের সুদ্রা মোল্লা বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আমেনা আক্তার ওই গ্রামের মফিজুর রহমান মোল্লার মেয়ে।

নিহত শিশুর পিতা মুফিজুর রহমান বলেন, আমার মেয়ে খেলতে বাড়ির পাশে যায়। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে কবরস্থানের পাশের জমিতে ড্রেজারে খনন করা গর্তে গিয়ে দেখি সে ভাসতেছে। এ সময় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, ফসলি মাঠ রাস্তার পাশে এবং কবরস্থানের পাশে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে মাটি বিক্রি করে। সেখানে গর্ত হওয়াতে আজ আমার শিশুর প্রাণ কেড়ে নিল। আমি এর বিচার চাই।

বরুড়া থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবার থেকে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চৌদ্দগ্রামে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করা কথিত চিকিৎসককে ৩ মাসের কারাদণ্ড

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লায় এমবিবিএস পাস না করেও এমবিবিএস ও এফসিপিএস ডিগ্রি ব্যবহারের দায়ে সঞ্জয় পাল (৩৮) নামের এক কথিত চিকিৎসককে ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী বাজারে অবস্থিত নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ওই অভিযান পরিচালনা করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) তমালিকা দে।

কারাদণ্ড পাওয়া সঞ্চয় পাল চট্টগ্রামের খুলশি উপজেলার বিবেক চন্দ্র রায়ের ছেলে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার গুণবতী বাজারে অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন এবং ডাক্তারি পাশের কোনো ডকুমেন্টস না দেখাতে পারায় ও নামের সঙ্গে এমবিবিএস ও এফসিপিএস ডিগ্রি ব্যবহারের দায়ে সঞ্জয় পালকে ৩ মাসের কারদাণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এসময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া টিপু উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) তমালিকা দে।

এবার আর গোপনে নয়, আয়োজন করে পরিবারের পছন্দে বিয়ে করবেন শাকিব

 

বিনোদন ডেস্কঃ

অপুর সঙ্গে শাকিবের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এরপর প্রকাশ পায় বুবলীর সঙ্গে বিয়ে ও সন্তান শেহজাদ খান বীরের খবর। চলচ্চিত্র পাড়ায় শাকিব খান ও বুবলীর বর্তমান সম্পর্কের অবস্থা নিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কিছুদিন আগেও একটি গণমাধ্যম স্পষ্ট জানিয়ে দেয় শাকিব বুবলীর বিচ্ছেদ হয়েছে।

কদিন পরেই বুবলী সেটার প্রতিক্রিয়া দেখান আরেক গণমাধ্যমে। সরাসরি না বললেও বুবলী সেখানে নানাভাবেই বলেন যে শাকিবের সঙ্গে তাঁর এখনও সম্পর্ক রয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে শাকিব খান যা বলছেন, তার একটি অর্থ দাঁড়ায় বুবলীর সঙ্গে যদি বিচ্ছেদ নাও হয়ে থাকে তবুও সম্পর্ক রাখবেন না শাকিব খান! শাকিব খানের ওই বক্তব্যের কোনো বিকল্প হতেই পারে না। এছাড়াও শাকিব যে নিউ ইয়র্ক থেকে দেশে ফেরার সময় বলেছিলেন, ‘এবার আর গোপনে নয়, আয়োজন করে পরিবারের পছন্দে বিয়ে করবেন।’ অর্থাৎ বুবলীকে নিয়ে শাকিবের দীর্ঘ পরিকল্পনা যে নেই তা স্পষ্ট। এছাড়াও অপুর মতোই বুবলীর প্রতিও শাকিব নাখোশ। কারণ যেভাবে সন্তান ও বিয়ের খবর প্রকাশ করেছেন বুবলী, সেটা শাকিবের পছন্দ নয়।

শাকিব খান বলছেন, ‘প্রেম, বিয়ে, সন্তান- প্রত্যেক মানুষের একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। এগুলো ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করার বিষয় নয়। আর আমি আমার পার্সোনাল লাইফকে পাবলিকের সামনে আনতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। আমার ইচ্ছা ছিল সময়মতো সুন্দর আয়োজনের মাধ্যমে ঘটা করে বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে সবার সঙ্গে একসঙ্গে আনন্দ করব। কিন্তু অপু বা বুবলী কেউই আমাকে সেই সুযোগ দেয়নি। ’

বুবলী বা অপু কারো সঙ্গেই ভবিষ্যতে সম্পর্ক রাখবেন না এটা সরাসরি না বললেও স্পষ্ট করে দিয়ে শাকিব বললেন, ‘আমার অপছন্দের এমন কাজ করে সবার কাছে আমাকে ছোট করার পরও কী তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যায়? আমার সঙ্গে বিয়ে ও সন্তান নিয়ে তাদের মনে যখন এমনই উচ্ছ্বাস ছিল, তখন তারা বিয়ে বা সন্তান জন্মের পরপরই সবাইকে বিষয়টি কেন জানাল না? কোথায়, আমি তো তাদের মুখ বন্ধ করে রাখিনি! প্রকাশই যদি করতে হলো তাহলে এত দেরিতে কেন? তাহলে কী তারা আমার শত্রুদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমাকে অপমান আর ধ্বংস করতে চেয়েছিল?’

২০১৭ সালের এপ্রিলে শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব ঘরোয়া পরিবেশে একটি ছবি তোলেন। ছবিটিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এর পরই শাকিব খান-অপুর বিবাহ ও সন্তানের খবর প্রকাশ্যে আসে। আসে বলতে অপু বিশ্বাসই দীর্ঘদিন গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি খোলাসা করেন। নিউজ টুয়েন্টিফোর চ্যানেলে এসে লাইভে শাকিবের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা, সন্তানের কথা বলতে বাধ্য হন অপু বিশ্বাস।

২০১৮ সালের ১২ মার্চ শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিবাহবিচ্ছেদ কার্যকর হয়। এরপর দুজনের পথ বেঁকে যায়। দুজনই নতুন করে নিজেদের দিকে মনোযোগী হন।

চলচ্চিত্রে শাকিবের নিয়মিত জুটি হন বুবলী। ফলে বুবলীর সঙ্গে শাকিবের সম্পর্কের বিষয়টি জোরালো হয়। বেশ কয়েকটি সিনেমা জুটি বেঁধে অভিনয় করেন তাঁরা। এরপর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে আকস্মিকভাবে উধাও হন বুবলী। জানা যায়, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে। ১১ মাস নিভৃতে ছিলেন বুবলী। ওই সময় শোনা যায় বুবলী অন্তঃসত্ত্বা। সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্যই নিউ ইয়র্ক গেছেন। পরে চলচ্চিত্রপাড়ার বাতাসে শোনা যায় বুবলী মা হয়েছেন, বাবা হয়েছেন শাকিব। বিষয়টি ২০২২-এ এসে সত্য হয়। কিন্তু অপু বিশ্বাসের মতো বুবলীকেও একই পথে হাঁটতে হচ্ছে।

অতীতে যাদের কাছে টেনে নিয়েছিলেন, তাদের ভুল মানুষ আখ্যা দিয়ে শাকিব খান শনিবার বলেন, ‘আমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা পেয়েছি দুটি সময়। প্রথমত, করোনাকালে যখন একাকী ছিলাম। দ্বিতীয়ত, আবারও যখন নিঃসঙ্গভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেছি তখন। আমি সেই দিনগুলোতে একাকী থাকায় নিজের জীবনের ফেলে আসা দিনগুলো নিয়ে হিসাব করার অফুরন্ত সময় পেয়েছিলাম। তখন নিজের পেছনের জীবনের হিসাবনিকাশ করতে গিয়ে দেখলাম, না বুঝে অনেক ভুল করে ফেলেছি। বেশিরভাগ ভুল করেছি ভুল মানুষের সঙ্গে মিশে। মনে হচ্ছে সেই ভুলেরই খেসারত দিচ্ছি এখন। তাই জীবনের বাকি দিনগুলোতে আর কোনো ভুল মানুষের সঙ্গে মিশতে চাই না। আর কোনো ভুল করতে চাই না। ভুল করে মেশা সেই বাজে মানুষগুলোকে আর পাশে রাখতে চাই না। ’

আর বুবলীর সঙ্গে যে থাকছেন না, নিউ ইয়র্ক থেকে ফেরার সময়ই জানিয়ে দিয়েছেন শাকিব। এক সাক্ষাৎকারে শাকিব খান বলেছিলেন, ‘এবার আর গোপনে নয়, আয়োজন করে পরিবারের পছন্দে বিয়ে করবেন। ’ এ থেকে সমীকরণ ওই একই দাঁড়ায়, শাকিবের করোটিতে অপু-বুবলী নেই। শাকিব এখন নতুনভাবে চলবেন।

টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় হার বাংলাদেশের

 

স্পোর্টস ডেস্কঃ

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ১০৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রোটিয়াদের দেওয়া ২০৬ রানের টার্গেট তাড়ায় নেমে নিদারুণ ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ অল-আউট হয়েছে মাত্র ১০১ রানে। ৩১ বলে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেছেন লিটন কুমার দাস। ১০৪ রানের বিশাল এই পরাজয়ে হয়েছে নতুন রেকর্ড।

এতদিন টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যবধানে পরাজয়ের রেকর্ড ছিল ১০২ রানের। ২০০৮ সালে পাকিস্তানের করাচিতে ২০৩ রান তাড়ায় বাংলাদেশ গুটিয়ে গিয়েছিল ১০১ রানে। সেই ১০২ রানের পরাজয়ই ১৪ বছর ধরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পরাজয়ের রেকর্ড ছিল। আজ ১০৪ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে গিয়ে নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ভাঙল বাংলাদেশ। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ ‘গ্রুপ ২’ এর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ছিল। আজকের পরাজয়ে বাংলাদেশের রানরেটএখন -২.৩৭৫। ১৭ ওভারেই অল-আউট হয়ে বিশাল পরাজয় বরণই এর কারণ। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য আজকের জয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বড় জয়ে তাদের রানরেট এখন ৫.২০০! সেমির লড়াইয়ে বেশ এগিয়েই রইল টেম্বা বাভুমার দল।

 ডিজিএফআইয়ের প্রধান হলেন মেজর জেনারেল হামিদুল হক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ের দুটি পদে রদবদল হয়েছে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফ‌আই) মহাপরিচালক পদে মেজর জেনারেল হামিদুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ডিজিএফ‌আইয়ের বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরীকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি করা হয়েছে।

আজ বুধবার সেনা সদর দপ্তর এ আদেশ জারি করেছে।

ডিজিএফআইয়ের প্রধান তাবরেজ শামসেরের পদোন্নতি

স্টাফ রিপোর্টার:

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফ‌আই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরীকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি করা হয়েছে।

আজ বুধবার সেনা সদর দপ্তর এ আদেশ জারি করেছে।

হত্যা মামলার আসামীকে চাকরি দিতে কুবি প্রশাসনের তোড়জোড় !

 

নাঈমুর রহমান রিজভী:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মার্কেটিং বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত এক আসামিকে কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রায় তিন বছর বোর্ড (আবেদনকারীদের পরীক্ষা নেওয়ার আয়োজন) গঠন করা না হলেও ওই অভিযুক্তকে নিয়োগ দিতে প্রশাসন উঠেপড়ে লেগেছে বলে মন্তব্য করছেন সংশ্লিষ্টরা।আগামী ২৭ অক্টোবর এ বোর্ড আয়োজন হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগেও একই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত একাধিক আসামিকে প্রশাসনিক বিভিন্ন পদে কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের শেষ দিকে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড এমরান কবির চৌধুরীর প্রশাসন। করোনার কারণে বোর্ড পিছিয়ে গেলে ২০২১ সালের মাঝামাঝি এসে পুনরায় একই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর এক বছরেরও অধিক সময় পেরিয়ে গেছে, তবে বোর্ড আয়োজন করেনি কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা বিভিন্ন সময় শূন্য পদের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও এ ব্যাপারে নীরব ছিল তারা। এমনকি চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের যোগদানের পরে তাকেও বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে জানানো হয়েছিল। আবদুল মঈন যোগদানের পর এ ব্যাপারে আট মাস নীরব থাকলেও নির্দিষ্ট প্রার্থী ও হত্যা মামলার আসামি রেজাউল ইসলাম মাজেদকে নিয়োগ দিতে চলতি মাসে বোর্ড গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রেজাউল ইসলাম মাজেদ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নিজেদের মদদপুষ্ট লোকেদেরকে নতুন কমিটিতে আনতে তোড়জোড় চালিয়ে যাচ্ছেন। সেজন্য সাধারণ সম্পাদককে চাকরি দিতেও মরিয়া হয়ে পড়েছেন তাঁরা।

এর আগে গত ৩১ মার্চ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে রেজাউল ইসলাম মাজেদ আরও কয়েকজন নেতাকর্মীসহ নিজেদের নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রকল্পের টেন্ডারের দাবিতে উপাচার্যের গাড়ি অবরোধ করে রাখেন। একই ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিও।

২০১৬ সালের ১ আগস্ট ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ। ওই হত্যা মামলার চার্জশিটে ৩ নং আসামি হিসেবে তালিকায় নাম উল্লেখ রয়েছে রেজাউল ইসলাম মাজেদের। এ মামলায় ৫৫ দিন জেলও খেটেছেন তিনি। আদালতে বিচারাধীন ওই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।

এ বিষয়ে আসামি রেজাউল ইসলাম মাজেদ ভাষ্য, তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে নেওয়া হয়েছিল। তিনি এ ঘটনায় নিরঅপরাধ।

তবে পুলিশের চার্জশীটে তার নাম থাকার কথা বলা হলে তিনি বলেন, তুমি কি আমাকে হত্যা মামলার আসামী মনে করতেছ। ঐ ঘটনার তো এখনও চার্জশিট (চূড়ান্ত) গঠন করা হয় নাই।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুরুতে মামলাটি তদন্ত করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তবে বাদির নারাজি আবেদনের পর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। আরেকবার নারাজির পর মামলাটি তদন্ত ভার যায় সিআইডি’র হাতে। সংস্থাটির চার্জশিটেও নারাজি দেওয়ার পর গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইকে। তাদের চূড়ান্ত চার্জশিট এখনও আদালতে জমা দেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, চাকরি পাওয়ার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে মাজেদ বিভিন্ন ইস্যুতে প্রশাসনের পক্ষ নিয়েছেন। প্রশাসনের এক কর্তা তাকে সরাসরি চাকরির নিশ্চয়তা দিয়েছেন। কারণ, তাঁরা চাচ্ছেন ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে নিজেদের মদদপুষ্ট লোক আসুক। সাধারণ সম্পাদকের চাকরি হয়ে গেলে কেন্দ্রের কাছে কমিটির মূল্য থাকবে না। তখন কেন্দ্র স্বপ্রণোদিত হয়ে কমিটি ভেঙ্গে দেবে।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, এটা (সাধারণ সম্পাদকের চাকরি) মূলত কমিটির ওয়েট নষ্ট করার জন্য। শাখা ছাত্রলীগের কাউকে চাকরি দেওয়ার জন্য আমি প্রশাসনকে বলিনি। তবে প্রশাসনের ব্যাক্তিগত পছন্দ থাকতে পারে।

ইলিয়াস আরও বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ আমার কর্মী ছিল। তার হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের জন্য আমি সব্বোর্চ চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু অপরাধীরা অনেক ক্ষমতাশালী। এটার সাথে জড়িত কেউ অনৈতিক সুবিধা পাবে তা আমি চাই না।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামিমুল ইসলাম বলেন, আমি যতদূর জানি এই সার্কুলারটা অনেক দিন আগের। তবে নির্দিষ্ট কাউকে টার্গেট করে চাকরি দেওয়ার জন্য (বোর্ড) হলে বিষয়টা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত তো কাউকে আইনের ভাষায় দোষী বলা না গেলেও এ ধরনের অভিযুক্ত কাউকে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে মামলার বিষয় বিবেচনায় রাখা বাঞ্ছনীয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বলেন, মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে। প্রশাসন যদি হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামিকে চাকরির দেওয়ার জন্য যদি তোড়জোড় করে থাকে, তাহলে এটা দুঃখজনক। প্রশাসনের উচিৎ এসব বিষয়গুলোতে আরও দায়িত্বশীল হওয়া।

তবে সোর্সের (সংবাদের) নাম না বলায় এসব বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাননি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। তিনি বলেন, আমিতো এ বিষয় দেখবো পরে। তোমাকে এই তথ্য কে দিয়েছে, সেটা বল।

প্রতিবেদক সোর্সের বিষয় জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করায় উপাচার্য কোনো উত্তর দিতে পারবেন না বলে তাঁর কল কেটে দেন।

 

বৃষ্টি আইনে আয়ারল্যান্ডের কাছে ইংলিশদের হার

 

স্পোর্টস ডেস্ক:

৫.৩ ওভরের খেলা বাকি থাকতেই  ইংল্যান্ডের যম হয়ে নেমে এলো যেন বৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত এই বৃষ্টি আর থামলো না এবং ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাধুগালে বৃষ্টি আইন ডার্কওয়ার্থ লুইস মেথডে হিসেব করে আয়ারল্যান্ডকেই ৫ রানে বিজয়ী ঘোষণা করলো।

বিশ্বকাপে টপ ফেবারিট হিসেবে খেলতে আসার পর প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয় পেলেও ইংলিশদের বেশ ধুঁকতে হয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে এসে আয়ারল্যান্ডের কাছে পরাজয়ই বরণ করতে হলো।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ১৫৭ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ডও খুব ভালো অবস্থানে ছিল না। বৃষ্টি নামার সময় ১৪.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ১০৫ রান ছিল তাদের।

ডি/এল মেথডে ইংলিশরা তখনও আয়ারল্যান্ডের চেয়ে ৫ রান পিছিয়ে। শেষ পর্যন্ত এই ৫ রানই জয়-পরাজয়ের নির্ধারক হয়ে দাঁড়ালো।

মেসির জোড়া গোল ও জোড়া এসিস্ট, সাথে নেইমার ও এমবাপ্পের ঝলক

 

স্পোর্টস ডেস্ক:

বিশ্বের সেরা আক্রমণভাগের নাম এমএনএম (মেসি-নেইমার-এমবাপে)।  যেদিন  তারা জ্বলে ওঠেন, সেদিন প্রতিপক্ষের অবস্থা যে কী হবে, তা কল্পনাতেই আনা সম্ভব হয় না। মঙ্গলবার রাতে সেই অবস্থা হয়েছে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র। রীতিমত টর্নেডোর মুখোমুখি হয়েছে তারা। মুহুর্মুহু আক্রমণে রীতিমত ম্যাকাবিকে বিধ্বস্ত করে ছেড়েছে মেসি, নেইমার এবং এমবাপেদের পিএসজি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে এই তিন তারকার একসঙ্গে জ্বলে ওঠার দিনে ম্যাকাবিকে ৭-২ গোলে পরাজিত করেছে ফরাসি ক্লাবটি। জোড়া গোল করেছেন মেসি এবং এমবাপে। এক গোল করেছেন নেইমার। একটি হলো আত্মঘাতি। পিএসজির অন্য গোলটি এসেছে কার্লোস সোলারের পা থেকে। ম্যাকাবির হয়ে গোল দুটি করেছেন আবদুলায়ে সেক।

আগের ম্যাচেই ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাসকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল ম্যাকাবি হাইফা। পার্ক ডি প্রিন্সেসে সেই ক্লাবটিকেই সামনে পেয়ে একের পর এক গোল দিয়ে গেলো বার্সেলোনা। ম্যাকাবি হাইফার মাঠে গিয়েও গোল করেছিলেন মেসি-নেইমার এবং এমবাপ্পে।  শুরু থেকেই ম্যাকাবির গোলমুখে মুহুর্মুহু আক্রমণ শুরু করে পিএসজি এবং প্রথম ৩৫ মিনিটের মধ্যেই সেরা তিন তারকা মেসি, এমবাপে এবং নেইমার ১টি করে গোল আদায় করে নেন। মেসি এবং এমবাপে আরও একটি করে গোল যোগ করেন। শুধু তাই নয়, নেইমার এবং সোলারের গোলে অ্যাসিস্টও করেন তিনি। চলতি মৌসুমে এ নিয়ে মেসি করলেন ১১ গোল এবং ১২টি অ্যাসিস্ট।

১৯ মিনিটে গোলের সূচনা করেন লিওনেল মেসি। কিলিয়ান এমবাপের কাছ থেকে বল পেয়ে বাম পাশ থেকে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত শটে হাইফার জালে বল জড়ান মেসি। ৩২ মিনিটে গোল করেন এমবাপে। বক্সের ডান পাশ থেকে ডান পায়ের শট নেন তিনি। সেটিই জড়িয়ে যায় ইসরায়েলি ক্লাবটির জালে। তিন মিনিট পর, খেলার ৩৫তম মিনিটে গোল করেন নেইমার। এবার তার গোলের জোগানদাতা লিওনেল মেসি। ৪৪ মিনিটে মেসির গোলটি ছিল ট্রেডমার্ক। কিলিয়ান এমবাপের কাছ থেকে বল পেয়েই চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স দেখিয়ে গোল করেন মেসি। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওযার কিছুক্ষণ পর আবারও এমবাপে গোল করেন। ৬৪ মিনিটের ওই গোলটিতে অ্যাসিন্ট ছিল আশরাফ হাকিমির। বাম পাশ থেকে ডান পায়ের শটে গোলটি করেন তিনি। ৬৭ মিনিটে আত্মঘাতি গোল করে বসেন হাইফার সিন গোল্ডবার্গ। ৮৪ মিনিটে মেসির পাস থেকে গোল করে হাইফার পরাজয়ের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন কার্লোস সোলার। ম্যাকাবি হাইফাও দুটি গোল শোধ করেছে। ৩৮ মিনিটে প্রথম গোল করেন আবদুলায়ে সেক। ৫০ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটিও করেন তিনি।

 

বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

 

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন:

আজ মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০২২ তারিখে কাতারের