All posts by jitu

কুমিল্লায় ১২৩ বোতল বিদেশী মদসহ যুবক আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চাঁন্দপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২৩ বোতল বিদেশী মদসহ মোঃ নূর হোসেন শাপলা (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ জুলাই চাঁন্দপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব।

সে চাঁন্দপুর এলাকার (মধ্যপাড়া) গ্রামের মৃত মফিজ মিয়ার ছেলে।

 

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদেশী মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। এ বিষয়ে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সন্তানের গলায় ছুরি ধরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার যুবক

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে (২৬) ধর্ষণ ও তার নগ্ন ভিডিও চিত্র ধারণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। এ সময় অভিযুক্ত যুবকের কাছ থেকে ভিকটিমের আপত্তিকর ভিডিও সম্বলিত ১টি মোবাইল, ২ টি সীম, ১টি মেমোরী কার্ড, ভিকটিমের আপত্তিকর ছবির স্ক্রিনশট ৫ পাতা ও নগদ ৪১৫ টাকা উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সোনাপুর জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন আল আকসা রেঁস্তোরার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত মো.কালাম ওরফে কালা মিয়া (৩০) উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম করিমপুর গ্রামের আবিদ মিয়ার বাড়ির মৃত নুরুল আমিনের ছেলে।

বুধবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো.শামীম হোসেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সানজিদা আক্তার (ছদ্মনাম) (২৬) একজন সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। ভিকটিমের স্বামী সৌদি প্রবাসী হওয়ায় পিতার বাড়িতে ঘর নির্মাণ করে ছোট ২ ছেলে নিয়ে একা পিতার বাড়িতে বসবাস করে আসছে। আসামি কালাম ভিকটিমকে বিয়ের আগে থেকে প্রেমের প্রস্তাবসহ কু-প্রস্তাব দিত। বিবাহের পর ভিকটিমের স্বামী প্রবাসে চলে গেলে আসামি বাড়ির আঙ্গিনা ও রাস্তা-ঘাটে ভিকটিমকে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে কু-প্রস্তাব দিত। গত ২৬ জুন রাত ১০টার দিকে ভিকটিম রাতের খাবার শেষ করে ছোট ছেলেকে ঘুম পাড়িয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য ঘরের বাহিরে টয়লেটে যায়। ওই সুযোগে কালাম অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য ভিকটিমের অগোচরে বসত ঘরে প্রবেশ করে খাটের নীচে লুকিয়ে থাকে। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভিকটিম তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে মানুষের হাতের স্পর্শ অনুভব করায় ঘুম ভেঙ্গে যায়। ঘরের মধ্যে বৈদ্যুতিক বাতির আলোতে ভিকটিম আসামি দেখতে পায়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সানজিদা আক্তার ঘুমের ঘোরে থাকা অবস্থায় আসামি তার অজান্তে অশ্লীল আপত্তিকর ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে। পরবর্তীতে আসাসি তার হাতে থাকা ১টি ছোরা ভিকটিমের ছোট ছেলের গলায় ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করত ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর থেকে আসামি ভিকটিম ও তার সৌদি প্রবাসী স্বামীকে মোবাইল করে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং দাবিকৃত টাকা প্রদান না করলে ভিকটিমের অশ্লীল আপত্তিকর ভিডিও ও স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ সুধারাম থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে র‌্যাবের ওপর মাদক কারবারিদের হামলা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এক র‌্যাব সদস্যসহ তিনজন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে একজন মাদক কারবারি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ৩৩ বোতল ফেনসিডিল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে মাদক উদ্ধারের অভিযানে যায় র‌্যাবের ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। এসময় র‌্যাব সদস্যরা সেখানে পৌঁছালে মাদক কারবারিরা র‌্যাবের ওপর হামলা করে। এতে র‌্যাব সদস্য এ বি সুমন ও র‌্যাবের সোর্স ইউনূছ মিয়া আহত হন। পরে র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়।

এসময় মাদক কারবারি নাসির মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ নাসির ওই এলাকার মৃত আ. সাত্তারের ছেলে। গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারিকে প্রথমে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া আহত র‍্যাব সদস্য ও সোর্সকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সাইদুর রহমান বলেন, আহত ব্যক্তির শরীরে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তার ক্ষতস্থানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।

র‍্যাব-১৪-এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার রোকন উদ্দিন জানান, র‍্যাব সদস্যরা মাদক উদ্ধারের অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন। এসময় আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

চৌদ্দগ্রামে শালিশী বৈঠকে হামলা, যুবককে কুপিয়ে হত্যা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে শালিশী সভায় হামলার ঘটনায় আহত ওয়াসিম (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের খিরণশাল গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। মঙ্গলবার বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেন নিহত ওয়াসিমের বড় বোন রিনা আক্তার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লনিশ্বর গ্রামের এছাক মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন ঘরের মেঝে পাকা করতে স্থানীয় কালাম মজুমদার মার্কেটে অবস্থিত ওয়াসিমের বড় ভাই শহীদের রড সিমেন্ট দোকান থেকে ১০ বস্তা সিমেন্ট, এক গাড়ি বালু ও ৫০০ ইট ক্রয় করে। সাদ্দাম হোসেন গত ৩০ এপ্রিল সিমেন্ট, বালু ও ইট বাবদ ১৭ হাজার টাকা শহীদকে দেওয়ার জন্য রিপন নামে এক যুবককে টাকা দেন। কিন্তু রিপন টাকাগুলো শহীদকে না দিয়ে আত্মসাত করায় উভয় পক্ষের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ২৮ জুন মঙ্গলবার রাতে লনিশ^র গ্রামে একটি শালিশী সভা হয়। সভায় টাকা দেওয়া-নেওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় ঘর বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ওয়াসিমসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। স্থানীয়রা আহত ওয়াসিমকে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দিলে পরিবারের সদস্যরা ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়। ওয়াসিমের পাঁচ বছর ও আড়াই বছর বয়সী দুইটি কন্যা সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন মজুমদার বলেন, লনিশ্বর গ্রামের সাদ্দাম গংরা পূর্ব পরিকল্পনা করে শালিশী সভার আয়োজন করে। এর আগে তারা পার্শ্ববর্তী শুভপুরের পাশাকোট গ্রাম থেকে বেশ কিছু ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে জড়ো করে রাখে। বিষয়টি ওয়াসিমরা জানতো না। সভাটি একটি নাটক মাত্র। এখানে গ্রাম্য কোন সমাজপতি ছিল না। সভা শুরু হওয়ার সাথে সাথে কথা কাটাকাটির জের ধরে ওয়াসিমকে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে মুমুর্ষু অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার শেষে হাসপাতালে ভর্তি করে। দীর্ঘ ৬ দিন চিকিৎসা শেষে সোমবার রাতে সে মারা যায়।

ওয়াসিমের বড় বোন রিনা আক্তার বলেন, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আমার ভাইকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে এবং রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় সোমবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আহত যুবক ওয়াসিমের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি। এখনও এ ঘটনায় থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গণতন্ত্র অবরুদ্ধ রেখে হাজারটা পদ্মা সেতু করলেও জনগণের আস্থা পাবে না: ফখরুল

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

‘গণতন্ত্র অবরুদ্ধ’ রেখে হাজারটা পদ্মা সেতু করলেও বর্তমান সরকার জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘দেশের জনগণ আমাদের পাশে থেকে বার বার ভোট দিচ্ছে। আমাদের ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আছে’- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন দিয়ে দেখুক না উনাদের প্রতি কতটুকু আস্থা আছে? হাজারটা পদ্মা সেতু করেও কোনো লাভ হবে না। আইয়ুব খান যে উন্নয়ন করেছিল পাকিস্তান আমলে… কিন্তু জনগণের রাজনৈতিক মুক্তি যদি না হয়, জনগণ যদি গণতন্ত্রকে না পায়, গণতন্ত্র যদি না থাকে, তার অধিকার যদি না থাকে, তার ভোটাধিকার না থাকে সেখানে কিন্তু কোনো লাভ হয় না।’

‘আর ভোট দিচ্ছে কোথায়? মানুষ ভোট দিতে পারছে কোথায় যে, জনগণের আস্থাটা গ্রহণ করছেন তিনি কীভাবে? তিনি তো কাগজে-কলমে সিল মেরে আগের রাত্রে ভোট দিচ্ছেন, ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের মতো আর কি।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচনের বিষয়ে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এটা নির্ভর করবে নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হবে কি না তার ওপর। যদি নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হয়, তাহলে আমাদের অংশগ্রহণ অবশ্যই দৃশ্যমান হবে।আর যদি না হয় হবে না।আমরা খুব স্পষ্ট করে বলেছি, বাংলাদেশে যদি একটা সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন করতে হয় এখানে অবশ্যই একটা নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকার থাকতে হবে। তা না হলে এখানে কোনোমতেই আপনার যদি একেবারে স্বর্গ থেকে নির্বাচন কমিশনার নিয়ে আসেন তাহলেও সেটাকে সুষ্ঠু করতে পারবেন না- ইমপোসিবল।’

গত ২৫ জুন করোনায় আক্রান্ত হয়ে টানা ৮দিনে উত্তরার বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নেন মির্জা ফখরুল। রোববার করোনামুক্ত হওয়ার পর মঙ্গলবার গুলশানের কার্যালয় এসে বিএনপি মহাসচিব প্রথম সংবাদ সম্মেলনে আসেন।এতে সোমবার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।

ভারতকে হারিয়ে অবিশ্বাস্য জয় ইংল্যান্ডের

স্পোর্টস ডেস্কঃ

জো রুট ও জনি বেয়ারস্টোর জোড়া সেঞ্চুরিতে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলিং লাইনআপকে ধসিয়ে দিয়ে অবিশ্বাস্য এক জয় পেল ইংল্যান্ড।

ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১৩২ রানে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ড চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য ৩৭৮ রানের টার্গেট পায়। এজবাস্টনের ১২০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয়ের রেকর্ড গড়েছে ইংল্যান্ড।

চতুর্থ ইনিংসে ৩৭৮ রান তাড়া করে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছানো কঠিন ছিল ইংলিশদের; কিন্তু কঠিন কাজটি সহজ করেছেন ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। ভারতের বিপক্ষে রীতিমতো ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ইংলিশরা।

এজবাস্টন টেস্টে ঋষভ পন্থ ও রবিন্দ্র জাদের জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ৪১৬ রান করে ভারত। জবাবে জনি বেয়ারস্টোর সেঞ্চুরিতে ২৮৪ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড।
১৩২ রানে লিড পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে চেতেশ্বর পুজারা ও ঋষভ পন্থের জোড়া ফিফটিতে ভারত জমা করে ২৪৫ রান। কিন্তু জয়ের জন্য ভালো পুঁজি পেলেও তা আগলে রাখাটা কঠিন হয়ে যায় জসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সামি, মোহাম্মদ সিরাজ ও শার্দুল ঠাকুরদের জন্য।

৩৭৮ রানের বিশাল টার্গেট তাড়ায় বিধ্বংসী শুরু করেন স্বাগতিক ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার অ্যালেক্স লিস ও জ্যাক ক্রলি। উদ্বোধনী জুটিতে ১০৭ রান যোগ করেন তারা। ২২তম ওভারে জুটি ভাঙতেই ছন্দপতন হয় ইংল্যান্ডের। দুই রানের ব্যবধানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। লড়াইয়ে ফিরে আসে ভারত। ৭৬ বলে ৪৬ রান করে জসপ্রিত বুমরাহর বলে বোল্ড হন জ্যাক ক্রলি। ৬৫ বলে ৫৬ রানে রানআউট হন লিস। দুই ওপেনারের মাঝে অলি পোপকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান বুমরাহ।

বিনা উইকেটে ১০৭ রান করা ইংল্যান্ড এরপর মাত্র ২ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায়। সেই কঠিন ধাক্কা ইংল্যান্ড সামলে ওঠে জো রুট ও জনি বেয়ারস্টোর ব্যাটে। চতুর্থ দিনে ১৫০ রানের জুটি গড়েন তারা। দিনশেষে ১১২ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন রুট। ৮৭ বলে ৭২ রানে অপরাজিত বেয়ারস্টো।

মঙ্গলবার পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ১১৯ রান। আগের দিনে ৭৬ ও ৭২ রানে অপরাজিত থাকা রুট-বেয়ারস্টো এদিন সাবলীল ব্যাটিংয়ে জোড়া সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে।

এই জয়ে পাঁচ টেস্টের সিরিজে ২-২তে ড্র করে ইংল্যান্ড। শেষ টেস্টে দলের জয়ে ১৯টি চার আর ১টি ছক্কায় ১৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন রুট। আর ১৫টি চার আর ১টি ছক্কায় ১১৪রান করে অপরাজিত থাকেন জনি বেয়ারস্টো।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ভারত ১ম ইনিংস: ৪১৬ (ঋষভ পন্থ ১৪৬, রবিন্দ্র জাদেজা ১০৪, বুমরাহ ৩১*; জেমস অ্যান্ডারসন ৫/৬০)।

ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৮৪ (জনি বেয়ারস্টো ১০৬, সেম বিলিংস ৩৬; মোহাম্মদ সিরাজ ৪/৬৬, জসপ্রিত বুমরাহ ৩/৬৮)।

ভারত ২য় ইনিংস: ২৪৫ (চেতেশ্বর পুজারা ৬৬, ঋষভ পান্ত ৫৭; বেন স্টোকস ৪/৩৩)।

ইংল্যান্ড ২য় ইনিংস: (জো রুট১৪২*, জনি বেয়ারস্টোর ১১৪*, অ্যালেক্স লিস ৫৬, জ্যাক ক্রলি ৪৬)।

ফল: ইংল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী।

রাশিয়ার হামলায় বিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনে ৭৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

রাশিয়ার হামলায় বিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনে ৭৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের যে ক্ষতি করেছে, তা পুনর্নির্মাণ ইউক্রেনের একার পক্ষে সম্ভব নয়।

সোমবার সুইজারল্যান্ডে একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে ভিডিও কনফারেন্সে দেওয়া ভাষণে জেলেনস্কি এসব কথা বলেন। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে এই সংবাদ দিয়েছে ভারতের নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ইউক্রেনের পুনর্গঠনে সহায়তা চেয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট বলেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে হামলা চালিয়ে রাশিয়া পাহাড়সম ক্ষতি করেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনে সাড়ে সাতশ ডলার প্রয়োজন হবে।

ইউক্রেন পুনর্গঠনে পাশে দাঁড়ানো সব গণতান্ত্রিক বিশ্বের সম্মিলিত দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন জেলেনস্কি। বিশ্ব শান্তির পক্ষের দেশগুলোর বড় অবদান রাখতে হবে কিয়েভ পুনর্গঠনে।

জেলেনস্কি বলেন, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে। তাদের জবাবদিহি করতে হবে।

মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরফানুল হক রিফাত

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

মেয়র হিসেবে শপথ নিয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী আরফানুল হক রিফাত। মঙ্গলবার (৫ জুলাই) সকালে তাকে ভার্চুয়ালি শপথ পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে মেয়রকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী। এরপর কুসিকের ২৭ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ৯ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলরকে শপথবাক্য পাঠ করান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

এসময় প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধিদের দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়ার নির্দেশনা দেন। করোনা মোকাবিলায় দেশবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

গত ১৫ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। ১০৫ কেন্দ্রে তিনি ৫০ হাজার ৩১০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেবিল ঘড়ি প্রতীকের মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট।

৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে এবার মসলার চাষ শিখতে বিদেশ যাবেন ১৮ কর্মকর্তা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

এবার মসলার চাষ শিখতে বিদেশ যাবেন ১৮ জন কর্মকর্তা। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০ লাখ টাকা। প্রত্যেক কর্মকর্তার পেছনে যাবে প্রায় ৫ লাখ টাকা করে। তবে প্রস্তাব ছিল প্রায় ৬৫ জনের জন্য। পরিকল্পনা কমিশনের আপত্তির মুখে এই সংখ্যা কমে এসেছে। ‘মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। গত ২৮ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বিদেশ সফরের প্রস্তাবটিও অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দূর করা এবং কৃচ্ছ সাধনের জন্য বৈদেশিক সফরকে নিরুৎসাহিত করছে সরকার। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ সফরের লাগাম টানতে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে সময় সময়। এরই মধ্যে বৈদেশিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের নামে দুই ব্যাচে ৯ জন করে ১৮ জনের বিদেশ সফরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান যুগান্তরকে বলেন, অহেতুক বিদেশ সফর একধরনের অপচয়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। পরিকল্পনা কমিশন পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আগের তুলনায় এ রকম বিদেশ সফরের ঢালাও প্রস্তাব কমে এসেছে। একেবারেই গুরুত্বপূর্ণ না হলে বিদেশ সফর বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটির দায়িত্বে ছিল পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লি প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এটি অনুমোদনের পর এ বিভাগের সদস্য (সচিব) শরিফা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিক প্রস্তাবে বৈদেশিক শিক্ষা সফরের জন্য আরও বেশি অর্থ ও ব্যক্তির প্রস্তাব করা হয়েছিল। প্রায় ৬৫ জন কর্মকর্তার বিদেশ সফরের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় এ বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। আলাপ-আলোচনার পর দুই ব্যাচে ৯ জন করে ১৮ জনের ব্যয়ের সংস্থান রাখার সুপারিশ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, যেসব দেশে উন্নতমানের মসলা চাষ হয় এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হয়, সেসব দেশে শিক্ষাসফর করতে হবে। বিশেষ করে ভারত, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ডে উন্নত জাতের মসলা চাষ হয়।

প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে-২৮ হাজার ৬৫২টি মসলা প্রদর্শনী ও চারা কলম উৎপাদন-আমদানি করা। এছাড়া ৩০২টি কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় ও বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে পিএসআইসহ ৯৩টি পাওয়ার টিলার, ৭০টি পাওয়ার টিলার অপারেটিভ অনিওন প্লান্টার, ৭৫টি পাওয়ার টিলার অপারেটিভ গারলিক প্লান্টার অপারেটিভ কেনা হবে। আরও আছে-২৫টি দারুচিনি শুকানোর যন্ত্র এবং ৩৯টি মরিচ শুকানোর যন্ত্র কেনা হবে। সেই সঙ্গে সীমানাপ্রাচীর এবং বিভিন্ন শেড নির্মাণ, ২ হাজার ৬৫০ ব্যাচ কৃষক প্রশিক্ষণ, ৪৫ ব্যাচ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, ১৩৫ ব্যাচ কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ এবং ১ হাজার ৬৫০টি কৃষক মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনার আয়োজন করা হবে।

পরিকল্পনা সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী সোমবার যুগান্তরকে বলেন, প্রকল্প অনুমোদন হলেও সব অর্à¦