All posts by jitu

মাছের ড্রামে ১৮ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ১৮ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা হলেন বি-বাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার চারুয়া গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৪), একই এলাকার মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে আব্বাস উদ্দিন(৫৫) ও আব্দুল মুনাফের ছেলে জাকির হোসেন(৪০)।

রোববার (১০ এপ্রিল) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

এ সময় গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিদের হেফাজতে থাকা নীল রংয়ের প্লাষ্টিকের দুইটি ড্রাম তল্লাশি করে ৯টি প্যাকেটে মোট ১৮ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় কুমিল্লা থেকে একটি বড় ধরণের মাদক কারবারী মাদকের একটি বড় চালান নিয়ে নোয়াখালী অভিমুখে রওয়ানা হয়েছে। তারা সোনাইমুড়ী থানাধীন সোনাইমুড়ী পৌরসভা এলাকার কুমিল্লা নোয়াখালীগামী মহাসড়কের দ্বোস্বিমপাড়া গ্রামের কলাবাগান এলাকায় অবস্থান করছে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় দুইটি নীল রংয়ের প্লাষ্টিক ড্রামসহ সেখানে তিনজন মাদক কারবারি অবস্থান করছে। পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে প্লাষ্টিকের ড্রামের পাশে অবস্থানরত লোকগুলি দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে গ্রেফতার করে।

সদরের আমতলী বিশ্বরোড থেকে ফেন্সিডিলসহ ৩ জন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদরের আমতলী বিশ্বরোড এলাকা থেকে ৩০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১ এর সিপিসি-২ সদস্যরা। এ সময় একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন কুমিল্লার বি-পাড়া উপজেলার হরিমঙ্গল গ্রামের মোঃ রানু মিয়ার ছেলে মোঃ রাজিব হোসেন(২৭), একই জেলার বাঙ্গুরা থানার বাঙ্গুরা গ্রামের মোঃ ময়নুল ইসলাম জুয়েল (২৬) ও বি-পাড়া থানার দক্ষিণ তেতাভূমি গ্রামের মৃত মোঃ মফিজ আলীর ছেলে মোঃ শরীফ মিয়া(২৬)।

এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

৮০ রানে অলআউট টাইগাররা, ৩৩২ রানের হার

স্পোর্টস ডেস্ক:

ডারবান টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে একাই বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন কেশব মহারাজ। পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টেও তার স্পিন বিষে নীল হলো টাইগাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট নিলেন তিনি। আর ৮০ রানে গুটিয়ে গিয়ে ৩৩২ রানে পরাজিত হলো বাংলাদেশ। তাতে দুই ম্যাচ সিরিজ ২-০ তে জিতে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

৪১৩ রানের লক্ষ্যে নেমে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারানোয় টেস্টের তৃতীয় দিনেই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় এ ম্যাচ বাঁচাতে পারবে না বাংলাদেশ। আজ চতুর্থ দিনের সকালে ৫ ওভারের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। কেশব মহারাজের করা ইনিংসের ১১তম ওভারের তৃতীয় বলে সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহীম (১)। মাত্র ৮ বল টিকেছেন তিনি।

এক ওভার বিরতি দিয়ে ফের উইকেট খোয়ায় বাংলাদেশ। দলীয় ৩৮ রানে মহারাজের শিকার হয়ে ফেরেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। ২৫ বলে তার সংগ্রহ ৫ রান।

উইকেটে এসে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন ইয়াসির। ৫ বলে শূন্য রান করে হারমারের বলে ক্যাচ দেন লিজাড উইলিয়ামসের কাছে।

প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৩ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এবার লিটন দাসের ২৭ রানের কল্যাণে ওই সংগ্রহ পেরিয়ে যায় টাইগাররা। দলীয় ৬৯ রানে মহারাজের পঞ্চম শিকার হয়ে ফেরেন লিটন। এরপর স্কোরবোর্ডে আর ১১ রান যোগ করে অলআউট হয় বাংলাদেশ। টেস্টে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর।

প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪৫৩ রানের জবাবে ২১৭ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৭৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। এতে বাংলাদেশের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ৪১৩ রান।

টেস্টে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন ইনিংস

৪৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নর্থ সাউন্ড ২০১৮

৫৩ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ডারবান ২০২২

৬২ বনাম শ্রীলঙ্কা, কলম্বো ২০০৭

৮০ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, পোর্ট এলিজাবেথ (গেবেখা) ২০২২

৮৬ বনাম শ্রীলঙ্কা, কলম্বো ২০০৫

৮৭

 

বনাম পাকিস্তান, মিরপুর ২০২১

পরীক্ষার হলে লাইভ করা ছাত্রলীগ নেতা মহিষ চুরি মামলারও আসামি

ডেস্ক রিপোর্ট:
ঝিনাইদহে পরীক্ষা চলাকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করা সেই কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন সুমন মহিষ চুরির মামলায় আদালতের চার্জশিটভুক্ত আসামি।

রোববার (১০ই এপ্রিল) রাতে এ তথ্য পাওয়া যায়। বর্তমানে মামলাটি ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন। আগামী ২৭শে এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত আছে। তবে এ মামলায় জামিনে রয়েছেন মনির হোসেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার গুড়পাড়া গ্রামের কৃষক নাসির উদ্দিনের গোয়ালঘর থেকে গত ২০২০ সালের ১৬ জুন রাতে দুটি মহিষ চুরি যায়। এ ঘটনায় ১৮ জুন ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কোটচাঁদপুর থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়। পরে কালীগঞ্জের চাচড়া এলাকা থেকে একটি ও একই গ্রামের সেলিম হোসেনের বাড়ি থেকে আরেকটি মহিষ উদ্ধার করা হয়। ২০২০ সালের ২৭ জুন কোটচাঁদপুর থানায় সেলিম হোসেনসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন।

এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোটচাঁদপুর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক তৌফিক আনাম কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও শিবনগর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে মনির হোসেন সুমনসহ তিনজনকে পলাতক ও দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে পলাতক আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে। এরপর চার্জশিটভুক্ত ৫ আসামিই জামিনে বেরিয়ে আসেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বর্তমানে শৈলকুপা উপজেলার হাটফাজিলপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ তৌফিক আনাম বলেন, আমরা যখন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিই তখন ঘটনার সত্যতা তো কিছু অবশ্যই ছিল। আমি পাঁচজনের নামেই আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছিলাম। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন। আদালতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

মামলার বাদী কোটচাঁদপুর উপজেলার গুড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা নাসির উদ্দিন বলেন, আমার মহিষ চুরির ঘটনায় মামলা হয়েছিল। সেই মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মনির হোসেন সুমন কালীগঞ্জের ও কোটচাঁদপুরের নেতাদের এনে বারবার মামলা তুলে নিতে বলছিল।
তিনি আরও বলেন, আমি একটু ভয়ে তো ছিলামই। তবে ঘটনা যাই হোক আমার মহিষ চুরি হলো। আমি তো অবশ্যই জড়িতদের শাস্তি চাই। আদালত যেন সঠিকভাবে বিচার করে সেই প্রত্যাশা আমার।

২০২০ সালের মহিষ চুরির ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা মনির হোসেন সুমন জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে সেসময় ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তৎকালীন (বর্তমানে বিলুপ্ত কমিটি) জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রানা হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল।

সদ্য বিলুপ্ত কমিটির জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রানা হামিদ বলেন, সেসময় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের তদন্ত কমিটি ঘটনার তদন্ত করেছিল। তবে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সেটি বলেননি তিনি।
এ বিষয়ে নিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শনিবার (৯ এপ্রিল) কমিটি বিলুপ্ত মনির হোসেন সুমনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইলফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এদিকে পরীক্ষার হলে লাইভ করার ঘটনা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে গতকাল শনিবার রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ দেখিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দেশব্যাপী কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন ও গ্রাফিকস ডিজাইন বিষয়ে ৬ মাস ও ৩ মাস মেয়াদি কোর্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কালীগঞ্জ উপজেলার প্রিজম কম্পিউটার একাডেমির একজন পরীক্ষার্থী হিসেবে মনির হোসেন সুমন পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা চলাকালে মনির হোসেন সুমন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লাইভ শুরু করেন। এ সময় সেখানে তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথাবার্তা বলেন।

যোগাযোগের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইমো’র পপ-আপ সেফটি টিপস চালু

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

সন্দেহজনক কর্মকান্ড শনাক্ত করার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সাইবার হয়রানি থেকে সুরক্ষিত রাখতে জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ ইমো সম্প্রতি এর অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে ‘সেফটি টিপস’ চালু করেছে। এই ফিচারটির ফলে এখন কোনো সন্দেহভাজন হয়রানি বা উত্যক্তকারী কল বা টেক্সটের মাধ্যমে ইমো ব্যবহারকারীদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ব্যবহারকারীরা স্ক্রিনে কিছু সেফটি টিপস দেখতে পারবেন। এসব টিপস ব্যবহারকারীদের অপরপক্ষের উদ্দেশ্য বুঝতে সাহায্য করবে, ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি সেটিং পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা দেবে এবং ব্যবহারকারীদের হয়রানি থেকে সুরক্ষিত রাখবে।

ব্যবহারকারীদের নিরাপদ অভিজ্ঞতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সন্দেহভাজন হয়রানকারীদের শনাক্ত করতে ইমো অ্যালগরিদমের সাথে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমন্বয় করেছে। একবার কোনো নির্দিষ্ট কলারকে হয়রানকারী সন্দেহে চিহ্নিত করা হলে, সে কোনো ব্যবহারকারীকে কল করার পর রিসিভারের স্ক্রিনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেফটি টিপসগুলো ভেসে উঠবে। এছাড়া, নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীরা এরপর ‘হু ক্যান কল মি’ বিষয়ে প্রাইভেসি সেটিং গাইড দেখতে পারবেন। অ্যাপের সেটিংস-এ গিয়ে ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুসারে কলার গ্রুপ হিসেবে ‘এভ্রিওয়ান’ বা ‘মাই কন্টাক্টস’ সেট করতে পারবেন। ওয়ান-অন-ওয়ান চ্যাটের ক্ষেত্রেও ব্যবহারকারীরা একই কাজ করতে পারবেন এবং সেফটি টিপস পাওয়ার সময় সন্দেহভাজন হয়রানকারীকে ব্লক এবং রিপোর্ট করতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে এসব টিপস এখন বাংলা ও ইংরেজি সহ একাধিক ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে।

ইমো জানায়, ব্যবহারকারীরা যাতে ডিজিটাল স্পেসে নিরাপদ এবং সুস্থ যোগাযোগের পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন, এজন্য প্রতিষ্ঠানটি পপ-আপ সেফটি টিপস চালু করেছে। এভাবে ব্যবহারকারীদেরকে যেকোনো অসুবিধা থেকে সুরক্ষিত রাখবে ইমো। এসব সেফটি টিপস চালুর মাধ্যমে ইমো ব্যবহারকারীদের অপ্রত্যাশিত হয়রানি থেকে সুরক্ষিত থাকতে সাহায্য করছে। আগামী দিনগুলোতে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য পূরণের পাশাপাশি ইমো নিজ অ্যাপ্লিকেশনকে আরও ব্যবহারকারী-বান্ধব করে তুলবে ও নিরাপত্তা ফিচার নিয়ে কাজ করবে।

চাঁদপুরে ২ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে চাঁদপুর পুরাণ বাজারের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। পণ্যের মূল্য তালিকা না থাকায়, স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে মাঠা ও দধি তৈরি না করার অপরাধে শম্ভু ঘোষ মিষ্টান্ন ও খান ট্রেডার্সকে ৩ হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

রবিবার (১০ এপ্রিল) চাঁদপুরের ডিএসআই নীনা আক্তার ও পুরাণ বাজার পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মোহাম্মদ আলীসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে এই দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন। এবং পুরাণ বাজারে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ফুচকা বিক্রির দায়ে বিক্রেতাকে আইনানুগ হুশিয়ারী দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে নুর হোসেন জানান, মূল্য তালিকা না টাঙানো ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরিসহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পাইকারি ও খুচরা বাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানকালে মোট ২ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও এক ফুচকা বিক্রেতাকে স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে ফুচকা বিক্রির জন্য বলা হয়। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে অধিদপ্তরের অভিযান চলছে এবং এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক কারাগারে

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ
চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের জামিন না মঞ্জুর কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রবিবার (১০ এপ্রিল) সকালে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ এস এম জিয়াউর রহমান এর আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন। পরে দুপুর ১২টায় তাকে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে আদালত প্রাঙ্গন ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মূখে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ করে। এসময় অনেক নেতা-কর্মী রাস্তায় শুয়ে পড়ে। এতে সড়কে যান চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদ্য নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্ল্যাহ সেলিম বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচন বানচালের জন্য বিএনপির বিরুদ্ধে ‘‘গায়েবী মামলা’’ করা হয়। কালীবাড়িতে ঘটনার দিন তিনি হাজারো নেতা-কর্মী নিয়ে রেললাইন উত্তোলন করেছেন মর্মে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘মামলা নং জিআর ৫৬১, এসটিসি ১/২২। শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এ গায়বী মামলার কোনো আসামী ছিলেন না। নতুন করে তার নাম চার্জশীটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে আজকে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এসেছেন। আমি এ মামলার প্রধান আসামী। এ মামলার সকলে জামিনে রয়েছে।’

তিনি এ মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এদিকে মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হলেন অ্যাড. রনজিৎ রায় চৌধুরী। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এটিএম মোস্তফা কামাল।

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময়ে আদালতে যা হয়েছিল

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময়ের এক তথ্য আবার সাড়া ফেলেছে নেট দুনিয়ায়।

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় কোর্টের বিচারক ঘোষণা করলেন, জেমিমার সম্পত্তির অর্ধেক ১২ হাজার কোটি পাউন্ড ইমরান খান পাবেন। ইমরান খান উত্তর দিলেন, আমার তার দরকার নেই।

বিচারক আশ্চর্য হয়ে গেলেন, জেমিমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কেন এরকম নির্লোভ এবং মহান একজন স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ চাচ্ছেন?

জেমিমার উত্তর ছিল, ইমরান খান যদি লন্ডনে তার সাথে বসবাস করেন তাহলে তিনি এই বিচ্ছেদ চাইবেন না।
বিচারক জিজ্ঞেস করলেন জেমিমা আপনি কেন পাকিস্থানে থাকতে চান না?

জেমিমার উত্তর ছিল, পাকিস্তানের কলুষিত রাজনৈতিক নোংরা শিকারে পরিণত হচ্ছেন তিনি। নওয়াজ শরিফ সরকার তাকে স্মাগলিং মামলায় ফাঁসিয়েছে।

বিচারক ইমরান খানকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি কেন লন্ডনে থাকতে চাচ্ছেন না?

ইমরান খানের উত্তর ছিল পাকিস্তান অনেক গরিব দেশ এই দেশে অশিক্ষা দারিদ্র্য অবিচারে ভরপুর তিনি কিছু একটা করতে চান দেশের জন্য। তাই লন্ডনে থাকে তার জন্য সম্ভব নয়।
বিচারক বলেন সে ক্ষেত্রে বাচ্চা দুজন তাদের মায়ের সাথে থাকবে।

ইমরান সানন্দে রাজি হলেন এবং বললেন জেমিমা অত্যন্ত চমৎকার একজন স্ত্রী এবং তার চেয়েও চমৎকার একজন মা সুতরাং বাচ্চাদের তার কাছেই থাকা উচিত।

বিচারক আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে রইলেন ইমরান খানের দিকে। ইমরান খানের সাথে হাত মেলালেন এবং তার পরপরই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন।

জেমিমা ও ইমরান খান পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকলেন।

প্রেরণা ফাউন্ডেশন ও বিফেক-এর যৌথ উদ্যোগে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য কোরীয় ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম

ডেস্ক রিপোর্ট:
২০২০-২০২১ অর্থবছরে প্রবাসী শ্রমিক আয় হতে দেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের মোট পরিমাণ ছিলো ২৪.৭৭ মার্কিন ডলার। মহামারী-পরবর্তী বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থিতিশিলতা বিবেচনায়, এই বিপূল রেমিট্যান্স আয় বাংলাদেশের জন্য একটি রেকর্ড। বিশ্ব অভিবাসন প্রতিবেদন ২০২২ অনুযায়ী, বৈদেশিক শ্রমবাজারে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর তথ্যমতে দেশের জিডিপি’র প্রায় ১২ শতাংশ আসে সারা বিশ্বে কর্মরত প্রায় ১০ মিলিয়নেরও বেশী প্রবাসী বাংলাদেশীর উপার্জিত অর্থ থেকে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হলে অবশ্যই এর সাথে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে।

পূর্ব-এশীয় দেশ সহ অন্যান্য আরও দেশে বাংলাদেশীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হচ্ছে, যা আশা যোগাচ্ছে। তবে, প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকদের দক্ষতার অভাবের কারণে, তাদের গড় আয় ভারত, চীন ও ফিলিপাইনসের প্রবাসী শ্রমিকদের তুলনায় অনেক কম। শ্রমিকপিছু রেমিট্যান্স প্রবাহ হিসেবে, বাংলাদেশী প্রবাসী শ্রমিকদের উপার্জন বিশ্বের অন্যান্য যে কোন দেশের শ্রমিকদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম, যার অন্যতম কারণ সঠিক দক্ষতার অভাব। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশী প্রবাসী শ্রমিকদের আয় বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের একটি টেকসই ভিত গড়ে তুলতে বিদেশমুখী জনশক্তির দক্ষতা উন্নয়ন একান্ত জরুরী।
বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মীর চাহিদা মেটানোর এক সুবর্ণ সুযোগ আছে। দেশের জনশক্তির নিয়োগযোগ্যতাকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফরেন এমপ্লয়মেন্ট কাউন্সিল (বিফেক)। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে, বিফেক প্রবাসী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও বিকাশে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি, বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অধীনে বিফেক একটি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য দেশে গমনকারী প্রবাসী শ্রমিকদের স্থানীয় ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

প্রেরণা ফাউন্ডেশন, একটি সমাজকল্যানমূলক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান-এর সাথে যৌথ উদ্যোগে বিফেক কোরীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই কার্যক্রমের লক্ষ্য হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়াগামী বাংলাদেশী শ্রমিকদের কোরীয় ভাষা প্রশিক্ষণ দেয়া। এর মাধ্যমে, কোরিয়া সরকারের এমপ্লয়মেন্ট পারমিট স্কীম (ইপিএস) কার্যক্রমের আওতায় বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য কাজের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। প্রাথমিকভাবে ২০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের বিশ্বাস, এই ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম দেশের প্রবাসী শ্রমিকদের উচ্চ উপার্জনক্ষম করে তুলে, দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রশিক্ষণ শেষে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাভূক্ত বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিঃ (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে, প্রশিক্ষিত কর্মীদের দক্ষিণ কোরিয়া পাঠানো হবে।

শাব্বির আহমদ চৌধুরী, সচিব (পশ্চিম), পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, বলেন, “ভাষার জ্ঞানটাকে যদি যথাযথ মাত্রায় উন্নীত করতে পারি, তাহলে প্রবাসী শ্রমিকদের আয় বৃদ্ধি হবে, এবং পাশাপাশি রেমিট্যান্স থেকে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভও বৃদ্ধি পাবে।“

শেহ্জাদ মুনীম, সদস্য, অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল, প্রেরণা ফাউন্ডেশন, বলেন “আমরা একটি ইকোসিস্টেম তৈরী করতে চাচ্ছি যার মাধ্যমে আমরা সকলে একত্রে কাজ করতে পারি, এবং রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারি।“

এম নাঈম হোসেন, সভাপতি, বিফেক, বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি, বাংলাদেশী প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ – ভাষা শিক্ষা, হসপিটালিটি সার্ভিস, টেকনিক্যাল স্কিল, ইত্যাদি- পরিচালনা করা যার মাধ্যমে এই শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।“

সম্প্রতি “কোরীয় ভাষা শিক্ষা” কার্যক্রমের যাত্রা শুরু উপলক্ষে একটি সফট লঞ্চ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষন কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তাারিত বর্ণনা উপস্থাপন করেন শেখ শাবাব আহমেদ, পরিচালক, গভর্নিং বডি, প্রেরণা ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাব্বির আহমদ চৌধুরী, সচিব (পশ্চিম), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; এম নাঈম হোসেন, সভাপতি, বিফেক; শেহ্জাদ মুনীম, সদস্য, অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল, প্রেরণা ফাউন্ডেশন; মোঃ মিয়ারুল হক, কান্ট্রি ম্যানেজার, ডিএইচএল এক্সপ্রেস বাংলাদেশ; ড. রিয়াদ মামুন প্রধানী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কান্ট্রি প্রেসিডেন্ট, নোভারটিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড; মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; কাজী এম শাহেদ, সিইও, জুনোকস; জারা মাহবুব, সিইও, ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট বাংলাদেশ; বনানী বিশ্বাস, মহাব্যবস্থাপক,

 

বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল); তারেক রাফি ভূঁইয়া, মহাসচিব, জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি (জেবিসিসিআই)। এছাড়াও, ভার্চুয়াল মাধ্যমের ব্যবহারে এ অনুষ্ঠান আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ নজরুল ইসলাম, মান্যà¦