All posts by jitu

সদর দক্ষিণে নির্ধারিত মূল্যের অধিক দামে সার বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

শাহ ফয়সাল কারীম:

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা হিলালনগর এলাকায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগে একজন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪০ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুকদার।

তিনি বলেন, কৃষকদের যেন হয়রানির শিকার হতে না হয় এবং সঠিক দামে সার পেতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎ব্রাহ্মণপাড়ায় হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান উপলক্ষে বার্ষিক ইসলামী মহাসম্মেলন

‎মোঃ বাছির উদ্দিন, ব্রাহ্মণপাড়া:

‎কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া দারুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজ ছাত্রদের দস্তারবন্দী, পুরষ্কার বিতরন ও শিক্ষা প্রদর্শনী উপলক্ষে ৫ম বার্ষিক ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টা থেকে শুরু করে মধ্যরাত পর্যন্ত সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের শুরুতে মাদ্রাসার ছাত্ররা হামদ-নাত, গজল ও শিক্ষা প্রদর্শনী পরিবেশন করেন। এতে ব্রাহ্মণপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি হাজী মো. মোজাম্মেল হক ভূইঁয়া (দুলাল) এর সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. তামজীদ ভূইঁয়া এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মো. জসিম উদ্দিন।

প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনন্দিত মুফাচ্ছিরে কুরআন হযরত মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী (কুয়াকাটা)। ওয়াজ পেশ করেন মুফতি রেজাউল করিম, মুফতি সাঈদ আহম্মেদ কলরব, মাওলানা রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরী, মুফতি দেলোয়ার হোসেন।

সম্মেলনে উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. কবির আহাম্মেদ ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মো. বাকী এর যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. আমির হোসেন, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি হাজী মো. আবু কাউছার, মো. শামসুল হকসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দরা। সবশেষে হাফেজ ছাত্রদের সাফল্যে কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন হযরত মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী (কুয়াকাটা)।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না থেকেও মানুষের কল্যাণে বিএনপি কাজ করছে- জসিম উদ্দিন জসিম

মো: সাইফুল ইসলাম ভুইয়া:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন জসিম বলেছেন, বিএনপি একটি গণমানুষের দল। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না থাকলেও বিএনপি দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার  দুপুরে উপজেলার দুলালপুর দক্ষিণপাড়ার ফকির বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চারটি অসহায় পরিবারের মাঝে গৃহনির্মাণের জন্য নগদ অর্থ বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।

জসিম উদ্দিন জসিম বলেন, “শুধু রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিতরণ করেই অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফুটানো সম্ভব নয়। আমরা প্রমাণ করতে চাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের মুখে হাসি ফোটানো যায়। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান ও প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে করোনাকালীন সময় ও বন্যায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। লাশ দাফন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সহায়তার মাধ্যমে মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছি। আজ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ঘর নির্মাণে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলো, ভবিষ্যতেও এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য নেতাকর্মীদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে। কিন্তু ছাত্র-জনতা জ্বালিম সরকারকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। আগে আমরা লুকিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতাম, এখন প্রকাশ্যে করতে পারছি। নেতাকর্মীদের বলব—অসহায় মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন—ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আমির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন কবির সরকার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান রিপন ভূঁইয়া চেয়ারম্যান, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আবু কাউসার, সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম বাকি, দুলালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম সরকার, সহসভাপতি মাসুদ আলম, আবুল কালাম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আলম ভূঁইয়া জুয়েল, উপজেলা যুবদল নেতা এডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন, দুলালপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুর রহিম অপু, সাবেক ছাত্রদল নেতা বদিউজ্জামান জামাল, যুবদল নেতা আমিন মৈশান ও ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

বিএনপির পক্ষ থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চার পরিবারকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।

কুমিল্লা-বাগড়া সড়কের দুরবস্থা নিরসনে কোদাল হাতে হাজী জসিম উদ্দিন, মানবিক দৃষ্টান্তে মুগ্ধ এলাকাবাসী

মোঃ সাইফুল ইসলাম ভুইয়া:

দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও গর্তে ভরা কুমিল্লা-বাগড়া সড়ক অবশেষে সংস্কারের উদ্যোগ পেল স্থানীয়ভাবে। তবে তা সরকারি উদ্যোগ নয়, মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুমিল্লা-৫ আসনের বিএনপির সম্ভাব্য সংসদ প্রার্থী হাজী জসিম উদ্দিন নিজেই।

বুড়িচং উপজেলার কালিকাপুর, ফকির বাজারসহ আশপাশের এলাকায় সড়কজুড়ে তৈরি হওয়া বড় বড় গর্ত ও জমে থাকা পানি স্থানীয়দের জন্য যেন ছিল দুর্ভোগের অন্তহীন যন্ত্রণা। প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ পথচারী ও যানবাহনচালকরা ভোগান্তি পোহাচ্ছিলেন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে।

এমন পরিস্থিতি দেখে আর চুপ করে থাকতে পারেননি হাজী জসিম উদ্দিন। তিনি ব্যক্তিগত অর্থায়নে, নিজের ‘জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশন’-এর কর্মী ও স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন। হাতে কোদাল তুলে নিয়ে একেবারে সাধারণ শ্রমিকের মতো অংশ নেন সংস্কার কার্যক্রমে। এতে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন।

মানুষের কষ্ট কমানোই আমার রাজনীতি বললেন হাজী জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, মানুষের কষ্ট কমানোই আমার রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য। সরকারের দায়িত্ব হলেও সাধারণ মানুষের স্বার্থে আমি সবসময় প্রস্তুত আছি। আমার এই কাজ চলমান থাকবে।

হাজী জসিম উদ্দিনের এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ ও পথচারীরা। তাদের ভাষ্যে, এ ধরনের মানবিক কাজ তিনি আগেও করেছেন। করোনাকালে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণসামগ্রী নিয়ে ছুটে যাওয়া প্রতিবারই তিনি প্রমাণ করেছেন তিনি মাটি ও মানুষের নেতা।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এভাবেই তিনি জনগণের পাশে থেকে জনস্বার্থে কাজ করে যাবেন।

মানুষের নেতা হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছেন হাজী জসিম উদ্দিন জসিম। একদিকে যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যর্থতার অভিযোগ উঠছে, তখন নিজ উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার করে হাজী জসিম উদ্দিন প্রমাণ করলেন, সত্যিকারের রাজনীতি মানে হলো মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তার এই পদক্ষেপ শুধু রাস্তার খানাখন্দ মেরামত নয়, বরং মানুষের হৃদয়ে আস্থা ও ভালোবাসার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।

দাউদকান্দিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বিটেশ্বর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরাম” ও “দাউদকান্দি নাগরিক ফোরাম”-এর যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলার বিটেশ্বর এস.আর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি মো. নূরআলম ভূঁইয়া আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তার। উদ্বোধক ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, এখন টিভি’র কুমিল্লা ব্যুরো চিফ খালেদ সাইফুল্লাহ, মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার গাজী মোতাব্বির হোসেন, সংগঠনের সেক্রেটারি সাংবাদিক শরীফ প্রধান, প্যানেল চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিব ইসলাম মো. মিজানুর রহমান তালুকদার।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এডভোকেট রাসেল রাফি। আলোচনা শেষে ৩০০ শিক্ষার্থীর হাতে বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয়ের আঙিনায় অতিথিদের অংশগ্রহণে বৃক্ষ রোপণ করা হয়।

সদরের অরণ্যপুর এলাকায় ৬৯০০ পিস ইয়াবাসহ একজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদরের অরণ্যপুর এলাকা হতে ৬ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো: নজির আহাম্মেদকে (৪৪) আটক করেছে র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ সদস্যরা।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অরন্যপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

আটক হওয়া মোঃ নজির আহাম্মেদ কুমিল্লা সদরের পশ্চিম ঝাকুনিপাড়া গ্রামের মোঃ মমিন মিয়ার ছেলে।

জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র‌্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কুবির ৫৫ জন শিক্ষার্থী পেলো ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড

চাঁদনী আক্তার, কুবি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ ও সনদ প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ ভার্চুয়াল কক্ষে সকাল ১১টায় এ অনুষ্ঠান শুরু হয়।

কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম (পিএইচডি), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী,  কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।

ভাইস চ্যান্সেলর অ‌্যাওয়ার্ডে ৫৫ জন শিক্ষার্থীকে মনোনয়ন করা হয়েছে তারা হলেন ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ ও ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তবে ফার্মেসি বিভাগের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর মেয়াদি কোর্স হওয়ায় ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেও শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে।

মোট ৪টি ক্যাটাগরিতে দেয়া হচ্ছে এই ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড” মেধাবী (স্নাতকে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী), মেধাবী ( স্নাতকের দুই সেমিস্টারের সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী), মেধাবী ও অস্বচ্ছল ( সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী ও অর্থনৈতিক ভাবে অস্বচ্ছল) এবং স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে। মনোনীত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ জন ছেলে এবং ৪৩ জন মেয়ে রয়েছেন। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম বলেন,” তোমরা চিন্তাটা সীমাবদ্ধ রাখবে না। তোমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে কিংবা দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষক হবে এরকম চিন্তাধারা রাখিও না। এটা এক প্রকার গণ্ডীর মধ্যে আবদ্ধ থাকা। তোমাদের গণ্ডীটাকে আরো ছড়িয়ে দিতে হবে। তোমরা দেশেও থাকবে এবং বাইরেও থাকবে। প্রথমত, তোমাদের ভালো মানুষ হতে হবে। আমার একটাই কথা, আমরা লেখাপড়া শিখি বা না শিখি আমাদের প্রথমে ভালো মানুষ হতে হবে। আমাদের জ্ঞান অর্জন করতে হবে, জিপিএ নির্ভর হলে চলবে না। পেয়ে গেছি এই আত্মতুষ্টিতে নিয়ে বসে থাকলে চলবে না, পথ এখনো বাকি আরো এগিয়ে যেতে হবে। ”

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন,” আসলে বৃত্তিটা শুধু অনুপ্রেরণা না, এটা হলো ভবিষ্যতে সত্য ও ন্যায়ের সাথে জীবন পরিচালনা করার পথ নির্দেশক। খারাপ কিছুকে ভালো কিছু দিয়ে জয় করবে। আমি আশা করবো তোমরা বিভিন্ন জ্ঞানী-গুণী ও মহর্ষীদের জীবনিগুলো পড়বে এবং তা অনুসরণ করবে। ধর্মীয় দিকনির্দেশনাগুলো মনে চলবে।”

উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলী বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি বক্তব্য শুরু করছি। আমি সবসময় মেধাবীদের কাছে একটু দূর্বল। তোমরা দেশ এবং পৃথিবীকে এগিয়ে নেয়ার জন্য নিজেদেরকে গড়ে তোল। এখন গতানুগতিক ধারার জ্ঞানের তেমন প্রয়োজন পড়ে না কারণ এগুলো এখন চ্যাটবটগুলোই করে ফেলতে পারবে। এখন হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটির যুগ, নিজেদেরকে সৃজনশীলতায় দক্ষ করে গড়ে তোলতে হবে। শিক্ষাজীবনে তোমরা সফল হয়েছো এটার প্রতিফলন যাতে তোমাদের কর্মজীবনেও ঘটে।’

মুরাদনগরে গাছের ডাল সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর:

কুমিল্লার মুরাদনগরে টিনের চাল থেকে ছাঁটাই করা গাছের ডাল সারাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বেবি বেগম (৫০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের কামালকান্দি পাঁচকিত্তা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বেবি বেগম কামালকান্দি পাঁচকিত্তা গ্রামের মুর্শিদ মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত বেবি বেগম ও তার স্বামী মুর্শিদ মিয়া কয়েক মাস ধরে ছেলেকে নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। সেখানে থেকে ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য কাজ শেখাচ্ছিলেন। কয়েকদিন আগে বিশেষ কাজে স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই বাড়িতে আসেন। ঘটনার দিন মুর্শিদ মিয়া গাছের ডালা ছাঁটাই করলে সেটি পার্শ্ববর্তী বাড়ির টিনের বেড়ার ওপরে গিয়ে পড়ে। সেখন থেকে ছাঁটাইকৃত ডালা সরাতে গেলে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠ হয় বেবি বেগম। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। টিনের বেড়ার সাথে লাগোয়া ভাবে বিদ্যুতের খুঁটি ও ডিস লাইন সহ বিভিন্ন তারের সংযোগ ছিল, সে কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এবিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, নিহতের মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

এক ঠিকাদারে জিম্মি চৌদ্দগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সড়কের উন্নয়ন; বাববার কাজ বাতিলের চিঠি দিলেও তোয়াক্কা করছেনা ঠিকাদার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঠিকাদারের অবহেলায় গুরুত্বপূর্ণ নানকরা-দুর্গাপুর সড়কের নির্মাণকাজ নির্দিষ্ট সময়সীমার দুই বছরেও শেষ হয়নি। এতে করে ব্যাপক দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছেন সাধারন মানুষ। বর্তমান বর্ষা মৌসুমে সড়কের বিভিন্ন অংশে খানা-খন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানচলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ না করায় জনদুর্ভোগ ও চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর হতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর কাজ বাতিলের একাধিকার চিঠি দিলেও বারবার তা ঠেকিয়ে দেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফাতেমা ট্রেডার্সের স্বত্বাধীকারী আ’লীগ নেতা অলি আহমেদ মজুমদার।

জানা যায়, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের সহযোগীতায় বড় বড় প্রকল্পের কাজ ভাগিয়ে নিতেন অলি আহমেদ। দলীয় পরিচয়ের কারণে সড়ক নির্মাণ, স্কুল ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম করেও পার পেতেন তিনি। আগষ্ট পরবর্তী সময়েও এই ঠিকাদারের ক্ষমতা দেখে চৌদ্দগ্রামের নানান মহলে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিতর্কিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফাতেমা ট্রেডার্স ও তাদের অপর প্রতিষ্ঠান রাজিয়া এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে উপজেলার আরও একাধিক সড়ক নির্মাণেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নানকরা দুর্গাপুর সড়ক ছাড়াও আরও অন্তত ৪টি সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখে উপজেলার উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্থ করছেন এই ঠিকাদার। সাধারন মানুষ কিংবা সংশ্লিষ্ট দপ্তর তাদের লাইসেন্সের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দিলে সদর দপ্তরে তার লোক আছে, তার লাইসেন্সের কোন ক্ষতি হবে না। এভাবে বাপ ছেলের কাছে পুরো উপজেলাবাসী জিম্মি হয়ে আছে।

জানা যায়, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে গ্রামীন সড়ক মেরামত ও সংরক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৫ কি:মি: দৈর্ঘ্যরে নানকরা-দুর্গাপুর সড়কের টেন্ডার ঘোষনা করে এলজিইডি। ৪কোটি ২৯লক্ষ ৯১হাজার টাকা মূল্যের কাজটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফাতেমা ট্রেডার্স ২০২৩ সালের ২৯শে অক্টোবর শুরু এবং ২০২৪ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারী শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজটি শুরুই করেনি ঠিকাদার। সংশ্লিষ্ট কাজটির তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-সহকারী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র রায় একাধিকবার কাজটি শেষ করার মৌখিক নির্দেশনা দেন এবং পরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান মৌখিক ও পরবর্তীতে কয়েকবার লিখিত নির্দেশনা দিলে ঠিকাদার সড়কটির কোন মতে হার্ডবেড শেষ করে আবারো কাজ বন্ধ রাখেন।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে আরো জানা যায়, নানকরা-দুর্গাপুর সড়কের নির্মাণকাজের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে মৌখিক চাপ ও লিখিত চিঠিকেও ঠিকাদার তোয়াক্কা করেনি। ৫ই আগষ্টের পরবর্তী সময়েও কাজটির টেন্ডার বাতিলের জন্য দুইবার চিঠি প্রদান করা হলেও কাজটি বাতিল হচ্ছেনা।

একই প্রকল্প অর্থাৎ এঙই গধরহঃবহধহপব এর আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৩.৩ কিমি দৈর্ঘ্যরে মিয়া বাজার-বালুমুরি রাস্তার কাজ নেন বিতর্কিত ঠিকাদার অলি আহমেদের প্রতিষ্ঠান ফাতেমা ট্রেডার্স। ঐ অর্থবছরেই কাজটি শেষ করার বাধ্যবাধকতা থাকা স্বত্বেও একই প্রক্রিয়ায় কাজটি দু-বছরে শেষ করেননি তিনি।

উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক “বাহেরগড়া-শুভপুর” সড়ক নির্মাণে নি¤œমানের খোয়া, ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠে অলি আহমেদ মজুমদারের মালিকানাধীন বিতর্কিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফাতেমা ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগে স্থানীয়রা সড়কটির একাংশের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৪১ টাকার দুই হাজার দশ মিটার দৈর্ঘ্যরে সড়কটিও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারেনি তিনি। পরে ৩ মাস সময় বাড়িয়ে ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করেন ঠিকাদার অলি আহমেদ। সড়কটিতে নি¤œমানের খোয়া ও সোল্ডারে মাটি না দেয়ার অভিযোগে চলতি বছরের গত ১৬ জানুয়ারী এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র রায় প্রদত্ত পরিদর্শন রিপোর্টের আলোকে নতুনভাবে নির্মাণ এবং সোল্ডারে মাটি প্রদানের নির্দেশনা দিলেও তার তোয়াক্কা না করে নির্মাণ শেষ করেন।

উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ৮.১১ মিটার বাবুর্চি বাজার সড়ক। ৭৬ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬৯ টাকায় কাজটি পায় ফাতেমা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী অলি আহমেদ মজুমদারের ছেলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাজিয়া ট্রেডার্স। ২০২৪ সালের জুন মাসের ৪ তারিখে শুরু করে একই বছরের অক্টোবরের ৩ তারিখে কাজ শেষ না করে নভেম্বরের ৭ তারিখ পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না করায় এবং সড়কটি খোড়াখুড়ি করে যান ও মানুষ চলাচল অনুপযোগী হওয়ায় ব্যাপক দুর্ভোগের স্বীকার হয় ঐ এলাকার মানুষ। জনদুর্ভোগ লাগবে স্থানীয়রা তৎকালীন সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর চিঠি প্রদান করেন। এ কাজটিরও চুক্তি বাতিলের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর চিঠি প্রদান করেন উপজেলা প্রকৌশলী।

১ কি. মি. দৈর্ঘ্যরে উজিরপুর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর-কোমারডোগা সড়কের কাজটি পায় ফাতেমা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী অলি আহমেদ মজুমদারের ছেলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাজিয়া ট্রেডার্স। কাজের মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৪ হলেও এরপর এক বছর পার হলেও এখনো কাজটি না করে জনগনের দুর্ভোগ বাড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি।

উপজেলার আরেক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মিরশানি বাজার-সোনাপুর সড়কের কাজটি পায় মেসার্স রাজিয়া ট্রেডার্স। কাজের মেয়াদ জানুয়ারি ২০২৪ থেকে অক্টোবর ২০২৪ হলেও এরপর প্রায় এক বছর পার হলেও এখনো কাজটি শেষ হয়নি।

ফাতেমা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ঠিকাদার অলি আহমেদ অভিযোগের বিষয়ে জানান, বিগত সরকারের সময়ে নানকরা-দূর্গাপুর সড়কের কাজটি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে দিই। নানকরা-দুর্গাপুর সড়কটির টেন্ডার বাতিলের চিঠি ঠেকিয়ে দেয়ার বিষয়টি সত্য নয় বলে তিনি জানান। বর্ষার কারণে কাজগুলো সময়ে করা যাচ্ছেনা। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নানকরা-দুর্গাপুরসহ চৌদ্দগ্রামের সকল পেন্ডিং কাজগুলো শেষ করা হবে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান জানান, সময়ের মধ্যে কাজ শুরু ও শেষ করার জন্য উপজেলা দপ্তর থেকে শুরুতেই ঠিকাদারদের লে-আউট/ সাইট বুঝিয়ে দেয়া হয়। কাজ চলমান অবস্থায় কাজের মান নিয়ন্ত্রণে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হয়। তথাপি উল্লেখিত ঠিকাদারের সময়ের মশ্যে কাজ শেষ না করার জন্য কাজগুলো বাতিলের সুপারিশ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জামাল হোসেন বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির অনিয়মের কারণে আমরা একাধিকবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এলজিইডি কুমিল্লা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল মতিন জানান, নানকরা-দুর্গাপুর সড়কটির টেন্ডার বাতিলের জন্য জেলা থেকেও চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু ঠিকাদার কাজটি শেষ করবে বলে হেড অফিস থেকে নতুন করে চিঠি নিয়ে আসে। চলতি বছরে নতুন করে কাজটি অনুমোদন নেয়া হয়নি। সে হিসেবে কাজটি বাতিল হওয়ার কথা। ঠিকাদারের আরও পেন্ডিং কাজের বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট উপজেলায় খবর নিচ্ছি। এমন কিছু হলে লাইসেন্সটির বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর চিঠি পাঠানো হবে।

একাত্তর হারেনি, হেরে গেছে শিবির; ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

হাসিবুল ইসলাম সজিব:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলেজের ডিগ্রি শাখার ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিলটি ডিগ্রি শাখার বিভিন্ন লিংক সড়ক প্রদক্ষিণ করেছে।

মিছিলে তারা নানা স্লোগানে স্লোগানে প্রতিবাদ জানায়। স্লোগানে ছাত্রদল নেতারা বলেন, একাত্তর হারেনি, হেরেগেছে শিবির। ধর্ষকদের ঠিকানা, এ বাংলায় হবে না। একটা একটা ধর্ষক ধর, ধইরা ধইরা জেলে ভর।  একটা একটা ধর্ষক ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর। ছাত্রদলের অ্যাকশান, ডাইরেক অ্যাকশান।

বিক্ষোভ মিছিল শেষ কলেজের হৃদয়ে বাংলাদেশ ম্যুরালের সামনে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন, ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র নেতা মোঃ ওমর ফারুক, ওমর ফারুক মানিক, ফারহান ইসলাম সাদ, তারেক রহমান,তানভির রহমান, মাইনুদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।