All posts by jitu

টানা ৭ম বার “বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড” স্বীকৃতি পেলো বসুন্ধরা টিস্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড এর ১৬তম আসরে জরিপের ভিত্তিতে টিস্যু ক্যাটাগরিতে বেস্ট ব্র্যান্ডের স্বীকৃতি পেলো বসুন্ধরা টিস্যু।

গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল – এ অনুষ্ঠিত হওয়া জমকালো এক অনুষ্ঠানে এ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন বসুন্ধরা পেপার মিলস্‌ লিমিটেড এর সিনিয়র ডি এম ডি, মোস্তাফিজুর রহমান, চিফ সেলস অফিসার, মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, হেড অফ মার্কেটিং, মোহাম্মদ আলাউদ্দীন ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ।

‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণকালে বসুন্ধরা টিস্যুর অগণিত গ্রাহক, পরিবেশক, ডিলার, সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন হেড অব মার্কেটিং, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন । তিনি বলেন, “বসুন্ধরা টিস্যু যাত্রার শুরু থেকেই গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ করে আসছে। আর এ কারণেই সবসময় ভোক্তাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ব্র্যান্ডটি”।

উল্লেখ্য, ডেইলি স্টারের পৃষ্ঠপোষকতায় এ বছরের “বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড” আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা ব্র্যান্ড বাছাই করতে বিশ্বমানের ‘উইনিং ব্র্যান্ডস’ জরিপ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। দেশের সকল বিভাগ থেকে ভোক্তারা এই জরিপে অংশ নেন।

সাদা কুয়াশায়

সাদা কুয়াশায় চাঁদনী রাত

সাদা কুয়াশায় চাঁদনী রাত

রেজাউল করিম (সাকিব):

সাদা কুয়াশার রাত
সাদা এক সুন্দর চাঁদ
গ্রামের রূপে
একটি পাখির বাসায়
কয়েকটি ঘুঘুর ছানা
মায়ের ডানা উষ্ণ চাদুর এর ফাঁকে
সুন্দর আকাশের চাঁদ দেখে

পুকুরের মাছেরা উপরে ভেসে
চাঁদের আলোয় গল্পের আসর জমিয়েছে

চাদর জড়ানো এক পথিক
সুন্দর জোছনায় বাড়ির পথে চলে
পথিক ভাবে
চাঁদ যেন তার একলা পথের সঙ্গী হয়ে
তাহার সাথে চলে

সুন্দর চাঁদ আকাশে
বাড়ির উঠানে বসে
শীলত হাওয়ায়
আগুন জ্বালায় উষ্ণতায়
ভূতের গল্প জমেছে
চাঁদের আলোয় উষ্ণতায়

খেকশিয়াল জোছনায় ঘুরে বেড়ায়
আর হুক্কাহুয়া ডাকে

ঐ বনে নিরবে
গাছের পাতারা ঝরে পড়ে

রাতের মিষ্টি মিষ্টি ফুলের ঘ্রাণে
সুন্দর মায়া জড়ানো চাঁদের আলোয়
এক পর্যায় সবাই ঘুমিয়ে পড়ে

এই সুন্দর নিশাকর রাতেরশেষ প্রান্তে
মুমিন বান্দা উঠে
ঘুমে জড়ানো প্রকৃতির রূপে
চুপিসারে হাটে
পুকুরে পানিতে অযু করে
তার জানামাজে লুটিয়ে পড়ে

এই সুন্দর জগতের স্রষ্টার সেজদায়

নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে

নানা আয়োজনে কুমিল্লায় বৈশাখী টেলিভিশনের ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে কুমিল্লায় বৈশাখী টেলিভিশনের ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

হাবিবুর রহমান মুন্না:

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে কুমিল্লায় বৈশাখী টেলিভিশনের ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আয়োজনের মধ্যে ছিল র‍্যালী, কেক কাটা ও আলোচনা সভা।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুকের সভাপতিত্বে  ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে  বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরের আমীর কাজী দ্বীন মুহাম্মদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও  সাপ্তাহিক অভিবাদন পত্রিকা সম্পাদক আবুল হাসানাত বাবুল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ছড়াকার বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক দুলাল,  কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল,  কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দৈনিক আজকের কুমিল্লা সম্পাদক ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বৈশাখী টেলিভিশনের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন। এছাড়াও অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন- এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের কুমিল্লা প্রতিনিধি খায়রুল আহসান মানিক, সিটিভি নিউজের সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপস, দৈনিক ভোরের কাগজ সম্পাদক এম ফিরোজ মিয়া, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সময় টিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি বাহার রায়হান, জিটিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সেলিম রেজা মুন্সী, এখন টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান খালেদ সাইফুল্লাহ, দৈনিক আজকের জীবন কুমিল্লা প্রতিনিধি নেকবর হোসেন, মাছরাঙা টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল, মাই টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি আবু মুছা,  ও এনটিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মাহফুজ নান্টু প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের কুমিল্লা মহানগর সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, কালের কন্ঠ কুমিল্লা প্রতিনিধি আবদুর রহমান, গ্লোবাল টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি সাইফউদ্দিন রনি, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এন কে রিপন, দেশ টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ সুমন কবির ভূইয়া, দৈনিক দেশের কন্ঠ কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ ফেরদৌস মাহমুদ মিঠু, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আলাউদ্দিন, মাই টিভির লাকসাম প্রতিনিধি মোঃ জসিম উদ্দিন চৌধুরী, রোটারিয়ান প্রদীপ কুমার সাহা, দৈনিক সংগ্রাম জেলা প্রতিনিধি রেজাউল করিম রাসেল, আমার দেশ পত্রিকার কুমিল্লা দক্ষিণ প্রতিনিধি আবদুল্লাহ মানছুর, বিজনেস বাংলাদেশ কুমিল্লা প্রতিনিধি আয়েশা আক্তার, এশিয়া টিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র রিপোর্টার হাবিবুর রহমান মুন্না,দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের মাইনুল হক স্বপন, আজকের পত্রিকা ও রুপসী বাংলার ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, দৈনিক বাংলাদেশ কন্ঠের কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ ইয়াছিন মিয়া, চ্যানেল বাংলাদেশের কন্ট্রিবিউটর  বি এম মহিউদ্দীন মন্টি, সমতট কাগজের বার্তা সম্পাদক মোঃ এহতে শামসুল আরেফীন (রুমেল), বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ডেইলি বাংলাদেশ মিররের কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ রাসেল সোহেল, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ মোসলেম উদ্দিন, কুমিল্লা নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী ফজলুল হকসহ আরো অনেকে।

চৌদ্দগ্রামে সিপি ফাইভ স্টারের শাখা উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে এই প্রথম সিপি ফাইভ স্টারের শাখা শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার বাদ আসর হায়দার শপিং কমপ্লেক্সের নিচ তলায় সিপি ফাইভ স্টারের দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কাজী মোঃ রায়হান।

সিপি ফাইভ স্টার চৌদ্দগ্রামের পরিচালক শহিদুল ইসলাম পরিচালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ হারুনুর অর রশিদ মজুমদার, কাজী মহব্বত, লোকমান হোসেন, শাকিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সিপি ফাইভ স্টারে সকাল নয়টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত নাস্তাসহ ফাস্ট ফুড আইটেম সব খাবার পাওয়া যাবে।

দপ্তরগুলোতে ফ্যাসিবাদীরা রয়ে গেছে

দপ্তরগুলোতে ফ্যাসিবাদীরা রয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

দপ্তরগুলোতে ফ্যাসিবাদীরা রয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

সরকারি দপ্তরগুলোতে ফ্যাসিবাদীরা রয়ে গেছে, ফলে নির্বাচন যত দেরি হবে, সমস্যা আরও বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার, নির্বাচন’ শীর্ষক সংলাপে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে, সাত শতাধিক নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে এবং ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে আওয়ামী লীগ দ্বারা।’

নির্বাচন বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচন চায়, কারণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যাওয়ার প্রধান ফটক হচ্ছে নির্বাচন।’

সংস্কার বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘সংস্কার কমিশনগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসলে ভালো হতো, তাহলে সংস্কার কাজটি এগিয়ে যেত।’

একাত্তরের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘একাত্তরকে ভুলে গেলে চলবে না। সেটি স্মরণ করেই সব গণতান্ত্রিক লড়াইকে মনে রাখতে হবে।’

আমি স্রষ্টায় বিশ্বাস করি

আমি স্রষ্টায় বিশ্বাস করি, অবশ্যই স্রষ্টা আমাদের সঙ্গে আছেন: পুতিন

আমি স্রষ্টায় বিশ্বাস করি, অবশ্যই স্রষ্টা আমাদের সঙ্গে আছেন: পুতিন

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, স্রষ্টা রাশিয়ার পাশে আছেন এবং ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান সংঘাতে মস্কো বিজয়ী হবে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সেন্ট পিটার্সবার্গে সুপ্রিম ইউরেশিয়ান ইকোনমিক কাউন্সিল (এসইইসি) এর বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

২০২৫ সালে রাশিয়ার বিজয়ের মাধ্যমে ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সমাপ্তি হবে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে পুতিন বলেন, “আমি স্রষ্টায় বিশ্বাস করি। অবশ্যই স্রষ্টা আমাদের সঙ্গে আছেন।”

ন্যাটোতে ইউক্রেনের সদস্যপদ বিলম্বিত হওয়ার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত বন্ধের প্রস্তাব দেবে বলে যে খবর বেরিয়েছে, তা নাকচ করে দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

পুতিন জানান, ২০২১ সালে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রথম ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ বিলম্বিত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সে সময় রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছিল, এটি মস্কোর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের জন্য রাশিয়ার “প্রথম লক্ষ্য” হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয় অর্জন করা। পুতিন বলেন, “আমরা সংঘাতের সমাপ্তি ঘটানোরও চেষ্টা করছি।”

তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা বিশ্বাস করি যে আমরা সামনের সারিতে সফল হব এবং আমাদের অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করব। পাশাপাশি সামাজিক এবং সামরিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধান করব, যা বৃহত্তর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাব।”

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে তিনি তার প্রস্তাবের বিস্তারিত সম্পর্কে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। মিডিয়া সূত্রে বলা হয়েছে, এটি কেবল সংঘাতকে স্থগিত করার জন্য হতে পারে। মস্কো এবং কিয়েভ উভয়ই নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে।

ফাইনালের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপের জন্য

ফাইনালের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের দল ঘোষণা

ফাইনালের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের দল ঘোষণা

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামী ১৮ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের লক্ষ্য, টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছানো।

বিশ্বকাপে খেলার আগে, শ্রীলংকার বিপক্ষে চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে বাংলাদেশ দল। এরপর তারা বিশ্বকাপের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে। বাংলাদেশ দলের প্রত্যাশা রয়েছে বড় কিছু অর্জনের, যা নারী দলের নির্বাচক সজল আহমেদ চৌধুরি জানিয়েছেন।

নিজের দলের প্রত্যাশা নিয়ে সজল বলেন, “আমরা দলের সব দিক বিবেচনা করেছি। ব্যাটিং এবং বোলিংয়ের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আছে। বাঁহাতি স্পিনার, ফাস্ট বোলার, লেগ স্পিনার সব কিছুই রয়েছে। ভালো অলরাউন্ডারও আছে। দলের সব বিভাগ নিয়ে পরিকল্পনা করে দল সাজানো হয়েছে।”

সম্প্রতি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল খেলেছে এশিয়া কাপে। সেই স্কোয়াডে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। দুটি পরিবর্তন হয়েছে। মাহারুন নেছা ও আরভিন তানি বাদ পড়েছেন, এবং দলে ডাক পেয়েছেন লাকি খাতুন এবং সাদিয়া ইসলাম।

এশিয়া কাপ থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস নিয়ে সজল বলেন, “মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী। বিশ্বকাপের আগে আমরা শ্রীলংকা যাচ্ছি, সেখানে চারটি প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ রয়েছে। আশা করি এই ম্যাচগুলো মেয়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। একই কন্ডিশনে খেলার কারণে, তারা ভালো করবে বলেই বিশ্বাস করি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দলের সবাই বিশেষ গুরুত্ব রাখে। পেস বোলিং ইউনিট খুব ভালো করছে। লেগ স্পিনারও ভালো পারফর্ম করছে। টপ-অর্ডার ব্যাটাররা রান পাচ্ছে। যদি মিডল অর্ডার আরও কিছুটা ছন্দে আসে, তবে সব দিক বিবেচনায় আমরা ফাইনাল খেলার প্রত্যাশা করি।”

১৬ দলের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ‘ডি’ গ্রুপে অবস্থান করছে। তাদের প্রথম ম্যাচ ১৮ জানুয়ারি নেপালের বিপক্ষে, ২০ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া এবং ২২ জানুয়ারি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল:

সুমাইয়া আক্তার (অধিনায়ক), আফিয়া আশিমা ইরা, ফাহমিদা ছোয়া, ফারিয়া আক্তার, হাবিবা ইসলাম পিংকি, জান্নাতুল ইসলাম মাওয়া, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, লাকি খাতুন, আনিসা আক্তার সোবা, মোসাম্মৎ ইভা, ফারজানা ইয়াসমিন, সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, নিশিতা আক্তার নিশি, সাদিয়া আক্তার এবং সাদিয়া ইসলাম।

৫ বছর পর মাহফিলের মঞ্চে

৫ বছর পর মাহফিলের মঞ্চে মিজানুর রহমান আজহারী

৫ বছর পর মাহফিলের মঞ্চে মিজানুর রহমান আজহারী

ডেস্ক রিপোর্ট:

মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী পাঁচ বছর পর মাহফিলের মঞ্চে ফিরছেন। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) কক্সবাজারের পেকুয়ায় বৃহত্তর সাবেক গুলদি তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি আবার দেশের মাহফিলের মঞ্চে উপস্থিত হবেন।

এর আগে ২০২০ সালের শুরুতে মাহফিল থেকে বিরতি নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে লেখেন, “পারিপার্শ্বিক কারণে এবং গবেষণার জন্য” তিনি মার্চ পর্যন্ত সব ওয়াজ মাহফিল স্থগিত করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এ বছরের তাফসির প্রোগ্রামের এখানেই ইতি টানতে হচ্ছে। মার্চ পর্যন্ত বাকি প্রোগ্রামগুলো স্থগিত করা হলো। রিসার্চের কাজে মালয়েশিয়া ফিরে যাচ্ছি। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুযোগ করে দিলে আবার দেখা হবে ও কথা হবে ইনশাআল্লাহ।”

২০২০ সালে দেশ ছাড়ার পর গত চার বছর তিনি দেশে ফেরেননি। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২ অক্টোবর দেশে ফিরে এক সপ্তাহ অবস্থান করেন। এরপর আবার মালয়েশিয়া চলে যান। এবার ২৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরে মাহফিলে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন মাওলানা আজহারি। দেশের প্রতিটি বিভাগে মাহফিল করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

দেশে ফিরে ফেসবুকে একটি পোস্টে মাওলানা আজহারি লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, নিরাপদে দেশে এসে পৌঁছালাম। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর, বাধাহীনভাবে আবার প্রিয় মাতৃভূমিতে তাফসিরুল কোরআনের মহতী আয়োজনে অংশ নিচ্ছি। উদ্বোধনী প্রোগ্রাম হিসেবে আগামীকাল কক্সবাজারের পেকুয়া তাফসির ময়দানে আলোচনা করবো। এটি একটি ওয়ার্ম-আপ প্রোগ্রাম। মূলত নতুন বছর ২০২৫-এর জানুয়ারি থেকে বিভাগীয় সফর শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও লেখেন, “প্রতিটি বিভাগে একটি করে প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা আছে। রাব্বে কারিম যেন এই দাওয়াতি অভিযাত্রায় আমাকে অবিচল রাখেন। আমাদের প্রচেষ্টায় বারাকাহ দান করুন এবং প্রজন্মের মননশীল ক্ষুধা নিবারণে ইসলামের শাশ্বত বাণী উপস্থাপনের তৌফিক দিন।”

২০২০ সালের জানুয়ারিতে জয়পুরহাটে তার এক মাহফিলে কিছু হিন্দু ইসলাম গ্রহণ করলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। পরে লক্ষ্মীপুরের আরেক মাহফিলে ১২ জন ভারতীয় নাগরিক তার হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন। এই ঘটনাও ব্যাপক আলোড়ন তোলে। এরপর তৎকালীন সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাওলানা আজহারিকে জামাত-সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ তোলেন, যা নিয়ে তখন বেশ বিতর্ক হয়।

ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত

ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত: প্রধান উপদেষ্টা

ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত: প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

তরুণরা সংখ্যায় বেশি। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা আগ্রহী। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার মতামত নেওয়ার জন্য আমি মনে করি ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জাতীয় সংলাপ-২০২৪ এর উদ্বোধনী ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই ভাষণ দেন।

সংস্কারের বিষয়ে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, এ জন্য সর্বশেষ পর্যায়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠন কমিশন গঠন করা হয়েছে। যেমন ধরুন-কোন বয়সে একজন নাগরিক ভোটার হতে পারবে তার জন্য নানা দেশে নানা বয়স নির্ধারণ করা আছে। নির্বাচন সংস্কার কমিশন নিশ্চয়ই এরকম একটা বয়স সুপারিশ করবে। সে বয়স আমার পছন্দ হতেও পারে না-ও হতে পারে। ধরুন আমি তরুণদের তাড়াতাড়ি ভোটার করার পক্ষে। যে যত তরুণ, পরিবর্তনের প্রতি তার আগ্রহ তত বেশি—এই হলো আমার যুক্তি। তরুণরা তাকে শক্তি যোগায়। তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে তার গভীর সখ্যতা তাকে এই শক্তি যোগায়। তরুণরা সংখ্যায়ও বেশি। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা আগ্রহী। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার মতামত নেওয়ার জন্য আমি মনে করি ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশন কি ধরনের সুপারিশ করবেন তা আমার জানা নেই। কিন্তু দেশের বেশিরভাগ মানুষ যদি কমিশনের সুপারিশ করা বয়স পছন্দ করে ঐক্যমতে পৌঁছার জন্য আমি তা মেনে নেব।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংস্কারের যে মহান দায়িত্ব ঐতিহাসিক কারণে আমাদের কাছে এসে গেছে এই দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেককে যার যার অবস্থান থেকে পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি রাজনৈতিক দল, সামাজিক, অর্থনৈতিক, ব্যবসায়িক এবং ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর প্রত্যেককে দৃঢ়তার সঙ্গে সংস্কারের এই মহাযজ্ঞে আনন্দের সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল বাংলাদেশকে মুক্ত করেনি, আমাদের স্বপ্নকেও তুমুল সাহসী করে তুলেছে। বাকহীন বাংলাদেশ জোরালো কণ্ঠে আবার কথা বলার শক্তি ফিরে পেয়েছে। এই দৃঢ় কণ্ঠ ঐক্য গঠনে সোচ্চার হয়েছে। ঐক্য আমাদের মূল শক্তি।

জুলাই অভ্যুত্থান আমাদেরকে ঐতিহাসিক মাত্রায় বলিয়ান করেছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গত পাঁচ মাসে এই ঐক্য আরও শক্তিশালী হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের বিরুদ্ধ শক্তি আমাদের মধ্যে ভাঙন সৃষ্টি করার ক্রমাগত প্রয়াস চালাতে থাকায় আমাদের ঐক্য আরও মজবুত হচ্ছে। এই ঐক্যের জোরেই এখন আমরা অসাধ্য সাধন করতে পারি। এখনই আমাদের সর্বোচ্চ সুযোগ। এমন অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে যেটা সকল নাগরিকের জন্য সম্পদের ও সুযোগের বৈষম্যহীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করবে।

তিনি বলেন, যত নিম্ন আয়ের পরিবারেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন- প্রতিটি নাগরিকের, তিনি নারী হোক, আর পুরুষই হোক তিনি যেন বিনা বাধায় তো বটেই বরং রাষ্ট্রের আয়োজনে তার সৃজনশীলতা প্রকাশ করে যে কোনো পর্যায়ের উদ্যোক্তা হতে পারেন বা তিনি যে ধরনের কর্মজীবন চান তাই বেছে নিতে পারবেন। এমন রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবেশ থাকবে যেখানে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু এই পরিচিতি অবান্তর হয়ে পড়বে। সবার একটিই পরিচয়-আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং রাষ্ট্র আমাকে আমার সকল অধিকার প্রদান করতে বাধ্য।

ড.ইউনূস আরও বলেন, রাষ্ট্রের কাছে এবং অন্য নাগরিকের কাছে আমার আর কোনো পরিচয় দেবার প্রয়োজন হবে না। যেখানে ব্যক্তি বন্দনার কোনো সুযোগ থাকবে না। দেশের ভেতরে বা বাইরে প্রভু-ভৃত্যের কোনো সম্পর্কের সুযোগ থাকবে না। আমরা বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার সুবাদে হবো বিশ্ব নাগরিক। দেশের মঙ্গল সাধন করা যেমন হবে আমাদের নাগরিক দায়িত্ব, তেমনি বিশ্বের মঙ্গল সাধন করাও আমাদের কর্তব