All posts by jitu

মুরাদনগরে গ্রাম্য বিচারে

মুরাদনগরে গ্রাম্য বিচারে ভাড়াটে সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, আহত ৩

মুরাদনগরে গ্রাম্য বিচারে ভাড়াটে সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, আহত ৩

মাহবুব আলম আরিফঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে পাওনা মাত্র ১০ হাজার টাকার সালিশী বৈঠকে ভাড়া করা সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আরো ৩ জনকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের নবীপুর বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত রাজিব হোসেন (৩২) উপজেলার রহিমপুর গ্রামের মৃত খলিল মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন নবীপুর গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মোজাফ্ফর হোসেন(৫০) তার ছেলে আক্তার হোসেন (৩০) ও জসিম উদ্দিন (৫৫)। আহতরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিসহ ভাড়া করা সন্ত্রাসী মারুফ (১৯) নামের একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। আটককৃত মারুফ উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

আহত আক্তারের স্ত্রী রাবেয়া জানান, তার ননদ নিলুফা বেগম উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের শিড়িনা বেগমের কাছ থেকে ১০হাজার টাকা ধার আনেন। ধারের টাকাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকবার সালিস বৈঠক হলেও কোন সুরাহা হয়নি। পাওনা টাকার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে তার ননদ ও স্বামীকে তুলে নিয়ে যেতে শিড়িনা বেগম ৮/১০ জনের একটি বখাটেদেরদল নিয়ে তার শ্বশুর বাড়ীতে আসে। এসময় তাদের সাথে শিড়িনার লোকজনের হাতাহাতি হয়। এরপর স্থানীয়রা বিষয়টি মিমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে নবীপুর বাজারে কামাল মাষ্টারের অফিসে সালিশ বৈঠক বসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সালিশ চলাকালে অফিসের বাইরে শিড়িনা বেগমের সাথে আসা মারুফ, মারফতসহ কয়েকজন রাবেয়া বেগমকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। এসময় রাবেয়ার স্বামীর বন্ধু রাজিব রাবেয়াকে উঠাতে গেলে মারুফ, মারফত, কোমর থেকে ছুরি বের করে রাজিবের বুকে ও শরীরে এলোপাথারি কুপাতে থাকে। এসময় রাজিবকে বাঁচাতে আসলে তার বন্ধু আক্তার হোসেন ও তার বাবা মোজাফ্ফর এবং কাকা জসিম উদ্দিনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। উপস্থিত লোকজন আহতদের উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিব হোসেনকে মৃত ঘোষনা করেন এবং আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল হক বলেন, হত্যার ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মেঘনায় অস্ত্রসহ দুই যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মেঘনায় অস্ত্রসহ দুই যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মেঘনায় অস্ত্রসহ দুই যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় অস্ত্রসহ যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী।

গ্রেপ্তারকৃত শাহ আলম কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এবং জাহাঙ্গীর আলম মেঘনা উপজেলা যুবলীগের সদস্য । তারা আপন দুই ভাই বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) গভীর রাতে উপজেলার রামপুর বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনি অভিযানকালে দেশীয় অস্ত্র, মদ, মাদক সেবন ও অনৈতিক কার্যকলাপের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পুলিশ বাদী হয়ে দুটি পৃথক মামলা রুজু করেছে।

মাঙ্কি ফক্সে আক্রান্ত

মাঙ্কি ফক্সে আক্রান্ত কামাল হোসেনের লাশ দাফন

মাঙ্কি ফক্সে আক্রান্ত কামাল হোসেনের লাশ দাফন

স্টাফ রিপোর্টার:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মাঙ্কি ফক্সে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া কামাল হোসেনের (৩৮) লাশ শুক্রবার সকালে গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার গোলাম কিবরিয়া টিপুর উপস্থিতিতে লাশ দাফন করা হয়।

কামাল হোসেনের পিতা নজির আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে লাশ নিয়ে তারা ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৮টায় গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মুন্সিরহাট ইউনিয়নের মেসতলায় নিহত কামাল হোসেনের লাশ দাফন করা হয়।

নিহত কামাল হোসেনের পরিবার এবং স্থানীয় মুন্সিরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন জানান কামাল হোসেনের ২ মেয়ে এবং এক স্ত্রী রয়েছে। ৬ থেকে ৭ বছর আগে জীবিকার তাগিতে কামাল হোসেন আরব আমিরাতে যান। গত ৩০শে সেপ্টেম্বর ভাইরাস রোগ মাংকি ফক্সে আক্রান্ত হয় কামাল হোসেন আরব আমিরাতে মারা যান।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া কামাল হোসেনের লাশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে।

রতন টাটার সম্ভাব্য উত্তরসূরি

রতন টাটার সম্ভাব্য উত্তরসূরি কে এই মায়া টাটা?

রতন টাটার সম্ভাব্য উত্তরসূরি কে এই মায়া টাটা?

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনী রতন টাটা মারা গেছেন। বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ৮৬ বছর বয়সে তার বর্ণাঢ্য জীবনের সমাপ্তি ঘটে।

তার মৃত্যুর পর, সবাই এখন জানতে চাচ্ছেন কে হচ্ছেন নিঃসন্তান রতন টাটার উত্তরসূরি। বেশ কয়েকটি নাম শোনা যাচ্ছে, যেমন: লিয়া টাটা, মায়া টাটা এবং নেভিল টাটা। তবে তাদের মধ্যে মায়া টাটা বেশ এগিয়ে রয়েছেন, এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

কে এই মায়া টাটা?

রতন টাটার সৎ ভাই নোয়েল টাটার মেয়ে মায়া টাটা ৩৪ বছর বয়সী। তিনি তার ভাই-বোন লিয়া এবং নেভিলের সঙ্গে টাটা গ্রুপের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, টাটা মেডিক্যাল সেন্টার ট্রাস্টের বোর্ডে কাজ করছেন।

মায়ার মায়ের বংশও ধনী ও প্রভাবশালী। তার মা আলু মিস্ত্রি, যিনি টাটা গ্রুপের সাবেক চেয়ারম্যান সাইরাস মিস্ত্রির বোন ও প্রয়াত পালোনজি মিস্ত্রির মেয়ে।

ভাই-বোনের মধ্যে মায়া সবচেয়ে ছোট। তবে টাটা গ্রুপে তার কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্যের বেইস বিজনেস স্কুল এবং ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইক থেকে পড়াশোনা করেছেন।

টাটায় মায়ার পথচলা

মায়া তার পেশাগত যাত্রা শুরু করেন টাটা ক্যাপিটালের অধীনে একটি নেতৃস্থানীয় প্রাইভেট ইক্যুইটি ফান্ড, টাটা অপরচুনিটিজ ফান্ড দিয়ে। পরে তিনি টাটা ডিজিটালে চলে আসেন, যেখানে টাটা নিউ অ্যাপ চালুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাটা অপরচুনিটিজ ফান্ডে থাকাকালীন মায়া ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগকারীদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বর্তমানে, তিনি ২০১১ সালে রতন টাটার উদ্বোধন করা কলকাতায় একটি ক্যান্সার হাসপাতাল পরিচালনাকারী টাটা মেডিক্যাল সেন্টার ট্রাস্টের অপারেশন তত্ত্বাবধানকারী ছয় বোর্ড সদস্যের একজন।

আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগের

আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগের খবর গুজব

আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগের খবর গুজব

ডেস্ক রিপোর্ট:

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, আবাসিক এলাকায় নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়ার খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ তথ্য দিয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবাসিক বা বাসাবাড়িতে নতুন গ্যাস সংযোগ বা লোড বৃদ্ধির সংযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন সংযোগ বা লোড বৃদ্ধির খবর প্রকাশিত হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আরও বলেছে, কিছু প্রতারক চক্র জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তাই এ ধরনের গুজব থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রয়োজন হলে গ্যাস বিতরণ কোম্পানির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার অনুরোধও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবাসিক গ্যাস সংযোগ বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের শেষের দিকে সংযোগ পুনরায় চালু হলেও, ২০১৪ সালের পর আবারও জ্বালানি বিভাগ আবাসিক এলাকায় নতুন গ্যাস সংযোগের আবেদন গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর ২০১৯ সালে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আবাসিক গ্যাস সংযোগ স্থগিত রাখার নির্দেশ জারি করে।

বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতালে

বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতালে বিনা খরচে ৩৭ জনের চোখ অপারেশন

বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতালে বিনা খরচে ৩৭ জনের চোখ অপারেশন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে বিনামূল্যে ৩৭ জন গরিব ও দুস্থ রোগীর চোখের ছানি অপারেশন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সাবরিনা সোবহান রোডে অবস্থিত বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে দিনব্যাপী এ ফ্রি অপারেশন অনুষ্ঠিত হয়।

যৌথভাবে এ অপারেশন কার্যক্রমের আয়োজন করে বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্ট ইনস্টিটিউট, ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশন ও চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অবৈতনিক পরিচালক এবং ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. সালেহ আহমদের তত্ত্বাবধানে এ সার্জারিতে অংশ নেন ডা. অ্যান্থনি অ্যালবার্ট, ডা. তাসরুবা শাহনাজ, ডা. জেরিন পারভীন এবং ডা. নুসরাত লুবনা ইসলাম।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষ্ণগোবিন্দপুর ডিগ্রি কলেজে একটি আই ক্যাম্প করা হয়। সেখানে ‌১ হাজার ২০০ রোগীর চোখ পরীক্ষা করে ৪২০ জনকে অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সেই রোগীদের ৫ম ব্যাচের ৩৭ জনের চোখে অপারেশন করা হয়। এর মধ্যে ১৫ জন পুরুষ ও ২২ জন নারী রয়েছেন।

এ বিষয়ে বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অবৈতনিক পরিচালক এবং ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. সালেহ আহমদ বলেন, ২০১৪ সাল থেকে আমরা বিনামূল্যে রোগীদের চোখ অপারেশন করার এই কার্যক্রম শুরু করেছি। আমরা দেশের দূর-দূরান্ত অঞ্চলে গিয়ে বিনামূল্যে আই ক্যাম্প করি। সেখানে অপারেশনের রোগী বাছাই করে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসি। অপারেশন শেষে আবার তাদের নিজ বাড়িতে দিয়ে আসি। এ পুরো কার্যক্রমই আমরা আমাদের নিজ খরচে করে থাকি। আমি মনে করি, এই কার্যক্রমে আমাদের সফলতা শতভাগ।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষরা চোখ নিয়ে অবহেলা করেন। শিশুদের কিছু জন্মগত চোখের রোগ হয়, যেটা বাবা-মা বুঝতে পারেন না। পরবর্তীতে শিশু যখন স্কুলে যায় তখন সেসব সমস্যা ধরা পড়ে। তাই শিশুদের পাঁচ বছরের আগে চোখের স্ক্রিনিং করে নেওয়া দরকার। এছাড়া ৪০ বছরের পরে চোখের ছানি পড়াসহ বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। তাদেরও নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো দরকার। যাতে চোখ ভালো থাকে এবং ভালোভাবে দেখতে পায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বসুন্ধরা আই হসপিটালে চোখের ছানি অপারেশন করাতে আসা মো. ইকরামুল হক বলেন, এই কার্যক্রমটি নিঃসন্দেহে একটি মহৎ। মানবসেবা সবচেয়ে বড় ধর্ম। এ ধর্মটা সবাই পালন করতে পারেন না। বসুন্ধরা আই হসপিটাল সেটা করতে পারছে। এখানকার ডাক্তারসহ অন্যান্যদের ব্যবহার খুবই চমৎকার। তারা রোগীদের বাবা-চাচা-ভাইয়ের মতো করে সেবা যত্ন করেন। তাদের ব্যবহার অতুলনীয়। যেন সবাই তাদের আপনজন।

একই এলাকা থেকে চোখের ছানি অপারেশন করতে আসা মোমেনা বেগম বলেন, আমি আগে চোখে ঝাপসা দেখতাম। টাকার জন্য চিকিৎসা করাতে পারিনি। আমাদের এলাকার একজনের কাছে খবর পেয়ে আই ক্যাম্পে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করাতে যাই। পরে তারা চোখ পরীক্ষা করে অপারেশনের জন্য নিয়ে আসে। আমার কোনো খরচ হয়নি। এখন আবার আমি ঠিকভাবে দেখতে পারবো। আল্লাহ এদের ভালো করুক।

বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ম্যানেজার (এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) মোহাম্মদ আহসান হাবীব বলেন, গরিব-দুস্থ ও অন্ধ রোগীদের চক্ষু চিকিৎসার সাহায্যার্থে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুস্থদের সেবায় আগে থেকেই এ ধরনের কার্যক্রম চলমান আছে। সারা দেশে বিনামূল্যে এ ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত এই ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রায় তিন হাজার ১৪৫ জনের বেশি রোগীর চোখ বিনামূল্যে অপারেশন করা হয়েছে।

যেভাবে এইচএসসি পরীক্ষার ফল দেখা যাবে

যেভাবে এইচএসসি পরীক্ষার ফল দেখা যাবে

যেভাবে এইচএসসি পরীক্ষার ফল দেখা যাবে

ডেস্ক রিপোর্ট:

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১৫ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। এদিন সকাল ১১টায় শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল দেখতে পারবে। গতকাল বুধবার, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ফলাফল শিট ডাউনলোড করতে পারবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট (www.dhakaeducationboard.gov.bd), (www.educationboardresults.gov.bd), এবং (www.eduboardresults.gov.bd) থেকে EIIN নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা তাদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবে।

ফলাফল প্রকাশের পর SMS-এর মাধ্যমেও ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে। এজন্য “HSC Board name (প্রথম ৩ অক্ষর) Roll Year” টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার জানিয়েছেন, এই বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। তবে, এবার কোনো কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান হবে না। শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এসএমএস, এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত রিফাত হত্যা মামলায় দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

 

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নিহত শিক্ষার্থী রিফাত হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মোখলেছুর রহমান উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী গ্রেপ্তারের তথ্য জানান।

জানা যায়, ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শহিদনগরে আন্দোলনকারী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় রিফাত বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয় । পরে কুমিল্লা এবং ঢাকায় নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে না পেরে বাড়িতে নিয়ে আসলে রাতে মারা যায় রিফাত। এঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় এবং কুমিল্লার আদালতে পৃথক দু’টি হত্যা মামলা করা হয়।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, রিফাত হত্যার আসামি মোখলেসুর রহমানকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে আবদুল্লাহ নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মিয়ানমারের নৌ বাহিনীর গুলিতে

মিয়ানমারের নৌ বাহিনীর গুলিতে বাংলাদেশি জেলে নিহত, ৬০ জন জেলেকে অপহরণ

মিয়ানমারের নৌ বাহিনীর গুলিতে বাংলাদেশি জেলে নিহত, ৬০ জন জেলেকে অপহরণ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমারের নৌ বাহিনী বাংলাদেশি একটি ফিশিং ট্রলারে গুলি চালিয়েছে। এ ঘটনায় মো. ওসমান নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন এবং আরও দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় ৬০ জন মাঝি-মাল্লাসহ চারটি ফিশিং ট্রলার অপহরণ করে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী। তিনি জানান, মিয়ানমার নৌ বাহিনীর গুলিতে একজন জেলে নিহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে মিয়ানমারের নৌ বাহিনী অপহৃত ৪০ থেকে ৫০ জন জেলেকে ট্রলারসহ বাংলাদেশের কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করেছে এবং তারা বর্তমানে বাংলাদেশের জলসীমার দিকে রওনা হয়েছেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ট্রলার মালিকদের সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে মৌলভীর শিল নামক মোহনায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত জেলে মো. ওসমান শাহপরীর দ্বীপের কোনারপাড়া এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। গুলিবিদ্ধদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। নিহত ও আহতরা সবাই শাহপরীর দ্বীপের বাজারপাড়া এলাকার সাইফুল কোম্পানির মালিকানাধীন ট্রলারের জেলে।

অপহৃত চারটি ট্রলারের মালিকদের মধ্যে রয়েছেন মিস্ত্রীপাড়ার মুসলিম মিয়ার ছেলে মতিউর রহমান, মৃত আলী হোছনের ছেলে আবদুল্লাহ এবং তার ভাই আতাউল্লাহ, উত্তরপাড়ার ছৈয়দ মাঝির ছেলে মো. আছেম। ট্রলারগুলোতে মোট ৬০ জন মাঝি-মাল্লা ছিলেন।

ট্রলার মালিক সাইফুল জানান, বুধবার সাগরে মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের নৌ বাহিনীর সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে গুলি চালায়, যার ফলে তার ট্রলারের চারজন জেলে গুলিবিদ্ধ হন, তাদের মধ্যে একজন মারা যান। এরপর পাঁচটি ট্রলারসহ মাঝি-মাল্লাদের ধরে মিয়ানমারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার তার ট্রলারটি ছেড়ে দেওয়া হয় এবং নিহত ও আহত জেলেদের নিয়ে সেটি শাহপরীর দ্বীপের দিকে রওনা দেয়।

অন্য একটি ট্রলার মালিক মতিউর রহমান জানান, অপহৃত ট্রলারসহ মাঝি-মাল্লাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। নিহতকে নিয়ে ট্রলারটি ঘাটে পৌঁছালে বিস্তারিত জানা যাবে।

বিজিবির টেকনা