All posts by jitu

কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বুড়িচংয়ে বন্যার্তদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় বুড়িচংয়ের নানুয়াপাড়ায় কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় সংগঠনটির   স্বেচ্ছাসেবকের একটি টিম বুড়িচংয়ের নানুয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ মেডিকেল ক্যাম্পে ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব জামাল খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, যুগ্ম  সাধারণ সম্পাদক এইচ এম তারিকুল ইসলাম,  মো. গুলজার হোসেন, অর্থ সম্পাদক আবুল বাসার বাকী, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো.মুস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য মাহবুবুর রহমান, জাকির হোসেন, ফারুক হোসেন,আরিফ হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব জামাল খন্দকার  বলেন, মানুষের সেবায় সবসময় কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশন কাজ করছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কুমিল্লার প্রায় জায়গায় আমাদের সংগঠনের কয়েকটি টিম উদ্ধার কাজ ও ত্রাণ সহায়তা করে আসছেন যা এখনো চলমান রয়েছে।  অসহায় মানুষের জন্য যে কোন কাজে সবসময় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

প্রতিবছর যেন এই কার্যক্রম চালু থাকে সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। শুধু কুৃমিল্লা নয়, জেলা ও উপজেলার বাহিরেও এর পরিধি ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান তিনি। এমন মহতী উদ্যোগের পাশে সবসময় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, সকাল ১০ টা থেকে অভিজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে বিনামূল্যে রোগ নির্ণয় করে রোগীদের মেডিসিন ও ওষুধ বিতরণ করা হবে।  এসময় ডাক্তারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড্যাব কুমিল্লা সেক্রেটারি ডা.মোহাম্মদ আরিফ হায়দার,কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ডা.তাহমীদ মুস্তাফিজ,কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ডা.কাওসার আলামীন।

প্রতি কেজি ১২শ টাকাদরে

প্রতি কেজি ১২শ টাকাদরে ভারতে গেল ৬১ টন ইলিশ

প্রতি কেজি ১২শ টাকাদরে ভারতে গেল ৬১ টন ইলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বেনাপোল ও আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ২৩টি ট্রাকে ৬১ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর এটিই ভারতে ইলিশের প্রথম চালান।

বৃহস্পতিবার বেনাপোল (যশোর) স্থলবন্দর দিয়ে ২০টি ট্রাকে ৫৪ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়। বাংলাদেশের ১০টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এই ইলিশ রপ্তানি করে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে এদিন দুপুরে রপ্তানি করা মাছের চালান ভারতে প্রবেশ করে।

এছাড়া সন্ধ্যা ৬টার দিকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩টি ট্রাকে করে ৭ টন বা ৭ হাজার ৩০০ কেজি ইলিশ ত্রিপুরার আগরতলায় পাঠানো হয়েছে।

প্রতি কেজি ইলিশের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১,২০০ টাকা। ভারতে রপ্তানি করা এই চালানের অধিকাংশ ইলিশের ওজন এক কেজি বা তার বেশি। খুচরা পর্যায়ে এগুলোর দাম হতে পারে দুই হাজার রুপি।

বেনাপোল বন্দরের ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন অফিসার মাহাবুবুর রহমান জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ৪৯টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে এই মাছ রপ্তানি করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে বাংলাদেশ সরকার ইলিশ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে। তবে গত পাঁচ বছর ধরে দুর্গাপূজার সময় বিশেষ অনুমতিতে ইলিশ রপ্তানি করা হচ্ছে। যদিও গত বছর ৩ হাজার ৯০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি থাকলেও, রপ্তানি হয় মাত্র ৬৬৩ টন।

হাসপাতালে গৃহবধুর লাশ

হাসপাতালে গৃহবধুর লাশ রেখে পালিয়ে গেল স্বজনরা

হাসপাতালে গৃহবধুর লাশ রেখে পালিয়ে গেল স্বজনরা

জাকির হোসেন হাজারী,দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ফারিয়া আক্তার (২৬) নামের এক গৃহবধূর লাশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে গেছে স্বজনরা। বৃহস্পতিবার(২৬ সেপ্টেম্বর) দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ সাকিব আবরার জানান, সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে ফারিয়া আক্তার নামে এক গৃহবধুকে হাসপাতালে আনা হয়। সাথে থাকা মজিব খান নামে ব্যাক্তি ওই গৃহবধূর স্বামী বলে পরিচয় দেন। আর হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই গৃহবধূ মারা যায়। একথা বলার পর মজিদ খান গাড়ী নিয়ে আসার কথা বলে পালিয়ে যায়। হাসপাতালের রেজিস্ট্রারে উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজার ঠিকানা উল্লেখ করা হয়। পরে আমরা পুলিশকে খবর দেই।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আর হাসপাতালের রেজিস্ট্রারে স্বামীর নামে লেখা ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। হাসপাতালের সিসি ক্যামেরর ফুটেজ থেকে স্বজনদের সনাক্তকরণে কাজ চলছে।

কুবি ইএলডিসি’র নতুন নেতৃত্বে সাফল্য- লাজিম

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কর্মজীবন ও নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ক সংগঠন  “এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ, লিডারশিপ ও ডেভেলপমেন্ট ক্লাব” এর তৃতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ক্লাবের সদ্য বিদায়ী সভাপতি সামিউল ইসলাম জিসান এবং সাধারণ সম্পাদক আফতাব উল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ১৫ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাফল্য এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ১৫ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী কাজী জুহায়ের আনান লাজিম। এছাড়াও সাত সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে সহ -সভাপতি হিসাবে আছেন রিয়াদ হোসাইন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাসমিয়া মাহমুদ ও মেজবাহ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ লাবিব রহমান ও মোহাম্মদ লোকমান।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বের গুণাবলি, দক্ষতা ও মানোন্নয়নের লক্ষে ২০২০ সালের ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ উদ্যোক্তার হাত দিয়ে সংগঠনটির পথচলা শুরু হয়।

কুমিল্লা দক্ষিন জেলা জামায়াত আয়োজিত রাসূল (স:) এর জীবন ও কর্ম র্শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

প্রেস রিলিজ:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, পৃথিবীর মানুষের মুক্তির জন্য আল-কোরআনের আইনের বিকল্প নেই।এ কোরআন নাজিল হয়েছে মুহাম্মদ (সা:) এর উপর তাঁর আদর্শ সকল পথহারা মানুষের সঠিক পথের সন্ধান দিতে পারে।কোরআন মানুষকে আলোর পথ দেখায়। এটি মানব জাতির জন্য রহমত ও হেদায়েত একমাত্র গ্রন্থ।

বিপ্লবের জন্য মানুষিকতা প্রয়োজন।যার চরিত্রের কোন প্রকার দাগ নেই,দুনীতি অভিযোগ নেই সেই চরিত্রের মানুষ রসূল (স:) আদর্শ ধারণ করতে হবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা জেলা দক্ষিন আয়োজিত বৃহস্পতিবার সন্ধা ৭টায় কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে রাসূল (স:) এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।

কুমিল্লা জেলা দক্ষিনের আমীর মু শাহজাহান এডভোকোট এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাসুম,মদিনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস,ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার,কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ,কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর আব্দুস সাত্তার,কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল মতিন।

ডা তাহের আরো বলেন,তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশ সংস্কারের কাজ শেষ করে, দ্রুত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করে জনগণের নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। এবং দেশের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে নতুন স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হবে।
দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করলে এদেশের ছাত্র জনতারা সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেবে। আমরা দ্বিতীয় বার এ দেশকে স্বাধীন করেছি। আমরা এখনো পুরোপুরি স্বাধীনতা পাইনি। আমাদেরকে আরো একটি সংগ্রাম করতে হবে। সেটি হলো এদেশ থেকে সকল প্রকার জুলুম, চাঁদাবাজ মুক্ত একটি সমাজ এবং ধর্ম বর্ণ, সাদা কালো, ধনী গরীব সকল পেশার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

কুমিল্লা জেলা দক্ষিনের সহকারী সেক্রেটারী মু মাহফুজুর রহমান এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য দক্ষিন জেলা সেক্রেটারী ড.এ কে এম সৈয়দ সরোয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী,জেলা সহকারী সেক্রেটারী ডা. আব্দুল মবিন,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শফিকুল আলম হেলাল,ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা জেলা পূর্ব সভাপতি নাজমুল হাসান মেহেদী, ছাত্রশিবির দক্ষিন জেলা সভাপতি নজরুল ইসলাম। আলোচনা সভায় কোরআন তেলোয়াত করেন, মাওলানা ইসরাঈল মজুমদার

আলোচনা সভায় এসময় উপস্থিত ছিলেন,কুমিল্লা জেলা দক্ষিনের অফিস সেক্রেটারী মিজানুর রহমান,প্রচার সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন,জেলা জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

দূর্গাপূজাকে উৎসবমুখর করতে সেইলর নিয়ে এসেছে নতুন পূজা কালেকশন

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরেই সারা বছরের অপেক্ষার অবসান কাটিয়ে আসছে বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা। এই উৎসবকে আরও বেশি উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত করতে নারী-পুরুষ-শিশুদের জন্য সেইলরের রঙিন এই পূজা কালেকশনে থাকছে সালওয়ার সুট, পাঞ্জাবি, শার্ট, কুর্তি, টু-পিস, টপসসহ বিভিন্ন ধরনের ড্রেস।

দিনভর আরামে ফ্যাশনেবল থাকার জন্য পুরুষদের ড্রেসে- সুনিপুণ গিযা কটন, সফট কটন, হাই কাউন্ট সুতার তৈরি ব্ল্যান্ডেড ফেব্রিকের মত নানান প্রিমিয়াম ফ্যাব্রিক ও নারীদের ড্রেসে প্রিমিয়াম সিল্ক , রিঙ্কেল শিফন, প্রিন্টেড সফট সিল্কসহ সবচেয়ে আরামদায়ক ফ্যাব্রিকের প্রাধান্য দিয়েছে সেইলর। মেরুন, হলুদ, লাল, গোলাপি, টিলসহ বাহারি রঙ নির্বাচন করার পাশাপাশি নিখুঁতভাবে হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি, কারচুপি, পার্ল প্রিন্ট, সিকুইন ওয়ার্ক ইত্যাদির মাধ্যমে ফ্লোরাল আর্টের প্রাধান্য পেলেও সমসাময়িক বিভিন্ন মোটিফের ডিজাইন পূজার কালেকশনকে করেছে আকর্ষণীয়। পূজায় পছন্দসই জামার সাথে মিলিয়ে রয়েছে ফুটওয়্যার ও ব্যাগের কালেকশন। সাথে রয়েছে নানাবিধ উপহার সামগ্রীর সমাহার।

দূর্গাপূজাকে উৎসবমুখর করতে সেইলর নিয়ে এসেছে নতুন পূজা কালেকশন

পরিবারের সবাই উৎসবের এ আনন্দে যেন একাত্ত হতে পারে সেই কথা চিন্তা করেই নতুন কালেকশনে রয়েছে কাপল ও ফ্যামিলি কম্বো।

এই বছর পূজায় আপনার ওয়্যারড্রোবকে দিন নতুনত্বের ছোঁয়া সেইলরের পূজার নতুন কালেকশনের সঙ্গে। যাতে উৎসবের প্রতিটি দিন আপনি হয়ে উঠতে পারেন অনন্য। কারণ উৎসব মানেই সেইলর।

ব্র্যান্ডটির নতুন সকল সংগ্রহ পাওয়া যাচ্ছে কুমিল্লা আউলেট (প্রথম ফ্লোর, কিউ আর টাওয়ার, বাদুরতলা, কান্দিরপাড় কুমিল্লা), দেশব্যাপী সকল আউটলেট ও অনলাইনে।

সাবেক এমপি শামীম এক প্রকল্প থেকেই ৩০০ কোটি লোপাট করেছেন

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবু জাফর মো. শফিউদ্দিন শামীম। এমপি হয়ে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে গড়ে তুলেছিলেন নিজের সাম্রাজ্য। সংস্থাটির যেকোনো প্রকল্পের ঠিকাদার ছিল শামীমের নিজস্ব মালিকানা প্রতিষ্ঠান টিএস ট্রান্সফরমার।

জানা গেছে, আরইবি’র উপকেন্দ্র নির্মাণে  ৭৭৩ কোটি টাকার দরপত্র ১ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ ও স্মার্ট মিটার প্রকল্পে বেশি দর দিয়ে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় সাবেক এমপি শামীমের সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন আরইবি’র একাধিক কর্মকর্তা। তারা জানান, দরপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে বিদ্যুতের এই খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেন সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংকের এই চেয়ারম্যান। অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটও (বিএফআইইউ)। এরই মধ্যে সংস্থাটির পক্ষ থেকে তার ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আরইবি’র খুলনা জোনের উপকেন্দ্র আধুনিকায়নের প্রকল্পেই ২২৭ কোটি টাকা বাড়তি বিল গুনতে হবে আরইবিকে। আগের কাজ শেষ না হতেই আরও একটি লটে সাবেক এমপি শামীমের প্রতিষ্ঠান টিএস ট্রান্সফরমারকে অস্বাভাবিক দরে কাজ দেয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তবে সরকারের পটপরিবর্তনের কারণে নতুন লটের যাচাই-বাছাইয়ের দাবি উঠেছে। প্রতিযোগিতামূলক দর নিশ্চিত করা গেলে কমপক্ষে একশ’ কোটি টাকা সাশ্রয় হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা।

সূত্র আরও জানায়, গত দেড় দশকে শামীম একটানা আরইবি নিয়ন্ত্রণ করে গেছেন। সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেন তিনি। ২০২২ সালে ৮টি প্যাকেজের আওতায় ৩৭টি জিআইএস সাবস্টেশন নির্মাণের দরপত্র চাওয়া হয়। দ্বৈত খাম পদ্ধতির ওই দরপত্রে ৯টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিলেও কৌশলে ৬ প্রতিষ্ঠানকে বাতিল করে দেয়া হয়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কারণ জানতে চাইলে নানা রকম ভয়-ভীতি দেখানো হয়। নামকরা একাধিক কোম্পানি দরপত্র জমা দিলেও যৌক্তিক কারণ ছাড়াই দরপত্র বাতিল করা হয়। কাজ পাবে নির্ধারিত প্রতিষ্ঠান, সেটি নিশ্চিত করতে যা প্রয়োজন তাই করেছেন প্রকল্প পরিচালক মাহবুবুর রহমান ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি (টিইসি)।

প্যাকেজ কেডি ডব্লিউ-১ এর আওতায় ছিল ৫টি (২*১০/১৪ এমভিএ) উপকেন্দ্র। প্যাকেজের প্রাক্কলিত মূল্য ছিল ৯৭ লাখ ৩৯ হাজার ২৮৪ ইউএস ডলার। কিন্তু টিএস ট্রান্সফরমার জেভি এনার্জি প্যাককে ১ কোটি ২৭ লাখ ৬১ হাজার ৬৯ ইউএস ডলারে কার্যাদেশ দেয়া হয়। যা প্রাক্কলিত মূল্যের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি। টিএস ট্রান্সফরমার জেভি এনার্জি প্যাককে মোট ৫টি প্যাকেজে ৩৫টি সাবস্টেশন নির্মাণের কাজ দেয়া হয়, যার প্রত্যেকটিতে ৩০ শতাংশ দর বাড়িয়ে দেয়া হয়। এভাবে ৭৭৩ কোটি টাকার দরপত্রে ১ হাজার কোটি টাকা বিল প্রদান করে আরইবি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরইবি’র এক কর্মকর্তা  বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের উপকেন্দ্র নির্মাণ দরপত্রে প্রাক্কলিত মূল্যের চেয়ে এত বেশি বাড়িয়ে দেয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। টিএস ট্রান্সফরমার শুধু উপকেন্দ্র নির্মাণে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েই ক্ষান্ত হয়নি। স্মার্ট মিটার, ট্রান্সফরমার ও খুঁটি সরবরাহ থেকেও কয়েকশ’ কোটি টাকা লুটপাট করেছে। শফিউদ্দীনের অপর প্রতিষ্ঠান এসকিউ ওয়্যার অ্যান্ড ক্যাবলসের মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা দরে যে মিটার দেয়া হয়, একই মিটারের বিপরীতে আগের লটের বিল নিয়েছে ১২ হাজার টাকার উপরে। আরএফ মডিউলসহ সিঙ্গেল ফেজ মিটার ১২ হাজার ২৫৩ টাকা দরে বিল তুলেছে ২০২২ সালে। ওই টেন্ডারের ১০ মাস পর ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এ (প্যাকেজ ২৩-২৪ ঢাকা পিবিএস-১.০ অ্যান্ড এম-১) খোলা দরপত্রে একই মিটার মাত্র ৬৩৮২ টাকায় দর জমা দেয়। এমন সব অসঙ্গতি থাকলেও আরইবি’র তৎকালীন চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিশ্চুপ ছিলেন।

সূত্র জানায়, ৪ লাখ ৯০ হাজার সিঙ্গেল ফেজ মিটার ক্রয় ও স্থাপনে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে শামীমের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিযোগিতামূলক কাজ দেয়া গেলে অর্ধেক দামে মিটার স্থাপন করার সুযোগ ছিল। সাবেক এমপি শামীমের এসব দুর্নীতি ও অনিয়মে আরইবি’র কিছু কর্মকর্তাও সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। যারা আরইবি’র স্বার্থ না দেখে টিএস ট্রান্সফরমারের পক্ষে কাজ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। টিএস ট্রান্সফরমারকে কাজ দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন ওই প্রকল্পের পরিচালক মাহবুবুর রহমান, আরইবি’র সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) দেবাশীষ চক্রবর্তী।

সূত্রমতে, ৪ লাখ ৯০ হাজার মিটারের সঙ্গে এক হাজার ৬০০টি ডিসিইউ, ছয় হাজার ৪০০টি রিপিটারের মূল্য বিবেচনায় নিলে প্রতিটি মিটারের জন্য সরকারের ব্যয় দাঁড়াবে ২৫ হাজার ২০৬ টাকা। সব মিলিয়ে স্মার্ট মিটার স্থাপনের একটি লটে অন্তত ৩০০ কোটি টাকার জালিয়াতি করা হয়েছে।

স্মার্ট প্রি-পেইড মিটারের আন্তর্জাতিক বাজারদর হিসাব করে দেখা গেছে, এই প্রকল্পের টেন্ডার জালিয়াতি করে পুকুরচুরি করা হয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দরপত্রে চাওয়া সিঙ্গেল ফেজ ইলেকট্রিক মিটারের দাম ছয় ডলার থেকে শুরু করে ভালো মানের মিটারের দাম ৩৫ ডলার। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে এই মিটারের দাম সর্বনিম্ন ৭০০ থেকে শুরু করে ৪ হাজার ২০০ টাকা (এক ডলার সমান ১২০ টাকা)। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড যদি ভালো মানের মিটারের দরপত্রও আহ্বান করে তাহলে প্রথম লটে প্রতিটি মিটারে প্রায় আট হাজার ৫০০ টাকা বেশি দাম ধরে কাজ দিয়েছে। আর দ্বিতীয় লটের কাজেও প্রায় দুই হাজার ২০০ টাকা বেশি দামে কাজ দেয়া হয়েছে।

স্মার্ট মিটার স্থাপন প্রকল্পে জালিয়াতি করায় সরকারের পাশাপাশি গ্রাহকদের ওপরও বাড়তি অর্থের চাপ পড়েছে। কারণ প্রতিটি মিটার ক্রয়ের অর্থ বাবদ গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি মাসে ২০০ টাকা করে কেটে নেয়া হয়েছে। অর্থাৎ মিটার ক্রয়ে জালিয়াতির কারণে বাড়তি অর্থ গুনতে হয়েছে গ্রাহকদের। যদি সঠিক দামে এসব মিটার কেনা হতো তাহলে প্রতি মাসে মিটার চার্জ বাবদ গ্রাহকদের অনেক কম অর্থ পরিশোধ করতে হতো।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আরইবি’র সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) দেবাশীষ চক্রবর্তীকে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টিএস ট্রান্সফরমারের মালিক ও সাবেক এমপি শামীমের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ ছাড়া প্রকল্প পরিচালক মাহবুবুর রহমানও ফোন কলে সাড়া দেননি।

সূত্র: মানবজমিন।

মনিরুল হক চৌধুরীর নির্দেশে গুইংগাজুড়ি খালের সংস্কার ও কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু

সালাউদ্দিন সোহেল :
কুমিল্লা ১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হুইপ ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আল হাজ্ব মনিরুল হক চৌধুরীর নির্দেশে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার যুবদলের নেতাকর্মীদের তত্বাবধানে গুইংগাজুড়ি খালের সংস্কার ও কচুরিপানা পরিষ্কারের কার্যক্রম চলে।

সদর দক্ষিণ উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া গুইংগা জুড়ি খালের মধ্য অতিরিক্ত কচুরিপানা থাকার ফলে খালের পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়। যার ফলে বন্যার পানি সরে যাওয়ার ধীরগতি ও আমন ধান চাষের অনিশ্চয়তা। অতিরিক্ত কচুরিপানা জমে থাকার কারণে খালের তলদেশে পলি জমে ধীরে ধীরে খালটি ভরাট হয়ে আসছে। এছাড়াও কুমিল্লা ইপিজেডের বিষাক্ত বজ্য এই খালটি দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার ফলে খালের পানি বিষাক্ত হয়ে মাছ এবং অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ প্রায় বিলুপ্তির পথে।প্রবাহমান এই খালটির পরিবেশ ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে গেল কয়েক বছর আগে কুমিল্লা ১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আল হাজ্ব মনিরুল হক চৌধুরী মানববন্ধনসহ স্মারকলিপি প্রদান করেছিলেন জেলা প্রশাসক সিটি মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট। এছাড়াও কুমিল্লার প্রতিটি প্রোগ্রামে এ খালটিকে রক্ষা করার জন্য তাগিদ দিয়ে আসছেন বিএনপির এ সাবেক এমপি।

গত  মঙ্গলবার সদর দঃ উপজেলার বিজয়পুর মহিলা কলেজ মাঠে জলাবদ্ধতা নিরসন করে রোপা আমন চাষের লক্ষ্য সেচ্ছায় গুইংগাজুড়ি খালের সংস্কার ও কচুরি পানা পরিষ্কার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিএনপির সাবেক এমপি আলহাজ্ব মনিরুল হক চৌধুরী তার দলের সকল নেতাকর্মীদেরকে যুবদল নেতা দিদারুল আলম মজুমদার রুবেল, তারিফুল ইসলাম, মানিক মিয়া, জহিরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে স্বেচ্ছায় গুইংগাজুড়ি খালের সংস্কার এবং কচুরিপানা পরিষ্কারের নির্দেশ দেন।অনুষ্ঠানে সাবেক এমপি আরো বলেন এ খালের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে ডাকাতিয়া নদী পর্যন্ত একটি কচুরিপানা থাকা পর্যন্ত তাদের এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।মনিরুল হক চৌধুরীর নির্দেশের পর থেকেই কুমিল্লা সদর দক্ষিণ  উপজেলার বিএনপি ও অন্যান্য অংগ সংগঠনের হাজারো নেতা কর্মী অংশগ্রহণ করে গুইংগাজুড়ি খালের সংস্কার ও কচুরিপানা পরিষ্কারের কার্যক্রমে।