All posts by jitu

দুদক বেনজীর ও তার পরিবারের সাড়ে ৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ পেয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের তদন্তকারীরা বলেছেন, তাদের প্রাথমিক তদন্তে এসব সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

অবৈধ সম্পদের মধ্যে রয়েছে- ঢাকার বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট এবং বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রাখা বিপুল অর্থ। বেনজীরের পরিবারের মালিকানাধীন এসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির দালিলিক প্রমাণও পেয়েছে দুদক।

কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

তদন্ত দল প্রাথমিকভাবে বেনজীরের নামে প্রায় ৯ কোটি ২৬ লাখ টাকার সম্পদ শনাক্ত করেছে; তার স্ত্রী জিসান মির্জার নামে ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা; তাদের বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীরের নামে ৮ কোটি ১১ লাখ টাকা এবং ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে প্রায় ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা পাওয়া গেছে।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের বিবরণী চেয়ে ইতোমধ্যে আলাদা নোটিশ জারি করেছে দুদক।

গত ২ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী সম্পদ বিবরণীর নোটিশও দেওয়া হয়।

দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে বেনজীর আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর প্রায় এক হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা ফ্রিজ করা হয়েছে। প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল এই সম্পদগুলো যাতে আত্মসাৎ বা চোরাচালান না হয় তা নিশ্চিত করা।’

‘বর্তমানে প্রতিটি সম্পদ পৃথকভাবে যাচাই করা হচ্ছে। অনেকগুলোই তার আয়কর নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত এসব সম্পদ বিবেচনাধীন এবং দুদকের মামলায় দালিলিক প্রমাণ প্রয়োজন হওয়ায় অবৈধ সম্পদের হিসাব-নিকাশ চলছে।’

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল বেনজির ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত শুরু করে দুদক।

দুদক সদর দপ্তরের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল তদন্ত করছে।

‘কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই’

ডেস্ক রিপোর্ট:

পড়াশোনা বাদ দিয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (৭ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে গণভবনে যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, কোটা বাতিলের আন্দোলন হচ্ছে। কোটা বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে বহাল হয়েছে। পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছেলে-মেয়েরা আন্দোলন করছে। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই।

সার্বজনীন পেনশন স্কিমের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতিবিদসহ সবার সার্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হওয়া দরকার।

বিএনপি সমাজের বোঝা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের সন্ত্রাসী চেহারা মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। বিএনপি-জামায়াত যেন আর ক্ষমতায় ফিরতে না পারে, সেজন্য মানুষকে সচেতন থাকতে হবে।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় যেভাবে নিযার্তন করেছে তা নিন্দারও যোগ্য নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, দলটি ভোট চুরি করে মাত্র দেড় মাস টিকেছিল। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালে ক্ষমতায় গিয়েছিল বিএনপি। ভোট চুরির অবপাদে ২ বার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তারা।

অনুষ্ঠানে যুব মহিলা লীগের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতির কারণে অচল কুবি

 

কুবি প্রতিনিধি:

গত ১৩ই মার্চ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত বৈষম্যমূলক সার্বজনীন পেনশন ‘প্রত্যয় স্কিম’ ব্যবস্থাপনার প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রণীতব্য প্রহসনের অভিন্ন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি, কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেছে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন, বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদ, তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এবং কর্মচারী সমিতি।

পহেলা জুলাই থেকে অর্ধদিবস কর্ম বিরতি চললেও আজ থেকে শুরু হচ্ছে পূর্ণ দিবস কর্ম বিরতি। প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অচল হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

আজ রবিবার (৭ জুলাই) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তাঁরা।

এ ব্যাপারে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক সাদেক হোসেন মজুমদার বলেন, ‘আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমাদের পূর্ণ দিবস কর্মবিরতির কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে পালিত হবে এবং আমরা কোন প্রশাসনিক কাজে অংশগ্রহণ করব না।’

তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের সর্বশেষ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মোহসীন বলেন, ‘আমাদের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের দাবি যতক্ষণ না পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য আমাদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করে যাব।’

দাউদকান্দির জামাল হত্যার ১৪ মাস পর চার্জশিট দিলেন ডিবি

 

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

যুবলীগ নেতা জামাল হোসেন হত্যার মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে পুলিশ। রবিবার ১২ জনকে আসামি করে আদালতে জমা দেওয়া হয়।

আদালতে চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির ওসি রাজেস বড়ুয়া।

জামাল হোসেন তিতাস উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ছিলেন। গত বছরের ৩০এপ্রিল দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজারে বোরকা পড়া দুবৃত্তদের গুলিতে নিহত হন তিনি।

হত্যা মামলার প্রায় ১৪ মাস পর অভিযোগপত্রে ১২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করল কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

অভিযোগপত্রে সুজন(২৮), মোঃ আকাশ ওরফে আরিফ(২৬), ইসমাইল(৪২), শাহ আলম(৩৬), অলিউল্লাহ(৩৭) ওরফে অলি হাসান, মনির হোসেন ওরফে কালা মনির(৪৪), সুমন হোসেন ওরফে ড্রাইভার সুমন(২৯), দেলোয়ার হোসেন দেলু(৩১), মোঃ রবি(২৮), মোঃ শাহ পরান(৩৮), মোঃ আল আমিন ওরফে শাহ আলী(২৬) ও মোঃ শহিদুল ইসলাম ওরফে সাদ্দাম মাষ্টার (৩৩) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

পূর্বশত্রুতা ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের জেরে গত বছরের ৩০ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজার এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে বের হলে বোরকা পরা কয়েকজন দুবৃত্ত জামালকে এলোপাতাড়ি গুলি করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। জামাল গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

এমন সময় স্থানীয়রা জামালকে উদ্ধার করে প্রথমে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার দুইদিন (৩ মে) পর নিহত জামাল হোসেনর স্ত্রী পপি আক্তার বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মোট ১৭ জনের নামে দাউদকান্দি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রাজেশ বড়ুয়া ব‌লেন, মামলার তদন্তে বিভিন্ন সিসিটিভির ফুটেজ এনালাইসিস করে বাদির আনিত অভিযোগটি যাদের বিরুদ্ধে প্রমানিত হয়েছে তাদের নাম চার্জশিটে দেওয়া হয়েছে। আর যাদের বিরুদ্ধে প্রমান পাইনি তাদেরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মামলার বাদী পপি আক্তার বলেন, চার্জশিটের কপি এখনও হাতে পাইনি। তবে জানতে পেরেছি হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার হওয়া বেশ কয়েকজনকে চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে আমার স্বামী হত্যার ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয়ে আছি।

আমরা সৎ থাকলে দুর্নীতি হওয়ার সুযোগ কম: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আমরা সৎ থাকলে দুর্নীতি হওয়ার সুযোগ কম বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখানে এক সময় পার্সেন্টেজের বিষয়টি নিয়মিত ঘটনা ছিল। সেটি বন্ধ করতে পেরেছি। অনেকের সময় হওয়ার আগেই বদলি করা হতো, সেটি করা যাবে না। আমরা কোনো অবস্থাতেই শ্রীলঙ্কার দৃষ্টান্তের পুনরাবৃত্তি চাই না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই অফিস সহকারী মিহিরের স্ত্রী অঢেল সম্পদের মালিক

ডেস্ক রিপোর্ট:

সম্পদের তথ্য গোপনসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মিহির কুমার ঘোষ ও তার স্ত্রী শিল্পী রানী ঘোষের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার দুপুরে দুদকের সমন্বিত কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ে উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইমরান খান তাদের নামে পৃথক দুটি মামলা করেন।

মিহির আগে জেলার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ছিলেন। একটি মামলায় মিহিরকে এবং অপর মামলায় স্ত্রী শিল্পী ও তার সহযোগী হিসাবে মিহিরকে আসামি করা হয়।

ইমরান খান বলেন, ‘স্বামী–স্ত্রী দুজনেরই সম্পদ অর্জনের বিষয়ে তথ্য গোপন করেছেন। স্ত্রীর নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছি।’

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে দুদক অনুসন্ধান শেষে শিল্পী রানী ঘোষ ও তার স্বামী মিহির কুমার ঘোষের বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য পান। ২০২১ সালের ১৬ আগস্ট শিল্পী রানীর কাছে সম্পদ বিবরণী নোটিশ দেয় দুদক। ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের কুমিল্লার সমন্বিত কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী ফরম পূরণ করে পাঠান শিল্পী। শিল্পী রানী দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তার ৩৬ লাখ ৬৬ হাজার ৭৮২ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১৫ লাখ ৬৮ হাজার ৪১ টাকার অস্থাবর সম্পদের কথা উল্লেখ করেন। কিন্তু সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে তার নামে ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার ২৬ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ১৫ লাখ ৬৮ হাজার ৪১ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। পারিবারিক ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদসহ তার নামে মোট ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৫৮ টাকার সম্পদ পায় দুদক। তিনি ২০১০-১১ করবর্ষে আয়কর নথি খোলেন ও ব্যবসা থেকে তার আয় দেখান ৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা এবং বিনিয়োগ দেখান ২ হাজার টাকা। ২০১০-১১ সালে ব্যবসা থেকে উত্তোলন করেন ২৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। আয়কর নথি খোলার পর গৃহ সম্পদ ও ব্যবসার আয় পাওয়া যায় ৩৪ লাখ ৭৫ হাজার ৮১৯ টাকা। কিন্তু দুদক যাচাইকালে ব্যবসাসংক্রান্ত তার কোনো ধরনের নথি পায়নি। তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ ২৮ লাখ ৭৪ হাজার ৫৩৯ টাকা।

মিহির কুমার অবৈধ পন্থায় উপার্জিত অর্থ দিয়ে ২০১০-১১ সালে পাঁচতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। তিনি দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা হিসাব/তথ্য প্রদানসহ ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৭২২ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

মিহির কুমার ১৯৯৬ সাল থেকে সরকারি চাকরিতে রয়েছেন। তিনি সম্পদ বিবরণীতে ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১৫ লাখ ১০ হাজার ৯৬৯ টাকার অস্থাবর সম্পদ উল্লেখ করেন। যাচাইকালে তার নামে ১৮ লাখ ৮৭ হাজার ৬৯১ টাকার অস্থাবর সম্পদ পায় দুদক।

কুবিতে পর্দা নামলো আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসবের

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নাট্যসংগঠন ‘থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’র ১যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া দু’দিনব্যপী ‘যুগান্তরের উৎসব’ এর পর্দা নামলো আজ (৬ জুলাই)। দ্বিতীয় দিনে উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত সিনেমা ‘লাপাতা লেডিজ’র স্ক্রিপ্ট রাইটার বিপ্লব গোস্বামী।

গতকাল ৫ জুলাই (শনিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ উৎসব শুরু হয়।

দু’দিনব্যপী আন্তর্জাতিক এই নাট্য উৎসবের প্রথমদিনে উপস্থাপিত হয় ভারতের কোলকাতার নাট্য সংগঠন মছলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টারের পরিবেশনায় মৃণাল মুখোপাধ্যায়ের লেখা নাটক ‘যুযুধান’। যেটির নির্দেশনায় ছিলেন জীবন অধিকারী। এছাড়া ধীরাজ হাওলাদারের নির্দেশনায় ‘একটি গাছ একটি প্রাণ ও দেখা’ নামক দুটি মূকাভিনয় পরিবেশিত হয়।

দ্বিতীয় দিনে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নাটক ‘মাল্যদান’ উপস্থাপিত হয়। যেটির নির্দেশনায় ছিলেন ইশতিয়াক আহমেদ ও গুলশান পারভীন সুইটি।

অনুষ্ঠানে আলোচিত সিনেমা ‘লাপাতা লেডিজ’র স্ক্রিপ্ট রাইটার বিপ্লব গোস্বামী বলেন, ছোটবেলায় পড়তাম কুমিল্লা শিল্পের শহর, সংস্কৃতির শহর, শিক্ষার শহর। এই কুমিল্লারই এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে পারা আমার জন্য আনন্দের। এটি একটি নাট্য উৎসব। নাটকের সাথে আমারও ছোট থেকেই সম্পর্ক ছিলো এবং এখনো আছে। আমি কলকাতা সত্যজিৎ রায়ের ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউটটে পড়াশোনা করেছি। তার আগে নাট্যচর্চা করতাম যাতে সিনেমাটা ভালোভাবে বুঝতে পারি। আমার খুব কৌতুহল হয়েছিলো আজকে এখানে উপস্থাপনাটা কিরকম হবে। কারণ ছোট গল্প হলেও তার একটা বলিয়ম আছে৷ এটা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি৷ সব মিলিয়ে দারুণ হয়েছে।

এসময় লাপাতা লেডিস সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনেকেই আমাকে ফেসবুকে কিংবা ইনস্টাগ্রামে খুঁজে বের করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আমাকে ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে এতো এতো ভালোবাসা পেয়েছি যে আমি সত্যি আনন্দিত। মূলত এই সিনেমাটির চিত্রনাট্য বা গল্প আমার লিখা। ভারতে সবচেয়ে বড় স্ক্রিপ্ট কনটেস্টে চার হাজার স্ক্রিপ্ট এর মধ্যে আমার এটি দ্বিতীয় হয়েছিলো। তো আমি আপনাদের মাধ্যমে খুব অনুপ্রাণিত যে এই ধারার সিনেমা আপনারা উপভোগ করেছেন।

নাট্য পরিবেশনা শেষে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় এবং পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।

সমর্থকদের ট্রফির জন্য ধৈর্য ধরতে বললেন ব্রাজিল অধিনায়ক

ডেস্ক রিপোর্ট:

২০১৯ সালে শেষবার কোপা আমেরিকা জিতেছিল ব্রাজিল। বিশ্বকাপ জিতেছিল সেই ২০০২ সালে। দীর্ঘ সময় ধরে বড় কোনো ট্রফি জিতেনি ব্রাজিল। এবারের কোপা আমেরিকা থেকেও খালি হাতে ফিরতে হলো সেলেসাওদের। তাদের মধ্যে ছিল নেইমার জুনিয়রকে না পাওয়ার হতাশাও। তরুণ দলটি নিয়ে সবেই কাজ শুরু করেছেন কোচ দরিভাল। তাই ধৈর্য ধরে এই দলটার উপর ভরসা রাখতে বললেন ব্রাজিলের অধিনায়ক দানিলো।

জুলাই মাসেই ৩৩ বছরে পা রাখা দানিলো পরের কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে পারবেন কিনা এখনো নিজেই জানেন না। তাই এই দলটার উপর আস্থা রাখার আহ্বান তার।

দানিলো বলেন, ‘আমরা একজন খেলোয়াড় কম খেলার সুবিধা নিতে পারিনি। আমাদের আরো সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল দুটি সুযোগের ক্ষেত্রে। আমাদের যা কিছু ছিল, সব নিয়েই লড়াই করেছি। ভালো পারফর্ম করছি। তারপর পেনাল্টি। পেনাল্টিতেও প্রায় সবাই কাজ করেছিল। কিন্তু এই তরুণ দলটি (উরুগুয়ে) তাদের দক্ষতা দেখিয়েছে।’

টুর্নামেন্টে এন্ড্রিক, সাভিনহোরা ভালো পারফর্ম দেখিয়েছেন। এ বিষয়ে দানিলো বলেন, ‘আমি আশা করবো, সমর্থকরা যেন ধৈর্য ধরে। এটা সত্যি যে, ব্রাজিল দীর্ঘদিন ট্রফি জিতছে না। কিন্তু এই তরুণ দলটার প্রতি আস্থা রাখা উচিত। আমি আমার কথা বলছি না। আমি জানি না কতদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারবো। এই প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের উপর সবার ভরসা করা উচিত। এন্ড্রিক, সাভিনহোদের এখন সমর্থন দরকার।’

দলের দুই অভিজ্ঞ ফুটবলার মারকুইনহস ও অ্যালিসন বেকারের পাশেও দাঁড়িয়েছেন দানিলো। উরুগুয়ের সঙ্গে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করতে পেরে খুশি দানিলো।

ব্রাজিল দলপতি বলেন, ‘মাঝেমাঝে এটা সত্যি যে, আমাদের কিছু জেতা দরকার; এই চাওয়াটা অমূলক নয়। কিন্তু আজকে আমরা দেখিয়েছি, আমরা প্রস্তুত। ফলাফলটা আমাদের পক্ষে ছিল না। কারণ উরুগুয়ে আজকের আগে পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ খেলে এসেছে। তারা ৯ পয়েন্টের পাশাপাশি অনেক গোল করে এসেছে। আমরা আজকে প্রায় সমান ম্যাচ খেলেছি তাদের সঙ্গে। দুই দলেরই জয়ের সুযোগ ছিল।’

কুবিতে আইডি কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই ভ্যালিডিটি শেষ

 

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) স্মার্ট আইডি কার্ড শিক্ষার্থীর হাতে পাওয়ার আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। কারো নামের জায়গায় লেখা অনার্স ডিগ্রি, নামের স্পেলিং ভুল ও সেশন ভুলসহ একাধিক ত্রুটি সংশোধন না করেই শিক্ষার্থীদেরকে দেওয়া হয়েছে স্মার্ট আইডি কার্ড । তরিগরি করে দায়সারাভাবে কাজ করার কারণে এ ধরনের ভুল হয়েছে বলে মনে করছে শিক্ষার্থীরা।

খোজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত হল থেকে শিক্ষার্থীদেরকে স্মার্ট আইডি কার্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে সম্প্রতি আবেদন করা এক শিক্ষার্থীর আইডি কার্ডের ভ্যালিডিটি দেওয়া আছে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নিয়ম অনুযায়ী এ কার্ডের মেয়াদ শেষ অথচ এ মাসে তিনি এ কার্ড হাতে পেয়েছেন। আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর নামের জায়গায় ‘‘Honors Degree ’ লেখা। এছাড়াও একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট নাম অনুযায়ী RUBAYAT Al MAHIM জায়গায় RUBAYET AL MAHIM লেখা, ২০১৮-১৯ সেশনের জায়গায় ২০২২-২৩ লেখাসহ নানান অসংগতি খুঁজে পাওয়া গেছে। এছাড়াও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) নামে পেইজ বুক পেইজে আইডি কার্ড নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিক্ষার্থী। এক শিক্ষার্থী পোস্ট করে লিখেছেন,২০২৪ এর জুলাইয়ে আইডি কার্ড দেওয়া হইতেছে, অথচ ভ্যালিডিটি ২০২৩ এর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আরেক শিক্ষার্থী লিখেছেন, আমারটা ৩১ ডিসেম্বর ২০০০ সাল লেখা।

শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাওহীদুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, একটি আইডি কার্ডে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় এবং মানসম্মান জড়িত। আইডি কার্ড দিয়ে আমরা জাতীয় এবং বেসরকারি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করি। এ ভুলত্রুটির কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পড়তে হয়। আইডি কার্ডের কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট যারা রয়েছেন তাদের উচিত শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে তরিগরি না করে সতর্কতার সাথে করা।

ক্ষোভ প্রকাশ করে রুবায়াত আল মাহিম বলেন, এ ভুলগুলো কাম্য নয়। আমার নাম এবং সেশন দুটোই ভুল হয়েছে। এ কার্ড ক্যারি করা সম্ভব না। কর্তৃপক্ষের এ বিষয়গুলো যথাযথভাবে খেয়াল রাখছে আমাদের শিক্ষার্থীর জন্য ভোগান্তি কম হবে।

আইডি কার্ডের সমস্যার বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, অনলাইন সিস্টেমের কারণে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে সমস্যা সমাধান করে দিব।

সাফওয়ান সোবহান : যার স্পর্শে বদলে গেল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার :

শিরোপা খরায় ভুগছিল লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। বিখ্যাত এই ক্লাবটি ক্রিকেট তো বটেই, ফুটবলেও শিরোপা দেখা পাচ্ছিল না। ঠিক এমন এক সময়েই ত্রাতার ভ