,

ফেরত দিয়ে গেল তিতাস থানায় লুট হওয়া মালামাল ও অস্ত্র-গুলি

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
August 10, 2024
news-image

তিতাস প্রতিনিধি:

কুমিল্লা তিতাস থানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর লুট করে নিয়ে যাওয়া মালামাল, অস্ত্র ও গুলি ফেতর দিয়ে গেলেন লুন্ঠনকারীরা। শনিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে তিতাস উপজেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আল-আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া মালামাল ও অস্ত্র-গুলি উপজেলা আনসার ও ভিডিপির হেফাজতে রয়েছে।

ফিরিয়ে দেওয়া অস্ত্র ও মালামালের মধ্যে রয়েছে- ১টি এলএমজি, ১টি রাইফেল ও ৫ রাউন্ড গুলি, ২টি শটগান ও ১০ রাউন্ড রাবার কার্তুজ ও ১০ রাউন্ড শীশার কার্তুজ, ১টি টিয়ার শেল গান, ১ রাউন্ড টিয়ারশেল, ১ টি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ২টি ম্যাগজিন, ২ টি ছুড়ি, ১টি হ্যান্ডকাপ, পুলিশের সেফটি গার্ড, ৫টি অকেজো মোটর সাইকেল, ১টি পিক আপ, ২ টি পাম্প, ২টি ল্যাপটপ, ১টি টিভি, ১টি ফটোকপিয়ার, ১টি প্রিন্টার, ১টি ফ্যাক্স মেশিন ও ১টি স্ক্যানারসহ নানা ধরনের আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল।

জানাযায়, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধরা তিতাস থানায় হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এবং দুইজন পুলিশকে পিটিয়ে নিহত করে।

পরে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা থানা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যায় পুলিশ। এ সময় থানায় থাকা প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটে নেয় লুন্ঠনকারীরা৷ এরপর পুলিশ কর্মস্থলে না থাকায় গত ৭ আগষ্ট জেলা কমান্ড্যান্ট এর নির্দেশে থানার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত হন ১০জন আনসার সদস্য। বর্তমানে মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী।

এবিষয়ে উপজেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আল-আমিন বলেন, লুট হওয়া মালামাল ও অস্ত্র-গুলি ফিরিয়ে দিতে স্থানীয় জনসাধারণ এবং ছাত্রদের সহযোগিতায় উপজেলাব্যাপী আমরা প্রচারণা চালিয়েছি। তারপর থেকে অনেকে নিজ দায়িত্বে মালামাল ও অস্ত্র-গুলি ফিরিয়ে দিয়ে গেছেন। বাকিগুলো সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় উদ্ধার কাজ চলছে। তবে থানায় কী পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়েছে সেই বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

তিতাস থানার ওসি কাঞ্চন কান্তি দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘থানায় এখনো আমাদের কেউ যায়নি। কী পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়েছে তা এখন বলা যাচ্ছে না। কয়টি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়েছে আপাতত তাও বলতে পারছি না।’