All posts by jitu

ইরানের হামলার জবাবে পাল্টা হামলার সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার জবাবে পাল্টা হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলের যুদ্ধাকালীন মন্ত্রিসভা। তবে সেই হামলা কখন এবং কোন মাত্রায় হবে তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্তি রয়েছে।

স্থানীয় সময় রবিবার বিকালে ইসরায়েলের পাঁচ সদস্যের মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্ত নেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান ও খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘সতর্ক ও কৌশলগতভাবে চিন্তা’ করার পরামর্শ দেন। এর প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্তগুলো স্থগিত রেখেছে। তবে তারা সংক্ষিপ্ত সময়ের নোটিসেই তা কার্যকর করতে পারবে বলে চ্যানেল ১২ এর খবরে বলা হয়েছে।
ইসরায়েল হায়ুম-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা বলেছেন- ‘জবাব দেওয়া হবে।’

আর এনবিসি নেট্য়ার্ক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর অফিসের একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে বিকল্প পন্থাগুলো উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে এবং এটা পরিষ্কার যে ‘ইসরায়েল জবাব দেবে।’

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ইরানের বিরুদ্ধে বদলা নেওয়ার পক্ষে। তবে জবাবের সময় এবং মাত্রা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত রয়েছে।

যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার বৈঠকটি হয় ইরানি হামলার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে। শনিবার রাতে ইরান নজিরবিহীন হামলা চালায় ইসরায়েলে। এ সময় তারা প্রায় ৩৫০টি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে ইসরায়েলে। ইসরায়েল দাবি করেছে, এগুলোর ৯৯ শতাংশই সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে।

বেশ কয়েকটি হিব্রু মিডিয়ায় বলা হয়েছে, এই ব্যাপক হামলার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সদস্য বেনি গান্তজ এবং তার ন্যাশনাল ইউনিটি পার্টির সহকর্মী গাদি আইজেনকট (যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার পর্যবেক্ষক) উভয়ে ইরানে পাল্টা হামলার প্রস্তাব করেন।

তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট, আইডিএফ প্রধান হারজি হ্যালেভি এবং অন্যরা প্রস্তাবটির দৃঢ় বিরোধিতা করেন। তারা মনে করেন, একইসাথে এত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে গেলে প্রচুর চাপের সৃষ্টি হবে।

এদিকে পৃথক একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে চ্যানেল ১২ দাবি করেছে, ইসরায়েলি হামলার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দেবে না। তবে বিষয়টি তাদেরকে আগে জানাতে হবে এবং সমন্বিত হামলা চালাতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য সরকারিভাবে জানিয়েছে- তারা ইরানে ইসরায়েলের কোনও পাল্টা হামলায় অংশ নেবে না।

চ্যানেল ১২ আরও দাবি করেছে, ইসরায়েল এখন সংযত থাকার বিনিময়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কৌশলগত চুক্তি করতে চাচ্ছে এবং তা করতে চাচ্ছে ফিলিস্তিন ইস্যুতে কোনও ধরনের প্রতিশ্রুতি না দিয়েই।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, যা বলছে ইসরাইল

ডেস্ক রিপোর্ট:

নজিরবিহীন হামলায় ইরানের ছোড়া ৩০০ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ৯৯ শতাংশই প্রতিরোধ করার দাবি করেছে ইসরাইল। ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে ইসরাইলকে সহায়তা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স।

রোববার ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মুখপাত্র রিয়ার এডমিরাল দানিয়েল হাগারি বলেন, ইরান থেকে তিন শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। এর ৯৯ শতাংশ রুখে দিয়েছে ইসরায়েল ও তার মিত্রদের বাহিনী।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনঞ্জামিন নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করে বলেন, আমরা প্রতিরোধ করেছি, আমরা সবাই মিলে জয়ী হব।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরাইলে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরান থেকে আসা প্রায় সব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নামিয়ে ফেলতে ইসরাইলকে সহায়তা করেছে মার্কিন বাহিনী।

ব্রিটেন ও ফ্রান্সও এই প্রতিরোধ ব্যবস্থায় সহায়তা করেছে বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সিরিয়ার দামেস্কে নিজের কনস্যুলেটে হামলার জেরে রবিবার দিবাগত রাতে ইসরাইলের মাটিতে এই নজিরবিহীন হামলা চালায় ইরান।

সূত্র: আলজাজিরা, টাইমস অব ইসরায়েল।

আবুধাবিতে গিয়ে ২৩ নাবিকের মধ্যে কারা দেশে ফেরত আসবেন সিদ্ধান্ত

ডেস্ক রিপোর্ট:

সোমালিয়ান দস্যুদের হাতে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত ২৩ নাবিকই এমভি আবদুল্লাহর সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পথে রয়েছেন। আগামী ১৯ কিংবা ২০ এপ্রিল জাহাজটি আমিরাতের আল হারমিয়া বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এরপরই জানা যাবে, মুক্ত নাবিকদের মধ্যে কারা কারা জাহাজে থাকবেন এবং কারা আবুধাবি থেকে দেশে ফেরত আসবেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কেএসআরএম গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আবুধাবির আল হারমিয়া বন্দরে পৌঁছানোর পর সিদ্ধান্ত হবে, মুক্ত নাবিকদের মধ্যে কারা জাহাজে থাকতে চান, কারা চান না। যারা আবুধাবি থেকে দেশে ফিরতে চাইবেন তাদের যাবতীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দেশের আনা হবে।’

গত ১২ মার্চ সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার পর ৩১ দিন পর জাহাজের মালিকপক্ষ, বিমা কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের সহযোগিতায় মুক্তিপণের অর্থ পরিশোধ করেই ২৩ নাবিকসহ জাহাজটি মুক্ত করা হয়। এরপরই এমভি আবদুল্লাহ আবুধাবির আল হারমিয়া বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুটি যুদ্ধজাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে স্কট (পাহারা) দিয়ে নিয়ে যায়।

তবে জাহাজের মালিকপক্ষ মুক্তিপণ দেওয়ার বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। এ বিষয়ে মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক যাবতীয় নিয়ম অনুসরণ করেই ২৩ নাবিকসহ জাহাজটি মুক্ত করা হয়েছে। গতরাতেই জাহাজ থেকে দস্যুরা নেমে গেছেন। জাহাজটি আবুধাবির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। মুক্তিপণের বিষয়টি আমাদের পর্যায়ে নেই।’

এদিকে এমভি আবদুল্লাহ মুক্ত হওয়ার পর রোববার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত কেএসআরএম ভবনে সংবাদ সম্মেলনে করে জাহাজের মালিকপক্ষ।

এসময় প্রতিষ্ঠানটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) শাহরিয়ার জাহান রাহাত সাংবাদিকদের বলেন, গত ১২ মার্চ এমভি আবদুল্লাহ দস্যুদের কবলে পড়ে। দস্যুরা অস্ত্রের মুখে জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান উপকূলে নিয়ে যায়। ৩১ দিন পর ফাইনালি জাহাজটি ছেড়ে যায় তারা।

এমভি আবদুল্লাহ, আবুধাবিতে গিয়ে ২৩ নাবিকের মধ্যে কারা দেশে ফিরবেন সিদ্ধান্ত

তিনি বলেন, ‘জাহান মণি’ জাহাজ জলদস্যুর কবলে পড়ার ১৪ বছর পর একই ঘটনা ঘটলো। ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক। সাধারণত সোমালিয়ান জলদস্যুরা জাহাজ জিম্মি করে অর্থ আদায়ের জন্য। তারা জাহাজের মালিকপক্ষকে টার্গেট করে বেশি স্বার্থ হাসিল করতে চায়। তারা (দস্যুরা) জিম্মির ৯ দিনের মাথায় আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। আমরা তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে জাহাজ ও নাবিকদের উদ্ধারে আলোচনা শুরু করি। আমাদের জাহাজ হাইরিস্ক এরিয়ার বাইরে ছিল। যে কারণে আমরা আর্ম গার্ড ব্যবহার করিনি।

জাহাজটিকে ২৩ নাবিকসহ দস্যুমুক্ত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান শাহরিয়ার জাহান। তিনি বলেন, পুরো ঘটনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোরভাবে মনিটরিং করেছেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এমভি আবদুল্লাহকে উদ্ধারে বিদেশি যুদ্ধজাহাজ অভিযান চালাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমরা বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চেয়েছি। আমাদের কাছে নাবিকদের জীবনের মূল্য অনেক বেশি। যে কারণে আমরা অভিযানে সম্মত ছিলাম না। আমাদের সরকার কুইক রেসপন্স করেছে। পুরো ঘটনায় সাংবাদিকরা সহযোগিতা করেছে। আশা করছি, ১৯-২০ এপ্রিল জাহাজটি আমিরাত পৌঁছাবে। এরপর নাবিকদের দেশে ফিরিয়ে আনাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেরুল করিম বলেন, জাহান মণির সময় আমাদের জ্ঞানের অভাব ছিল। তখন উদ্ধারে সময় বেশি লেগেছিল। এবার জাহাজ দস্যুদের কবলে পড়ার পর থেকেই আমরা জাহাজের লোকেশন ট্র্যাক করতে থাকি। যোগাযোগ শুরুর পর প্রতিদিনই দস্যুদের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। গত দুদিন আগে আমাদের দাবি অনুযায়ী প্রত্যেক নাবিকের ভিডিও নিয়েছি। মুক্তিপণের প্রতিটি কাজ আইনগতভাবে করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে করা হয়েছে। কত ডলার সে বিষয়টি আমরা নানা কারণে বলতে পারছি না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোমালিয়া, কেনিয়ার নিয়ম মানতে হয়েছে।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে কেএসআরএমের ডিএমডি সরোয়ার জাহান, পরিচালক করিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

টাইমস স্কয়ারের ডিজিটাল স্ক্রিনে মমতাজ ও জায়েদ খান

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলা নতুন বছরের শুরুতেই গানের প্রচারণায় চমক নিয়ে এলো টিএম রেকর্ডস। ঈদে প্রকাশিত ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজের ‘তেজপাতা’ ও পারভেজের গানে জায়েদ খানের পারফর্মেন্সে ‘বিড়ি’ গানটি ইতিমধ্যেই দেশে ও দেশের বাইরে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

১৬ বছর পর নির্মাণে ফিরে এবার নতুন ম্যাজিক দেখালেন তাপস। নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে সহস্রকণ্ঠে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মাঝেই হাজারো বাঙালির উপস্থিতিতে গান দুটির প্রোমো প্রচারিত হয় টাইমস স্কয়ারের বিলবোর্ডে।

এসময় উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের মুহূর্মুহু করতালিতে অভিনন্দন জানানো হয়। নিজের গানের সম্মানজনক এমন আন্তর্জাতিক প্রচারণার মুহূর্তে মঞ্চে ছিলেন ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ।

পরবর্তীতে তিনি মঞ্চেও গানটি পরিবেশন করেন। গানের তালে আনন্দে মুখর প্রবাসী বাঙালিরা বর্ষবরণের উৎসবে মেতে ওঠেন।

টাইমস স্কয়ার ডিজিটাল বোর্ডে বাংলা গানের এমন সম্মানজনক প্রচারণার সঙ্গী হয়ে গানবাংলা ও টিএম রেকর্ডসের ফেসবুক পেজে প্রচারিত হয় মমতাজ, পারভেজ ও জায়েদ খানের উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া।

বাংলা গানকে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ার অঙ্গিকার নিয়ে যাত্রা শুরু করে টিএম রেকর্ডস। বছরের শুরুতেই আন্তর্জাতিক মানের প্রচারণার মধ্য দিয়ে সে অঙ্গিকার প্রতিধ্বনিত হল নিউইয়র্কের প্রধান কেন্দ্রস্থলে।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মমতাজ বলেন, এটি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের। ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না হাজারো দেশি বিদেশি মানুষের সামনে বাংলা গানের এমন অভূতপূর্ব প্রচারণা।

এ প্রসঙ্গে টিএম নেটওয়ার্ক এর মুখপাত্র রুদ্র হক বলেন, টাইমস স্কয়ারে এমন সময় টিএম রেকর্ডসের গান দুটি প্রচারিত হল যখন হাজারো বাঙালি সহস্র কণ্ঠে বর্ষবরণ করছে। এটি একটি বিরল গৌরবময় মুহূর্ত। কেননা এত বাঙালির উপস্থিতিতে এত বৃহৎ পরিসরে টাইমস স্কয়ারে ইতিপূর্বে কখনো বাংলাদেশি কন্টেন্ট প্রচারিত হয়নি।

টিএম রেকর্ডসের কর্ণধার কৌশিক হোসেন তাপস গান দু’টির কথা সুর, সংগীত পরিচালনার পাশাপাশি মিউজিক ভিডিও দুটি নির্মাণ করেন।

কিংবদন্তি শিল্পী আযম খান , আইয়ুব বাচ্চু, জেমস, হাসানসহ অসং্খ্য জনপ্রিয় শিল্পীর সেরা মিউজিক ভিডিওগুলোর নির্মাতা তাপস ১৬ বছর পর নির্মাণে ফিরলেন।

ইতিমধ্যেই পারভেজ সাজ্জাদের কণ্ঠে জায়েদ খানের ‘বিড়ি’ গানটি সোস্যাল হ্যান্ডেলে ভাইরাল হয়ে গেছে। মমতাজের ‘তেজপাতা’ গানটি ফিরছে সকলের মুখেমুখে।

ইঞ্জিঃ আবদুস সবুর এমপির নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লা -১(দাউদকান্দি -তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিঃ আবদুস সবুর বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজনের সাথে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে দাউদকান্দি বাজারের শ্রী শ্রী গোপনাথ জীউড় আখরায় সনাতন ধর্মালম্বীদের বাসন্তী পূঁজায় এবং বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ।

পরে আলোচনা সভায় কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বশিরুল আলম মিয়াজী, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি সালেহ মোহাম্মদ টুটুল, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাডঃ আহসান হাবীব চৌধুরী লীল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মহিউদ্দিন শিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজালাল, বিল্লালুর রশিদ দোলন, ভিপি সালাউদ্দিন রিপন, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জিএস সুমন সরকারসহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দাউদকান্দি আদর্শ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহন করেন ।

ঈদ উপহার হিসেবে গ্রামের শিশুদের বই দিলো “সাংবাদিক শরীফ প্রধান পাঠাগার”

স্টাফ রিপোর্টার:

পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে ঈদগাহে আসা শিশুদেরকে’ ঈদ উপহার হিসেবে নতুন বই দিলো, সাংবাদিক শরীফ প্রধান পাঠাগার। পাঠাগারটি দাউদকান্দি উপজেলার কাদিয়ারভাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত। ”

এই বছরই প্রথম বারের মতো এই অনন্য উদ্যোগটি গ্রহন করেছে পাঠাগারটি। শিশু-কিশোরদের বই মূখী করতে এবং পাঠ্য পুস্তকের বাহিরে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ঈদের দিনে বই উপহার দেয়া হয়ছে। দাউদকান্দি উপজেলার কাদিয়ারভাঙ্গা আরফানুননেছা ঈদগাহ মাঠে ঈদ-উল ফিতরের নামাজ শেষে নানান বিষয়ের বই শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দেন পাঠাগার প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক শরীফ প্রধান।

সাংবাদিক শরীফ প্রধান বলেন, ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে “গ্রামের শিশু-কিশোরদের ঈদ সালামি হিসেবে নতুন বই দেয়ার একটি পরিকল্পনা করি। কারন, ঈদে অনেকেই নতুন জামা ও নতুন টাকা দেয়। কিন্তু নতুন বই কেউ দেয় না।

সমাজের শিশু-কিশোরদের বই মূখী করতে এবং বই পড়ার আগ্রহ গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ নেই এবং তাদের হাতে বই তুলে দেই। শিশুরাও বই পেয়ে আনন্দিত হয়েছে। আমি প্রথম বারের মতো এটি করছি। বইয়ের প্রতি শিশুদের আগ্রহ দেখেছি। আমি আগামীতে আরো বেশি বই দিবো। সে লক্ষ্যে বই সংগ্রহ করবো।

কোপা আমেরিকার আর্জেন্টিনার দলে যারা থাকছেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

কোপা আমেরিকা, কনমেবল অঞ্চলের মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট। তবে সব সময়ই কনকাকাফের বেশ কিছু দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয় এ আসরে। এবারের আসরটি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তবে তার জন্য বাকি এখনও দুই মাস। সূচি বলছে জুন মাসের শেষ সপ্তাহ বা তার আগে মাঠে গড়াতে পারে এবারের কোপা।

কিন্তু ১৬ দলের এ আসরে সবার আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দুতে কেবলই দুটো দল। ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা। তবে সেলেসাওদের নিয়ে এবার যতটা না উৎসাহ তার চেয়ে অনেক বেশি বিশ্বজয়ী আর্জেন্টিনার জন্য। লিওনেল মেসিকে আবারো কোনো বড় টুর্নামেন্ট জিততে দেখতে মরিয়া হয়ে আছে আলবিসেলেস্তে সমর্থকরা। তাই তো কোপার দুই মাস আগেই নিজেদের স্কোয়াড চূড়ান্ত করে বসে আছে এএফএ। না, বিষয়টা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন।

তবে দেশটির প্রথিতযশা ক্রীড়া সাংবাদিক গ্যাস্তন এদুল কথা বলেছেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি এবং ফেডারেশনের বড় কর্তাদের সঙ্গে। তার বরাত দিয়েই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মুন্ডো আলবিসেলেস্তে। সেখানে ২৩ সদস্যের একটি দলও দিয়েছে তারা। মুন্ডোর দাবি, এরাই থাকছে যুক্তরাষ্ট্রের কোপায়।

তিন গোলরক্ষকের মাঝে দুজনের নাম চূড়ান্ত করে ফেলেছে এএফএ। একজন অবধারিতভাবে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ এবং আরেকজন ফ্রাঙ্কো আরমানি। ওয়াল্টার বেনিটেজ ও জেরোনিমো রুলির মধ্যে একজন হবেন তৃতীয় গোলরক্ষক।

রক্ষণে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, জের্মান পেজ্জেলা, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো এবং নাহুয়েল মোলিনার জায়গা নিশ্চিত। গঞ্জালো মন্টিয়েল, মার্কোস অ্যাকুনা ও নেহুয়েন পেরেজের মধ্যে সুযোগ পাবেন কেবল একজন।

মধ্যভাগে এনজো ফের্নান্দেজ, অ্যালেক্সি ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও জিওভানি লো সেলসো সুযোগ পাচ্ছেন কোপা আমেরিকার দলে। ইনজুরিতে থাকা গিদো রদ্রিগেজ ও এক্সেকিয়েল প্যালাসিওস থেকে সুযোগ পাবেন একজন।

এদুলের মতে ফরোয়ার্ডে নিশ্চিত লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্টিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, পাওলো দিবালা ও নিকোলাস গঞ্জালেজ। আলেহান্দ্রো গারনাচো আর ফাকুন্দো থেকে ২৩ জনের স্কোয়াডে জায়গা পাবেন একজন।

মুন্ডো আলবিসেলেস্তের দাবি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার স্কোয়াড

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফ্রাঙ্কো আরমানি, ওয়াল্টার বেনিটেজ/জেরোনিমো রুলি

ডিফেন্ডার: ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, জের্মান পেজ্জেলা, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, নাহুয়েল মোলিনা, গঞ্জালো মন্টিয়েল/মার্কোস অ্যাকুনা/নেহুয়েন পেরেজ

মিডফিল্ডার: এনজো ফের্নান্দেজ, অ্যালেক্সি ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, জিওভানি লো সেলসো, গিদো রদ্রিগেজ/এক্সেকিয়েল প্যালাসিওস

ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্টিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, পাওলো দিবালা, নিকোলাস গঞ্জালেজ, আলেহান্দ্রো গারনাচো/ফাকুন্দো।

’স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গ্রামীণফোনের আইকনিক ক্যাম্পেইন ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ শুধু একটি গান এবং টেলিভিশন বিজ্ঞাপন থেকে কোটি মানুষের আবেগে পরিণত হয়েছে। প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের ঘরে ফেরার গভীর আবেগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে এ গানটি। এবার এ ক্যাম্পেইনটি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছে।

লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশি বিদেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, যাদের কাছে পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন একটি দুর্লভ স্বপ্নে পরিণত হয়েছে। তাদের দেশে ফেরার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছেন তাদের পরিবার-পরিজনরা। এই অম্ল -মধুর বাস্তবতাকে সামনে রেখে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রবাসীদের কাছে তাদের পরিবারের ভালোবাসা ও আবেগ পৌঁছে দিতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে গ্রামীণফোন। মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের পরিবারের দেশে থাকা সদস্যদের না বলা কথা ও আবেগ সংগ্রহ করে ঈদের আনন্দময় উৎসবে মালয়েশিয়ায় প্রিয়জনদের কাছে তাদের ওই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে গ্রামীণফোন। ভালোবাসা, আবেগ, হৃদ্যতা ও স্নেহপূর্ণ ঈদ শুভেচ্ছার এই বার্তাগুলো একটি ভিডিও সংকলনের মাধ্যমে একটি বড় এলইডি স্ক্রিনে সজ্জিত ভ্যানে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় দেখানো হয়েছে। বিদেশের মাটিতে দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের বড় পর্দায় দেখার অভাবিত আশাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ ক্যাম্পেইন।

গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হাসিব বলেন, “’যদিও ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ ক্যাম্পেইন হিসেবে শুরু হিয়েছিল, এর বার্তা দেশের সীমানা পেরিয়ে সর্বত্র সর্বজনীনভাবে পৌঁছে গিয়েছে।“ তিনি আরও বলেন, “আমরা এমন একটি বিশ্বে আছি যেখানে লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশি স্বদেশে ফেরার আকুল আগ্রহে আছেন। তাদের ত্যাগ ও স্বপ্নের প্রতি শ্রদ্ধাশীল গ্রামীণফোন। ঈদে তাদের পরিবারকে আরও কাছাকাছি এনে একত্রিত হওয়ার অনুভূতি দিতে আমাদের এই প্রচেষ্টা। এ পদক্ষেপ ব্র্যান্ড হিসেবে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি, সেরা গ্রাহক অভিজ্ঞতা প্রদান এবং দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশিদের জীবনে একটি অর্থবহ পরিবর্তন আনতে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। দূরত্ব কমিয়ে মানুষের সাথে মানুষকে সংযুক্ত করতে এবং তাদের মাঝে ভাললাগা ছড়িয়ে দিতে আমাদের প্রচেষ্টার একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে স্বপ্ন যাবে বাড়ি ক্যাম্পেইন’র এবারের উদ্যোগ।“ ‍

এই অসাধারণ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণফোনের লক্ষ্য হল শারীরিক দূরত্বে থাকা সত্ত্বেও ঈদের এই বিশেষ সময়ে প্রবাসী ও তাদের পরিবারকে কাছাকাছি থাকার অনুভূতি উপহার দেয়া।

ইউনিটি অফ কুমিল্লা-২০০১ গ্রুপের জমকালো ঈদ পুনর্মিলনী

স্টাফ রিপোর্টার:

ইউনিটি অফ কুমিল্লা এসএসসি ২০০১ গ্রুপের উদ্যোগে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আয়োজনে সারাদিন ব্যাপি জমকালো এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শনিবার ব্রাহ্মণপাড়া সাহেবাবাদ অবস্থিত গ্রাম বাংলা রিসোর্টে এ পুর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুমিল্লার জেলার এসএসসি ২০০১ এর প্রায় ৩০০ জন বন্ধু উপস্থিত ছিল।

সকাল ১০ টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতে শুরু হয়ে বিকেল ৫ টায় সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। সারাদিনব্যাপী নানা আয়োজনে বন্ধুরা প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। ব্রাহ্মণপাড়া বন্ধু মোশারফ হোসেন অনিকের উদ্ধোধনী ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব। জাতীয় সঙ্গীত ও গ্রুপের মৃত বন্ধু বান্ধবীদের রুহের মাগফিরাত এর জন্য এক মিনিট নীরবতা ও  দোয়া করা হয়।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি ইউনিভার্সিটির ডেপুটি ডিরেক্টর বন্ধু বশিরুল আলম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দেবিদ্বারের বন্ধু কাউসার হায়দার, শেখ আবদুল্লাহ, সদর দক্ষিণে বন্ধু ছোটন, মামুন আব্দুল্লাহ, কাওসার হামিদ, সাইফুল খান,সুপ্রিয়া টুম্পাসহ আরো অনেকে। তারপর থানা ভিত্তিক বন্ধুদের পরিচয় পর্বে সকল বন্ধুরা নিজেদের স্কুল ,থানার ও পেশার পরিচয় দেয়। তারপর সবাই মিলে কেক কেটে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় ।

পুলিশ বন্ধু শেখ আবদুল্লাহ গ্রুপের পিছিয়ে পড়া বন্ধুদের জন্য গঠিত ” ইউনিটি ফাউন্ডেশন” নিয়ে গঠনমূলক বক্তব্য রাখে। এতে বন্ধুদের সবাইকে রেজিঃ বাবদ ২০০ টাকা ও প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে ফাউন্ডেশনে জমা দেয়ার কথা বলা হয় এবং এই জমাকৃত অর্থ দিয়ে বন্ধুদের কল্যাণে ব্যয় করার ঘোষণা দেয়া হয়।
তারপর দুপুরের বাঙালিয়ানা ভোজে মেজবানী গরুর গোশত, মাছ, ভর্তা ও মাশকলাই ডাল,দধি দিয়ে সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।

দ্বিতীয় পর্বে শুরুতে গ্রুপের সার্বিক বিষয় নিয়ে গ্রুপের এডমিন মামুন আব্দুল্লাহ ,কাজী সাইফুল ও মডারেটর প্যানেলের কাওসার হায়দার ,কার্তিক, আনিস , সাংবাদিক আলমগীর, ছোটন, মামুন, সুপ্রিয়া টুম্পা, কাওসার হামিদ, এস মাসুদ ,আল আমিন রাকিব ,নাঈম বাহার, ডা: সুমন, ডা: সাইফুল, অপূর্ব দত্তসহ আরো অনেক বন্ধুরা বক্তব্য রাখেন ।

সেইসময় প্রোগ্রামের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য বন্ধু মামুন, রুহুল আমিন নাঈম, শফিক শাওন, মজিবর রহমান খান, ওমর ফারুক, ডা: জামাল, রাশেদকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

তারপর বন্ধুদের গান গেয়ে নাচে গানে মাতোয়ারা করেন গ্রুপের বন্ধু শফিক শাওন, বাউল শিল্পী দেওয়ান মান্নান, কাউসার ,মোশারফ মাস্টারসহ আরো অনেকে। গানের ফাঁকে ফাঁকে র‌্যাফেল ড্র পুরস্কার ঘোষণা করে প্রোগ্রামকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলে। বিকেলে শিল্পীদের গানে সকল বন্ধুদের একসাথে গলা মিলিয়ে গান ও নাচে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো হলরুম। আনন্দ উদ্দীপনায় সবাই হারিয়ে যায় সেই স্কুল জীবনের হারানো দিনের গল্পে।

 

বন্ধু আবু মুছা জীবন, মোশারফ মাস্টার ও মামুন আবদুল্লাহ প্রাণবন্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে পুরোটা সময় সবাইকে মাতিয়ে রাখেন।বিকেল ৫ টায় বন্ধু মামুনের সমাপনী বক্তব্যে আজকের এই সফল ঈদ পুনর্মিলনী প্রোগ্রামের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

এডমিন জাপান প্রবাসী বন্ধু ওমর ফারুক ভিডিও কলে উপস্থিত সকল বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আয়োজক বন্ধুদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সব সময় যেন ইউনিটির এই বন্ধন অটুট থাকে সেই প্রত্যাশা করেন সকল বন্ধুদের কাছে। বুড়িচং- ব্রাহ্মণপাড়ার প্রোগ্রামের আয়োজক বন্ধু জিয়াউল খান, মামুন, অনিক, আলমগীর, পুলিশ মিজান, পুলিশ সাইফুল, আবু মুছা জীবন ও কাজী সাইফুল মূল আয়োজকের দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২৫

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে খাস জমিতে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কামাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন ২০-২৫ জন। শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার শাহজাদাপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

কামাল উদ্দিন শাহজাদাপুর গ্রামের মৃত সাদাত আলীর ছেলে। সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সরাইল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানুল ইসলাম।

ঘটনার বরাত দিয়ে ওসি জানান, উপজেলার শাহজাদাপুর গ্রামের একটি খাস কৃষি জমি নিয়ে স্থানীয় জুয়েল মেম্বার ও রিপন মিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই সূত্র ধরে শুক্রবার দুপুরে জুয়েল মেম্বার ও তার লোকজন বিরোধপূর্ণ কৃষি জমির ধান কেটে নেয়। এরপর পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে সেই ধানগুলো তাদের কাছ থেকে জব্দ করে অপর পক্ষকে দেয়। এরই জেরে দুইপক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে কামাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। দুইপক্ষের ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখন এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে।