All posts by jitu

চাঁদপুরস্থ কুমিল্লা রোড সম্মিলিত ব্যবসায়ী সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠিত

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

উৎসবমুখর পরিবেশে চাঁদপুর শহরস্থ কুমিল্লা রোড সম্মিলিত ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১০ মে) চাঁদপুর রোটারি ক্লাব হলরুমে সংগঠনের নবাগত সভাপতি আলহাজ্ব এম আই মমিন খানের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শোয়েব মৃধার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটোয়ারী।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, কুমিল্লা রোড সম্মিলিত ব্যবসায়ী সমিতি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নিয়ম তান্ত্রিকভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এ কমিটির কাছে চাঁদপুর জেলাবাসীর অনেক আশা আকাক্ষা রয়েছে। সেই আশা-আকাক্ষা যেন পুরোপুরি পূরণ হয় সেদিকে নবনির্বাচিত কমিটির সকলকে সজাগ থাকতে হবে। নির্বাচন শেষ সকল প্রতিদ্বন্দ্বিতাও শেষ। কাধে কাধ মিলিয়ে এখন সকলে একযোগে কাজ করে নিজেদের ব্যবসায়িক সুনাম আরো বাড়াতে হবে। সমিতিকে ব্যবসায়ীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক সোহেল রুশদী আমার ছোট ভাই। সে নিজেও একজন মানবিক, দানবীর, সাংবাদিক নেতা এবং শিক্ষানুরাগী একজন মানুষ। বিভিন্ন ভাবে তিনি লেখনির মাধ্যমে অনেক সমস্যা তুলে ধরে সেটার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করে। মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করে। তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনের প্রতি যদি কারো আন্তরিকতা বা টান না থাকে তাহলে সে প্রতিষ্ঠান প্রাণ পায় না। যার কারণে অনেক সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত হয়ে যায়। তাই আমার বিশ্বাস এই ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকান্ডের মাধ্যমে ঐতিহ্য ফিরে পাবে। এ কমিটিতে যাঁরা আছেন তারা যদি সম্মিলিত ভাবে উন্নয়ন মূলক কাজ করেন কিংবা একটু নতুনত্ব সৃষ্টি করেন- তাহলে কুমিল্লা রোডের আবার আগের রূপে ফিরে আসবে।

বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সহ -সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী। তিনি বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানটি আপনারা যারা অনেক কষ্ট করে আয়োজন করেছেন প্রথমেই আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের এই সমিতিটি আসলে আপনাদের ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করবে বলে আমি আশা করি। কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো স্বার্থ বা বিষয় এখানে নেই। যারাই আপনারা কমিটির দায়িত্বে রয়েছেন তারা চেষ্টা করবেন ব্যবসায়ীদের কল্যাণে কাজ করার জন্য। সংগঠনের ঐক্য ধরে রাখতে হবে। তাহলেই সংগঠন এগিয়ে যাবে। উক্ত সমিতি ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কল্যাণ তহবিল গঠন করতে পারে। যাতে ব্যবসায়ী পরিবার -পরিজন সেই সুবিধা পায়।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি বাদল চন্দ্র সাহা, ব্যবসায়ী শাহ আলম। পরে নব নির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদককে শপথ বাক্য পাঠ করান চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটোয়ারী ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সহ -সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।অতিথিবৃন্দ এবং নির্বাচিত কমিটিকে পুষ্পমাল্য ও আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল এবং সম্মাননা স্মারক দিয়ে বরণ করেন সংগঠনের নবাগত সভাপতি আলহাজ্ব এম আই মমিন খান ও সাধারন সম্পাদক শোয়েব মৃধাসহ সদস্যবৃন্দ।

এ সময় শপথ গ্রহণ করেন, কুমিল্লা রোড সম্মিলিত ব্যবসায়ী সমিতির নব নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদ খান, সহ সভাপতি সংকর পোদ্দার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রায়হান চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকাশ সরকার, কোষাধক্ষ্য মোঃ আনোয়ার হোসেন দুলাল, সহ কোষাধ্যক্ষ খোকন চন্দ্র রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার খান, দপ্তর সম্পাদক মোঃ হাশেম গাজী, সহ দপ্তর সম্পাদক বি এম দ্বীন ইসলাম পলাশ, ও কার্যকরী সদস্য আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, শাহীনুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, মমিনুল ইসলাম শাকিল, ফরহাদ হোসেন। উল্লেখিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে শপথ বাধ্য পাঠ করান সংগঠনের নবাগত সভাপতি আলহাজ্ব এম আই মমিন খান।

বৈষম্যে নোবেল পুরস্কার থাকলে সরকার সেই নোবেল পুরস্কার পেত : জিএম কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অতীতে কোনো সময় এত বেশি বৈষম্য ছিল না। বৈষম্য তৈরি করার জন্য যদি নোবেল পুরস্কার থাকতো, তাহলে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সেই নোবেল পুরস্কার পেত।’

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত মত বিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জিএম কাদের আরও বলেন, ‌’আমি একটা দেশ পেলাম। আমার দেশের প্রজারা বলবেন- আমিই চালাব, আমিই সরকার গঠন করব, আমিই সরকার পরিবর্তন করব। কিন্তু এখন দেখেন, সেই অর্জন, প্রজাদের সেই মালিকানা ছিনতাই হয়ে গেছে। মালিকানা তাদের হাতে নেই! এটা হলো বাস্তব কথা।’

এই বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এখন জনগণের কথায় যে চলবে, জনগণের কথায় যে সরকার পরিবর্তন হবে—এ রকম কোনো বিষয় ঘটছে না। জনগণের কথা বলারই অধিকার নেই।’ বলতে গেলেই নানা ধরনের সমস্যা। কথা শোনারও কোনো দরকার নেই।’

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কর্মদক্ষ যুবসমাজের বিকল্প নেই : এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে যুগোপযোগী ও কর্মদক্ষ যুবসমাজের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সম্ভাবনাময় সময় পার করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যাগত এই সুবিধার সঠিক ব্যবহার করতে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

শনিবার (১১ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের অধ্যাপক হাবিবুল্লাহ কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ লিডারশিপ স্কিলস্ ফর স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, এমডিজি, এসডিজিসহ, ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ ইত্যাদি প্রমাণ করে সরকার যুবসমাজ ও দেশের নাগরিকদের নিয়ে নিয়ে দূরদর্শী পরিকল্পনা করছে।

মন্ত্রী মার্কেট ইকোনমি নিয়ে বলেন, আমাদের পণ্য ও সেবার মান বিশ্বমানের হতে হবে। তাহলেই এই মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে আমরা অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে পারব। ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন করে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের বাস্তবায়িত করতে হলে নিজেরদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তোলাটা একান্তই অপরিহার্য।

ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবায়ন এক অবারিত সুযোগের দুয়ার খুলে দিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, সাবমেরিন ক্যাবলের ফলে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এখন প্রযুক্তির ছোঁয়া। এই সমস্ত সুযোগ সুবিধা তরুণ ও জনসাধারণের জন্য নানা রকমের সম্ভাবনা ও আয়ের মাধ্যম সৃষ্টি করছে। যুবসমাজ ফ্রিল্যান্সিংসহ রিমোট জবের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। যা অর্থনীতিকে করছে বেগবান।

স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ একটি বহুমাত্রিক ধারণা। সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক সমাজ গঠনে এগিয়ে আসলে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা তথা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন করতে পারব।

একশনিস্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ড. শারিন শাহাজাহান নাওমির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্মার্ট বাংলাদেশ নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ।

হোয়াটসঅ্যাপ নতুন চমক নিয়ে আসছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

অফিসিয়াল থেকে পারিবারিক প্রয়োজনে মেটার মালিকানাধীর মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই ব্যবহারকারীদের সুবিধার কথা ভেবে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে হোয়াটসঅ্যাপ।

এবার পরিবর্তন আসছে ডিজাইনে। চ্যাট করতে যাতে ব্যবহারকারীদের আরও সুবিধা হয়, সেই কারণেই এ সিদ্ধান্ত। চলুন জেনে নেয়া যাক ডিজাইনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনগুলো-

১. ডার্ক মোড আরও অন্ধকার হবে। অর্থাৎ এসএমএস পড়তে যাতে সুবিধা হয়, সেই কারণে ব্যাকগ্রাউন্ড আরও বেশি অন্ধকারাচ্ছন্ন করা হবে।

২. লাইট মোডের ক্ষেত্রে থাকবে অতিরিক্ত হোয়াইট স্পেস বা সাদা জায়গা।

৩. লোগার সবুজ রঙে সামান্য পবির্তন আসছে।

৪. চ্যাটস ট্যাবেও অন্যরকম ভাবে নজরে আসবে হোয়াটসঅ্যাপ লোগো।

৫. আইকন ও বাটন ডিজাইনেও থাকছে চমক।

৬. প্রতিটি আইকন খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই কারণে ব্যবহৃত হবে বিশেষ হাইলাইট।

এতদিন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের স্ক্রিনের উপরের দিকে যে নেভিগেশন ট্যাবটি দেখা যেত এবার থেকে তা নিচের দিকে নেমে আসছে।

সার্চ বারের স্থানেও পরিবর্তন ঘটছে যাতে তা দ্রুত নজরে পড়ে। সবমিলিয়ে নতুন ইন্টারফেসের সাক্ষী থাকবেন আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা।

অ্যাপটি আপডেট করলে ধীরে ধীরে নতুন ডিজাইন চোখে পড়বে ব্যবহারকারীদের।

সড়ক দুর্ঘটনা সমাধানে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

সড়কে মৃত্যুহার কমানো সরকারের উদ্দেশ্যে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। শনিবার (১১ মে) সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর দশম মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা ইলিয়াস ভাই যেমন বুঝেন, আমরাও তেমন বুঝি। সড়কে কেউ হারিয়ে যাক, সেটা আমরা চাই না। কারো অঙ্গহানি হোক, সেটাও আমরা চাই না। আমরা সতর্কতামূলকভাবে ব্যবস্থা নিতে চাই। আমরা একটা আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চাই। সেজন্য আমরা সহযোগিতা চাই। আপনাদের সম্মেলনে সফল হোক। এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ আহত হচ্ছে, নিহত হচ্ছে। সড়কে খালি হচ্ছে হাজারো মায়ের কোল। এসব সমস্যা সমাধানে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বিভিন্ন সময় দাবি করে আসছে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’। এ বিষয়ে সরকার ২২ অক্টোবর নিরাপদ সড়ক দিবস ঘোষণা করে। যা দেশে গুরুত্ব সহকারে পালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা চাই দুর্ঘটনা কম হোক, দুর্ঘটনায় আর যেন কেউ মৃত্যুবরণ না করে। পৃথিবীর সব দেশে দুর্ঘটনা ঘটে, মানুষের মৃত্যু হয়। বাংলাদেশে যাতে সড়ক দুর্ঘটনা কমে সেজন্যই কাজ করে যাচ্ছি। আইনে গাড়িচালক, হেলপার, মালিক এবং বিভিন্ন ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি সবার দায়িত্ব যথাযথভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যে যেই দায়িত্বে থাকবে তার গাফিলতি হলে কী ধরনের শাস্তি হবে তার সবকিছুই আইনে পরিষ্কার করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, একটি আধুনিক শহরে ২৫ শতাংশ সড়ক থাকতে হয়। আমাদের দেশের কোনো শহরে ২৫ শতাংশ সড়ক নেই। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন ঢাকাকে যানজটমুক্ত করার। সেজন্য তিনি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার চালুর ঘোষণা দেন। এগুলো দৃশ্যমান হয়েছে এবং যানজট অনেকখানি হালকা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালের জুন মাসে ৬ দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন। আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন হলে সড়ক দুর্ঘটনা কমে যাবে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী জানান, সড়ককে নিরাপদ করতে মানুষকে সচেতন করা জরুরি। এজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।

এতে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।

চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাক চালক নিহত

 

চৌদ্দগ্রাম  প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মো: সাগর হোসেন (৩৫)) নামে এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছে।

নিহত সাগর পাবনা জেলার সদর উপজেলার পূর্ব আগরপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে।

শনিবার (১১ মে) সকালে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন।

জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়া রাস্তার মাথা এলাকায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী একটি মালবোঝাই ট্রাক (ঝিনাইদহ ট-১১-০৮০৩) সামনে থাকা চট্টগ্রামমুখী অজ্ঞাতনামা চলন্ত অপর একটি গাড়ীর পিছনে ধাক্কা দিলে ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুছড়ে যায়। এ ঘটনায় ট্রাক চালক সাগর রক্তাক্ত জখম সহ গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুরবণ করে। সংবাদ পেয়ে মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক সাইদুল হক সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন এবং দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন জানান, ‘শনিবার রাত ৩টায় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনের পদুয়া রাস্তার মাথা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন ট্রাক চালক নিহত হয়েছে। সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।’

যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক, সেটা পরিবেশবান্ধব হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক, সেটা পরিবেশবান্ধব হতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি থেকে দেশকে রক্ষা করা আমাদের লক্ষ্য। খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস প্রতিনিয়ত মোকাবিলা করতে হয়। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

শনিবার (১১ মে) সকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবির) ৬১তম কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছি। কারণ, আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করি এবং তার যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করি।

সরকারপ্রধান বলেন, পরিকল্পনাগুলো যেন টেকসই হয়। খরচের দিকটাও বিবেচনা নিতে হবে। কোনো পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে সে পরিকল্পনা থেকে রিটার্ন কি আসবে, জনগণ কীভাবে উপকৃত হবে, এভাবেই আমাদের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। শুধুমাত্র একটা নির্মাণ কাজ করার জন্য যেন নির্মাণ করা না হয়, সেটাই আমার অনুরোধ। সেটার জন্য আমি আমার পার্টির এমপিদেরও নির্দেশনা দিয়েছি। একনেকের মিটিংয়েও বলেছি। এরকম কোনো প্রকল্প দেখলে অবশ্যই আমি সেটা অনুমোদন করবো না।

তিনি বলেন, যেটা আমাদের মানুষের কাজে লাগবে, দেশের কাজে লাগবে, যে প্রকল্প শেষ করলে মানুষ লাভবান হবে, আমাদের কিছু উপার্জন হবে, সেটাই আমরা দেখতে চাই। সেটাই পরিকল্পনা করবেন আপনাদের কাছে আমি এটাই চাই।

জিয়াউর রহমানের আমলে মাথাপিছু আয় প্রতিবছর মাইনাসে ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতাকে হত্যা করে যারা রক্তাক্ত হাতে ক্ষমতা দখল করেছিল, অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে মার্শাল ল’ জারি করেছিল, তাদের আমলে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পায়নি। জিয়াউর রহমানের আমলে প্রতিবছর ছিল মাইনাস। ১৯৯১ সালে এসে দেখা গেল যে মাত্র ৬ ডলার বেড়েছিল। ৭৬ সাল থেকে একানব্বই সাল এই দীর্ঘ সময় মাত্র ছয় ডলার বাড়ে। এই ছিল বাংলাদেশের অবস্থা।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আইইবির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু।

বাঁশের ঠেলানে ভিক্টোরিয়া কলেজে ৭১টি স্ল্যাবের ব্যতিক্রম স্বাধীনতা সৌধ রক্ষা !

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:
হয়তো নিম্নমানের কাজের জন্য রানীর দীঘীতে দেবে গেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শাখায় ৭১ স্ল্যাবের ব্যতিক্রম স্বাধীনতা সৌধ। তিন দিকে লোহার বেদি আর রানীর দীঘির পূর্ব পাশে ৭১টি বর্গাকার বাক্স এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। এগুলোই স্বাধীন বাংলাদেশের একটি প্রতিচ্ছবি। এই ঐতিহ্যবাহী স্বাধীনতা সৌধটির এখন বেহাল দশা । মাঝখানে গর্ত হয়ে গেছে। পূর্ব পাশ হেলে পড়েছে যাচ্ছে রাণীর দীঘিতে। ব্যতিক্রমী স্বাধীনতা সৌধটি সংস্কার করা প্রয়োজন। যদিও একটি দেয়াল নিমার্ণ করতে দেখা যাচ্ছে পূর্ব পাশে।

বিভিন্ন গ্রন্থের সূত্রমতে, ১৯৯৪ সালের ৮ই জুলাই স্মৃতিসৌধটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ওল্ড ভিক্টোরিয়ান্সের সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন সচিব এ এইচ মোফাজ্জল করিম।১৯৯৫ সালের ২৬শে মার্চ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শহীদ জননী যতীন্দ্র ভদ্রের মা। স্বাধীনতা সৌধের স্থাপত্য নকশা তৈরি করেন বুয়েট স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক নিজামউদ্দিন আহমদ, প্রকৌশলী শেখ আবুল হোসেন, প্রকৌশলী গোলাম মহিউদ্দিন প্রমুখ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের প্রাক্তন বিদ্যার্থীর সংগঠন ওল্ড ভিক্টোরিয়ান্স-এর নিজস্ব তহবিল ছাড়াও এটি নির্মাণে পৃষ্ঠপোষকতা করেন ওল্ড ভিক্টোরিয়ান ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এবং ভাইয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ।
মুক্তিযুদ্ধে এ কলেজের ছাত্র ও শিক্ষকবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, অনেকে শহীদ হয়েছেন। তাঁদের স্মরণে কলেজের সামনে স্থাপিত হয়েছে “স্বাধীনতা সৌধ’।

এ স্বাধীনতা সৌধটির দৈর্ঘ্য ৭২ ফুট, প্রস্থ ১৭ ফুট। এখানে মোট ৭১টি বর্গাকার স্ল্যাব রয়েছে। এটি শুভ্র ও পবিত্রতার প্রতীক । প্রতিটি স্ল্যাবের দৈর্ঘ্য দুই ফুট চার ইঞ্চি ও প্রস্থ দুই ফুট চার ইঞ্চি । সৌধে প্রবেশে উত্তরমুখী একটি বর্গাকৃতি স্ল্যাব। যা বাঙালি চেতনা পয়লা বৈশাখকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এর সাথেই রয়েছে দুটি গর্তের আদলে স্ল্যাব। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত বহু আন্দোলন সংগ্রাম ইতিহাস ধারণ করতে পারেনি, তাই এ স্ল্যাবগুলো গর্তে ডুবে আছে।

এরপর রয়েছে স্তরে স্তরে সাজানো সাতটি স্ল্যাব, যা ৭ মার্চকে বুঝানো হয়েছে। এর দক্ষিণে রয়েছে এলোমেলোভাবে সাজানো ২১টি বর্গাকার স্ল্যাব, যা ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বহণ করে। পাশেই রয়েছে ২৬টি বর্গাকার স্ল্যাব, যা স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রামের নিদর্শন। সর্বশেষ রয়েছে ১৬টি বর্গাকার স্ল্যাব, যা বিজয়ের প্রতীক হিসাবে পরিগণিত করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া দুটি স্ল্যাব বাদ দিলে, মোট স্ল্যাব সংখ্যা ৭১টি।

প্রসঙ্গত, ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে এ কলেজের তিনশতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতা সৌধ ২৮ জন শহীদের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে, যাঁরা ছিলেন এ কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র। তাঁরা হলেন- এডভোকেট যতীন্দ্র কুমার ভদ্র, এডভোকেট প্রসন্ন কুমার ভৌমিক, লে. কর্নেল মোস্তাক আহমদ, দিলীপ দত্ত, প্রাণগোপাল ভট্টাচার্য, শিশির চন্দ্র দাস রানা, অসীম শান্তি রায়, অশোক কুমার গুহ বেনু, নীহার রঞ্জন সরকার, প্রিয়লাল ঘোষ, কাজল কুমার ভদ্র, এ কে এম শাহনেওয়াজ সরদার, হুমায়ুন কবীর, আবদুল মান্নান, কাজী আবদুল মালেক, বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী, মো. শামসুল হক, এ কে এম মোজাম্মেল হক, মো. খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম, খন্দকার আবু তাহের আবু, জয়নাল আবেদিন, মো. সেলিম মিঞা, মো. সোলায়মান মিঞা, মো. মোস্তফা কামাল, পরিমল চন্দ্র দত্ত, ভুলু পাল ও সৈয়দ সফিকুর রহমান।

বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে এমভি আবদুল্লাহ

ডেস্ক রিপোর্ট:

সোমালিয়ান জলদস্যুর কবল থেকে মুক্ত হওয়া জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ২৩ নাবিক নিয়ে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে।

সোমবার (১৩ মে) কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় নোঙর করতে পারে জাহাজটি।

কুতুবদিয়ায় পৌঁছানোর পর দুদিন পণ্য খালাস করে চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ার কথা রয়েছে; সেখানে বাকি পণ্য খালাস করা হবে।

গত ১২ মার্চ মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে দুবাই যাওয়ার পথে সোমালিয়া উপকূল থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে জাহাজটি। অস্ত্রের মুখে জাহাজ ও এর ২৩ নাবিককে জিম্মি করা হয়। এর ৩৩ দিন পর গত ১৩ এপ্রিল জলদস্যুরা জাহাজটি ছেড়ে চলে যায়। এর পর দুবাইয়ের উদ্দেশে রà