All posts by jitu

কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত মো: ফিরোজ হোসেন-পিপিএম

শাহ ইমরান :

২০২৪ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয় কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মো: ফিরোজ হোসেন-পিপিএম।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার নিকট হতে সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করছেন কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মো: ফিরোজ হোসেন-পিপিএম । তিনি এই সম্মাননা পুরস্কার সকল সহকর্মীদের উৎসর্গ করেন।

অফিসার ইনচার্জ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়।

মো: ফিরোজ হোসেন বলেন,এই কৃতজ্ঞতা সকল সিনিয়র স্যার ও আমার প্রিয় সহকর্মীদের। যাদের অনুপ্রেরনায় ও সহযোগীতায় আজকের পর্যায়ে উপনিত হতে পেরেছি। এই ভাবে যেন সকল জনগনকে সেবা প্রদান করতে পারি।এটি আমাকে নতুন উদ্যমে কাজ করার আগ্রহ জোগাবে। বাংলাদেশ পুলিশের একজন সদস্য হিসেবে দেশের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত থেকে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে পালন করতে পারি সকলের কাছে দোয়া চাই।

আজ থেকে ২৪ দিন ছুটিতে যাচ্ছে কুবি

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

ইস্টার সানডে, পবিত্র শব-ই-কদর এবং পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে ২৮ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ২৪ দিনের ছুটিতে থাকবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ২৮ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল একাডেমি বন্ধ থাকবে তবে প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে ৫ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত।

এদিকে ছুটিতে আবাসিক হল খোলা থাকবে কিনা জানতে চাইলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রাধাক্ষ্য সহযোগী অধ্যাপক মো.জিয়া উদ্দিন বলেন, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নাই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নে তা আমরা নোটিশ আকারে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দিবো।

কুবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও সেচ্ছাচারীতা অভিযোগ এনে ক্রীড়া কমিটির আহবায়কের পদত্যাগ

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনিরাপদ কর্মক্ষেত্র ও পেশাগত বিশৃঙ্খলার’ কথা বলে ক্রীড়া কমিটির আহবায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল হক।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রেজিস্ট্রার দপ্তরে প্রেরিত মোহাম্মদ আইনুল হক স্বাক্ষরিত এক পদত্যাগপত্রে বিষয়টি জানা যায়।

পদত্যাগপত্রে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসন কর্তৃক বিভিন্ন অনিয়ম এবং সেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তে কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরীকৃত সংকটের কোন সমাধান না করে উপরোন্ত নতুন নতুন সংকট তৈরী, অনিরাপদ কর্মক্ষেত্র এবং পেশাগত বিশৃঙ্খলা তৈরীর পাশাপাশি বিভিন্নভাবে শিক্ষকদের মর্যাদাহানী করা হচ্ছে। এ সমস্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে আমি উক্ত পদ সমূহের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করছি।

এবিষয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আমিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, আজকে ক্রিড়া পরিচলানা কমিটির আহবায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিড়া প্রতিনিধি পদত্যাগ করেছেন। আমি পদত্যাগপত্র হাতে পেয়েছি।

উল্লেখ্য এর আগে এর আগে উপাচার্যের দপ্তরে শিক্ষকদের হেনস্তার ঘটনায় ২০ ফেব্রুয়ারি সহকারী প্রক্টরের পদ থেকে সরে দাঁড়ান ফার্মেসি বিভাগের প্রভাষক মো. কামরুল হাসান। শেখ হাসিনা হলের প্রাধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও অশিক্ষকসুলভ আচরণের প্রতিবাদে একই দিন হাউস টিউটরের পদ ছাড়েন পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কুলছুম আক্তার।

১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষকদের প্রতি অন্যায্য আচরণের প্রতিবাদে সহকারী প্রক্টরের পদ ছাড়েন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান। প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ৭ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষের পদ ছাড়েন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক তোফায়েল হোসেন মজুমদার। সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে থাকা, না থাকার অর্থ একই উল্লেখ করে গতকাল পদত্যাগ ড. শেখ মকছেদুর রহমান।

গত ২০ মার্চ প্রশাসনের বিভিন্ন অনিয়ম উল্লেখ করে এবং এর প্রতিবাদে এবার চারজন আবাসিক শিক্ষক পদত্যাগ করেন। তারা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান, কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষক অর্ণব বিশ্বাস ও নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হলের আবাসিক শিক্ষক জয় চন্দ্র রাজবংশী।

কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও চেম্বার সিলগালা

শাহ ইমরান:

ঝুঁকিপূর্ণ লিফ্ট রোগী ওঠানামা করানোর এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালকে ভ্রাম্যমান আদালত দুই লাখ টাকা জরিমানা ও বেজমেন্টে চেম্বার সিলগালা করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এই অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা। এসময় স্বাস্থ্য বিভাগের পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আহমেদ মনজুরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা রাহাত বিন কাশেম ও মেহেদী হাসান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা বলেন, কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল কুমিল্লা টাওয়ার ভবনটিতে দীর্ঘদিন যাবত নষ্ট লিফট কোনরকম মেরামত করেই রোগী ওঠানামা করাচ্ছিলো বলে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে অভিযোগ আসে। বারবার ঝুঁকি নিয়ে রোগে ওঠা নামা করানোর সময় সম্প্রতি অন্তত দুইবার লিফট বন্ধ হয়ে রোগী আটকে পড়ার ঘটনা ঘটে। আজ পর্যবেক্ষণে এসে দেখা গেছে সেই লিফ্টটিকে স্থায়ীভাবে মেরামত না করেই আবার রোগী ওঠানামার কাজ চলছিল। একই লিফ্টে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করায় সেটিকে সিলেগালা করে দেয়া হয়। তাদেরকে গণপূর্ত বিভাগের একজন প্রকৌশলী দিয়ে এই লিফ্টটি চলাচলের উপযোগী কিনা প্রত্যয়ন নিয়ে চালু করতে হবে।

এছাড়াও তিনি আরো জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে ভবনটির বেজমেন্টে অন্তত ১৩ টি ডাক্তারের চেম্বার চালু রেখেছিল। যা নিয়ম বহির্ভূত। সেগুলোকেও বন্ধ করে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। নানান অনিয়মের দায়ে এই হাসপাতালটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়।

বাংলাদেশে আসছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশে আসছেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই গায়ক নিজেই।

এদিন বিকেলে ফেসবুকে ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন আতিফ। যেখানে তার ছবি, মিউজিকের সঙ্গে লেখা ছিল- বাংলাদেশ, চলো একসঙ্গে সংগীত উপভোগ করি।

মুহূর্তের মধ্যেই আতিফের এই পোস্ট ঝড় তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। মাত্র ৪০ মিনিটেই ৯ হাজার রিয়েক্ট ১ হাজার কমেন্ট জমা পড়ে সেই ভিডিওতে। আতিফকে বাংলাদেশে দেখতে উদগ্রীব হয়ে আছেন তার ভক্তরা, সেই মন্তব্যে ভরে ওঠে কমেন্টবক্স।

যদিও সেই পোস্টে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাননি এই তারকা। কবে বাংলাদেশে আসছেন, কী প্রোগ্রামে আসছেন সেসবও পরিষ্কার করেননি। তবে আতিফের পোস্টের পর থেকেই এটা নিশ্চিত, খুব শিগগিরই বাংলাদেশে পা রাখছেন বলিউডের জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী।

এর আগে মাসখানেক আগে আতিফ আসলামের বাংলাদেশে আসার গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। সে সময় স্টার বক্স এজেন্সি নামে একটি প্রতিষ্ঠান জানায়- ২০২৪ সালে কনসার্ট করতে বাংলাদেশে আসবেন আতিফ আসলাম।

এর আগে ২০১৩ সালে বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে ঢাকায় এসেছিলেন আতিফ আসলাম। দীর্ঘ ১১ বছর পর আবারও ঢাকায় পা রাখতে পারেন জনপ্রিয় এই তারকা।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই সংগীত ক্যারিয়ারের ২০ বছর পূর্ণ করবেন আতিফ আসলাম। তার জনপ্রিয় কিছু গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘আদাত’, ‘ওহ লামহে ও বাতেইন’, ‘তেরে বিন’, ‘পেহলি নাজার মে’।

কুমিল্লার আদালতের সামনে  আয়কর আইনজীবিকে পিটিয়ে রক্তাক্ত আহত

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার আদালতের সামনে  আয়কর আইনজীবি সজল করকে পিটিয়ে রক্তাক্ত আহত করেছে  সন্ত্রাসীরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে আদালত থেকে বের হওয়ার পর আদালতের ফটকের সামনে তিনি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন।

আহত আয়কর আইনজীবি সজল কর কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূল বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন । তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দিতে ৫ মিনিট বিলম্ব করায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান নি।

আহত সজল করের জেঠাত ভাই সমীর জানান, আমি ও আমার ভাই আদালত থেকে বের হয়ে প্রধান ফটকে আসার পর একটি মাইক্রোবাস এসে আমাদের পথরোধ করে। পরে মাইক্রোবাস থেকে দ্রুত ৫/৬ জন যুবক হকিস্টিক নিয়ে নেমে আমার ভাই সজলকে বেধম মারধর করে রক্তাক্ত আহত করে। এ সময় আমি ওই মাইক্রোবাসে আমাদের স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. প্রাণ গোপালের পিএস সমীর সরকার ও আমাদের গ্রামের হারাধন চন্দ্র দাসকে বসা অবস্থায় দেখেছি। আহত সজল করকে প্রথমে কুমিল্লা ট্রমা সেন্টার, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় সূত্র জানায়, আহত সজল কর বিভিন্ন সময় তার বাড়ির জমি দখল, হামলা, মারধর-মামলা নিয়ে ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দিতেন। এমপি প্রাণ গোপালের লোকদের বিরুদ্ধে কথা অভিযোগ এনে কথা বলতেন। এমপি প্রাণ গোপালের সাথেও তার সম্র্পক ভাল ছিল না। সব মিলিয়ে হয়তো এই জন্যই তার উপর আবার হামলা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানান।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন জানান, এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। কেউ এখনো কোন অভিযোগ করেনি।

 

 

‘তিলোত্তমা মুরাদনগর’ গড়তে মুরাদনগরের কৃতিসন্তানদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ চাই : এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকার

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন পদে মুরাদনগরের কৃতি সন্তানরা কাজ করছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন মুরাদনগরের মেধাবী সন্তানরা । তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী পাঁচবছরে ‘তিলোত্তমা মুরাদনগর’ গড়ে তুলতে চাই।

বুয়েট কেমিকৌশল বিভাগের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মতবিনিময়সভা এবং ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকার। এতে মুরাদনগরের কৃতিসন্তান বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বুয়েটের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল হাকিম খান, সঞ্চালনা করেন বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রাজ্জাক। মুরাদনগরের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বর্তমানে নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার উপর ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো: শফিকুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো: জয়নাল আবেদীন বলেন, মুরাদনগর উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক সন্তান বিসিএস ক্যাডার হিসেবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ নানা পদে দায়িত্ব পালন করছেন। মুরাদনগরের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী আকারে বিভক্ত করে কাজ করতে হবে। সহজে বাস্তবায়নযোগ্য কাজগুলোর দিকে মনোযোগী হতে হবে এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য ড. মো: হেলাল উদ্দিন এনডিসি সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বাস্তবায়নাধীন মুরাদনগরের প্রকল্পগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের উপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নেয়া প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং তা সঠিকভাবে ও মানসম্মত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা প্রয়োজন। এজন্য স্থানীয়দের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

বুয়েটের কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট ড. মহিদুস সামাদ খান বলেন, মুরাদনগরে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা স্থাপনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বাংলাদেশের তিনটি গ্যাসক্ষেত্র এই এলাকায় হওয়ায় শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান এবং দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে রপ্তানি নির্ভর শিল্পে সরকারি প্রণোদনার দিকে দৃষ্টি দেয়া এবং চীন, জাপানসহ বিভিন্ন বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার উপর গুরুত্বআরোপ করেন তিনি।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) এমডি আব্দুল্লাহ নোমান যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের উপর জোর দিয়ে বলেন, মুরাদনগর উপজেলাকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে পারলে তা শুধু স্থানীয় চাহিদাই মেটাবে না, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে হওয়ায় খাদ্যপণ্য রপ্তানিতেও ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

মুরাদনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ড. আহসানুল আলম কিশোর তার বক্তব্যে মুরাদনগরের আধুনিকায়নে তার বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন কর্মকান্ড এবং পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্মার্ট উপজেলা কমপ্লেক্সের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, যেখানে থাকবে ফ্রি ওয়াইফাই জোন। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উন্নয়নের জন্য মুরাদনগরে হাইস্পিড ডাটা কানেক্টিভিটি, শেখ রাসেল আইটি ইউনিভার্সিটি স্থাপন, ইপিজেড স্থাপন, এগ্রো বেইজড প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ানো, নারী কর্মসংস্থান, বেকারত্ব নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং বর্জ্য থেকে জ্বালানি তৈরিসহ নানামুখী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. মো: আব্দুল হাকিম খান বলেন, একটি জনপদকে কয়েক হাজার বছর এগিয়ে দিতে পারে একটি বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি মুরাদনগরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেয়ার জন্য সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাসফিল্ড কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফজলুল হক, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: নাছিম খান, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকল্প পরিচালক (মহা ব্যবস্থাপক-প্রকল্প) মো: বোরহান উদ্দিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো: আমিরুল ইসলাম খান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো: গোলাম ফারুক, বুয়েটের অধ্যাপক ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, অধ্যাপক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো: ফোরকান উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক সাজিদ মুহাইমিন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সরকারি বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, ঢাকাস্থ মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ মুরাদনগরের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, ঐতিহ্যবাহী শ্রীকাইল কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আধুনিকীকরণ, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, বেকার সমস্যার সমাধান, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মুরাদনগর সংলগ্ন প্রস্তাবিত ঢাকাচট্টগ্রাম রেল প্রকল্প বাস্তবায়ন, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা স্থাপন, শিল্পায়ন ও আধুনিক কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ নানামুখী উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়ে ‘তিলোত্তমা মুরাদনগর’ গড়ার লক্ষ্যে সম্মিলিতিভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

‘তিলোত্তমা মুরাদনগর’ গড়তে মুরাদনগরের কৃতিসন্তানদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ চাই : এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন পদে মুরাদনগরের কৃতি সন্তানরা কাজ করছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন মুরাদনগরের মেধাবী সন্তানরা । তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী পাঁচবছরে ‘তিলোত্তমা মুরাদনগর’ গড়ে তুলতে চাই।

বুয়েট কেমিকৌশল বিভাগের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মতবিনিময়সভা এবং ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকার। এতে মুরাদনগরের কৃতিসন্তান বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বুয়েটের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল হাকিম খান, সঞ্চালনা করেন বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রাজ্জাক। মুরাদনগরের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বর্তমানে নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার উপর ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো: শফিকুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো: জয়নাল আবেদীন বলেন, মুরাদনগর উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক সন্তান বিসিএস ক্যাডার হিসেবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ নানা পদে দায়িত্ব পালন করছেন। মুরাদনগরের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী আকারে বিভক্ত করে কাজ করতে হবে। সহজে বাস্তবায়নযোগ্য কাজগুলোর দিকে মনোযোগী হতে হবে এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য ড. মো: হেলাল উদ্দিন এনডিসি সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বাস্তবায়নাধীন মুরাদনগরের প্রকল্পগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের উপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নেয়া প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং তা সঠিকভাবে ও মানসম্মত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা প্রয়োজন। এজন্য স্থানীয়দের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

বুয়েটের কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট ড. মহিদুস সামাদ খান বলেন, মুরাদনগরে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা স্থাপনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বাংলাদেশের তিনটি গ্যাসক্ষেত্র এই এলাকায় হওয়ায় শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান এবং দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে রপ্তানি নির্ভর শিল্পে সরকারি প্রণোদনার দিকে দৃষ্টি দেয়া এবং চীন, জাপানসহ বিভিন্ন বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার উপর গুরুত্বআরোপ করেন তিনি।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) এমডি আব্দুল্লাহ নোমান যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের উপর জোর দিয়ে বলেন, মুরাদনগর উপজেলাকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে পারলে তা শুধু স্থানীয় চাহিদাই মেটাবে না, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে হওয়ায় খাদ্যপণ্য রপ্তানিতেও ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

মুরাদনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ড. আহসানুল আলম কিশোর তার বক্তব্যে মুরাদনগরের আধুনিকায়নে তার বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন কর্মকান্ড এবং পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্মার্ট উপজেলা কমপ্লেক্সের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, যেখানে থাকবে ফ্রি ওয়াইফাই জোন। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উন্নয়নের জন্য মুরাদনগরে হাইস্পিড ডাটা কানেক্টিভিটি, শেখ রাসেল আইটি ইউনিভার্সিটি স্থাপন, ইপিজেড স্থাপন, এগ্রো বেইজড প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ানো, নারী কর্মসংস্থান, বেকারত্ব নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং বর্জ্য থেকে জ্বালানি তৈরিসহ নানামুখী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. মো: আব্দুল হাকিম খান বলেন, একটি জনপদকে কয়েক হাজার বছর এগিয়ে দিতে পারে একটি বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি মুরাদনগরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেয়ার জন্য সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাসফিল্ড কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফজলুল হক, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: নাছিম খান, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকল্প পরিচালক (মহা ব্যবস্থাপক-প্রকল্প) মো: বোরহান উদ্দিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো: আমিরুল ইসলাম খান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো: গোলাম ফারুক, বুয়েটের অধ্যাপক ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, অধ্যাপক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো: ফোরকান উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক সাজিদ মুহাইমিন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সরকারি বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, ঢাকাস্থ মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ মুরাদনগরের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, ঐতিহ্যবাহী শ্রীকাইল কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আধুনিকীকরণ, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, বেকার সমস্যার সমাধান, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মুরাদনগর সংলগ্ন প্রস্তাবিত ঢাকাচট্টগ্রাম রেল প্রকল্প বাস্তবায়ন, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা স্থাপন, শিল্পায়ন ও আধুনিক কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ নানামুখী উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়ে ‘তিলোত্তমা মুরাদনগর’ গড়ার লক্ষ্যে সম্মিলিতিভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সীমান্তে নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহার না হলে হত্যা আরো বাড়ত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

সীমান্তে নন-লেথাল ওয়েপন (প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র) ব্যবহার বেড়েছে। আর এর ব্যবহার না হলে সীমান্তে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের করা ব্রিফিংয়ে সীমান্তে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে বলতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ২৫ তারিখ লালমনিরহাটে বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। কিছু বাংলাদেশি কাটাতারের বেড়া কেটে সীমান্তের ওপারে যায়। তারা সংখ্যায় অনেক বেশি ছিল। বিএসএফের ভাষ্য হচ্ছে, তারা তাদের চ্যালেঞ্জ করে বিএসএফকে ঘেরাও করে। তখন বিএসএফ গুলি ছুড়ে। এতে দুজন আহত হয়। একজন আহত বাংলাদেশি চলে আসে আরেকজনকে সেখানে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে হাসপাতালে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। আরেকটি ঘটনা ২৬ তারিখ সকালে নওগাঁ সীমান্তে। একই ধরনের অবৈধ অনুপ্রেবেশের কারণে এ ঘটনা ঘটে।

হাছান মাহমুদ জানান, আমাদের বিজিবির পক্ষ থেকে এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সীমান্ত বৈঠক হয়েছে। আমরা ভারতের সঙ্গে অনেক দিন ধরে আলাপ-আলোচনা করছি। আমি যখন ভারত সফরে গিয়েছিলাম তখনও বিষয়টি গুরত্বের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছি, যেন সীমান্তে নন-লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করা হয়। এখন কিন্তু আগের তুলনায় অনেক বেশি নন-লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করা হয় এবং সে কারণে অনেকে বাবার বুলেটে বা ছররা গুলিতে আহত হন, পরে বাংলাদেশে চলে আসে।

তিনি বলেন, নন-লেথাল ওয়েপন আগের তুলনায় অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। এটা যদি না হতো তাহলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি হতো। আমরা চাই, এ ধরনের ঘটনা যেন না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে বিজিবির মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

সীমান্ত হত্যায় প্রায়ই তদন্তের কথা উঠে। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে আসে না। এ বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। জবাবে ড. হাছান বলেন, বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং পতাকা বৈঠক হয়েছে। এ নিয়ে উভয়পক্ষ কাজ করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো প্রতিবাদ জানাবে কি না —এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এটি বিজিবি এবং বিএসএফের মধ্যে যোগাযোগের মধ্যে আছে আমরা মনে করি, সেখানেই সমস্যাটা সমাধান করা সম্ভব।

কুমিল্লায় রবি’র বসন্ত উৎসব উদযাপন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

বসন্তের আমেজকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে দেশব্যাপী বসন্ত উৎসব উদযাপন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফোরজি এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাপ্রদানকারী কোম্পানি রবি। সারাদেশের পাশাপাশি কুমিল্লাতেও অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রবি।

কুমিল্লায় একটি হোটেলে সম্প্রতি ‘রবি বসন্ত উৎসব’ পালন করে রবি’র কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের কর্মীরা।

প্রাণবন্ত কর্মপরিবেশে রবির কর্মীরা যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ধারণ করে, রঙিন এই উদযাপনটি তারই প্রতিফলন। সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে এই আয়োজন বসন্তের রঙিন চেতনাকে সবার মাঝে আরও ছড়িয়ে দেবে।