All posts by jitu

দুই ছাত্রলীগ নেতাকে বহিষ্কার করতে কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের সুপারিশ!

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুবেল ও দেবিদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ইমরানুল আরেফিন ইমুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিস্কার করতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে সুপারিশ করেছে কুমিল্লা জেলা (উত্তর) আওয়ামী লীগ। শুক্রবার উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞপ্তিতে নেতাকর্মীরা সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি জানান। এরই সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন তারা। একই সাথে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতির পর স্থায়ী বহিস্কারের দাবী জানান আওয়ামী লীগ নেতারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম. রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম. রুহুল আমিন এর উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা রুবেল ও ইমু। এর আগে একই ঘটনায় কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদকে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘চান্দিনা পৌর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের আলোচনা সভা শেষে স্বতন্ত্র এমপি জনাব আবুল কালাম আজাদের নির্দেশে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম রুবেল, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ইমরান আরিফিন ইমু এবং এমপি’র ফুফাতো ভাই ইসমাইল হোসেন গং এর নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি’র গাড়ি ভাঙ্গচুর করে এবং গাড়িতে থাকা লোকজনকে মারাত্মক ভাবে আহত করেন। এই অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের কারণে ইতি মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সংসদ স্বতন্ত্র এমপি জনাব আবুল কালাম আজাদকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদ হতে অব্যহতি দিয়েছেন। এজন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভানেত্রীকে সভার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। দলীয় শৃংখলা রক্ষার্থে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে স্বতন্ত্র এমপি আবুল কালাম আজাদ’কে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে স্থায়ীভাবে আজীবন বহিষ্কারের সিদান্ত গৃহীত হয় এবং ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জরিত ছাত্রলীগের উল্লিখিত নেতাদেরকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বরারব সুপারিশ করার সিদান্ত গৃহীত।’

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার জানান, ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের প্রোগ্রাম থেকে ফেরার পথে দেবিদ্বারের সাংসদের ইন্ধনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির উপর হামলা হয়। এতে তাঁর গাড়িটি ভাঙচুর করা হয় ও নেতাকর্মীদের মারধর করে জখম করা হয়। আমরা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সুপারিশ করেছি। আমি মনে করছি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার উপযুক্ত ব্যবস্থা নিবে’।

হামলার শিকার জেলা সভাপতি ম. রুহুল আমিন জানান, ‘আমার উপর হামলার পর দেবিদ্বারের সাংসদ আবুল কালামকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। হামলায় যুক্ত থাকা ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে সুপারিশ করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগ’।

লিটনকে না খেলিয়ে বিশ্রাম দিলে ভালো হতো : পাপন

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে আশানুরুপ পারফর্ম করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন লিটন দাস। এরপর দিন যত গিয়েছে কেবল মলিন হয়েছে এই ওপেনারের ব্যাট। সবশেষ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাজে পারফর্মম্যান্সের কারণে বাদ পড়েছিলেন দল থেকে। রান পাননি প্রথম টেস্টেও।

প্রথম ইনিংসে ২৫ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে বিচ্ছিরি রকমের আউট। দ্বিতীয় ইনিংসে পাহাড়সম রান তাড়ায় দল যখন ৩৭ রানে ৪ উইকেটে হারিয়ে বিপদে, তখন লিটনের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারের ক্রিজ ছেড়ে পুল করতে গিয়ে আউট হওয়াটাও মানতে পারছেন না কেউই। লিটনের এমন আউটের পর থেকে শুরু হয়েছে চারদিকে সমালোচনার ঝড়।

এবার লিটনকে নিয়ে কথা বললেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। মিরপুরে আজ মঙ্গলবার মুখোমুখি হন গণমাধ্যমের। এ সময় লিটন প্রসঙ্গে শুরুতেই ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বকাপ থেকেই ওকে দেখতেছি। মনে হচ্ছে, দেয়ার ইজ সামথিং রং। এজন্যই তাকে কিন্তু ওয়ানডে থেকেও ড্রপ করেছি।’

‘চিন্তা করে দেখেন ওর মতো একজন ওপেনার এতবছর ধরে যাকে আমরা খেলিয়েছে যার উপর আমরা ডিপেন্ড করেছি। সে পারফর্ম করেছে এমন তো না সে খেলা পারে না। কিন্তু কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে তাই তাকে ওয়ানডে থেকে বাদও দিয়েছি এর থেকে বড় সিগন্যাল কিছু তো হতে পারে না।’-যোগ করেন পাপন।

বিসিবি সভাপতি মনে করেন টেস্টে লিটনকে না খেলিয়ে বিশ্রাম দিলে সে ভালোভাবে ফিরে আসতে পারত, ‘টেস্ট ম্যাচটাতে না খেলালেই ভালো হতো আমাকে যদি জিজ্ঞেস করেন। তখন আপনারা বলতেন টেস্টে তার এমন রেকর্ড এই সেই কেন তাকে বাদ দিল। আমার ধারণা এই সময়ে তাকে একটা ব্রেক দিলে ভালোভাবে ফিরে আসতে পারত। আরেকটু কিছুদিন যদি ব্রেক দেওয়া যেত।’

চাঁদপুরে হলুদ মরিচের গুড়ায় ইঁদুরের মল ও নোংরা পরিবেশে সেমাই তৈরি

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং চাঁদপুর জেলা প্রশাসক এর সার্বিক নির্দেশনা মোতাবেক চাঁদপুর পুরাণ বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (২৫ মার্চ) চাঁদপুর পুরাণ বাজারের জীবন দে মিলে হলুদ ও মরিচের গুড়ার সাথে নিম্ন মানের হলুদ ও মরিচের গুড়া মেশানো এবং ভুট্টার গুড়া মেশানো অবস্থায় পাওয়া যায়। সেই সাথে হলুদ ও মরিচের গুড়ায় ইঁদুরের মল পাওয়ার অপরাধে প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা এবং অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে সেমাই তৈরির অপরাধে সাইফুল ফুডকে ১০ হাজার টাকা সহ সর্বমোট ২ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক লঙ্ঘনজনিত অপরাধে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নূর হোসেন।

চাঁদপুর জেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর, জেলা ক্যাব ও পুরাণ বাজার পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা উক্ত অভিযান পরিচালনায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। এ অভিযান পরিচালনাকালে নূর হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে যেন এরূপ অনৈতিক ও অযৌক্তিক কার্য থেকে বিরত থাকে তার জন্য আইনগত হুশিয়ারি করা হয়। সেই সাথে যেসব প্রতিষ্ঠান আইন মেনে ব্যবসা করছে মূল্য তালিকা প্রদর্শন করছে তাদেরকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে এবং আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা অব্যাহত রাখার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। অনিয়ম রোধে এবং দ্রব্যমূল্যের অযৌক্তিক উর্ধ্বগতি ঠেকাতে ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর এর অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

বিরোধী দলের বিরুদ্ধে এক লাখ মামলা দেওয়া হয়েছে : মঈন খান

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখার জন্য বিরোধী দলের বিরুদ্ধে এক লাখ মামলা দেওয়া হয়েছে ও তাদের ৫০ লাখ নেতাকর্মীকে আসামিকে করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

আব্দুল মঈন খান বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমাদের বলতে হচ্ছে, যে উদ্দেশ্য এবং আদর্শ নিয়ে এই দেশের লাখ লাখ মানুষ বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন, যে আদর্শের জন্য তার নাম ছিল গণতন্ত্র। উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। আজকে ৫৩ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের একটাই প্রশ্ন সেই গণতন্ত্র কোথায় গেল? সেই দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি কোথায় গেল? এটাই আজকের প্রশ্ন।

তিনি আরও বলেন, একটি সরকার আজকে এ দেশে এসেছে, সে সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা মুখে বলে গণতন্ত্র, বাস্তবে করেছে একদলীয় শাসন। তারা এবার করেছে বাকশাল-২। এটা আমার কথা নয়, এটা বিশ্ববাসীর কথা।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আজকে আপনারা দেখেছেন কীভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। মেগা উন্নয়নের নামে কীভাবে মেগা দুর্নীতি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখার জন্য বিরোধী দলের বিরুদ্ধে এক লাখ মামলা দেওয়া হয়েছে। ৫০ লাখ নেতাকর্মীকে মিথ্যা অভিযোগে আসামি বানানো হয়েছে। এখানে যদি মানুষের ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ না থাকে। এ দেশে যদি মানুষের গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ না থাকে, তাহলে আজকে যারা কবরে শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা, তাদের যে প্রশ্ন, কেন তারা এ দেশটি স্বাধীন করেছিলেন। সেই প্রশ্নের উত্তর আজকের আওয়ামী লীগ সরকারকে দিতে হবে।

আব্দুল মঈন খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। এটা আজকে অত্যন্ত স্পষ্ট। যখন সেই ২৫ মার্চের কালরাতে পাক হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের নিরীহ মানুষের ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সেদিন আজকের আওয়ামী লীগ, যারা আজকে নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে, যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি বলে দাবি করে, তারা সেদিন পলায়নপর ভূমিকা নিয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর আওয়ামী লীগ দিতে পারবে, আমরা সেই উত্তর দিতে চাই না।

তিনি আরও বলেন, যে কারণে স্বাধীনতার ঝান্ডা উঁচু করে তুলে ধরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেদিনের মেজর জিয়া বিদ্রোহ ঘোষণা করে, পাকিস্তানের একটি প্রশিক্ষিত অত্যাচারী হায়েনার মতো অত্যাচারী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে প্রকাশ্যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেই স্বাধীনতার ঘোষণা শুধু বাংলাদেশে নয়, সেই কথা সারা বিশ্বে প্রচারিত হয়েছিল। যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সূচিত হয়েছিল। সারা বিশ্বের মানুষ জেনেছিল, একটি স্বাধীন দেশের জন্ম হতে যাচ্ছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, এর সঙ্গে আরেকটি কথা যোগ করতে চাই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি স্বয়ং অংশ নিয়েছিলেন। তিনি সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। পালিয়ে লুকিয়ে থাকেননি কলকাতায় আরাম আয়েশে। তিনি যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধে জয়লাভ করে ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের বেশে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশের মানুষ ভালোবেসে তাকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব বীর উত্তম উপাধি দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আরও একটি প্রশ্নের উত্তর আপনাদের দিতে চাই, যে প্রশ্ন আপনারা করেছেন, শুধু তারা নয়। আমাদের বন্ধুরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি তাদের রাষ্ট্রীয় ভবনে রাষ্ট্রীয় ভোজসভা দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে তাকে সম্মান জানিয়েছেন।

এ নিয়ে বিতর্কের সুযোগ আছে কি না প্রশ্নে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, বিতর্ক তোলা যাবে না কেন? আমরা তো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। যে যেটা বলতে চায় বলবে। আওয়ামী লীগের কেউ কিছু বললে আমরা তার টুঁটি চেপে ধরি না। কাজে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ গণতন্ত্রে থাকবে। কিন্তু ইতিহাসের যে সত্য, সেটি ইতিহাসই নির্ধারিত করে। আজকে বলে দিতে হবে না, কারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সম্মুখ সমরে যুদ্ধ করে এ দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাধীনতা অর্জন করেছিল।

তিনি আরও বলেন, আমি স্কুলের পাঠ্যবইয়ে যত গল্প লেখি না কেন, টেলিভিশনে, মাইকে যত বক্তব্য দিই না কেন, এসব মিথ্যার বেসাতি যেটা আওয়ামী লীগ করে যাচ্ছে সেটা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

আব্দুল মঈন খান বলেন, ব্রিটিশ আমলে ঔপনিবেশিক শাসকদের একটা নীতি ছিল, যেটা সারাবিশ্বে শত বছর ধরে পালিত হয়েছে, বাইরে থেকে এসে যদি কোনো ক্ষমতা দখল করতে হয়, ক্ষমতা পরিচালনা করতে হয়, তাহলে সেখানে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করো। মানুষকে বিভক্ত করে এক পক্ষকে আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দাও। আজকে দুঃখ ও লজ্জার সঙ্গে বলতে হয়, আজকে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার, এমন এক সরকার যে দেশের মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। যে কারণে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য বাংলাদেশের মানুষদের দুটি ভাগে ভাগ করে দিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিতে চায়। কিন্তু তাদের এ চাওয়া কোনোদিন পূরণ হবে না।

এ সময় বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ।

স্বাধীনতা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এক অনুষ্ঠানে ১০ টাকা মূল্যের স্মারক ডাকটিকিট, ১০ টাকার উদ্বোধনী খাম এবং ৫ টাকার একটি ডাটাকার্ড উন্মোচন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে একটি বিশেষ সীলমোহর ও ব্যবহার করা হয়। আগামীকাল বুধবার ঢাকা জিপিও’র ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে স্ট্যাম্প, ফাস্ট ডে কভারর্স এবং ডাটা কার্ড বিক্রি শুরু হবে। পরবর্তীতে সারাদেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান পোস্ট অফিসেও এসব পাওয়া যাবে।

 

হাঁটুতে ভর দিয়ে তিরুপতি সিঁড়িতে উঠলেন জাহ্নবী

ডেস্ক রিপোর্ট:

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রেমিক শিখরের সঙ্গে তিরুপতি বালাজির মন্দিরে হাজির হয়েছেন জাহ্নবী কাপুর। মা শ্রীদেবীর কল্যাণে দক্ষিণ ভারতের প্রতি অন্য ধরনের টান অনুভব করেন তিনি। মাঝেমধ্যেই তিরুপতি মন্দিরে যান অভিনেত্রী। প্রয়াত মায়ের জন্মদিন হোক, কিংবা নিজের জন্মদিন অথবা প্রেমিক শিখরের বিশেষ দিন, যেকোনো শুভ কাজে তিরুপতি মন্দিরে গিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন।

এতদিন তিরুমালার সিঁড়ি ভেঙে উঠতেন। কিন্তু এবার পায়ে হেঁটে নয়, হাঁটুতে ভর দিয়ে তিরুপতির সিঁড়িতে উঠলেন জাহ্নবী। সঙ্গে ছিলেন প্রেমিক শিখর ও বন্ধু ওরহান অবত্রমানি ওরফে ওরি।

জাহ্নবীর পরনে হালকা রঙের চুড়িদার, মুখে কোনো মেকআপ নেই। সাদা পাজামা-পাঞ্জাবিতে শিখর, সাদা উত্তরীয় ও ধুতি পরে দেখা গেল বন্ধু ওরিকে।

এতগুলো সিঁড়ি ভেঙে ওঠার পর অভিনেত্রী বলেন, ‘এই পবিত্র স্থানের সঙ্গে একটা আধ্যাত্মিক যোগ অনুভব করি। সারা বছরে প্রায় ৫০ বার এখানে আসি। এ বার আমি আমার প্রার্থনা বালাজির কাছে জানাতেই হাঁটু ভেঙে মন্দিরে উঠেছি।’

মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডের নাতি শিখর। বলিউডে পা রাখার আগে থেকেই নাকি শিখরের সঙ্গে প্রেম ছিল জাহ্নবীর। যদিও বলিউডে অভিষেক হওয়ার পর বেশ কয়েক বছর স্রেফ বন্ধুত্বের সম্পর্কই বজায় রেখেছিলেন তারা। তবে ঈশান, কার্তিকের মতো অভিনেতার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পরে পুরোনো বন্ধু ও প্রাক্তন প্রেমিক শিখরের কাছেই ফিরেছেন শ্রীদেবীকন্যা।

স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক কখনো ঘোষক হতে পারে না : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

জেনারেল জিয়া বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আবুল কাশেম, এমএ হান্নান, অনেকেই ঘোষণা পাঠ করেছেন। সেখানে জেনারেল জিয়াও বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছেন। তাই বলে স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক কখনো ঘোষক হতে পারে না।

তিনি বলেন, আজও আমাদের দেশের স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতর্ক হয়। এত বছর পরও সেই বিতর্ক চলছে। আমাদের বক্তব্য, ঘোষণার পাঠক ঘোষক হতে পারে না। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কে ঘোষক? এ বিতর্কের অবসান তখনই হবে যখন আমরা সত্যের অনুসন্ধান করতে যাবো। সেটা হচ্ছে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণার ম্যান্ডেট এ অঞ্চলের জনগণের পক্ষ থেকে একমাত্র বঙ্গবন্ধুই পেয়েছিল। আর কারো কোনো বৈধ অধিকার নেই স্বাধীনতার ঘোষক হাওয়ার।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজকে এত বছর পর আমাদের ভাবতে হচ্ছে এ দেশেরই মানুষ, এ দেশেরই অগণতান্ত্রিক সাম্প্রদায়িক শক্তিকে নিয়ে। যারা আমাদের বিজয়, আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অন্তরায় সৃষ্টি করে যাচ্ছে। আজ আমাদের শপথ– বিএনপির নেতৃত্বে যে সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি বিজয়কে সংহতকরণে বাধা বা অন্তরায় হয়ে আছে, এ অপশক্তিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরাজিত করবো, প্রতিহত করবো।

ভারতবিরোধিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিরোধিতা আগেও হয়েছে, এখনও হচ্ছে। এটা নতুন কিছু না। এই বিরোধিতা পাকিস্তান আমল থেকেই হয়ে আসছে। যখন কোনো ইস্যু থাকে না, তখনই ভারত বিরোধিতা ইস্যু সামনে আসে।

চাঁদপুরে জমে উঠেছে ঈদের বেচা-কেনা : প্রয়োজন বাড়তি নিরাপত্তা

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে চাঁদপুরের মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ভিড় বেড়েছে জেলা শহরের প্রতিটি শপিংমল ও বিপণি-বিতানে। পাশাপাশি ফুটপাতেও কেনাকাটায় ব্যস্ত দেখা গেছে স্বল্প আয়ের মানুষদের। নতুন জামা-জুতো এবং প্রসাধনী সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরাও ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আকর্ষণীয় মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে পেরে খুশি।

সোমবার (২৫ মার্চ) চাঁদপুর জেলা শহরের পাশাপাশি সরদ উপজেলার বাবুরহাট, মহামায়া, মতলব বাজার, হাজীগঞ্জ বাজার সহ অন্যান্য উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারের মার্কেটে ঘুরে এই দৃশ্য দেখা যায়। ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা আগেভাগেই ঈদ শপিং করে নিচ্ছি। তার কারন হিসেবে জানতে চাইলে তারা জানান, পরে ভালো মানের কাপড় না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। অন্য ক্রেতারা বলছেন, ছেলে-মেয়ের শশুর বাড়িতে পছন্দসই কাপড় চোপড় পাঠানোর জন্য আগেভাগে কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি।

এদিকে কাপড়ের দোকান ছাড়াও জুতার দোকান, কসমেটিকস এর দোকানেও শিশু থেকে বৃদ্ধরা ভিড় করছেন তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে। তবে সদর উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে আরো দেখা যায়, পুরুষের তুলনায় নারী ও শিশু ক্রেতারাই ভিড় করছেন মার্কেটগুলোতে। কম দামে ভালো পোশাক কিনতে মার্কেটে আগেভাগেই ছুটে এসেছেন তারা।

ভিড় সামলাতে বিক্রেতারাও তাদের নিয়োজিত কর্মচারীর পাশাপাশি বাড়তি লোক নিয়োগ দিতে দেখা যায় দোকানগুলোতে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বিপনি-বিতানগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করলেও চোর ও ছিনতাইকারীদের কৌশলে যেন হার মানতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতারা।

বিক্রেতাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, ১০ রোজার আগে থেকেই ক্রেতাদের চাপ বাড়তে থাকে। তাদের চাহিদামত পণ্য নিতেই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দোকানে ভিড় করে থাকেন। দুপুরের পর বেশি একটা ক্রেতা দেখা মেলেনি। তবে রোজার শেষ দিকে এসে আবার বিকেল থেকে ক্রেতাদের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতারা বলেন, পাইকাররা ১০ রোজার আগেই মোকাম করে এসেছেন। হয়তো রোজার শেষ দিকে কিছুটা সংকট দেখা দিতে পারে। তবে রোজার মধ্যে আবারো মোকাম করতে হতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা।

এদিকে ঈদকে আনন্দময় করে তুলতে জান মাল রক্ষায় রাস্তাঘাটসহ মার্কেটগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের কাছে আগাম অনুরোধ জানিয়েছেন মার্কেট কর্তৃপক্ষসহ ক্রেতা-বিক্রেতারা।

কুবিসাসের আয়োজনে ইফতার মাহফিল

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (কুবিসাস) আয়োজনে ইফতার মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ শে মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা অনুষদের হলরুমে এ ইফতারের আয়োজন করা হয়।এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা খলিলুর রহমান দোয়া ও মুনাজাত করেন।

এসময় সংগঠনের সভাপতি জুবায়ের রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. হুমায়ুন কবির, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন।

আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, হলের প্রভোস্ট এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাই টিভির কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি আবু মুসা, কুমিল্লার কাগজের উপ-সম্পাদক জহির শান্ত, ইনডিপেনডেন্ট টিভির জেলা প্রতিনিধি তানভীর দিপু, প্রতিদিনের সংবাদের জেলা প্রতিনিধি মারুফ আহমেদ কল্প, সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শফিউল্লাহ ও সাংবাদিক সমিতির সাবেক ও বর্তমান সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাঈদ হাসান ও সহ-সভাপতি মো. শাহিন আলম যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।

এসময় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও বণিক বার্তার স্টাফ রিপোর্টার মুহাম্মদ শফিউল্লাহ উপস্থিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সাংবাদিক সমিতিকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কুবিসাস সত্য ও ন্যায়ের ধারা অব্যাহত রেখে এগিয়ে যাচ্ছে। এসংগঠনের সদস্যরা জাতীয় পর্যায়ে ভালো সাংবাদিক তৈরী করছে। যা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে।

কুমিল্লার কাগজের উপ-সম্পাদক জহির শান্ত সাংবাদিক সমিতির প্রতি শুভকামনা ব্যক্ত করে বলেন, সাংবাদিক সমিতি পূর্বের ন্যায় সুসাংবাদিকতা করে এগিয়ে যাবে। সেই প্রত্যাশা রইল।

ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, আজকের এই ইফতার মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্টেকহোল্ডারদের উপস্থিতি প্রমাণ করে সাংবাদিক সমিতি কতটা প্রাণবন্ত সংগঠন। শুরু থেকেই সাংবাদিক সমিতি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালোর জন্য, উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই কাজের ধারা অব্যাহত রাখবে সে প্রত্যাশা করি।

এসময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল’ থাকা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি শত প্রতিকুলতা অতিক্রম করে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আজকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অন্যায়-অবিচার ও স্বেচ্ছাচারীতা চলছে তার বিরুদ্ধে শিক্ষক সমিতির পাশাপাশি সাংবাদিক সমিতিও সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোহা. হুমায়ুন কবির বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে এই সংগঠনগুলোর সম্পর্ক উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই।

এসময় তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় একটি অপার সম্ভাবনাময় বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকেরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা যেমন তুলে ধরেন, তেমনি সাফল্যও তুলে ধরেন তাদের লেখনিতে। ভবিষ্যতেও আশাকরি এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।

আগত অতিথিবৃন্দের বক্তব্য শেষে সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জুবায়ের রহমান অনুষ্ঠানের উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ডেস্ক রিপোর্ট:

মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকও বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা। এরপর দাঁড়িয়ে কিছু সময় নীরবতা পালন করেন তারা। এসময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাদের গার্ড অব অনার দেয়।

পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলটির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে দ্বিতীয় বার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজা পরিদর্শন বইয়ে সই করেন। স্মৃতিসৌধে অন্যান্যের মধ্যে ভুটানের রানী জেৎসুন পেমা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং ভুটানের রাজার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ছেড়ে গেলে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।