All posts by jitu

দ্রুতগতির বলের নতুন রেকর্ড গড়লেন প্রোটিয়া পেসার শাবনিম ইসমাইল

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্রিকেট বিশ্বের দ্রুতগতির বোলিং নিয়ে একটা সময় নিয়মত লড়ে গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ব্রেট লি এবং পাকিস্তানের শোয়েব আখতার। ২০০৩ বিশ্বকাপে দুজনেই গতির ঝড় তুলেছেন। সেই যুদ্ধে অবশ্য জিতেছিলেন শোয়েব। পাকিস্তানি পেসা করেছেন এযাবতকালের সবচেয়ে দ্রুতগতির বল। স্পিডোমিটার অনুযায়ী, ঘণ্টায় ১৬১.৩ কিলোমিটার বেগে বল ছুঁড়েছিলেন তিনি।

পুরুষদের ক্রিকেট কিংবা সামগ্রিক ক্রিকেটে সহসাই শোয়েব আখতারকে কেউ ছাড়িয়ে যাবেন, এমনটা ভাবাও কষ্টকর। তবে নারী ক্রিকেটে প্রতিনিয়ত চলছে রেকর্ড ভাঙ্গাগড়ার কাজ। গেলবছর আইপিএলেই ঘণ্টায় ১৩০.৫ কিলোমিটার গতিতে বল করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার অ্যালিস পেরি। সেটাই গতকাল ভাঙলেন শাবনিম ইসমাইল।

ভারতের নারী প্রিমিয়ার লিগে মঙ্গলবার দিল্লি ক্যাপিটালস–মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ম্যাচের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে এই কীর্তি গড়েন শাবনিম ইসমাইল। মুম্বাইয়ের প্রোটিয়া পেসার শাবনিম ইসমাইলের ফুল লেংথের বলে ব্যাট লাগাতে পারেননি দিল্লির অধিনায়ক মেগ ল্যানিং। বল ল্যানিংয়ের প্যাডে লাগলে এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন করেন ইসমাইল সতীর্থরা। যদিও তাতে সায় দেননি আম্পায়ার।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অবশ্য সেই বলেই ঘটল রেকর্ড। ল্যানিংকে করা শাবনিমের বলটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১৩২.১ কিলোমিটার। যদিও সম্প্রচারকারী টিভির স্পিডমিটার সেটির গতি দেখিয়েছে ঘণ্টায় ১৩৮.৩ কিলোমিটার। তবে যাইই ঘটুক না কেন, এটাই যে মেয়েদের ক্রিকেটে দ্রুততম বল, তা নিয়ে নেই কোনো দ্বিমত।

শাবনিম এরই মধ্যে দিয়ে প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করেছেন। ৩৫ বছর বয়সী ইসমাইল অবশ্য নিজের গড়া রেকর্ডের ব্যাপারে জানতেনই না, ‘আমি যখন বল করছিলাম, তখন বড় স্ক্রিনের দিকে তাকাইনি।’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম বলের রেকর্ডটাও শাবনিমেরই। ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি ম্যাচে ঘণ্টায় ১২৮ কিলোমিটার গতিতে বল করেছিলেন। ২০২২ ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুবার ঘণ্টায় ১২৭ কিলোমিটার গতি তুলেছিলেন তিনি।

রমজান মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অসংযমী হয়ে ওঠে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, র‌্যাব মানুষের অধিকার সংরক্ষণে কাজ করেছে তাদের ওপর কীভাবে স্যাংশন আসে। স্যাংশন কখনো এক তরফা হয় না, দরকার হলে আমরাও স্যাংশন দিতে পারি।

বুধবার (৬ মার্চ) র‌্যাবের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, রমজান সংযমের মাস, কিন্তু এই মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অসংযমী হয়ে ওঠে। এই অসাধু ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, র‌্যাব সব সময় নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিস্তার রোধে র‌্যাবকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। রমজানে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ঈদে কালো টাকা রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের নিষ্ক্রিয় করায় মানুষের মনে শান্তি এসেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গিবাদ দমনে সাহসী ভূমিকা রাখায় র‍‍্যাবকে ধন্যবাদ জানান সরকার প্রধান।

পুন:বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যথাযথভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করার দাবি কুবি শিক্ষক সমিতির

কুবি প্রতিনিধিঃ

নিয়োগ নীতিমালা বহির্ভূত অবৈধ ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত বিজ্ঞপ্তি বাতিল, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা এবং বর্তমান উপাচার্যের আমলে ইতিপূর্বে নিয়োগ, পদোন্নতি ও স্থায়ীকরণে যত অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য হয়েছে সেগুলোর নিষ্পতি করার পর নীতিমালা অনুসরণ করে পুন:বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যথাযথভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করার দাবি জানিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান উপাচার্য যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও স্থায়ীকরণে সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য তৈরী করেছেন। যার কারণে শিক্ষকরা পদে পদে বঞ্চনা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মার্কেটিং, ইংরেজিসহ আরো কয়েকটি বিভাগে নিয়োগ নীতিমালার শর্ত উপেক্ষা করে বিদ্যমান শিক্ষকদেরকে বঞ্চিত করে অবৈধভাবে নতুন নিয়োগ প্রদান করে অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন। শিক্ষকদের মতামতকে অগ্রাহ্য করে একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনা না করেই অভিন্ন নীতিমালা শিক্ষকদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। বিশেষ প্রার্থীকে নিয়োগ দানের জন্য অবৈধ শর্ত আরোপের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালা কিংবা অভিন্ন নীতমালার কোনটিই অনুসরণ করা হয়নি। শিক্ষকরা আশংঙ্কা প্রকাশ করছেন এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদেরকে নিয়োগ দিয়ে যোগ্য প্রার্থীদেরকে বঞ্চিত করা হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পদোন্নতির যে প্রচলিত নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান আছে সেই নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষকরা আবেদন করলেও ব্যক্তি বিশেষকে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে আবার কাউকে পদোন্নতি বঞ্চিত করা হচ্ছে। যাদেরকে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে নীতিমালা বহির্ভূত অবৈধ শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। এমনকি কারো কারো ক্ষেত্রে পদোন্নতিতে কোন শর্তই আরোপ করা হচ্ছে না। শুধু তাই নয় স্থায়ীকরণের ক্ষেত্রেও উপাচার্য মারাত্মক বৈষম্য তৈরী করছেন। দুর্বল গবেষণা প্রকাশনার কাল্পনিক দোহাই দিয়ে কাউকে স্থায়ী করছেন আবার কাউকে প্রতিহিংসাবশত বঞ্চিত করছেন।

আবার একই প্রতিষ্ঠানের প্রকাশনা দিয়ে কাউকে পদোন্নতি দিচ্ছেন, কাউকে স্থায়ীকরণ ও করছেন না। এতে প্রায় প্রতিটি বিভাগেই শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং শিক্ষকরা চরমভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন। এমন ঘটনাও ঘটেছে যে, কোন কোন বিভাগে শিক্ষকরা উচ্চতর পদের বিপরীতে কিংবা অস্থায়ী পদে থাকলেও তাদেরকে স্থায়ী না করে স্থায়ী পদে নতুন শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে বৈষম্য তৈরী করা হচ্ছে। শিক্ষকরা এসব বৈষম্য দ্রুত নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য শিক্ষক সমিতির কাছে দাবী জানিয়েছেন।

এবিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবু ড. মো. আবু তাহের বলেন, এমনিতে উপাচার্যের অনিয়ম, দূর্নীতি ও বৈষম্য নিয়ে শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপচার্য যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে সেটি আইনবহির্ভূত। আমরা শিক্ষক সমিতি থেকে দাবি জানিয়েছি বৈধ নীতিমালা অনুসরণ করে পুনরায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য। অন্যথায় শিক্ষকরা প্রতিহত করবে।

কুমিল্লা নগরীর পরিবর্তন করতে চাই : তানিম

শাহ ইমরান:

কুমিল্লা সিটি উপনির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, প্রার্থীদের ব্যস্ততা ততই বাড়ছে। মেয়র প্রার্থী নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম দিন রাত প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

আজ গুধর পুকুর পাড় মোড় থেকে শুরু করে চক বাজার হয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকা গণ সংযোগ ও পথসভা করেন।

এবং ৭নং ওয়ার্ড অশোকতলা, বিসিক, গোবিন্দপুর, সহ ৯নং ওয়ার্ড এর বাগিচাগাঁও, সর্দার বাড়ী সহ পুরো এলাকা ও ১০নং ওয়ার্ড এর বিভিন্ন এলাকা গণসংযোগ ও পথসভা করবেন। ২৪নং ওয়ার্ড এর বার্ড, বোর্ড মার্কেট বিভিন্ন এলাকা গণ সংযোগ করবেন।
সন্ধ্যায় ৬নং ওয়ার্ড এর বিভিন্ন পাড়া মহল্লা ও ওয়ার্ড এর মুল সড়ক গণসংযোগ ও পথসভা করবেন।

৭১ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর : ক্রীড়ামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় ৭১ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। চলতি অর্থবছরে আরও ৩ লাখের বেশি যুবককে প্রশিক্ষিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে ফরিদপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আব্দুল কাদের আজাদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। সংসদ অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল কাদের আজাদের প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ৭০ লাখ ৮৪ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। অধিদপ্তরের মাধ্যমে গত অর্থবছরে বিভিন্ন ট্রেডে ১ লাখ ৬১ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে ৩ লাখ ৮ হাজার যুবককে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সচিবদের রমজানে সতর্ক থাকার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন রমজান ও ঈদ সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানজট, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সচিবদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সভাকক্ষে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ, সরবরাহ, মূল্য পরিস্থিতিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। রোজা ও ঈদকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বিশেষ নির্দেশনাগুলো তিনি তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে নিজ নিজ বিভাগের পরিকল্পনা তুলে ধরেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।

বৈঠকে পবিত্র রমজান মাসে কোনোভাবেই যাতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না পায়, সেসব বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে বাণিজ্য সচিবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। মজুদদারি রোধে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে অবনতি না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। ইফতার ও সাহরিতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বলেন, বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবারের রোজায় দেশে অনেক বেশি খাদ্য ও নিত্যপণ্যের মজুদ আছে। এছাড়া পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাজারে আছে। রোজার প্রস্তুতি আমরা যথাযথভাবে নিতে পেরেছি। যখন যার যা প্রয়োজন তা নিলে কারো কোনো সমস্যা হবে না। আমরা খুব ভালোভাবে রোজা ও ঈদ উদযাপন করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, রোজার সময় নিত্যপণ্য যাতে মানুষের কাছে পৌঁছায়, সরবরাহ-শৃঙ্খল যাতে ঠিক থাকে, সেজন্য আমরা সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি। স্বল্পআয়ের মানুষের জন্য সরকার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নিয়েছে। ওএমএস কর্মসূচি ও টিসিবির মাধ্যমে রোজা ও ঈদ ঘিরে দুই কিস্তিতে এবার খাদ্যপণ্য সরবরাহ করা হবে। তেল, চিনি, ডাল, ছোলা, পেঁয়াজ ও খেঁজুর আমরা দু’বার করে এক কোটি মানুষকে দেব। রোজায় মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রধানমন্ত্রীর এসকল নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য মুখ্য সচিব সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

এ ছাড়া সহজে টিকিটপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা, মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা করা, ঈদের আগে রাস্তা ও সেতু সংস্কার, নৌপথে ফেরি বাড়ানো, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ঠেকানো, আকাশপথে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাড়ানো এবং গার্মেন্টস ও পাটকল শ্রমিকদের বেতনের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিনসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ (সমন্বয় ও সংস্কার), সেতু বিভাগ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, ধর্ম মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গ্রীল কেটে চুরির চেষ্টা

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের গ্রিল কেটে চুরি চেষ্টা । সোমবার দিবাগত রাতে হাসপাতালের প্রধান সহকারীর কক্ষে এ চুরির ঘটনা ঘটে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরফাতুল আলম এবং দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন

হাসপাতালের অফিস সহকারী জয়নাল আবেদিন বলেন, চোরচক্র মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রশাসনিক ভবনের পেছনের জানালার গ্রিল কেটে আমার ও পাশের আরো দুই কক্ষের দুটি স্টিলের আলমারির ড্রয়ার ও সিন্দুক ভেঙ্গে জরুরি কাগজপত্রের ফাইল এলোমেলো ফেলে রাখে।

ক্যাশিয়ার মনোয়ারা বেগম বলেন, আমার কক্ষের তালা কেটে প্রবেশ করে স্টিলের আলমারির ড্রয়ার ও সিন্দুক ভেঙ্গেছে। অফিসে কোন নগদ টাকা ছিল না।

হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, গত এক সপ্তাহ আগে শহিদনগর ট্রমা সেন্টারে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহিঃবিভাগ অন্তঃবিভাগে প্রায় সময়ই চুরির ঘটনা ঘটছে। গত মাসে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার এসির পাখা চুরির ঘটনায় নৈশ প্রহরী ইসমাইল হোসেনকে কারন দর্শানো নোটিশ দেয়া হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, হাসপাতালের সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষন করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ তোহিদ আল হাসান বলেন, চুরির বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করেছি। আর আমাদের ট্রমা সেন্টার, দোনারচর ২০ শয্যা হাসপাতাল এবং গৌরীপুরে ৫০শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাত্র একজন নৈশ প্রহরী রয়েছে। আর কয়েকদিন আগে একটি চুরির ঘটনায় ওই নৈশ প্রহরী ইসমাইলকে শোকজ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে । হাসপাতাল এবং ট্রমাসেন্টারে ইদানীং চুরির ঘটনা ঘটেই চলেছে। এ বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও রোগীর স্বজনদের বারবার সতর্ক করা হয়েছে।

কারখানায় আগুনে চিনির সরবরাহ-দামে সমস্যা হবে না : প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের চিনি কারখানায় আগুন লাগলেও বাজারে চিনির সরবরাহ ও দামে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু৷

তিনি বলেছেন, আমাদের একটা সুগার মিলে (এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ) আগুন ধরেছে৷ অবশ্যই এটা একটা দুঃখজনক ঘটনা৷ তবে আগুনকে পুঁজি করে কেউ ব্যবসা করতে পারবে না।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘ডি-৮’ এর সুপারভাইজরি কাউন্সিলের ৭ম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এস আলম শিল্প গ্রুপের পক্ষ থেকে সোমবার জানানো হয়, ওই কারখানায় লাগা আগুনে এক লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি পুড়ে গেছে। এই বিপুল পরিমাণ চিনি আসন্ন রমজান ঘিরে ব্রাজিল থেকে আমদানি করা হয়েছিল। রমজানে তাদের পক্ষে বাজারে চিনি দেওয়া আর সম্ভব হবে না।

তবে ভোক্তাদের স্বস্তির বার্তা দিয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আগুন বাজারে চিনির সরবরাহ ও দামে কোনো প্রভাব ফেলবে না। বাজারে চিনির কোনো সংকট হবে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওই কারখানার আগুনে অভারঅল বাজারে কোনো ইম্প্যাক্ট পড়বে না৷ গতকাল (সোমবার) রাত থেকে এ বিষয়টি আমার নজরদারিতে আছে৷ আমাদের বিভিন্ন এজেন্সি কাজ করছে৷ আজ (মঙ্গলবার) বিকেলের মধ্যে আমরা সবগুলো ফ্যাক্টারির প্রতিবেদনও পেয়ে যাবো৷

তিনি বলেন, আমি এতোটুকু আশ্বস্ত করতে পারি এই একটি ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগার কারণে সাপ্লাই চেইন ব্যাহত হবে না৷ কেউ যদি এটা সুযোগ হিসেবে নিতে চায় তাহলে আমরা তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবো৷ এই আগুনকে পুঁজি করে কেউ যেন ব্যবসা করতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা শক্ত হাতে ব্যবস্থা নেবো৷

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, অত্যন্ত অল্প পরিমাণের চিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ এটা একটা কোম্পানির জন্য অনেক বড় ক্ষতি৷ কিন্তু বাজারে প্রভাব পড়ার মতো কোনো ক্ষতি হয়নি৷ খোলাবাজারে চিনির সাপ্লাই এবং দামে কোনো সমস্যা হবে না।

জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারণ হবে : প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ হবে বলে জানিয়েছেন বিদুৎ জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) বিকেলে ডিসি সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদেরকে তিনি এ কথা বলেন।

নসরুল হামিদ বলেন, জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানালাম, কারণ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি রাখার বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের বিরাট একটা ভূমিকা ছিল। সামনে যে সময়টা আসছে মার্চ মাসসহ সেই সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানির দামকে আমরা কিভাবে সাশ্রয়ী রাখতে পারি সেই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে জ্বালানি তেলের ডাইনামিক প্রাইসিংয়ে চলে গিয়েছি। এই সপ্তাহ থেকে জ্বালানি তেলের দাম ডায়নামিক প্রাইসসিংয়ের দিকে যাবে। আশা করছি একটা সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে পারব।

ডিসিদের পক্ষ থেকে কী প্রস্তাবনা ছিল জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি, আমরা আরো কঠিন হতে পারি কিনা। আমরা বলেছি পরিকল্পিত শিল্প এলাকা ছাড়া কোথাও গ্যাস এবং বিদ্যুতের সংযোগ দিবো না। তাদেরকে অনুরোধ করেছি বিষয়টি দেখার জন্য। কৃষি জমি ভরাট করে শিল্প এলাকা গড়ে তোলা হচ্ছে, এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে। তেল চুরির বিষয়ে ডিসিরা সহযোগিতা চাচ্ছেন। বিষয়গুলো লিখিতভাবে আমাদের কাছে এসেছে। আমরা সেই বিষয়ে দেখছি।

তেলের পরিমাপ কম দেয়ার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই আমরা প্রত্যেকটি পেট্রোল পাম্পকে জিএস ম্যাপিং করেছি।

তেলের দাম বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করবেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তেলের দাম নির্ধারণ হবে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে। সেখানে একটি ফর্মুলা তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সেটি আমরা অনুমোদন পেয়েছি মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। এই সপ্তাহে আমরা সেটা গেজেট আকারে প্রকাশ করবো।

তেলের দাম কমলে সীমান্ত দিয়ে তেল পাচার বাড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেল পাচারের বিষয়টি আমরা নজরদারির মধ্যে রেখেছি। আপনারা জানেন বাংলাদেশে এখন ডিজেলের দাম ১০৯ টাকা প্রতি লিটার, কলকাতায় দাম প্রতি লিটার আমাদের টাকায় হিসাব করলে প্রায় ১৩৩ টাকা, সুতরাং এই বিষয়টি আমরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানিয়েছি। এখানে তেলের মূল্য আরেকটু সাশ্রয়ী হলে তেল পাচারের সম্ভাবনা থাকে। এই বিষয়টিও নজরদারির মধ্যে থাকবে।

গ্যাসের সিলিন্ডার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, সিলিন্ডার যেন ডিলারদের হাত থেকে কোনো ভাবেই চার হাত ঘুরে সাব এজেন্টদের কাছে না যায়। সেই বিষয়টি যেন ডিসিরা নজরদারি করে। সিলিন্ডার যেন যত্রতত্র রেস্টুরেন্টে ব্যবহার না হয়।

কওমি মাদরাসা বাংলাদেশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

কওমি মাদসা বন্ধ করার কোনো কথা বলেননি জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, কওমি মাদরাসা বাংলাদেশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘বিকৃত করে একটি মহলের প্রচারণা’র বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি কওমি মাদরাসা বন্ধের কথা বলেননি। আমরা কওমি মাদরাসা বোর্ডগুলোর সঙ্গে কাজ করতে চাই। কারণ কওমি মাদরাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থান চায়।

গত ৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম দিন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ সম্পর্কিত কার্যঅধিবেশন শেষে কওমি মাদরাসা নিয়ে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তার বক্তব্যকে বিকৃত করে একটি রজনৈতিক দল প্রচার করছে বলে দাবি করেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের মাধমে একটি জেলা থেকে একটি আলোচনা এসেছিল, অনিবন্ধিত কিছু নামপরিচয় বিহীন নুরানী মাদরাসা নামে কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। সেগুলো নিবন্ধনের প্রক্রিয়া কী। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি মন্তব্য করেছিলাম, যে সমস্ত নূরানী মাদরাসা গড়ে উঠছে সেগুলো যদি কওমি মাদরাসার বোর্ড থেকে নিবন্ধিত হয়ে থাকে তাহেল কীভাবে তাদের সঙ্গে কাজ করা যায়, আমাদের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক যেন না হয়, সে ধরনের বিষয়ে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কীভাবে সেটা ইউনিফরমিটির মধ্যে আনা যায়।

তার বক্ত্যব্য বিকৃত করা হয়েছে দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গতকাল একটি রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক নামধারী কিছু সংগঠন থেকে বলা হয়েছে যে নূরানী বা কওমি মাদরাসার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

‘আমি পরিস্কার করে বলছি যে এই আলোচনা এসেছে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে যে অনিবন্ধিত অনেক প্রতিষ্ঠান চলছে, সেগুলোর নিয়ন্ত্রক কারা। এই ধরনের মন্তব্য (কওমি মাদরাসা বন্ধ) আমি কিরিনি। যারা এই আলোচনা সৃষ্টি করে একটা গুজব রটাচ্ছে, অপপ্রচার। আমার বক্তব্য ভিডিওসহ আছে। গুজব রটিয়ে কওমি মাদরাসার শিক্ষক- শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টির নোংরা অপচেষ্টা করছে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তারা এই অপরাজনীতি প্রাক্কালে আরও অনেক ধরনের মানহানিকর এবং আপত্তিকর কথা বলছে। এরমধ্যে একটি ছিল যে আমি ইসকন নামের একটি সংগঠনের সদস্য এবং ইসকনের সদস্য হয়ে আমি ভিন্ন সংষ্কৃতি শিক্ষাক্রম ঢোকানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত আছি। আমার বক্তব্য হচ্ছে, এটা একেবারে আপত্তিকর, মানহানিকর এবং ষড়যন্ত্রমূলক।

তিনি বলেন, আমি ইসকনের সদস্য বলে প্রচার করছে। আমি ইসকনের সদস্য না। আমি একজন অসাম্প্রদায়িদক মানুষ হিসেবে আমার বাবা বিভিন্ন ধর্মালম্বীদের তীর্থ কেন্দ্রে, পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটক হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন। ইসকনের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়া মানে এই নয় যে আমি ইসকনের সদস্য। ইসকনের সদস্য হিসেবে আমাকে প্রচার করা হচ্ছে, আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা বার বার বলছি যে কওমি মাদরাসা বাংলাদেশে আছে। অবশ্যই থাকবে। কারণ আমরা আইন দ্বারা কওমি মাদরাসা শিক্ষাকে স্বীকৃতি দিয়েছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কওমি মাদরাসা শিক্ষা সর্বোচ্চ ডিগ্রি দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্স স্বীকৃতি দিয়েছেন। কওমি মাদরাসা বাংলাদেশে আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু সেখানকার শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও ন্যূনতম লিটারিসির কথা বলছি, তারা যাতে কর্মসংস্থান পায় সে সমস্ত বিষয় নিশ্চিত করার জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করতে চাচ্ছি, আগামীতেও কাজ করবো। তাদের বার বার আমন্ত্রণও জানিয়েছি। এখানে মাদরাসা বন্ধ করে দেওয়ার মতো কথা কেউ কখনও বলেনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি পরিকল্পনার মধ্যে থেকে, নিবন্ধনের মধ্য থেকে, কী পড়ানো হচ্ছে সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেটার ওপরে নজর রেখে, আমার শিক্ষার্থী আমাদের এই প্রজন্মকে কী পড়াচ্ছি সেটা জাতীয় শিক্ষাক্রম হোক, কওমি মাদরাসা হোক বা ইংরেজি মাধ্যমে হোক সেটার ওপর রাষ্ট্রের নজর তো অবশ্যই থাকতে হবে। রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কিছু যদি পড়ানো হয় সেটা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে হোক; আমরা দেখেছি অনেক পাবলিশিং হাউজের নাম করে উসকানি দেওয়ার জন্য বই ছাপানো হয়েছে এবং পড়ানো হচ্ছে, সেগুলো আমাদের অবশ্যই দেখতে হবে এবং ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, কওমি শিক্ষার্থীরাও যাতে কর্মসংস্থান পায় সেটাও আমরা চাই। এজন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।