All posts by jitu

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি’র উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে এমপি আজাদের লোকজন

স্টাফ রিপোর্টার:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন ও আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দদের দাওয়াত না করা নিয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে সভাপতির উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) কুমিল্লার চান্দিনা আধুনিক পৌর কমিউনিটি সেন্টারে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে ফেরার পথে চান্দিনা-রামমোহন সড়কের সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এতে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মু. রুহুল আমিন, তার ব্যক্তিগত সহকারি আজম খান, গাড়ি চালক জমির উদ্দিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রাজিব আহত হন। এসময় সভাপতি মু. রুহুল আমিন এর গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা।

জানা যায়, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ এর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় চান্দিনার পৌর আধুনিক কমিউনিটি সেন্টারে। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মু. রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি। সভা চলাকালিন সময়ে উপস্থিত হন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- ‘জেলা আওয়ামী লীগের কিছু অসংগতি আছে। আমার মনে হয়না জেলা আওয়ামী লীগের মাধ্যমে এখানে অনেকেই দাওয়াত পেয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের এমন কাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই’।

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মু. রুহুল আমিন তার বক্তৃতায় দাওয়াত প্রসঙ্গে বলেন, এখন আধুনিক যুগ। জেলা আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে ও হোয়াটসঅ্যাপে সকলকে দাওয়াত করেছি। সভাপতির এমন বক্তৃতার বিরোধীতা করে এমপি কালাম বলেন, ‘না, এটা মোটেও সত্য নয়। ওয়েবসাইটেও দাওয়াতপত্র নেই এবং আমার হোয়াটসঅ্যাপেও ফোন বা ম্যাসেজ আসেনি’। এ কথা বলতেই সভাপতি ক্ষিপ্ত সুরে বলেন, ‘চুপ করো, বেশি কথা বলো না। তুমি বসো’। এ কথা বলতেই সভাকক্ষে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থকরা।

কিছুক্ষণ পর পৌর মাঠে সভাপতির বিরুদ্ধে আপত্তিকর শ্লোগান দেয় এমপি আবুল কালাম সমর্থিত নেতাকর্মীরা। সবশেষে সভাপতি মু. রুহুল আমিন মুরাদনগর যাওয়ার পথে কয়েকটি মোটরসাইকেল যোগে ধাওয়া করে চান্দিনা বাজারের রামমোহন সড়কের সাব রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে গাড়িতে হামলা চালায়। খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গাড়িটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এদিকে, থানার সামনে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির উপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুবেল ও দেবীদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগ যুগ্ম আহবায়ক ইমরান আরেফিন ইমুসহ ছাত্রলীগ নেতাদের দায়ী করে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন- কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মু. রুহুল আমিন, সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান জয়, সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ উল্লাহ, বাসুদেব ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূন কবির, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোতাহার হোসেন মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রাজিব, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পারুল আক্তার প্রমুখ।

এ ব্যাপারে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ এমপি বলেন- দলীয় কোরামে অনেক কথাই হতে পারে। এসব বিষয়ে কোন হামলা-মারামারি আমি সমর্থন করিনা। আমি স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি, ঘটনার সাথে যারাই জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হউক।

চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) আহাম্মদ সনজুর মোরশেদ জানান, ঘটনা শুনে তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

নতুন ঠিকানায় কুমিল্লায় আড়ং আরও বড় পরিসরে

শাহ ইমরান:

নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর হলো দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের কুমিল্লা আউটলেট।

বৃহস্পতিবার, ৭ই মার্চ ২০২৪ তারিখে আরও বড় পরিসরে আগের আউটলেট থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরত্বে, অত্যাধুনিক নির্মাণশৈলীর ১৪,০০০ বর্গফুট সিলভার রহমান ভিলা, ৫৬৭ নজরুল এভেনিউ, কান্দিরপাড়, কুমিল্লায় ২য় তলা বিশিষ্ট নতুন এই আউটলেটটি।

কুমিল্লায় আড়ংয়ের নতুন এই আউটলেটটিতে গ্রাহকরা পাবে, পোশাক, বাড়ির সাজসজ্জা, জুতা এবং গহনার পাশাপাশি আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড তাগা, তাগাম্যান, এবং আড়ং আর্থের সকল পণ্য।

ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিস তামারা হাসান আবেদ আড়ং এর নতুন কুমিল্লা আউটলেটটির উদ্বোধন করেন। এসময় আড়ং ও ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিস তামারা হাসান আবেদ বলেন, কুমিল্লার গ্রাহকদের জন্য কেনাকাটার আরো উন্নতর একটি পরিবেশ তৈরি করতে পেরে আমরা আনন্দিত। কুমিল্লায় আমাদের এই নতুন করে শুরু করার পেছনে রয়েছে সমাজের প্রতি আড়ংয়ের অঙ্গীকার, কুমিল্লায় আমাদের গ্রাহকদের কাছে আরো।উন্নতর সেবা পৌঁছে দেয়া এবং একই সাথে স্থানীয় কারুশিল্পিদের সার্বিক উন্নয়ন। এছাড়াও একটি সামাজিক উদ্যোগ হিসাবে ব্র্যাকের মূলনীতিকে ধারন করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটিও এই নতুন আউটলেটটি খোলার জন্য অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।

এছাড়াও সীমিত সময়ের জন্য এই নতুন আউটলেটে ‘মাই আড়ং রিওয়ার্ডস কার্ড’-এর নিবন্ধিত সদস্যরা প্রতি কেনাকাটায় তিন গুণ রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাবেন। এই বিশেষ অফারটি ১৩ই মার্চ, ২০২৪ পর্যন্ত চলবে।

চৌদ্দগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেফতার ২

শাহ ইমরান:

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ২২ রাউন্ড গুলি, ২ টি ম্যাগজিন এবং ১ টি বিদেশি পিস্তলসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হচ্ছে, চৌদ্দগ্রাম থানার ০৩নং কালিকাপুর ইউনিয়নের নোয়াপুর গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে মোঃ রাকিব হোসেন (২০) ও আব্দুল মোতালেবের ছেলে মোঃ নাজমুল হাসান (২০)।

বুধবার (৬ মার্চ) রাত্রে জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর নির্দেশনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) লিটন চাকমা ও এএসআই(নিঃ) মোঃ নজরুল ইসলাম সঙ্গীয় অন্যান্য ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, আসামীরা ৩ নং কালিকাপুর ইউপিস্থ কালিকাপুর সাকিনের ছুফুয়া বাজারে অবৈধ অস্ত্র বহন করছে। এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামীদের আটক করে। পরে দেহ ও তাদের সাথে থাকা অন্যান্য জিনিসপত্র তল্লাশি করা হলে তাদের কাছ থেকে ২২ রাউন্ড গুলি ও ২ টি ম্যাগজিনসহ ০১ টি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

উক্ত বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ শুধু আমাদের নয়, এটি বিশ্ব ঐতিহ্য: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ শুধু আমাদের নয়, এটি বিশ্ব ঐতিহ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। সত্যকে কখনো মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না। আজকে সেটিই প্রমাণ হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দুপুরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণে সেই সময় মানুষকে যেভাবে উদ্বুদ্ধ করেছে। আজকে এই ভাষণ শুধু আমাদের না, আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃতি পেয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা হঠাৎ আসেনি। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা এসেছে। এটি তিনি (বঙ্গবন্ধু) কাউকে বলেননি। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তিনি কাজ করে গেছেন।

সরকারপ্রধান বলেন, ২৫ মার্চ গণহত্যা শুরু হয়। পর দিন ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে বন্দি করে রাখা হলো। এর পরই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে ‘৬৯ সালের অক্টোবর মাসে আমার বাবা লন্ডনে গিয়েছিল। তিনি (বঙ্গবন্ধু) মুক্তি পাওয়ার পর পর আমি আমার স্বামীর সঙ্গে ইতালিতে চলে যাই। ইতালি থেকে আমার স্বামী আবার লন্ডনে চাকরি পেয়েছিল, সেখানে চলে যাই। সেখানে বসে তিনি তার যে পরিকল্পনা ছিল, নির্বাচন হবে, নির্বাচনের রেজাল্ট আসবে, ওরা ক্ষমতা দেবে না, আমাদের যুদ্ধ করতে হবে। যুদ্ধের প্রস্তুতিটা আমি একজন সাক্ষী হয়ে এখনো আছি, তিনি পরিকল্পনা করেন। ভারতের দুজন প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করেন। আমাদের গেরিলা যুদ্ধ হবে, সেখানে শরণার্থী গেলে কীভাবে আশ্রয় হবে, প্রবাসী বাঙালিরা কী কী কাজ করবে— সব পরিকল্পনা তিনি করে আসেন।

শেখ হাসিনা বলেন, মার্শাল ল’র মধ্যেও নির্বাচন দেওয়ার ওয়াদা করেছিলেন ইয়াহিয়া খান। ওয়াদার মধ্যেও কিছু শর্ত ছিল। আমাদের দেশের অনেক রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক ব্যক্তি এ নির্বাচনে বিরোধিতা করেছিল। সেই শর্ত মেনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার (বঙ্গবন্ধু) কথা ছিল, কে এ দেশের নেতৃত্ব দেবে এটি আগে জনগণ ঠিক করুক।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজহার খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ।

অভিনেত্রী জ্যাকুলিনের ফ্ল্যাটে আগুন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের অ্যাপার্টমেন্টে বুধবার (৬ মার্চ) ভয়াবহ আগুন লেগেছিল। আগুন লাগার খবর ভারতীয় গণমাধ্যম পিঙ্কভিলা নিশ্চিত করে। জানা যায়, আগুনে বলিউড অভিনেত্রীর কোনো ক্ষতি হয়নি। তিনি ঠিক আছেন।

জ্যাকুলিন মুম্বাইয়ের পালি হিল এলাকার নভরোজ হিল সোসাইটির একজন বাসিন্দা। এই অ্যাপার্টমেন্টের ১৫ তলায় থাকেন তিনি। অভিনেত্রীর ওপরের ফ্ল্যাটে আগুন লাগে। এরপর কালো ধোঁয়ায় গোটা এলাকা ছেয়ে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দেঢ় ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কমপক্ষে চারটি গাড়ি ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। এরপর রাত ৯ বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। এ ঘটনায় কেউ আহত হননি বলে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে জ্যাকুলিনের নতুন একটি মিউজিক ভিডিও আগামীকাল মুক্তি পাবে। গানের শিরোনাম ‘ইমি ইমি’। তিনি মডেল হয়ে দর্শকের সামনে উপস্থিত হবেন। এ ছাড়া জ্যাকুলিনকে শিগগিরই অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমায় দেখা যাবে।

কুমিল্লায় কোচিং সেন্টারে ঢুকে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় মাদকাসক্ত যুবকের ছুরিকাঘাতে গোলাম রসুল (৪৬) নামে এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নের নলকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতে ঘাতককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা।

নিহত গোলাম রসুল ওই এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া।

স্থানীয়রা জানায়, নিহত গোলাম রসুল কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতার পাশাপাশি বাড়ির পাশে কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে শিক্ষার্থীদের পড়াতেন। একই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে মো. শাফায়াত (৩৫) একজন মাদকাসক্ত। বুধবার সন্ধ্যায় কোনো কারণ ছাড়াই গোলাম রসুলের কোচিং সেন্টারে ঢুকে পড়েন শাফায়াত। এ সময় তাকে বের হয়ে যেতে বললে কোমরে থাকা ছুরি বের করে শিক্ষার্থীদের সামনেই গোলাম রসুলকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন শাফায়াত। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সেখানেই গোলাম রসুলের মৃত্যু হয়।

ওসি আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া জানান, ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাতেই ঘাতক শাফায়াতকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে ঘাতক শাফায়াতকে আদালতে তোলা হবে।

আইপিএল থেকে ইতি টানতে যাচ্ছেন দীনেশ কার্তিক!

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শুরু থেকেই খেলছেন দীনেশ কার্তিক। লম্বা ক্যারিয়ারে খেলেছেন একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে। এবারের আসরে খেলবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে। আর এই জার্সিতেই ইতি টানতে যাচ্ছেন আইপিএল ক্যারিয়ারের। এবারের আসর শেষেই আইপিএলকে বিদায় বলবেন কার্তিক, এমনটাই জানিয়েছেন ইএসপিএনক্রিকইনফোকে।

শুধুই আইপিএল নয় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়েও দ্রুতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কার্তিক। লম্বা সময় ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই উইকেটকিপার ব্যাটারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারও শেষের অপেক্ষায়। ক্রিকইনফো বলছে, আইপিএল শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ার ঘোষণাও দিতে পারেন কার্তিক।

আইপিএল ইতিহাসে মাত্র ৭ জন ক্রিকেটার সবগুলো আসরে খেলেছেন। তাদের মধ্যে একজন কার্তিক। এই তালিকার বাকি ৬ জন হলেন—মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, ঋদ্ধিমান সাহা ও মনিশ পাণ্ডে।

আইপিএলে এখনও পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১৬ আসরে মাত্র ২ ম্যাচ মিস করেছেন কার্তিক। প্রথম মৌসুমে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে একটি ম্যাচে খেলেননি। গত মৌসুমে খেলেননি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে।

আইপিএলে এ পর্যন্ত ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন কার্তিক। দলগুলো হলো দিল্লি ডেয়ারডেভিলস (বর্তমানে দিল্লি ক্যাপিটালস), কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব (বর্তমানে পাঞ্জাব কিংস), মুম্বাই ইন্ডিয়ানস, গুজরাট লায়নস (বিলুপ্ত), কলকাতা নাইট রাইডার্স এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

আইপিএলে মোট ২৪০ ম্যাচে প্রায় ২৬ গড়ে ৪৫১৬ রান করেছেন কার্তিক। স্ট্রাইক রেট ১৩২-এর একটু বেশি। আছে ২০টি ফিফটি। উইকেটকিপার হিসেবে সব রকম ডিসমিসাল মিলিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির পরই আছেন কার্তিক (১৩৩)। স্টাম্পিংয়েও ধোনির পরের অবস্থানটা তার (৩৬)। অধিনায়কত্বও করেছেন আইপিএলে। এই দায়িত্বে জিতেছেন ২১ ম্যাচ, হেরেছেনও ২১ ম্যাচ। টাই হয়েছে একটি ম্যাচ।

কুবি উপাচার্যের কিউ ওয়ান টাকা দিয়ে কেনার অভিযোগ শিক্ষক নেতাদের

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈনের কিউ ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্র টাকায় কেনা বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

বুধবার (৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতির বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে এমন মন্তব্য করেন তারা।

একটি ভিডিও ফুটেজ থেকে দেখা যায়, নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণার পর কার্যালয় ছেড়ে যাওয়া সময় প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় ফের উপাচার্যের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ান শিক্ষকরা। এসময় উপাচার্য উপস্থিত শিক্ষক নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাকে যারা নিয়োগ দিয়েছে তারা আমার যোগ্যতা দেখে নিয়োগ দিয়েছে। এখন আমি যাদের নিয়োগ দেবো তাদের যোগ্যতা আমি দেখবো। আর এটাই নিয়ম। আপনাদের কোন আর্টিকেল লিখতে দিলে আপনারা পারেন না। কি শিক্ষকতা করবেন? কোন যোগ্যতা নেই।

তখন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, কে বলেছে আর্টিকেল লিখতে পারে না। আপনি এমন মিথ্যাচার করতে পারেন না। আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদত্যাগ করেন। কারণ আপনি শিক্ষকদের অপমান করেছেন।

প্রতিউত্তরে উপাচার্য জানান, ‘আপনি কে আমাকে পদত্যাগ করতে বলার।’ এছাড়াও ‘আপনারা টাকা দিয়ে আর্টিকেল নিয়ে আসেন, নকল আর্টিকেল নিয়ে আসেন’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়।

তখন শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী কামাল উদ্দিন সহ কয়েকজন উপাচার্য কে উদ্দেশ্য করে বলেন, স্যার আপনার কিউ ওয়ান আর্টিকেল তো টাকা দিয়ে কেনা।

পরে শিক্ষকদের গবেষণা নিয়ে উপাচার্য কট্টাক্ক করলে একপর্যায়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান প্রক্টরের (কাজী ওমর সিদ্দিকীর) গবেষণা নিয়ে কথা তুলেন। এসময় প্রক্টর প্রতি উত্তর দিলে মেহেদী হাসান প্রক্টরকে বলেন ‘স্টপ দিস ডাস্টবিন, দিস ইজ কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি।’ তখন উপাচার্য বলেন, ‘আপনি কি বলেছেন। আই উইল টেক ইউ দ্য রাইট প্লেস’ বলে গাড়িতে উঠে চলে যান।

এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা জেনেছি তিনি ৩০ বছরে একটিও কিউ ওয়ান (Q1) গবেষণা করতে পারে নাই। তিনি হঠাৎ করে উপাচার্য হওয়ার পর মালয়েশিয়ার একজনের সাথে আঁতাত করে এবং টাকা দিয়ে এটি কিনেছেন এবং এটি ওনার নিজের কাজ না। উপাচার্যের অধ্যাপনা জীবনে একটিও গৃহীত প্রকাশনা নাই। যা উনি স্বীকার করেছেন। তো হঠাৎ কিউ ওয়ান (Q1) জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ বিষয়টা কেমন না।

তিনি আরও বলেন, উপাচার্য বলেছেন শিক্ষকরা টাকা দিয়ে গবেষণা পেপার পাবলিশ করেছে। আমি উনাকে বলবো যদি উনি এটা প্রমাণ করতে পারেন শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বলছি, তাহলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করবো না। আর যদি উনি এটা প্রমাণ করতে না পারেন তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদ থেকে পদত্যাগ করা উচিত।

এর আগে সকাল ১০টায় ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দুইজন বোর্ড সদস্য সেখানে উপস্থিত হননি। পরে সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্য প্রক্টরিয়াল বডি সহ পরীক্ষা পরিচালনা করার চেষ্টা করলেও শিক্ষক সমিতির বাঁধায় সেটি সম্ভব হয়নি।

এদিকে Q1 জার্নালের বিষয়ে একাউন্টটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেইমস বিভাগের অধ্যাপক ড. তোফায়েল হোসেন মজুমদার বলেন, উপাচার্য যেই ইউনিভার্সিটির সাথে এমওই করেছেন সেখানকার ডিন প্রফেসর লীম এর সাথে উনি থার্ড অথর হিসেবে কিউ ওয়ান (Q1) করেছেন। এটা ক্লিয়ারলি বুঝা যায় যে এখানে একটা কানেক্টিভিটি আছে। কেননা এর আগে প্রফেসর লীমের সাথে তার কোনো গবেষণা পেপার নেই।

তিনি আরো বলেন, তিনি বিবলোমেটিক সফটওয়্যার নিয়ে এক শিক্ষকের সাথে কথা বলেন। তখন ঐ শিক্ষক বলেন যে স্যার আপনার পেপারেই তো এটা আছে। তখন উপাচার্য বলেন তিনি মেথডোলোজি লিখেছেন। কিন্তু ওনার মেথডোলজিতেই ওই সফটওয়্যারের কথা বলা আছে। এ থেকেই বুঝা যায় যে উনি পেপারটা নিজে লিখেন নাই। আসলে উনার ঐ পেপার লেখার মতো এবিলিটিও নাই। কারণ উনার এর আগে কিউ ওয়ান তো দূরে থাক, কিউ ফোরেও উনার কোন পেপার নাই।

উপাচার্যের গবেষণা প্রোফাইল নিয়ে কথা বলতে চাইলে আরেক শিক্ষক জানান, উপাচার্য বাংলাদেশে ২২ বছর ৩ মাস শিক্ষকতা করেছেন, গুগল স্কলার অনুযায়ী সে সময় উনার সাইটেশন ছিল ১০। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় ১২ বছর ১১ মাস চাকরি করেছেন, এই ১২ বছরে উনার কোনো Q1 পাবলিকেশন নাই। Clarivate Analytics এর জার্নাল ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার চাকরি জীবনের ৩৫ বছরেরও বেশি সময়ে উনার Q1-Q4 রেঞ্জে কোনো আর্টিকেল নাই। উনার সারা জীবনে Q1 আর্টিকেল একটি, যেটাতে উনি থার্ড অথর এইটারও একটা কারণ আছে। গত বছর মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সানওয়ে বিজনেস স্কুলের ডিন Professor Lim Weng Marc এর সাথে থার্ড অথর হিসেবে Q1 পাবলিকেশন করেছেন। তাহলে বিষয়টা হচ্ছে ওনাকে থার্ড অথর করা হবে এই শর্তে ওই এমওইউ স্বাক্ষর হতে পারে।

তিনি আরও জানান, এবার একটু সংখ্যার হিসেব করি। উনার ৩৫ বছরের বেশি শিক্ষকতা জীবন, গুগল স্কলার অনুযায়ী উনার আর্টিকেল সংখ্যা ২৩টা। তবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর পদে আবেদনের সময় ২৫টি দাবি করেছেন। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর পদে নেওয়া হয়নি। যদি উনার দাবি অনুযায়ী ২৫টাও ধরে নেই, বছরে একটার চেয়েও কম আর্টিকেল উনার। ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনে উনার গুগল সাইটেশন ৩২৮। স্কোপাসের হিসাব অনুযায়ী উনার সাইটেশন ৮৬। আমাদের এআইএস ডিপার্টমেন্টের তোফায়েল মজুমদার স্যারের প্রোফাইল সাইটেশন ৫৯০ সেখানে ভিসি স্যারের ৩২৮। কিন্তু তোফায়েল স্যারের চাকরির বয়স ১৫ বছরে স্কোপাস সাইটেশন যেখানে ৮৭ সেখানে ভিসির স্যারের মাত্র ৮৬টা।

মার্কিন কার্গো জাহাজে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৩

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইয়েমেনের দক্ষিণে একটি কার্গো জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। এ