All posts by jitu

কুমিল্লায় প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে সুষ্ঠু পরিবেশে প্রচার চালানোর আহ্বান ইসির

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর চেয়ে ভালো জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্ভব নয়। কত প্রতিবন্ধকতা নির্বাচনের ওই জায়গাটায় থাকলে বোঝা যায়। এটা বাইরে থেকে বোঝা যাবে না। পাকিস্তানের গণতন্ত্রের তুলনায় আপনারা অনেক ভালো আছেন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনিছুর রহমান।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশন ডাকার কথা প্রেসিডেন্টের, ডেকে ফেলেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। হয় এটা? কিন্তু হচ্ছে ওই দেশে। সেই তুলনায় আমরা কতটা ভালো আছি।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন উপনির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। এর আগে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে সুষ্ঠু পরিবেশে প্রচার চালানোর আহ্বান জানাই। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট কারচুপি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই ভোটের ফল যা হয় তা মেনে নিতে আহ্বান জানাচ্ছি। আমি সবার উদ্দেশে বলেছিলাম, এই নির্বাচনও দেশি-বিদেশি সংস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। এটিও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় সংসদ সদস্য (আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার) বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ করছেন এবং তিনি একটি প্রতীকের পক্ষেও প্রচার করছেন। প্রার্থীদের এই অভিযোগ কীভাবে দেখছে নির্বাচন কমিশন—এমন প্রশ্নে ইসি বলেন, তিনি এই এলাকার ভোটার। তিনি যা করতে পারবেন যা করতে পারবেন না তা নির্বাচন আচরণবিধিতে লেখা আছে। তিনি যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন তাহলে অভিযুক্ত হবেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন।

এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোংনে থোয়াই মারমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্টরা।

রমজানের আগে যেসব প্রস্তুতি নেবেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

আর ক’দিন পরেই শুরু হবে পবিত্র রমজান মাস। মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা পুরো একমাস রোজা রাখবেন। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এই এক মাস দিনের বেলা সব ধরনের পানাহার থেকে বিরত থাকা হয়। মাসটি বছরের অন্যান্য মাসের মতো নয়। যেখানে অন্য মাসগুলোতে দিনে তিনবেলা মূল খাবার খাওয়া হয়, সেখানে রমজান মাসে তা চলে আসে মূলত দুইবেলায়, সেহরি ও ইফতার। আবার সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে শরীরেও আসে কিছু পরিবর্তন। তাই রোজার প্রস্তুতি হিসেবে কিছু কাজ করে রাখতে পারলে ভালো। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি

রমজানে শারীরিক সুস্থতার দিকে খেয়াল রাখা খুবই জরুরি। কারণ এসময় অসুস্থ হলে রোজা রাখাটাই কষ্টকর হয়ে যাবে। সেইসঙ্গে প্রয়োজন মানসিক প্রস্তুতিও। তাই রমজানের প্রস্তুতি হিসেবে আগেভাগেই প্রশান্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করুন। কথা কম বলা ও ঝামেলাপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। আত্মীয় ও বন্ধু-পরিজনের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। মন ভালো থাকে এ ধরনের কাজ করুন। পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খান। পানি পান করুন নিয়মিত। অলসতা ঝেড়ে ফেলুন। কাজে ব্যস্ত থাকলে মনও ভালো থাকবে। সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করুন। এতে সবকিছু সহজ মনে হবে।

খাবার

রোজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে খাবার। এই মাসে খাবারের ক্ষেত্রে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা। অনেকে এসময় বাইরে তৈরি ভাজাপোড়া ও মসলাদার খাবার খেয়ে থাকেন, যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এ ধরনের খাবার আপনাকে বড় কোনো অসুখের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই সতর্ক হতে হবে। রমজান মাসে রোজা রেখে অনেক ধরনের খাবার তৈরি করাও কষ্টকর। তাই আগেভাগে কিছু খাবার প্রস্তুত করে রাখা যেতে পারে। পুরো রমজানের বাজার একবারে করিয়ে রাখতে পারেন। এতে রোজা রেখে বারবার বাজার করতে যেতে হবে না। এরপর কিছু ইফতারের পদ ও মসলা ইত্যাদি তৈরি করে ফ্রিজে রাখতে পারেন। তাতে কাজ অনেকটাই কমে যাবে। পুরো রমজান মাসই আপনি ইবাদতের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন।

শিশুদের জন্য

রোজায় শিশুদের খাবার ও অন্যান্য বিষয়েরও দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ শিশুরা রোজা রাখতে পারে না। বড়দের কারণে যেন তাদের খাবারে কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। এসময় রোজা রেখে শিশুর জন্য খাবার তৈরি করাটা ঝক্কির কাজ হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন শিশু খেতে পছন্দ করে এ ধরনের কিছু খাবার আগেভাগেই তৈরি করে ফ্রোজেন করে রাখতে। আবার যেসব খাবার সহজে তৈরি করা যায়, সেগুলোও কিনে রাখতে পারেন। সেইসঙ্গে ফল, সবজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাবারও শিশুর জন্য রাখুন। সম্ভব হলে খাবার তৈরি করার সময় শিশুকেও আপনার সঙ্গে রাখুন। তাতে সে নিজের খাবার নিজে তৈরি করে খাওয়া শিখবে। তবে শিশুকে চুলার আগুনের কাছে যেতে না দেওয়াই ভালো। এদিকে খেয়াল রাখুন।

পরিচ্ছন্নতা জরুরি। বিশেষ করে ইবাদতের জন্য পরিষ্কার ঘরদোর থাকতে হবে। ঘর পরিষ্কার থাকলে মনও ভালো থাকে। একমনে প্রার্থনা করা যায়। তাই রোজা শুরু হওয়ার আগেই বাড়িঘর পরিষ্কার করার চেষ্টা করুন। ধুলো-ময়লা ঝেড়ে চকচকে করে রাখুন। আসবাবপত্র নিয়মিত মুছুন। বিছনার চাদর, বালিশের কভার, পর্দা এবং এ জাতীয় যা আছে সেগুলো আগেভাগেই ধুয়ে রাখতে পারেন। এতে রমজানে কষ্ট কম হবে। বাড়ির দেয়ালের রঙ পরিবর্তন করতে পারেন। দেয়ালে পছন্দের কোনো রঙ ব্যবহার করলে হৃদয়ে প্রশান্তি আসতে পারে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ফুল নেয়ার নামে তার কন্যার জন্য ভোট চাইছেন: নিজাম উদ্দিন কায়সার

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন উপনির্বাচনের ঘোড়া প্রতীকের মেয়র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেছেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বুঝা যাবে ৯ মার্চ বিকেল ৪ টার পরে। এখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। কারণ স্থানীয় সংসদ সদস্য ফুল নেই নেয়ার নাম করে তার কন্যা ও বাস প্রতীকের প্রার্থীর জন্য ভোট চাইছেন। যার প্রমাণ স্থানীয় পত্রিকাগুলো। সুতরাং আমি এখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দেখিনা।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমানের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন এই প্রার্থী।

এদিন সকালে তিনি নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের শাকতলা, উনাইসার, জাঙ্গালিয়া, ইয়াছিন মার্কেট, নোয়াগাও মোড় এলাকায় গণসংযোগ শেষ করেন। পরে কুমিল্লা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে এসে ইসি আনিছুর রহমানের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হন।

মতবিনিময় সভায় তিনি ইসির উদ্দ্যেশ্যে বলেন, গত নির্বাচন গুলো বিএনপি বর্জন করেছে। তাই ভোটার ছিল না। সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লাতেও ৮০ শতাংশ মানুষ বিএনপি গড়নার। তারা আগে নির্বাচনে না গেলেও এবার যাবে। কারণ তারা ঘোড়া প্রতীককে সমর্থন দিয়ে মাঠে আছে। যদি এবার নির্বাচনে পেশীশক্তির প্রয়োগ হয়, নির্বাচনে যদি কেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা দেয়া হয়, যদি নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ভোট না আয়োজন করতে পারে তাহলে জনগণের আস্থা হারাবেন।

এই প্রার্থীর অভিযোগের পর স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রচারণার বিষয়ে ইসি আনিছুর বলেন, এখন ৭-৮ দিন যদি শুভেচ্ছা না গ্রহণ করেন তেমন ক্ষতি হবে না। এখন কোন জনপ্রতিনিধির এসব মতবিনিময়, ক্রেস্ট, ফুল নেয়ার প্রয়োজন নেই। এছাড়া মোটা কাপড় দিয়ে কক্ষ তৈরি, সিসিটিভি স্থাপন, ফল প্রকাশের পর এজেন্টদের সাক্ষর নেয়া, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ সকল বিষয়ে তিনি প্রার্থীদের আশ্বাস দেন।

সভা শেষে এই প্রার্থী ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করতে যান। সেখানে স্থানীয় বিএনপি নেতারা তার প্রচারণার বহরে যুক্ত হয়।

ফখরুলের মুখে জানমালের নিরাপত্তার কথা বলাটা ভূতের মুখে রামনাম ছাড়া কিছু নয়: কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশ ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি। সূচনালগ্ন থেকেই বিএনপি অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পথ রুদ্ধ করে রাজনীতি করে আসছে। সুতরাং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে গণতন্ত্র ও সুশাসনের কথা বেমানান।

গণতন্ত্র ও ‍সুশাসন নিযে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলাটা ভূতের মুখে রামনাম ছাড়া কিছু নয়। একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নির্বিচারে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যারা হত্যা করেছিল; যাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিগোষ্ঠী ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল, যারা ১০ ট্রাক অস্ত্র আমদানি করেছিল, যারা অগ্নিসন্ত্রাস করে কয়েকশ নিরীহ মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, সেই খুনিদের দল যখন জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বলে তখন জনগণ আরও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বিচারে কাউকে গ্রেফতার করে হয়রানি করছে, এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিএনপির যেসব ক্যাডার অগ্নিসন্ত্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেফতার করাটা কোনোভাবেই হয়রানিমূলক হতে পারে না। সন্ত্রাসীদের আইন ও বিচারের মুখোমুখি করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, একথা আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ও প্রমাণিত যে, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বাংলাদেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের জনগণ যেকোনো সময়ের তুলনায় স্বস্তিতে বসবাস করছে। যেকোনো মূল্যে আমরা জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাব।

রমজান উপলক্ষে আরব আমিরাতে খেজুরের দাম কমল ৪০ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই খেজুরের দাম ৪০ শতাংশ কমিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানিয়েছে, পবিত্র রমজান মাস আসতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি এবং এর মধ্যেই প্রয়োজনীয় সকল খেজুরই বর্তমানে আরব আমিরাতে প্রায় ৪০ শতাংশ ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে।

খালিজ টাইমস শারজার ওয়াটারফ্রন্ট মার্কেট ও জুবাইল মার্কেট পরিদর্শন করেছে এবং স্বাভাবিকের তুলনায় খেজুরের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে দেখতে পেয়েছে।

খবরে বলা হয়, বর্তমানে ফিলিস্তিন, জর্ডান এবং সৌদি আরবের মাজদুল খেজুর প্রতি কেজি পাওয়া যাচ্ছে ২০ দিরহামে। মাত্র কয়েকদিন আগে প্রতি কেজি এই খেজুরের দাম ছিল ৩০ দিরহাম। একইভাবে, রুতাব খেজুর সাধারণত ৬০ দিরহামে ৩ কেজি কিনতে পাওয়া গেলেও এখন রমজানের আগে ওই একই পরিমাণ খেজুরের দাম কমে ৪৫ দিরহামে নেমে এসেছে।

আজওয়া খেজুরের দাম এখন প্রতি কেজি ৩৫ দিরহাম। যা এই খেজুরের আগের দাম ৪৫ দিরহাম থেকে কম। আর বাজেট-সচেতন ক্রেতারা সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে ইরান থেকে আসা জাইদি খেজুর কিনতে পারছেন। কেজি প্রতি ৫ দিরহামে এই খেজুর কিনতে পাওয়া যাচ্ছে।

খালিজ টাইমস বলছে, রমজান শুরু হওয়ার আগে বাসিন্দাদের এখনই খেজুর মজুদ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করার সময়োপযোগী সুযোগ রয়েছে।

রিয়ালে আসছে নতুন তারকা!

স্পোর্টস ডেস্ক:

নতুন মৌসুমের আগেই রিয়াল মাদ্রিদ তাদের দলবদলের অনেকটাই গুছিয়ে নিয়েছে। ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের রিয়াল আগমন একেবারে সময়ের ব্যাপার। এবার নতুন গুঞ্জন বলছে, বায়ার্ন মিউনিখ থেকে কানাডিয়ান লেফটব্যাক আলফোনসো ডেভিসকেও দলে টানছে রিয়াল। দুই পক্ষের নাকি সমঝোতাও প্রায় হয়ে এসেছে।

রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার ইচ্ছে আগেই জানিয়েছিলেন ডেভিস। বলেছিলেন, এই মৌসুমেই দল ছাড়তে চান তিনি। নয়ত ২০২৫ সালে চুক্তি শেষে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ক্লাব ছাড়বেন। বায়ার্ন এই পর্যায়ে আর ভুল করেনি।

গুঞ্জন বলছে, ৫০ মিলিয়ন পেলেই ছেড়ে দেওয়া হবে এই লেফটব্যাককে। যদিও রিয়াল আশা করছে ৩২ মিলিয়ন ইউরোতে তাকে দলে ভেড়াতে পারবে তারা।

আফোনসো ডেভিস বায়ার্ন মিউনিখে এসেছিলেন ২০১৮ সালে। ৬ মৌসুম বাভারিয়ানদের একাদশে ছিলেন। জিতেছেন ক্লাব ফুটবলের সম্ভাব্য সব ট্রফি। এবার তিনি যাত্রা করছেন স্পেনের দিকে। এখন পর্যন্ত ক্লাবের হয়ে ১৮০ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল। করিয়েছেন ২৭টি। ২০২০ সালে বায়ার্নের ট্রেবল জেতা দলের সদস্য ছিলেন এই কানাডিয়ান লেফটব্যাক।

চাঁদপুরে জাটকা ধরায় ২৬ জেলের কারাদন্ড

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুরের মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় নিষিদ্ধ জালে জাটকা ধরার দায়ে জেলা টাস্কফোর্সের অভিযানে আটক ২৯ জেলের মধ্যে ২৬ জনের প্রত্যেককে ১৫ দিন করে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। বাকী ১ জনকে ৫০০টাকা জরিমানা ও বয়স কম হওয়ায় দুইজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক জেলেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেশমা খাতুন।

আটক অধিকাংশ জেলের বাড়ী মেঘনা নদীর পশ্চিমে সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর এলাকায়।

অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ তানজিমুল ইসলাম জানান, বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত মেঘনা নদীর রাজরাজেশ্বর, মোলহেড, বহরিয়া, হরিনা, আলুবাজার, হাইমচরের কাটাখালি ও ইশানবালা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ২৫ হাজার মিটার কারেন্টজাল, ২ হাজার মিটার চরঘেরা জাল, দুটি মাছ ধরার নৌকা জব্দ এবং ২৯ জেলেকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, আটক জেলেদের কারাদন্ড দেয়ার পর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জব্দকৃত জাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ চৌধুরী, সহকারী প্রকল্প পরিচালক মো সুলতান মাহমুদ, হাইমচর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ মাহবুব রশীদ, ইলিশ উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এস এম মুশফিকুর রহমান, ক্ষেত্র সহকারী মোঃ জামিল হোসেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী ইজাজ মাহমুদসহ কোস্টগার্ড চাঁদপুর ও হাইমচর আউটপোস্টের সদস্যরা।

শ্রেণীকক্ষ সংকটে পাঠদান ব্যাহত, জরুরি ভিত্তিতে ভবন প্রয়োজন

তিতাস প্রতিনিধি:

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের ৩১নং কাশীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণীকক্ষ সংকটে ১১১ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবনের প্রয়োজন বলে মনে করছে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের দুটি ভবন রয়েছে, তার মধ্যে পুরাতন ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় গত বছরের নভেম্বর মাসে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন উপজেলা স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর। আর নতুন ভবনটিতে রয়েছে দুটি কক্ষ, একটি শিক্ষকদের অন্যটি শিক্ষার্থীদের। একটিতে কাপড়ের বেড়া দিয়ে এক পাশে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিচ্ছেন একজন শিক্ষিকা অপর পাশে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিচ্ছেন একজন শিক্ষক। অন্য পাশে শিক্ষকদের কক্ষটি আসবাবপত্র দিয়ে বেড়া দিয়ে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান দেওয়া হচ্ছে।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসাঃ শিমা আক্তার বলেন আমাদের শ্রেণী কক্ষ না থাকায় একই কক্ষে কাপড় দিয়ে বেড়া দিয়ে আমাদের ক্লাশ নিচ্ছে, এতে আমাদের সমস্যা হয়। আমাদের নতুন ভবন দরকার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসাঃ মনোয়ারা বেগম বলেন, আমাদের পুরাতন ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় গত বছরের নভেম্বর মাসে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, তাই আমরা একই কক্ষে কাপড় দিয়ে বেড়া দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাশ নিতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।তবে আশা করি দ্রুত আমাদের নতুন ভবনের কাজ শুরু হবে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল কাদির বলেন, আমি প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে জানতে পেরেছি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নাকি এবিষয়ে কাজ করছেন, আশা করি খুব দ্রুত নতুন ভবনের টেন্ডার হবে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা পারভীন ভানু বলেন, বিদ্যালয়টিতে গিয়ে ভবন সংকটের বিষয়টি দেখেছি। পুরাতন ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় বর্তমানে পাঠদান দেওয়া বন্ধ রয়েছে এবং নতুন ভবনের অনুমতি হয়েছে টেন্ডার পক্রিয়া সম্পন্ন হলেই নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

চৌদ্দগ্রামে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী সাবেক কাউন্সিলর বাদশা গ্রেফতার

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো: ফরিদ উদ্দিন বাদশা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। আদালতের একটি মামলায় (মামলা নং-৩৮/২৪) তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। সে পৌরসভাধিন পশ্চিম চাঁন্দিকরার মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার উপ-পরিদর্শক মো: আব্দুল মতিন।

জানা গেছে, নিয়মিত ওয়ারেন্ট তামিলের অংশ হিসেবে চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক মো: আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ বুধবার রাতে চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার পশ্চিম চাঁন্দিশকরা গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামী, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো: ফরিদ উদ্দিন বাদশাকে তার নিজবাড়ী থেকে আটক করা হয়। এর আগেও তিনি বিভিন্ন মামলায় একাধিকবার গ্রেফতার হন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, ‘ওয়ারেন্ট তামিলের অংশ হিসেবে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত ফরিদ উদ্দিন বাদশা নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে থানা পুলিশ সদা তৎপর রয়েছে।’