All posts by jitu

থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকর্মশালা অনুষ্ঠিত

চাঁদনী আক্তার, কুবি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নাট্য সংগঠন ‘থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের’ নাট্য কর্মশালা-২০২৪ সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (২৭ জানুয়ারী) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নম্বর রুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহন চক্রবর্তী। এছাড়াও কর্মশালায় আরো প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন থিয়েটারের বর্তমান সভাপতি গুলশান পারভীন সুইটি এবং সাধারণ সম্পাদক হান্নান রাহিম।

এ কর্মশালার ব্যাপারে সাধারণ সম্পাদক হান্নান রহিম বলেন, থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরই সাংগঠনিক সপ্তাহ করে থাকে তার পরই কর্মশালার আয়োজন করে থাকে। আর কর্মশালার মূল লক্ষ্য থাকে থিয়েটার সম্পর্কে সাধারণ ধারণা দেয়া, নিয়ম-কানুন অবগত করা এবং প্রশিক্ষিতদের সংগঠনে যুক্ত করা।

১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে মাসব্যাপী সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে

ডেস্ক রিপোর্ট:

এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা-২০২৪ সুষ্ঠু, প্রশ্ন ফাঁসের গুজবমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, দেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আইনশৃঙ্খলা এবং পরীক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এবছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে শুরু হবে। এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ২৯,৭৩৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭০০টি কেন্দ্রে ২০,২৪,১৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত :

পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও প্রশ্ন ফাঁসের গুজবমুক্ত পরিবেশে সম্পন্নের লক্ষ্যে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। কেন্দ্র সচিব ব্যতীত পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্র সচিব ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ট্রেজারি-থানা হতে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারী কোন ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং প্রশ্নপত্র বহন কাজে কালো কাঁচযুক্ত মাইক্রেবাস বা এরূপ কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না।

তাছাড়া প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ প্রদান করা হবে। ট্যাগ অফিসার ট্রেজারি, থানা হেফাজত হতে কেন্দ্র সচিবসহ প্রশ্ন বের করে পুলিশ প্রহরায় সকল সেটের প্রশ্ন কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট পূর্বে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে।

সে অনুযায়ী কেন্দ্র সচিব, ট্যাগ অফিসার ও পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট বিধি অনুযায়ী খুলবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ নজরদারী জোরদার করবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের নিকট উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল, মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যবহারের অনুমতিবিহীন যে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। এই নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরীক্ষার প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য সরবরাহের প্রয়োজন হলে আন্তঃবোর্ডের সমন্বয়ক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন তা গণমাধ্যমে সরবরাহ করবেন।

শিষ্যকে বোতলের জন্য জুতাপেটা করলেন রাহাত ফতেহ আলী

বিনোদন ডেস্ক:

পাকিস্তানের বিখ্যাত সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খানের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে এবার কোনো গানের ভিডিও নয়, বরং এক শিষ্যক জুতা দিয়ে পেটানোর এক ভিডিও ঝড় তুলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শিল্পীর দাবি, ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক এমনই হয়ে থাকে।

পাকিস্তানি সম্প্রচারমাধ্যম সামা টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ব্যক্তি রাহাত ফতেহ আলী খানের একজন কর্মী। তবে শিল্পী নিজে দাবি করেছেন, ওই ব্যক্তি তার শিষ্য।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বোতল নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন শিল্পী। কথায় কথায় তাকে চড়-থাপ্পড় মারছেন। একটা সময় জুতা দিয়েও পেটাতে দেখা যায় তাকে। অন্যরা রাহাত ফতেহ আলী খানকে ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রাহত ফতেহ আলী খান নিজে এক ভিডিও বার্তায় সাফাই গেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ওস্তাদ আর শিষ্যের সম্পর্ক এমনই। ও আমার ছেলের মতো। যদি কোনো ছাত্র ভালো করে, তবে তাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেই আমি। আর যদি অপরাধ করে তবে শাস্তি দেই।’

ভিডিওটিতে সেই শিষ্য বলেন, তিনি পবিত্র পানি সংবলিত একটি বোতল ভুল জায়গায় রেখেছিলেন। সেজন্যই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে তার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। তার ওস্তাদ তাকে অনেক ভালোবাসেন, বাবার মতো। যারা এই ভিডিও ছড়াচ্ছেন তারা রাহাত ফতেহ আলী খানের দুর্নাম করতে চান।

অবৈধ ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ না করলে অ্যাকশন নেওয়া হবে: সামন্ত লাল সেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

অবৈধ ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ না করলে অ্যাকশন নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। আজ রবিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অবৈধ এবং লাইসেন্স ছাড়া যে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, আমি এ ব্যাপারে কথা বলেছি। হঠাৎ করে বন্ধ করলে তো হবে না। আমাকে তো পরীক্ষা করতে হবে। আমার কাছে তালিকা এসেছে, আমরা সেই তালিকা ধরে কাজ করব। কোনো হাসপাতাল অবৈধ কিংবা ইলিগ্যালভাবে কাজ করবে, সেটা অন্তত আমি হতে দেব না। এ ব্যাপারে আমার কঠোর নির্দেশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি, যারা এ ধরনের ক্লিনিক চালাচ্ছেন তারা তাদের কার্যক্রম বন্ধ করুন। না হলে আমরা কিন্তু তার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেব এবং তাদের একটা সময় দেব। হঠাৎ করে আমরা একটা ক্লিনিক বন্ধ করতে পারি না। একটা নিয়ম আছে, প্রসিডিউর আছে। আমি সেভাবে এগোব।’

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘রাতারাতি কোনো কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব না। মানুষের আস্থা নেই বললেই মানুষ চলে যাচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষ ভারত যাচ্ছে, ব্যাংকক যাচ্ছে। রংপুর থেকে মানুষ ঢাকায় আসছে, তার মানে আস্থাহীনতার অভাব। আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ফিরিয়ে আনতে হলে গ্রাস রুট লেভেলে কাজ করা, যেটি আমি শুরু করেছি মাত্র। আমাকে আরও সুযোগ দিতে হবে। আমি চেষ্টা করছি। আমি পারব না শতভাগ, তবে আমি চেষ্টা করব।’

জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করুন: শিরীন শারমিন

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‌‘গত ৭ জানুয়ারি অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের প্রত্যাশা পূরণে, তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কাজ করতে হবে। পাঁচ বছর পূর্ণ হলে কৃতকর্ম নিয়েই জনগণের কাছে তাদের ফিরে যেতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমেই সংসদ সদস্যরা কাজ করার সুযোগ পান।’

আজ রবিবার সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন স্পিকার। এসময় স্পিকার কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

স্পিকার বলেন, ‘নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের স্বাধীন ভূখণ্ড। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের দিয়ে গেছেন লাল সবুজের পতাকা ও অনন্য একটি সংবিধান। তার সুদীর্ঘ চব্বিশ বছরের সংগ্রাম, জেল-জুলুম, অত্যাচার সহ্য করার বিনিময়ে বাংলাদেশের জন্ম। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ আমাদের বিজয় অর্জিত হলেও বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১০ জানুয়ারি স্বাধীন সোনার বাংলায় ফিরে আসেন। সংসদ ভবন একটি অনন্য স্থাপত্য শিল্প। অনেক রক্তের বিনিময়ে আমাদের শাসনতন্ত্র। এই শাসনতন্ত্র শহীদের রক্তে ভেজা। সংবিধানই সর্বোচ্চ আইন। এর আলোকেই রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।’

গাজায় জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থার অর্থায়ন বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গাজার যোদ্ধাগোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের অর্থ সহায়তা স্থগিত করে দিয়েছে ৯ দেশ।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক জাতিসংঘের এজেন্সি ইউএনআরডব্লিউএ। দেশগুলোর এমন সিদ্ধান্তকে তারা হতাশাজনক বলে অভিহিত করেছে।

ইউএনআরডব্লিউএর প্রধান ফিলিপ্পে লাজারিনি বলেছেন, গাজায় প্রাথমিক মানবিক সহায়তাদানকারী এজেন্সি ইউএনআরডব্লিউএ। কমপক্ষে ২০ লাখ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে রকেট হামলা চালায় হামাস। কিন্তু ইসরাইলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয় এ হামলায় হামাসের সঙ্গে ইউএনআরডব্লিউএর কিছু স্টাফও জড়িত।

ফলে ব্রিটেনসহ ৯ দেশ গাজায় শরণার্থীদের জন্য যে অর্থ সহায়তা দিত তা স্থগিত করেছে। এ সহায়তা যেত ইউএনআরডব্লিউএর মাধ্যমে। যাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ এসেছে, তাদের পরে বরখাস্ত করেছে ইউএনআরডব্লিউএ।

কিন্তু সহায়তা বন্ধ হয়ে আছে। সহায়তা বন্ধ করা দেশগুলো হলো— অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৪৯ সালে সৃষ্টি করা হয় ইউনাইটেড রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি (সংক্ষেপে যা ইউএনআরডব্লিউএ)। গাজায় কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারী এটিই জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় এজেন্সি।

তারা গাজা, পশ্চিমতীর, জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ায় ফিলিস্তিনিদের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অন্য মানবিক সহায়তা দিয়ে থাকে। গাজার ভেতরে আছে তাদের ১৩ হাজার কর্মী। হামাসের রকেট হামলার জবাবে ইসরাইল ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু করলে ইউএনআরডব্লিউএ গাজাজুড়ে তাদের বিভিন্ন স্থাপনায় আশ্রয় দেয় বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে।

ইউএনআরডব্লিউএর কিছু কর্মী হামাসের হামলার সঙ্গে যুক্ত, এই অভিযোগ করে ইসরাইল। তাদের অভিযোগ জাতিসংঘের বিভিন্ন শাখা সেখানে পক্ষপাতিত্ব করছে।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার লাজারিনি বলেন, অল্প কিছু স্টাফের বিরুদ্ধে অভিযোগের জবাবে এজেন্সির তহবিল সরবরাহ স্থগিত করা হতাশাজনক। অভিযুক্ত স্টাফদের সঙ্গে কন্ট্রাক্ট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে একটি এজেন্সির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া দায়িত্বহীনের কাজ। অল্প কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগে এমনটা করা হয়েছে। বিশেষ করে তা করা হয়েছে যুদ্ধের সময়, যখন বাস্তুচ্যুত এবং রাজনৈতিক সংকটে অঞ্চলটি ভুগছে। তিনি আরও বলেন, ইসরাইলসহ যেসব দেশ তহবিল দেয় তাদের কাছে প্রতি বছর স্টাফদের তালিকা সরবরাহ করে থাকে ইউএনআরডব্লিউএ। কোনো নির্দিষ্ট সদস্যের বিষয়ে কখনই কোনো অভিযোগ পায়নি এজেন্সি।

লাজারিনি বলেন, জাতিসংঘের অফিস অব ইন্টারনাল ওভারসাইট সার্ভিসেসের তদন্তে এ অভিযোগের সত্যতা বেরিয়ে আসবে।

১২ সিনেটরের উদ্দেশে পাল্টা চিঠি

ডেস্ক রিপোর্ট:

সম্প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা যুক্তরাষ্ট্রের ১২ জন সিনেটরের চিঠির বিপরীতে পাল্টা চিঠি লিখেছেন কংগ্রেস অফ বাংলাদেশি আমেরিকানরা।

সিনেটর রিচার্ড জে ডার্বিনকে উদ্দেশে লেখা চিঠিতে তারা বলেন, ‘গত ২২ জানুয়ারি অন্য ১১ জন সিনেটরসহ আপনারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে চিঠি লিখেছেন, আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারী বাংলাদেশি আমেরিকানরা সে বিষয়ে আমাদের হতাশা প্রকাশ করতে লিখছি।’

গত ২২ জানুয়ারি রিচার্ড ডার্বিনসহ ১২ জন সিনেটর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয় যে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে। অবিলম্বে বিচার কার্যক্রমের মাধ্যমে ড. ইউনূসকে হয়রানি বন্ধের তাগিদ দেয়া হয়েছে।

‘কংগ্রেস অফ বাংলাদেশি আমেরিকানের চিঠিতে বলা হয়, ‘চিঠিতে আপনারা (সিনেটররা) বাংলাদেশি নাগরিক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন; যিনি নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের করা অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। কর্মচারীরা দাবি করেছেন, তিনি (ড. ইউনূস) দেশের শ্রম আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের অধিকার লঙ্ঘন করেছেন। একটি স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীর অফিসের জন্য লেখা চিঠির (সিনেটরদের) বক্তব্যে আরও সম্মান প্রদর্শন দাবি রাখে। কারণ, এটি একটি ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে একটি সার্বভৌম সরকারের প্রধানকে অভিবাদন দিয়ে শুরু না করে সম্বোধন করা ন্যূনতম শিষ্টাচারের বিরুদ্ধে যায়।’

সিনেটর রিচার্ড জে ডার্বিনকে লেখা চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘একটি ভিনদেশে চলমান বিচারিক মামলার বিষয়ে মন্তব্য করার আগে আরও বিবেচনা করার প্রয়োজনীয়তার কথা নির্দেশ করে। কারণ, চিঠির (সিনেটরদের) ভাষা যুক্তির পরিবর্তে ক্রোধের প্রভাবে প্রভাবিত বলে মনে হয়েছে। আমরা উদ্বিগ্ন যে, দেশের (যুক্তরাষ্ট্রের) আইন প্রণেতারা দেওয়ানি আদালতের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছেন এবং আইন-আদালতকে সম্মান করছেন না। কিন্তু আদালতের রায় নিয়ে নানাভাবে বাহ্যিক প্রভাবের চেষ্টা করছেন।’

সিনেটরদের অবস্থানগত বিষয়ে সমালোচনা করে কংগ্রেস অফ বাংলাদেশি আমেরিকানের চিঠিতে বলা হয়, ‘আমরা আপনাকে এবং অন্যান্য সিনেটরকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এবং প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনার) অফিসকে সম্মান জানানোর জন্য অনুরোধ করছি। আমরা আপনাকে একজন শক্তিশালী করপোরেট প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ না নেয়ার জন্য এবং এর বদলে দরিদ্র ও অসহায় সাধারণ কর্মচারী-শ্রমিকদের আইনি ও আর্থিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া ও তাদের পক্ষে অবস্থান নেয়ার জন্য উৎসাহিত করছি।

‘দুর্ভাগ্যবশত, মার্কিন মূলধারার মিডিয়া, সিবিএস নিউজ, তাদের অনলাইন সংবাদে যা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল, তার প্রতিফলন আপনাদের চিঠিতে আমরা প্রত্যক্ষ করি। যখন কি না তারা (মার্কিন মিডিয়া) বলেছিল যে ‘ইউনূস পশ্চিমের রাজনৈতিক অভিজাতদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কারণে পরিচিত। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেকে মনে করেন, এই রায় (শ্রম আদালতে ইউনূসের বিরুদ্ধে) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।’

কংগ্রেস অফ বাংলাদেশি আমেরিকানের চিঠিতে অনুরোধ করা হয় যে, ‘আপনি (রিচার্ড জে ডার্বিন) এবং অন্যান্য সিনেটর ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করুন, বাংলাদেশ সরকারের নয়।

প্রয়োজনে আমরা আপনাকে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীদের বাংলাদেশে পাঠাতে ও আইনি প্রক্রিয়ার মূল্যায়ন এবং ইউনূসের বিরুদ্ধে অভিযোগের সঙ্গে জড়িত নথি পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধ করছি। আমরা আপনাকে ওই চিঠি থেকে আপনার নাম প্রত্যাহার করতে উৎসাহিত করছি, যা (সিনেটরদের চিঠি) আমরা মানহানিকর ও অপ্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে লেখা বলে বিবেচনা করি।’

কংগ্রেস অফ বাংলাদেশি আমেরিকানের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন কংগ্রেস অফ বাংলাদেশি মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, শামীম চৌধুরী, মঞ্জুর চৌধুরী, ড. প্রদীপ রঞ্জন করসহ আরও ৩৪ আমেরিকান বাংলাদেশি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে দুই তরুণীর আত্মহত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আখাউড়ায় পৃথক স্থানে দুই তরুণী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রোববার দুপুরে একই সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওই দুজনের লাশ উদ্ধার করে আখাউড়া থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী আব্দুল্লাহপুর এলাকার ইউনুস মিয়ার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে শারমিন আক্তার (১৭) পরিবারের ওপর অভিমান করে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

অপরদিকে পৌরশহরের বড় বাজার এলাকার সাগর মিয়ার মেয়ে সুফিয়া (১৪) পারিবারিক কলহের জেরে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে তার মা শাহনাজ বেগমের দাবি, সুফিয়া মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. জহির বলেন, দুই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই তাদের মৃত্যু হয়।

আখাউড়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দুই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে।

আখাউড়া থানার ওসি নূরে আলম বলেন, দুই তরুণীই ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে একই সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন।

বিরোধীরা যখন নির্বাচন ভন্ডুলের চেষ্টা করছিল তখন ভারত আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিরোধীরা যখন নির্বাচন ভন্ডুলের চেষ্টা করছিল তখন ভারত আওয়ামী লীগের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের বিষয় তিনি বলেন, ‘রোড কানেক্টিভিটি, ইলেকট্রিক বাস একটা বিষয় আছে। আমাদের যেগুলো চলমান প্রকল্প ভারতের সঙ্গে যেগুলো এলওসিতে চলছে, সেগুলোর অগ্রগতি এবং পরে বাংলাদেশের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা কীভাবে অংশ নিতে পারে, শেয়ার করতে পারে- সে বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হচ্ছে।’

রাজনীতি নিয়ে কি আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কতগুলো বিষয় নিয়ে অভিন্ন মত তো আমাদের মধ্যে আছে। কমিউনালিজম, ক্রস বর্ডার টেরোরিজম- এসব বিষয় সবসময় আমাদের দ্বিপাক্ষিক অবস্থান জোরালো থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘সমসাময়িক বিশ্ব পরিস্থিতিতে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হওয়া দরকার। সেই সম্পর্ক বজায় রাখতে আমরা উভয় পক্ষই একমত।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচন সামনে রেখে সার্বিক বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারত আমাদের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীমূলক আচরণ করেছে। যেটা প্রয়োজন ছিল। এদেশের কিছু কিছু অপজিশন, তারা কোনো কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে নির্বাচন ভন্ডুল করতে চেয়েছিল। তখন ভারত আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, সে কথা তো আমাদের স্বীকার করতেই হবে।’

একুশ বছর ভারতের সঙ্গে আমাদের শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক ছিল দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সংশয় ও অবিশ্বাসের দেওয়ালটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভেঙে দিয়েছেন।’

সংঘাতে জড়ানো মিয়ানমারের উসকানি থাকলেও বাংলাদেশ তাতে সাড়া দেয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‌‘মিয়ানমারের সঙ্গে এ পর্যন্ত আমাদের কোনো সংঘাত হয়নি। সংঘাতে আমরা যাব না।’

নির্বাচনের আগে ভারতের সঙ্গে যেমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল, এখনো কি সেভাবে আছে, আগামীতে কি সেভাবে থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ভবিষ্যতের কথা ভবিষ্যৎ বলবে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের চিড় ধরার কোনো কারণ আমি দেখছি না।’

রাখাইনে অস্ত্র বিরতি হলেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু: চীনের রাষ্ট্রদূত

ডেস্ক রিপোর্ট:

মিয়ানমারের রাখাইনে অস্ত্র বিরতি হলেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায় চীন। এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

আজ রবিবার সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে শেষে তিনি এ কথা জানান।
ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘এই মুহূর্তে সংকট থাকলেও আমাদের আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে যে চীন বাংলাদেশ মিয়ানমারের ত্রিপক্ষিয় সমঝোতার মাধ্যমে প্রত্যাবাসন শুরু হবে। মিয়ানমার এরই মধ্যে চীনের মধস্থতায় দেশটির তিনটি স্থানে অস্ত্র বিরতিতে রাজি হয়েছে। রাখাইনে অস্ত্র বিরতি হলেই প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায় চীন।’

তিনি বলেন, ‘বড় ধরনের রিজার্ভ সংকট সমাধানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঢাকার পাশে থাকবে বেইজিং। এছাড়া বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অস্থিরতার কথাও মাথায় রাখতে হবে।’

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন চীনের রাষ্ট্রদূত।

জানা গেছে, বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।