All posts by jitu

তারেক রহমানের শাস্তি কার্যকরে যা যা করা দরকার সরকার করবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শাস্তি কার্যকরে যা যা করা দরকার সরকার তা করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী। এর আগে বুধবার (২৪ জানুয়ারি) ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন হাইকমিশনার।

এসময় সাংবাদিকরা জানতে চান ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফেরানো নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি স্পষ্ট করেননি।

তিনি বলেন, দেখুন তারেক রহমান শাস্তিপ্রাপ্ত আসামি। আমাদের সরকার যে কোনো সাজাপ্রাপ্ত আসামির শাস্তি কার্যকর করতে চায়। তারেক রহমানকে উপযুক্ত সময়ে সরকার তার শাস্তি কার্যকর করার জন্য যা যা করার দরকার সেটা করবে।

যুক্তরাজ্যে থাকা প্রবাসীদের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা লিগ্যালি (বৈধভাবে) থাকেন, অনেকের পরিবার নিতে গিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেগুলো যেন সহজ হয় তা নিয়ে আলোচনা করেছি। যুক্তরাজ্যে অনেকে ইলিগ্যাল (অবৈধ) আছেন, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, আমরা আইসিটি সেক্টর নিয়ে, সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে এবং আমাদের মুদ্রাস্ফীতি হার কমানোর ব্যাপারে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংক অব ইউকের সহযোগিতা শুরু হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টেক্স জিডিপি রেশিও’র সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জলবায়ু ইস্যুতে আমরা কাজ করছি। সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কথা হয়েছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার দেশটির বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুনের দেওয়া অভিনন্দন বার্তা ড. হাছানকে হস্তান্তর করেন বলে জানান মন্ত্রী।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার মানবাধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার কথা বলেন।

এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার নিয়ে সে রকম বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। মানবাধিকার সবার জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেটা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ, বাংলাদেশ এমনকি চায়নার জন্য একটা বিষয়। সব দেশ মানবাধিকার উন্নয়নে কাজ করছে। আমরা যুক্তরাজ্যের সঙ্গে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করবো।

‘দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরো বেশি অংশগ্রহণমূলক হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরো বেশি অংগ্রহণমূলক হবে বলে মনে করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সচিব জাহাংগীর আলম বলেছেন, এটা (দলীয় প্রতীকে ভোট) রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্তের বিষয়। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে সত্যিকার অর্থে সবাই অংশগ্রহণ করে। প্রতীক না থাকলে আরও বেশি অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ও বিভিন্ন শূন্যপদে উপ-নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ভোটগ্রহণ ইভিএমে নাকি ব্যালটে এমন প্রশ্নে ইসি সচিব বলেন, আগামী ৯ মার্চ একই দিনে ২৩৩টি নির্বাচনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। তবে জেলা পরিষদের ভোটের ক্ষেত্রে সময়সূচি কিছুটা ভিন্ন থাকবে।

অন্যদিকে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচন হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। বাকিগুলোতে ভোট হবে ব্যালটে।

জাহাংগীর আলম বলেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের আলোকে আগামী ৯ মার্চ সাধারণ ও উপ-নির্বাচন মিলিয়ে ২২৩টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সিটি করপোরেশন একটি, সিটি করপোরেশনের শূন্যপদে চারটি, পৌরসভার সাধারণ পদে তিনটি, পৌরসভার শূন্যপদে উপ-নির্বাচন ১৫টি, ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন ১৩টি এবং ১৯০টি বিভিন্ন শূন্যপদে উপ-নির্বাচন, জেলা পরিষদের শূন্যপদে নির্বাচন ৭টি- সবমিলিয়ে ২৩৩টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

দেশের দ্বাদশ সিটি করপোরেশন হিসেবে গেজেট প্রকাশের পর ২০১৯ সালের ৫ মে ময়মনসিংহে প্রথম নির্বাচন হয়। নিয়ম অনুযায়ী এই সিটি ভোটের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর। চলতি বছর ১৯ জুনের মধ্যে যা শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত। তবে গত ১৩ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। ফলে মেয়র পদে উপনির্বাচন করতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে।

ইসি সচিব বলেন, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এই ২৩৩টি নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ১৫ ফেব্রুয়ারি। রিটার্নিং অফিস থেকে বাতিল হওয়া প্রার্থিতার আপিল নিষ্পতি করা হবে ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২২ ফেব্রুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর ৯ মার্চ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ।

২৭ ফেব্রুয়ারি মির্জা আব্বাসের দুর্নীতি মামলার যুক্তি উপস্থাপন

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৬ বছর আগে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে করা মামলার যুক্তিউপস্থাপনের জন্য আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার মামলার যুক্তিউপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মির্জা আব্বাসকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মির্জা আব্বাসের আইনজীবী যুক্তিউপস্থাপন পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমামের আদালতে মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলাটি রায় প্রচারের তালিকা থেকে সরিয়ে নিয়ে অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ২৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

আদেশে বিচারক উল্লেখ করেন, মামলার রায় প্রচারের জন্য দিন ধার্য আছে। মামলার একমাত্র আসামি মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহম্মেদকে জেল-হাজত থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে পিপি হাজিরা দাখিল করেন।

রায় প্রস্তুতকালে নথি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। আসামির পক্ষে মোট পাঁচজন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ আসামির সম্পদ বিবরণীসহ আয়কর বিষয়ে এবং অন্যান্য বিষয়ে অসংখ্য ফাইলসহ, কাগজপত্র দাখিল করেছেন।

মামলাটিতে ঘটনাগত এবং তথ্যগত বিষয়সহ জটিল আইনগত বিষয় জড়িত রয়েছে। সে বিষয়ে উভয় পক্ষের অধিকতর যুক্তিতর্ক শুনানি হওয়া আবশ্যক মর্মে আদালত মনে করেন। বিধায় মামলাটি রায় প্রচারের তালিকা হতে উত্তোলন পূর্বক অধিকতর যুক্তিতর্ক শুনানির সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো।আগামী ২৪ জানুয়ারি অধিকতর যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হলো।

এর আগে ২২ নভেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম। সেদিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমামের আদালতে মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। রায় প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। সেদিন দ্বিতীয় দফায় রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ২৮ ডিসেম্বর রায় ঘোষণার জন্য নতুন দিন ধার্য করেন আদালত।

চারদলীয় জোট সরকারের গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. শফিউল আলম। মামলায় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন সাত কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ২৯০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৫৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৭১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. খায়রুল আলম।

তদন্তে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে চার কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন ও ২২ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। ২০০৮ সালের ১৬ জুন আদালত এ মামলায় দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালীন আদালত ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

এ মামলায় মির্জা আব্বাসসহ পাঁচজন সাফাই সাক্ষ্য দেন। তাদের মধ্যে অন্য চারজন হলেন- অ্যাডভোকেট একেএম শাহজাহান ও এনআরবি ব্যাংকের চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট নুরুল হোসেন খান, শাহজাহান মিয়া ও কাজী শিফাউর রহমান হিমেল।

বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে চলবে ১৭টি বিশেষ ট্রেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষ্যে ১৭টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরমধ্যে শুধু আখেরি মোনাজাতের দিন চলবে ১৪টি ট্রেন।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে রেল ভবনে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রস্তুতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান।

তিনি বলেন, শুধু ২ ও ৯ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ঢাকা-টঙ্গী ও টঙ্গী-ঢাকা রুটে জুমা স্পেশাল-২টি ট্রেন চলাচল করবে। ৩ ও ১০ ফেব্রুয়ারি জামালপুর-টঙ্গী রুটে স্পেশাল-১টি ট্রেন চলাচল করবে।

আখেরি মোনাজাতের দিন ঢাকা-টঙ্গী রুটে ৫টি স্পেশাল ট্রেন; টঙ্গী-ঢাকা রুটে ৫টি স্পেশাল ট্রেন; টঙ্গী-ময়মনসিংহ রুটে ১টি স্পেশাল ট্রেন; টঙ্গী-টাঙ্গাইল রুটে ১টি স্পেশাল ট্রেন; ঈশ্বরদী-টঙ্গী-ঈশ্বরদী রুটে ২টি স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী।

আমাকে দিয়ে আইটেম ডান্স করাতে চায়, কেউ সিনেমায় নেয় না : পূজা

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগের মতো এখন আর বাণিজ্যিক সিনেমায় দেখা যায় না ভারতের টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এর জন্য এবার ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি। জানালেন, সবাই এখন তাকে দিয়ে আইটেম ডান্স করাতে চায় কিন্তু কেউ সিনেমায় নেয় না।

মুক্তির অপেক্ষায় থাকা তার নতুন ওয়েব সিরিজ ‘ক্যাবারে’ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমকে এমন কথা বলেন পূজা। তিনি বলেন, ‘এখন আর অত কমার্শিয়াল সিনেমা তৈরি হয় না, তবে আমার বিশ্বাস আবার সেই সময়টা ফিরে আসবে যখন ওই ধারার সিনেমা তৈরি করবেন পরিচালকরা।’

উত্‍সব মুখোপাধ্যায় পরিচালিত নতুন ওয়েব সিরিজে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন এই অভিনেত্রী। এক সরল সাদা মেয়ের সাধারণ জীবন থেকে শহরের রাতপরী হয়ে ওঠার গল্প রয়েছে এতে। ৬০ ও ৭০ দশকের এক ক্যাবারে ডান্সারের চরিত্র করতে গিয়ে যে জার্নির মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন, তা খুবই উপভোগ করেছেন পূজা।

এই সিরিজের জন্য নিজেকে তৈরি করতে নতুন নাচ শিখেছেন পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যাবারে ক্যুইন হেলেনই তার অনুপ্রেরণা। তার নৃত্যশৈলি, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, এক্সপ্রেশন দেখেই নিজের মত করে তৈরি করেছেন তিনি। সিরিজে রেট্রো লুকে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে। তা নিয়ে প্রথম থেকেই এক্সাইটেড ছিলেন তিনি।

নির্বাচন নিয়ে আমাদের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে : জাতিসংঘ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এসব মন্তব্য করেন।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।

ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আবারও ক্ষমতা গ্রহণ করায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানানোর মাধ্যমে জাতিসংঘ মহাসচিব কী মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জাল ভোটের নির্বাচনকে অবজ্ঞা করেননি? মহাসচিবের এমন চিঠি অগণতান্ত্রিক প্রকৃতির নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, না। তিনি (জাতিসংঘ মহাসচিব) প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব (চিঠি) পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, এই মঞ্চ থেকে আমরা অতীতে যা বলেছি এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। প্রত্যাবাসনে অগ্রগতির অভাব তাদেরকে নানা সংক্রমণের দিকে পরিচালিত করছে এবং তারা ক্রমশ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক… মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে (প্রত্যাবাসনের জন্য) দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের আমাদের সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও আমাদের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।

যশোর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সিপাহী মোহাম্মদ রইস উদ্দীনের মরদেহ ভারতে রয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি। রইস উদ্দীনের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল সোমবার (২২ জানুয়ারি) গভীর রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি সদস্য নিহতের খবর দেন।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় ভারত থেকে আসা একদল গরু চোরাকারবারিকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসতে দেখে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল দল তাদের ‘চ্যালেঞ্জ’ করে। চোরাকারবারিরা তখন দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় বিজিবি টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইস উদ্দীন চোরাকারবারীদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এরইমধ্যে ঘটনাস্থল জোলেপাড়া ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিওয়ন কমান্ডার ও যশোর ব্যাটালিয়নের সিইও লে. কর্নেল জামিল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থলে রয়েছেন। ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হয় এবং জানা যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই সৈনিক মৃত্যুবরণ করেছেন।

যোগাযোগ করা হলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল বলেন, সিপাহী রইস উদ্দীনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত আনার জন্য সব পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন তারা।

 

শাহরাস্তিতে লাইসেন্স না থাকায় দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে লাইসেন্স না থাকায় দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সোমবার (২২ জানুয়ারি) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার কালিয়াপাড়া বাজার ও আয়নাতলী বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা এবং সিলগালা করেন।

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আরাফাত এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অংশ নেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ নাসির উদ্দিন, মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ সরোয়ার হোসেন।

চাঁদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় ও শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শাহরাস্তি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। তফসীলভুক্ত আইন ২০০৯ এর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ২৭ ধারা মোতাবেক ০৩/২০২৪ নং মামলায় এই রায় দেয়া হয়।

এ সময় উপজেলার কালিয়াপাড়া বাজারের গ্রীন ভীউ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়াও উপজেলার আয়নতলী বাজারের নিউ ভি.আই.পি ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নেই। নানা অভিযোগের ভিত্তিতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে। এরকম অভিযান নিয়মিত চালানো হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়ম মেনে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হাসপাতালগুলোকে অবশ্যই চলতে হবে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করছে কানাডা

ডেস্ক রিপোর্ট:

রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসীর আগমন এবং তার জেরে দিন দিন আবাসন সংকট তীব্র হতে থাকায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করছে কানাডা। এমনকি বর্তমানে যেসব শিক্ষার্থী স্নাতক শেষ করে দেশটিতে অবস্থান করছেন, তাদেরকেও কাজের অনুমোদনপত্র (ওয়ার্ক পারমিট) দেওয়া হচ্ছে না।

কানাডার অভিবাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৬০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রবেশ অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। গত বছর ২০২৩ সালে যত সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, শতকরা হিসেবে এই সংখ্যা তার চেয়ে ৩৫ শতাংশ কম।

তবে এই বিধিনিষেধ স্থায়ী নয়। অভিবাসনমন্ত্রী মার্ক মিলার জানিয়েছেন, আগামী ২ বছর পর্যন্ত এই ব্যবস্থা জারি থাকবে। তিনি আরও জানান, নতুন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রাদেশিক সরকারের সঙ্গে কাজ করবে অটোয়ায় আসীন কেন্দ্রীয় সরকার।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সামর্থ্যবান শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষাগ্রহণ ও বসবাসের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় দেশগুলোর মধ্যে কানাডা অন্যতম। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী কানাডায় যান।

কানাডার অর্থনীতির জন্যও এটি বেশ লাভজনক। প্রতিবছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগমন সংক্রান্ত বিভিন্ন খাত থেকে গড়ে ১ হাজার ৬৪০ কোটি ডলার যোগ হয় দেশটির অর্থনীতি।

ফলে কানাডা সবসময় বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানায়। সেই সঙ্গে যেসব শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষে কানাডায় স্থায়ী হতে চান, তাদের প্রতিও উদারতা প্রদর্শন করে দেশটি।

তবে সরকারের এই নীতির কারণে গত কয়েক বছর ধরে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগমনের যে জোয়ার শুরু হয়েছে, তার জেরে ইতোমধ্যে দেশটিতে আবাসন সংকট শুরু হয়েছে। দিন দিন তীব্র হচ্ছে এই সংকট।

সেই সঙ্গে সরকারের এই সিদ্ধান্তের সুযোগ নিচ্ছে কানাডার কিছু সাইনবোর্ড সর্বস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরকার নির্ধারিত মান (স্ট্যান্ডার্ড) না থাকা সত্ত্বেও তারা বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি করছে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্ক মিলার বলেন, ‘সম্প্রতি কানাডায় বেশ কিছু সাইনবোর্ড সর্বস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের কোনো যোগাযোগ নেই এবং শিক্ষা, ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের সুবিধা সংক্রান্ত সরকারের যেসব নীতি বা মান রয়েছে, সেসবের কোনোটিই প্রতিষ্ঠানগুলো মানছে না শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও তারা অতিরিক্ত ফি রাখছে। এই প্রতারণা চক্র বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।’

‘এছাড়া অতিরিক্ত অভিবাসীদের কারণে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য পরিষেবা খাতেও চাপ বাড়ছে। দুই বছরের মধ্যে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে বলে আমরা মনে করছি।’

কানাডার বিদেশি শিক্ষার্থীদের অ্যাডভোকেসি সংস্থা কাসার পরিচালক ম্যাথুজ সালমাসি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করে বলেছেন, ‘বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার সীমিত না করে সরকারের উচিত ছিল শিক্ষা প্রশাসনকে শক্তিশালী এবং আবাসন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।’

তবে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশটির প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স

মেয়র পদে উপ-নির্বাচন: আলোচনায় এক ডজন প্রার্থী

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:

আগামী ৯ মার্চ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মেয়র আরফানুল হক রিফাতের মৃত্যুর পর এই পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও কুমিল্লা মহানগরের রাজনীতিতে ভোটের উৎসব শুরু হচ্ছে। ইভিএমে এ ভোট অনুষ্ঠিত হবে জানা গেছে।

নৌকার মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রে লবিংয়ে ব্যস্ত একাধিক প্রার্থী। সূত্রমতে, দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা , দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি শফিকুল ইসলাম সিকদার, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. জহিরুল হক সেলিম, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খোকন, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি নুর-উর রহমান মাহমুদ তানিম, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ, কুসিকের প্যানেল মেয়র হাবিবুর আল আমিন সাদী, জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কবিরুল ইসলাম শিকদার এবং মেয়র রিফাতের স্ত্রী অধ্যাপিকা ফারহানা হক শিল্পী।

এদিকে বিএনপি দলগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত থাকলেও বহিষ্কৃত দুই নেতা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। তারা হলেন দুই বারের নির্বাচিত কুসিক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু ও বিগত নির্বাচনে ভোটে অংশগ্রহণ করে সবাইকে চমকে দেওয়া যুবদল নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার।

উল্লেখ্য যে, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়তন প্রায় ৫৩ দশমিক ৮৪ বর্গ কিলোমিটার । এই সিটিতে ২৭টি ওয়ার্ড রয়েছে যেখানে ১০ লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করে। এর আগে এখানে কুমিল্লা পৌরসভা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ পৌরসভা নামে দুটি পৌরসভা ছিল। ২০১১ সালের ১০ জুলাই বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এক অধ্যাদেশ জারি করে প্রশাসন পৌরসভা দুটিকে একটি সিটি কর্পোরেশনের মর্যাদা দেয়। বর্তমানে কুমিল্লা সিটিতে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ভোটার রয়েছে।

২০১২ সালে কুমিল্লার প্রথম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২৯ হাজার ৩০৬ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আফজল খানকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন সম্মিলিত নাগরিক কমিটির প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু ।তিনি মোট ৬৫ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আফজল খান পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৪৭১ ভোট।২০১৭ সালের ৩০ মার্চ কুসিকের নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মত মেয়র নির্বাচিত হন মনিরুল হক সাক্কু। ধানের শীষ প্রতীকে সাক্কু পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট এবং নৌকা প্রতীকে আঞ্জুম সুলতানা সীমা পেয়েছিলেন ৫৭ হাজার ৮৬৩ ভোট। ২০২৩ সালের কুসিকের তৃতীয়বারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুকে হারিয়ে প্রথমবারের মত মেয়র নির্বাচিত হন নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। কারচুপির মাধ্যমে তার বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন সাক্কু।ওই নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ৫০ হাজার ৩১০ ভোট এবং মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট।

বিগত ২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র আরফানুল হক রিফাত সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন ।এরপর থেকে প্যানেল মেয়র হাবিবুর আল আমিন সাদী ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।