All posts by jitu

নোয়াখালীর ভাসানচরে পৌঁছাল আরও ১৫২৭ রোহিঙ্গা

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্থানান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২৩তম ধাপে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির থেকে আরও ১৫২৭ জন রোহিঙ্গা নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছেছে। একই বহরে ৬৪০ জন পুরাতন রোহিঙ্গাও ছিল।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে নৌবাহিনীর ৪টি জাহাজে করে তাদের ভাসানচরে নিয়ে আসা হয়।

এ নিয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ কেন্দ্রে রোহিঙ্গা নাগরিকের সংখ্যা ‌দাঁড়াল ৩৩ হাজার ৫২৭।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলের দিকে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন আশ্রয় শিবির থেকে বাসে করে কক্সবাজারের উখিয়া ডিগ্রি কলেজের মাঠে জড়ো করা হয়। সেখান থেকে রাত ১০টার দিকে তারা চট্টগ্রাম পৌঁছায়।

আরআরআরসি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২২ দফায় কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবির থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে ৩২ হাজার রোহিঙ্গাকে। ভাসানচরের আশ্রয়ণ শিবিরে মোট এক লাখ রোহিঙ্গাকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলম ভুঁইয়া জানান, নতুন রোহিঙ্গাদের নৌবাহিনীর পেঙ্গুইন, তিমি, ডলফিন, টুনা জাহাজে নিয়ে আসা হয়। এরপর নৌবাহিনীর পন্টুন সংলগ্ন হ্যালিপ্যাডে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে গাড়ির মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লাস্টারে বসবাসের জন্য হস্তান্তর করা হয়।

বুড়িচংয়ে ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা

শাহ ইমরান:

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলায় ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) কুমিল্লা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয় ও বুড়িচং উপজেলা প্রশাসন এর উদ্যোগে অভিযান উক্ত পরিচালনা করা হয়।

বায়ু দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২২ অনুসারে নিন্মোক্ত ইটভাটার বিরুদ্ধে জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়।

এসময় ব্রাহ্মণপাড়ার মেসার্স আজাদ ব্রিকসকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন, বুড়িচং উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ছামিউল ইসলাম এবং মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন প্রদান করেন কুমিল্লা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস।

এ সময় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন বুড়িচং থানা পুলিশ।

চৌদ্দগ্রামে বাতিসা বালিকা বিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র ফি ৪০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাতিসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা-২০২৪ এর প্রতিটি প্রবেশপত্র ফি বাবদ ছাত্রীদের নিকট থেকে ৪০০-৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রীদের একাংশের আন্দোলনের মুখে প্রধান শিক্ষক সহ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন বলে জানা গেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতায় ছাত্রীদেও এসএসসি সেন্টার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিলো। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহনাজ বেগম ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে প্রবেশপত্র বিতরণ করতে বাধ্য হন। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সমগ্র উপজেলায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সচেতন অভিভাবক ও বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ করে বলেন, ‘ফরম পূরণ এর সময় সরকারি বিভিন্ন ফি ও কোচিং ফি সহ প্রত্যেক ছাত্রীর কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা করে নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই সময় প্রধান শিক্ষক ছাত্রীদেরকে আশ^স্ত করেছিলেন প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় কোনো টাকা লাগবে না। এখন এসএসসি পরীক্ষার ঠিক একদিন আগে প্রবেশপত্র বিতরণকে কেন্দ্র করে ৪০০ টাকা নিচ্ছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আমরা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় প্রধান শিক্ষক সহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন অভিভাবকদের ম্যাধমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে অবগত করা হলে তাঁর হস্তক্ষেপে বুধবার বিকালে প্রধান শিক্ষক ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে প্রবেশপত্র বিতরণ করেন।’

এ বিষয়ে বাতিসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহনাজ বেগম বলেন, ‘দশম শ্রেণির ছাত্রীরা এসএসসি পরীক্ষার আগ মুহুর্তে পিকনিকে যেতে চেয়েছিলো। এছাড়া তারা বিদ্যালয়ে র‌্যাগ-ডে পালন করতে চেয়েছিলো। অনুমতি না দেওয়ায় ছাত্রীরা বহিরাগত কতিপয় লোকের উসকানীতে প্রবেশপত্র বিতরণের ইস্যুকে সামনে এনে জটিল পরিস্থিতি তৈরী করেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে এ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে।’

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জিএম জাহিদ হোসেন টিপু বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে বিদ্যালয়ে মিলাদ এর আয়োজন করা হয়। এতে অনেক টাকা ব্যয় হয়েছে।

প্রবেশপত্র বাবদ ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে একটা অ্যামাউন্ট ধার্য্য করা হয়। অস্বচ্ছল ছাত্রীদের ফি মওকুফ করা হয়েছে। ছাত্রীরা বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে।’

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ. কে. এম মীর হোসেন বলেন, ‘প্রবেশপত্র ফি বাবদ কোনো টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। উপজেলার কোনো বিদ্যালয় প্রবেশপত্র ফি গ্রহণ করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাতিসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বিষয়ে কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করার পর তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বিনামূল্যে প্রবেশপত্র বিতরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ছাত্রীর নিকট থেকে ফি নেওয়া হলে তাদেরকে টাকা ফেরৎ দিতে বলা হয়েছে।’

‘ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হয়েছে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিউনিখ সফর’ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিও মিলার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার অস্বাভাবিক গতিতে হয়েছে। তাকে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করাও হচ্ছে। এতে আগামীতে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি (ম্যাথিও মিলার) কী মন্তব্য করেছেন, সেটা আপনার কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। শোনা কথার ওপর মন্তব্য করা অনুচিত। নিজে দেখে, পড়ে ও জেনে মন্তব্য করা উচিত। এটুকু বলতে পারি, ড. ইউনূসের যে বিচার হচ্ছে, সেটা খুবই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হচ্ছে। তিনি (ইউনূস) আদালতের মাধ্যমে সাজা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে জামিনও দেওয়া হয়েছে। এতে প্রমাণ হয় যে, এই বিচার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এখানে সরকার কোনো পার্টি (পক্ষ) না, ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও শ্রমিকরাই তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বাংলাদেশের বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ সেটা আপনারা জানেন।

মামলাটি তো শ্রমিকরা করেননি, এমন এক প্রশ্নে তিনি বলেন, মামলা করার সময় কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর থেকে তারা অনুমতি নিয়েছেন। মামলা করতে হলে এই অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে হয়।

ইট ভাঙ্গার গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা, যুবকের মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কবিরহাটে ইট ভাঙ্গার গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত মো.মাইন উদ্দিন (২৭) উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের উত্তর জগদানন্দ গ্রামের ৫নম্বর ওয়ার্ডের মৃত মো.হানিফ মিয়ার ছেলে এবং সে পেশায় একজন দিনমজুর ছিল।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নুর চৌধুরী বাজারের দক্ষিণ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মাইন উদ্দিন গাড়ি দিয়ে ইট ভাঙ্গার কাজ করত। প্রতিদিনের ন্যায় কাজ শেষ করে ইট ভাঙ্গার গাড়ি করে বাড়ি ফেরার পথে ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নুর চৌধুরী বাজারের দক্ষিণে পৌঁছলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা গাছে ধাক্কা লাখে। ওই সময় মেশিনের ওপর বসে থাকা মাইন উদ্দিন গাছের সাথে ধাক্কা লেগে তার মাথায় মগজ সড়কে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

কবিরহাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো.মনির মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চৌদ্দগ্রামে বিদেশী মদ সহ মিশুক গাড়ী উদ্ধার

ফখরুদ্দীন ইমন:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে থানা পুলিশের অভিযানে ৪৬ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় একটি ব্যাটারী চালিত মিশুক গাড়ী জব্দ করা হয়। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল কুদ্দুস সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ পৌরসভাধিন বালুজুড়ি এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রামমুখী লেনের বালুজুড়ি রাস্তার মাথায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন একটি ব্যাটারী চালিত মিশুক গাড়ী জব্দ করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিশুকের চালক ও তার সহযোগিরা পালিয়ে যায়। এ সময় গাড়ীটি তল্লাশী করে তিনটি কার্টুন ভর্তি মোট ৪৬ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়। পরে এ সংক্রান্তে থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল কুদ্দুস জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌর এলাকার বালুজুড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশী মদ ও একটি ব্যাটারী চালিত মিশুক গাড়ী জব্দ করা হয়। পরে থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু এসএসসি পরীক্ষা, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। এবার সারাদেশে তিন হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে।

সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিনে বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথমপত্র দিয়ে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১২ মার্চ। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩-২০ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি সূত্র জানায়, ১১টি বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৯২ হাজার ৮৭৮ এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৩১ হাজার ৩১৪ জন। মোট কেন্দ্র ৩ হাজার ৭০০টি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৯ হাজার ৭৩৫টি।

বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি ৪ লাখ ৪ হাজার ৬৩৭ পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে। এছাড়া রাজশাহীতে ২ লাখ ২৪৫ জন, কুমিল্লায় ১ লাখ ৮০ হাজার ৫২৭, যশোরে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭১, চট্টগ্রামে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯০, বরিশালে ৮৮ হাজার ৫৮৬, সিলেটে ১ লাখ ৯ হাজার ৪১২, দিনাজপুরে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩৬ এবং ময়মনসিংহে ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৫ জন।

এছাড়া মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ৯০ হাজার ৯৪০ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৯৪ হাজর ৮৪১ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ৫৩২ জন। আর কারিগরি বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাাখ ২৬হাজার ৩৭৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৯৪ হাজার ৮৪১ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ৫৩২ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এসএসসি, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্ব পালন করছে।

গুচ্ছের ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন ৩০ ঘণ্টা বন্ধ

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, এসএসসি পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। প্রশ্নফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। কেউ এ নিয়ে গুজব ছড়ালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।
পরিদর্শনে যাবেন না শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বিবেচনায় নিয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন না শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। কয়েকদিন আগে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এ তথ্য জানিয়ে দেন তিনি। মন্ত্রী মনে করেন কেন্দ্র পরিদর্শনের কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর এক ধরনের হয়রানিমূলক পরিস্থিতি, মানসিক যন্ত্রণা ও জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেছেন, পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীরা এমনিতেই একটা ট্রমার মধ্যে থাকে। কেন্দ্র পরিদর্শনের নামে ব্যাপক জনসমাগম এ মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশে বিঘ্ন ঘটে।

মহিবুল হাসান চৌধুরী আরও বলেন, আইন অনুযায়ী কেন্দ্র পরিদর্শক ছাড়া অন্য কারও কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি নেই। তাই পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ যেন পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ না করেন সে বিষয়ে সবার সচেতন থাকা উচিত।
বন্ধ কোচিং সেন্টার

এদিকে, প্রশ্নফাঁসের গুজব ও নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনে মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত একমাস সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নানা উদ্যোগ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কোচিং বন্ধ ছাড়াও নানা উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। পরীক্ষার কেন্দ্রে জেলা পর্যায়ের ট্রেজারি ও উপজেলা বা থানা পর্যায়ে থানা হেফাজতে সংরক্ষণ করা হবে। থানা বা ট্রেজারি থেকে পুলিশ প্রহরায় প্রশ্ন কেন্দ্রে কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁস বা এ সংক্রান্ত গুজব ঠেকাতে ফেসবুকসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলবে নজরদারি। এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নজরদারি চালাবে। প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষা বোর্ডের যত নির্দেশনা

এসএসসি শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষা বোর্ড থেকেও কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং দুই পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা শুরুর তিনদিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে, পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না।
থাকবে কুইক রেসপন্স টিম

এসএসসি পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের যে কোনো সমস্যা নিরসনে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মুনিবুর রহমান।

তিনি জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীদের যে কোনো অসুবিধা মোকাবিলা করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি জোন কর্তৃক আলাদা আলাদা কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) গঠন করা হবে। এছাড়া যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯-এ ফোন করে সহায়তার আহ্বান জানানো যাবে। এক্ষেত্রে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।

ভাসানচর পৌাঁছালো আরও ১৫২৭ রোহিঙ্গা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

২৩ ধাপে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির থেকে আরও ১৫২৭ জন রোহিঙ্গা নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছেছে। একই বহরে ৬৪০জন পুরাতন রোহিঙ্গা ছিল।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে তিনটার দিকে নৌবাহিনীর চারটি জাহাজে করে তাদের ভাসানচরে নিয়ে আসা হয়। এ নিয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণকেন্দ্রে রোহিঙ্গা নাগরিকের সংখ্যা ‌দাঁড়াল ৩৩ হাজার ৫২৭। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলের দিকে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন আশ্রয়শিবির থেকে বাসে করে কক্সবাজারের উখিয়া ডিগ্রি কলেজের মাঠে জড়ো করা হয়। সেখান থেকে রাত ১০টার দিকে তারা চট্টগ্রাম পৌঁছায়।

আরআরআরসি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২২ দফায় কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবির থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে ৩২ হাজার রোহিঙ্গাকে। ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে মোট এক লাখ রোহিঙ্গাকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলম ভূঁইয়া বলেন, নতুন রোহিঙ্গাদেরে নৌবাহিনীর পেঙ্গুইন, তিমি, ডলফিন, টুনা জাহাজে নিয়ে আসা হয়। এরপর নৌবাহিনীর পন্টুন সংলগ্ন হ্যালিপ্যাডে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে গাড়ির মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লাস্টারে বসবাসের জন্য হস্তান্তর করা হয়।

চৌদ্দগ্রামে ডিবি’র সোর্স ও সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবি, থানায় অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মো: আব্দুল কুদ্দুস ও সাদ্দাম হোসেন জয় নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিবি’র সোর্স ও সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস ও সাদ্দাম হোসেন জয় উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা (বাঁকা বটগাছ) এলাকার মৃত মাওলানা এরশাদ এর ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বিজয়পুর রাস্তার মাথা এলাকায় একই ইউনিয়নের জামপুর গ্রামের মৃত নুরুল হক খন্দকারের ছেলে প্রবাসী মো: মুজিবুল হক খন্দকারের নিজ মালিকীয় একটি টিনশেড মার্কেটের সামনে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি প্রবাসী মো: মুজিবুল হক খন্দকার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগি প্রবাসী মুজিবুল হক তার নিজস্ব জায়গায় সেমিপাকা মার্কেট নির্মাণ করার জন্য একই এলাকার বাবুচি বাজারের মেসার্স হাজী ট্রেডার্স থেকে দুই বান্ডেল রড কিনে আনেন। দোকানদার ভুলক্রমে রডগুলো ভিন্ন ব্র্যান্ডের দিয়ে দেওয়ায় সেগুলো পরিবর্তন করে নিয়ে যাওয়ারকালে অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস ও সাদ্দাম হোসেন জয় নামে দুই ব্যক্তি প্রাইভেটকারযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিজেদেরকে একজন কুমিল্লা ডিবি পুলিশের সোর্স ও অপরজন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় প্রবাসী মুজিবুল হক চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বিষয়টি নিয়ে তাদের সাথে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উত্তেজিত জনতা তাদেরকে আটক করে তাদের ব্যবহৃত দু’টি মোবাইল ফোন জব্দ করে। পরে মোবাইল ফোন দু’টি রেখে সু-কৌশলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

যাওয়ার সময় তারা মুজিবুল হককে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে। জব্দকৃত মোবাইল ফোন দু’টি নোয়াবাজার ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস থানায় প্রবাসী মুজিবুল হক খন্দকার, স্থানীয় ব্যবসায়ী সহ উপস্থিত লোকজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার বিস্তারিত কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করা হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগি। স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগি ওই প্রবাসী মঙ্গলবার রাতে আব্দুল কুদ্দুস ও সাদ্দাম হোসেন জয় এর নামে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগি প্রবাসী মুজিবুল হক খন্দকার বলেন, ‘নিজ মালিকানাধীন জায়গায় দোকানঘর নির্মাণ করতে গেলে আমানগন্ডার আব্দুল কুদ্দুস ও সাদ্দাম হোসেন নিজেদেরকে ডিবি’র সোর্স ও সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আমার নিকট ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তাদের সাথে পুলিশ ও র‌্যাব প্রশাসনের বড় কর্মকর্তাদের সখ্যতা আছে বলে তারা আমার ক্ষতিসাধন করা সহ প্রাণনাশের হুমকি-ধমকি দেয়। এ ঘটনায় থানা অভিযোগ দিয়েছি। লোকমুখে শুনেছি আব্দুল কুদ্দুস এলাকার চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী ও তার ভাই সাদ্দাম হোসেন ভুয়া সাংবাদিক। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।’

নোয়াবাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘জব্দকৃত মোবাইল দু’টি আমার নিকট রয়েছে। বাজার কমিটির উদ্যোগে চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করেছি, সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগি থানায় অভিযোগ দিয়েছে বলে শুনেছি। ’

এ বিষয়ে কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার বলেন, ‘মুজিবুল হক এর মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। জব্দকৃত মোবাইলগুলো মালেক সর্দার এর কাছে রয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, ‘থানায় অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগি প্রবাসী। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’