All posts by jitu

চাঁদপুরে অধিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

ক্রয় মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ৪ ব্যবসায়ীকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পেঁয়াজ ক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা এবং মূল্য তালিকায় পেঁয়াজের দাম না লেখার দায়ে ওই জরিমানা করা হয়।

রবিবার (১০ ডিসেম্বর) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় এবং চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সার্বিক নির্দেশনা মোতাবেক জেলা প্রশাসন চাঁদপুর কর্তৃক এবং ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয় কর্তৃক চাঁদপুর পুরাণ বাজারের পাইকারি আড়ৎ ও খুচরা দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আখতার জাহান সাথী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান এবং ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন। এছাড়াও অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন কৃষি বিপণন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান রূপম।

অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এবং কৃষি বিপণন আইন ২০১৮ অনুযায়ী পুরাণ বাজারের চারটি প্রতিষ্ঠানকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পুরান বাজারের আড়ত ও পাইকারি দোকানগুলো পরিদর্শন করে পেঁয়াজ বিক্রির বিষয়ে যেন কোন কারচুপি করা না হয় সে বিষয়ে আইনগত সতর্ক করা হয়েছে। নিরাপত্তায় সহযোগিতা করেন পুরান বাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি চৌকশ টিম।

দেবিদ্বারে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আচরণ বিধি’ লঙ্ঘনের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দেবিদ্বার-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে । একটি ভিডিওতে লোক জমায়েত করে মাইকে নির্বাচনের ভোট প্রার্থনা করতে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি দুয়েকদিন আগে দেবিদ্বারের গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের উজানি জোড়া এলাকায় জনসমাগম করে ভোট চেয়ে বক্তব্য রাখার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘মাননীয় সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল যেহেতু নৌকা পেয়েছেন, জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি (রোশন আলী মাস্টার) সেজন্য তার সাথে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না উনার কথায়। উনি (রোশন আলী মাস্টার) উপর দিয়া নৌকার সাথে থাকবেন কিন্তু উনার সাথে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আছে, কথা হয়’। এসময় তিনি সবাইকে নির্বাচনী আচরণ বিধি’র কথা বললেও, নিজেই জন সমাগম করে মাইকে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘অনেকেই ফোন করেন পুলিশে ধরে নিয়ে যাবে। আরে ভাই, পুলিশের কি খাইয়া-দাইয়া কাজ নাই? পুলিশের কাম আছেনি নাকি? পুলিশের কি আপনাকে ধরার দায়িত্ব?’।

আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিগার সুলতানা বলেন, ওই প্রার্থী সেখানে একটি রোগি দেখতে গিয়েছিলেন। একটি বাউন্ডারির মধ্যে পরে কথা বলেছিলেন। সেখানে ম্যাজিষ্ট্রেট, থানা পুলিশের ওসি সাহেব ছিলেন। তাছাড়া উনি তো এখনও প্রতিক পাননি, কি ভোট চাইবে ? কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে অবশ্যই আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য যে, এর পূর্বে এলাকায় হাজার হাজার মানুষ নিয়ে জনসমাবেশ করে এবং প্রায় অর্ধশতাধিক গাড়ি বহর নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র কিনতে এসেছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। যা আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে বলে অনেকে মনে করেন।

সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পুনঃতফসিল চেয়ে রিট

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে এবং সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পুনরায় তফসিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ। রিট আবেদনে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্যাসি ক্ষমতা দিয়ে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

গত ৬ ডিসেম্বর ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান ইমাম হায়াত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন। বিষয়টি আজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটকারী।

রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ সচিব, মন্ত্রী পরিষদ সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) বিবাদী করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে রিটের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান ইমাম হায়াত।

রিট দায়েরের পর ইমাম হায়াত বলেন, ‘গত নির্বাচনে আমরা দেখেছি ক্ষমতাসীন সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রশাসন, পুলিশ ও নিজেদের সশস্ত্র লোকদের ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র দখল ও অন্যদের ভোট প্রদানে বাধার সৃষ্টি করেছে।’

তিনি আরও বলেন, সংসদ বহাল রেখে জালিয়াতিমুক্ত নির্বাচন অসম্ভব। প্রহসনমুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় আমরা ইনসানিয়াত বিপ্লব সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নির্বাচনের আদেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছি।’

ভোটকক্ষে একসঙ্গে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না: নির্বাচন কমিশন

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে। সেই সঙ্গে ভোটকক্ষে একসঙ্গে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন পরিপত্র-১২ জারির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

ইসি জানায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের জন্য স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে। এসব ব্যালট বাক্স ছাড়া অন্য কোনো প্রকার বাক্স ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া কোনো ভোটকক্ষে একই সময়ে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না। যখন একটি বাক্স ভর্তি হয়ে যাবে তখন বাক্সটি উপস্থিত সবার সামনে সিল করে নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে এবং ভোটকক্ষে ওই বাক্সের স্থলে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে অন্য একটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ভোটগ্রহণের জন্য রাখতে হবে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সটি এমন স্থানে রাখতে হবে যা উপস্থিত প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট, পোলিং এজেন্ট ও ভোটকেন্দ্রে কর্মরত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে থাকে এবং সেখানে ভোটাররা সহজে পৌঁছাতে পারেন।

পরিপত্রে ইসি আরও জানায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর ধারা ৮ অনুসারে ডাকযোগে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের ব্যবস্থা রয়েছে। কোন কোন শ্রেণির ভোটার ডাকযোগে ভোট দিতে পারবেন এবং কী পদ্ধতিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তা অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে। এ সম্পর্কে রিটার্নিং অফিসারের করণীয় কী তাও বিশদভাবে উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

কুমিল্লায় নভেম্বর মাসে হত্যা ৮টি , মামলা ৩৮৮

 

স্টাফ  রিপোর্টার:

কুমিল্লা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে  জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার  বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত  জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুঃ মুশফিকুর রহমান।

সভায় গুরুতর অপরাধ বিবরনীতে জানানো হয়েছে, গত নভেম্বর মাসে বিভিন্ন অপরাধে মোট মামলা হয়েছে ৩৮৮টি। এর মধ্যে খুনের ঘটনা ৮টি। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ২০টি, রাহাজানি-দস্যুতা ৫টি এবং ১টি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। নভেম্বর মাসে মাদকের মোট মামলার সংখ্যা ১৭৮টি।

এছাড়া সভায় আইন শৃংখলা পরিস্থিতি, অনুমোদনবিহীন পন্য বিক্রি ও চোরাচালান টাস্কফোর্স অভিযান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্য বিক্রেতা ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান, মাদক মামলা নিষ্পত্তি, অবৈধ বালু উত্তোলন, গ্রাম আদালতে মামলা নিষ্পত্তি, যৌন হয়রানি ও বাল্য বিবাহ, খাদ্যে রাসায়নিক দ্রব্য ও ভেজাল মিশ্রণ, দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিং, ঝুকিপূর্ণ খুটি/পোলসমূহ স্থানান্তর, অবৈধ গ্যাস সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পাশাপাশি নিয়মিত মামলা পরিচালনা, বিদ্যুতের সাব-স্টেশনসহ সকল কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত মনিটরিং অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, ভেজাল ঔষদ বিক্রি ও লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসিগুলোতে অভিযান, অগ্নিকান্ড প্রতিরোধে শিল্প কারখানা, ঝুকিপূর্ণ মার্কেট নিয়মিত পরিদর্শন, সড়ক দুর্ঘটনা তুলনামূলক বেশি ঘটার স্থান চিন্তিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, যানজট নিরসন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, গুজব, কারাগারে বন্ধীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বর্জ্য দ্বারা নদী ও জলাশয় দূষণকারী প্রতিষ্ঠান চিন্নিত করে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা, অবৈধ করাত কল ও ইটভাটা উচ্ছেদ অভিযান, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচিতে আইন-শৃংখলা পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকা সহ জেলার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ গত সভার কার্যবিবরণী উপস্থাপন করেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বিপিএম (বার), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক পঙ্কজ বড়ুয়া, জেলা সিভিল সার্জন ডা. নাছিমা আক্তার, সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এড. জহিরুল ইসলাম সেলিম, সদর দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার, বুড়িচং উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম সেকান্দার, মেঘনা উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লা মিয়া রতন সিকদার, মনোহরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন প্রমুখ।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের প্রধান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন সুষ্ঠু হলে অবশ্যই আমি জয়ী হব : হিরো আলম

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে অবশ্যই আমি জয়ী হব।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

হিরো আলম বলেন, বগুড়া-৪ আসন থেকে ডাব প্রতীকে (বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টি) আমি নির্বাচনে অংশ নেব। আজ আমার প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছি। সেজন্য নির্বাচন কমিশনকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা শেষ পর্যন্ত মাঠে অবশ্যই থাকব। মাঠে থাকার জন্যই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি।

জয়ের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী, এমন প্রশ্নের উত্তরে হিরো আলম বলেন, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে অবশ্যই জয়ী হব। আগেও কিন্তু নির্বাচনে ভোটে তারা (প্রতিপক্ষ) হারাতে পারেনি। তাই এবারও যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে আমি আশা রাখি আমি নির্বাচিত হব।

নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আবারও কেন নির্বাচনে অংশ নিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আগেও তিনবার নির্বাচন করেছি। অনেক কষ্ট করেছি। মার খেয়েছি। সেজন্য এলাকাবাসী আমাকে বলেছে নির্বাচনে অংশ নিতে। তারা সবাই বলছে, এতদূর যেহেতু কষ্ট করে এসেছো তাহলে এবারও নির্বাচন অংশ নাও। সেজন্য এলাকাবাসীর অনুরোধে আবারও নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি।

উল্লেখ্য, এর আগেও চলতি বছরের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেন হিরো আলম। এছাড়া তিনি গত ফেব্রুয়ারি মাসে বগুড়া-৬ (সদর) ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের উপনির্বাচনেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করেন হিরো আলম। যদিও পরে ‘অনিয়মের অভিযোগ তুলে’ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

প্রথম দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৫৬ জন, আবেদন নামঞ্জুর ৩২

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৫৬ প্রার্থী। আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে ৩২ জনের। আর ৬ জনের প্রার্থিতা অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।

রোববার দিনভর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল করে রিটানিং কর্মকর্তার কাছে বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল আবেদনের শুনানি হয় নির্বাচন কমিশনে। প্রথম দিনে প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়া ৫৬ জন প্রার্থিতা ফেরত পান।

৫ ডিসেম্বর আপিল শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৫৬১টি আবেদন পড়েছে নির্বাচন কমিশনে।

রোববার ১০০ প্রার্থীর আপিল শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ছয়জন অনুপস্থিত থাকায় ৯৪ প্রার্থীর শুনানি হয়।

এদিন সকাল ১০টায় আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এ আপিল শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে রায় প্রকাশ করা হয়। রায়ে সন্তুষ্ট না হলে উচ্চ আদালতে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে প্রার্থীদের।

আজ আপিলে প্রার্থিতা ফেরত পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন- মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে মাহি বি চৌধুরী, পাবনায় ডলি সায়ন্তনী, বগুড়ায় হিরো আলম।

কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নাসিরুল ইসলাম খান, নোয়াখালী-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালেবুজ্জামান ও খুলনা-৪ আসনে তৃণমূল বিএনপির কো-চেয়ারম্যান শেখ হাবিবুর রহমান প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

এছাড়া টাঙ্গাইল-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার, যশোর-২ আসনের এস এম হাবিবুর রহমান, জামালপুর-২ আসনের জিয়াউল হক, চট্টগ্রাম-৮ আসনের আবদুস সালাম, বরগুনা-১ আসনের খলিলুর রহমান প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

বাতিল হয়েছে টাঙ্গাইল-৫ স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আহসান হাবিব, জামালপুর-২ আসনে জাকের পার্টির প্রার্থী আবদুল হালিম মন্ডল, স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহানা তাহমিনা, চট্টগ্রাম-৪ আসনের মোহাম্মদ ইমরানের প্রার্থিতা।

প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন মুন্সিগঞ্জ-২ মো. বাছু শেখ, যশোর-৩ মোহিত কুমার নাথ, খুলনা-৪ এস, এম, মোর্ত্তজা রশিদী দারা, যশোর-৬ হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম, ঢাকা-১২ খোরশেদ আলম খুশু, টাঙ্গাইল-৬ কাজী এটিএম আনিছুর রহমান বুলবুল, রংপুর-২ মো. জিল্লুর রহমান, কুষ্টিয়া-১ মহা. ফিরোজ আল মামুন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

এখন খুন-গুম আমরা সচরাচর দেখছি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের আমলে ব্যাপক খুন-গুম ছিল দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘এখন খুন-গুম আমরা সচরাচর দেখছি না।’

রোববার (১০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

আজ বিএনপির মানববন্ধনে বক্তারা জানিয়েছেন বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে খুন ও গুমের দেশ হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত করেছে- এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে মৃদু হেসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে কতটুকু খোঁজখবর রাখেন সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ রয়েছে। বাংলাদেশ এখন একটি শান্তিপূর্ণ দেশ। এখানে সন্ত্রাসী, জঙ্গি, চরমপন্থি, বনদস্যু, জলদস্যু ক্রমান্বয়ে সারেন্ডার করেছে। এগুলো বিদায় নিয়েছে। খুন-গুমের কথা যদি বলতে হয়, ২০০৪-এ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি ছিল, সেখানে ৪৭০ জনের কাছাকাছি গুম হয়েছিল এক বছরে। প্রতি বছর প্রতিনিয়ত তাদের গুম-খুন হতো। এখন এসে যদি বলে এতগুলো খুন, এতগুলো গুম হয়েছে। সেগুলো তো বলতেই পারে।’

তিনি বলেন, ‘এখন খুন-গুম আমরা সচরাচর দেখছি না, এগুলো আমরা ব্যাপকহারে দেখেছিলাম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত। আমরা জঙ্গি-সন্ত্রাসের উত্থান দেখেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্যটা আপনারা দেখেছেন, খোদা তাকে রক্ষা করেছেন। ৬৩টি জেলায় একসঙ্গে বোমা হামলা করেছিল। এসব কিন্তু সেই আমলেই হয়েছে। এগুলো একটা ইতিহাস হয়ে রয়েছে।’

‘এখন এগুলো করে যারা স্বপ্নে দেখছেন একটা বিভ্রান্তি ছড়াবে। তারা একটা দুঃস্বপ্ন দেখছেন।’ বলে মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেই খুন-গুমের কথা হয়তো অনেকেই ভুলে গেছেন। আমি আবারও তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, খুন-গুমের শুরুই করেছিলেন তারা (বিএনপি)। আমরা এগুলো বন্ধ করে আজ একটা সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করেছি।’

অবৈধভাবে বিরোধীদলকে গ্রেফতার করে গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করছে সরকার- বিএনপির এমন অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে বিএনপি-জামায়াত কিংবা অন্য দল, যত ধরনের প্রোগ্রাম করতে চেয়েছে, আমরা কোনোটাতেই বাধা দেইনি। তারা মানববন্ধন, মিছিল, লংমার্চ, অবরোধ, ধর্মঘট করেছে। আমরা কোনোটিতেই বাধা দেইনি। গত ২৮ অক্টোবরও আমরা বাধা দেইনি।’

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশের সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো যারা করেন তারা আবার মানবাধিকারের কথা বলেন। তারা আবার নানা ধরনের কথা বলেন। তাদের রাজনীতি করতে দেওয়া হয় না- এসব কথা বলেন। এগুলো শুনলে মনে হয়, আমরা কোনো যুগে বসবাস করছি।’

কাউকে অন্যায়ভাবে কিংবা বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা হচ্ছে না দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‌‘গত ২৮ নভেম্বর বিএনপির সমাবেশে উচ্চ প্রযুক্তির ড্রোন ক্যামেরা ওড়ানো হয়েছিল। ড্রোনের সাহায্য নেওয়াতে সেখানে কখন কতজন লোক উপস্থিত ছিল, আমরা মাথাগুনে সেটা বের করেছি। সেখানে কারা কাকে পিটিয়েছে তারা কোথা থেকে আসছে, সবকিছু আমাদের ক্যামেরায় রয়ে গেছে। ক্যামেরা থেকে খুঁজে কারা কারা জড়িত ছিল তা বের করা হয়েছে। যে যেখানেই থাকুক…সে যদি সাতক্ষীরা থেকে এসে থাকে আমরা সাতক্ষীরায় তাদের চেহারা পাঠিয়ে দিয়েছি। তাকে চিহ্নিত বা শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এখানে প্রায় দুই লাখ লোকের সমাবেশ ঘটিয়েছিল, মাথাগুনে আমরা দেখেছি। আরও ছোট ছোট দল এখানে সমাবেশ করেছিল। ড্রোনের মাধ্যমে সবার চেহারায় আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

বিএনপির মানববন্ধনেও বাধা দেওয়া হয়েছে অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘পুলিশ অন্য জায়গায় গিয়ে মানববন্ধন করার অনুরোধ জানিয়েছিল। যানজট সৃষ্টি হতে পারে, সেজন্যই তারা অন্য জায়গায় করতে বলেছিল। সেই জায়গায় তারা যায়নি। করতে দেয়নি ঘটনা সত্যি নয়।’

হেফাজতে ইসলাম ঢাকায় সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের যদি আপত্তি থাকে, তবে তারা করতে পারবে না। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী যদি মনে করে এখানেই হলে পরিবেশ নষ্ট হবে, সেখানে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীরও দেখার বিষয় রয়েছে।’

যেসব পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে। সেগুলো দেখে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের মাধ্যমে তাদের বদলি করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে পুলিশের প্রতি আমাদের কোনো নির্দেশনা নেই। নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশনা দিচ্ছে সেটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন যেভাবে চাচ্ছে, আমাদের পুলিশ সেভাবেই কাজ করছে।’

রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচির বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেবে নির্বাচন কমিশন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে চিঠি আগে আসুক। নির্বাচন কমিশন এগুলো স্টাডি করে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই একটা সিদ্ধান্ত আমাদের দিচ্ছে। সে সিদ্ধান্ত আমাদের কাছে না এলে তো আমরা অ্যাডভান্স কিছু বলতে পারি না।’

সিলেটে গ্যাসক্ষেত্রে তেলের সন্ধান, ৬০০ ব্যারেল মিলবে দৈনিক

ডেস্ক রিপোর্ট:

সিলেট গ্যাস ক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে গ্যাসের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। এখান থেকে দৈনিক ৫০০ থেকে ৬০০ ব্যারেল হারে তেল পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

রোববার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ ঘোষণা দেন।

সিলেট তামাবিল-জাফলং মহাসড়কের পাশে গোয়াইনঘাট উপজেলার আলীরগাঁও ইউনিয়নের বাঘের সড়ক এলাকায় অবস্থিত এই গ্যাস কূপ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সিলেট-১০ নম্বর গ্যাসকূপে ২ হাজার ৫৭৬ মিটার গভীরতায় খনন সম্পন্ন হয়েছে। কূপটিতে তিনটি স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তরটি ২ হাজার ৫৪০ থেকে ২ হাজার ৫৫০ মিটার পর্যন্ত পরীক্ষা করে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রবাহ পাওয়া গেছে; যার ফ্লোয়িং প্রেসার ৩ হাজার ২৫০ পিএসআই। গ্যাসের মজুতের পরিমাণ ৪৩ থেকে ১০০ বিলিয়ন ঘনফুট।

এ ছাড়া ২ হাজার ৪৬০ থেকে ২ হাজার ৪৭৫ মিটার গভীরে আরও একটি ভালো গ্যাস স্তর পাওয়া গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে পরীক্ষা করলে ২৫ থেকে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি। আর ২ হাজার ২৯০ থেকে ২ হাজার ৩১০ মিটার গভীরেও গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

গ্যাস ছাড়াও ওপরের দিকে ১ হাজার ৩৯৭ থেকে ১ হাজার ৪৪৫ মিটার গভীরতায় আরও একটি জোন পাওয়া গেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যেখানে গত শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) পরীক্ষা করে তেলের উপস্থিতি পাওয়া যায়। যার প্রাথমিকভাবে এপিআই গ্রাভিটি ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি। সেলফ প্রেসারে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল তেলের প্রবাহ পাওয়া যাচ্ছে। পরীক্ষা সম্পন্ন হলে মোট তেলের মজুত জানা যাবে।

একযোগে উৎপাদন করা হলে এই কূপটি প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর সাসটেইন করবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গড় ভারিত মূল্য হিসেবে এর মূল্য প্রায় ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যদি ২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে উৎপাদন করা হয়, তা হলে কূপটি ১৫ বছরেরও বেশি সময় সাসটেইন করবে।’

এর আগে ১৯৮৬ সালে হরিপুরে তেলের অস্থিত্ব পাওয়া গিয়েছিল উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কূপটির স্থায়িত্ব ছিল পাঁচ বছর। সেখানে গ্রাভিটি পাওয়া গিয়েছিল এপিআই গ্রাভিটি ২৭ ডিগ্রি। এবার যে তেলের মজুত পাওয়া যাচ্ছে। সেই তেল পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। এর এপিআই গ্রাভিটি ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি।’

প্রথম দিনে দুই ঘণ্টায় ৭০ ব্যারেলের মতো তেল উত্তোলন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তেল উত্তোলন আমরা আপাতত বন্ধ রেখেছি। এটা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে, মোট মজুতের পরিমাণটা আমরা জানতে পারব। পুরো বিষয়টির বিস্তারিত জানতে আরও চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগবে।’

ফেসবুকে আগামী ৭ দিন পেঁয়াজ কেনা বন্ধের ডাক

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রতিবেশী দেশ ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় দেশের পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই এক লাফে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম হয়েছে দ্বিগুণ। দেশি পেঁয়াজের কেজি ২৪০ এ এসে ঠেকেছে। উচ্চমূল্যে পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাসে সাধারণ ক্রেতারা। এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আগামী ৭ দিন পেঁয়াজ কেনা বন্ধের ডাক দিয়েছেন তারা।

‘আগামী সাতদিন পেঁয়াজ বর্জন’ শীর্ষক ইভেন্ট খোলা হয়েছে ফেসবুকে। এ ইভেন্টে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার মানুষ আগ্রহ দেখিয়েছেন। ক্রমেই বেড়ে চলেছে এর সংখ্যা।

ইভেন্টের চাওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়, ‘সবাই মিলে সাতদিনের জন্য পেঁয়াজ কেনা বন্ধ করি। যেহেতু এটা পচনশীল পণ্য, তাই ব্যবসায়ী এবং মজুতদাররা অটোমেটিক লাইনে চলে আসবে (সিন্ডিকেট ভেঙে যাবে)।’

এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ভারতের ডিরেক্টর জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, অভ্যন্তরীণ বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি করবে না।

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম হুহু করে বাড়তে থাকে। ফলে রোববার এসে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি দাঁড়ায় ২২০ থেকে ২৪০ টাকা।

অন্যদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। অনলাইন শপ চাল ডাল ডটকম, স্বপ্ন, ডেইলি শপসহ অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্মেও পেঁয়াজের দাম রাখা হচ্ছে ২১৯ টাকা।

এ অবস্থায় পেঁয়াজের দাম বাড়তি হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার দোকানগুলোতে পেঁয়াজ কেনা ও বিক্রির পরিমাণ অনেকটাই কমে গেছে। কারণ এত বেশি দাম হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা পেঁয়াজ কিনছেন অল্প পরিমাণে।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ অক্টোবর ভারত প্রতি টন পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৮০০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়, যা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলা হয়েছিল। তার আগেই দেশটি পেঁয়াজ একেবারে রপ্তানি বন্ধ করে দিল।