All posts by jitu

দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে তাতে নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: ইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে তাতে ৩০০ আসনে নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে সাড়া পড়েছে, এমন একটি আনন্দ উৎসবের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেখানে এগুলো কোনো প্রভাব ফেলবে বলে মনে করি না। নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই হবে। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর।

বিভিন্ন জায়গায় আগুন দেওয়ার ঘটনা বা সহিংসতা ভোটে প্রভাব ফেলবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সহিংসতা একবারেই দু-একটি ক্ষেত্রে বলা যায়। এটাকে যদি পার্সেন্টেজের মাত্রায় বলেন, শান্তি শৃঙ্খলার সঙ্গে যদি নাশকতার পার্সেন্টেজ বলে তাহলে এটার মাত্রা একেবারেই নগণ্য। যেটা করছে খুবই বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

আলমগীর বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে যারা গোয়েন্দা বিভাগের আছেন তারা অত্যন্ত তৎপর। তারা বিভিন্ন তথ্য বিভিন্ন জায়গা থেকে নিচ্ছেন। কোনো নাশকতার জন্য কেউ চেষ্টা করছে কি না সে ব্যাপারে তারা অত্যন্ত সজাগ। তারা যেখানে যখন খবর পাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছে। যাদের ধরা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে কোনো সমস্যা নেই। এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশ, এখানে স্বাধীনভাবে যেমন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার আছে তেমনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার অধিকারও আছে। কোনো রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না চায় সেটা তাদের ইচ্ছা এবং রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে কারা অংশগ্রহণ না করতে পারেন। একই সঙ্গে তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধও করতে পারেন সেটাও কোনো সমস্যা না। সেটাও শান্তিপূর্ণভাবে করতে হবে। কোনো নাশকতা বা উস্কানি দেওয়া, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না।

ইসি আলমগীর বলেন, বিশৃঙ্খলা করা নিয়ে আরপিও অনুযায়ী এবং আচরণবিধি অনুযায়ী এটি যেহেতু অপরাধ সে অনুযায়ী আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি। অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, আরও কঠোরভাবে দেখা হবে বিষয়গুলো।

প্রতিপক্ষ বাধা দেবে, আমি সেটাকে কাউন্টার দেব : মাহিয়া মাহি

ডেস্ক রিপোর্ট:

মাহিয়া মাহি বলেছেন, কিছু তো বাধা থাকবেই। বাধা না থাকলে তো আর রাজনীতি হবে না। প্রতিপক্ষ বাধা দেবে, আমি সেটাকে কাউন্টার দেব। আমাকে কোনো হুমকি দেওয়া হয়নি। প্রচারণায় একটু-আধটু বাধা আসবেই। এটা নরমাল। এটাকে আমরা কাউন্টার দেওয়ার চেষ্টা করছি।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী সার্কিট হাউসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেছেন মাহিয়া মাহি।

মাহি রাজশাহী-১ আসন (গোদাগাড়ী-তানোর) থেকে ট্রাক প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক পেয়েছেন।

মাহি বলেন, একটা বিষয় হচ্ছে আমি যখন যেভাবে প্রশাসনকে ইনফর্ম করেছি দ্রুত গতিতে তারা সেখানে পৌঁছেছে। কোনো ভোটারকে ভয় দেখানোর সুযোগ নেই। ভোটাররা যেন কেন্দ্রে উপস্থিত থাকে সেজন্য যা যা করার দরকার আমরা করছি।

প্রসঙ্গত, এই সভায় রাজশাহীর ছয়টি আসনের প্রার্থীরা উপস্থিতি ছিলেন। মতবিনিময়ে প্রার্থীদের কথা শোনেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। এসময় তিনি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের বিষয়ে কথা বলেন।

যারা অগ্নিসন্ত্রাস করছে তাদের ক্ষমা নেই : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা অগ্নিসন্ত্রাস করছে তাদের ক্ষমা নেই। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। তারা হঠাৎ ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে। মানুষকে ভোট দিতে দিচ্ছে না। শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। তবে বিদেশে বসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে কোনো দিন সফল হতে পারবে না।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেটে পৌঁছে হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৬০১ এর একটি ফ্লাইটে বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমার একটাই কথা, আওয়ামী লীগ সরকারে এলে জনগণের কল্যাণ হয়। ২০০৯-২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল। আজকে সিলেটে এসেছি, এখানে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষ নেই। প্রত্যেকটি মানুষকে ঘর করে দিয়েছি। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করে যাচ্ছি। বাকিগুলো অচিরেই পূরণ করব ইনশাহআল্লাহ। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জনগণ যদি ভোট দেয়। আমরা যদি আবার সরকার গঠন করতে পারি। তাহলে পুরো বাংলাদেশটাকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়তে পারব। কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না। বাংলাদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। ইতোমধ্যে আমরা উন্নত বিশ্বের মর্যাদা পেয়েছি। ক্ষমতায় আসার পরেই সেটি কার্যকর করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তারা নির্বাচন করবে না, আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারে, আগুন দিয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে। এটা জনগণের সম্পত্তি। রেললাইন অ্যাক্সিডেন্ট করিয়ে মানুষ হত্যা করে। এটা হচ্ছে জঙ্গিবাদী কাজ। এই কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি জামায়াত জোট। বিএনপির একটাই কাজ মানুষ পুড়িয়ে মারা। ২০১৩ ও ২০১৪ তেও দেখেছি তারা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। এটা কি ধরনের আন্দোলন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই কাজ করি। এদিকে রেলে আগুন দিল, একাটা মা-সন্তান পুড়িয়ে মরলো। এর চেয় কষ্টের কি হতে পারে? কি করে তারা মানুষ হত্যা করে। পুলিশ, সাংবাদিক, বিচারক, জনগণের ওপর হামলা করে। এটা কি ধরনের খেলা। একজন লন্ডন বসে হুমুক দেয়। আর দেশে কিছু চ্যালা আছে আগুন দেয়। মানুষ মেরে ভীতি সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল করতে চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের পর আজ আবার সিলেটের কোনো জনসভায় বক্তব্য দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জড়ো হবেন বিভাগের চার জেলার ১৯টি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সভাপতির দিক-নির্দেশনা শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। আওয়ামী লীগ সভাপতির এই নির্বাচনী সফরের সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে দল।

ভোটার তালিকা যথাযথ যাচাই-বাছাই করে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ইসির

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার তালিকা ব্যবহারের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কমিশন সচিবালয়ের অনুবিভাগ থেকে পাঠানো ভোটার তালিকা যথাযথ যাচাই-বাছাই করে ব্যবহার করতে হবে। বিষয়টি জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (এনআইডি) এ কে এম হুমায়ুন কবীরকে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

সভায় এ কে এম হুমায়ুন কবীর বলেন, সম্পূরক ভোটার তালিকা মাঠ পর্যায়ে খুব শিগগিরই প্রদান করা হবে এবং প্রাপ্ত তালিকা মাঠ পর্যায় থেকে যাচাই-বাছাই করে সঠিক আছে মর্মে কমিশনকে অবহিত করতে হবে। ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী ২০২৪ সালের হালনাগাদ করা খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলমান থাকায় কমিশনের অনুমোদন নিয়ে যথাসময়ে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তবে, খসড়া ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে সংরক্ষিত অবিতরণকৃত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরপরই বিতরণের উদ্যোগ নিতে হবে।

 

সৌম্যর স্বপ্নময় ব্যাটিংয়ের পরও বড় জয়ে সিরিজ নিউজিল্যান্ডের

ডেস্ক রিপোর্ট:

শুরুতে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন সৌম্য সরকার। ব্যাট হাতে ঝড়ো ইনিংসে পেলেন অভিবাদনও। তার ইনিংস জায়গা করে নিল রেকর্ডবুকে। কিন্তু দলের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় দলের রান তিনশ ছুঁতে পারেনি।

রান তাড়া পরে কখনোই কঠিন হয়নি নিউজিল্যান্ডের। দুই ব্যাটারের সেঞ্চুরির আফসোস থাকলেও জয়টা ঠিকই পেয়েছে তারা। নেলসনের স্যাক্সটন ওভালে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২২ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে ১৫১ বলে ১৬৯ রান করেন সৌম্য। কিন্তু বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৯১ রানে। পরে জবাব দিতে নেমে ২২ বল আগেই জয় পায় কিউইরা। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল স্বাগতিকরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটারদের আউট হওয়ার শুরুটা হয় এনামুল হক বিজয়কে দিয়ে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো টম লাথামকে ক্যাচ দেন তিনি। এডাম মিলনের বলে আউট হওয়ার আগে ১২ বলে করেন ২ রান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এ ম্যাচেও রানটা বড় করতে পারেননি।

৯ বলে ৬ রান করে ফ্লিক করতে গিয়ে কাভারে দাঁড়ানো হেনরি নিকোলসের হাতে ক্যাচ দেন শান্ত। লোপ্পা ক্যাচ দিয়ে ওই ডাফির করা পরের ওভারে ফিরে যান লিটন দাসও। ১১ বলে ৬ রান করে উইল ইয়াংয়ের হাতে ধরা দেন তিনি।

৪৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তরুণ তাওহীদ হৃদয় সঙ্গী হন সৌম্য সরকারের। তাদের দুজনের জুটিতে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছিল রান। কিন্তু এবার দুর্ভাগ্যই সঙ্গী হয় বাংলাদেশের। ক্লার্কসনকে স্ট্রেইট ড্রাইভ করেন সৌম্য। সেটি বোলারের আঙুল ও ট্রাউজার ছুঁয়ে যায় নন-স্ট্রাইক প্রান্তের স্টাম্পে।

ক্রিজে ছেড়ে এগিয়ে থাকা হৃদয় আউট হয়ে যান ১৬ বলে ১২ রান করে। তবে একপ্রান্তে ঠিকই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন সৌম্য। শেষ অবধি এসে একজন ভালো সঙ্গীও পেয়ে যান তিনি। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে মিলে দলের বিপর্যয় সামাল দেন সৌম্য। এ দুজনের জুটিতে ১০৮ বলে আসে ৯১ রান।

৫৭ বলে ৪৫ রান করে মুশফিক উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিলে এই জুটি ভাঙে। পরে সঙ্গী বদলালেও সৌম্যর রানের গতি থামেনি। ২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। সবমিলিয়ে ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি।

ইনিংসের শেষ ওভারে গিয়ে যখন আউট হন, তখনও অনেক রেকর্ড তার নামের পাশে। ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে করা লিটন দাসের ১৭৬ রানের ইনিংসের পর দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওয়ানডে ইনিংস এখন সৌম্যের। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে কোনো এশিয়ান ব্যাটারেরও সর্বোচ্চ রানও তার ১৬৯। আগেরটি ছিল ২০০৯ সালে শচীনের করা ১৬৩ রান।

নিজের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে ফেলার পর আউট হন সৌম্য। তার আগের সর্বোচ্চ ছিল ১৪৯। সৌম্য আউট হওয়ার পর দলের ইনিংসও আর বেশিদূর যায়নি। যোগ করতে পেরেছে কেবল এক রান।

ছোট মাঠ আর ব্যাটিং উইকেটে রান তাড়ায় নেমে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি নিউজিল্যান্ডকে। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৬১ রান করে নিউজিল্যান্ড, হারায়নি কোনো উইকেট। ঠিক পরের ওভারে এসেই বাংলাদেশকে উইকেট এনে দেন হাসান মাহমুদ। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৩৩ বলে ৪৫ রান করে আউট হন রাচিন রবীন্দ্র।

পরের উইকেট বাংলাদেশ যতক্ষণে পায়, ততক্ষণে ম্যাচের মোড় ঘুরে গেছে পুরোপুরি। ১২৮ রানের জুটিতে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়াং। আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ইয়াং এদিন পুড়েন সেঞ্চুরি আক্ষেপে। তাকেও ফেরান হাসান মাহমুদ। ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৯৪ বলে ৮৯ রান করেন ইয়াং।

ইয়াংয়ের সঙ্গী নিকোলসও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন। সেঞ্চুরি থেকে কেবল ৫ রান দূরে থাকতে শরিফুল ইসলামের বলে রিশাদ হোসেনকে ক্যাচ দেন তিনি। কেউই সেঞ্চুরি করতে না পারলেও জিততে কোনো সমস্যা হয়নি কিউইদের। কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম (৩৪*) ও উইকেটকিপার-ব্যাটার টম ব্লান্ডেল (২৪*) মিলে বাকি পথ অনায়াসেই পাড়ি দেন।

দেবিদ্বারে “প্রক্ষালন কক্ষ” প্রকল্প সম্পন্ন করেছে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা

স্টাফ রিপোর্টার:

সকল স্তরের মানুষের সুস্থতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা “প্রক্ষালন কক্ষ” নামক একটি প্রকল্পের আয়োজন করে।

যার কার্যক্রম  চলতি বছরের গত ২২ এপ্রিল  শুরু হয়ে ১৪ ডিসেম্বর এ সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

 

উক্ত কার্যক্রমে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার লক্ষ্মীপুর নূরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় একটি পয়:নিষ্কাশন কক্ষ এবং একটি ওযুখানা তৈরি করে দেয়া হয়।

 

প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছেন, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম হিমেল। যিনি বর্তমানে Hungarian University of Agriculture and Life Sciences বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত আছেন।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন :

মহান বিজয় দিবস ২০২৩ উপলক্ষে শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ই ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় মেহার কালীবাড়িস্থ প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শাহরাস্তি প্রেসক্লাব এর সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান ভুইঁয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক নোমান হোসেন আখন্দের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির ,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: মাসুদ রানা, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আমরুজ্জামান সবুজ, প্রেসক্লাব এর কার্যকরী সদস্য ডা: দুলাল চন্দ্র ঘোষ, ইউসুপ পাটোয়ারী লিংকন, সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন, ইমতিয়াজ সিদ্দিকী তোহা, মো: নুরে আলম, মনিরুজ্জামান শান্ত, মো: রুহুল আমিন তরুণ, মো: ফিরোজ বেপারী, মো: ফরিদ পাটোয়ারী, মো: ইউসুফ আলী, শাখাওয়াত হোসেন হ্নদয় প্রমুখ।

সভায় বক্তারা, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্বত্যাগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।

সুষ্ঠু ভোটের জন্য যতবার প্রয়োজন, ততবার নির্বাচন করব: ইসি আনিছুর

ডেস্ক রিপোর্ট:

সুষ্ঠু ভোটের জন্য যতবার প্রয়োজন ততবার নির্বাচন করবো বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনিছুর রহমান।

তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রার্থীদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। কারণ যে কোনো ধরনের ঘটনা ঘটলে পুরো দায় সরকারের ওপর চলে যায়। নির্বাচনে আচরণ বিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচন শুধু আমাদের চোখেই দেখছি না। এ নির্বাচন বিশ্ববাসী দেখছে। এ নির্বাচনের ওপর দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি ও আমাদের অস্তিত্ব নির্ভর করে। তাই এমন কিছু করবেন না যাতে কঠোরতার চরম পর্যায়ে যেতে হয়। প্রয়োজনে আমরা প্রার্থিতা বাতিল করবো। ভোট বন্ধ করে দেবো। পুনঃনির্বাচন করবো। যতবার প্রয়োজন ততবার নির্বাচন করবো, ভোট সুষ্ঠু হতে হবে।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পাবলিক লাইব্রেরি ও টাউন হল মিলনায়তনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, কোথাও কোনো অসুস্থ কাজ করলে, অন্যায় হলে পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া আছে। কাউকে খুশি বা অখুশি করতে নির্বাচন করতে চাই না। জনগণ ভোট দেবে। ভোটগ্রহণের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে দিয়েছি, তৈরি থাকবে।

লক্ষ্মীপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন ও লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ।

প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান (নৌকা), এম এ গোফরান (কেটলি), হাবিবুর রহমান পবন (ঈগল), লক্ষ্মীপুর-২ আসনের প্রার্থী নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন (নৌকা), বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠু (লাঙল), লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী গোলাম ফারুক পিংকু (নৌকা), এম এ সাত্তার (ট্রাক প্রতীক), মোহাম্মদ রাকিব হোসেন (লাঙল), লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী মোশারফ হোসেন (নৌকা) ও ইস্কান্দার মির্জা শামীম (ট্রাক প্রতীক) প্রমুখ।

বিএনপি হাঁটুভাঙা-কোমরভাঙাদের নিয়ে ঐক্যজোট করেছে: কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির গত ২৮ অক্টোবর পল্টনে মহাসমাবেশের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২৮ অক্টোবর বিএনপি লাল কার্ড খেয়ে বিদায় নিয়েছে। বিএনপি ভুয়া! তাদের নেতা নেই নির্বাচন ও আন্দোলন করবেন কাকে দিয়ে। ৭০ শতাংশ মানুষ শেখ হাসিনাকে ভোট দেবে। ১৮৯৬ জন ফাইনাল খেলায় অংশ নিচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের সামনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিজয় শোভাযাত্রা সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির আন্দোলন ভুয়া। তারা এই বছর পারল না। আগামী বছর আবার করবে আন্দোলন। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের সাহস নেই। থাকলে এখানে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিত, জেলে যেত। যে জেলে যেতে ভয় পায়, তার নেতৃত্বে আন্দোলন হবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা আজ মিছিলের শহর। ঢাকা আজ নৌকার শহর। এখন সবখানে নৌকার মিছিল। সারা দেশে এখন নৌকার মিছিল। খেলা হবে। ফাইনাল খেলা ৭ জানুয়ারি। বিএনপির একদফা ভুয়া, ২৮ দফা ভুয়া। যারা বলে ২৭ দল নির্বাচনে না এলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না তারা ভুয়া। টিআইবি ভুয়া। সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) ভুয়া। এরা বিএনপির দোসর।খেলার মাঠ বাংলাদেশ। খেলা হবে হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে। খেলা হবে আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

বিএনপির ডাকা হরতাল কর্মসূচিতে ট্রেনে অগ্নিসংযোগে চারজন নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অগ্নিসংযোগ করে চারটি তাজা প্রাণ ঝরে গেল। ইসরাইল ফিলিস্তিনে যেভাবে মানুষ হত্যা করে সেই রকম দৃশ্য দেখতে পেলাম। তাদের ক্ষমা নেই।

তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে স্বার্থের রক্ষক। যারা ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদ করে না, তারা ভোট নিয়ে ধর্মের কথা বলে।

সমাবেশে ঢাকা জেলার ১৯টি আসনে নৌকার প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

এ সময় নৌকায় ভোট চেয়ে তিনি বলেন, যারা নির্বাচনে বাধা দেবে, তাদের প্রতিহত করে শেখ হাসিনাকে পঞ্চমবারের মতো বিজয়ের বন্দরে নিয়ে পৌঁছাব।