All posts by jitu

খুব সহসা শরিকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সমঝোতা হবে : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন ভাগাভাগি নিয়ে খুব সহসা শরিকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সমঝোতা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী যারা আছে, তাদের বিষয়ে আসলে কি ধরনের সিদ্ধান্ত আসবে— জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, শরিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে, আমরা আশা করছি— খুব সহসা তাদের সঙ্গে সমঝোতা হবে।

তিনি বলেন, শরিকদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত আলোচনা চলছে। খুব সহসা ১৪ দলের জোটের সঙ্গে সমঝোতা হবে।

সবসময় নির্বাচনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর অংশগ্রহণ থাকে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দল থেকে অনেকেই স্বতন্ত্রপ্রার্থী হয়েছে, বিভিন্ন দেশেও স্বতন্ত্রপ্রার্থী হয়। আবার আমাদের দল করে না এমন অনেকেই স্বতন্ত্রপ্রার্থী হয়েছে। এই স্বতন্ত্রপ্রার্থীদের অনেকেই বাতিল হয়েছিল। দেখা যাচ্ছে যে প্রথম দিন আপিলের পর ৫০ শতাংশের বেশি প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা ফেরত পেয়েছে। আমি মনে করি, তাদের অংশগ্রহণ নির্বাচনকে উৎসবমুখর করার ক্ষেত্রে সহায়ক হচ্ছে।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে আপনাদের দলের অবস্থান কি— জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলের অভ্যন্তরে এটা নিয়ে আলোচনা হয়নি। প্রয়োজন হলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসককে বদলি করা হয়েছে, সেখানে আওয়ামী লীগের বিরোধী প্রার্থীরা বলেছে- ডিসি আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়েছে— এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকারতো কোনোভাবেই কোনো কিছু হস্তক্ষেপ করছে না। করার কোনো সুযোগও নাই। কারণ তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাকরিগুলো নির্বাচন কমিশনের কাছে ন্যস্ত হয়। ফলে তাদের পোস্টিং, বদলি সব কিছু নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে যায়।

তিনি বলেন, কোনোকিছু করতে হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন লাগে। অথবা নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিলে সরকার সেটা করতে বাধ্য। এই যে বিভিন্ন ওসি বদলি, ইউএনও, ডিসি বদলি, এতো ব্যাপকভাবে আগে কখনো হয়নি। এতেই প্রমাণিত হয় নির্বাচন কমিশন অনেক শক্তিশালী। পাশাপাশি সরকার নির্বাচন কমিশনকে সব দিক থেকে সহায়তা করছে।

সূত্র: ঢাকাপোষ্ট

প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসন থেকে ভোট করতে চান চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। প্রাথমিক বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রার্থিতা বাতিল করে দিয়েছেন। প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন মাহিয়া।

আজ মাহিয়া মাহির আবেদনের শুনানি হবে। এ জন্য রাজধানীর আগারগাঁয়ের নির্বাচন ভবনে গেছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সঙ্গে রয়েছেন স্বামী রাকিব সরকার।

সোমবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে নির্বাচন ভবনে যান তিনি।

আপিল তথ্যে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া। আপিল নম্বর ১৭৯/২০২৩।

গত ৩ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাইয়ের সময় এক শতাংশ ভোটারের ভুয়া স্বাক্ষর পাওয়ার অভিযোগে মাহির মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এদিকে নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিতে কষ্ট পান বলে জানিয়েছিলে তিনি। এর আগে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন মাহিয়া মাহি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বতন্ত্র বললেই মনে কষ্ট লাগে। কারণ আমি মনেপ্রাণে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে লালন করি। প্রধানমন্ত্রীর নৌকাকে নিজের নৌকা মনে করি।

এক প্রতিক্রিয়ায় যুগান্তরকে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি বলেন, শুনেছি আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করব। যে গ্রাউন্ড দেখিয়ে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, সে বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে। আপিল করার পর আমি সেগুলো উপস্থাপন করব।

এর আগে মাহি শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন।

ওই পোস্টে মাহি লেখেন, ‘যেটা খবর পেলাম, সেটা যদি সত্যি হয়, তা হলে আপনার কপালে খারাপ আছে বলে দিলাম।’ তবে এমন হুশিয়ারি কাকে উদ্দেশ করে দিয়েছেন তা উল্লেখ করেননি মাহি।

প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। এ জন্য মনোনয়ন ফরম তুলেছিলেন রাজশাহী-১ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জন্য। তবে দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড তাকে বিবেচনায় নেয়নি।

পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন মাহি।

সাতপাকে বাঁধা পড়লেন ‘অ্যানিমেল’ অভিনেতা কুনাল

ডেস্ক রিপোর্ট:

শীতের আমেজ বয়ে চলছে। আর এই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে যেন বিয়ের মৌসুম শুরু হয়ে গেছে তারকাদের। একজনের বিয়ের আমেজ শেষ হওয়ার আগেই আরেকজনের বিয়ের খবর। এবার সাতপাকে বাঁধা পড়লেন বলিউডের আলোচিত-সমালোচিত ‘অ্যানিমেল’ সিনেমাখ্যাত অভিনেতা কুনাল ঠাকুর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বলিউডের পরিচিত মুখকে বিয়ে করেছেন অভিনেতা কুনাল। অনেকটা গোপনেই মোহন সিস্টার্সের মেজো বোন মুক্তি মোহনের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন অভিনেতা।

অ্যানিমেল ছবিতে রাশমিকা মান্দানার বাগদত্তার চরিত্রে অভিনয় করেন অভিনেতা কুনাল ঠাকুর। তবে এবার বাস্তবজীবনেই সাতপাকে বাঁধা পড়লেন তিনি।

মুক্তি ও কুনাল বিয়ের একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন—— ‘তোমার মধ্যে আমি আমার ঐশ্বরিক সংযোগ খুঁজে পাই; তোমার সঙ্গে আমার ভাগ্যের মিলন হতোই। ঈশ্বর, পরিবার এবং বন্ধুদের আশীর্বাদের জন্য কৃতজ্ঞ। আমাদের পরিবার আনন্দিত এবং স্বামী ও স্ত্রী হিসেবে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনার আশীর্বাদ চাই।’ হ্যাশট্যাগে লেখা হয়, ‘কুনাল কো মিলি মুক্তি’।

জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার শক্তি মোহন তার বোনের বিয়ের ছবি রিপোস্ট করেন নিজের প্রোফাইলে। লেখেন, ‘আমার ছোট্ট গোলুর বিয়ে হয়ে গেল। মনে হচ্ছে আমার হৃদয়ের একটা টুকরো তোমার সঙ্গে চলে গেল। খুব আনন্দিত তোমাদের জন্য। খুব মিস করব মুক্তি।’

কুনাল ঠাকুর একজন অভিনেতা ও মডেল। ‘অ্যানিমেল’ ছবির আগে তাকে ‘কবীর সিংহ’ ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে দেখা গেছে। এ ছাড়া বালাজি টেলিফিল্মসের ২০১৮ সালের ‘কসৌটি জিন্দেগি কে’ ধারাবাহিকেরও অংশ ছিলেন তিনি। এ ছাড়া একাধিক বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছেন তিনি।

নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) রিটকারী আইনজীবীর সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিটের আদেশের দিন পিছিয়ে সোমবার ধার্য করেন।

গত ৪ ডিসেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিটের শুনানি শেষ হয়। একইসঙ্গে আদেশের জন্য ১০ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়।

সেদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তাকে সহযোগিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

বর্তমানে একটি সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় আরেকটি সংসদ নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ২৯ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিবসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয় রিট আবেদনে।

গত ২৮ নভেম্বর আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন এ আইনজীবী। বর্তমানে রাজনৈতিক সংকট চলছে উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়, দেশে হরতাল-অবরোধ চলছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু ভোট করা সম্ভব নয়।

এছাড়া হরতাল অবরোধের ফলে দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত নয়। এ অবস্থায় নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানানো হয়।

দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মহিনুল হাসানকে বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের আয়োজনে সদ্য বিদায়ী ইউএনও মো: মহিনুল হাসানকে ক্রেস্ট প্রদানের মধ্য দিয়ে বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিদায়ী ইউএনও মো: মহিনুল হাসান বলেন, চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার দাউদকান্দি উপজেলার প্রতিটি মানুষ ভালো থাকুক। আমার কর্মজীবনের সেরা সঞ্চয় আপনাদের ভালোবাসা। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে বদলিজনিত কারণে কোনো জেলায় বা উপজেলায় স্থায়ী হওয়ার সুযোগ নেই। উপজেলায় কর্মরত অবস্থায় সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অনেক রকমের সহায়তা আমি পেয়েছি। কাজ আদায় করার জন্য হয়তো কারও বিরাগভাজন হয়েছি। খোলা চোখে সব কিছু দেখা যায় না। চোখের আড়ালেও অনেক কিছু থাকে। তবে নিজের অজান্তেও যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি, কারও প্রতি অন্যায় করে থাকি তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। হাতিয়ার মানুষ খুব আন্তরিক। আমি কোনোদিন তাদের ভুলতে পারব না।
এখানকার মানুষের আন্তরিকতা ও ভালোবাসা আমার সারাজীবন মনে থাকবে।

দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: জাকির হোসেন হাজারীর সঞ্চালনায় স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাব সভাপতি মো: হাবিবুর রহমান।

গণমাধ্যমকর্মীরা বলেন, এর আগের অনেকের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ শুনলেও বিদায়ী ইউএনওর নামে বা উনার বিরুদ্ধে দাউদকান্দির একটা লোকও কোন কিছু বলতে শুনিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: জিয়াউর রহমান, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মো: হানিফ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহমান ঢালী, কার্যনির্বাহী সদস্য মো: ওমর ফারুক মিয়াজী, হোসাইন মোহাম্মদ দিদার,
মো: ইব্রাহিম খলিল ও মো: মনির হোসেন।

এছাড়াও লিটন সরকার বাদল, কামরুল হক চৌধুরী, মো: শাহাবুদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মো: মহিনুল হাসান নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি হন।

এমপির বাড়িতে মিলল ৩৫৩ কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বেশ কয়েক বছর আগে অজয় দেবগনের ‘রেইড’ ছবিতে দেখা গিয়েছিল এমন চিত্র। একজন আয়কর কর্মকর্তা এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার বাড়িতে অবৈধ অর্থের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা উদ্ধার করেছিল। টাকা কয়েকদিনের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের সেই পটভূমি নিশ্চই সিনেমাপ্রেমীরা ভুলেনি। এবাই সেই সিনেমার কাহিনিই যেন বাস্তবে ধরা দিলো ভারতের ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায়।

কংগ্রেসের রাজ্যসভার সংসদ সদস্য ধীরজ সাহুর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩৫৩ কোটি টাকা। রোববার রাতে টাকা গোনা শেষে ভারতীয় আয়কর দপ্তর থেকে টাকার এই পরিমাণের তথ্য সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

মোট ১৭৬টি ব্যাগে এবং ৩টি ব্যাঙ্ক থেকে এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা গুনতে আনা হয়েছিল ৪০টি মেশিন। ৯টি দল টানা ৫ দিন ধরে টাকা গোনার কাজ করেছে। এই দলে ২৪ জন কর্মকর্তাসহ ব্যাংক ও পুলিশ সদস্যরা ছিলেন। নোটবন্দির পরেও যে কত টাকার দুর্নীতি হয়েছে, তা এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতারা।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার কংগ্রেসের রাজ্যসভার এমপি ধীরজ সাহুর ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার বাড়িতে হানা দেয় আয়কর দপ্তর। তল্লাশির প্রথম দিনেই আলমারি ও বাক্স থেকে বান্ডিল টাকা উদ্ধার হয়। তারপর টাকা গুনতে ব্যাংক থেকে নিয়ে আসা হয় টাকা গোনার মেশিন। আয়কর কর্মকর্তা থেকে প্রশাসনের কর্মীরা টাকা গোনার কাজে হাত লাগান। তারপর টানা কয়েকদিন ধরে গণনার শেষে টাকার যে পরিমাণ দাঁড়াল, তা শুনলে সবারই চোখ কপালে উঠবে।

এদিকে কংগ্রেস দাবি করেছে, দলের সঙ্গে সাংসদের ব্যবসার কোনো যোগসূত্র নেই। দলের পক্ষ থেকে প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশ এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে লিখেছেন, “ধীরজ সাহুর ব্যবসার সঙ্গে জাতীয় কংগ্রেসের কোনো সম্পর্ক নেই। একমাত্র সংশ্লিষ্ট এমপির ব্যাখ্যা দিতে পারবেন কীভাবে এত টাকা উদ্ধার হল তার বাড়ি থেকে।”

আয়কর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ওড়িশার একটি মদ প্রস্তুতকারক সংস্থা ও তার সঙ্গে যুক্ত নানা দোকানে আয় বহির্ভূত সম্পত্তির সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয়। ঝাড়খণ্ডের বোকারো ও রাঁচিতে অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া ওড়িশার সম্বলপুর ও সুন্দরগড়েও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঝাড়খণ্ডের এমপি ধীরজ সাহু এই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে।

কে এই ধীরজ সাহু
বিবিসির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধীরজ সাহুর জন্ম ১৯৫৫ সালে রাঁচীতে। তার বাবা রায় সাহেব বলদেব এবং মা সুশীলা দেবী। ধীরজের বাবা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরিবারের সঙ্গে কংগ্রেস-যোগ থাকায় ধীরজেরও ছাত্র রাজনীতিতে উত্থান হয় যুব কংগ্রেসের হাত ধরেই।

১৯৭৭ সালে রাজনীতির জগতে পা রাখেন ধীরজ। ধীরজের ভাই শিবপ্রসাদ সাহুও কংগ্রেস নেতা। দু’বার রাঁচী থেকে এমপি হয়েছেন। ধীরজ স্নাতক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। তার পরিবার ঝাড়খণ্ডের লোহারডাগাতে থাকে। ২০১০ সালে প্রথম বার রাজ্যসভার এমপি হন ধীরজ। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় বার নির্বাচিত হন তিনি।

২০১৮ সালে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য যে হলফনামা দিতে হয়েছিল ধীরজকে, সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, তার সম্পত্তির পরিমাণ ৩৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এছাড়া ধীরজ জানিয়েছিলেন, ২০১৬-১৭ আর্থিক বর্ষে তার আয়ের পরিমাণ ছিল এক কোটি টাকা।

ধীরজের হলফনামা অনুযায়ী, তার নামে মোট দেড় কোটি টাকার চারটি গাড়ি রয়েছে। ৮৭ লাখ টাকার একটি বিএমডব্লিউ, ৩২ লাখ টাকার ফরচুনার, ২৪ লাখ টাকার রেঞ্জ রোভার, সাড়ে ৮ লাখ টাকার পাজেরো।

চাঁদপুরে অধিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

ক্রয় মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ৪ ব্যবসায়ীকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পেঁয়াজ ক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা এবং মূল্য তালিকায় পেঁয়াজের দাম না লেখার দায়ে ওই জরিমানা করা হয়।

রবিবার (১০ ডিসেম্বর) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় এবং চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সার্বিক নির্দেশনা মোতাবেক জেলা প্রশাসন চাঁদপুর কর্তৃক এবং ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয় কর্তৃক চাঁদপুর পুরাণ বাজারের পাইকারি আড়ৎ ও খুচরা দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আখতার জাহান সাথী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান এবং ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন। এছাড়াও অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন কৃষি বিপণন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান রূপম।

অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এবং কৃষি বিপণন আইন ২০১৮ অনুযায়ী পুরাণ বাজারের চারটি প্রতিষ্ঠানকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পুরান বাজারের আড়ত ও পাইকারি দোকানগুলো পরিদর্শন করে পেঁয়াজ বিক্রির বিষয়ে যেন কোন কারচুপি করা না হয় সে বিষয়ে আইনগত সতর্ক করা হয়েছে। নিরাপত্তায় সহযোগিতা করেন পুরান বাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি চৌকশ টিম।

দেবিদ্বারে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আচরণ বিধি’ লঙ্ঘনের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দেবিদ্বার-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে । একটি ভিডিওতে লোক জমায়েত করে মাইকে নির্বাচনের ভোট প্রার্থনা করতে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি দুয়েকদিন আগে দেবিদ্বারের গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের উজানি জোড়া এলাকায় জনসমাগম করে ভোট চেয়ে বক্তব্য রাখার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘মাননীয় সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল যেহেতু নৌকা পেয়েছেন, জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি (রোশন আলী মাস্টার) সেজন্য তার সাথে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না উনার কথায়। উনি (রোশন আলী মাস্টার) উপর দিয়া নৌকার সাথে থাকবেন কিন্তু উনার সাথে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আছে, কথা হয়’। এসময় তিনি সবাইকে নির্বাচনী আচরণ বিধি’র কথা বললেও, নিজেই জন সমাগম করে মাইকে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘অনেকেই ফোন করেন পুলিশে ধরে নিয়ে যাবে। আরে ভাই, পুলিশের কি খাইয়া-দাইয়া কাজ নাই? পুলিশের কাম আছেনি নাকি? পুলিশের কি আপনাকে ধরার দায়িত্ব?’।

আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিগার সুলতানা বলেন, ওই প্রার্থী সেখানে একটি রোগি দেখতে গিয়েছিলেন। একটি বাউন্ডারির মধ্যে পরে কথা বলেছিলেন। সেখানে ম্যাজিষ্ট্রেট, থানা পুলিশের ওসি সাহেব ছিলেন। তাছাড়া উনি তো এখনও প্রতিক পাননি, কি ভোট চাইবে ? কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে অবশ্যই আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য যে, এর পূর্বে এলাকায় হাজার হাজার মানুষ নিয়ে জনসমাবেশ করে এবং প্রায় অর্ধশতাধিক গাড়ি বহর নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র কিনতে এসেছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। যা আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে বলে অনেকে মনে করেন।

সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পুনঃতফসিল চেয়ে রিট

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে এবং সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পুনরায় তফসিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ। রিট আবেদনে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্যাসি ক্ষমতা দিয়ে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

গত ৬ ডিসেম্বর ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান ইমাম হায়াত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন। বিষয়টি আজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটকারী।

রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ সচিব, মন্ত্রী পরিষদ সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) বিবাদী করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে রিটের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান ইমাম হায়াত।

রিট দায়েরের পর ইমাম হায়াত বলেন, ‘গত নির্বাচনে আমরা দেখেছি ক্ষমতাসীন সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রশাসন, পুলিশ ও নিজেদের সশস্ত্র লোকদের ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র দখল ও অন্যদের ভোট প্রদানে বাধার সৃষ্টি করেছে।’

তিনি আরও বলেন, সংসদ বহাল রেখে জালিয়াতিমুক্ত নির্বাচন অসম্ভব। প্রহসনমুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় আমরা ইনসানিয়াত বিপ্লব সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নির্বাচনের আদেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছি।’

ভোটকক্ষে একসঙ্গে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না: নির্বাচন কমিশন

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে। সেই সঙ্গে ভোটকক্ষে একসঙ্গে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচ