All posts by jitu

নারায়ণগঞ্জের নাফ পরিবহন বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

ডেস্ক রিপোর্ট:

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২নং ঢাকেশ্বরী এলাকায় একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৩৭ মিনিটের দিকে নাফ পরিবহনের দাঁড়িয়ে থাকা ওই বাসে আগুনের সূত্রপাত হয়।

খবর পেয়ে আদমজী ফায়ার স্টেশনের দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ধরিয়ে দেওয়া ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি আমরা। দুইটি ইউনিট কাজ করেছে আমাদের। তবে এখনো পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

নাশকতাকারীরা যেখানেই থাকুক তাদের গ্রেপ্তার করা হবে: ডিবি প্রধান

ডেস্ক রিপোর্ট:

নাশকতাকারীরা যেখানেই থাকুক তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, নাশকতাকারীরা তারা যেখানেই থাকুক, শুধু ঢাকা শহর নয়, বাংলাদেশের যেই প্রান্তে থাকুক তাদেরকে আমরা গ্রেপ্তার করব। অনেকের নাম আমরা পেয়েছি, অনেককে আমরা গ্রেপ্তার করেছি।

রোববার (১২ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিন্টু রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা বলেন তিনি।

অবরোধে সাধারণ মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, বিভিন্ন থানায় যেসব মামলা হয়, সেই মামলাগুলোর তদন্ত করছি এবং যেগুলো অভিযান করা দরকার অভিযান করে গ্রেপ্তার করছি।

তিনি বলেন, অবরোধের নামে যারা অবরোধের আগের দিন নাশকতা চালাচ্ছে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, তারা বিচ্ছিন্নভাবে অকেজো বাস, যেই বাসগুলো চলে না এগুলোতে আগুন লাগিয়ে ওই এলাকার জনমনে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। যারা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে বা নাশকতাকারীরা তারা যেখানেই থাকুক, বাংলাদেশের যেই প্রান্তে থাকুক তাদের অনেকের নাম আমরা পেয়েছি। অনেককে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। আমাদের অভিযান চলছে বাকিরাও শিগগিরই গ্রেপ্তার হবে।

পুলিশের নানা তৎপরতার পরও একের পর এক বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। এতে গোয়েন্দা দুর্বলতা রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকা শহরের প্রত্যেকটি জায়গায় থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ টহল দিচ্ছে, মোবাইল কোর্ট চলছে। আমরা চেকপোস্ট বসাচ্ছি। যারা বাসে আগুন দিচ্ছে তাদেরকে আমরা গ্রেপ্তার করছি। তারা গতকাল সন্ধ্যায় যেই গাড়িগুলো অকেজো, নষ্ট হয়ে আছে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। এই নাশকতাকারীরা ফৌজদারি অপরাধ করছে। যেহেতু নাশকতা করছে এবং ফৌজদারি, ফলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একদিকে যেমন টহল দিচ্ছে অন্যদিকে তারা যেখানেই পালিয়ে থাকুক না কেন তাদের সবাইকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব।

তফসিল ঘোষণার পর আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা আশঙ্কা ঘিরেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করি। আমরা দৈনন্দিন কাজ করছি। অপরাধী বা নাশকতার পরিকল্পনা যারা করছে তাদেরকে আমরা গ্রেপ্তার করছি। তফসিলকে কেন্দ্র করে যারা এই ধরনের অপরাধী রয়েছে তাদেরকে আমরা গ্রেপ্তার করব। নির্বাচন কমিশনের অধীনে থেকে সুষ্ঠু সুন্দরভাবে নির্বাচন করার জন্য আমরা একই কাজ করব এবং এটা আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

ইসরাইলের হামলা বন্ধ না হলে আঞ্চলিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি হিজবুল্লাহর

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজায় ইসরাইলের আক্রমণে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা বন্ধ না হলে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সেকেন্ড ইন কমান্ড শেখ নাঈম কাসেম।

বিবিসিকে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে অত্যন্ত গুরুতর ও ভীষণ বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং এর পরিণতি কেউ আটকাতে পারবে না।

গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তরফে সম্প্রতি জানানো হয়, সেখানে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এরকম একটা সময়েই বৈরুতে একটি সাক্ষাৎকারে হিজবুল্লাহর উপপ্রধান ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

হিজবুল্লাহর এই নেতা বলেন, বিপদটা সত্যিই আসতে চলেছে। কারণ ইসরাইল বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বাড়াচ্ছে এবং বেশি সংখ্যায় নারী ও শিশুদের হত্যা করছে। এই অঞ্চলে আরও বিপদ ডেকে না এনে কি এই পরিস্থিতি চলতে পারে? আমার মনে হয় না।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসরাইলের হামলা বাড়লে এই অঞ্চলের যুদ্ধের ঝুঁকিও বাড়বে।

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও আরব লীগ কর্তৃক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত শিয়া ইসলামী গোষ্ঠীটি লেবাননের বৃহত্তম রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি।

গাজায় যুদ্ধের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত তারা শুধুমাত্র হুঁশিয়ারির মাত্রাই বাড়িয়েছে আর সতর্কভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে।

রোববার লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় এক নারী ও তিন শিশুর মৃত্যুর পর হিজবুল্লাহ প্রথমবার গ্রাড রকেট ব্যবহার করে যাতে এক ইসরাইলি বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়।

হিজবুল্লাহর নেতা হাসান নাসরাল্লাহ হুমকি দিয়ে বলেছেন, লেবাননে প্রত্যেক বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জবাব সীমান্তের ওপারেও দেওয়া হবে। তবে এখনো তিনি ইসরাইলকে সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি দেননি।

‘সমস্ত বিকল্প পথই খোলা রয়েছে’ এ কথায় জোর দিয়ে গোষ্ঠীটি মূলত সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে আন্তঃসীমান্ত আক্রমণের মধ্যেই নিজেদের প্রতিক্রিয়া সীমাবদ্ধ রেখেছে।

তাদের ৬০ জনেরও বেশি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, কিন্তু তাদের জায়গা নেওয়ার মতো যুদ্ধের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হিজবুল্লাহ-র আরও বহু সমর্থক আছে।

বৈরুতে এমন এক যোদ্ধাকে এই সপ্তাহে কবর দেওয়া হয়েছে, যার পরিবারের সদস্যরা কয়েক প্রজন্ম ধরে হিজবুল্লাহর হয়ে লড়াই করে এসেছে। শুধু তাই নয়, তিনি তার পরিবারের পঞ্চম সদস্য যিনি ওই গোষ্ঠীর হয়ে প্রাণ দিয়েছেন।

চাঁদপুরে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁদপুরে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. রাজু শরীফ (২৮) নামের মাদক কারবারিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। রবিবার সকালে সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের বাইতুল নূর জামে মসজিদের সামনে রাস্তার ওপর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মো: রাজু শরীফ পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার মৃত ইসমাইল শরীফের ছেলে।

পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় সদর মডেল থানার ওসি মো: শেখ মুহসীন আলমের তত্ত্বাবধানে মডেল থানার একটি টিম মাদক অভিযান পরিচালনা করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে বাইতুল নূর জামে মসজিদের সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে মাদক কারবারি রাজুকে গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তার পরিহিত জিন্স প্যান্টের দুটি পকেট থেকে কালো কসটেপে মোড়ানো দুইটি পোটলা থেকে ৩ হাজার পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।

গ্রেফতার রাজু জানায়, তিনি দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের কাছে সে মাদক বিক্রয় করে আসছিল।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মো: শেখ মুহসীন আলম জানান, চাঁদপুর জেলাকে মাদকমুক্ত করা এবং মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে তরুণ প্রজন্ম ও যুব সমাজকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মডেল থানা। মাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযান চলমান থাকবে। মামলা দায়েরের পর গ্রেফতার মাদক কারবারিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে সরকার হটাতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে সরকার হটানো যায় না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা (বিএনপি) অবরোধের নাম করে বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়ে মানুষকে আহত করছে। পুলিশ ও সাংবাদিকের ওপর হামলা করছে। বিএনপির এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি।

তিনি জানান, চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে সরকার হটাতে পারবে না বিএনপি-জামায়াত। কারণ তাদের সঙ্গে জনগণ নেই।

রোববার বিকাল ৪টায় নরসিংদীর মুসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা (বিএনপি) পুলিশ হাসপাতালে আক্রমণ করে অ্যাম্বুলেন্স পুড়িয়ে দিয়েছে। কেউ কি হাসপাতালে আক্রমণ করে? তারেক জিয়ার চামচারা এসব হামলা করছে বলেও উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান।

জনসভায় উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, কেউ যদি বাসে আগুন দিতে যায় তাকে ধরে সেই আগুনে ফেলে দেবেন। সে বুঝুক আগুনের কত জ্বালা।

এর আগে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে এই কারখানার উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী সার কারখানা স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করেন। এর আগে বেলা ১২টার কিছু আগে এখানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে স্বাগত জানানো হয়।

উল্লেখ্য, নরসিংদীর পলাশে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পরীক্ষামূলক উৎপাদন। জ্বালানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব এই কারখানায় বছরে ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন হবে। দিনে উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৮ সালের অক্টোবরে কারখানার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরু হলে প্রকল্পের অবকাঠামোর কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়। পরে একই বছরের ১৬ আগস্ট পূর্ণোদ্যমে কাজ শুরু হয়।

১১০ একর জমির ওপর নির্মিত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার ৪ হাজার ৫৮০ কোটি ২১ লাখ টাকা আর জাপান ও চীনের ঠিকাদারদের যৌথ কনসোর্টিয়াম ব্যাংক অব টোকিও-মিৎসুবিশি ইউএফজে লিমিটেড ও দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেড ১০ হাজার ৯২০ কোটি টাকার ঋণ দেয়।

পাপন-সাকিবের পদত্যাগ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্রিকেট বিশ্বকাপের চলমান আসরে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বাজে পারফরম্যান্স করায় বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের পদত্যাগ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খোন্দকার হাসান শাহরিয়ার তাদের এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়, মাঠের খেলার বাইরে এবারের বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসান টুর্নামেন্টের মাঝে দলকে ফেলে দেশে এসেছিলেন অনুশীলন করতে। এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময়ে খেলা চলাকালীন সময়ে বিজ্ঞাপনের শুটিং করে সমালোচিত হয়েছিলেন। যা কাম্য নয়। সাকিবের মতো একজন উঁচু মাপের খেলোয়াড়ের কাছে সমগ্র জাতি আরও পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে।

নোটিশে আরও বলা হয়, বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বে এমন কোনো ক্রিকেট বোর্ড সম্ভবত খুঁজে পাওয়া যাবে না, যারা সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বকাপ দল গড়েছিল তাদেরই দেশ সেরা ওপেনারকে দলের বাইরে রেখে। যে ওপেনারকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেকে নিয়ে অবসর থেকে খেলায় ফিরিয়েছিলেন। বিশ্বকাপ শুরুর দুই মাস আগে নিয়মিত অধিনায়ক তামিম ইকবাল দলের দায়িত্ব ছাড়েন। সেই ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দলের বৃহত্তর স্বার্থে বিশ্বকাপের কথা চিন্তা করে সময়োপযোগী কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। আবার ওপেনার লিটন দাসও ব্যক্তিগত কারণে (পুত্রসন্তানের জন্ম) দুইবার খেলা চলাকালীন সময়ে দেশে এসেছেন। পেশাদার দলে মানবিক কারণে একবার আসা মেনে নেওয়া যায়। তাই বলে একাধিকবার! ম্যাচ গুরুত্বহীন হলেও পেশাদার টিমে এমনটা চলতে পারে না। ম্যানেজমেন্টের এমন শিথিল মানসিকতা চূড়ান্ত পেশাদার সময়ে আরও বেমানান। অথচ এ ক্ষেত্রেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বোর্ড।

সাংবাদিকদের কাছে বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেছেন, ‘হ্যাঁ আমরা অনেক আন্ডার প্রিপেয়ার্ড ছিলাম। এখন এসব অভিযোগ দিয়ে আসলে লাভ হবে না। তবে অবশ্যই প্রস্তুতি কম ছিল। তাহলে আইসিসি পুরুষ বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ এ সাফল্য পেতে জাতীয় দলের প্রধান কোচ, কোচিং স্টাফ, টিম ম্যানেজমেন্ট, নির্বাচক কমিটি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কেন প্রস্তুতি সঠিকভাবে নিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি? ফলে আপনারা বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের ব্যর্থতার দায়ভার কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না।

নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ কোচিং স্টাফ ও নির্বাচক কমিটি বাতিল করবেন। একইসঙ্গে আইসিসি পুরুষ বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ এ ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবেন। এছাড়াও উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে নিজস্ব কোচ তৈরি, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলো যে ধরনের উইকেটে হয় তার অন্তত কাছাকাছি মানের উইকেটে ঘরোয়া লিগে আয়োজন, স্কুল ও বয়সভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও প্রশিক্ষণের আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে চলমান বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ব্যর্থতার দায়ভার কাঁধে নিয়ে সমগ্র জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে নিজ নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। অন্যথায় প্রচলিত আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, হারের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে টাইগারদের এবারের বিশ্বকাপ মিশন। রোববার সকাল ১০টায় ভারত থেকে দেশে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ৯ ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে মাত্র দুটিতে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের টানা হার নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা। এরই পরিপ্রেক্ষিতেই অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের পদত্যাগের দাবি জানান।

সূত্র: ঢাকাপোষ্ট

বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করতে চাই: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগ বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করতে চায় জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের শিডিউলের মধ্যে তারা এলে তাদের নিয়েই নির্বাচন হবে।’

রোববার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

দেশ কি বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, নাকি আপনারা শেষ পর্যন্ত বিএনপির অংশগ্রহণের জন্য অপেক্ষা করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। তাদের এত জনপ্রিয়তা তারা বলেন, সেটি যাচাই করুক। তাদের এত উদ্যোগী কর্মী যারা ২০ মিনিটে ময়দান ছেড়ে চলে গেছেন, তারা কতটুকু নামে আমরা একটু দেখি। তাদের এত জাদরেল নেতা, পুলিশের আওয়াজে- কোনো গুলি হয়নি, কোনো টিয়ারগ্যাসও (নিক্ষেপ) হয়নি, ছোটবেলায় যে বড় বাজি ফোটাতাম সেই বাজির আওয়াজ হয়েছে, সেই আওয়াজে মঞ্চ ছেড়ে চলে গেলেন। তারা নির্বাচনে আসুক, এসে দেখুক তাদের কতটুকু জনপ্রিয়তা। কর্মীরা কতটুকু নামে, এই নেতাদের ওপর কতটুকু আস্থা রাখে। আমরা চাই তাদের সঙ্গে নির্বাচন করতে। নির্বাচনের শিডিউলের মধ্যে তারা এলে তাদের নিয়েই নির্বাচন হবে।’

যদি তারা না আসে? এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি দেশে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য নির্বাচন হতে হবে। কোনো একটি দল না এলেও আরও অনেক দল তো অংশগ্রহণ করবে। জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রতিটি শহর প্রতিটি গ্রাম বদলে যাচ্ছে, অন্যদিকে দেশ ধ্বংসের জন্য পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে জনগণের ওপর, জনগণের গাড়ি-ঘোড়ার ওপর এবং তারা কোনো উন্নয়ন দেখতে পায় না।’

সবাই মিলে সোচ্চার হয়ে এগুলো বন্ধ করতে হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

অবরোধ ডেকে আগের দিনই বিএনপি হামলা চালাচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি কি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হতে পারে? এগুলোকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বললেও কম বলা হয়।’

‘তারা রাস্তায় নেমে এসে ব্যারিকেড দিক। আমরা অবরোধ দেখেছি, আপনারা পালন করুন। সেটি তো তারা করে না, চোরাগোপ্তা হামলা চালায়। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হতে পারে না।’ বলেন হাছান মাহমুদ।

বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে জাতিসংঘের বিবৃতির বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ, তাদের (বিএনপি) আন্দোলন করার অধিকার আছে। সরকারের পদত্যাগ চাওয়ার অধিকার আছে, আমার পদত্যাগ চাওয়ার অধিকার আছে। সেই অধিকার মানে তো গাড়ি-ঘোড়া পোড়ানো নয়। এটিকে কেউ সমর্থন করেনি, করে না। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের অনেকে তাদের এ কর্মকাণ্ডকে কনডেম করেছে। তারা অনেককে নানাভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। তাদের এই কর্মকাণ্ডকে কেউ সমর্থন করে না করতে পারে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বৈঠকের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ভারতে যে বৈঠকটি হয়েছে সেটি ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে। সেই বৈঠকের বিষয় একান্তই তাদের। সেখানে কী আলোচনা হয়েছে সেটি পত্রপত্রিকায় এসেছে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নির্বাচন, উন্নয়ন- এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অবশ্যই ভারত যেটি বলেছে, যথার্থ বলেছে। বাংলাদেশের জনগণের ঠিক করবে নির্বাচনের মাধ্যমে কারা ক্ষমতায় আসবে।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়েছে- এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি সরকারের হাতে নেই। খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনের হাতে, আদালতের হাতে। সরকার চাইলেই তো মুক্তি দিতে পারবে না। সরকারের কাছে যেটুকু ক্ষমতা ছিল সেটা দিয়ে তার সাজা স্থগিত রেখে তাকে ঘরে থাকার ব্যবস্থা সরকার করে দিয়েছে, বাকিটা আদালতের বিষয়।’

বিএনপি নির্বাচন করতে দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে- এ বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া সেটি যেকোনো রাজনৈতিক দলের অধিকার আছে। কিন্তু নির্বাচন প্রতিহত করার এখতিয়ার কারো নেই। নির্বাচন প্রতিহতের কথা বলা মানেই দেশবিরোধী ও গণতন্ত্রবিরোধী কথাবার্তা। সুতরাং দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী বক্তব্য যারা রাখবে কিংবা অপচেষ্টা চালাবে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। সরকার, জনগণ, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে অব্যাহত রাখা। সেজন্য যা কিছু করা প্রয়োজন, সেগুলো করা হবে।’

‘তাদের (বিএনপি) উদ্দেশ্যে স্পষ্ট। দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। স্বপ্ন দেখতে দেখতে ১৫ বছর কেটেছে, আগামী কত বছর কাটবে জানি না।’ যোগ করেন মন্ত্রী।

১৩০ পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ: বিজিএমইএ

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৩০টি পোশাক কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক মালিক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, পোশাক কারখানায় কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে এসব কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়।

রোববার (১২ নভেম্বর) উত্তরায় বিজিএমইএ অফিসে ‘পোশাক শিল্পে ন্যূনতম মজুরি ও বর্তমান শ্রম পরিস্থিতি’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। মজুরি ঘোষণার পর থেকে বেশ কয়েকটি কারখানায় অজ্ঞাতনামা কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক অযৌক্তিক দাবিতে বেআইনিভাবে কর্মবিরতি পালন করে কর্মকর্তাদের মারধর করেছে। কারখানার ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আশুলিয়া, কাশিমপুর, মিরপুর ও কোনাবাড়ি এলাকার প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এসব কারখানার মালিকরা মূলত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসব কারখানা শ্রমিকরা কাজ করতে আগ্রহী ,সেগুলোতে কাজ চলছে। তাদের কাজ চলমান থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, করোনা মহামারির কারণে দেশের মধ্যে ২০২০-২১ অর্থবছরে বন্ধ হওয়া কারখানার সংখ্যা ৩১৭টি। করোনা পরবর্তী সময়ে অন্য কারণে প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখতে না পারার কারণে ২৬০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে।

শিল্পের উত্থানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বন্ধ কারখানার সংখ্যাও বাড়ছে। কারখানা বন্ধ হয়েছে নানান সংকটে। এ পর্যন্ত প্রায় ৬৮৮৫টি পোশাক কারখানা বিজিএমইএ এর সদস্যপদ গ্রহণ করলেও কালের পরিক্রমায় ৩ হাজার ৯৬৪টি সদস্য কারখানা বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু করোনা মহামারির কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরে বন্ধ হওয়া কারখানার সংখ্যা ৩১৭টি এবং পরে অন্য কারণে প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখতে না পারার কারণে ২৬০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে।

ফারুক হাসান বলেন, শিল্পের অভ্যন্তরের গভীরতম সংকটের বিষয়টি গণমাধ্যমে সেভাবে প্রকাশিত হচ্ছে না। কতখানি সংকটের মধ্যে থেকে, কতখানি অনিশ্চয়তা সঙ্গে নিয়ে কারখানাগুলো চলছে তা বন্ধ হওয়ার কারখানার পরিসংখ্যানই বলে দেয়। কোনো উদ্যোক্তাই চান না, তার অক্লান্ত কষ্টে তিলে তিলে গড়া ওঠা শিল্প কারখানা বন্ধ হোক। কিন্তু বাহ্যিক নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কিছু বিষয় আছে যার প্রভাব থেকে শিল্প চাইলেও বের হতে পারে না, শিল্পকে তা গ্রহণ করতেই হয়। এটাই এ শিল্পের কঠিন বাস্তবতা।

অত্যন্ত দুঃখজনক যে আমরা যখন ‘বৈশ্বিক ও আর্থিক’ এ দ্বিমুখী চাপের মধ্যে থেকেই টিকে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত রয়েছি, ঠিক তখন শিল্পকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানা অপতৎপরতা। বিশেষ করে আমাদের শান্ত শ্রমিক গোষ্ঠীকে উসকানি দিয়ে অশান্ত করা হচ্ছে।

আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো এ ব্যাপারে আমাদের ভিডিও ফুটেজ দিয়েছে, মামলার কপিও আমাদের দিয়েছে।

এসকে স্পোর্টস অ্যারেনাতে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ: চ্যাম্পিয়ন এসকে জিম কিংস

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা নগরীতে  একমাত্র টার্ফ  এসকে স্পোর্টস অ্যারেনাতে এস কে জিম আয়োজিত ফুটবল প্রীতি ম্যাচ ২০২৩-তে  জিম সানরাইজকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে  এসকে জিম কিংস ।  আহমেদ  ইমন  ৩ গোল করে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (১০ নভেম্বর) এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এস কে জিম কুমিল্লা এবং  এস কে স্পোর্টস অ্যারেনার  ব্যবস্থাপনা পরিচালিক আরিফ খাঁন খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন।

জাভেদ  হাশমি চৌধুরী  ও পিন্টু দাস এই খেলা আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমায় ‘অনাচার’ কমবে: প্রধান নির্বাচন কমিশার

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হলে নির্বাচনি ‘বিধি ভঙ্গের সংস্কৃতি ও অনাচার’ দুটোই কমে আসবে বলে আশা করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রোবাবর ‘অনলাইন নমিনেশন সাবমিশন সিস্টেম (ওএনএসএস) ও স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ’ উদ্বোধন করে প্রার্থী ও ভোটারদের অনলাইন পদ্ধতি ও অ্যাপ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে এ কথা বলেন সিইসি।

হাবিবুল আউয়ালের ভাষ্য, ভোটের আগে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অনেক সময় সংঘাতের নানা ঘটনা ঘটে। কারণ মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে প্রার্থীরা শো ডাউন করে থাকেন। এই শো ডাউন কালচার বা সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। যদিও সংস্কৃতি কিন্তু এখানে সংকটও হয়ে থাকে। এই অ্যাপ ব্যবহারের ফলে সেটি কমে আসবে।

অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নিবন্ধিত দলের উপস্থিত প্রতিনিধিদের উদ্দেশে হাবিবুল আউয়াল বলেন, অনলাইন নমিনেশন সাবমিশন সিস্টেম (ওএনএসএস) হল সব প্রার্থীর জন্য। আর স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপটি সাধারণ মানুষের জন্য।

অনলাইন নমিনেশন সাবমিশন সিস্টেম (ওএনএসএস) ও স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ ‘চালু করা হলেও রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি মনোনয়ন জমার ব্যবস্থাও রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

এই অ্যাপ ব্যবহারে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচার চালানোর জন্যও তাগিদ দিয়েছেন সিইসি।

১ নভেম্বর নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা আছে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদকে সংসদ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নভেম্বরের প্রথমার্ধে তফশিল ঘোষণার কথা বলে আসছে নির্বাচন কমিশন।