All posts by jitu

ডা. জহিরুলের ঘাতকদের বিচারের দাবিতে বিএমএ, স্বাচিপ ও মেডিকেল সেন্টারের মানববন্ধন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

চিকিৎসক ডা. জহিরুল হকের হত্যার ইন্ধনদাতা সিলভার ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ ও সালাউদ্দিন মোর্শেদ ভূঁইয়া ওরফে পাপ্পুসহ সকল আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে কুমিল্লাজুড়ে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা অব্যাহত রয়েছে। সবাই হত্যাকারিদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ), কুমিল্লা শাখা ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কুমিল্লা শাখা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। এ সময় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, কুমিল্লা বিএমএ’র সভাপতি ডা. আব্দুল বাকী আনিছ, সাধারণ সম্পাদক ডা. আতাউর রহমান জসীম, কুমিল্লা স্বাচিপের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোরশেদুল আলমসহ আরো অনেকে বক্তব্য রাখেন। পরে তারা ঘাতকদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এছাড়া একই সময়ে কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টার (প্রা:) লি: (কুমিল্লা টাওয়ার) এর সামনে হাসপাতালের পরিচালক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দ মানববন্ধন করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর সকালে ঢাকায় ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. জহিরুল হক মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে গত ২২ অক্টোবর দুপুরে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় শাপলা টাওয়ারের পরিচালনা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ডা. জহিরুলকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত জহিরুলকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়, তবে কুমেকে অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আটক পাপ্পুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে সিলভার ফারুক এখনো ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছেন।

ডা. জহিরুল হকের স্ত্রী ফারহানা আফরিন হিমি বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। আসামিরা হলেন সালাউদ্দিন মোর্শেদ ভূঁইয়া ওরফে পাপ্পু ও তার স্ত্রী সুমী, ছেলে আরহাম ও আহনাফ এবং সিলভার ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ।

কেন শিশুর হার্টে ছিদ্র হয়?

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাধারণত গর্ভাবস্থায় শিশুর হৃৎপিণ্ডের (হার্ট) বিকাশজনিত সমস্যা কারণে হৃদপিণ্ডে ছিদ্র থেকে যায়। বাংলাদেশ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের করা সাম্প্রতিক এক জরিপের কথা উল্লেখ করে বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে প্রতি ১০০০ শিশুর মধ্যে আট থেকে নয়জন এই হৃদপিণ্ডের ছিদ্রজনিত সমস্যায় ভুগে থাকে।

শিশুর হার্টে ছিদ্র কেন হয়

হৃদপিণ্ডে ছিদ্র হওয়া একটি জন্মগত ত্রুটি। অর্থাৎ শিশু হার্টে ছিদ্র নিয়েই জন্মায়। বাহ্যিক কোনো কারণে হার্টে ছিদ্র হওয়ার নজির নেই।

মাতৃগর্ভে শিশুর হৃৎপিণ্ড একটি নল থেকে বিকশিত হয়, এরপর সেটি চারটি প্রকোষ্ঠে ভাগ হয়। সেই প্রকোষ্ঠের দুটি অংশ আলাদা করতে পর্দা গড়ে ওঠে।

এই প্রক্রিয়া চলাকালীন কোনো সমস্যা হলে ছিদ্র দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিভাগের প্রধান এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. খলিফা মাহমুদ তারিক।

জেনেটিক সমস্যা যেমন: ডাউন সিনড্রোম থাকলেও শিশুর হার্টে ছিদ্র দেখা দিতে পারে।

সেইসাথে গর্ভবতী হওয়ার প্রথম কয়েক মাসের মধ্যে যদি মায়ের রুবেলা হয় তাহলে শিশুর হার্টে ছিদ্র বা হার্টের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে জন্মানোর ঝুঁকি বাড়ে।

এছাড়া মায়ের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে, গর্ভকালীন মায়ের ভাইরালজনিত ইনফেকশন হলে বা মা গর্ভকালীন অপুষ্টিজনিত রোগে ভুগলেও শিশুর এর ঝুঁকি বাড়ে।

সেইসাথে মায়ের মদ ও তামাক জাতীয় পণ্য খাওয়ার অভ্যাস থাকলে এবং বিভিন্ন মাদক সেবনের কারণেও এমনটা হতে পারে।

এ ছাড়া গর্ভবতী থাকাকালীন মা যদি খিঁচুনি প্রতিরোধী ওষুধ, কোলেস্টরেল কমানোর ওষুধ, ব্রণের ওষুধ এবং মানসিক রোগের চিকিৎসার জন্য ওষুধ খেয়ে থাকেন সেটিও শিশুর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন আর নেই

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন আর নেই

ডেস্ক রিপোর্ট:

মাদারীপুর-৩ (সদর ও কালকিনি) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

মঙ্গলবার দিনগত রাত ২টা ৫ মিনিটে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী সমির রঞ্জন।

তিনি জানায়, আবুল হোসেন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হার্টের ‌‘সিভিয়ার প্রবলেম’ নিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

সৈয়দ আবুল হোসেন স্ত্রী খাজা নার্গিস, দুই মেয়ে সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন ও সৈয়দা ইফফাত হোসেনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুর সংবাদে মাদারীপুর জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কালকিনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম জানান, সৈয়দ আবুল হোসেনের চলে যাওয়া আমরা মেনে নিতে পারছি না। তিনি ছিলেন ডাসার উপজেলার রুপকার। তার মাধ্যমেই ডাসার উপজেলার জন্ম হয়েছে। শুধু তাই নয় তিনি এ জেলায় বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে গেছেন, যা ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রাখবেন।

সৈয়দ আবুল হোসেন ১৯৫১ সালের ১ অক্টোবর মাদারীপুরের ডাসার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগের হয়ে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সৈয়দ আবুল হোসেন। আরও তিন মেয়াদে ওই এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি।

২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত বাংলাদেশের যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন। এর আগে ১৯৯৬-৯৭ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

গাজায় ভোরে ইসরাইলি বিমান হামলায় ১৬ জন নিহত

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজাজুড়ে ইসরাইলের সর্বশেষ বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

বুধবার ভোরে গাজায় ইসরাইলি বাহিনী এই হামলা চালায়। খবর আলজাজিরার।

গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলা উত্তরে জাবালিয়া, তাল আল-হাওয়া, মধ্য গাজার আল-নুসিরাত শরণার্থী শিবির এবং দক্ষিণে খান ইউনিসের আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে।

এছাড়া গাজার আল-মাগাজি শরণার্থী শিবিরেও হামলা চালিয়েছে ইসরাইল বাহিনী। এখানেও বেশ কয়েকজনের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

বিবৃতিতে আরও জানা যায়, উত্তর গাজার শুজাইয়াহ, শেখ রাদওয়ানেও বেশ কয়েকটি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।

৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ওই দিনই পালটা আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল। এরপর থেকে নির্বিচার হামলা চলছে। অবরুদ্ধ রয়েছে গাজা উপত্যকা।

গাজায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইলের নির্বিচার হামলায় পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে। আহত ১৫ হাজারের বেশি মানুষ। নিহতের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই দুই হাজার।

অন্যদিকে ইসরাইল জানিয়েছে, হামাসের হামলা ও তাদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় তাদের দেশে নিহত মানুষের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ ছাড়িয়েছে, আহত হয়েছেন ৪ হাজারের বেশি। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৬৩ সেনা ও পুলিশ সদস্য রয়েছেন।

বজ্রপাত কমাতে তালগাছের চারা রোপনের বিকল্প নেই : ডিসি কামরুল হাসান

বজ্রপাত কমাতে তালগাছের চারা রোপনের বিকল্প নেই : ডিসি কামরুল হাসান

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

“গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান” এ স্লোগানকে সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে চাঁদপুর জেলায় তালগাছ রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়নে তালগাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে জেলায় ২৫ হাজার তালগাছ রোপণ কর্মসূচি শুরু করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান।

এ সময় তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৩ এ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত ২৫ দফা নির্দেশনার আলোকে তালগাছে কার্বনের স্তর বেশি থাকায় তা বজ্রপাত নিরোধে সহায়তা করে। এ ছাড়াও ভূমিক্ষয়, ভূমিধস, ভূগর্ভস্থ পানির মজুত বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা রক্ষা করে। সর্বোপরি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ রেখে যাওয়ার প্রত্যয়ে তাল গাছের চারা রোপনের বিকল্প নেই।

তিনি আরো বলেন, বজ্রপাত কমাতে তালগাছের চারা রোপনের বিকল্প নেই। চাঁদপুর জেলায় ২৫ হাজার তাল গাছের চারা রোপন করার উদ্যোগ নিয়েছি। এ কর্মসূচিটি অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে। আমরা চাঁদপুর সদর উপজেলা আশিকাটি ইউনিয়নের জেলা কারাগারের সামনে থেকে রোপন শুরু করেছি। এখান থেকে লাগানো উদ্দেশ্যে হচ্ছে, জেল খানায় অনেক মানুষ তাদের স্বজনদের দেখতে আসে, তারা এ কর্মসূচি দেখে যেন নিজেরা উদ্বুদ্ধ হয় তালের চারা রোপন করার। এটা যে কোন স্থানে লাগানো যায়, একটি গাছ লাগালে সারা জীবন থাকবে। কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে তা নয়, যে কোন সময় কাটা যেতে পারে। আমরা এ কর্মসূচি শুরু করেছি একটি আন্দোলন হিসেবে। মূলত আমাদের চাঁদপুর জেলা একটি নদী প্রবন জেলা। নদীর তীরবর্তী এলাকায় যারা বসবাস করেন তারা যদি তালগাছ রোপন করে, তাহলে বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজে আসবে। তাল গাছে অনেক শিকড় হয়, এ শিকড় অনেক মাটি ধরে রাখতে সহযোগীতা করে। এই বৃষ্টির সৃজনে এখনো গাছ লাগানোর সময় আছে। এখন গাছ লাগিয়ে পরিচর্যা করলে দ্রুত বড় হবে। আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বশির আহমেদ, জেলার মনির হোসেন, জেল সুপার ফোরকান ওয়াহিদ, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত, চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: হেদায়েত উল্যাহ, আশিকাটি ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, ইউপি সচিব আবু বকর মানিক, আশিকাটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দিদার, ইউপি সদস্য দুলাল মাল, সোহাগ খান, মহসিন মৃধা, বিল্লাল বেপারী, বিল্লাল মাল, সামছুল হক প্রধানীয়া, আলফু খান, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শিল্পী বেগম, আয়শা বেগম, আশিকাটি ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক সেলিম মাল, যুগ্ম আহবায়ক মামুন মাল, শাহ আলম গাজী সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নোয়াখালীতে সবজির বাজার লাগামহীন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীতে মাছ-মাংশে হাত দিতে পারেন না অনেক সাধারণ ক্রেতা। সবজির বাজারও চলে যাচ্ছে ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। নোয়াখালীর বাজার গুলোতে ৯০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। ব্যতিক্রম পেঁপে ও মিষ্টি কুমড়া। বরবটি, টমেটোর দাম এখন ১০০ টাকা। এছাড়া সেঞ্চুরি করে প্রতি কেজি গাজর এখন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এসব চিত্র।

মঙ্গলবারের বাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, যার মধ্যে লম্বাকৃতির বেগুন প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা। করলা বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, পটল প্রতি কেজি ৭০ টাকায়, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৭০ টাকায় এবং ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস জালি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, লাউ প্রতি পিস ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।

বাজারে সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দাম বলতে পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। কাঁচা কলা প্রতি হালি ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মূলা প্রতি কেজি ৭০ টাকা, ধুন্দল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কচুর মুখি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১২০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১০০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৭০ টাকা আর কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আগের আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা। অন্যদিকে, দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় আর আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। এছাড়া ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়।

নোয়াখালীতে ‘মুজিব-একটি জাতির রূপকার’ দেখতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনায় এবং ভারতের খ্যাতিমান পরিচালক শ্যাম বেনেগাল পরিচাললিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত অনন্য চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ ছবির প্রদর্শন চলছে নোয়াখালীতে। জেলা শহর মাইজদীর ‘রৌশন বাণী’ সিনেমা হলে ১৩ অক্টোবর থেকে চলচ্চিত্রটি প্রদর্শন শুরু হয়।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সকালে ‘রৌশন বাণী’ সিনেমা হলের শো-তে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রটি দেখেন ছবিটির কাস্টিং ও সহকারী পরিচালক বাহার উদ্দিন খেলন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অত্যতম সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার আবদুল মালেক উকিলের ছেলে এবং নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস জাহের, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন বাবলু, মিজানুর রহমান শিপন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইবনে ওয়াজিদ ইমনসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ দর্শক সিনেমাটি উপভোগ করেন।

‘মুজিব-একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্রটি দেখার পর সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুভূতি প্রকাশকালে ছবিটির কাস্টিং ও সহকারী পরিচালক বাহার উদ্দিন খেলন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন বলেন, বঙ্গবন্ধুর কত ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, সেটি এই চলচ্চিত্রে নির্মোহভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ইতিহাসের সত্য ঘটনা এই চলচ্চিত্রে ফুটে উঠেছে। নতুন প্রজন্মের সবার এই চলচ্চিত্রটি দেখা উচিত মনে করেন তারা।

নোয়াখালীতে প্রদর্শনির শুরু থেকে প্রতিটি শো’তে দর্শকের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। হল কর্তৃপক্ষ জানায় প্রতিদিন চারটি শো’তে প্রদর্শন করা হচ্ছে। বহু বছর পর সিনেমা হলে এমন উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

নোয়াখালীতে ১৭৯ প্রতিমা বিসর্জন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

শারদীয় দুর্গাপূজার পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবের শেষ দিন বিজয়া দশমীতে নোয়াখালীতে ১৭৯টি প্রতিমা বিসর্জন দিয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এতে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো তাদের প্রধান ধর্মীয় এই উৎসব।

২০২১ সালে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় এবার পূজা উদ্যাপনে শঙ্কার মধ্যে ছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। জেলায় সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সেই জন্য এবারের শারদীয় দূর্গা পূজায় হিন্দু সম্পদ্রায়ের লোকজনের পাশে সতর্ক অবস্থানে ছিল স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

নোয়াখালী জেলায় এবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় ১৭৯টি পূজা মন্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এছাড়া ঘটপূজা অনুষ্ঠিত হয় ৬টি। এই পূজায় সব ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে প্রশাসনের পাশাপাশি সতর্ক অবস্থানে ছিল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পূজার শুরু থেকে গতকাল মঙ্গলবার শেষ দিন পর্যন্ত জেলার সদর ও সুবর্ণচর উপজেলায় পূজা মন্ডপগুলো পরিদর্শন, মন্ডপ পাহারা, মন্ডপে আর্থিক অনুদান ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন। জেলার চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে আর্থিক অনুদান ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে নৌকায় ভোট চান।

এছাড়া চাটখিল-সোনাইমুড়ী উপজেলায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে আর্থিক সহযোগিতা করেন আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ ফারুক।

দুপুরে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার আনন্দময় মন্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে পূজারীরা বলেন, আমরা ২০২১ সালের ঘটনায় এবারের পূজা উদযপিনের পূর্বে অনেকটা শঙ্কিত ছিলাম। কিন্তু প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমাদেরকে সাহস যুগিয়ে আমাদের মন্ডপ পাহারা দিয়ে শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে সহযোগিতা করেছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা শেষ করতে আমাদেরকে সহযোগিতা করায় সরকার, প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আনন্দময় পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি নারায়ণ দেব নাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী সুখি-সমৃদ্ধ এবং অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এবার প্রশাসনের প্রত্যেক স্তরে কঠোর নিরাপত্তা এবং জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে আমাদের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ঊনার নির্দেশনায় আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা শেষ করতে পেরেছি। তাই আমরা প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি।

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন বলেন, অতীতের বদনাম গোছাতে এবার জেলার প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। আইন-শৃৃঙ্খলা বাজিহনীর সদস্যদের সঙ্গে তারা মন্ডপগুলো পাহারা দিয়েছে। এতে জেলায় কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়নি। আমরা আশা করছি বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের এই সম্প্রীতি বজায় থাকবে।

জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবর রহমান বলেন, জেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করতে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ প্রশাসন ও সিভিল প্রশাসনের সদস্যরা আন্তরিকভাবে কাজ করেছে। এতে খুব সুন্দরভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শারদীয় উৎসব শেষ হয়েছে।

২০২১ সালে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মন্দির ও পূজা মন্ডপে হামলা, লুটপাট এবং ২ জন নিহতের ঘটনা ঘটেছে। সেই শঙ্কার মধ্যদিয়ে এবার পূজা শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ উৎসব করতে পেরে খুশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এবারের মতো এমন সম্প্রীতি বজায় থাকবে আগামীর বাংলাদেশে এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

মার্কিন তরুণী প্রেমের টানে ঈশ্বরদীতে

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রেমের টানে বিদেশি প্রেমিক বা প্রেমিকার দেশে আসার খবর নতুন নয়। এবার প্রেমের টানে আমেরিকা থেকে এক তরুণী পাবনার ঈশ্বরদীতে এসেছেন। ওই তরুণীর নাম হারলি এবেগেল আইরিন ডেভিডসন (২০)। তিনি আমেরিকার কেন্টাকি প্রদেশের জর্জটাউন শহরের বাসিন্দা।

গত ২১ অক্টোবর বাংলাদেশে এসে পাবনার ঈশ্বরদীর বাসিন্দা আসাদুজ্জামান রিজুর (২৭) সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। নবদম্পতিকে একনজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন এলাকার মানুষ।

আসাদুজ্জামান রিজু ঈশ্বরদী শহরের পিয়ারাখালী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি কম্পিউটার সফটওয়্যার অ্যান্ড হার্ডওয়্যার কাজের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করেন। বিয়ের পর ঈশ্বরদী শহরের পিয়ারাখালি এলাকায় বাসাভাড়া নিয়ে নতুন সংসার শুরু করেছেন তিনি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বছরখানেক আগে থেকেই ফেসবুকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে তারা দুজন বিয়ে করার কথা ভাবেন। পরে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন ডেভিডসন। গত শনিবার (২১ অক্টোবর) রাতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে পরদিন রোববার (২২ অক্টোবর) সকালে পারিবারিকভাবে ঢাকায় বিয়ে করেন তারা। ইসলাম ধর্মের রীতি মেনে আসাদুজ্জামান রিজুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের আগেই ডেভিডসন খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর বিকালে ঈশ্বরদীর বাড়িতে আসেন।

প্রেমিক আসাদুজ্জামান রিজু জানায়, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ফেসবুকে তাদের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। পরে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে আসেন ডেভিডসন।

তিনি আরও বলেন, আমরা উভয়ে ভালোবেসে বিয়ে করে সুখের সঙ্গে বসবাস করছি। আমার বাসায় প্রতিদিন অনেক লোকজন আসছেন তাকে দেখতে। আমাদের সঙ্গে সেলফি তুলে তাদের শখ পূরণ করছেন। আমরা সারাজীবন একসঙ্গে থাকতে চাই। আমাদের বাসার পরিধি ছোট হওয়ার কারণে নতুন বাসা ভাড়া নিতে হয়েছে। বাড়ির পাশেই মনিরুল ইসলামের বাড়ির একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছি। এখন বাসায় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা ও গোছগাছ করতে সময় কাটছে।

প্রেমিকা হারলি এবেগেল আইরিন ডেভিডসন তেমন বাংলা না জানলেও ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলেন, আমি এখানে এসে ভালো আছি, আমার ভালো লাগছে।

চিকিৎসক জহিরুল হকের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার:

চিকিৎসক ডা. জহিরুল হকের হত্যার ইন্ধনদাতা  সিলভার ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ ও সালাউদ্দিন মোর্শেদ ভূঁইয়া ওরফে পাপ্পুসহ সকল আসামিদের  গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ের  টাউন হল গেইটের সামনে  রেসকোর্স এলাকার সিলভার শাপলা টাওয়ার এর সদস্যগণ ও দূর্গাপুর এলাকার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  মানববন্ধনে সিলভার শাপলা টাওয়ার এর সভাপতি মোঃ সেলিম উল্লাহ সেলিম, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন কাজলসহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর সকালে ঢাকায় ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. জহিরুল হক মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে গত ২২ অক্টোবর দুপুরে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় শাপলা টাওয়ারের পরিচালনা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ডা. জহিরুলকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত জহিরুলকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়, তবে কুমেকে অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আটক পাপ্পুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডা. জহিরুল  হকের স্ত্রী ফারহানা আফরিন হিমি বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। আসামিরা হলেন সালাউদ্দিন মোর্শেদ ভূঁইয়া ওরফে পাপ্পু ও তার স্ত্রী সুমী, ছেলে আরহাম ও আহনাফ এবং সিলভার ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ।