All posts by jitu

কুবিতে ফিলিস্তিনের পক্ষে সংহতি সমাবেশ ও মিছিল

কুবিতে ফিলিস্তিনের পক্ষে সংহতি সমাবেশ ও মিছিল

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

ফিলিস্তিনের গাজায় ইজরায়েলের চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে সমাবেশ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে আয়োজিত এক সমাবেশে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস জুড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের পতাকা, বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান করেন। ‘সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র ইজরায়েল নিপাত যাক, আল আক্বসা থেকে নামাজের দিক পরিবর্তন করেছি মনের দিক না, যে কাঁদে কাঁদুক তবু লিখি ফুটনোট, ফুল তুই তেলাবিবে বোমা হয়ে ফুট, আল আক্বসায় হামলা কেন জবাব চাই, আমরা আত্মসমর্পণ করবো না আমরা জয়ী হবো অথবা মৃত্যুবরণ করবো, ফিলিস্তিন আমাদের হৃদয়ে আছে, আমরা ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিচ্ছি, বিশ্বের মুসলিম এক হও, স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলো, আল আক্বসা আমাদের, সকল মুসলিম এক হও, গাজা স্বাধীন হোক ফিলিস্তিন স্বাধীন হোক, গাজাকে রক্ষা করুন মানবতাকে রক্ষা করুন, গাজায় গণহত্যা বন্ধ করুন, ফিলিস্তিনকে রক্ষা করুন, মানবতা রক্ষায় আপনার কণ্ঠস্বর উঁচু করুন, আমাদের আক্বসা আমাদের ফিরিয়ে দিতেই হবে, তুমি কখনোই ফিলিস্তিনকে ধ্বংস করতে পারবে না’ এমন অসংখ্য ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে শিক্ষার্থীরা সংহতি সমাবেশে অবস্থান করেন।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ফিলিস্তিন মুসলিমদের ভূমি, কুরআনে বর্ণিত পবিত্র ভূমি, আক্বসা মুসলিমদের কেবলা। ইজরায়েলি সন্ত্রাসবাদ থেকে আমরা এই ভূমির স্বাধীনতা চাই। মুসলিমদের ভূমি মুসলিমদের ফিরিয়ে দেওয়া হোক। ইজরায়েলের ওপর ফিলিস্তিনিদের এই আঘাত নিজেদের ভূমিকে স্বাধীন করার লড়াই, স্বাধীনতার লড়াই। আজাদী লড়াই। স্বাধীনতার লড়াই কখনো সন্ত্রাসবাদ হতে পারেনা।

সমাবেশে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সায়েম মুহাইমিন বলেন, আপনারা জানেন ফিলিস্তিন ও ইজরায়েলের মধ্যকার এই সংঘর্ষ এক পাক্ষিক। আমাদের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই একটি বিশ্ববিদ্যালয় ‘গাজা বিশ্ববিদ্যালয়’ সন্ত্রাসী ইজরায়েল বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আমরা শিক্ষার্থী হিসেবে বলতে চাই আমরা গাজার সকল ভাই ও বোনদের পাশে আছি। আমরা গাজার প্রতিটি শিশুর অদম্য স্বপ্নের ভিতর বাঁচি। আমরা বলতে চাই আমরা ইব্রাহিমের ঈমান, ইসমাঈলের ইখলাস নিয়ে বাঁচি।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সোহাগ আহমেদ বলেন, ফিলিস্তিনে আমাদের ভাই-বোনদের উপর সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র ইজরায়েল যে বর্বর হামলা চালিয়েছে তাতেও আমরা নিশ্চুপ। ২৩ লক্ষ মানুষকে দীর্ঘ ৭৫ বছর ধরে দখলদার ইজরায়েল নিরীহ ফিলিস্তিনের উপর নির্যাতন করে আসছে। নেতানিয়াহু নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা করছে। একজন মুসলিম হিসাবে আপনি, আমি চুপ থাকতে পারি না। কাল হাশরের ময়দানে আপনাকে জবাবদিহি করতে হবে। ইজরায়েলকে উদ্দেশ্য বলতে চাই তোমরা এই পবিত্র ভূমি থেকে চলে যাও, ফিলিস্তিনকে স্বাধীনতা দাও।

লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইউসুফ ইসলাহী বলেন, আপনারা একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন এই পৃথিবীর ইতিহাস মুসলমানদের নির্যাতিত হওয়ার ইতিহাস। যুগে যুগে যখনি মুসলমানদের উপর এমন সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে তখন সারা পৃথিবীর সমস্ত অমুসলিম শক্তি একত্রিত হয়ে মুসলমানদের উপর হামলা করেছে। সেইসব হামলার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস প্রতিশোধের আগুন নিয়ে জিহাদের ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছে। আমরা সেই নির্যাতিত মুসলমানদের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করার জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়েছি। আমরা আজকে আমাদের এই সংহতি সমাবেশ থেকে জানিয়ে দিতে চাই পৃথিবীর যে প্রান্তেই যখন কোন মুসলমান নির্যাতিত হবে আমাদের অবস্থান সব সময়েই সকল নির্যাতিত মানুষের পক্ষেই থাকবে।

কোনো শর্ত না দিলে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের চিন্তা করা হবে: ওবায়দুল কাদের

কোনো শর্ত না দিলে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের চিন্তা করা হবে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

কোনো শর্ত না দিলে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের বিষয়টি চিন্তা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা জানায়।

মার্কিন প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলের সুপারিশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অর্থবহ সংলাপসহ পাঁচটি সুপারিশের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের জানান, ‘সংলাপের চিন্তা করবো তখন যখন তারা (বিএনপি) চারটি শর্ত প্রত্যাহার করে নেবে। শর্তযুক্ত কোনো সংলাপের ব্যাপারে আমাদের কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই। শর্ত তারা প্রত্যাহার করলে দেখা যাবে।’

তিনি জানায়, ‘অন্য বিষয় (মার্কিন প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের) নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। ওগুলো নিয়ে আমরা সবাই একমত।’

শর্তমুক্তভাবে বিএনপি সংলাপ করতে চাইলে আওয়ামী লীগ সংলাপে বসবে কি না, এ প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তখন চিন্তা করে দেখবো।’

ইসরায়েল একদিনেই ৪০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করলো

ইসরায়েল একদিনেই ৪০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করলো

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজায় নির্বিচার বিমান হামলা চালিয়ে একদিনেই চার শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করলো ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার বরাতে রোববার (১৫ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

খবরে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় গাজা সিটিতে ২৬০ জন, উপত্যকার মধ্যাঞ্চলীয় দেইর আল-বালাহতে ৮০ জন এবং উত্তরাঞ্চলীয় জাবালেয়া শরণার্থী শিবিরে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪০ জন ফিলিস্তিনি। এছাড়া বেইত লাহিয়া শহরে ১০ জন এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে নিহত হয়েছেন আরও ২০ জন।

আল-জাজিরা জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযানে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২১৫ জনে। এদের মধ্যে শিশু রয়েছে অন্তত ৭০০ জন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৮ হাজার ৭১৪ ফিলিস্তিনি।

এছাড়া, গত সপ্তাহ থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে।

বিপরীতে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলে হামাসের হামলায় প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০০ জন। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি।

শনিবার গাজায় রাতভর বোমাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এছাড়া, খান ইউনিসে স্থল অভিযানও চালিয়েছে তারা। জবাবে তেল-আবিবের দিকে রকেট ছুড়েছে হামাস।

ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা আরও বিস্তৃত পরিসরে গাজায় অভিযান চালাতে প্রস্তুত।

নির্বাচন নিয়ে ৫ পরামর্শ মার্কিন প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের

নির্বাচন নিয়ে ৫ পরামর্শ মার্কিন প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের

ডেস্ক রিপোর্ট: 

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে অর্থবহ সংলাপে বসার তাগিদ দিয়েছে মার্কিন নির্বাচনি মিশন। চলতি মাসের ৮-১২ তারিখ পর্যন্ত ঢাকা সফর করেছে প্রতিনিধিদলটি। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে তারা মোট পাঁচটি মতামত তুলে ধরেছে।

মতামতের প্রথমেই সংলাপের আহ্বান করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনের সময় মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে অনুরোধ করা হয়। সেই সঙ্গে নাগরিকের ভিন্ন মতকেও সম্মান জানাতে বলা হয়েছে।

দেশের নাগরিক যেন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে পরামর্শ দেওয়া হয়। রাজনৈতিক সহিংসতাকারী অপরাধীদের জবাবদিহি করার প্রতিও আহ্বান জানানো হয়েছে।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সরেজমিন যাচাই করতে গত ৭ অক্টোবর ঢাকায় আসেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল।

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) যৌথভাবে প্রাক-নির্বাচন সমীক্ষা মিশন পরিচালনা করে। ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করেন তারা।

সফরকালে পর্যবেক্ষক দলের সদস্যরা সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সংগঠন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে কাজ করা বিদেশি দূতাবাস ও বিভিন্ন হাইকমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সরকার ইচ্ছে করে বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে: ড. খন্দকার মারুফ হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার:

সরকার ইচ্ছে করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অসুস্থতা,বয়স এবং সামাজিক মর্যাদা বিবেচনায় তিনি নি:শর্ত মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার’-এইসব কথা বলেছেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

তিনি আজ শনিবার কুমিল্লার চান্দিনায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি এবং বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবিতে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি আয়োজিত গণ-অনশন কর্মসূচিতে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তৃতায় এইসব কথা বলেন।

ড. খন্দকার মারুফ বলেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি এখন এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। তাঁর চিকিৎসা নিয়ে সরকার নানা টালবাহানা করছে। তাঁকে মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে সরকার তাঁর সাংবিধানিক অধিকার হরণ করছে। খালেদা জিয়ার উপর সরকার জুলুম করছে। এটি অন্যায়, অবিচার ও মানবাধিকার লঙ্গন। ইচ্ছে করে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার অভাবে তার কিছু হলে এই দেশের জনগণ সরকারকে ছাড় দিবে না।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া,বেগম খালেদা জিয়া, দেশনায়ক তারেক রহমান ও বিএনপির আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে আওয়ামী লীগ সর্বদাই ভয় পায়। সেই ভয় থেকেই সরকার জিয়া পরিবার ও বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। একের পরে এক নানা কূটকৌশল করছে। মিথ্যা মামলায় তড়িঘড়ি করে ফরমায়েশী সাজা দিয়ে, বানোয়াট মামলায় গ্রেফতার করে বিএনপিকে ভয় দেখাচ্ছে।

ড. খন্দকার মারুফ বলেন, বর্তমান সরকার ২০১৪ ও ২০১৮ স্টাইলে ভূয়া নির্বাচনি নাটকের মহড়া দিয়ে আবারও ক্ষমতায় আসতে চায়। সেই আশা এবার পূরণ হবে না। তাদের ষড়যন্ত্র রুখতে জনগণ মাঠে তৎপর রয়েছে।ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুতই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী স্বৈরশাসকের পতন ঘটবে।

তিনি বলেন,গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়াকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বন্দি রেখে এই দেশে কোন নির্বাচন হবে না। অবিলম্বে দেশনেত্রীকে নি:শর্ত মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দিতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা ও ফ্যাসিস্ট সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। তাহলেই কেবল বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

এই অনশন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো মোস্তাক মিয়া।

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক আক্তারুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্ব্রে ও সদস্য সচিব এ.এফ.এম তারেক মুন্সীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনশন কর্মসূচিতে কুমিল্লা উত্তর জেলার ৭টি উপজেলা এবং ৪টি পৌরসভা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে নবীন বরণ ও বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে নবীন বরণ ও বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

‘যুক্তির বর্ণমালায় গ্রন্থিত হোক মুক্তির কবিতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (সিওইউডিএস) উদ্যোগে নবীনবরণ ও বিতর্ক কর্মশালা ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনশো পঞ্চাশের অধিক তরুণ বিতার্কিক ও বিতর্কে আগ্রহীদের নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শনিবার (১৪ অক্টোবর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন স্বপ্নচূড়া রিসোর্টে সকাল ১০টায় সিওইউডিএস এর সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাউসার আহাম্মেদ বাঁধনের সঞ্চালনায়
কর্মশালাটি শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৫টায় শেষ হয়।

এ বিষয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের সাংগঠনিক একটি রুটিন ওয়ার্ক হলো বিতর্ক কর্মশালা। নতুন বিতর্কিকদের বিতর্ক বিষয়ে একটি সম্যক ধারনা দিতেই আজকের এই কর্মশালার আয়োজন। এর মাধ্যমে নতুনরা বিতর্কের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবে।

এছাড়াও বছরজুড়ে বিতার্কিকদের নিয়ে আমরা বিভিন্ন কর্মশালার আয়োজন করে থাকি। যা শিক্ষার্থীদের একজন দক্ষ বিতার্কিক হয়ে উঠতে সাহায্য করে।’

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর ড. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব দীপু। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিব হোসেন সানি, বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের (বিডিএফ) সাধারণ সম্পাদক জিহাদ আল মেহেদী এবং কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান।

এসময় প্রশিক্ষকবৃন্দ বিতর্ক কি ও কেন, বিতর্কের ধরন ও বিতর্ক কেন করব, সংসদীয় বিতর্ক ও বর্তমান বিতর্কের প্রেক্ষাপট, বিতর্কে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিতর্কের প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য, কর্মশালা শেষে একটি প্রদর্শনী বিতর্কের মধ্যদিয়ে তরুণ বিতার্কিকদের বিতর্ক সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করা হয় এবং কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (সিওইউডিএস) সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠী নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী

সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠী নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

সিন্ডিকেট বলে কোনো সংস্থা বা গোষ্ঠী নেই বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে কৃষিজ পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছা নিয়ে এক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, প্রতিনিয়তই ভোক্তা বাড়ছে। পণ্যের যোগান সুনির্দিষ্ট কিন্তু চাহিদা ক্রমবর্ধমান। ফলে মাঝে মাঝেই বাজার অস্থির ও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে। সিন্ডিকেট বলে কোনো সংস্থা বা গোষ্ঠী নেই।

‘তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কৌশল আছে। যা প্রায়ই পণ্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়। পণ্য পরিবহণে পথে পথে চাঁদাবাজি থাকলেও আগের চেয়ে কম। পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য দ্রুত আমদানি করতে হবে। চাহিদা মোতাবেক পণ্য আমদানিতে আমলাতন্ত্রিকতা করা যাবে না। ’

এমএ মান্নান আরও জানায়, পুলিশি অভিযান বা জরিমানা করে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সাময়িক। টিসিবিকে জীবিত রেখে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় পণ্য সরকারিভাবে মজুদ ও উৎপাদন বাড়িয়ে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকালীন চা, চিনিসহ আরও কিছু পণ্যের চাহিদা বাড়ায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির যৌথ আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ছায়া সংসদে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিতার্কিকদের হারিয়ে ইডেন কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, দৌলত আক্তার মালা ও কাবেরী মৈত্রেয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলকে ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত ১১ সাংবাদিক

হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত ১১ সাংবাদিক

ডেস্ক রিপোর্ট:

অব্যাহত বিমান হামলা, স্থল লড়াই আর ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মাঝে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের সংবাদ পরিবেশন সাংবাদিকদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক করে তুলেছে। শনিবার সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার বৈশ্বিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বলেছে, হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে এক সপ্তাহে অন্তত ১১ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

সংগঠনটি বলছে, নিহত সাংবাদিকদের মধ্যে ৯ জন ফিলিস্তিনি, একজন লেবানন এবং একজন ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত। এছাড়া যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের সময় ইসরায়েলি এক সাংবাদিক নিখোঁজ এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

চলমান যুদ্ধে গাজা উপত্যকায় অথবা এর কাছের এলাকায় নিহত, আহত এবং নিখোঁজ অন্যান্য সাংবাদিকদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই সংগঠন। সিপিজে বলছে, শুক্রবার লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর গোলার আঘাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একজন ভিডিওগ্রাফার নিহত এবং আরও কমপক্ষে ৬ সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের মধ্যপ্রাচ্য সমন্বয়ক শেরিফ মনসুর বলেছেন, গাজার সাংবাদিকরা সেখানকার তথ্য সংগ্রহ এবং প্রকাশের চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদের যুদ্ধের ময়দান থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাপক লড়াই করছেন।

তিনি জানান, ইসরায়েলি হামলায় অনেক সাংবাদিক তাদের বাড়িঘর এবং অফিস হারিয়ে ফেলেছেন। বর্তমানে অনেকে হাসপাতালে থেকে কাজ করছেন। কারণ সাংবাদিকের কাজের জন্য এখন এটাই একমাত্র জায়গা; যেখানে তারা বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট পরিষেবা পেতে পারেন।

সিপিজে বলছে, গাজার সাংবাদিকরা চলমান বিমান হামলার মাঝে সংবাদ সংগ্রহ এবং পরিবেশনে উচ্চ ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছেন।

শেরিফ মনসুর জানায়, সাংবাদিকরা সংকটের সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। বেসামরিক ব্যক্তি এবং যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা উচিত নয়। সাংবাদিকরা এই গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের খবর পরিবেশনের জন্য অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার করছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সবপক্ষকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সুত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট, আনাদোলু।

খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না : শেখ হাসিনা

খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না : শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

সরকারপ্রধান জানান, খালেদা জিয়া পাকিস্তানের ধারাবাহিকতা নিয়ে চলতে চেয়েছিল। জাতির পিতার হত্যাকারীকে ভোট চুরি করে পার্লামেন্টে বসিয়েছিল। আর আল বদর, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, যারা এ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, মা বোনকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে দিয়েছে, তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল। জিয়াও বসিয়েছিল, এরশাদও, খালেদা জিয়াও। কাজেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এদের কোনো অবদান নেই। তারা সেটা করতেও চায় না। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়।

আওয়ামী লীগ অনেক সংগ্রামের পথ বেয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা জানায়, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলে একটা দেশের যে উন্নতি হয়, যারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে তারা ক্ষমতা থাকলে যে দেশের জন্য উন্নতি হয়, আজ আমরা সেটা প্রমাণ করেছি।

কুমিল্লায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে একই দিনে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ

কুমিল্লায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে একই দিনে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ

উপজেলা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার হোমনায় একই দিনে একই গ্রামে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন প্রশাসন। পৌরসভার বাগমারা গ্রামে ওই দুই বাড়িতে দুটি বিয়ের আয়োজন চলছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইউছুফ হাসান শনিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কনেদের একজন নবম শ্রেণি এবং অপরজন সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। উভয়ের বর প্রবাসী। বরের একজনের বাড়ি উপজেলার বড় ঘারমোড়া এবং অন্যজনের বাড়ি একই উপজেলার বিজয়নগর গ্রামে। শুক্রবার পুলিশসহ দুই বিয়ে বাড়িতে যান নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইউছুফ হাসান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাল্যবিয়ে দুটি বন্ধ করে উভয় অনুষ্ঠান আয়োজক পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। এছাড়া ভবিষ্যতে বাল্যবিয়ে দেবে না মর্মে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করেন।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইউছুফ হাসান জানান, বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তা বন্ধ করি। মেয়ে দুটি একজন নবম শ্রেণিতে ও আরেকজন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। আর বর দুজনই প্রবাসী। কনের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবে না মর্মে তা বন্ধ করা হয়।