All posts by jitu

কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ। আজ বুধবার সকালে দোনারচরের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা ও নাশকতার অভিযোগে দাউদকান্দি মডেল থানায় গতকাল মঙ্গলবার পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় আজ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক জানান, আজ বুধবার তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লায় ছাত্রদলের ৫ কর্মী আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা তিনদিনের অবরোধের দ্বিতীয় দিন গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর এলাকায় অবরোধের সমর্থনে গাড়ি ভাঙচুর করেছে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় আটক তিনজন হলেন ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলার ছাত্রদল নেতা আোঃআশিকুর রহমান, মোজাম্মেল আখন্দ তানিম ও রহমতউল্লাহ।

এদিকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় পিকেটিং করার সময় আতিক রুবেল নামে একজন ও চৌদ্দগ্রাম থেকে আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়।

কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) খন্দকার আশফাকুজ্জামান জানান, অবরোধের সমর্থনে গাড়ি ভাঙচুরের সময় পুলিশ হাতেনাতে ছাত্রদলের ৫ জনকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

 প্রেমের কবিতা: চুমোর আল্পনা

রাহুল রাজ:

বুকের সাথে বুক মিলল, হাতের সাথে হাত
ঠোঁটের সাথে ঠোঁটের ছোঁয়ায় দু’জন কুপোকাত।

চুল গুলো তার হাওয়ায় দোলে, লজ্জা হল বাঁধা
আগুন আগুন খেলায় প্রেম সবে মাত্র আধা।

বন্ধ চোখে আবেগ ভরা সময় ছিল থেমে
লজ্জা ভরা শরীর দু’টো লেপটে ছিল প্রেমে।

প্রেমার সারা গায়ে এঁকেছি আমি চুমোর আল্পনা
দোহাই লাগে কলঙ্ক দিয়ো না, সবি ছিল কল্পনা।

ভোট সুষ্ঠু করতে ইসিকে সহায়তা দেবে আমলারা

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যখন যে সহায়তা চাইবে, তখন সেই সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন আমলারা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বুধবার (০১ নভেম্বর) বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে ভোটে কার কী দায়িত্ব, তা নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর নির্বাহী পরিচালক বা উপযুক্ত কর্মকর্তা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, অর্থ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (সমন্বয় ও সংস্কার) সচিব এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ ২৯ জন কর্মকর্তা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে ইসি সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, সবাই আগে থেকেই অবগত রয়েছেন নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সংবিধানের যে সময়সীমা আছে, সেই সময়ে আয়োজনে বদ্ধ পরিকর। তাই এই নির্বাচনের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত বিভিন্ন দপ্তর, বিভাগ ও মন্ত্রণালয়; এদের প্রধানদের নিয়ে পর্যায়ক্রমে আমরা সভা করছি। গত পরশুদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মিটিং করেছি। আজকে সিভিল জনপ্রশাসনের সিনিয়র সচিব, মহাপরিচালক, দপ্তর প্রধান ও প্রধান প্রকৌশলীদের সঙ্গে সভা করেছি।

তিনি বলেন, বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করা। এজন্য স্ব স্ব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের যা কিছু করণীয় রয়েছে তা অবহিত করা হয়। নতুন যে বিধি বিধান রয়েছে তার আলোকে কি করণীয় তা তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়। আজকের সভায় জনপ্রশাসন ও জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবসহ বিভিন্ন দপ্তরের ২৯ জন কর্মকর্তারা তাদের বক্তব্য রেখেছেন। নির্বাচনে যা যা করণীয় তারা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক বাস্তবায়ন করবেন বলে কমিশনকে আশ্বস্ত করেছেন। নির্বাচন কমিশনও তাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। যাতে করে নির্বাচন পিচফুলি সুন্দরভাবে আয়োজন হয়।

ইসি সচিব আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, তথ্য, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, নৌ পরিবহন, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ, মাধ্যমিক শিক্ষা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যার যেটুকু করণীয় সেই বিষয়টুকু স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে করে নির্বাচনের সময় কোথাও কোনো সমস্যার সৃষ্টি না হয়। এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কমিশন তাদের বক্তব্যও ধৈর্য সহকারে শুনেছেন। নির্বাচন কমিশন যে সহায়তা প্রত্যাশা করেন, তারা তাদের সেই সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

ইসি সচিব আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। আমরা কিছু গাইডলাইন দেখিয়েছিলাম সেই আলোকে আলোচনা হয়েছে, সবগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

পোস্টাল ব্যালটে ভোট হবে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, আইনের আলোকে শুধু এবার না সবসময় ভোট দেওয়া যায় এবারও যাবে।

ঋণ খেলাপি প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, আইন যে সংশোধন হয়েছে নমিনেশন জমা দেওয়ার সর্বশেষ যে তারিখ আছে ওই দিনের আগের দিন পর্যন্ত যারা ঋণ খেলাপি তারা টাকা পয়সা জমা দেবেন। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় তারা যাতে রিটার্নিং অফিসারের কাছে হালনাগাদ তথ্য জমা দিতে পারেন।

দুর্গম এলাকায় ব্যালট পেপার পাঠানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি জানিয়ে জাহাংগীর আলম বলেন, আমি অনেক আগেই বলেছি, নির্বাচন কমিশনের বার্তা একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা। এর জন্য সংবিধান যাদের ওপরে যে দায়িত্ব দিয়েছে সেই দায়িত্ব তারা যাতে যথাযথভাবে পালন করবেন।

সংলাপের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের বিনীতভাবে জানাতে চাই, ইসি সংলাপের আয়োজন করেননি। তবে নিবন্ধিত যে রাজনৈতিক দলগুলো রয়েছে সেই পার্টি থেকে দুই জন করে মনোনীত ব্যক্তিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদক অথবা তাদের মনোনীত দুজন প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশন যে সব আয়োজন করছে সেই বিষয়ে অবহিতকরণ করা হবে।

৪৪টা রাজনৈতিক দলের মধ্য বিএনপিও আছে। কিন্তু বর্তমানে রাজনৈতিক যে প্রেক্ষাপট কেউ পলাতক কেউ জেলে। বিএনপি যদি বলে তাদের কোনো প্রতিনিধিও নাই। তাহলে কি করা হবে। বিএনপি যদি সময় চায় তখন কি করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘নো কমেন্ট’।

আমরাও সংলাপে বিশ্বাস করি, শর্তহীনভাবে এলে স্বাগত জানাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সারাহ কুক (ব্রিটেনের হাইকমিশনার) সংলাপের বিষয়টি তুলেছেন। আমরা বলেছি, আমরাও সংলাপে বিশ্বাস করি। সারাহ কুকও বলেছেন, সংলাপের প্রয়োজন আছে।

আপনারা সংলাপের উদ্যোগ নেবেন কি না– সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শর্তহীনভাবে যারা আসবেন, তাদের স্বাগত জানাব। আমরা দরজা বন্ধ রাখিনি। তবে সবকিছু হতে হবে সংবিধান অনুসারে।

বুধবার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশে ব্রিটেনের হাইকমিশনার সারাহ ক্যাথেরিন কুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ব্রাসেলস সফর নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে এক সাংবাদিক জানতে চান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস নির্বাচন নিয়ে শর্তহীন সংলাপে বসার কথা বলেছেন। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী?

বিএনপিকে খুনিদের দল আখ্যা দিয়ে দলটির সঙ্গে সংলাপের বিষয়টি একরকম উড়িয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, খুনিদের সঙ্গে আবার কীসের সংলাপ?

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কার সঙ্গে সংলাপ? বিরোধী দলের সঙ্গে। কোন বিরোধী দল? বিরোধী দলটা কে? সংসদীয় নিয়মে বিরোধী দলের একটা ব্যাখ্যা আছে। বিরোধী দল হচ্ছে সেই দল যাদের সংসদে নির্বাচিত প্রতিনিধি আছে। এর বাইরেরগুলো পরিগণিত হয় না। আমেরিকায়ও হয় না। ট্রাম্পকে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) কী বলবে? যদিও আমরা তাদের মতো সরকার ব্যবস্থায় নেই। এটা মাথায় রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা মানুষের সম্পদ নষ্ট করেছে, যারা আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নষ্ট করেছে, তারা বসে বসে ডিনার খাক (মার্কিন রাষ্ট্রদূত), ডায়ালগ করুক। এটা আমাদের দেশ, আমরা স্বাধীনতা এনেছি রক্ত দিয়ে।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচিত হলেন সায়মা ওয়াজেদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা ৮-২ ভোটের ব্যবধানে এ পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

বুধবার (১ নভেম্বর) নয়া দিল্লিতে নতুন আঞ্চলিক পরিচালক পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সায়মা ওয়াজেদ পেয়েছেন ৮টি দেশের সমর্থন। অন্যদিকে নেপালের প্রার্থী পেয়েছেন ২টি দেশের সমর্থন। এ অঞ্চলে সংস্থাটির সদস্য ১১টি দেশ। এরমধ্যে মিয়ানমার এবার ভোট দিতে পারেনি। এর ফলে আগামী ৫ বছরের জন্য দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা এর আগেও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় অটিজম বিশেষজ্ঞ এবং পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে এখন দায়িত্ব পালন করছেন ভারতের পুণম ক্ষেত্রপাল। সায়মা ওয়াজেদ পুতুল দায়িত্ব গ্রহণ করলে তিনিই হবেন এ পদে প্রথম বাংলাদেশি।

এর আগে সরকার সায়মা ওয়াজেদকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়ন দেয়। প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থন দেয়।

পুলিশের ওপর হামলা-অগ্নিসংযোগে জড়িতদেরই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে: আইজিপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

পুলিশের ওপর হামলা ও অগ্নিসংযোগে যারা জড়িত তাদেরকেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

বুধবার (১ নভেম্বর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বিএনপির মহাসমাবেশে হামলায় আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে এসে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আইজিপি বলেন, আমরা তাদের (বিএনপি) শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অনুমতি দিয়েছিলাম। সেখানে তারা প্রথমে প্রধান বিচারপতির বাসায় হামলা চালায় এবং আমাদের পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা করে। কীভাবে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে তারা আমাদের ওপর হামলা করে আমাদের পুলিশ সদস্যদের আহত করেছে। আহত বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। তারা মহাসমাবেশে যোগ দেওয়ার আগেই বাসে অগ্নিসংযোগ করেছে। ঘটনার সঙ্গে যেসব দুষ্কৃতিকারী জড়িত তাদের প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করা হবে।

সাংবাদিকদেরকেও টার্গেট করে হামলা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা তাদের জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদেরকেও টার্গেট করে হামলা চালানো হচ্ছে। তারা যে অপরাধ করছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে সেটি তাদের বিরুদ্ধে চলে যাবে, সেজন্য তারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তায় মানুষ নিরাপদে চলতে পারবে সেটাও যেমন তার অধিকার, রাজনৈতিক দল প্রোগ্রাম করবে সেটাও তাদের অধিকার। কিন্তু মানুষ নিরাপদে চলাচলের ক্ষেত্রে কেউ যদি বাধা সৃষ্টি করে জান-মালের ক্ষতিসাধন করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জো বাইডেনের কথিত উপদেষ্টা এবং একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে আপনারা গ্রেপ্তার করেছেন, এর পেছনে আর কারা জড়িত আছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর পেছনে কারা জড়িত আছে সে বিষয় নিয়ে আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে। এ বিষয়টি তদন্তাধীন, তাই মন্তব্য করতে চাই না।

এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৩ উন্নয়ন প্রকল্পের যৌথভাবে উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি

ডেস্ক রিপোর্ট:

তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের যৌথভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বুধবার (১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ভার্চুয়ালি এই প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করা হয়। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন শেখ হাসিনা। নয়াদিল্লি থেকে যুক্ত হন নরেন্দ্র মোদি।

প্রকল্প তিনটি হলো : আখাউড়া-আগরতলা আন্তঃসীমান্ত রেল সংযোগ, খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন এবং মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিট।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) ভারত সরকার বলেছে, এই প্রকল্পগুলো ভারতের সহায়তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে, যা এই অঞ্চলে সংযোগ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করবে।

আখাউড়া-আগরতলা আন্তঃসীমান্ত রেল সংযোগ প্রকল্পটি ভারত সরকারের ৩৯২ কোটি ৫২ লাখ টাকার অনুদান সহায়তার আওতায় বাস্তবায়িত হয়েছে। রেলপথটি চালুর ফলে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। জানা গেছে, উদ্বোধনের পর প্রথমদিকে পণ্যবাহী ট্রেন এবং পরবর্তী সময়ে যাত্রীবাহী ট্রেনও চালানো হবে এই রুটে।

খুলনা-মোংলা বন্দর রেল লাইন প্রকল্পটি ভারত সরকারের ছাড়ের লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় ৩৮৮ দশমিক ৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর মোংলা ব্রডগেজ রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎ প্রকল্পে ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভারতীয় ঋণ সহায়তার আওতায় বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের রামপালে অবস্থিত একটি ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট (২x৬৬০) সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট (এমএসটিপিপি) প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়।

ফের সড়কে ক্ষুব্ধ পোশাক শ্রমিকরা, মিরপুরে যান চলাচল বন্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানীর মিরপুরে আবারও সড়কে অবস্থান নিয়েছে পোশাক শ্রমিকরা। এতে মিরপুর ১০ নম্বর থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রিকশাও এ পথে চলতে দেওয়া হচ্ছে না। সাংবাদিকদের ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পোশাক শ্রমিকরা মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে অবস্থান নেয়। এ সময় এ এলাকায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে সকাল ৯টায় মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর থেকে ১৪ নম্বরের দিকে চলে যায় তারা।

এ সময় কয়েকটি গার্মেন্টসের ফটক ভাঙচুর করতে দেখা যায় শ্রমিকদের। সকাল ১০টার দিকে শ্রমিকরা মিছিল নিয়ে আবার মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরের দিকে যায়।

গার্মেন্ট শ্রমিক ইমতিয়াজ জানান, শ্রমিকদের একটি বড় অংশ মিরপুর ১১ নম্বরে অবস্থান নিয়েছে। এখন তারা সেখানেই জড়ো হবেন।

সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার বিষয় তিনি জানায়, তাদের আন্দোলনের বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছে দুটি টেলিভিশন চ্যানেল। সেকারণে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের কাজে বাধা দিচ্ছে।

একটা হার্ড কারেন্সির ওপর আমাদের নির্ভরশীল থাকতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

‘দেশে প্রচলিত কার্ডগুলো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত। আন্তর্জাতিকভাবে কোনো বৈরি পরিবেশ হলেও যেন আমাদের অর্থনীতি সচল থাকে, সেজন্য নিজস্ব মুদ্রায় এ কার্ডের প্রচলন করেছি। এটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পরনির্ভরশীলতা কাটবে। বিশেষ করে, একটা হার্ড কারেন্সির ওপর আমাদের নির্ভরশীল হতে হবে না।’

বুধবার( ১ নভেম্বর) সকাল ১০টার পর গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ন্যাশনাল কার্ড ‘টাকা-পে’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমি আজ খুবই আনন্দিত, আর কারো ওপর আমাদের নির্ভরশীল থাকতে হবে না। টাকা আমাদের দেশের, আমরা নিজেরাই ব্যবহার করবো। নিয়ন্ত্রণও আমরাই করবো। অন্যদের সঙ্গেও সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করবো। তবে একটা হার্ড কারেন্সির ওপর যাতে নির্ভরশীল না হতে হয়, সে ব্যবস্থাটা করেছি। আমি আজকে ন্যাশনাল কার্ড স্কিম ‘টাকা-পে’র শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাপকভাবে বেসরকারি ব্যাংক করে দিয়েছি। এখানে অনেক বাধা ছিল। অনেকে বলেছে, ছোট অর্থনীতি আমাদের, এতগুলো ব্যাংক অর্থনীতির জন্য লাভজনক হবে না। আমি বলেছি, আমাদের এই ছোট অর্থনীতি থাকবে না, বড় হবে। তখন এই ব্যাংকগুলো কাজে দেবে। আমাদের সে কথা এখন সত্য প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে কীভাবে ‘টাকা-পে’র সুবিধাটা সহজ করার যায়, সে ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। আমাদের প্রবাসীরা অনেক সময় বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন মুদ্রায় কামাই করে। তারা সেখান থেকে ডলার কিনে দেশে পাঠাতে হয়। সে যাতে ওই দেশের মুদ্রা, সরাসরি টাকায় পাঠাতে পারেন ন্যাশনাল কার্ড স্কিম এর মাধ্যমে। সে ব্যবস্থা সহজ করতে হবে।

সরকার প্রধান বলেন, আমরা এখন ক্যাশলেস সোসাইটি করতে চাই। আজকের ন্যাশনাল কার্ড স্কিম ‘টাকা-পে’ বাংলাদেশের জন্য একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এতদিন আন্তর্জাতিক কোম্পানির মাধ্যমে কার্ড পরিচালনা হতো, অনেক খরচ হতো, অন্যের নিয়ন্ত্রণ থাকতো। এখন সব আমাদের দেশের মাধ্যমেই হবে। টাকা যেহেতু বাংলাদেশের। সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে বাংলাদেশের। প্রায় সময় আন্তর্জাতিকভাবে বৈরি পরিবেশ হয়। সেক্ষেত্রে যেন আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাটা সচল থাকে, সেজন্যও এই পদক্ষেপ। এজন্য আমি অনেক বেশি আনন্দিত। এর পেছনে আরেকটা কারণ আছে যেটা এখন বলার দরকার নেই।

তিনি বলেন, ব্যবসা বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি। শ্রমিকদের মজুরি ঠিকমত পেতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, এজন্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থাটাও সেভাবে স্বাধীন সার্বভৌম করে গড়ে তুলছি।