All posts by jitu

কানাডাকে খুনিদের আশ্রয়স্থল বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কানাডাকে খুনিদের আশ্রয়স্থল বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

পালটে যাচ্ছে কূটনৈতিক দৃশ্যপট। খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার কারণে ভারত ও কানাডার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর, বাংলাদেশ এখন কানাডার প্রত্যর্পণনীতির বিরুদ্ধে নিজস্ব অভিযোগ তুলেছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি নূর চৌধুরীকে হস্তান্তর করতে কানাডার অস্বীকৃতি এখন এ বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন একটি মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, কানাডা সব খুনিদের আবাসস্থল হতে পারে না। একদিকে খুনিরা কানাডায় গিয়ে নিরাপদে রয়েছে, অন্যদিকে নিহতের পরিবারের আত্মীয়রা কষ্টে দিনযাপন করছেন।

মোমেন মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি আরও বিশদভাবে বর্ণনা করে জানান, আমাদের বিচার বিভাগ খুবই স্বাধীন এবং সরকার এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে নূর চৌধুরী মৃত্যুদণ্ডের আসামি। নূর চৌধুরী এবং রশিদ চৌধুরী উভয়েই যদি বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন তাহলে প্রেসিডেন্ট তাদের প্রাণভিক্ষার আবেদন মঞ্জুর করে তাদের সাজা মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারেন।

ইন্ডিয়া টুডের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর পালিয়ে আসা দুই ব্যক্তি হলেন নূর চৌধুরী ও রশিদ চৌধুরী। একজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেছে অন্যজন কানাডায়। নূর চৌধুরীর বয়স এখন ৭০। ২০১৯ সালের দিকে কিছু কথোপকথনের পরিপ্রেক্ষিতে আশা ছিল যে, কিছু সমাধান হয়তো বের হতে পারে। আসলে তা ঘটেনি। আপনি কি মনে করেন যে, মৃত্যুদণ্ডই একমাত্র কারণ যার কারণে নূর চৌধুরীকে কানাডা প্রত্যর্পণ করছে না, নাকি ভারত বা বাংলাদেশ যেই হোক না কেন কানাডার মধ্যে অনীহা রয়েছে এসব লোকদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে?

উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানায়, কানাডার সমস্যা হলো তাদের একের পর এক অজুহাত রয়েছে এবং সেটাই বোধগম্য নয়। তাদের আইন আছে, কিন্তু আইন অবশ্যই একজন খুনিকে রক্ষা করবে না। আইন অবশ্যই এ খারাপ লোকদের রক্ষা করবে না; কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কানাডা করছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে, ১৯৭৫ সালে যখন আমাদের জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়েছিল তখন আমাদের একের পর এক সামরিক সরকার ছিল এবং সেই সামরিক সরকারগুলো এই খুনিদের শুধু পুরস্কৃত করেনি, তারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ মিশনে এবং ভালো চাকরিতে দাখিল করেছিল।

সামরিক সরকার একটি আইন পাশ করেছে যে, আপনি খুনিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন না, তাই পরিবারের সদস্যরা খুনিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে না। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে সেই শাসন পরিবর্তনের জন্য ক্ষমতায় আসতে প্রায় ২১ বছর ধরে লড়াই করতে হয়েছিল। আমরা সেই লোকদের বিরুদ্ধে আদালতে যথাযথ প্রক্রিয়া শুরু করেছি যারা আমাদের জাতির পিতার খুনি এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত দ্বারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছে।

আমরা কানাডিয়ান সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ জমা দিয়েছি যে, প্রক্রিয়াটি ন্যায্য, ন্যায়পরায়ণ ছিল এবং এটি সমস্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত এই খুনিরা কানাডায় আশ্রয় নিয়েছিল। নূর চৌধুরী এবং রশিদ চৌধুরী এই দুই খুনি কানাডায় ভালো জীবনযাপন করছে, যদিও ভুক্তভোগীদের পরিবার এখনো কষ্ট পাচ্ছে।

সূত্র: যুগান্তর

ছেলে প্রতারণার শিকার, সাহায্য চান চিত্রনায়ক ওমর সানী

ছেলে প্রতারণার শিকার, সাহায্য চান চিত্রনায়ক ওমর সানী

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকাই সিনেমার নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী অভিযোগ করেছেন, তার ছেলে ফারদিন এহসান ভয়াবহ প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বিট কয়েন এবং ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে এক ব্যক্তির সঙ্গে ২ কোটি ৫ লাখ টাকার লেনদেন করে প্রতারিত হয়েছেন ফারদিন।

ওমর সানী ছেলের প্রতারিত হওয়ার এই ঘটনা ফেসবুকে শেয়ার করে গণমাধ্যম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য চেয়েছেন।

ওমর সানী-মৌসুমী দম্পতির ছেলে ফারদিনের অভিযোগ, তার সঙ্গে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে নিশাত বিন জিয়া রুম্মান নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের ৪ মাস পর ব্যবসার কথা বলে ফারদিনের কাছ থেকে পুঁজি হিসেবে টাকা ধার নেন নিশাত। কয়েক ধাপে নিশাতকে সর্বমোট ২ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেন ফারদিন। এ টাকাগুলো তিনি তাকে দিয়েছেন বিট কয়েন এবং ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে।

ফারদিন জানায়, পরে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখেন নিশাত নামের সেই ব্যক্তির কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। এমনকি নেই ব্যবসায়ের বৈধ ট্রেড লাইসেন্সও। এরপর নিশাতের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ফারদিন জানান, আমি ধাপে ধাপে তাকে ব্যবসায়িক বিনিয়োগে ধার হিসেবে ২ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা প্রদান করেছি। তার বিপরীতে তাকে বলেছি যে আমাকে সিকিউরিটি হিসেবে আমার বিনিয়োগ মূল্যের ব্যাংকের চেক প্রদান করতে হবে এবং সেই চেক প্রদান করে সে আমার থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পুরো টাকা বুঝে নেন। কিন্তু এক মাস যেতে না যেতেই তার বিভিন্ন বাহানা শুরু হয়। এটি একটি ব্যবসায়িক চুক্তি, একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে আরেকজন ব্যবসায়ীর। প্রথম মাসে আমিসহ সবাইকেই চুক্তি মোতাবেক অর্থ প্রদান করলেও তারপর থেকে শুরু হয় বিভিন্ন বাহানা। অধিক অর্থ লাভের লোভে কোনো অ্যাপস বা সফটওয়্যারে কোনো টাকা দেওয়া হয়নি। আমি এবং তার পাশাপাশি আরও যারা ভুক্তভোগী আছেন সবাই তাকে একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী এএলএম জিয়াউল হকের ছেলে নতুন একটি ব্যবসা করতে চাচ্ছে সেই সুবাদেই অর্থ বিনিয়োগ করে। যখন এই ছেলে আমাকে এবং অন্যদেরকে টাকা দিতে ব্যর্থ হয় তখন তার বাবার সঙ্গে আমরা দেখা করলে তার বাবা আমাদেরকে আস্তে আস্তে টাকা দিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দেন। তারপর গোপন সূত্রে আমি জানতে পারি তারা সবাইকে একই কথা বলে সবার থেকে কিছু সময় আদায় করে নিচ্ছিলেন।

ফারদিন জানায়, তার (নিশাত) বাবা আমার কাছে পাঁচ দিনের সময় চেয়েছিলেন। তিনি সুইজারল্যান্ডে যাবেন সেখান থেকে এসে আমার সঙ্গে মিটিং করার কথা থাকলেও আজও তা হয়নি। বিভিন্ন সময় তার কাছে আমার টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে আমাকে এবং আমার অফিসের কর্মচারীদের হয়রানির শিকার হতে হয়। কিন্তু আমরা যখন আমাদের টাকা চাচ্ছি তখন তিনি তার পার্টনার সাহিল মোস্তাভি এবং তার স্ত্রী আফরা বাসনিন (যিনি এই পুরো স্ক্যামের মধ্যে জড়িত) দুবাই ঘুরে বেড়াচ্ছে। নিশাত বিন জিয়া প্রতারণা করে দুবাই অর্থ পাচার করে। পরে আরও জানা যায়, প্রতারণার টাকা দিয়ে তার উচ্চবিলাসী জীবন দেখিয়ে গত ৮ মাসে প্রায় ৩০ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং পাচার করে।

ফারদিন বলেন, এই ভণ্ড প্রতারকের ভণ্ডামি দেখে এক মাস আগে তার প্রদানকৃত সব চেকগুলো নিয়ে তাকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন। সেই সঙ্গে ডিবি অফিসে অভিযোগ দেন। অর্থ পাচারকারীর মূলহোতা সাহিল মোস্তাভি (দুবাই প্রবাসী তবে এখন বাংলাদেশে) এবং প্রতারণা পরিচালনা করতেন নিশাত বিন জিয়া রুম্মান এবং তার স্ত্রী আফরা বাসনিন।

ওমর সানির ছেলে আরও বলেন, লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা আছে- আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পুরোপুরি ফেরত না দিলে চেকের উপরে এনআই অ্যাক্ট মামলা দিতে বাধ্য থাকিব।

যেকোনো বাংলাদেশি ভিসা বিধিনিষেধে পড়তে পারে : মিলার

যেকোনো বাংলাদেশি ভিসা বিধিনিষেধে পড়তে পারে : মিলার

ডেস্ক রিপোর্ট:

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করলে প্রয়োজন অনুসারে যেকোনো বাংলাদেশির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মুখপাত্র ম্যাথু মিলার। এ সময় ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসসহ অন্য সকল কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার পরিধি আরও বিস্তৃত করছে- এমন এক প্রশ্নের জাবাবে ম্যাথু মিলার জানায়, আমি এখন নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ ঘোষণা করতে যাচ্ছি না।

তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের ঘোষণা অনুসারে বাংলাদেশে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ করার কাজে দায়ী কিংবা জড়িত থাকার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সরকার এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর ভিসানীতি কার্যকর করার পদক্ষেপ আমরা শুরু করেছি।

মুখপাত্র মিলার আরো বলেন, গত ২৪ মে ভিসানীতি ঘোষণার সময় আমরা এটা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছি। আমরা ভিসানীতির কথা বলেছি তবে কারও নাম উল্লেখ করিনি। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দুর্বল ও বাধাগ্রস্থ করার কাজে দায়ী কিংবা জড়িত যেকোনও বাংলাদেশির ক্ষেত্রে এই ভিসা নীতি কার্যকর হবে।

অন্য যেকোনও ব্যক্তির ক্ষেত্রে যদি আমরা মনে করি তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে আমরা এই নীতি প্রয়োগ করব।

বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে তিনি জানান, আমি মার্কিন দূতাবাস বা সেখানে কর্মরত কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে নির্দিষ্ট বিবরণ নিয়ে আলোচনা করব না। তবে আমি বলব, অবশ্যই আমাদের কূটনৈতিক কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিয়েনা কনভেনশনের কূটনৈতিক সম্পর্কের শর্ত অনুসারে, প্রতিটি স্বাগতিক দেশ অবশ্যই সকল দূতাবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা মেনে চলবে।

পাশাপাশি কূটনীতিকদের ওপর যেন কোনো ধরনের হামলা না হয় তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্ব দেয় জানিয়ে ম্যাথু মিলার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রসহ সকল বিদেশি দূতাবাস এবং কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ক্রিকেটারকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন অভিনেত্রী পূজা হেগড়ে!

ক্রিকেটারকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন অভিনেত্রী পূজা হেগড়ে!

ডেস্ক রিপোর্ট:

সদ্যই বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার বিয়ে হয়েছে। রাজনীতিবিদ রাঘব চাড্ডার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন অভিনেত্রী। এরই মধ্যে আরেক অভিনেত্রীর বিয়ের খবর মিলছে বলিউডের বাতাসে। ফের বলিউডে বাজতে চলেছে বিয়ের সানাই! বিয়ে করতে যাচ্ছেন অভিনেত্রী পূজা হেগড়ে!

শোনা যাচ্ছে, মোটামুটি সব কিছুই নাকি ঠিকঠাক! খুব শিগগির নাকি নিজের বিয়ের খবর সবার সামনে আনবেন পূজা।

তবে কে সেই ক্রিকেটার, সেই সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি এখনো।

সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুসারে, বেশ কিছু দিন ধরেই নাকি মুম্বাইবাসী এক ক্রিকেটারের সঙ্গে মেলামেশা করছেন পূজা। তার সঙ্গেই নাকি সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন পূজা। তবে এই বিয়ে নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ অভিনেত্রী।

পূজা হেগড়ের বিয়ের গুঞ্জন সামাজিকমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আগে জানা গিয়েছিল যে পূজা হেগড়ে কর্নাটকের একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে ডেটিং করছিলেন, যদিও সেই বিষয়ে কখনো মুখ খোলেননি পূজা। সম্প্রতি সালমান খানের ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’ চলচ্চিত্রেও দেখা গেছে পূজাকে।

পূজার সঙ্গে আগামী দুটি সিনেমা করেতে যাচ্ছেন সালমান খান। এর পরই সালমান খানের সঙ্গে পূজার প্রেমের গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। যদিও পূজা সালমানের বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন।

হৃতিকের সঙ্গে ‘মহেঞ্জোদারো’ দিয়ে বলিউডে পা রাখেন পূজা।এর পর ‘রাধে শ্য়াম’, ‘সার্কাস’, ‘বিস্ট’-এর মতো চলচ্চিত্রে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে। দক্ষিণের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বর্তমানে বলিউডেও নিয়মিত কাজ করছেন। সামনে বেশ কিছু বিগ বাজেটের সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সাত বছর পর পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ভারতে

সাত বছর পর পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ভারতে

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাত বছর পর আবার ভারতের মাটিতে পা রাখলো বাবর আজমের নেতৃত্বে পাকিস্তানের ক্রিকেট দল।

শুক্রবার তারা নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলবেন। ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিার সঙ্গে আরেকটি প্র্যাকটিস ম্যাচ আছে। অস্ট্রেলিয়া ভারতের সঙ্গে তিনটি ম্যাচের সিরিজ খেলে নিয়েছে। পরপর দুইটি ম্যাচ হারার পর বুধবার তারা শেষ ম্যাচে জিতেছে।

বাবর আজমরা লাহোর থেকে সকালের ফ্লাইট ধরেছিলেন। কিন্তু দুবাইতে তাদের নয় ঘণ্টা স্টপ ওভার ছিল। রাতে তারা হায়দ্রাবাদ এসে পৌঁছান।

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের প্রথম খেলা ৬ অক্টোবর, সহজ প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। হায়দ্রাবাদে রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ খেলবে তারা।

৪৮ ঘণ্টা আগে ভিসা
পাকিস্তানের প্লেয়াররা ভারতে আসার জন্য ভিসা পান ৪৮ ঘণ্টা আগে। তার আগে তাদের এ ভিসা নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছিল।

তবে পাকিস্তান ছাড়ার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে অধিনায়ক বাবর আজম বলেন, ‘আমি আমেদাবাদে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। সেখানে স্টেডিয়াম-ভর্তি দর্শক থাকবেন। আমরা আমাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। আমি একটা জিনিসই নিশ্চিত করতে চাই, আমি যাই করি না কেন, তা যেন টিমের কাজে লাগে।

আমেদাবাদে ১৪ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। সেই ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বিপুল। বিক্রি শুরু হওয়ার সামান্য সময়ের মধ্যে তা শেষ হয়ে গেছে। সেই ম্যাচের কথাই বলেছেন বাবর।

নিরাপত্তা নিয়ে
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জাকা আশরাফ বলেন, বিসিসিআই ইতোমধ্যে আইসিসি-কে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, প্রতিটি দলকে সেরা নিরাপত্তা দেওয়া হবে এবং তাদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, তা দেখা হবে। আমাদের টিমের প্রতি অন্য ধরনের ব্যবহার করা হবে বলে আমি মনে করি না। বিশ্বকাপে আমাদের টিমের ভারতে কোনো অসুবিধা হবে বলেও আমি মনে করি না।

পাকিস্তান স্কোয়াড: বাবর আজম (অধিনায়ক), ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, আবদুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিল, ইফতিখার আহমেদ, সালমান আলি আঘা, মোহাম্মদ নওয়াজ, উসামা মির, হ্যারিস রউফ, হাসান আলি, শাহিন আফ্রিদি ও মোহাম্মদ ওয়াসিম।

মারা গেছেন হ্যারি পটারের ‘প্রফেসর আলবাস ডাম্বেলডোর’

মারা গেছেন হ্যারি পটারের ‘প্রফেসর আলবাস ডাম্বেলডোর’

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিখ্যাত হ্যারি পটার সিনেমার ‘প্রফেসর আলবাস ডাম্বেলডোর’ চরিত্রের অভিনেতা স্যার মাইকেল গ্যামবন মারা গেছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে, গ্যামবনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার পরিবার।

হ্যারি পটার সিনেমার আটটির মধ্যে ছয়টিতেই এই চরিত্রে দেখা গিয়েছিল ৮২ বছর বয়সী স্যার গ্যামবনকে।

আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্ম নেওয়া এই অভিনেতা টিভি, সিনেমা, থিয়েটার, রেডিওতে দীর্ঘ পাঁচ দশক বিভিন্ন চরিত্রে কাজ করেছেন। তিনি চারবার বাফতা চলচিত্র পুরস্কার জিতেছিলেন।

গ্যামবনের ছেলে ও স্ত্রী বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের প্রিয় স্বামী ও বাবা হাসপাতালে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।’ নিউমোনিয়ার সমস্যা নিয়ে হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

২০০৩ সালে রিচার্ড হ্যারির মৃত্যুর পর তুমুল জনপ্রিয় হ্যারি পটার সিরিজের— ‘ডাম্বেলডোর- হেডমাস্টার অব উইজারডিং স্কুল হোগওয়ার্টস’ চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন গ্যামবন।

জেকে রোলিংসের উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমাগুলো বানানো হয়।

সূত্র: বিবিসি

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবারও আবেদন

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবারও আবেদন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্থায়ী মুক্তি দিয়ে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য অনুমতি দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবারও আবেদন করেছেন তার ভাই শামীম ইস্কান্দার।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাই এ আবেদন করেন বলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আবেদনেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার বিষয়টি উল্লেখ ছিল।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। গত ৯ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপারসনকে। এর আগে গত ১২ জুন তিনি এই হাসপাতালে এসেছিলেন। ওই সময় পাঁচ দিন তাকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকতে হয়েছিল।

৭৮ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও লিভারের জটিলতা ও হৃদরোগে ভুগছেন।

প্রথমবারের মতো দেশে ডেঙ্গু টিকার সফল পরীক্ষা

প্রথমবারের মতো দেশে ডেঙ্গু টিকার সফল পরীক্ষা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ডেঙ্গুতে প্রতিদিন প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে। এর পাশাপাশি শত শত মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে মশাবাহিত এই রোগে। এর মধ্যেই আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরনের বিরুদ্ধেই উপযোগী টিকার সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছে।

আইসিডিডিআর,বি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউভিএম) লার্নার কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকরা ডেঙ্গু টিকার সফল পরীক্ষার দাবি করেন।

এই টিকা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সক্ষম বলে জানানো হয়েছে। শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এক ডোজই নিরাপদ।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন দাবি জানিয়েছে আইসিডিডিআর,বি। সম্প্রতি দ্য ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিজিজেস জার্নালে এ গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো ডেঙ্গুপ্রবণ বাংলাদেশে একটি সম্ভাবনাময় ডেঙ্গু টিকার গবেষণা সম্পন্ন করেছেন আইসিডিডিআর,বি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউভিএম) লার্নার কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকরা। এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরনের বিরুদ্ধেই উপযোগী। গবেষণায় ব্যবহৃত এক ডোজের ডেঙ্গু টিকা টিভি-০০৫ মূল্যায়ন করে দেখা যায়, এটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রয়োগের জন্য নিরাপদ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সক্ষম।

গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, আইসিডিডিআর,বি এবং ইউভিএমের ভ্যাকসিন টেস্টিং সেন্টারের (ভিটিসি) গবেষকরা ২০১৫ সালে ‘ডেঙ্গু ইন ঢাকা ইনিশিয়েটিভ (ডিডি)’ নামক গবেষণাটি শুরু করে।

এই সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল ডেঙ্গু টিকার উন্নয়নে বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত করা। ২০১৫ থেকে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল, ল্যাবরেটরি পরীক্ষণ অবকাঠামো এবং প্রারম্ভিকভাবে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব অধ্যয়ন সংশ্লিষ্ট গবেষণার জন্য আইসিডিডিআর,বিতে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তৈরি করা হয়।

দ্যা ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিজিজেসে প্রকাশিত এই গবেষণাটি একটি দৈবচয়নভিত্তিক এবং ফেজ-২ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। এর মাধ্যমে টিভি-০০৫ টেট্রাভালেন্ট লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড ডেঙ্গু টিকার নিরাপত্তা, ইমিউনোজেনিসিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির সক্ষমতা এবং তিন বছর পর্যন্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার স্থায়িত্বের অবস্থা মূল্যায়ন করা হয়েছে।

গবেষকরা ২০১৬ সালে থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের (বয়স ১-৪৯ বছর) ১৯২ জন স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণকারীকে চারটি ভাগে ভাগ করে ৩:১ অনুপাতে টিভি-০০৫ টিকা বা প্লাসিবো প্রদান করেছেন।

পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করেছেন। টিকা দেওয়ার পর বেশির ভাগ স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে চারটি ডেঙ্গুর সেরোটাইপের অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, যারা আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন তাদের অ্যান্টিবডির পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়। যদিও গবেষণাটি কার্যকারিতা মূল্যায়ন করার জন্য ডিজাইন করা হয়নি। তবে এখন পর্যন্ত টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণের কোনো ঘটনা শনাক্ত করা যায়নি। গবেষণালব্ধ এই ফলাফলগুলো ডেঙ্গুপ্রবণ জনগোষ্ঠীতে ব্যাপক হারে টিভি-০০৫ ডেঙ্গু টিকা ব্যবহারের জন্য উপযোগী করে তোলার পাশাপাশি, তৃতীয় ধাপের কার্যকারিতা ট্রায়াল পরিচালনার জন্য সমর্থন জোগাড় করতে সহায়তা করবে।

আইসিডিডিআর,বির ড. রাশিদুল হক জানায়, কার্যকর এই ডেঙ্গু টিকা বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব গুরুতর হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের মানুষের অংশগ্রহণে টিভি-০০৫ টিকার গবেষণা করতে পেরে আমরা গর্বিত এবং আশা করি আমাদের কাজ ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে একটি কার্যকর টিকা প্রাপ্তি ত্বরান্বিত করবে।

ইউভিএমের গবেষক কির্কপ্যাট্রিক জানায়, টিভি-০০৫ টিকাটি হলো একমাত্র একক ডোজের টেট্রাভ্যালেন্ট ডেঙ্গু টিকা, যা এই টিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এটি ডেঙ্গুর চারটি সেরোটাইপের সবকটির বিরুদ্ধেই ইমিউন রেসপন্স তৈরি করে, যা যেকোনো টেট্রাভ্যালেন্ট ডেঙ্গু ভ্যাকসিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষণালব্ধ ফলাফল বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য উপকারী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উভয় গবেষক।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে দেশ অন্ধকারে ফিরে যাবে: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে দেশ অন্ধকারে ফিরে যাবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী ক্ষমতায় না থাকলে দেশ আবার অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে। তবে আমি জানি, বাংলাদেশের মানুষ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাইবে না।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির হলিডে একপ্রেস ইন হোটেলে আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার পক্ষ থেকে তাকে দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

বিএনপি-জামায়াত সরকারের ২৯ বছরকে অন্ধকারের যুগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের শাসনামলে নিজেদের ভাগ্য গড়তে অনেকে ব্যস্ত থাকায় তারা জনগণের জন্য কিছুই করেনি।

তিনি জানান, ‘বিএনপি-জামায়াত চক্র বাংলাদেশের মানুষের জীবন থেকে ২৯ বছর মুছে দিয়েছে। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দেশব্যাপী ব্যাপক উন্নয়ন করে অনেক বছরের ঘাটতি পূরণ করেছে।’

তিনি জানায়, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সরকারের রূপকল্প-২০৪১ অনুযায়ী ২০০৯ সাল থেকে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও স্থিতিশীলতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে দেশ পরিচালনা করায় বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ২০২৬ সাল থেকে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং যার জন্য তারা উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে যাত্রাকে মসৃণ করার উপায় খুঁজে বের করতে তার মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছে।

তিনি বলেন, আমি জানি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের যাত্রায় কোন জটিলতা হবে না।

শেখ হাসিনা জানান, আগামী সাধারণ নির্বাচন এ কারণে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আগামী সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের অংশ হিসেবে আমরা ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নে একটি কমিটি গঠন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ওপর আমার বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ এখনো বিশ্বাস করে যে, আওয়ামী লীগই পারে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে এবং দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তার বাবা, মা, ভাইসহ সবকিছু হারানোয় দেশের জনগণ তার কাছের মানুষ ও প্রিয়জন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ আমার শক্তি। দেশবাসী আমার পরিবার এবং আমি এটা মাথায় রেখে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি।’

সরকারপ্রধান বলেন, তারা ভূমিহীন ও গৃহহীনদের বিনামূল্যে বাড়ি দিচ্ছেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, আড়াই কোটি শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দিচ্ছেন যাতে দেশবাসী আর কষ্ট না পান।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে আমরা পরিকল্পিতভাবে সবকিছু করে যাচ্ছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশের মানুষের কেউ গৃহহীন ও অতি দরিদ্র থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী জানায়, তারা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছেন এবং এখন উন্নয়নের পথে যাত্রা অব্যাহত রাখায় দেশকে একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছি।

তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, সতর্ক থাকুন, কারণ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে যাতে কেউ আর ছিনিমিনি খেলতে না পারে।

ৎবিএনপি-জামায়াতকে সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা বিশ্ব অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাদের (বিএনপি-জামায়াত চক্র) চরিত্রের এখনো পরিবর্তন হয়নি। তাই, তারা ষড়যন্ত্র করে এবং অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশকে ধ্বংস করতে নেমেছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, দেশে-বিদেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ দেখিয়ে দিয়ে আমাদের তাদের উচিত শিক্ষা দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতা-কর্মীদের আমেরিকায় তাদের এলাকার কংগ্রেসম্যান, সিনেট সদস্য এবং স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করতে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াত চক্রের বাংলাদেশকে ধ্বংসের মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবহিত করার আহ্বান জানান।

আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণেই বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। এতো নিষ্ঠা ও ভালোবাসা নিয়ে দেশের উন্নয়নে আর কেউ কাজ করবে না। আমরা চাই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক এবং এক্ষেত্রে কেউ যেন বাধা সৃষ্টি করতে না পারে।

প্রধানমন্ত্রী ১৭ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৮তম অধিবেশনের এর ফাঁকে অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগদানের পর নিউইয়র্ক থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসি পৌঁছেন।

ঘুরতে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তা

ঘুরতে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তা

ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় এস এম জাহিদ ইকবাল (৪৬) নামে এক পুলিশ পরিদর্শক নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার নিজামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পাশে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে কালভার্টে ধাক্কা দেয়। এরপর পেছন থেকে আরেকটি প্রাইভেটকার মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে একজন জাহিদ ইকবালের ছেলে এবং তার দুই বোন ও তাদের তিন সন্তান রয়েছে।

জানা যায়, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর পদে যোগদান করেন জাহিদ ইকবাল। বিভিন্ন থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সবশেষ চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখায় (ডিএসবি) পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। অবশ্য তিনি ওই মাইক্রোবাসে ছিলেন না।

এ ব্যাপারে মিরসরাই থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানায়, নিহত পুলিশ পরিদর্শক মাইক্রোবাসে ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি বান্দরবান ঘুরতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।