Tag Archives: কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সম্পত্তির জেরে পিতাকে নির্যাতন

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬

 

ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধিঃ

‎কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিয়মিত মামলার তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

‎​পুলিশ সূত্র জানায়, ব্রাহ্মণপাড়া থানার এসআই ডি.এম.এ মজিদ, এসআই মোহাম্মদ জালাল ও এএসআই লিংকন কুমার নাথ সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি নিয়মিত মামলার তদন্তে প্রাপ্ত ৩ পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার বার্মা কলোনী এলাকার শফি আলমের ছেলে মো: মোবারক হোসেন প্রকাশ টেনশন মোবারক (২৯), ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রামনগর (হাজারী বাড়ি) এলাকার আব্দুল আজিজ হাজারীর ছেলে মো: আবুল কালাম হাজারী (৪৭) এবং একই এলাকার মৃত. দুধ মিয়া হাজারীর ছেলে মো: লোকমান হোসেন হাজারী (৪৫)।

‎​অন্য এক অভিযানে এএসআই রতন কুমার মল্লিক সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে উপজেলার অলুয়া এলাকার মোঃ আমির হোসেনের স্ত্রী সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামী হোসনেয়ারা বেগমকে গ্রেফতার করেন।

এছাড়া এসআই মোঃ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অপর এক অভিযানে মাদক সেবনের অপরাধে উপজেলার মকিমপুর এলাকার মৃত. মোঃ নোয়াব মিয়ার ছেলে মোঃ অসীম মিয়া (২২) এবং একই এলাকার মৃত. ইসমাইলের ছেলে মোঃ তামিম (২১)-কে সামারি ট্রায়ালের জন্য আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

‎​ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযানে জিআর সাজা পরোয়ানাভুক্ত, জিআর পরোয়ানাভুক্ত ও ইয়াবাসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৫ মিনিটের দিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার এসআই সুজন কুমার আচার্য্য, এএসআই লিংকন কুমার নাথসহ সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলার ৪ নম্বর শশীদল ইউনিয়নের অনন্তপুর এলাকায় হরিমঙ্গল থেকে ব্রাহ্মণপাড়াগামী পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ৩ জনকে আটক করা হয়।

আটককৃত ৩ জন হলেন, মো. জামাল হোসেন ওরফে কসাই জামাল (৩৬), ইকরামুল হক (২৬) ও মো. কাউসার (৩০)।

পৃথক আরেক অভিযানে ১৫ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণপাড়া থানার এসআই আল-আমিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি সুজন পালকে (২৩) গ্রেপ্তার করেন।

একই দিনে এএসআই রতন কুমার মল্লিকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে জিআর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মনিরুল ইসলামকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া এএসআই মো. নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে জিআর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোসাঃ জাহানারা বেগম ওরফে মনোয়ারা বেগম ওরফে মনুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ৬ আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় কীটনাশক পানে যুবকের মৃত্যু

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় কীটনাশক পানে যুবকের মৃত্যু

 

ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ঘাস মারার কীটনাশক (বিষ) পান করে গুরুতর অসুস্থ হওয়া হাবিব (২৫) নামের এক যুবকের ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হাবিব উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়ির পাশে ঘাস মারার বিষ পান করেন তিনি। কিছুক্ষণ পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

হাবিবের মামা জানান, হাবিব গত ১০-১২ বছর ধরে ঢাকার একটি হোটেলে কাজ করতেন। সম্প্রতি হোটেল থেকে ৮-১০ দিনের ছুটি নিয়ে তিনি গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন। শনিবার সকালে বাড়ির পাশে বিষ পান করার পর তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে কী কারণে হাবিব ঘাস মারার বিষ পান করেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তার বিষপানের ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, হাবিবের মৃত্যুতে পরিবারের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এছাড়া তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ১০

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ১০

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে নিয়মিত মামলার পলাতক আসামি, জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মাদক সেবনের অপরাধে মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করে। পরে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, থানার এসআই মোহাম্মদ মাহতাব হোসাইনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ব্রাহ্মণপাড়া থানার এফআইআর নং-২৪, দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬/১১৪ ধারার মামলার পলাতক আসামি মোঃ শফিউল প্রকাশ সফিউলকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলার রামনগর এলাকার জজু মেম্বারের বাড়ির মোঃ মনির হোসেনের ছেলে।

অপর এক অভিযানে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩) ধারার মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি ফয়সাল আহম্মেদ ফাহিমকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের নাইঘর-নোয়াপাড়া এলাকার মোঃ জালাল হোসেনের ছেলে।

এছাড়া এএসআই মোঃ নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোসাঃ জরিনা খাতুনকে (৫৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বড়ধুশিয়া এলাকার মৃত. আকমত আলীর স্ত্রী।

অন্যদিকে এসআই মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, এএসআই ইমরান হোসেন, এএসআই মোঃ সাইফুল আলম সিদ্দিকী ও এএসআই মোঃ নুর আল-আহসানের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে মাদক সেবনের অপরাধে ৭ জনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, ধান্যদৌল এলাকার মোঃ সুজন (৩৫), বরুড়ার চেংগাহাটা এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), দক্ষিণ বালুয়া এলাকার মোঃ শাহ জাহান (৫২), নশরতপুর এলাকার মোঃ ফয়সাল কবির (৪২), হায়দ্রাবাজ এলাকার মোঃ মহসিন খান প্রকাশ রাজু (২৯), ব্রাহ্মণপাড়ার সিদলাই এলাকার মোঃ সারোয়ার (৪২) এবং কল্পবাস এলাকার মোঃ জয়নাল আবেদীন (৩৫)।

পুলিশ জানায়, মাদক সেবনের অপরাধে আটক ৭ জনকে সামারি ট্রায়ালের জন্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তার অপর ৩ আসামিকেও আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বাড়ির পাশের গর্তে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বাড়ির পাশের গর্তে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

 

ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বাড়ির পাশের মাটিকাটা গর্তে পড়ে সাবা মণি (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের দক্ষিণ চান্দলার রামচন্দ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সাবা মণি ওই এলাকার জাকির মেম্বারের বাড়ির সোহাগ মিয়ার মেয়ে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে সাবা মণির মা তার আরেক বাচ্চাকে ঘরে বসে খাবার খাওয়াচ্ছিলেন। এ সময় পরিবারের সদস্যদের অগোচরে সাবা বাড়ির বাইরে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর তাকে ঘরে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের মাটিকাটা গর্তের পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখেন সজনরা। তারা দ্রুত গর্ত থেকে সাবাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তানভীর হোসেন বলেন, পানিতে পড়া এক শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনরা। শিশুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত পাওয়া যায়। হাসপাতলে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পর্নোগ্রাফি মামলায় শিদলাই কলেজের শিক্ষক গ্রেফতার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পর্নোগ্রাফি মামলায় শিদলাই কলেজের শিক্ষক গ্রেফতার

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পর্নোগ্রাফি মামলায় শিদলাই আমির হোসেন জোবেদা ডিগ্রি কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক মোঃ নাজমুল হুদা কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে ।

সিআইডি সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হওয়ায় গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ কুমিল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২১ জনাব দিদারুল আলম এর আদালতে হাজির করা হলে আসামি স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা রমনা থানার একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ২০২১ সাল থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্বনামধন্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো এবং পর্নোগ্রাফি সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপে জড়িত রয়েছেন।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজন নিহত

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজন নিহত

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নুরুল ইসলাম (৪৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার দুলালপুর-বেজুড়া সড়কের শ্মশানখোলা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুরুজ মিয়ার ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, নুরুল ইসলাম মোটরসাইকেলে করে দুলালপুর বাজার থেকে বেজুড়া এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে শ্মশানখোলা ব্রিজে ওঠার সময় হঠাৎ একটি ছাগল সামনে চলে এলে তাকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি দ্রুত ব্রেক করেন। এতে মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

নিহতের বড় ভাই নজরুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, এ ধরনের কোনো দুর্ঘটনার তথ্য এখনো থানায় জানানো হয়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার কল্পবাস এলাকার বাসিন্দা ফারজানা আক্তার (১৯)-এর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয় পরিকল্পিত হত্যা। এ ঘটনায় তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে বক্তব্য দিয়েছেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে ফারজানা আক্তারের সঙ্গে অভিযুক্ত স্বামী অনিক মিয়াজির বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর অনিকের অতিরিক্ত মাদকাসক্তি ও দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে ফারজানাকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয় এবং কিছুদিন পর তাকে কসবা উপজেলার আকাবপুর এলাকার শামীম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু দ্বিতীয় সংসার টিকেনি। কয়েক মাস পর প্রথম স্বামী অনিক মিয়াজির সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ হলে ফারজানা আবার তার সংসারে ফিরে যান। অভিযোগ রয়েছে, এরপর আবারও শুরু হয় নির্যাতন। মাদকাসক্ত অনিক নিয়মিত ফারজানার ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য। টাকা দিতে না পারলে তাকে মারধরসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হতো।

পরিবারের দাবি, গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের কল্পবাস এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ফারজানাকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

সেদিন বেলা আনুমানিক ১১টা ৩৮ মিনিটে অভিযুক্তের বাবা মো. আলমগীর হোসেন ফোন করে ফারজানার মৃত্যুর খবর জানান। খবর পেয়ে স্বজনরা দ্রুত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছোট বোন মোসা. সুমি আক্তার, মা বানু বেগম এবং মামা মো. ইসরাফিল মিয়া বক্তব্য রাখেন। তারা অভিযোগ করেন, ফারজানাকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করে আসছিল অনিক মিয়াজি এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা বলেন, হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নিহতের বাবা মো. আবুল কাশেম, মারুফা বেগম এবং বড় ভাই মো. সুমন মিয়া।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তারা ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। বরং থানার এসআই সুজন আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা নথিভুক্ত করেন, যা নিয়ে তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

নিহতের পরিবার দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পানিতে পরে যমজ ২ ভাইয়ের মৃত্যু

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পানিতে পরে যমজ ২ ভাইয়ের মৃত্যু

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বাড়ির পাশের ডোবার পানিতে পরে যমজ দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার দুপুরে উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন এলাকার মুনসি বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া যমজ দুই ভাই হলেন অলি (৪) ও আলী (৪)। তারা বুড়িচং উপজেলার ঘিলাতলা এলাকার তারা মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, তারা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইনে দুধ ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া নানার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

স্থানীয়রা জানায়, অলি ও আলী বাড়ির আঙিনায় খেলছিল। কিছুসময় পর তাদের দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির কাছাকাছি ধানক্ষেতের মাঝখানে খনন করা একটি ডোবায় তাদের ভাসমান মরদেহ দেখতে পান তারা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জাকির হোসেন বলেন, এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। শিশুদের নিরাপত্তায় পরিবারের সদস্যদের আরও সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়ুয়া বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশকে কেউ অবগত করেনি। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায়

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় যাত্রী ছাউনির অভাবে দুর্ভোগে যাত্রীরা

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় যাত্রী ছাউনির অভাবে দুর্ভোগে যাত্রীরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সিএনজি স্ট্যান্ডে নেই কোন যাত্রী ছাউনি। এতে প্রতিদিন দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হয় হাজার হাজার যাত্রীদের। রোদ কিংবা বৃষ্টি হলে যানবাহনের জন্য অপেক্ষাকৃত যাত্রীরা সড়কের পাশে ব্যক্তি মালকাধীন দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় অনেক দোকানিরা বিরক্ত বোধ করেন। বর্ষার সময় যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই। তখন যাত্রীরা বৃষ্টির পানিতে ভিজে গাড়িতে উঠতে হয়।