স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা নগরীর জলবদ্ধতার নিরসন ও অপরিকল্পিত নগরীকে নতুন আঙ্গিকে সাজাতে চায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনটি জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য দীর্ঘ দু’ মাস নগরীতে কাজ করে যাচ্ছে। এতে তারা তেমন সুফল না পেলেও নগরীকে সাজাতে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরফানুল হক রিফাতের নিকট দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কিছু প্রস্তাব হস্তান্তর করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল কুমিল্লার উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নগরীতে কিছু চলমান কাজের কথা গুলো উল্লেখ করে পাঠ করেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তিন রাজনৈতিক ফেলো মহানগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি সুমাইয়া বিনতে হোসাইনি, মহানগর যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে সালমা লিজা, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সুহানা আক্তার পুষ্পা।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লার অন্যতম ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সংগঠক বদরুল হুদা জেনু ।
প্রশ্নোত্তর পর্বে কথা বলেন কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শাহাজাদা এমরান, নাগরিক টিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন আকাঈদ, এখন টিভির কুমিল্লা ব্যাুরো খালেদ সাইফুল্লাহ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মোল্লা, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের আবুল বাশার, মাস্টার ট্রেইনার জোৎসনা, রাশেদা আক্তার, কুমিল্লা মহানগর বিএনপি নেতা রেজাউল হক আঁখি, কুমিল্লা মহানগর মহিলা লীগের নেত্রী তাহমিনা আক্তার, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, মহিলা কাউন্সিলর নেহারা বেগম।
বক্তারা বলেন, নগরীতে যে যে মেয়র এসেছে তারা নগরীর যানজট, জলাবদ্ধতা দূর করতে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিলেও তা আদৌ বাস্তবায়নের রুপ নেয়নি। বর্তমান মেয়র আরফানুল হক রিফাত নির্বাচনের পূর্বে ১ বছরে যানজট ও জলাবদ্ধতা দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ ১ বছর ৪ দিন অতিক্রম করেছে। এখনো যানজট ও জলাবদ্ধতা দূর হয়নি। কবে নগরীতে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গুলো বাস্তবায়ন হবে।
বক্তব্যে আরও বলেন, এখনই এই জলাবদ্ধতার মেগাপ্রকল্পের মাধ্যমে আদো স্থায়ীভাবে এবং দীর্ঘমেয়াদীভাবে সমস্যা সমাধান হবে কিনা তাও খতিয়ে দেখা উচিত। খাল-ড্রেনগুলিতে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিনে ব্যাগ না ফেলা, ইত্যাদির বিষয়ে নাগরিক সচেতনতার জন্য সরকারীভাবে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নিতে হবে।
স্থানীয় প্রতিনিধিদের দায়িত্ব দিতে হবে জনগণকে এসব বিষয় নিয়ে সচেতন করা। এইভাবে জনগণের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে গণ- সচেতনতার মাধ্যমে নাগরিক দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি পাবে এবং উন্নত মানের ভবিষৎ নাগরিক সৃষ্টির জন্য আমরা উৎসাহিত করতে পারবো। তাহলে আমাদের কুমিল্লা নগর হতে পারবে বিশ্বমানের। কুমিল্লার নব নির্বাচিত মেয়র সাহেব এবং এমপিরা এই ব্যাপারে উদ্যোগ নিলে কোন বাঁধা থাকবে না বলে আমাদের মনে হয়। সিটি কর্পোরেশন সকল ড্রেন, খাল ও কালভার্ট এর নিয়মিত সংস্কার ওপরিষ্কার করা নিশ্চিত করতে হবে।

