Tag Archives: বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নগদ অর্থসহ বসতঘর পুড়ে ছাই

বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

 

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় এজেন্ট ব্যাংক এশিয়া ও ই-পোষ্ট অফিসসহ ৯ দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকা হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

শনিবার রাতে উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের ছয়গ্রাম বাজারে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা যায়, মোবারক হোসেন ধনু মিয়ার চা-দোকান থেকে আগুনের বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের সূত্রপাত হয়ে পাশের দোকান,এজেন্ট এশিয়া ব্যাংক ও ই-পোষ্ট অফিসে আগুন লেগে যায়। প্রায় এক ঘন্টা স্থানীয় ও বুড়িচং ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয় এজেন্ট ব্যাংক এশিয়া ও ই-পোষ্ট অফিস।

উক্ত ব্যাংকের কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তা মশিউর রহমান জানান, আগুনে ফার্নিচার, কম্পিউটার, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নগদ ৪ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা পুড়ে যায়। এতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮ লক্ষ টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানান, নজরুল ইসলামের মায়ের দোয়া বেডিং এন্ড স্টোর দুটি দোকান পুড়ে যায়।এতে মালামালসহ প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হোসেনের ওয়ার্কশপ দোকানের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ১ লক্ষ টাকা। মাহে আলমের ওয়ার্কশপ দোকানের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। মো: কামাল হোসেনের ফার্নিচার পুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ টাকা। নজরুল ইসলামের গোডাউন ও লেপতোষক দোকান, বেড়া ও তরজা দোকানের সরঞ্জাম পুড়ে যায়। সবগুলো দোকান পুড়ে মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা।এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সর্বশান্ত হয়ে হতাশায় ভোগছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে বুড়িচং ফায়ার স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান,অগ্নিকান্ডের খবর শুনার সাথে সাথে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি।

এ বিষয় বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হালিমা খাতুন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম যায়। দিনে ঘটনাস্থলে যায় উপজেলা পকল্প কর্মকর্তাসহ অন্যান্যরা পরির্দশন করে। তাদের তথ্যমতে জানা যায় ৯টি দোকান আগুনে পুড়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত সকল ব্যবসায়ীকে সরকারিভাবে সহযোগীতা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

 

বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

 

বুড়িচং সংবাদদাতাঃ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় কুদ্দুস স্টোর নামে একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দোকানের সব মালামাল পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সোমবার রাতে উপজেলার ভরাসার বাজারে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে বাজারের আশেপাশের জনসাধারণ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ভরাসার বাজারে কুদ্দুস স্টোর নামে একটি দোকানে আগুন ধরে গেলে দোকানের খাদ্যদ্রব্যসহ সব মালামাল পুড়ে যায়। এতে দোকানের প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।বুড়িচং ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগে রাত সোয়া ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে জনসাধারণ। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়নি।

এদিকে দোকানের মালিক নাঈমুল ইসলাম জানান, ভরাসার বাজারে আমি গত ৬ বছর ধরে সুনামের সাথে মুদী ব্যবসা করে আসছি। আমার দোকানের আগুন লাগার খবর পেয়ে বাজারে দ্রুত চলে আসি। কিভাবে আমার দোকানে আগুন লেগেছে তা জানি না। দোকানে প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নগদ অর্থসহ বসতঘর পুড়ে ছাই

সাকিব আল হেলাল।।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দ পুর (মজি মৌলভী বাড়ি) গ্রামে সোমবার (২০ আগষ্ট) দিবাগত রাত ৩ টায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হয়ে অগ্নিকান্ডে নগদ অর্থ,স্বর্ণালংকার ৫টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয় ও পরিবারের সূত্র থেকে জানা যায়,তিনটি পরিবারের নগদ ৮ লাখ টাকা,স্বর্নলংকার আসবাবপত্র কাপড় চোপড় ও অন্যানো মালামালসহ ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকা।

বুড়িচং ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এবং স্হানীয় লোকজন সহযোগীতায় প্রায় দেড় ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানা যায়, সোমবার(২০আগষ্ট) দিবাগত রাত ৩ টায় জেলার বুড়িচং উপজেলার পীর যাত্রা পুর ইউনিয়ন এর গোবিন্দ পুর গ্রামের মৃত কবির আহম্মেদের ছেলে শরীফুল ইসলাম এর ঘরে প্রথমে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে অগ্নিকান্ডের সূত্র ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চার দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী আমান উল্লাহ্ আমান জানান, তিন পরিবারের রান্না ঘর সহ ১০ টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে নগদ টাকা হিরন মিয়ার দেড় লাখ,শরীফুল ইসলামের ৫ লাখ টাকা,ফরহাদ পুলিশের দেড় লাখ টাকা পুড়ে যায়।প্রায়১৫-১৮ ভরি স্বর্নালংকার,ইলেকট্রনিক, আসবাব পত্র কাপড় পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুল হাসান জানান, আমি দুর্ঘটনার খবর শুনেছি। ক্ষতিগ্রস্তদেরকে সরকারি ত্রাণ তহলবিল থেকে সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো। বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবো।