,

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি?

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
February 20, 2019
news-image

 

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন,কাতার ঃ

বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্র“য়ারী এক অবিস্মরনিয় দিন। এই দিন সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের উদ্দেগে ভাষা দিবস পালনের প্রস্তুতি চলতে থাকে। সকাল নয়টা থেকে বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্রদের মিছেল এসে জমায়েত হতে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন এলাকায়। কর্তৃপক্ষ তখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারে নাই যে, ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারী এইসব ছাত্র মিছিলগুলোকে শক্তি প্রয়োগ করে বাধা দেওয়া ঠিক হবে কি-না। বেলা সাড়ে নয়টার সময় বিভিন্ন হলের হাজার হাজার ছাত্র বাঁধ ভাঙ্গা বন্যার পানির মতো হাজির হয় সভাস্থলে। বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে কলা ভবন চত্বরে প্রায় ২০/২৫ হাজার ছাত্রের জমায়েত হয়। চারদিকে মুহুর্মুহু স্লোগান ’রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’। ’রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’। অনেকেই আবার মাত্রাতিরিক্ত আনন্দে ’বাংলা ভাষার রাষ্ট্র চাই’ এই স্লোগানও দিয়েছে।

পুলিশ যখন মিছিলের উপর লাঠি চার্জ করা ছাড়াও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। ফলে সমাবেশে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে উঠে। রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক আবদুল মতিন ১৪৪ ধারা ভাঙ্গার আহবান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। জনাব শামছুল হক ও আবদুল মতিনের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আপোষ রফা হিসাবে জনাব আবদুস সামাদ আজাদ একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। জনাব আবদুস সামাদ আজাদ বলেন, পাঁচজন ছাত্রের মিছিল বের করতে হবে। এতে একদিকে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করা যাবে অন্যদিকে ব্যাপক আকারের গোলযোগ এড়ানো সম্ভব হবে। এই প্রস্তাবটি ছিল সময়োপযোগী বুদ্বিমত্তা সম্পন্ন সত্যাগ্রহ। কারন ১৪৪ ধারার ঘোষণায় বলা হয়েছিল রাস্তায় এক সাথে পাঁচজনের বেশী লোক জমা