,

কুবি শিক্ষকদের উপর হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন, শিক্ষার্থীদের একাত্মতা পোষণ

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
April 30, 2024
news-image

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকদের উপর উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের নেতৃত্বে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে হামলা, মারধর এবং শারীরিক ও মানসিক হেনস্থা ও সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টরপর মদদে বহিরাগত সন্ত্রাসী ও অছাত্ররা শিক্ষকদের উপর যে ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে তাদের অধিকাংশই হত্যাসহ বিভিন্ন মামলার জেলখাটা দাগি আসামী। তাদের এ হামলায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতা এবং জীবন শংকায় ভুগতেছে।

মানববন্ধনে নৃবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আয়নুল হক বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় একটা সন্ত্রাসী সেন্টার। সেখানে সন্ত্রাসীরা মিটিং করে। কখন কাকে হামলা করবে। আপনারা প্রক্টরের রুমের সামনে সিসিটিভি দেখলে বুঝতে পারবেন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোকাদেস-উল-ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় আজ আক্রান্ত। যখন থেকে ওমর সিদ্দিকী প্রক্টরের (ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব নিয়েছেন তখন থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত হচ্ছেন । যার নিরাপত্তা দেওয়ার কথা তিনিই যদি আঘাত করেন তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় কার কাছে নিরাপদ সেটা প্রশ্ন থেকে যায়। ২৮ তারিখ তিনি আমাকে আঘাত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে কারোর সাথে আমার সংঘাত নেই। জীবনের নিরাপত্তা না থাকলে আমরা কিভাবে ক্লাস নিবো। এই ভিসি ট্রেজারার থাকা কাালীন আমরা ক্লাসে ফিরে যাবো না।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, উপাচার্য যখন নিয়োগ হয়, আমি রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে ছিলাম। তখন থেকেই তিনি বহিরাগত ও সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। তার অপকর্মের কারণে আমি ২ মাস পর পদত্যাগ করি। আমরা সাতটি দাবী উপস্থাপন করেছি তিনি কর্ণপাত করেন নি।

তিনি আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন ভিসি ও সন্ত্রাসীরা কিভাবে শিক্ষকদের উপর হামলা করেছেন। প্রক্টর নিজেই হামলার মদদ দিয়েছেন। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদককে ঘুষি মেরে তিনি ভিতরে প্রবেশ করেছেন। ভিসি ট্রেজারারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আমরা বাড়ি ফিরবো না। শিক্ষার্থীদের আপনারা চিন্তা করবেন না। খুনি বিপ্লব মানববন্ধন চলাকালীন ৪ বার যাওয়া আসা করেছে। আমরা শঙ্কিত। ক্লাস একাডেমিক কোনো কার্যক্রমে কোনো শিক্ষক অংশগ্রহণ করবে না৷ উপাচার্য পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।