,

আ’লীগের সঙ্গে গেলে রাজাকারও মুক্তিযোদ্ধা, তেঁতুল হুজুরও মিষ্টি হুজুর হয়ে যায় তেমনি জামায়াতও মিষ্টি হয়ে যাবে – মেজর হাফিজ

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
January 14, 2019
news-image

 

ডেক্স রিপোর্টঃ

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী তারা তাদের রাজনীতি করে, বিএনপির রাজনীতি করে না। তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে গেলে যেমন রাজাকারও মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যায়, তেঁতুল হুজুরও মিষ্টি হুজুর হয়ে যায়। তেমনি জামায়াতও একসময় মিষ্টি হয়ে যাবে।

সময় টেলিভিশনকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে মেজর হাফিজ আরো বলেন, আমরা একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। ভোটে আওয়ামী লীগের কারচুপিটা ভেরি ওয়েল প্ল্যান। আমার মনে হয় ৩ মাস ধরে তারা পরিকল্পনা করেছিলো। বড়দিন উৎসবের সময় নির্বাচন, যার ফলে বিদেশীরা কেউ আসেনি। আওয়ামী লীগ আগেই বুঝে গিয়েছিলো কিছু না পেলেও বিএনপি নির্বাচনে আসবে। সবশেষে নির্বাচনের কারচুপিতে জনগণ যাতে ক্ষুব্ধ না হয়, সেজন্য উপজেলা নির্বাচনের পরিকল্পনা নিয়েছে। বুদ্ধির খেলায় তারা অনেক এগিয়ে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্ষমতার মাধ্যমে তারা অধিষ্ঠিত হয়েছে। ভোট কারচুপির বিশ^ রেকর্ড করে জয়ী হয়েছে তারা। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা কেবল মাত্র রাজনৈতিক দলের কাজ ও দায়িত্ব নয়, এটা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব।

ড. কামাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেন অত্যন্ত বিজ্ঞ ব্যক্তি। কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের খুব একটা সংযোগ নেই। বিএনপির মতো বড় দল যে তাদের কাছে দ্বরস্থ হয়েছে, এটি সঠিক হয়নি। আদর্শের সঙ্গে মিল না থাকলে জোট করে কোনো সুবিধা হয় না। আমরা শুধু শুধু অন্যদেরকে নেতা বানিয়ে দিয়েছি। বিএনপির মধ্যে অনেক যোগ্য নেতা ছিলো, তাদেরকে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারতাম। ভোট কারচুপি যা হয়েছে, সেটিই হতো ফলাফলে। এই মুহূর্তে বিএনপির কারো উপদেশের প্রয়োজন নেই। তবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে রাজি আছি। তবে নিজেদের শক্তিতে বলিয়ান হতে হবে। বিএনপি এদেশের জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দল। নিজেদের শক্তিতে আস্থা থাকা উচিত ছিলো।

জামায়াত ইসলামী সম্পর্কে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগদান করেছে। তাদের সঙ্গে যোগদান করে তেঁতুল থেকে মিষ্টিতে রূপান্তরিত হবে। তবে বিএনপিকে একা পথ চলাই ভালো।

আমাদেরও ভুল ভ্রান্তি থাকতে পারে। সেটি সমালোচনা করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপিকে এগুতে হবে। এতোবড় ভোট ডাকাতির পরে আমরা নিশ্চই জাতিসংঘের কাছে যেতে পারি। এই ভোটের কারচুপিতে প্রার্থীকে কিছুই করতে হয়নি। যা করার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই করে দিয়েছে বলে জানান তিনি।