,

কুমিল্লায় বেশ জনপ্রিয় ‘ইরানি জিলাপি’

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
April 29, 2019
news-image

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ
ইফতারে অনেক উপাদানের সঙ্গে জিলাপির উপস্থিতি রোজাদার ও শিশুদের মন কাড়ে। মচমচে আর সুস্বাদু জিলাপি খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন তারা। কুমিল্লা নগরের জিলা স্কুল সড়কের পূর্বপাশের বাঙলা রেস্তোরাঁর ব্যতিক্রমী ওই জিলাপি এখানকার ঘরে ঘরে বেশ জনপ্রিয়। বরাবরের মতো এবারও ইফতারের আগে লাইনে দাঁড়িয়ে জিলাপি কিনতে দেখা যায় ক্রেতাদের। শুকনো, চিকন ও ছোট আকৃতির ওই জিলাপির নাম ‘ইরানি জিলাপি’।

অবশ্য কী কারণে এর এমন নামকরণ হলো, তার কোনো ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে পারেননি কারিগর সুমন দাস। এদিকে ইফতারে জিলাপির বাইরে অন্য উপাদানের মধ্যে কুমিল্লায় হালিম ও খিচুড়ির চাহিদা বেশি। নগরের রেসকোর্স এলাকার রেড রোফ ইন, বাদুরতলা এলাকার কাশ্মিরি রেস্তোরাঁ, রাজগঞ্জের ডায়না, পুলিশ লাইনের পিয়াসা, জিলা স্কুল সড়কের বধূয়া ফুড ভিলেজ, কান্দিরপাড়ের আমানিয়া ও বাঙলা রেস্তোরাঁর হালিম বিক্রি হচ্ছে দেদার। গরু, খাসি ও মুরগির হালিম এবং খিচুড়ি সমানভাবে জনপ্রিয়। কারিগর সুমন দাস বলেন, ইরানি জিলাপির উপকরণ হচ্ছে খাঁটি ঘি, চালের গুঁড়া, মাসকলাইয়ের ডালের গুঁড়া, জাফরান ও মাল্টার রস। এগুলো দিয়ে ওই জিলাপি তৈরি করা হয়। ভোক্তাদের চাহিদা বেশি হওয়ায় বানিয়ে কূল পাওয়া যায় না।

১২৫ থেকে ১৫০টি জিলাপিতে এক কেজি হয়। প্রতি কেজির দাম ৪০০ টাকা। গত বছর জিলাপির কেজি ছিল ৩৬০ টাকা। এবার চিনির দাম বাড়ার কারণে জিলাপির দামও বাড়াতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘নয় বছর আগে ওই জিলাপি তৈরির কাজ শিখেছি।’নগরের রানীর দিঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা সাজ্জাদুল কবির বলেন, প্রতিবছর রমজান এলেই ইফতারের মেন্যুতে ইরানি জিলাপি থাকে। বাচ্চারাও এটি খুব পছন্দ করে।

বাঙলা রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাশীষ ঘোষ বলেন, বাঙলা রেস্তোরাঁর ইরানি জিলাপি কুমিল্লার ঘরে ঘরে যাচ্ছে। প্রতিদিন কী পরিমাণ বিক্রি করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ বানানো যাচ্ছে, ততক্ষণই দেদার বিক্রি হচ্ছে। তবে নানা কারণে আমরা পরিমাণটা বলতে চাই না।’