,

কুমিল্লার মহাসড়ক যেন খোলা আবর্জনার ভাগাড়

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
January 19, 2020
news-image

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা মহাসড়কের পাশের বিভিন্ন এলাকায় উৎকট পঁচা দুর্গন্ধে যেন দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম ঘটে। সড়কের পাশ দিয়ে হেটে চলা শিক্ষার্থী ও পথচারীরা চলাফেরা করতে হয় নাকে মুখে কাপড় বেঁধে। উৎকট গন্ধে যাত্রীরা বাধ্য হয় অনেক সময় বমি করতে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নিমসার, চান্দিনা বাস স্টেশন, দেবিদ্বার, নাজিরা বাজারসহ কুমিল্লার বিভিন্ন অংশের মহাসড়ক যেন খোলা আবর্জনার ভাগাড়। মরা পশুপাখি হাসপাতালের বর্জ্য, কারখানা, হাট বাজার, পৌরসভা ও আবাসিক এলাকার সকল ময়লা গাড়ি দিয়ে এনে স্তুপ করে ফেলা হচ্ছে মহাসড়ক ও ফুটপাথের উপরেই। স্থানীয় সরকারি বেসরকারি হাসপাতালগুলোর শোধনাগার না থাকায় রোগীদের ব্যবহৃত বর্জ্যও ফেলা হচ্ছে মহাসড়কে। এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পরেছে আশেপাশের পরিবেশ ছড়াচ্ছে রোগ জীবাণুসহ বাড়ছে ডেঙ্গু মশার বিস্তার। কেবল পরিবেশ দূষণই হয় মহাসড়কের পাশে জনবহুল খোলা জায়গায় এমন কি স্থানীয় কৃষকদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও জোর করে ফসলি জমির উপরে ফেলা হচ্ছে এসব বর্জ্য পদার্থ। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কৃষকরা।

মহাসড়কের পাশে ও ফুটপাতে এসব দূষিত বর্জ্য ও আবর্জনা থেকে রোগ বালাই তো ছড়াচ্ছেই সেই সাথে আশেপাশের পরিবেশের ওপর এর বিরুপ প্রভাবও পড়ছে। উন্মুক্ত স্থানে ফেলে দেয়া বিষাক্ত ঔষধ ও বিষ জাতীয় দ্রব্য খাওয়ার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী জীবজন্তু ও পাখি মারা যাচ্ছে।

দেবিদ্বার বাগুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক যাদব রায় বলেন, একটি সভ্য দেশে এভাবে খোলা মেলা আবর্জনা ফেলা কোনভাবেই কাম্য নয়। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক ব্যবহার করে দেশ বিদেশের ভিআইপি ও পর্যটকগণ চলাচল করেন। এশিয়ান হাইওয়ের পাশে এমন পরিবেশ অবশ্যই দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে। পৌরসভা গুলোতে আবর্জনা ফেলার নির্ধারিত স্থান নির্ধারণের পাশাপাশি বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন করা খুবই জরুরী।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহাদ উল্লাহ বলেন, বিষয়টি নিয়ে এর আগে বহুবার বিভিন্ন পৌরসভা সহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হয়েছে, মৌখিক ভাবেও বহুবার তাদের বলা হয়েছে। কিন্তা তারা কেউ বিষয়টি কানে তোলেন না।