All posts by jitu

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে নবীন বরণ ও বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে নবীন বরণ ও বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

‘যুক্তির বর্ণমালায় গ্রন্থিত হোক মুক্তির কবিতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (সিওইউডিএস) উদ্যোগে নবীনবরণ ও বিতর্ক কর্মশালা ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনশো পঞ্চাশের অধিক তরুণ বিতার্কিক ও বিতর্কে আগ্রহীদের নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শনিবার (১৪ অক্টোবর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন স্বপ্নচূড়া রিসোর্টে সকাল ১০টায় সিওইউডিএস এর সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাউসার আহাম্মেদ বাঁধনের সঞ্চালনায়
কর্মশালাটি শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৫টায় শেষ হয়।

এ বিষয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের সাংগঠনিক একটি রুটিন ওয়ার্ক হলো বিতর্ক কর্মশালা। নতুন বিতর্কিকদের বিতর্ক বিষয়ে একটি সম্যক ধারনা দিতেই আজকের এই কর্মশালার আয়োজন। এর মাধ্যমে নতুনরা বিতর্কের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবে।

এছাড়াও বছরজুড়ে বিতার্কিকদের নিয়ে আমরা বিভিন্ন কর্মশালার আয়োজন করে থাকি। যা শিক্ষার্থীদের একজন দক্ষ বিতার্কিক হয়ে উঠতে সাহায্য করে।’

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর ড. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব দীপু। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিব হোসেন সানি, বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের (বিডিএফ) সাধারণ সম্পাদক জিহাদ আল মেহেদী এবং কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান।

এসময় প্রশিক্ষকবৃন্দ বিতর্ক কি ও কেন, বিতর্কের ধরন ও বিতর্ক কেন করব, সংসদীয় বিতর্ক ও বর্তমান বিতর্কের প্রেক্ষাপট, বিতর্কে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিতর্কের প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য, কর্মশালা শেষে একটি প্রদর্শনী বিতর্কের মধ্যদিয়ে তরুণ বিতার্কিকদের বিতর্ক সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করা হয় এবং কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (সিওইউডিএস) সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠী নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী

সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠী নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

সিন্ডিকেট বলে কোনো সংস্থা বা গোষ্ঠী নেই বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে কৃষিজ পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছা নিয়ে এক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, প্রতিনিয়তই ভোক্তা বাড়ছে। পণ্যের যোগান সুনির্দিষ্ট কিন্তু চাহিদা ক্রমবর্ধমান। ফলে মাঝে মাঝেই বাজার অস্থির ও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে। সিন্ডিকেট বলে কোনো সংস্থা বা গোষ্ঠী নেই।

‘তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কৌশল আছে। যা প্রায়ই পণ্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়। পণ্য পরিবহণে পথে পথে চাঁদাবাজি থাকলেও আগের চেয়ে কম। পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য দ্রুত আমদানি করতে হবে। চাহিদা মোতাবেক পণ্য আমদানিতে আমলাতন্ত্রিকতা করা যাবে না। ’

এমএ মান্নান আরও জানায়, পুলিশি অভিযান বা জরিমানা করে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সাময়িক। টিসিবিকে জীবিত রেখে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় পণ্য সরকারিভাবে মজুদ ও উৎপাদন বাড়িয়ে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকালীন চা, চিনিসহ আরও কিছু পণ্যের চাহিদা বাড়ায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির যৌথ আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ছায়া সংসদে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিতার্কিকদের হারিয়ে ইডেন কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, দৌলত আক্তার মালা ও কাবেরী মৈত্রেয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলকে ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত ১১ সাংবাদিক

হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত ১১ সাংবাদিক

ডেস্ক রিপোর্ট:

অব্যাহত বিমান হামলা, স্থল লড়াই আর ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মাঝে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের সংবাদ পরিবেশন সাংবাদিকদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক করে তুলেছে। শনিবার সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার বৈশ্বিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বলেছে, হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে এক সপ্তাহে অন্তত ১১ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

সংগঠনটি বলছে, নিহত সাংবাদিকদের মধ্যে ৯ জন ফিলিস্তিনি, একজন লেবানন এবং একজন ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত। এছাড়া যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের সময় ইসরায়েলি এক সাংবাদিক নিখোঁজ এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

চলমান যুদ্ধে গাজা উপত্যকায় অথবা এর কাছের এলাকায় নিহত, আহত এবং নিখোঁজ অন্যান্য সাংবাদিকদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই সংগঠন। সিপিজে বলছে, শুক্রবার লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর গোলার আঘাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একজন ভিডিওগ্রাফার নিহত এবং আরও কমপক্ষে ৬ সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের মধ্যপ্রাচ্য সমন্বয়ক শেরিফ মনসুর বলেছেন, গাজার সাংবাদিকরা সেখানকার তথ্য সংগ্রহ এবং প্রকাশের চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদের যুদ্ধের ময়দান থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাপক লড়াই করছেন।

তিনি জানান, ইসরায়েলি হামলায় অনেক সাংবাদিক তাদের বাড়িঘর এবং অফিস হারিয়ে ফেলেছেন। বর্তমানে অনেকে হাসপাতালে থেকে কাজ করছেন। কারণ সাংবাদিকের কাজের জন্য এখন এটাই একমাত্র জায়গা; যেখানে তারা বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট পরিষেবা পেতে পারেন।

সিপিজে বলছে, গাজার সাংবাদিকরা চলমান বিমান হামলার মাঝে সংবাদ সংগ্রহ এবং পরিবেশনে উচ্চ ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছেন।

শেরিফ মনসুর জানায়, সাংবাদিকরা সংকটের সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। বেসামরিক ব্যক্তি এবং যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা উচিত নয়। সাংবাদিকরা এই গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের খবর পরিবেশনের জন্য অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার করছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সবপক্ষকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সুত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট, আনাদোলু।

খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না : শেখ হাসিনা

খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না : শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

সরকারপ্রধান জানান, খালেদা জিয়া পাকিস্তানের ধারাবাহিকতা নিয়ে চলতে চেয়েছিল। জাতির পিতার হত্যাকারীকে ভোট চুরি করে পার্লামেন্টে বসিয়েছিল। আর আল বদর, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, যারা এ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, মা বোনকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে দিয়েছে, তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল। জিয়াও বসিয়েছিল, এরশাদও, খালেদা জিয়াও। কাজেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এদের কোনো অবদান নেই। তারা সেটা করতেও চায় না। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়।

আওয়ামী লীগ অনেক সংগ্রামের পথ বেয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা জানায়, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলে একটা দেশের যে উন্নতি হয়, যারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে তারা ক্ষমতা থাকলে যে দেশের জন্য উন্নতি হয়, আজ আমরা সেটা প্রমাণ করেছি।

কুমিল্লায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে একই দিনে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ

কুমিল্লায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে একই দিনে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ

উপজেলা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার হোমনায় একই দিনে একই গ্রামে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন প্রশাসন। পৌরসভার বাগমারা গ্রামে ওই দুই বাড়িতে দুটি বিয়ের আয়োজন চলছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইউছুফ হাসান শনিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কনেদের একজন নবম শ্রেণি এবং অপরজন সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। উভয়ের বর প্রবাসী। বরের একজনের বাড়ি উপজেলার বড় ঘারমোড়া এবং অন্যজনের বাড়ি একই উপজেলার বিজয়নগর গ্রামে। শুক্রবার পুলিশসহ দুই বিয়ে বাড়িতে যান নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইউছুফ হাসান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাল্যবিয়ে দুটি বন্ধ করে উভয় অনুষ্ঠান আয়োজক পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। এছাড়া ভবিষ্যতে বাল্যবিয়ে দেবে না মর্মে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করেন।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইউছুফ হাসান জানান, বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তা বন্ধ করি। মেয়ে দুটি একজন নবম শ্রেণিতে ও আরেকজন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। আর বর দুজনই প্রবাসী। কনের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবে না মর্মে তা বন্ধ করা হয়।

মানুষ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মানুষ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের প্রিয় নেতা নন, তিনি সারা বিশ্বের নন্দিত নেতা। যেখানেই গেছি, সেখানেই তার প্রশংসা। সবাই জিজ্ঞাসা করে, “তোমাদের প্রধানমন্ত্রীর কী ক্যারিশমা যে দেশটাকে দরিদ্রতম থেকে উন্নত দেশে পরিণত করেছেন?” উত্তর একটাই, যার ধমনিতে বঙ্গবন্ধুর রক্ত, তিনি দেশকে ভালোবাসেন, দেশের জনগণকে ভালোবাসেন এবং জনগণও তাকে ভালোবাসেন।’

শনিবার রাজধানীর কাওলায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। গত শনিবার (৭ অক্টোবর) এই হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তারিখ পরিবর্তন হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশ ঘুরে বেড়ান উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে মানুষ এক সুরে ও এক বাক্যে এখন বলে, প্রধানমন্ত্রী সারা দেশকে যেভাবে আলোকিত করেছেন, সেখান থেকে আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না। অন্ধকারের দৃশ্য আমরা দেখেছি, হত্যা-খুন-জঙ্গিবাদের উত্থান আমরা দেখেছি। বিদ্যুৎ নেই, ওষুধ নেই, খাদ্য নেই— সেই বাংলাদেশকে উন্নত বাংলাদেশে পরিণত করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি জানায়, দেশের মানুষ বলে, শেখ হাসিনার বিকল্প শুধু শেখ হাসিনাই। আমরা আর কাউকে চিনি না। আমরা নৌকা চিনি, শেখ হাসিনাকে চিনি। আমাদের অবাক লাগে, কষ্ট লাগে যখন অনেকেই অনেক কথা বলেন, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন জায়গা দিয়ে। আজ আমরা দেখেছি, যারা জনগণ থেকে বিমুখ হয়েছে, সন্ত্রাসী-জঙ্গির উত্থান যারা করেছিল, যারা দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, তারাই আবার অনেক ধরনের কথা বলে। লাভ হবে না। বাংলাদেশের মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। নির্বাচনে আসুন, নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাদের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করুন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব আওয়ামী জনগণের ভাষায় ও মেন্ডেটে চলে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, কোনও সন্ত্রাস, ষড়যন্ত্র বা কোনও মাসল পাওয়ার নিয়ে আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী ভর করেন না। তিনি জনগণের শক্তিতে চলেন, দেশের জনগণই তার একমাত্র শক্তি। এ দেশের মানুষ আর অন্ধকারে যাবে না। দেশের জনগণ শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেবেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাবেশে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মান্নান কচি প্রমুখ।

তলে তলে কিছুই হয়নি: মির্জা ফখরুল

তলে তলে কিছুই হয়নি: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ‘তলে তলে’ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তলে তলে আসলে কিছুই হয়নি, সেই কারণে আওয়ামী লীগ বারবার এই কথাটা বলে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি ও তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির প্রতীকী গণঅনশন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মির্জা ফখরুল ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আবারও বলে, বলতে তারা খুব আনন্দ পায়। সেটাকে আবার পরে বলে রাজনৈতিক রসবোধ! তলে তলে নাকি সব আবার হয়ে গেছে। বারবার এ কথাটা কেন বলে? এ জন্যই বলে, আসলে কিছুই হয়নি। গোটা বিশ্বের গণতান্ত্রিক বিশ্ব আজকে তাদের ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার জন্য পরিষ্কার করে বলছে এবং একটি সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচন করতে বলছে।

সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার নয়। এদেরকে সরকার বলা যায় না, এরা শাসক। তার প্রমাণ এদের কথার মধ্যে দেখবেন; বিএনপি একটি দল, যে দলটি সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। তিন বার ক্ষমতায় ছিল—তারা ঘোষণা দেয়, বিএনপি আমাদের শত্রু। অর্থাৎ তারা গণতন্ত্রেই বিশ্বাস করে না। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে কোনো রাজনৈতিক দলকে তারা শত্রু বলতে পারে না।

তিনি বলেন, ‘তারা যে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না এ কথা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। আইনের শাসনেও বিশ্বাস করে না তারা। গতকাল নরসিংদীর দুই ছাত্রনেতাকে কমান্ডো কায়দায়, সম্পূর্ণ আইন-কানুনকে না মেনে—ভঙ্গ করে তারা গ্রেফতার করেছে।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আর গণতন্ত্রের মুক্তি একই উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে সামনের দিনগুলোতে। ‘

এর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনশন ভাঙান লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম।

দুপুর ২টার পর রাজধানীর নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে ফখরুলকে জুস খাইয়ে অনশন ভাঙান তিনি।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ সিনিয়র নেতাদেরও জুস খাইয়ে অনশন ভাঙানো হয়।

অনশনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, আতাউর রহমান ঢালী, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

কাওলায় আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কাওলায় আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে রাজধানীতে ক্ষমতাসীনদের জনসমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার বেলা সোয়া ৩টায় তিনি জনসমাবেশস্থলে পৌঁছান। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানালে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জবাব দেন।

এ জনসভা গত শনিবার হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তারিখ পরিবর্তন হয়। ফলে আজ কাওলায় হচ্ছে সমাবেশ।

এ উপলক্ষে এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন শাখা ও ইউনিট থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছেন কাওলা মাঠে। দুই ঘণ্টা আগেই জনসভার মাঠ লোকে লোকারণ্য। রোদের মধ্যে আশপাশের এলাকায় গাছের ছায়াও অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।

বিশেষ করে, ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থীদের শোডাউন চোখে পড়েছে। প্রত্যেকেই তার অনুসারীদের টি-শার্ট ও ক্যাপ, ব্যানার ফেস্টুনসহ নানা সাজে সাজিয়ে মিছিল নিয়ে এসেছেন। সভাস্থলে প্রার্থীদের ছবি হাতে সমর্থন জানান দিতে দেখা গেছে।

যে ৫ অভ্যাস মেনে চললে আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত সফলতা

যে ৫ অভ্যাস মেনে চললে আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত সফলতা

ডেস্ক রিপোর্ট:

সফল হওয়ার জন্য আপনাকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। কারণ নিজেকে সফলতার উচ্চ শিখড়ে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন যথার্ত পরিশ্রম। এছাড়া আপনি সফল হতে পারবেন না। যা-ই করুন না কেন, কিছু ছোট ছোট কাজ আপনাকে লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে। সেসব মেনে চলতে শিখলেই আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত সফলতা-

১. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এড়িয়ে চলুন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থেকে মানুষের সঙ্গে সরাসরি চাইলেই কথা বলা যায়। এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থাকলেই আপনার ব্যক্তি সাধনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যার ফলে আপনিও একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষ হয়ে উঠবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফলে নেতিবাচক প্রভাব ঘটে। এর ফলে আপনার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক খারাপও হতে পারে। তাই সবার উচিত এটি এড়িয়ে চলা।

২. মেডিটেশন করুন

প্রত্যেকদিন সকালে ১০ মিনিট মেডিটেশনের মাধ্যমে আপনার দিন শুরু করুন। মেডিটেশনের মাধ্যমে দিন শুরু করলে তা আপনার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, আপনার মনও ভালো থাকবে। সফল ব্যক্তিরাও তাদের দিন শুরু করে থাকে মেডিটেশনের মাধ্যমে। ডায়েরি লেখা, মনের ইচ্ছা প্রকাশ এবং তার সুষ্ঠু পরিকল্পনা করতে পারেন এই সময়ে। এই অভ্যাস সকালের রুটিনে জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করবে। মেডিটেশন মনকেও শান্ত রাখে। ভালো জিনিসের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার অভ্যাস জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৩. ভোরে ওঠার অভ্যাস করুন

ঘুম ভালো হলে সকালে উৎফুল্ল লাগে। সকালে ওঠার অভ্যাস আপনাকে সুস্থ রাখে এবং শরীর ও মন ভালো থাকে। সকালে ওঠা আপনার দিনকে কর্মক্ষম করতে সাহায্য করে।

• ঘুম ভালো হওয়া: সূর্য ওঠার আগে সকালে ঘুম থেকে উঠলে শরীর ও মন ভালো থাকে।

• স্বাস্থ্য-সম্মত ডায়েট করা: সকালে সময়ের অভাবে আমরা ঠিকমত স্বাস্থ্যসম্মত নাস্তা করতে পারি না যার ফলে সারাদিন খানিকটা ক্লান্তি কাজ করে। সকালে ওঠার অভ্যাস আপনাকে স্বাস্থ্য-সম্মত নাস্তা বানানোর সময় ও সুযোগ করে দেবে।

• হরমোন নিয়ন্ত্রণ: সকালে ওঠার ফলে তা শরীরের হরমোন নিয়ন্ত্রণ এবং বিপাকে সহায়তা করে।

• বিষণ্ণতা কমায়: রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠা বিষণ্ণতার মাত্রা কমায়।

৪. স্বাভাবিকভাবেই সকালে ঘুম থেকে ওঠা

অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস হতে পারে একটি সহজ পদ্ধতি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ দিক হলো, এতে আপনি দিà¦