All posts by jitu

শুধু মুখে বলে

ইয়াছিন আরাফাতঃ

জীবনের সব স্মৃতি মুছে যাক
যেভাবে মুছে যায়, কাপড়ের দাগ;
জিবনের সমস্ত আঘাত।

চোখের জলে ভিজবে আর কত নির্ঘুম রাত?
কখন দেখব সেই নতুন সূর্যের প্রভাত?

একাকিত্বের, অর্থ সম্পদের, টাকার,বন্ধুত্ব হারানোর, আত্মীয় স্বজন হারানোর, প্রিয়জন হারানোর, বাবা হারানোর যন্ত্রণা কম নয় নেহাত।
জিবনের এই দুর্দিনে কেউ নেই, কেউ নেই এক সাথ।

ভাগ্যের করুন বলি হওয়ার কারণে শুনতে হচ্ছে আমি কোন জাত?

যদিওবা এর উত্তর ভালো ভাবে দিয়েও লাভ নেই,না খেয়ে থাকলেও দেবে না কেউ দুটো ভাত।
কেউ নেই,কেউ নেই সিরা- তাল মুছতাকীমের পথে শুধু মুখে বলে কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ।

চোখের ধরণ দেখেই বুঝে নিন স্ট্রোক করার লক্ষণ

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

স্ট্রোক মূলত মস্তিষ্কে ঘটে। কিছু রক্তনালি মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছে দেয়। এই নালির মধ্যে কোনো কারণে বাঁধা তৈরি হলে বা ছিঁড়ে গেলে রক্ত পৌঁছাতে পারে না নির্দিষ্ট জায়গায়। ফলে সেই অংশের কোষ রক্তের অভাবে দ্রুত মরে যায়। এভাবেই স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে।

যে কোনো সময় হঠাৎ করেই হতে পারে স্ট্রোক। বিশেষ করে যারা অনিয়মিত জীবনযাপন করেন কিংবা স্থূলকায় তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।

স্ট্রোকের আগে চোখে কেন পরিবর্তন ঘটে?

মস্তিষ্কের রক্তনালির ব্লকেজগুলো দৃষ্টিশক্তিতে আকস্মিক পরিবর্তন ঘটাতে পারে যেমন- ঝাপসা, অন্ধকার বা অস্পষ্ট দেখা ইত্যাদি। তথ্য অনুসারে, স্ট্রোকের পর দৃষ্টিশক্তি ৮০ শতাংশ সময় ফিরে আসতে পারে, আবার অনেকে অন্ধত্ববরণও করতে পারেন।

যদি চিকিৎসা বিলম্বিত হয়, তাহলে অপটিক স্নায়ুর সামনের অংশে অবস্থিত টিস্যুতে রক্ত প্রবাহের অভাবের কারণে দৃষ্টিশক্তির জন্য মারাত্মক পরিণতি হতে পারে।

যখন অপটিক স্নায়ু সম্পূর্ণরূপে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন এটি স্নায়ু টিস্যুর ক্ষতি করে। ফলে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হতে পারে।

পেন ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট অনুসারে, স্ট্রোকের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এক চোখে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তবে চোখে কোনো যন্ত্রণা হয় না।

ওয়েবসাইটের তথ্যে আরও জানানো হয়েছে, এক্ষেত্রে চোখে অন্ধকার বা ঝাপসা দেখা কিংবা আলোর প্রতি সংবেদনশীলতাও দেখা দেয়।

পেন মেডিসিনের মতে, যাদের উল্লেখযোগ্য কার্ডিওভাসকুলার রোগ আছে ও ভায়াগ্রা ওষুধ গ্রহণ করেন তাদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। যারা হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন তাদের জরুরিভাবে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করা উচিত।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

নোয়াখালীতে জঙ্গলে মিলল জীবিত নবজাতক

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সেনবাগে জঙ্গল থেকে এক জীবিত নবজাতক শিশুকে উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। তবে তাৎক্ষণিক ওই নবজাতকের পরিচয় জানা যায়নি।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ডুমুরুয়া ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের সারওয়ালাতলী ব্রিজের পশ্চিম পাশে দক্ষিণ মইশাই এলাকার জঙ্গল এ নবজাতককে উদ্ধার করা হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ডুমুরুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন কানন। তিনি বলেন, স্থানীয় লোকজনকে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে শুনেছি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে স্থানীয় এক বাসিন্দা উপজেলার সারওয়ালাতলী ব্রিজের পশ্চিম পাশে দক্ষিণ মইশাই সড়ক দিয়ে যাওয়ার পথে জঙ্গল থেকে এক ছেলে নবজাতক শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়। পরে তিনি সেখানে গিয়ে ওই নবজাতককে খালি শরীরে দেখে উদ্ধার করে। নবজাতক উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করে। তাদের অনেকেই নবজাতককে নিয়ে যেতে চায়। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন জানান, এ বিষয়ে তাকে কেউ অবহিত করেনি। তবে খোঁজখবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ ক্যাটাগরির পদে নিয়োগ দেবে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

জনবল নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। এই প্রতিষ্ঠানে ২৮ ক্যাটাগরির পদে ১৯৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পদগুলো পঞ্চম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত। আগ্রহীরা যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।

যেসব পদে নিয়োগ
১৯৮ পদের মধ্যে প্রোগ্রামার ১ জন, অ্যাসিস্ট্যান্ট মেইন্টেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার ১, সিস্টেম অ্যানালিস্ট ১ জন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৩২ জন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কৃষি অর্থনীতি) ২ জন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কৃষি প্রকৌশল) ২ জন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ফুড টেকনোলজি) ৪ জন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পরিসংখ্যান) ২ জন, এস্টিমেটর ১ জন, পরিবহন কর্মকর্তা ১ জন, বৈজ্ঞানিক সহকারী ৩৫ জন, কম্পিউটার অপারেটর ২ জন, অফিস সহকারী কাম হিসাবরক্ষক ৮ জন ও অফিস সহকারী ৭ জন নেওয়া হবে।

এছাড়া স্টোর কিপার কাম অফিস সহকারী ১ জন, ভান্ডাররক্ষক ৯ জন, ইলেকট্রিশিয়ান ৩ জন, বুলডোজার ড্রাইভার ১ জন, গাড়িচালক ৭ জন, ট্রাক্টর ড্রাইভার ২ জন, পাওয়ার টিলার ড্রাইভার ২ জন, ম্যাশন ১ জন, প্লাম্বার ২ জন, ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট ১৪ জন, প্রিপেয়ারার ২ জন, ক্যাশ সরকার ১ জন, সহকারী বাবুর্চি ১ জন, রুম অ্যাটেনডেন্ট ১ জন, চেইনম্যান ১ জন, হ্যামারম্যান ১ জন, অফিস সহায়ক ১৬ জন ও নিরাপত্তা প্রহরী ৩৪ জন নেওয়া হবে।

যেভাবে আবেদন
পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা অনলাইনে এই ওয়েবসাইটের http://bari.teletalk.com.bd/ মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। নিয়োগসংক্রান্ত আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে এই লিংকে ।

মক্কায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় ও চতুর্থ বাংলাদেশী ২ হাফেজ

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৩তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় আবারও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে বাংলাদেশের দুই হাফেজ।

বুধবার রাতে মসজিদে হারামের নতুন সম্প্রসারিত অংশে বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

প্রতিযোগিতার পূর্ণ কোরআন হিফজ বিভাগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন হাফেজ ফয়সাল আহমেদ। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৮০ হাজার সৌদি রিয়াল (প্রায় ৫২ লাখ ৬২ হাজার ৫৭৯ টাকা) ও সম্মাননা পদক।

প্রতিযোগিতায় তাজবিদসহ ১৫ পারা হিফজ গ্রুপে অংশ নেওয়া অপর প্রতিযোগী হাফেজ মো. মুশফিকুর রহমান চতুর্থ স্থান লাভ করেছেন। তিনি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল (৩৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা) সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট।

সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের পক্ষ থেকে পুরস্কারের অর্থ ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন মক্কা মোকাররমার গভর্নর শায়খ বান্দার বিন সুলতান বিন আবদুল আজিজ ও সৌদি আরবের ধর্ম মন্ত্রী শায়খ ড. আব্দুল লতীফ।

সৌদি প্রেস এজেন্সি সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ আগস্ট সৌদি আরবের ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে মক্কায় ৪৩তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে বিশ্বের ১১৭টি দেশ থেকে ১৬৬ প্রতিযোগী তাতে অংশ নেয়।

পাঁচ বিভাগে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সর্বমোট ৪০ লাখ সৌদি রিয়াল পুরস্কার দেওয়া হয়।

গত বছর (২০২২) এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে প্রথমবারের মতো একজন বাংলাদেশি আলেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিযোগিতার বিচারকার্য যথাযথ পালন করায় অনুষ্ঠানে তাকেও বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

চৌদ্দগ্রামে ৭৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ নারী আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ৭৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ মনি (৩০) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলার দূর্গাপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। এসময় মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।

আটক হওয়া নারী গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার উত্তর পাড়া গ্রামের মোঃ মালেক মিয়ার মেয়ে।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার এ কে এম মুনিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ গাইবান্ধা ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে বৃদ্ধ নারীর মৃত্যু

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর কবিরহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে এক বৃদ্ধ নারীর মৃত্যুর হয়েছে।

নিহত মুক্তোবির নেছা (৭৫) উপজেলার মধ্যম সুন্দলপুর গ্রামের আরিফ মিয়ার বাড়ির মৃত আব্দুল মতিনের স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম সুন্দলপুর গ্রামের আরিফ মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ ছিলেন মুক্তোবির নেছা । তার স্বজনেরা নিখোঁজ হওয়ার পর একাধিক স্থানে খোঁজাখুজি করেও তার কোনো সন্ধ্যান পায়নি। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ভিকটিমের নিজ মেয়ে বাড়ির পার্শ্বে আরিফ মিয়ার পুকুরের ঘাটলার পানিতে মায়ের মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। ইতিপূর্বে সে একাধিকবার বাড়ি বের হয়ে যায়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। পরিবারে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কুমিল্লায় দুটি হাসপাতালকে সিলগালা, তিন লাখ টাকা জরিমানা

কুমিল্লায় দু’টি হাসপাতালকে সিলগালা, তিন লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা মেট্রোপলিটন হসপিটালে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার বৈধ কাগজপত্র পায়নি ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্বাস্থ্য বিভাগ। এই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারকে ব্যবহারের অযোগ্য বলে ঘোষণা করে সিলগালা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

একদিন আগেও এ হাসপাতালে করা হয়েছে এক প্রসূতি মায়ের অস্ত্রোপচার। নবজাতক শিশুসহ ওই মাকে আবার রাখা হয়েছে অপারেশন থিয়েটারের লাগোয়া অস্বাস্থ্যকর কেবিনে।

যে হাসপাতালটিকে অনেক অনিয়মের অভিযোগে সিলগালা করা হলো, সেই হাসপাতালেই চিকিৎসা দিতে আসেন কুমিল্লার নামকরা চিকিৎসকরা।

এছাড়াও এক বছর ধরে কার্যক্রম চালানো নগরীর বাদুরতলা এলাকার মেডিকন স্পেশালাইজড হাসপাতালেরও নেই কোনো অনুমোদন ও কাগজপত্র। শুধুমাত্র মেশিনপত্র কিনেই হাসপাতাল নাম দিয়ে এর কার্যক্রম চলমান। ডেঙ্গু পরীক্ষাসহ প্রায় সকল ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সরকার অনুমোদিত মূল্যের তুলনায় বেশি নেওয়ার প্রমাণও পাওয়া যায়।

সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দুইটি বেড রেখেই সামনে ইমার্জেন্সি সিল লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানেই আছে একটি অক্সিজেন সিলিন্ডারও। তবে হাসপাতালের ফার্মেসির কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও হাসপাতালের যে সকল সরঞ্জাম থাকার কথা তার পর্যাপ্ত ছিল না। যে কারণে এক লাখ টাকা জরিমানা ও হাসপাতালের সকল বিভাগসহ হাসপাতাল সিলগালা করা হয়েছে।

উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মেহেদী হাসান (এমওসিএস) ও ডা. মো. আবদুল কাউয়ুম (এমও কোর্ডিনেটর)।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার মো. মেহেদী হাসান জানান, মেডিকন হাসপাতালের কোনো অনুমতিপত্র নেই। তারা অনুমতি ছাড়াই রোগী ভর্তি, পরীক্ষা ও অস্ত্রপচার করে যাচ্ছিল। এছাড়াও তারা সকল পরীক্ষার দামও বেশি রাখে।

জরুরি বিভাগের ভেতর শুধু দুইটা বেড ছাড়া আর কিছুই নেই। এমন অনিয়মের কারণে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া মেট্রোপলিটন হাসপাতালের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও রোগী দেখার দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক না থাকাসহ নানান অভিযোগে হাসপাতালটিকে সিলগালা এবং দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পরিত্যক্ত ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পুকুরে ডুবে তাহসীন (২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।

সে উপজেলার পৌর সদরের কিং শ্রীপুর গ্রামের মোঃ ইয়াছিনের ছেলে।

জানা গেছে, পরিবারের অগোচরে বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত ডোবায় পড়ে যায় শিশু তাহসীন। এসময় তাৎক্ষনিক শিশুটিকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সোলেমান বাদশা ও রবিউল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কুবির জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

কুবির জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নরত সিলেট বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের নবীন বরন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় সংগঠনের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১০ টায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৪০৯ নং রুমে এ আয়োজন করা হয়।

কুইজ প্রতিযোগিতা মাধ্যমে নবীন বরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে সংগঠনের ১৫ তম ও ১৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের পুরষ্কৃত করা হয়।
সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুহসিন জামিলের সঞ্চালনায় সহ সভাপতি তুহিন আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসেনা বেগম।

এসময় নবীনদের পক্ষে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ কাউসার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন আমার আপন ঠিকানা। এই সংগঠনে সঙ্গে থাকার ফলে শত দূরত্বে থেকেও মনে হয় পরিবারের সাথে আছি। আমি এই সংগঠনের ছায়াতলে থাকতে চাই। যতদিন থাকবো এই সংগঠনের সবার সঙ্গে মিলেমিশে একসাথে পথ চলতে চাই।

গণিত বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী প্রিয়া মনি দেব বলেন, প্রথম যখন ক্যাম্পাসে এসেছি তখন অনেক খারাপ লাগাতো। কিন্তু এই সংগঠনে এসে বড় ভাইবোনদের সাথে কথা বলে মনে হলো আমি সিলেটেই আছে। এখন আমার আর খারাপ লাগে নেই। শেষ পর্যন্ত এই সংগঠনের সাথে থাকতে চাই।

জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণত সম্পাদক সাইদুর রহমান বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন আমার আবেগের জায়গা। ক্যাম্পাস অন্য সব জায়গায় আমরা ফরমাল। কিন্তু আমাদের মধ্যে সম্পর্কটা ইনফরমাল। সিলেটের মানুষ খুব অতিথিপরায়ণ। আর এটি একটি মানবিক সংগঠন। আমরা দূর্যোগে মানুষের পাশে দাড়িয়েছি। সিলেটে বন্যা কবলিত মানুষদের সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণ, অনাথ শিশুদের কাপড় বিতরণসহ ইত্যাদি মানবিক কাজে আমরা অংশগ্রহন করেছি।

তিনি নবীনদের উদ্দেশ্যে আরোও বলেন, আজকের নবীন বরণের মধ্যে দিয়ে তোমার আনুষ্ঠানিকভাবে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পরিবারের সদস্য হয়েছো। তোমরা সবাই সবার সাথে মিলেমিশে থাকবে।

সংগঠনের উপদেষ্টা ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসেনা বেগম বলেন, সিলেট থেকে আমিই প্রথম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়। আমার নিজের আরেকেটি ঠিকানা হচ্ছে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন। আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি প্রথম যখন এই সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়। আমার বিপদে সবসময় কাছে থেকেছে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এইখানে আসলে আমার মন আপনাআপনি ভালো হয়ে যায়। আমি খুব গর্বিত এই সংগঠনকে নিয়ে। এই ফিলটা নেওয়ার জন্য হলেও এইখানে আসবেন আপনারা। তিনি নবীনদের উদ্দেশ্যে বলেন, সবার প্রথম ও প্রধান কাজ পড়াশোনা করা। তার