All posts by jitu

পরকীয়া ও দ্বিতীয় বিয়ে, ক্ষোভে স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সাভারের আশুলিয়ায় পারিবারিক কলহ ও দ্বিতীয় বিয়ে করার ক্ষোভে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের রণস্থল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ব্যক্তি (৪০) নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পেশায় পোশাকশ্রমিক। অভিযুক্ত স্ত্রী দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বাসিন্দা।

নজরুল ইসলাম কাজী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ভুক্তভোগী ব্যক্তির স্ত্রী তাঁকে মোবাইলে ফোন করে একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। এত রাতে অ্যাম্বুলেন্স ডাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ওই গৃহবধূ নজরুলকে জানান, ব্লেড দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলেছেন। পরে একটি ভ্যানের ব্যবস্থা করে দিলে আহত স্বামীকে নিয়ে হাসপাতালে রওনা দেন অভিযুক্ত স্ত্রী।

ভুক্তভোগীর বড় ভাই সানোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে গ্রাম থেকে সাভারে হাসপাতালে ছুটে এসেছি। যতদুর জেনেছি পারিবারিক দ্বন্দ্ব থেকে স্ত্রী সুফিয়া তার পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছে। তবে অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আছে বলে তাদের মনোমালিন্য চলছিল। তবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে কি না এখনো জানি না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ওই গৃহবধূর প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। সম্প্রতি পাশের এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন ভুক্তভোগী ব্যক্তি। দুদিন আগে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। স্থানীয়দের ধারণা, স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করার ক্ষোভ থেকেই এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন প্রথম স্ত্রী।

আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোমেনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেননি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ফুটবলে কিক মারায়, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর চাটখিলে ফুটবলে কিক মারায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত ওসমান গণি (১৫) উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের মোকামী বাড়ির মিজানুর রহমানের ছেলে এবং স্থানীয় সপ্তগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে, গত রোববার ৯ জুলাই দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার বসত ঘর সংলগ্ন আঙ্গিনায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহতের জেঠাতো ভাই শাহ আলম অভিযোগ করে বলেন, গত রোববার ৯ জুলাই দুপুর ২টার দিকে আমাদের প্রতিবেশী মানিকপুর গ্রামের পুরান বাড়ির মন্টুর ছেলে মুসলিম (১২) বাড়ির সামনের রাস্তা সংলগ্ন আঙ্গিনায় ফুটবল খেলছিল। ওসমান তার পাশেই পাকা নামাজের টং ঘরে বসে মোবাইল টিপছে। হঠাৎ বল এসে ওসমানের পায়ের কাছে পড়লে ওসমান ফুটবলে জোরে কিক মারে। তখন ফুটবলটি পাশের একটি একতলা বিল্ডিংয়ের ছাদে গিয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক মুসলিম কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে তার বাবাকে জানায় ওসমান কাকা তার ফুটবল কিক মেরে ফেলে দিয়েছে। কিছুক্ষণ পর মুসলিমের বাবা মো.মন্টু (৩২) একটি লোহা কাঠ নিয়ে এসে ওসমানকে বেধড়ক পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার ভোর রাতের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে শাহ আলম বলেন, হামলাকারী মিন্টুর বেশ কয়েকজন আপন ভাই রয়েছে। এরা সবাই উশৃঙ্খল,মানুষের সাথে ঝগড়াঝাটি তাদের একটা নেশা। আমরা সবাই ঢাকা থাকি। ওসমানের পরিবারও ঢাকা থাকত। কয়দিন আগে তার বাবা গ্রামে একটি বাড়ি করে। হামলাকারী মন্টু ভবন নির্মাণের সময় কাজ চেয়ে ছিল। ওই কাজ না পেয়ে সে ওসমানের পরিবারের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। না হলে শুধু মাত্র ফুটবলে একটি কিক মারার কারণে একজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলবে।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.গিয়াস উদ্দিন বলেন, ওই কিশোর আজকে মারা যায় বলে শুনেছি। এ ঘটনায় নিহতের মা উম্মে হানি রুমা ঘটনার দিন রাতে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ মামলা নেয়।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বাবাকে হত্যার দায়ে ৩ ছেলের মৃত্যুদণ্ড

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বাবাকে হত্যার দায়ে তিন ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি নুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন,জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তিন ছেলে, নাতি ও স্বজনেরা মিলে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেন। মামলায় ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। পরে এই মামলায় আটজনের মধ্যে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বাকিদের খালাস দিয়েছেন আদালত। রায়ের সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মনোহরগঞ্জ উপজেলার কান্দি এলাকার মৃত. আব্দুল করিমের ছেলে মো. ফয়েজ উল্লাহ, মো. অহিদ উল্লাহ ও মো. শহিদ উল্লাহ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬ আগস্ট কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার কান্দি এলাকায় জমি লিখে না দেওয়ায় বাবা আব্দুল করিমকে পিটিয়ে হত্যা করেন তাঁর ছেলেরা। এ ঘটনায় নিহত আব্দুল করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী মোসাম্মত সাফিয়া খাতুন বাদী হয়ে তিন ছেলেসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছে কুবির ইরফান আনোয়ার

 

চাঁদনী আক্তার,কুবি প্রতিনিধি

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস দুইটি রেকর্ড গড়ে নাম লিখিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী ইরফান আনোয়ার তুষার। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চবার ড্রাম স্টিক ঘুরিয়ে তিনি এ রেকর্ডগুলো করেন।

গত ২১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন কোর্টে তিনি রেকর্ড দুটি করেন। বিষয়টি গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এর ওয়েবসাইট সূত্রে বিষয়টি জানা যায়।

প্রথম রেকর্ডটিতে ৩০ সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৬৫ বার তিনি ড্রাম স্টিক ঘুরিয়ে এবং দ্বিতীয় রেকর্ডটি এক মিনিটে ১২৫ বার ঘুরিয়ে রেকর্ড দুটি গড়েন।

জানা যায়, রেকর্ডটি করার জন্য গত জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ তিনি আবেদন করেন। পরে ২১ মার্চ তিনি এ রেকর্ড করলে গত ৭ জুলাই ই-মেইলে তাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গিনেজ বুক।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি প্রথম বিশ্বরেকর্ডটি আমেরিকার ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা কেন্ট চ্যাইপার্ট (কবহঃ ঈুঢ়বৎঃ) এবং দ্বিতীয় বিশ্বরেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা ব্রান্ডেন ক্যালবাই (ইৎবহফধহ কবষনরব) এর কাছ থেকে ছিনিয়ে আনি বাংলাদেশে। অর্থাৎ, একটি রেকর্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আরেকটি রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। যার মালিক এখন বাংলাদেশ।

আনন্দ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের মত সম্মানীয় একটি জায়গায় নিজের নাম লেখাতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত এবং উচ্ছ্বসিত। লাল সবুজের পতাকা হাতে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা গর্বের। এ রেকর্ড করতে অনুপ্রেরণা দিয়েছে আমার দুই বন্ধু মো আশিকুর রহমান এবং রবিউল আলম। জাহিদ স্যার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে আমাকে এই রেকর্ড করতে সহযোগিতা করেছেন। কারিগরি এবং মানসিক সাপোর্ট দিয়ে পাশে ছিল ছোট ভাই তমাল।

বিশ্বরেকর্ড দুইটি উৎসর্গ করে তিনি বলেন, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক সহকারী প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা স্যারকে। যিনি আমার হৃদয় গহীনে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের মর্যাদার আসনে আসীন হয়ে আছেন। পাশাপাশি এই গৌরবময় অর্জন আমি উৎসর্গ করছি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সহ এই বাংলার সকল পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দের প্রতি।

সদর দক্ষিণে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়ী বহরে হামলা; ৫টি গাড়ি ভাংচুর

 

স্টাফ রিপোর্টার।।

কুমিল্লা সদর দক্ষিন উপজেলার ৫ নং পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাৎ আলীর গাড়ী বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা এসময় ৫টি গাড়ী ভাংচুর করে। হামলায় গাড়ীতে থাকা অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। সোমবার ১০ জুলাই সন্ধ্যা ৬ টায় সুয়াগাজী স্কুল গেইট এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার পর রাতে চশমা প্রতীকের প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষ নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হাসমত উল্লাহ হাসুরে বিরুদ্ধে এ হামলার অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাৎ আলী।

তিনি বলেন, ওই ইউনিয়নের প্রায়ত চেয়ারম্যান শাহজালালের অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে ও প্রায়ত চেয়ারম্যান শাহজালালের কবর জিয়ারত করতে কুমিল্লা শহর থেকে সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু আসেন। তারা ফেরার পথে ২০/২৫ জনের একটি দল এ হামলা চালায়।

তিনি আরো বলেন, আগামী ১৭ জুলাই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত সন্ত্রাসীরা নিয়মতি যাতায়াত করছে। বহিরাগতরা নির্বাচনী প্রচারনায় বাঁধা দিচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে পোস্টার, ফেস্টুন ছিড়ে ফেলছে। ভোটের দিন যেন ভোটররা কেন্দ্রে না আসে সে বিষয়ে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। নির্বাচনকে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ করতে তিনি প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হাসমত উল্লাহ হাসু বলেন, মনিরুল হক সাক্কু ২০-২৫টি গাড়ী বহর নিয়ে চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাৎ আলীর নির্বাচনী প্রচরনায় আসে। এসময় স্থানীয়দের সাথে ঝামেলা হয়। এ বিষয়ে আমার নেতাকর্মীরা জড়িত নয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, শফিকুর রহমান মেম্বার, আঃ মমিন মেম্বার, রফিকুল ইসলাম, মোতাহের মেম্বার মিয়াজী, ওমর ফারুক চৌধূরীসহ আরো অনেকে

সাধারণ ভোটারের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাইলেন সারওয়ার হোসেন বাবু

 

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লা উঃ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও কুমিল্লা উঃ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ সারওয়ার হোসেন বাবু কুমিল্লা”র দেবিদ্বার পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম শামীম এর পক্ষে পৌরসভার ০৩নং ওয়ার্ড ফতেহাবাদে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন।

এই সময় নেতা-কর্মীদের নিয়ে সাধারণ ভোটার ও যুব সমাজের কাছে নৌকার লিফলেট বিতরণ করেন সারওয়ার হোসেন বাবু।

তার সাথে উপস্থিত ছিলেন তিতাস উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক ও কড়িকান্দি ইউনিয়ন (তিতাস উপজেলা সদর ইউনিয়ন) পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল আলম মুরাদ, কুমিল্লা উঃ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু কাউছার অনিক, দেবিদ্বার পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান সুমন।

পদ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কুবি উপাচার্যকে চিঠি

 

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ না মেনে অধ্যাপক থাকাকালীন এক সহযোগী অধ্যাপককে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে পদ বঞ্চিত অধ্যাপক বিষয়টিকে আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন ও মান-মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে দাবি করে রোববার (৯ জুলাই) পদ পেতে ফের উপাচার্য বরাবর চিঠি দিয়েছেন। এছাড়াও পদ ফিরিয়ে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং প্রচলিত নিয়ম সুরক্ষা করার দাবি জানান তিনি। এদিকে গত ১৮ জুন পদ ফেরত চেয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর চিঠি দিয়েছিলেন তিনি।

পদ বঞ্চিত ঐ অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. মো. আবু তাহের।

চিঠি সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুন রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া, সহযোগী অধ্যাপককে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উক্ত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন-২০০৬ এর ২৪ নং ধারা অনুযায়ী বিভাগীয় অধ্যাপকদের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে তিন বছর মেয়াদে ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক বিভাগীয় প্রধান নিযুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেই জেষ্ঠ্যতা অনুসারে বিভাগীয় প্রধান হওয়ার কথা ছিল অধ্যাপক ড. মো. তাহেরের।

পদ ফেরত চেয়ে চিঠিতে অধ্যাপক তাহের বলেন, জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়াকে বিভাগীয় প্রধানের পুনরায় দায়িত্ব প্রদান করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘিত হয়েছে এবং প্রচলিত নিয়মেরও ব্যত্যয় ঘটেছে, যা ইতিপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ বছরের ইতিহাসে কখনো ঘটেনি। এতে আমার মান-মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং আমি সামাজিকভাবে ও হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। আমি বর্তমানে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করতে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত আছি এবং দায়িত্ব পেলে সততা ও নিষ্ঠার সহিত আমি আমার দায়িত্ব পালন করতে পারব বলে বিশ্বাস করি।

উপচার্যকে উদ্দেশ্য করে চিঠিতে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে আপনি বিষয়টি সু-বিবেচনার সহিত দেখবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং প্রচলিত নিয়মের সুরক্ষা করবেন।

এদিকে এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত ১৮ জুন রেজিস্ট্রার বরাবর চিঠি দিয়েছিলেন অধ্যাপক তাহের। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে বাধ্য হয়েই তিনি উপাচার্যকে চিঠি দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সাথে মুঠোফোন ও খুদেবার্তা পাঠিয়েও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহম্মদ হুমায়ুন কবির কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, যেহেতু বিষয়টি আমার কাছে আসেনি, সেহেতু আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না।

সৃজিত-জয়ার ‘সম্পর্ক’ নিয়ে যা বললেন মিথিলা

 

বিনোদন ডেস্কঃ

কিছুদিন আগে ভারতীয় নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি এবং দুই বাংলার অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সংসার ভাঙনের গুঞ্জন উঠেছিল। তবে তা সামলে নিয়ে টলিউডে প্রথম সিনেমা ‘মায়া’র মুক্তিতে বেশ ভালো সময় পার করছেন মিথিলা। এর মধ্যে সৃজিতের সঙ্গে জয়া আহসানের প্রেমের পুরনো প্রসঙ্গটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বছর পাঁচেক আগের স্বামীর পুরোনো প্রেমের বিষয়টি নিয়ে আলোচনাকে পাত্তাই দিচ্ছেন না মিথিলা।

নতুন করে বিষয়টি আলোচনায় আসার কারণ হলো পাঁচ বছর পর ফের অভিনেত্রী জয়া আহসানের সঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করবেন সৃজিত। সৃজিতের নতুন সিনেমা ‘দশম অবতার’-এ জয়ার যুক্ত হওয়ার কারণে তাদের পুরোনো প্রেমের নতুন করে চর্চা শুরু করছে নেটিজেনরা।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বামী সৃজিতের পুরোনো প্রেমের বিষয়টি নিয়ে স্ত্রী হিসেবে মিথিলার ভাবনা কেমন সে প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কতজনের সঙ্গেই কত কিছু শোনা গেছে। সবাইকে বাদ দিলে আর কাউকে কাজের জন্য পাবে না। পুরনো কারো সঙ্গে সম্পর্ক থাকতেই পারে, তবে আর কাজ করবেন না, সেটা তো নয়। কাজটা তো কাজই। এটা নিয়ে আমার আসলে কোনো ভাবনা নেই।’

মিথিলা আরো বলেন, তিনি যদি স্ত্রী হয়ে ঝামেলা করেন, তাহলে সৃজিত কাজ করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, ‘আমি জয়া আপাকে অনেক আগে থেকে চিনি, সৃজিতেরও আগে। আমি যদি ঝামেলা করি, তাহলে তো কাজই হবে না। আমি এসব নিয়ে ঝামেলা করি না, করবোও না। বিয়ের ৩ বছর হয়ে গেছে, এখন এই সম্পর্কটা স্টেবল। এসব আর ভাবি না। কারও অতীত তো আমি বদলাতে পারব না, সেটা নিয়ে রাগ করে লাভ নেই। তার চেয়ে বর্তমানে ভালো থাকি।’

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ১০০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২, কাভার্ড ভ্যান জব্দ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অভিনব কায়দায় কাভার্ডভ্যানে করে মাদক পাচারকালে ১০০ কেজি গাঁজাসহ ২ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় তাদের ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যানও জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ জুলাই) বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির দক্ষিণ শতানন্দি এলাকায় কাভার্ড ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে গাঁজাসহ তাদের আটক করা হয়।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, বরগুনা জেলার আমতলীর হরিম তুমরা এলাকার বাসিন্দা, কাভার্ড ভ্যানচালক মো. মিজানুর রহমান (২৮) এবং তার সহযোগী কুমিল্লার বাঙ্গরার কুরুন্ডি এলাকার বাসিন্দা মো. শাহাবুদ্দিন সুমন (২৩)।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির দক্ষিণ শতানন্দি এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় একটি কাভার্ড ভ্যান সন্দেহজনকভাবে দ্রুত চেকপোস্ট অতিক্রম করার চেষ্টা করে। তখন ডিবি পুলিশের তল্লাশি দল হলুদ রঙের ওই কাভার্ড ভ্যানটি আটক করে। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে এর ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকানো ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে গাঁজাসহ গাড়িটি জব্দ করে এর চালক ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে স্বল্পমূল্যে কিনে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গাঁজাসহ আটক শাকিল

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১০ কেজি গাঁজাসহ আসিফ আহমেদ শাকিল (২৬) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১০ জুলাই চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সৈয়দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

আটক হওয়া যুবক চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের মৃত. আব্দুল খালেকের ছেলে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার এ কে এম মুনিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, আটক হওয়া যুবক দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।