All posts by jitu

ইফতার তৈরিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার সামগ্রী তৈরি ও ইফতারে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার করায় নোয়াখালীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর নোয়াখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাওছার মিয়ার নেতৃত্বে জেলা শহর মাইজদীতে এ অভিযান চালানো হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর নোয়াখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাওছার মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অভিযানকালে ইফতার সামগ্রীতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার করায় এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার সামগ্রী তৈরি করায় টোকিও কাবাবকে ১০ হাজার এবং মোহাম্মদিয়া হোটেলকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. শওকত আলী এবং সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

শিল্পকারখানার বর্জ্য: মেঘনায় মারা যাচ্ছে মাছ ও মাছের পোনা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

মেঘনা নদীর মতলব উত্তর অংশে থাকা মাছ এবং মাছের পোনা মরে যাচ্ছে কিছুদিন ধরে। পচা মাছের দুর্গন্ধে সয়লাব মেঘনা নদীর তীর। যে কারণে নদী তীরবর্তীরা দৈনন্দিন কাজও করতে পারছে না।

জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে প্রায় কয়েক টন দেশি চেউয়া মাছ ও বিভিন্ন জাতের পোনা মাছসহ ছোট বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে গেছে। স্থানীয় মৎস্য বিভাগের দাবি, আশপাশের শিল্পকারখানাগুলো নদীর পানিতে বর্জ্য ফেলছে। স্থানীয় লোকজন হাটবাজার ও বাসাবাড়ির আবর্জনাও নদীতে ফেলছেন। ফলে পানি দূষিত হয়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) উপজেলার মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নদীর পাশের ষাটনল ইউনিয়নের জেলেপাড়া, বাবু বাজার, সটাকী, বাহাদুরপুর এলাকায় পানিতে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। এখানে পানি নষ্ট হয়ে কালো রং ধারণ হয়ে গেছে এবং চোখে পড়ে ফেনাযুক্ত পানি। পানিতে মরা মাছ ভাসতে দেখা যায়।

জেলেদের প্রতিনিধি মহাবীর বর্মণ জানান, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ শিল্পাঞ্চলের কারখানার পরিত্যক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলা হয়। বর্জ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পানি কালো রং ধারণ করেছে। বিষাক্ত পানিতে টিকতে না পেরে মাছ মরে ভেসে উঠছে।

ইমাম হোসেন, প্রদীপ বর্মণ, সুভাষ বর্মণ’সহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, কারখানার দূষিত বর্জ্য ফেলার কারণে মতলব উত্তর উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘনা নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ব্যাপক হারে মারা যাচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে শতশত লোকজন মৃত মাছ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানায়, বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন কলকারখানার দূষিত কেমিক্যালযুক্ত পানি মেঘনা নদীর তলদেশ দিয়ে আসায় ছোট-বড় মাছ মরে ভেসে উঠছে। পচা মাছের দুর্গন্ধে নদী পাড়ের মানুষের জীবনমান দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলার নদীর পানি এখানে প্রবেশ করেছে। এক সপ্তাহ ধরে নদীর পানির রং বদলে যাচ্ছে। শহরের বিভিন্ন কারখানার দূষিত বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনা নদীতে ফেলা হচ্ছে। ফলে পানি দূষিত হয়ে রং পরিবর্তন করেছে। দূষিত পানির কারণে পানির পিএইচ ও অ্যামোনিয়া মাত্রার চেয়ে কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। দ্রবীভূত অক্সিজেন প্রায় শূন্য হয়ে যাওয়ায় নদীতে থাকা বিভিন্ন জাতের বড় মাছ, মাছের পোনা ও জলজ প্রাণী মরে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে নদীর ষাটনল এলাকায় কয়েক টন মাছ মরে গেছে। মাছগুলো মরে ভেসে গেছে এবং নদীর পাড়ে জমাট হয়ে পচে এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগম জানান, মাছ মারা যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান করা হবে। বর্জ্যের কারণে নদীর পানিতে অক্সিজেন কমে যাওয়ায় মাছ মরে ভেসে ওঠে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘খবর পাওয়ার পর পরই সহকারী মৎস্য কর্মকর্তাকে নদীর অবস্থা দেখতে পাঠানো হয়েছে। পানিতে মিশে থাকা দূষিত পানির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই পানি বুধবার পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।’

চাঁদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি জানিয়েছেন। আগামী রবিবার সরেজমিন পরিদর্শন করে পানির নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।’

সদর দক্ষিণে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার সদর দক্ষিণের নন্দনপুর এলাকা হতে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী সুরুজ মিয়াকে (৩৫) আটক করেছে র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ সদস্যরা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব এর একটি আভিযানিক দল ৩০ মার্চ দুপুরে নন্দনপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী হলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সিবলাই গ্রামের মৃত. শাহ আলম মিয়ার ছেলে সুরুজ মিয়া ওরফে মালু মিয়া (৩৫)।

এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

রোগির শরীরের ভুল গ্রুপের রক্ত সরবরাহ, মিডল্যান্ড হাসপাতাল ও ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা নগরীর প্রাণকেন্দ্র মিডল্যান্ড হসপিটালে এক রোগীকে এ পজেটিভ ব্লাড গ্রুপের জায়গায় বি পজেটিভ ব্লাড ট্রান্সফিউশন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল ও ডাঃ নাজনীন জাহান লুবনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার থেকে জানা যায়, গত ১২ মার্চ বিকাল সাড়ে ৪ টায় বরুড়া উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের পাঁচথুবী গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী হাসিনা আক্তার কুমিল্লা মিডল্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি জরায়ুর সমস্যা নিয়ে মিডল্যান্ড হসপিটালে ভর্তি হন। রোগী হাসিনা আক্তারের রক্ত গ্রুপ পরীক্ষা করে রোগীর পরিবারকে বললো, বি পজেটিভ রক্ত লাগবে। তারপর ব্লাড সংগ্রহ এবং ব্লাড ক্রস ম্যাচিং করে রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে ব্লাড ট্রান্সফিউশন শুরু করে। তার মাঝে ডাঃ নাজনীন জাহান লুবনা জানান, এক ব্যাগ ব্লাড হবে না, আরেক ব্যাগ ব্লাড লাগবে। অপারেশন সময়কালীন প্রথম ব্যাগ ব্লাড ট্রান্সফিউশনের সময় রোগীর ছটফট, চেচামেচি শুরু হয়। যখন ২ ঘন্টাতেও অপারেশন শেষ হচ্ছে না তখন রোগীর পরিবার অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করে দেখতে পান জোর জবরস্তি করে ডাঃ নাজনীন জাহান লুবনার সামনে ব্লাড ট্রান্সফিউশন চলছে। এর মাঝে মিডল্যান্ড হসপিটালের ল্যাব বন্ধ করে দেয়। ল্যাব টেকনোলজিস্ট জানান, আপনারা অন্য একটি হসপিটালে গিয়ে ব্লাড কালেকশন ও ব্লাড ক্রস ম্যাচিং করে নিয়ে আসেন। রোগীর একজন স্বজন, ডোনার ও হসপিটালের একজন কর্মচারী অন্য একটি হসপিটালে ব্লাড কালেকশন ও ক্রসম্যাচিং করতে গিয়ে দেখা যায় রোগীর ব্লাড গ্রুপের সাথে ডোনারের ব্লাড গ্রুপ মিলছে না।

তারপর ডাঃ নাজনীন জাহান লুবনা ও হসপিটাল কর্তৃপক্ষ টের পেয়ে রোগী রেখে তাড়াহুড়া করে রোগীর পরিবারকে বলেন আল্লাহ আল্লাহ করেন। রোগীর অবস্থা ভালো না, আপনারা অন্য হসপিটালে নিয়ে যান। এই বলে হসপিটাল ত্যাগ করেন ডাঃ লুবনা।

একজন রোগী অপারেশন থিয়েটারে ব্লাড ট্রান্সফিউশন সময় রোগীর কাপুনি, ছটফট করলে এই সময় করণীয় কি? এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসক জানান, , ব্লাড ট্রান্সফিউশনের সময় রোগীর কাপুনি ও ছটফট করলে ব্লাড দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

এই বিষয় ডাঃ নাজনীন জাহান লুবনা বলেন, এখানে আমার কোন দোষ নেই। ল্যাব টেকনোলজিস্টের কারণে এই সমস্যা হয়েছে।

মিডল্যান্ড হসপিটালের ল্যাব টেকনোলজিস্ট বেলায়েত হোসেন স্বপন দোষ স্বীকার করতে তিনি রাজি নন।

এই বিষয়ে রোগীর বোন জামাই (ভাই) আব্দুল মালেক বলেন, ডাঃ নাজনীন জাহান লুবনা ও ল্যাব টেকনোলজিস্ট আমার বোনের জীবনটা শেষ করে দিয়েছে। তিনি এখন হাঁটতে চলতে পারছেন না। তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ।

রোগীর আত্মীয় মহিউদ্দিন মাহি বলেন, ডাক্তার ও টেকনোলজিস্ট এর অবহেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। অল্পের জন্য রোগী বেঁচে গেছে। কিন্তু রোগীর বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় ৩০ মার্চ (বৃহস্পতিবার) কুমিল্লা আদালতে মামলা হয়। মামলা নং সি আর- ৩৭৩। ধারা- ৩৩৮/৪১৮/৩৪।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী জয়নাল আবেদীন মাঝারী বলেন, কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিঃ ১ নং আমলী আদালতে হসপিটাল, ডাক্তার ও টেকনোলজিস্ট বিরুদ্ধে সি আর – ৩৭৩ মামলা করা হয়েছে। আদালত সিভিল সার্জনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।

বরুড়ায় অস্ত্র-কার্তুজসহ ম‌নির ডাকাত গ্রেপ্তার

 

ইসতিয়াক আহমেদ:

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় দে‌শিয় পাইপগান ও ২রাউন্ড গুলিসহ ম‌নির হোসেন (৩৮) নামের এক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে থানা  পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) ভোররা‌তে উপজেলার চিতড্ডা ইউ‌নি‌য়নের ভঙ্গুয়া  ব্রিজের মু‌ড়িয়ারাগামী সড়ক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া ম‌নির হো‌সেন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মোল্লাবা‌ড়ির মৃত. আবদুল ম‌মিনের ছেলে।

বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফি‌রোজ আহ‌মেদ জানান, বরুড়া ঝলম ও চিতড্ডা ইউ‌নি‌য়নসহ আ‌শে পা‌শের এলাকায় সন্ত্রাসী ডাকাতি, ছিনতাইসহ মাদকদ্রব‌্য বিক্রয় কাজে মনির জড়িত ছিল।  চিতড্ডার ভঙ্গুয়া ব্রিজের মু‌ড়িয়ারাগামী সড়ক এলাকায় ডাকা‌তির প্রস্তু‌তিকা‌লে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ম‌নির ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে একটি দে‌শিয় পাইপগান ও দুই রাউন্ড কার্তুজ গুলি উদ্ধার করা হয়। ম‌নির ডাকা‌তের নামে ডাকাতি, ছিনতাইসহ বরুড়া থানায় ২১টি মামলা রয়েছে।

এ ঘটনায় বরুড়া থানায় এক‌টি মামলা দা‌য়ের করা হ‌য়ে‌ছে।

 

নোয়াখালির কোম্পানীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ১০ দোকান

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে দশটি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের চরএলাহী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দোকান মালিকরা। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চরএলাহী বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো.মিজানুর রহমান মিজান। তিনি বলেন, চরএলাহী বাজারে প্রায় শতাধিক দোকান রয়েছে। রাতে হৃদয়ের ব্যাটারি চালিত রিকশা গ্যারেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে মুদি দোকান, মোটরসাইকেল গ্যারেজ, ব্যাটারি চালিত অটোেরিকশা গ্যারেজ, কসমেটিকস দোকানসহ ১০টি দোকান পুড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদয়ের ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা গ্যারেজে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো.জামিল মিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। অগ্নিকান্ডে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে দশটি দোকান পুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

আরব আমিরাতে সোনাগাজী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের আলোচনা সভা ও ইফতার

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত সোনাগাজী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরাম।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) আবুধাবির সেন্ট মেরিন রেঁস্তোরার হলরুমে এ আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সোনাগাজী জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি ইলিয়াস ভূঁইয়ার সভাপত্বিতে সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবি বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করেন সংযুক্ত আরব আমিরাত বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নুর হোসেন সুমন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত স্বেচ্চাসেবকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু রাসেল, ফেনী জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক হেদায়েতুল্লাহ রনি প্রমূখ।

এ সময় বক্তারা বলেন,বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো প্রহসনের জাতীয় নির্বাচনও বাংলার মানুষ মানবে না বলে মন্তব্য করেন। জেল-জুলুম-গুম-খুনের মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষকে আর দাবিয়ে রাখা যাবে না। আমাদের দাবি একটাই, তা হচ্ছে বেগম জিয়ার মুক্তি।

সাংবাদিককে তুলে নেওয়ার ঘটনায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ করলো কুবিসাস

 

কুবি সংবাদদাতাঃ

সাভারে কর্মরত প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসকে সিআইডি পরিচয়ে তুলে নেয়ার ঘটনায় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে ও মুখে কালো কাপড় বেঁধে মুক্তির দাবি জানিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস)।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এই মুক্তির দাবি জানানো হয়।

এ সময় তারা ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই’,’সাংবাদিকতা কোন অপরাধ নয়’, ‘আমাদের জবানের স্বাধীনতা লাগবে’, ‘শামসুজ্জামানের মুক্তি চাই’ ইত্যাদি লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন মাহি বলেন, সংবাদ প্রকাশ করে শামস কোনো অপরাধ করেনি। তাঁকে অন্যায়ভাবে আটক সাংবাদিকতায় কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্ত সাংবাদিকতা চর্চায় ইতোমধ্যে বিষফোঁড়া হয়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করে এ আইনে এখন পর্যন্ত আটক সকল সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করেছেন কুবিসাস সভাপতি।

কুবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ইউসুফ আকাশ মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়নে বাক-স্বাধীনতাও গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীন দেশে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে আটক কখনো ভালো কিছুর ইঙ্গিত দেয় না। অবিলম্বে সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে মুক্তি দিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হোক।

উল্লেখ্য, ২৬ মার্চ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সংক্রান্ত সংবাদের জেরে গত বুধবার ভোর চারটার দিকে নিজ বাসা থেকে শামসুজ্জামান শামসকে সিআইডি পরিচয়ে তুলে নেয়া হয়।

নগরীর দুই হাসপাতালকে সিলগালা ও ৪ লাখ টাকা জরিমানা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই হাসপাতালকে সিলগালা ও ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে নগরীর শাকতলা ও রেইসকোর্স এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় শাকতলা এলাকায় লাইসেন্স ছাড়াই নিউ সিটি হাসপাতাল নামের একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। পরে হাসপাতালটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে ২ লাখ জরিমানা করা হয়।

অপরদিকে নগরীর রেইসকোর্স এলাকায় লাইসেন্স ছাড়াই কমফোর্ট হাসপাতাল পরিচালনা করায় সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। অনিয়মের দায়ে তাদেরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কো-অর্ডিনেটর ডা. মেহেদী হাসান ও জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

মেসির জন্য দলের সবাই জীবন বিসর্জন দিতে পারে: স্কালোনি

 

স্পোর্টস ডেস্কঃ

মেসিকে বিশ্বকাপ উপহার দিতে প্রয়োজনে জীবন দেব – কাতার বিশ্বকাপের আগে এমন কথা বেশ কজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়ের মুখে শোনা গিয়েছিল। এবার আর্জেন্টিনার কোচ লিà¦