All posts by jitu

অপারেশনের পূর্বে দেবিদ্বারবাসীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন এমপি রাজী ফখরুল

 

স্টাফ রির্পোটার:
অপারেশনের পূর্বে দেবিদ্বারবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুল।

১৫ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় এক ভিডিও বার্তায় হাসপাতাল থেকে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন-প্রিয় দেবিদ্বারবাসী আসসালামু আলাইকুম আশা করি আপনারা সবাই সুস্থ্য আছেন ও ভাল আছেন। গত জুলাই মাসে এক সড়ক দুঘর্টনায় আমার শারিরীক অনেক ক্ষতি হয়। যা এখনো সেরে উঠেনি। আজ বাংলাদেশ সময় ৭ টায় তিন ঘন্টাব্যাপি একটি অপারেশন হবে আমার। আমি আপনাদের সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী। আমি যেন দ্রুত সুস্থ্য হয়ে আপনাদের মাঝে ফিরে আসতে পারি । আগামীকাল মহান বিজয় দিবস । স্বাধীনতার সকল স্ব-পক্ষের শক্তিকে জানাই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু। জয় হউক আমার দেবিদ্বারবাসির। আসসালামু আলাইকুম।

তিতাসের সড়ক ধ্বসে পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, জনদুর্ভোগ চরমে

 

তিতাস  প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার শিবপুর-লালপুর সড়কের শাহপুর শাহআলম শান্তির বাড়ির সামনে সড়ক ধসে পড়েছে। এতে করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরায় এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে সড়ক ধসের ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, সড়কের উত্তর পাশে রয়েছে মাছের প্রজেক্ট দক্ষিণ পাশে তিতাস নদী। সড়ক ধসে পড়া স্থানের আশপাশে একটি কালভার্ট ছিল উক্ত কালভার্টটি বন্ধ করে ফেলায় মাছের প্রজেক্টের পানির চাপে সড়কটি ধসে পড়েছে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।

মাছের প্রজেক্ট মালিক শাহ আলম সরকার বলেন, যেখান দিয়ে সড়ক ধসে পড়েছে এখানে একটি কালভার্ট ছিল, এই কালভার্টটি বন্ধ করে দিয়েছে সড়কের পাশের বাড়ির শান্তি ভাই। যার ফলে সড়ক ধসে পড়েছে এতে করে আমার অনেক ক্ষতি হয়েছে, প্রজেক্টের সব মাছ চলে গেছে।

এবিষয়ে শাহআলম শান্তি বলেন, আমি কোনো কালভার্ট বন্ধ করি নাই, যার মাছের প্রজেক্ট তারাই কালভার্ট বন্ধ করেছে।

মজিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলেন, সকালে সড়ক ধসে পড়ার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং এমপি সেলিমা আহমাদ মেরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.পারভেজ হোসেন সরকার ও উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেছি।

উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, শিবপুর- লালপুর সড়কের শাহপুর অংশে সড়ক ধসে পড়ার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং মৎস্য প্রজেক্ট মালিককে বলে আসছি সড়ক মেরামত করে কালভার্টের মুখ খুলে দেওয়ার জন্য।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তিনি আরও বলেন জনগণের দুর্ভোগ লাগবে উজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের যৌথ অর্থায়নে সড়কটি মেরামত করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে দিবো এবং মৎস্য প্রজেক্ট মালিককে নোটিশ করেছি যাতে করে মৎস্য চাষ আইন মেনে মাছ চাষ করে।

মুরাদনগরে ৩ কেজি গাঁজাসহ পাঁচারকারি আটক

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ৩ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক পাঁচারকারীকে  আটক করেছে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।

বুধবার দুপুরে আটককৃত মাদক পাচারকারীকে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে ৫টার দিকে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন পূর্বধৈইর পূর্ব ইউনিয়নের কোরবানপুর গ্রামের দারোগা বাড়ীর সামনের তিন রাস্তার মোড়ে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটক হওয়া  পাচাঁরকারি হলেন , জেলার দাউদকান্দি থানার চরচারুয়া গ্রামের বশির উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে হারুন অর রশিদ(৫০)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন কোরবানপুর গ্রামে একটি মাদকের চালান আসছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার এসআই মোহাম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ কোরবানপুর গ্রামের দারোগা বাড়ীর সামনের তিন রাস্তার মোড়ে পৌঁছাইলে হারুন অর রশিদ পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া দৌড়াইয়া পালানোর সময় পুলিশ তাকে আটক কওে এবং তার হাতে থাকা ব্যাগ থেকে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬ (১) ১৯ (ক) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।  আসামীকে বুধবার দুপুরে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সদরের রাচিয়া এলাকায় ১৪ কেজি গাঁজাসহ একজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা সদরের দক্ষিণ রাচিয়া তুলাগাছতলী এলাকা হতে ১৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ সদস্যরা।

১৩ ডিসেম্বর রাতে সদরের দক্ষিণ রাচিয়া তুলাগাছতলী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী হলেন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পূর্ব পাঁচপুকুরীয়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মোঃ ফয়সাল (২০)।

এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

নোবিপ্রবিতে ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কারের প্রতিবাদে মূল ফটকে তালা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
তিনজন শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সামনের সড়ক অবরোধ করে মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা বহিষ্কৃত তিনজন ছাত্রের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করে। এর আগে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে প্রক্টর নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুরসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে সুধারাম থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

বিক্ষোভে অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের দাবি,বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তুচ্ছ ঘটনায় বেশি শাস্তি দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের। এ কারণে শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস হওয়ার পথে। তাই শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে শাস্তি প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে করছে। শাস্তির আদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও একাধিক শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ নভেম্বর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ আবদুস সালাম হলে দুই দল ছাত্রের মধ্যে মারামারির ঘটনায় শিক্ষা, সমাজবিজ্ঞান ও ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন সায়েন্স বিভাগের তিনজন শিক্ষার্থীকে সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া তিনজন শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও সতর্ক করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বহিষ্কারসহ নানা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিষয়ে নোটিশ জারি করার পর বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ও তাদের সহপাঠীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। একপর্যায়ে বহিষ্কারাদেশ প্রতিবাদে ও বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিকেল চারটার দিকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ সব ফটক তালা দিয়ে বন্ধ করে দেয়। একপর্যায়ে বিকেল পাঁচটার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের সামনের সোনাপুর-চর জব্বর সড়কেও যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।

প্রক্টর নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ আবদুস সালাম হলে দুই দল ছাত্রের মধ্যে মারামারির ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয় হয়। ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে। বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা চলছে।

নোয়াখালীতে ট্রাক্টর চাপায় দিনমজুরের মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালীর সেনবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. মহিন উদ্দিন(১৮)নামের এক ট্রাক্টর শ্রমিক নিহত হয়েছে।

নিহত মহিন উদ্দিন সেনবাগ উপজেলার ৮নং বীজবাগ ইউপির বালিয়াকান্দি গ্রামের খান বাড়ির মো. আজাদের ছেলে। সে পেশায় দিন মজুর ট্রাক্টর শ্রমিক।

মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার কুকুবেরহাট লেমুয়া সড়কের ছাওতুল হেরা মাদরাসা সংলগ্ন স্থানে চলন্ত ট্রাক্টর থেকে পড়ে ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনে ন্যায় মহিন উদ্দিন দিন মজুরের কাজ করার জন্য মাটি ও ইট পরিবহন কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টরে যায়। মহিউদ্দিন ড্রাইভারের পাশ্বে বসে ছিলেন ছিলের আকস্মিক ভাবে ট্রাক্টর থেকে ছিটকে পড়ে চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চান্দিনায় জনপ্রতিনিধিসহ পেশাজীবীদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

 

চান্দিনা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার সকল জনপ্রনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক, শিক্ষক ও সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় করেছেন কুমিল্লায় নব যোগদানকৃত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম।

চান্দিনা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই মতবিনিময় হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস শীল এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. কাবিরুল ইসলাম, চান্দিনা পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মো.শওকত হোসেন ভূইয়া, চান্দিনা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়া আকতার।

সভায় চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি উম্মে হাবিবা মজুমদার এর সঞ্চালনায় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাজী আব্দুল মালেক, থানা প্রশাসনের পক্ষে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহাবুদ্দিন খাঁন, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পক্ষে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার ফারুক ময়েদুজ্জামান, সাংবাদিকদের পক্ষে মাসুমুর রহমান মাসুদ, চেয়ারম্যানদের পক্ষে ইঞ্জি. আব্দুল আউয়াল, মো. সুমন ভূইয়া, শিক্ষকদের পক্ষে এমদাদুল হক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার জ্যোতি, মো. ফরিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যাপক বজলুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের

স্টাফ রিপোর্টার:

আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে কুমিল্লা নগর উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম।

বুধবার সকালে শ্রদ্ধা জানানোর সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খানসহ কুমিল্লা জেলা প্রশাসনে কর্মকর্তা বৃন্দ।

প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল। ১৪ ডিসেম্বর রাতে সারাদেশে প্রায় ৯৮৯ জন বুদ্ধিজীবী হত্যা করা হয়। তবে আরেক সূত্রমতে বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৭০ জন। এর মধ্যে কুমিল্লায় ৮৬ জন হত্যা করা হয়( বাংলা পিডিয়ার তথ্য অনুসারে)।

আজকের এই দিনে কুমিল্লার ৮৬ জন বুদ্ধিজীবীও প্রাণ হারিয়েছিলেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল। ১৪ ডিসেম্বর রাতে সারাদেশে প্রায় ৯৮৯ জন বুদ্ধিজীবী হত্যা করা হয়। তবে আরেক সূত্রমতে বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৭০ জন। এর মধ্যে কুমিল্লায় ৮৬ জন হত্যা করা হয়( বাংলা পিডিয়ার তথ্য অনুসারে)।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সাথে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী বাংলাদেশের অসংখ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে তাদের নির্যাতনের পর হত্যা করে। চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে থাকায় স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত হয়। পরবর্তীতে ঢাকার মিরপুর, রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে গণকবরে তাদের মৃতদেহ পাওয়া যায়। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর নিকট আত্মীয়রা মিরপুর ও রাজারবাগ বধ্যভূমিতে স্বজনের মৃতদেহ সনাক্ত করেন।

অনেকের দেহে আঘাতের চিহ্ন, চোখ, হাত-পা বাঁধা, কারো কারো শরীরে একাধিক গুলি, অনেককে হত্যা করা হয়েছিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে। যা থেকে হত্যার পূর্বে তাদের নির্যাতন করা হয়েছিল সে তথ্যও বের হয়ে আসে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে প্রকাশিত বুদ্ধিজীবী দিবসের সংকলন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও আন্তর্জাতিক নিউজ ম্যাগাজিন ‘নিউজ উইক’-এর সাংবাদিক নিকোলাস টমালিনের লেখা থেকে জানা যায়, বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা মোট ১ হাজার ৭০ জন।

“১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২ পর্যন্ত সময়কালে যেসব বাঙালি সাহিত্যিক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পী, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি, ভাস্কর, সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারী, রাজনীতিক, সমাজসেবী, সংস্কৃতিসেবী, চলচ্চিত্র, নাটক ও সংগীতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং এর ফলে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী কিংবা তাদের সহযোগীদের হাতে শহীদ কিংবা ওই সময়ে চিরতরে নিখোঁজ হয়েছেন, তাঁরা শহীদ বুদ্ধিজীবী।”

বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী কোষগ্রন্থ’ (১৯৯৪) থেকে জানা যায়, ২৩২ জন বুদ্ধিজীবী নিহত হয়েছেন। তবে তালিকায় অসম্পূর্ণতার কথাও একই গ্রন্থে স্বীকার করা হয়। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের ১৮, মতান্তরে ২৯ তারিখে বেসরকারীভাবে গঠিত বুদ্ধিজীবী নিধন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। এরপর “বুদ্ধিজীবী তদন্ত কমিটি” গঠিত হয়। এই কমিটির প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়, রাও ফরমান আলী এদেশের ২০,০০০ বুদ্ধিজীবীকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু এই পরিকল্পনা মতো হত্যাযজ্ঞ চলেনি। কারণ ফরমান আলীর লক্ষ্য ছিল শীর্ষ বুদ্ধিজীবীদেরকে গভর্নর হাউজে নিমন্ত্রণ করে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা। বুদ্ধিজীবী তদন্ত কমিটির প্রধান জহির রায়হান বলেছিলেন, ‘এরা নির্ভুলভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রমনষ্ক বুদ্ধিজীবীদেরকে বাছাই করে আঘাত হেনেছে’। তবে ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি জহির রায়হান নিখোঁজ হন।

তাজউদ্দিন আহমেদ একটি তদন্ত কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেন ১৯৭১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। কিন্ত, তার ঐ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। ১৯৭১ সালের ২৭ ডিসেম্বর দৈনিক আজাদের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের হত্যার পরিকল্পনাটি পূর্বেই করা হয় আর এতে সহায়তা করে জামায়াতে ইসলামী ও এর ছাত্র সংগঠন ছাত্রসংঘ। এ হত্যাকাণ্ডে সবচেয়ে সক্রিয় ছিলেন ব্রি. জে. আসলাম, ক্যাপ্টেন তারেক, কর্ণেল তাজ, কর্ণেল তাহের, ভিসি প্রফেসর ডঃ সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন, ডঃ মোহর আলী, আল বদরের এবিএম খালেক মজুমদার, আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মাইনুদ্দিন এদের নেতৃত্ব দেয় মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।

১৯৯৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার ঘটনায় রমনা থানায় প্রথম মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর ১৫)। সেখানে আলবদর বাহিনীর চৌধুরী মাইনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামানকে আসামি করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিনের বোন ফরিদা বানু। ১৯৭১ সালে বছরব্যাপী পাকিস্তান সেনাবাহিনী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। পরিকল্পিতভাবে ১৪ ডিসেম্বরে সবচেয়ে বেশীসংখ্যক বুদ্ধিজীবী হত্যা করা হয়েছিল। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এই দিনকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ ঘোষণা করেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। স্মৃতিসৌধটির স্থপতি মোস্তফা হালি কুদ্দুস। ১৯৯১ সালে ঢাকার রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নামে আরেকটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ শুরু হয় যা ১৯৯৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর নকশা করেন জামী-আল সাফী ও ফরিদউদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ প্রকাশ করেছে।

মেসিই বিশ্বের সেরা ফুটবলার – ক্রোয়েশিয়ার কোচ দালিচ

স্পোর্টস ডেস্ক:

আর্জেন্টিনার শুরুটা ভালো হয়নি। বল পায়ে রাখতেই হিমশিম খাচ্ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু হঠাৎই দৃশ্যপটের পরিবর্তন। পেনাল্টি পেয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি প্রথম গোল করেন। এরপর তরুণ তুর্কি হুলিয়ান আলভারেজও করেন দুর্দান্ত এক গোল। আর বিরতির পর ৬৯ মিনিটে মেসি যেটা দেখালেন, সেটা তো নিখাদ মেসি–জাদু। রীতিমতো টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা রক্ষণভাগকে বোকা বানালেন।আলভারেজকে দিয়ে গোল করিয়ে ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা একদমই শেষ করে দিলেন।

৩-০ গোলে এই জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন মেসি। ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স কাতার বিশ্বকাপে মেসির জন্য নতুন কিছু নয়। নকআউট রাউন্ডে খেলা তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা হয়েছেন মেসি। সব মিলিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন চার ম্যাচে। হয়তো এ জন্যই ক্রোয়েশিয়া কোচ জ্লাতকো দালিচ এই কথা বলতে দ্বিধা করেননি, মেসিই পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছেন।

ম্যাচ শেষে দালিচ বলেন, ‘মেসি বিশ্বের সেরা ফুটবলার, সে খুবই বিপজ্জনক ও তাঁর সামর্থ্যও রয়েছে। সব কৌশল তাঁর জানা এবং এমন শীর্ষ পর্যায়ের ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরার সামর্থ্যও তাঁর আছে। এটাই সত্যিকারের মেসি, যাঁকে দেখার