All posts by jitu

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই খেলা হবে – ওবায়দুল কাদের

 

ইসতিয়াক আহমেদ:
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন- ডিসেম্বর বিজয়ের মাস, বিজয়ের মাসেই খেলা হবে ।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) কুমিল্লার লালমাই বাগমারা হাইস্কুল মাঠে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস, বিজয়ের মাসেই খেলা হবে। বিজয়ের মাসে খেলা হবে কুমিল্লায়। কুমিল্লায় খেলা হবে কোয়ার্টার ফাইনাল। খেলা হবে রাজনীতির মাঠে, দূর্নীতির বিরুদ্ধে খেলা হবে, নাশকতার বিরুদ্ধে খেলা হবে, লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে, জঙ্গীদের বিরুদ্ধে খেলা হবে।

সম্মেলনে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধন করেন। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও স্থানীয় সরকার, পল্লী ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর।

কুমিল্লা জেলা যুবদলের সভাপতি ও সহসভাপতি গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম জহিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরীর বাদুরতলা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরীর সিডি প্যাথ গলি থেকে কুমিল্লা জেলা ও মহানগর বিএনপির একটি মিছিল বের হয়। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে মিছিলটি পণ্ড হয়ে যায়। পরে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম জহিরকে নগরীর বাদুরতলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন জানান, ‘আমরা তাদের ধাওয়া দেইনি। তারাই পালিয়েছেন আমাদের দেখে। আর ওয়াসিম ও জহিরের নামে মামলা থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজকের এই দিনে কুমিল্লা মুক্ত হয়েছিল

স্টাফ রিপোর্টার:

আজ কুমিল্লা মুক্ত দিবস । ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের এই দিনে মুক্তি বাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর যৌথ অভিযানে মুক্ত হয় কুমিল্লা।৭ ডিসেম্বর রাত ব্যাপী সম্মুখ সমরে পরাজিত পাকবাহিনী পালিয়ে যায়। এ সময় ২৭ মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগের বিনিময়ে মুক্তির স্বাদ পায় কুমিল্লার মানুষ। ৮ ডিসেম্বর ভোরেই স্বাধীন ভূমির উপর শান্তির পরশ পায় তারা।

সীমান্তের কাছাকাছি কুমিল্লা বিমান বন্দরে পাকিস্তানি বাহিনীর ২২ বেলুচ রেজিমেন্টর অবস্থান ছিল। ৭ ডিসেম্বর রাতে মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধারা বিমান বন্দরে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর মর্টার ও আর্টিলারিসহ আক্রমণ করে। টানা প্রায় ১ ঘণ্টারও বেশি সময় সম্মুখ যুদ্ধে পাকিস্তানিরা পিছু হটে।

মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মিত্রবাহিনীর ১১ গুর্খা রেজিমেন্ট কুমিল্লার গোমতী নদী-পাড় হয়ে কটক বাজার এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। মিত্রবাহিনীর অপর দুটি অংশ ভাট পাড়া ও চৌদ্দগ্রাম দিয়ে কুমিল্লায় প্রবেশ করে। তাদের যৌথ আক্রমণে বিমান বন্দর এলাকা থেকে পাক বাহিনী পালিয়ে যায়।

মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনীর ব্যবহৃত বাংকার এখনো কুমিল্লা বিমান বন্দরে রয়েছে। এ বাংকার থেকেই মুক্তিবাহিনীর ওপর মেশিন গানের আক্রমণ করে হানাদাররা।

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর সকাল থেকেই কুমিল্লার টাউন হল মাঠে ঢল নামে মুক্তিকামী জনতার। স্বাধীন দেশে তারা যুদ্ধে অপরাজিত বীর মুক্তি যোদ্ধাদের ফুলেল আমন্ত্রণ জানায় কুমিল্লার পথে পথে। সেদিন সন্ধ্যায় লাখো জনতার উপস্থিতিতে টাউন হলেই স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয় অ্যাডভোকেট আহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে।

আজ দঃ জেলা আ’লীগের সম্মেলন: নেতৃত্বে লোটাস কামাল-মুজিব নাকি নতুন কেউ ?

 

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:
আজ ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুপুর ২ টায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। ১৭ বছর ধরে নেতৃত্বে থাকা আ হ ম মুস্তফা কামাল ও মো. মুজিবুল হক কি পুনরায় স্ব-স্ব পদে বহাল থাকবেন নাকি নতুন নেতৃত্ব আসবে এটা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। এই দুই পদে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপিসহ আরো দুয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র জানান, এই সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে সেটা নিয়েও রাজনৈতিক খেলা হয়েছিল। শহর কেন্দ্রিক এক জনপ্রতিনিধি চেয়েছিল সম্মেলনটি কুমিল্লা টাউনহল মাঠে করতে । পরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও মো. মুজিবুল হক পরে সম্মেলনটি লালমাই মাঠেই করার ব্যবস্থা করেন। আপাতত সম্মেলন লালমাইয়ে করার ব্যবস্থা করে প্রাথমিকভাবে তারা বিজয়ী হয়েছেন। এখন দেখার বিষয় গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে কারা আসেন। সম্মেলনস্থল মাঠ ও মাঠের বাইরে আশেপাশের এলাকাতে প্রায় ৬০ হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি থাকবে বলে জানা গেছে ।

দক্ষিণ জেলার আওতাধীন কুমিল্লা সদর, সদর দক্ষিণ, চৌদ্দগ্রাম, বরুড়া, নাঙ্গলকোট, লাকসাম, লালমাই ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার নেতাকর্মীদের চোখ এ সম্মেলনের দিকে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন নেতৃত্ব আসবে নাকি পুরাতনরাই বহাল থাকবেন এটাই এখন জেলাজুড়ে আলোচনার বিষয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, সম্মেলনে নেতাকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ দুই পদ নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়তে পারে। এক ভাগে থাকবে সদর দক্ষিণ, লালমাই, বরুড়ার এমপি নজরুল গ্রুপ, নাঙ্গলকোট ও চৌদ্দগ্রামের নেতাকর্মীরা। অপর গ্রুপে থাকবে কুমিল্লা সদর, বরুড়ার উপজেলার একাংশ, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের নেতাকর্মীরা। তাই সকাল থেকেই সম্মেলনস্থল দখলে নজর থাকবে সবার।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, প্রধাণ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি: আব্দুস সবুর, তথ্য ও গবেসণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আ’লীগের সহ সভাপতি নাসিমুল আলম চৌধুরী নজরুল এমপি , সদস্য এড. আবুল হাশেম খান এমপি। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আ’লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি। সম্মেলনটি পরিচালনা করবেন দক্ষিণ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল হক এমপি।

জানা যায়, দক্ষিণ জেলা আ’লীগ কমিটির বর্তমান সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামাল ও সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল হক ২০০৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আছেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লালমাই সরকারি কলেজ মাঠে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আ হ ম মুস্তফা কামালকে সভাপতি ও মো. মুজিবুল হককে সাধারণ সম্পাদক করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই বছরের ১ সেপ্টেম্বর ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিতে আরও চারজনকে অন্তর্ভুক্ত করায় কমিটির সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ৭৫। এর মধ্যে ১১ জন মারা গেছেন, একজন অব্যাহতি নিয়েছেন, ১২ জন বিদেশে অসুস্থ ও নিষ্ক্রিয় আছেন।

তিতাসে নিজের বাড়িতে ৭৫ বছরের বৃদ্ধাকে জবাই করে হত্যা

মোঃ জুয়েল রানা, তিতাস:
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় নিজের বাড়িতে ৭৫ বছরের বৃদ্ধাকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার শোলাকান্দি গ্রামে। নিহত বৃদ্ধা মৃত তারা মিয়া বেপারীর স্ত্রী মিনরা বেগম।

বৃদ্ধাকে জবাই করে হত্যার খবর শুনে জেলা পিবিআই পরিদর্শক মনজুর আলম, সিআইডি টিম ও তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছেন এবং রহস্য উদঘাটন মাঠে কাজ করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

এবিষয়ে প্রতিবেশীদের নিকট জানতে চাইলে, তারা বলেন, আমরা সবাই হতভাগ, কেনো কে বা কারা এই বৃদ্ধা মহিলাকে ঘরে ডুকে জবাই করে হত্যা করলো? আমরা এই হত্যার সঠিক বিচার চাই।

নিহতের বড় ছেলে আবুল বাশার ভাষানীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি গৌরীপুর বাজারে ভাড়া থাকি। সকালে খবর পেয়ে বাড়িতে আসি। আমি নিজেও বুঝতে পারছি না কেনো আমার মাকে এমন নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমি আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই। ঘরে কে কে থাকতেন জানতে চাইলে ভাষানী বলেন, তাহার ছোট ভাই সৌদি আরব প্রবাসী ফারুক মিয়ার স্ত্রী সাবিনা আক্তার পলি (৩০) তার ছেলে জিহাদ (১২) ও জিদান(৮) থাকেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আশ্রাফ উদ্দিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,মিনরা বেগম পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন,আমরাও কোনো ধারনা করতে পারছি না।

এবিষয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, হত্যার খবর পেয়ে আমিসহ জেলা পিবিআই ও সিআইডি ক্রাইমসিন ঘটনাস্থলে যাই এবং পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মর্গে প্রেরণ করেছি। আমাদের তদন্ত এবং অভিযান অব্যাহত আছে, আশা করি শীগ্রই হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে।

ছবির ক্যাপশনঃ নিহত মিনরা বেগম(৭৫) ও আশপাশের এলাকা থেকে দেখতে আসা নারীরা।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন হোমনার ঘাড়মোরা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি! সমালোচনার ঝড়

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘাড়মোরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদ্য ঘোষণাকৃত কমিটিতে দন্ডপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে সভাপতি ঘোষণা করায় ইউনিয়নজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে। এ কমিটি বাতিল কিংবা স্থগিত করে নতুন কমিটি গঠন করার জন্য কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট লিখিত আবেদন করেছেন ওই ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল করিম।

লিখিত আবেদনে মোঃ আব্দুল করিম উল্লেখ করেন- চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর ঘাড়মোরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় অধিবেশন মাননীয় এমপি মহোদয়ের উপস্থিতিতে হোমনার নেতৃবৃন্দ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এর সমন্বয়ে কমিটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্ত অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় উপরে উল্লেখিত নেতৃবৃন্দের কারো সাথে কোন প্রকার আলাপ-আলোচনা ও মতামত না নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত কমিটিতে এক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ আমির হোসেনকে সভাপতি এবং মোঃ মনিরুজ্জামান মনিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ফেসবুকে প্রকাশ করে।

উপজেলার ফুজুরকান্দি গ্রামের মো: সুরুজ মিয়ার ছেলে মো: আমির হোসেন একজন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী। ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার ধারা নং- ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৩৪ পেনাল কোড মামলায় সদ্য প্রকাশিত সভাপতি আমির হোসেন দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হন ।

এছাড়া বিগত বিভিন্ন জাতীয় এবং উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ আমির হোসেন বিএনপির একজন এজেন্ট হিসাবে নিয়েজিত ছিলেন। আমির হোসেনের পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ বিএনপি এবং অন্যান্য দলের বিভিন্ন পদে বর্তমানে হোমনা থানায় পদায়ন আছেন । তারা হলেন- হোমনা উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, হোমনা পৌর যুবদল যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সেলিম, হোমনা থানা গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি মোঃ দুলাল মিয়া, ঘাড়মোড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন, ঘাড়মোড়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি এনাছ মিয়া, হোমনা উপজেলা শাখা জাকের পার্টির সভাপতি মোঃ মিজান মিয়া ও ঘাড়মোরা ইউনিয়ন শাখা, চরমোনাইয়ের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন। তাই স্বচ্ছতার স্বার্থে মাননীয় এমপি মহোদয় জেলার নেতৃবৃন্দ, সাংগঠনিক টিম-৩ হোমনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক সমন্বয়ে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রস্তাব করেন সাবেক সভাপতি।

এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করার জন্য সাংগঠনিক টিমকে দায়িত্ব দিয়েছি । তারা তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার পর ব্যবস্থা নিবো।

সদর দক্ষিণে ২৭ কেজি গাঁজাসহ একজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীবল্লভপুর এলাকা হতে ২৭ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ সদস্যরা।

৭ ডিসেম্বর রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীবল্লভপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী হলেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ঝুলাই কড়িগাপাড়া পূর্ব জোড়কানন গ্রামের নাছির উদ্দিন’র ছেলে মফিজুল ইসলাম @ মফিজ (৩২)।

এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

বিএনপি ১০ তারিখের আগেই পুলিশকে মারধর করছে : ওবায়দুল কাদের

অনলাইন ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করে বলেছেন, বিএনপি নয়াপল্টনে বাড়াবাড়ি কেন করছে? আমরা জানি। তারা অফিসে থাকবে ও আগুন নিয়ে খেলবে। একটু আগে খবর পেলাম নয়াপল্টনে তারা ১০ তারিখের আগেই পুলিশকে মারধর করছে। কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ বুধবার জেলা আওয়ামী লীগের জনসভায় এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুলের বড় জ্বালা, অন্তরে বড় জ্বালা। পদ্মা সেতু শেখ হাসিনা করেই ফেলেছেন। চট্টগ্রামে সিঙ্গাপুর ও সাংহাইয়ের মতো টানেল হয়ে গেছে। কক্সবাজারে আজ কতটা উন্নয়ন। একদিনে ২৯টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। মির্জা ফখরুল এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলে চিল্লায়। এতে কোনো লাভ হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার মরি গ্যায়ে গোই, ইবারে আর জ্যাতা করার দরকার কী?’

কক্সবাজারবাসীর উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আপনারা বিএনপিকে বিশ্বাস করবেন না। হাওয়া ভবনের যুবরাজ তারেক রহমানকে বিশ্বাস করবেন না। বড় লোকের বাড়িতে লেখা থাকে, কুকুর থেকে সাবধান ! বাংলাদেশ বলে বিএনপি থেকে সাবধান, তারেক রহমান থেকে সাবধান। জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফসহ কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত রয়েছেন।

ধ্বংসস্তুপ থেকে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকান মিরাজ

অনলাইন ডেস্ক:

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৬৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর দলকে বিপদমুক্ত করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৪৮ রানের জুটি গড়ে রিয়াদ ৯৬ বলে ৭৭ রান করে আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকান মিরাজ। সেঞ্চরি করতে মিরাজ খেলেন ৮৩ বল। এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রানের সংগ্রহ করে টাইগাররা। জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ২৭২ রান।

রিয়াদ আউট হলে নাসুম আহমেদ নেমে মিরাজকে ভালো সঙ্গ দেন। ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে শেষ পর্যন্ত থেকেছেন অপরাজিত। ৮ চার ও ৪ ছক্কার ইনিংসে ৮৩ বলে ১০০ রান করেন মিরাজ। রোমাঞ্চকর অপেক্ষা শেষে ইনিংসের শেষ বলে গিয়ে পূর্ণ করেন শতক। আর নাসুম আহমদে ১১ বলে ১৮ রান করে ছিলেন অপরাজিত। ভারতের হয়ে ওয়াশিংটন সুন্দর তিন এবং উমরান মালিক ও মোহাম্মদ সিরাজ নেন দু’টি করে উইকেট।

মিরাজের শতকে ভারতের লক্ষ্য ২৭২

অনলাইন ডেস্ক:

মেহেদী হাসান মিরাজের শতকে ভারতকে ২৭২ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রানের সংগ্রহ পায় টাইগাররা। জেতার জন্য ভারতের প্রয়োজন ২৭২ রান।

ব্যাট হাতে এনামুল হক বিজয়কে দেখে মনে হচ্ছিল ছন্দে আছেন। ফ্লিক করেছিলেন, খেলেছিলেন দৃষ্টনন্দন কাভার ড্রাইভ। কিন্তু টানা দুই বাউন্ডারি হাঁকানো ওভারেই সাজঘরে ফেরত যান তিনি। মোহাম্মদ সিরাজের বল ব্যাটেই লাগাতে পারেননি বিজয়। পায়ে লাগলে আবেদনের সঙ্গেই সাড়া দেন আম্পায়ার। বাংলাদেশ রিভিউ নেয়, কিন্তু লাভ হয়নি। শুরুতে উইকেটের সঙ্গে রিভিউও হারায় স্বাগতিক শিবির। এনামুলের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ১১ রান। দ্বিতীয় ওভারে উইকেট হারানোর পর লিটন-শান্তর ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাংলাদেশ। কিন্তু টাইগার শিবিরে আবারও আঘাত করেন মোহাম্মদ সিরাজ। এবার লিটনকে সরাসরি বোল্ড। লিটন আউট হন ২৩ বলে ৭ রান করে।

এরপর ১৫১ কিলোমিটার গতিতে আসা উমরান মালিকের বল শান্তর অফ স্টাম্প উপড়ে ফেলে। লিটনের পর সাকিবের সঙ্গে জুটি গড়ে ভালো ইনিংসের সম্ভাবনা দেখাচ্ছিলেন শান্ত। ২১ রানে থেমে যায় তার ইনিংস। তার ৩৫ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ চারের মারে। নিজের ইনিংসটা বড় করতে পারেননি সাকিব আল হাসানও। ওয়াশিংটন সুন্দরের বল স্লগ সুইপ করতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করেন তিনি। বল উঠে যায় উইকেটের পেছনে। সহজ ক্যাচ ধরেন শিখর ধাওয়ান। তার ব্যাট থেকে আসে ২০ বলে ৮ রান।

সাকিবের পর মুশফিকও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারেননি। সুন্দরের বল সামনে এসে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন মুশফিক। বল গ্লাভসে লেগে যায় ধাওয়ানের হাতে। আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নেয় ভারত। ২৪ বলে ১২ রান করেন মুশফিক। পরের বলেই আফিফ বোল্ড। প্রথম বলেই শূন্য রানে ফেরেন তিনি। ৬৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।

এরপরই দলের হাল ধরেছেন মিরাজ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাদের ব্যাটিংয়ে ভর করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৪৮ রানে থামে তাদের জুটি। উমরানের বলে আউটসাইড-এজড হয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ, ডানদিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ ক্যাচ নিà