All posts by jitu

বরুড়ায় পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করায় ৪ শিক্ষককে প্রত্যাহার

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পরীক্ষা কক্ষে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করার অভিযোগে ৪ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাতাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শনিবার বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা চলছিল। এদিন বরুড়া উপজেলার বাতাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ৪ জন শিক্ষক পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করেন। এ অভিযোগে ৪ শিক্ষককে কক্ষ প্রত্যাবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেন কেন্দ্র সচিব মোহাম্মদউল্লাহ।

প্রত্যাহার হওয়া শিক্ষকরা হলেন, ওই উপজেলার মুগগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন চৌধুরী, হরিপুর আগানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রবিউল আউয়াল, মো. হাসান সাইদ ও শিলমুড়ি রাজ রাজেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জয় চন্দ্র দে। এছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করার দায়ে একই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী মো. আরমান হোসাইন উজ্জ্বল নামে একজনকে বহিষ্কার করা হয়।

মুগগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘তাড়াহুড়া করে পরীক্ষার হলে যেতে গিয়ে ভুলবশত মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করি। মোবাইল ফোনের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি খেয়াল ছিল না।

বাতাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব মোহাম্মদউল্লাহ বলেন, ‘পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা নিষেধ আছে। তারা ৪ জনই মোবাইল নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন। নিষেধ অমান্য করা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে তাদের এবারের এসএসসির সব পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না এই মর্মে তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে।’

বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাবরিনা আফরিন মুস্তাফা বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমরা কেন্দ্র পরিদর্শনে যাই। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করায় ওই ৪ শিক্ষককে প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্র সচিবকে বলা হয়েছে।’

চান্দিনায় পরীক্ষা চলাকালে দাখিল পরীক্ষার্থীদের পেটালেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

 

চান্দিনা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চান্দিনায় পরীক্ষা চলাকালে হলের ভিতরেই দাখিল পরীক্ষার্থীদের পিটিয়েছেন কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এঘটনায় পরীক্ষার্থীদের পিটিয়ে ৩টি স্কেল ভাঙার অভিযোগ উঠেছে।

পরীক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীনকে পরিবর্তন করে অন্য কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেন ওই কর্মকর্তা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ঢাকা’র অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে চান্দিনা আল-আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রের ০৯ ও ১০ নাম্বার কক্ষে ওই ঘটনা ঘটে। কোরআন মাজীদ বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী প্রোগ্রামার মো. সালাউদ্দীন ওই অপ্রীতিকর ওই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবী করেন পরীক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে, শনিবার গণিত পরীক্ষার পর চান্দিনা আল-আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে ১১ জন দাখিল পরীক্ষার্থীকে প্রহারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলো- চান্দিনা আল-আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ৮জন, উপজেলার আবেদা নূর ফাযিল মাদ্রাসার ৩ জন বিজ্ঞান ও সাধারণ বিভাগের ছাত্র। তারা জানিয়েছেন এ বিষয়ে তারা কেন্দ্র সচিব বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা জানান, ‘কোরআন মাজীদ বিষয়ে এমসিকিউ অংশের পরীক্ষা চলাকালে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) এ সেট কোড এর বৃত্ত ভরাট না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীন আমাদের স্কেল দিয়ে পিটিয়েছেন।’

পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকগণ অভিযোগ করেন- ‘ওই ঘটনার পর তাদের সন্তানরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অনেকেই ঠিকমত পরীক্ষা দিতে পারেনি।’

এ ব্যাপারে ওই কেন্দ্রের ৯ নাম্বার কক্ষের প্রত্যবেক্ষক শিক্ষিকা মোসা. রুজিনা আক্তার জানান, ‘এমসিকিউ পরীক্ষার সময় ২০ মিনিট। ১৫ মিনিট অতিবাহিত হলেও কোন পরীক্ষার্থী সেট কোড ভরাট করেনি। শিক্ষার্থীরা আমাদের কথাও শুনছিল না। এ বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরীক্ষার্থীদের নির্দেশ দিলেও তারা হট্টগোল করে। এক পর্যায়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে এক জনকে স্কেল দিয়ে হাতে প্রহার করেন।’

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী প্রোগ্রামার মো. সালাউদ্দীন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, কোন পরীক্ষার্থীকে পিটানোর ঘটনা ঘটেনি। সেট কোড ভরাট না করায় আমি শুধুমাত্র ধমক দিয়েছি। প্রত্যাহারের বিষয় সম্পর্কে তিনি বলেন- সেটিও আমার জানা নেই, ইউএনও মহোদয় আমাকে তাঁর সাথে থাকার জন্য বলেছেন। আমি শনিবার ইউএনও’র স্যারে সাথে ছিলাম। এছাড়া বৃহস্পতিবার আমি স্বচ্ছতার সাথেই দায়িত্ব পালন করছিলাম। সে কারণে তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে অভিযোগ দিচ্ছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব ও আল-আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেইন বলেন- ‘আমি লিখিত অভিযোগ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবগত করি। আজকে (শনিবার) তিনি ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পরিবর্তে অন্য অফিসারকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

এ ঘটনায় চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস শীল জানান, ‘অফিসার সালাউদ্দীন পরীক্ষার ভিজিলেন্স টিমের সদস্য। তাকে প্রত্যাহার করা হয়নি, পরীক্ষার কাজে শনিবার তাকে অন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে আমরা সর্বদা সচেষ্ট। শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করে দেখবো’।

 

কুমিল্লার চান্দিনায় জমির পানি নিয়ে ঝগড়া, ঘুষিতে প্রা’ণ গেল কৃষকের

 

চান্দিনা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চান্দিনায় জমিতে পানি নিস্কাশনে দুই পক্ষের মারামারিতে মো. আবুল কাশেম (৫২) নামে এক কৃষকের মৃ’ত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ আব্দুর রহিম ও আলাউদ্দিন নামে দুইজনকে আ’টক করেছে।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়নের সাকুচ গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। নি’হত আবুল কাশেম ওই গ্রামের মৃ’ত দুধ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চান্দিনা উপজেলার দোল্লাই নবাবপ্রু ও গল্লাই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ফসলী মাঠে ধান ক্ষেতের পানি নিস্কাশন নিয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়নের সাকুচ গ্রামের আবুল কাশেম ও গল্লাই ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের রহিম মিয়ার সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এ পর্যায়ে রহিম মিয়া ও তার দুই ছেলে আলাউদ্দিন, জুনাইদ ওই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ পর্যায়ে তাদের ঘুষিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কৃষক আবুল কাশেম। এসময় তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু ঘটে তার।

প্রত্যক্ষদর্শী নি’হতের ছেলে রেজাউল করিম জানান, শনিবার সকালে বাবার সাথে আমি জমিতে পানি সেচ করতে যাই। আমরা তাদের জমির পাশ দিয়ে জমিতে পানি ছাড়তেই আব্দুর রহিম বাঁধা দেয়। এক পর্যায়ে তারা কয়েকজন এসে আমার বাবাকে পিটিয়ে ও বুকে ঘুষি দিলে তিনি মাটিতে লুটে পড়েন। আমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে আমার বাবাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহাবুদ্দীন খাঁন জানান, ঘটনা জানার পরপর আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। নি’হতের ম’রদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। রবিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নি’হতের পরিবার।

কুমিল্লার হোমনায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারি: শিশু ও মহিলাসহ ৩ জন আ’হত

 

হোমনা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার হোমনায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মা’রামা’রির ঘটনায় উভয় পক্ষের শিশু ও মহিলাসহ ৩ জন আ’হত হয়েছে।

আ’হতরা হলেন- মো. নূরুল ইসলাম (৬০) তার স্ত্রী হোসনে হারা বেগম (৫০), সুমী আক্তার (২০) ও ১৪ মাসের শিশু সোহান।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হোমনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে আহত নুরুল ইসলামের মাথায় ২১ টি সেলাই করতে হয়েছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল প্রেরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ছোট ঘারমোড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুর ১২ দিকে আহত নুরুল ইসলাম তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিল এমন সময় পূর্ব শক্রুতার জের ধরে কুয়েত প্রবাসী সফিক উদ্দিন ও তার লোকজন নুরুল ইসলামের বাড়ির সীমানা দখল করে ওয়াল করতে যায়। এতে নুরুল ইসলা বাধা দিলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে ।

এতে নুর ইসলামের পরিবার গুরুতর আহত হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

আহত নুরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার পর থেকে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।তারা আমাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর করেছে, আমার ছেলের বউয়ের গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল নিয়ে গেছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করেছেন।

নুরুল ইসলাম জানান, জায়গার সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছে। একাধিকবার সালিস বৈঠক হলেও শফিউদ্দিন বৈঠকের রায় মানছে না।

ঘারমোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লা জানান, দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে শুনেছি।

ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি। জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই ঘটনা। এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থেকে গাঁজাসহ যুবক আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে ৫ কেজি গাঁজাসহ মোঃ মুল্লক ইসলাম (২৩) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চৌমুহনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব।

আটককৃত যুবক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকাটোলা গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিরাপত্তা জাল বেধ করে মাঠে প্রবেশ, দৌঁড়ে গিয়ে মেসির কোলে ভক্ত

 

স্পোর্টস ডেস্কঃ

চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে বুধবার রাতে মুখোমুখি হয়েছিল পিএসজি ও ইসরাইলের ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা। হাইফার ঘরের মাঠে তাদেরকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন লিওনেল মেসি। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে এই আর্জেন্টাইন মতাতারকার কাছে ছুটে গিয়েছিল এক ভক্ত, প্রকাশ হলো সেই দৃশ্য।

ম্যাচের তখন দ্বিতীয়ার্ধ। হুট করেই থেমে যায় খেলা। ইসরায়েলের মাঠের নিরাপত্তা জাল বেধ করে মাঠে প্রবেশ করেন এক ভক্ত। দৌঁড়ে গিয়ে সে উঠে যায় মেসির কোলে। এরপর মেসির পা ধরে, পায়ে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করে সে। লাইভ চলাকালে সেই দৃশ্য পুরোটা না দেখালেও এবার প্রকাশিত হলো সেই ভক্তের মাঠে প্রবেশের দৃশ্য।

ইএসপিএন এফসি’র আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায়, মাঠের সীমানার কাছে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদের মাঝখান দিয়ে লাফ দিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন ওই ভক্ত। এ সময় এক নিরাপত্তাকর্মী ভক্তের পা ধরে আটকানোর চেষ্টা করেন। ভক্তের জুতো নিরাপত্তাকর্মীর হাতে চলে আসলেও ওই ভক্তকে আটকানো সম্ভব হয়নি। এক দৌঁড়ে সে উঠে যায় মেসির কোলে। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা ওই ভক্তকে টেনে মাঠ থেকে বের করে।

ইতালিতে রাতভর প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যা, ১০ জনের মৃত্যু

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

রাতভর প্রবল বৃষ্টি ও এর জেরে সৃষ্ট বন্যায় ইতালিতে ১০ জন মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও তিনজন। ইতালির মধ্যাঞ্চলীয় মার্চে এলাকায় রাতভর প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় এই ঘটনা ঘটে।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। ইতালীয় কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জানিয়েছে, উদ্ধারকারীরা এখনও নিখোঁজ তিনজনের সন্ধান অব্যাহত রেখেছে।

রয়টার্সের প্রকাশিত ফুটেজে মার্চের পার্শ্ববর্তী উমব্রিয়া অঞ্চলের নিকটবর্তী কান্তিয়ানো গ্রামের বাসিন্দাদের রাস্তা থেকে কাদা পরিষ্কার করতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা লুসিয়ানা অ্যাগোস্টিনেলি রয়টার্সকে বলেন, ‘(বন্যায়) আমার ফলের দোকানটি উল্টে গেছে।’

ইতালির নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা বলেছে, দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত এক বছরে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়ে থাকে এটি তার এক তৃতীয়াংশ। বন্যার কবলে পড়া সেরার সান্ত’অবন্দিওর মেয়র লুডোভিকো ক্যাভার্নি রাষ্ট্রীয় রেডিও আরএআই’কে বলেছেন, ‘এটি (বৃষ্টি ও বন্যা) ভূমিকম্পের মতো ছিল’।

জাতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংস্থার প্রধান ফ্যাব্রিজিও কার্সিও ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করতে মার্চের রাজধানী অ্যাঙ্কোনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে দেখা করেছেন। ফায়ার ব্রিগেডের প্রকাশিত ফুটেজে উদ্ধারকারীদের সেনিগালিয়ার সমুদ্রতীরবর্তী শহরের লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়। এছাড়া অন্যদের একটি আন্ডারপাস পরিষ্কার করার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

ইতালিয়ান সোসাইটি অব এনভায়রনমেন্টাল জিওলজির (এসআইজিইএ) বিশেষজ্ঞ পাওলা পিনো ডি’অ্যাস্টোর রয়টার্সকে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই বন্যা হয়েছে এবং পূর্বাভাস দেওয়া সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ‘এটি অপরিবর্তনীয় ঘটনা ছিল। হয়তো আমাদের ভবিষ্যত কেমন হবে তার স্বাদ আমরা এখনই পাচ্ছি।’

ইতালির ফায়ার ব্রিগেড জানিয়েছে, প্রায় ৩০০ দমকলকর্মী বর্তমানে দুর্গত এলাকায় কাজ করছে এবং বন্যা থেকে বাঁচতে রাতারাতি ছাদে ও গাছে উঠে যাওয়া বহু মানুষকে উদ্ধার করেছে।

মার্চের আঞ্চলিক সরকারের নাগরিক সুরক্ষার প্রধান স্টেফানো আগুজি বলেছেন, রাতভর হওয়া বৃষ্টিপাত পূর্বাভাসের চেয়ে অনেক বেশি প্রবল ছিল। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বৃষ্টির জন্য আমাদেরকে স্বাভাবিক সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কেউ এমন কিছু আশা করেনি।’

ভাসানচর থেকে পালানো ৭ রোহিঙ্গা আটক

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে আসা সাত রোহিঙ্গা নারী-শিশুকে আটক করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম। এর আগে,শুক্রবার মধ্য রাতে উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের কেরামতপুর বাজার থেকে স্থানীয়রা তাদের আটক করে।

আটক রোহিঙ্গারা হলেন, ৮৪ নম্বর ক্লাস্টারের এরশাদ উল্লাহ (৩২) খোদেজা বেগম (২৮) মো.শাহেদ (১০) রোসমিন আক্তার (১৫) মো. হাসান সেতারা বেগম (২৭) মো. তোফায়েল (৯ মাস)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাত রোহিঙ্গা একসঙ্গে চট্টগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশে ভাসানচর থেকে দালালের মাধ্যমে পালিয়ে আসে। দালাল চক্র কৌশলে তাদের সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের কেরামতপুর বাজার এলাকায় নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তারা রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করে এবং ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসে বলে জানায়। পরে বিষয়টি চর জব্বার থানায় জানানো হয়। পুলিশ তাদের শনিবার সকাল ৯টার দিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এসপি আরও বলেন, শুক্রবার রাত ৩টার দিকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা জাহাজিয়া চর এলাকার দালাল মো. ইসহাক, মো.আনোয়ার, মো.আয়াত উল্লাহদের সহায়তায় ভাসানচর হতে চরক্লার্ক ইউনিয়নের কেরামতপুর বাজারে আসলে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে আটক করে থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

এবার প্রেম করে কোরিয়ান যুবককে বিয়ে করলেন বাংলাদেশি মডেল

 

বিনোদন ডেস্কঃ

প্রেম করে কোরিয়ান যুবককে বিয়ে করলেন বাংলাদেশের র‌্যাম্প মডেল আফরিনা রাজিয়া তৃণ। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিয়ের পিঁড়িতে বসেন দেশের প্রথম সারির এই মডেল। বরের নাম বর জিনবো চৈ।

এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার শুটিং ক্লাবে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

তৃণর বর জিনবো চৈ একটি এনজিওতে চাকরি করেন। সেই সুবাদে বাংলাদেশে আসা। তিনি বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে কাজ করেন। ঢাকাতেই পরিচয় তৃণর সঙ্গে। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব এবং প্রেম।

বিয়ে প্রসঙ্গে জিনবো চৈ বলেন, ‘আমি প্রথমে বাংলাদেশে এসে থাকতেই চাইনি। মনে হয়েছিল ছয় মাসের বেশি থাকতে পারবো না। শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণ সহ্য করতে পারছিলাম না। কিন্তু তৃণর সঙ্গে পরিচয়ের পর ধারণা পাল্টে গেছে। এখন আমি নিজেকে বাংলাদেশিই মনে করি। বিয়ে করে তো এ দেশের জামাই হয়ে গেলাম।’