All posts by jitu

কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত প্রায় দেড় হাজার পরীক্ষার্থী

কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত প্রায় দেড় হাজার পরীক্ষার্থী

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনের বাংলা (আবশ্যিক) ১ম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ১ হাজার ৪২৫ জন পরীক্ষার্থী।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কবীর উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানায়।

তিনি জানায়, কুমিল্লা বোর্ডের অধীন ছয় জেলায় প্রথম দিনের বাংলা ১ম পত্রের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৮১জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৬জন।

এক হাজার ৪২৫ জন অনুপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিতির শতকরা হার এক দশমিক ২১ শতাংশ।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড থেকে পাওয়া তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কুমিল্লা জেলায় ৫৫৫ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১৭৭ জন, চাঁদপুর জেলায় ২০৭ জন, ফেনী জেলায় ৯৮ জন, নোয়াখালী জেলায় ২৭৭ জন ও লক্ষ্মীপুর জেলায় ১১১ জন পরীক্ষার্থী প্রথমদিনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীন ছয় জেলায় ২৭৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ১ হাজার ৮২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ও অনিয়মিত ১ লাখ ৪৭ হাজার ১২ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য ফরম পূরণ করেন।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বামীর দেওয়া আগুনে দ্বগ্ধ হয়ে ৭ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে ফাতেমা বেগম (২৮) নামে এক গৃহবধূ।

গৃহবধূর গায়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের চাঁপাচৌ গ্রামে। ফাতেমা ওই গ্রামের জাবেদ হোসেন (৩৫) ড্রাইভারের স্ত্রী।

মৃত্যুর তথ্যটি মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিশ্চিত চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন। গৃহবধূর গায়ে আগুন দেওয়ার পর থেকেই স্বামী জাবেদ ড্রাইভার পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওসি।

এদিকে মৃত্যুর আগে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদ্বগ্ধ গৃহবধূ ফাতেমা একটি ভিডিও ফুটেজে অভিযোগ করে বলেন, আমি বাড়িতে গিয়ে আমের ভর্তা বানিয়ে দিয়েছি, সন্ধ্যায় আমাকে গালিগালাজ করে একপর্যায়ে আমার গলা টিপে ধরে আমার স্বামী। একপর্যায়ে আমি মাটিতে পড়লে খাটের নিচ থেকে তৈলের (জ্বালানি তেল) বোতল খুলে আমার গায়ে তেল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় সে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের বুরনকরা গ্রামের আবুল হাসেম প্রকাশ টুকু মিয়ার মেয়ে ফাতেমা বেগমের সাথে পাশ্ববর্তী গুনবতী ইউনিয়নের চাঁপাচৌ গ্রামের অলি আহমদের ছেলে জাবেদ হোসেন ড্রাইভারের সাথে ১০ বছর পূর্বে সামাজিকভাবে শরীয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন কারণে তাদের পারিবারিক কলহ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে গত ১৩ এপ্রিল (সোমবার) রাতে স্বামী-স্ত্রী ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে ফাতেমার শরীরে আগুন দেয় ফাতেমার স্বামী। এ সময়ে তার চিৎকারে আশে-পাশের লোকজন এগিয়ে আসে জাবেদ পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহয়তায় গৃহবধূকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। সেখানে ফাতেমার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে ৭ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত রোববার ভোরে গৃহবধূ ফাতেমা মারা যায়। ফাতেমার মৃত্যুর পর স্বজনরা লাশের ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ নিয়ে আসার চেষ্টা করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানা পুলিশকে বিষযটি অবগত করে। পরে পুলিশ গৃহবধূ ফাতেমার লাশ তাদের জিম্মায় নিয়ে মৃত্যুর তথ্য জানতে চেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাকে খবর দেয়। আইনী প্রক্রিয়া ও লাশের ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন জানান, সোমবার সকালে ঢাকার শাহবাগ থানা থেকে মেইলের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। উপজেলার গুনবতীর চাঁপাচৌ গ্রামের ফাতেমা বেগম নামে এক গৃহবধূ অগ্নিদ্বগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে মৃত্যুবরণ করে। অগ্নিকান্ডের ঘটনার তথ্য জানতে চেয়েছে তারা। তদন্তে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল রাতে পারিবারিক কলহের জেরে ফাতেমা বেগম নামে ওই গৃহবধূ অগ্নিদ্বগ্ধ হয়।

ওসি আরো জানান, ফাতেমার স্বামী জাবেদ হোসেন একজন গাড়ি চালক। তার ঘরে পেট্রোল ও অকটেন জাতীয় তৈল পূর্ব থেকে মজুদ ছিলো। দু’জনের ঝগড়ার একপর্যায়ে মজুদকৃত জ্বালানি তৈল দিয়ে অগ্নিদ্বগ্ধের ঘটনা ঘটে। আমরা তদন্ত প্রতিবেদনটি শাহবাগ থানায় প্রেরণ করেছি। গৃহবধূর পরিবার যদি কোন মামলা দায়ের করতে চায়, তাহলে আমরা তাদেরকে আইনগত সহযোগিতা করব।

গুনবতী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাদ্দাম হোসেন বলেন, জাবেদ ড্রাইভার একজন গাড়ি চালক। তৈলের এই সংকটের সময়ে তিনি নিজ ঘরে জ্বালানি তৈল মজুদ করে রাখতো। আর সেই মজুদকৃত তৈলেই অগ্নিদ্বগ্ধের ঘটনা ঘটে। তাদের বিয়ের পর থেকেই পারিবাহিক কলহ চলে আসছিলো।

নিহত গৃহবধূ ফাতেমা বেগমের চাচাতো ভাই আসিফ মঙ্গলবার সন্ধায় জানান, আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে ঘরের ভিতর রাখা মজুদকৃত তৈল গায়ে ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে সে বার্ন ইউনিটে মৃত্যুবরণ করে। ময়নাতদন্তের কাজ শেষে পুলিশ লাশ হস্তান্তর করে। মর্মান্তিক এ হত্যাকান্ডের বিচার চাই। ফাতেমা অগ্নিদ্বগ্ধ হওয়ার পর থেকেই তার স্বামী জাবেদ হোসেনসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে।

কুমিল্লার লাকসামে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কুমিল্লার লাকসামে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার লাকসামে পুকুরে ডুবে ইব্রাহীম (৬) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের পাওতলী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইব্রাহীম ওই গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে।

লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি দুপুরে সবার অলক্ষ্যে কোনো এক ফাঁকে ঘর থেকে বের হয়ে খেলতে যায়। দীর্ঘক্ষণ তাকে না দেখে পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে।

একপর্যায়ে দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ির পাশে একটি পুকুরের পানিতে তাকে ভাসতে দেখে স্বজনরা উদ্ধার করে দ্রুত লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে যান।

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটি খেলতে গিয়ে কোনো এক সময় অসাবধানে হয়তো পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। পরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে দ্রুত লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সংরক্ষিত আসনে ৩য় বারের মতো মনোনীত হলেন চাঁদপুরের হীরা

সংরক্ষিত আসনে ৩য় বারের মতো মনোনীত হলেন চাঁদপুরের হীরা

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির টিকেটে তৃতীয় বারের মতো সংরক্ষিত আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হলেন চাঁদপুরের সাবেক দু’বারের মহিলা এমপি কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও বিএনপির উপদেষ্টা কারানির্যাতিত নেত্রী আলহাজ রাশেদা বেগম হীরা (এম এ এমফিল)। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

জানা গোছে, সাবেক এমপি রাশেদা বেগম হীরার পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুর জেলায় সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামে। তিনি ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ১৯৭৯ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের ভি.পি. ও জি.এস. পদে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ছাত্রনেত্রী হিসেবে তিনি ১৯৮১ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশ নেত্রী খালেদা জিয়ার সাথে রাষ্ট্রীয় সফরে নেপাল ভ্রমণ করেন এবং টেলেন্ট স্টুডেন্ট হিসেবে তিনি হিজবুল বাহার সফর ও বঙ্গবভনে আমন্ত্রিত হন। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যেমন অল্ফাম, সেভ-দি-চিলড্রেন, ভিএসওতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন, পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ এ যাবৎ দলের সকল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি একজন লড়াকু সৈনিক। তিনি ৮ম ও ৯ম জাতীয় সংসদে তিনি দলের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চাঁদপুর জেলা শাখার সভানেত্রী ছিলেন। ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামী লীগের আমলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচী চলাকালে ঢাকা পল্টন এলাকা থেকে সাবেক এমপি আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে পুলিশের কাজে বাঁধা সংক্রান্ত মামলায় আসামী দেখানো হয়।

উক্ত মামলায় ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন জানালে আদালত তার জামিন না-মঞ্জুর করেন। পরে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের (১৩ মার্চ) হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানালে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে তার জামিন মঞ্জুর করেন। হাইকোর্টের একটি যৌথ বেঞ্চে তাকে জামিন প্রদান করেন। তার স্বামী অবসরপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা মরহুম মোঃ রফিকুল ইসলাম মজুমদার।

এদিকে, তৃতীয় বারেরমত নব-নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ রাশেদা বেগম হীরা এক প্রতিক্রীয়ায়, বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চাঁদপুর-১ আসনের এমপি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, চাঁদপুর-২ আসনের এমপি মো: জালাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৫ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মো. মমিনুল হক কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

তালিকায় আছেন : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম, সহপ্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস ইসলাম, বিএনপি সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে শাকিলা ফারজানা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নেওয়াজ হালিমা আরলী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নীলুফার চৌধুরী, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবিরা সুলতানা, মায়ের ডাক-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম, সহ-স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ, প্রয়াত শফিউল বারীর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইনসহ অনেকে।

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সম্পত্তির লোভে শতবর্ষী বাবাকে ছেলের মারধর

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সম্পত্তির লোভে শতবর্ষী বাবাকে ছেলের মারধর

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় সম্পত্তির লোভে শতবর্ষী বাবাকে মারধর ও ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি লিখে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে খোরশেদ আলম ভুঁইয়া (১০০)-কে তার ছেলে মো. খলিলুর রহমান কয়েকদিন ধরে নির্যাতন করে ঘরে আটকে রাখেন। পরে গোঙানির শব্দ পেয়ে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে গৌরীপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল এবং এর জের ধরেই এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। তারা অভিযুক্ত খলিলুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

খোরশেদ আলম ভুঁইয়াকে উদ্ধারকারী ফারুক মোল্লা বলেন, সম্পত্তির লোভে তার ছেলে শতবর্ষী খোরশেদ আলমকে মারধর করেন। না খেতে দিয়ে একটি রুমে তালাবদ্ধ করে রাখেন। গোঙানির শব্দ পেয়ে আমরা ঘরে যাই। পরে দরজা খুলে তাকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী মিলে হাসপাতালে নিয়ে যাই। একজন সন্তান তার বৃদ্ধ বাবাকে এভাবে নির্যাতন করতে পারে আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

তবে অভিযুক্ত খলিলুর রহমান দাবি করেছেন, তার বাবা বাসায় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন এবং মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়।

দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় পরীক্ষাকেন্দ্রে এমপি, ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে ক্যামেরাম্যান দিয়ে লাইভ করলেন

কুমিল্লায় পরীক্ষাকেন্দ্রে এমপি, ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে ক্যামেরাম্যান দিয়ে লাইভ করলেন

কুমিল্লায় পরীক্ষাকেন্দ্রে এমপি, ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে ক্যামেরাম্যান দিয়ে লাইভ করলেন

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় নিয়ম লংঘন করে কেন্দ্রে প্রবেশ করে সরাসরি ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে ক্যামেরাম্যান দিয়ে লাইভ সম্প্রচার করেছেন কুমিল্লা-২ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া।

এ ঘটনায় বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে এমপি সেলিম ভুঁইয়া কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজ থেকে লাইভে এসে কেন্দ্রের ভেতরের পরিবেশ দেখাতে থাকেন। তিনি বিভিন্ন কক্ষে যাচ্ছেন, শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীদের সাথে কথা বলছেন। এগুলো লাইভে প্রচার করা হয়।

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষার প্রশ্ন সহজ হয়েছে কিনা, তারা কেমন পরীক্ষা দিচ্ছে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

একজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পরীক্ষার হলে একজন এমপি যেতেই পারেন। তবে মোবাইলে লাইভ করা অযৌক্তিক। এতে পরীক্ষার্থীদের মনোযোগ বিঘ্নিত হয় । আইন প্রণেতারা যদি এমন ভুল করে তাহলে তা দুঃখজনক।

পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ভেতরে ডিজিটাল মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও এমপি স্বয়ং এ আইন লঙ্ঘন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

কুমিল্লা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজিব মাহমুদ বলেন, এ বিষয়ে একজন আমাকে অবহিত করেছে। তবে এখনো বিস্তারিত জানিনা। কর্তব্যরত শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব ছাড়া ভেতরে কারো প্রবেশ করার নিয়ম নেই ও তারা কোন মোবাইলও ব্যাবহার করতে পারেন না। নিয়মটা এমনই। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলবো।