All posts by jitu

উষসী পরিষদ কুমিল্লার কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি এড. মাহবুব, সম্পাদক এড. ফারুক

স্টাফ রিপোর্টার:

গত ২০ আগস্ট শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় কুমিল্লা বীরচন্দ্র নগর মিলনায়তনের মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারে কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন উষসী পরিষদ, কুমিল্লার এক সাধারণ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি মোঃ ইউনুছ। সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক উৎসাহী সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে দুই বছর মেয়াদী একটি নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়।

কমিটির নব নির্বাচিত সভাপতি হলেন এড. মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এড. কামরুজ্জামান চৌধুরী ফারুক। অর্থ সম্পাদক পদে নাছির আহমেদ বাদল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুল হক দুলালের নাম ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সভায় পূর্ণাঙ্গ ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান, আহাম্মেদ কবীর, অধ্যক্ষ নবীদুল হক তপন, অধ্যক্ষ এমদাদুল হক পলাশ, মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ, মোঃ তফাজ্জল হোসেন, মোঃ সহিদ উল্লাহ, হুমায়ূন কবীর, উত্তম কুমার দাস, অচিন্ত্য দাস টিটু, সোয়েব আহমেদ রতন, নাসির আহমেদ বাদল, মোঃ জসিম উদ্দিন চাষী, রীতা রাণী সরকার, একিউ আশিক, তাছলিমা লিয়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এড কামরুজ্জামান চৌধুরী ফারুক।

২১ শে আগষ্টে পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়নের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা

 মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল:

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ৬ নং পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্র লীগের উদ্যোগে ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ড লালবাগ বাজার থেকে শুরু হয়ে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালবাগ রাস্তার মাথায় এসে শেষ হয়।

প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন ৬ নং পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকলেছুর রহমান। সদর দক্ষিণ উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য হানিফ চৌধুরীর সঞ্চালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ৬ নং পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম হারিছ মিয়া, সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক এম এ আউয়াল, ৬ নং পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ওহিদুর রহমান মাষ্টার, ৬ নং পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম রিপন, সহ-সভাপতি ডাক্তার আফাজ উদ্দিন, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন মজুমদার, ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মোখলেছুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন, জমিল হক, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা জালাল,রাসেল,ইদ্দিস,সোহাগ।  ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান হাবুল, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ডাক্তার সামাদ,সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মালেক, ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মফিজ ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বাবুল,সাধারণ সম্পাদক জামাল, ৭ নং আওয়ামী লীগ সভাপতি সুলতান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ৬ নং পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক ইয়াছিন আরাফাত যুগ্ম-আহ্বায়ক মির হোসেন পাবেল, সদস্য পলাশ চৌধুরী, ১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আল-আমিন, ছাত্রলীগ নেতা সহ ইউনয়িনের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা।

তাদের ইলেকশনে আনতে হবে, এত আহ্লাদ কেন, আমি তো বুঝি না- শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

রক্তাক্ত ও বিভীষিকাময় ২১ আগস্ট এর ১৮তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হয়েছে। উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতার চেতনায় জয় বাংলা ফিরে এসেছে। এগুলো যারা সহ্য করতে পারবে না, তারা বসে থাকবে না। তারা আঘাত করবে। বাংলাদেশকে আবারও জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করবে। সে বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাব।’

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক স্মরণসভায় এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘যখন আমার আব্বা দেশটাকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই তো ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।’

বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় বিভিন্ন গোষ্ঠী সরকারকে চাপ দিচ্ছে—এমন ইঙ্গিত করে সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন তাদের সঙ্গে বসতে হবে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তাদের খাতির করতে হবে। তাদের ইলেকশনে আনতে হবে। এত আহ্লাদ কেন, আমি তো বুঝি না।

বিএনপি কীভাবে ইলেকশনে আসবে সেই প্রশ্ন রাখেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমরা তো জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। (বিএনপি) ইলেকশন করবে কীভাবে? যে দলের নেতাই নেই, সাজাপ্রাপ্ত অথবা পলাতক, তারা ইলেকশন করবে কী, আর কীভাবে ভোট পাবে? ভোট কাকে দেখে দেবে—এটিই তো প্রশ্ন। তার পরও অনেক চক্রান্ত আছে। এখনো যেমন নানা রকমের চক্রান্ত। ইলেকশন সামনে এলেই শুরু হয়। কিন্তু এ দেশের মানুষের ওপর আমার আস্থা আছে। বিশ্বাস আছে।’

বলেন, ‘যারা স্প্লিন্টার নিয়ে বেঁচে আছেন, প্রত্যেকেই কিন্তু কষ্ট ভোগ করছেন। যত বয়স বাড়ছে, ততই তাদের শরীরের যন্ত্রণা বাড়ছে। আমি সবার খোঁজ রাখি। বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে তাদের সাহায্য করি। আমার যতদূর সাধ্য, করে দিয়েছে। আমি কাউকে ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছি। কাউকে জমি কিনে দিয়েছি। ঘর করে দিয়েছি। মাসোহারার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। প্রতি মাসে ওষুধ কেনার টাকা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু তারা যা হারিয়েছে, সেটি তো ফেরত দিতে পারব না। তাদের শরীরের যন্ত্রণা তো প্রশমন করতে পারব না।’

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বক্তৃতাগুলো অনুসরণ করবেন। কোটালীপাড়া বোমা পুঁতে রাখার আগে বলেছিল— আওয়ামী লীগ শতবছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আগে—শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, বিরোধী দলের নেতাও কোনো দিন হতে পারবে না। এগুলোর তো রেকর্ড আছে।

এই বক্তৃতা আগাম দিল কীভাবে, যে বিরোধী দলের নেতা হতে পারব না। তার মানে আমাকে হত্যা করবে—এ পরিকল্পনা তারা নিয়ে ফেলেছে।’

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এজাতীয় হত্যাকাণ্ড হতে পারে না বলে দাবি করেন শেখ হাসিনা।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পরে সংসদে আওয়ামী লীগকে তৎকালীন বিএনপি সরকার কথা বলতে দেয়নি মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া সেখানে বলে দিল— উনাকে আবার কে মারতে যাবে? উনি তো নিজেই গ্রেনেড নিয়ে গেছেন! নিজেই গ্রেনেড হামলা করেছেন! মানে আমি ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম। এটিই হচ্ছে তাদের কথা।’

সূত্র: যুগান্তর।

বিএনপিকে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না নির্বাচন কমিশন

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশের রাজনীতির মাঠের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর। তবে তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ইসির দুয়ার তাদের জন্য খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ইসি আলমগীর।

এ সময় ইসি আলমগীর সংবিধানে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘সংবিধান আমাদের ক্ষমতা দিয়েছে নির্বাচন করার, নির্বাচন সুষ্ঠু করার, গ্রহণযোগ্য করার। সংবিধান কি আমাদের এমন ক্ষমতা দিয়েছে যে যারা নির্বাচনে আসবেন না তাদের লোভ দেখিয়ে সন্তুষ্ট করে, অনুরোধ করে, পায়ে ধরে নির্বাচনে আনেন? সংবিধানের কোথাও এমনটা বলা আছে? তাহলে আমরা কেন আনব। যদি থাকত তাহলে করতাম।

তিনি বলেন, ‘যারা বলছেন যে আমরা নির্বাচন করব না, নির্বাচনে আসব না; তারা কী বলছেন না বলছেন তা তো আলোচ্যসূচিতে রাখার সুযোগ নেই। আমাদের আলোচ্যসূচিতে রাখতে হবে যারা আলোচনায় এসেছেন তাদের বক্তব্য। কাজেই তারা বাইরে কী বলছেন, তার ভিত্তিতে কি আলোচনা করার সুযোগ আছে?’

আলমগীর বলেন, ‘যতগুলো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে, আমরা চাইব তারা সবাই নির্বাচনে আসুক। আমরা খুশি হব। সবাই যদি আসে দ্যাট উইল বি ভেরি গ্রেটফুল। খুবই ভালো কাজ হবে।এখন কেউ যদি বলে আমরা নির্বাচনে যাব না, তাহলে নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা তো আমাদের দেওয়া হয়নি। এখন নির্বাচনে যারা আসবেন, কমিশনের দায়িত্ব হলো তাদের নিয়েই চিন্তাভাবনা করা। তারা কী বলছেন তাদের কথাই তো গুরুত্ব দিতে হবে। কেউ যদি বলেন, আমি নির্বাচনে যাব না; তখন উনি কী চাচ্ছেন নির্বাচনে সেটা তো গুরুত্বে আনার সুযোগ নেই।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে কতটি আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে, এখনো সে সিদ্ধান্ত হয়নি। ইসি তার সক্ষমতা ও যৌক্তিকতা বিবেচনা করে এ মাসের মধ্যেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। যেসব আসনে ইভিএমে ভোট হবে, সেখানে ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালানো হবে।

সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন- আলোচনায় এসে বিএনপি যদি বলে নির্বাচনে যাব, তবে ইভিএম চাই না। তখন কী করবেন? জবাবে এ কমিশনার বলেন, ‘তাহলে অবশ্যই আমলে নেব। কারণ তারা এসে যখন বলবেন যে নির্বাচনে যাব, তবে আমরা এটা চাই। তখন তো সেটাই আমরা নেব। কারণ ওনারা নিবিন্ধত রাজনৈতিক দল। আমলে না নেওয়ার তো সুযোগ নেই। যেহেতু তারা সংলাপে আসেনি, কাজেই ওনাদের কথা তো রেজ্যুলুশনভুক্ত করে আলোচনা করতে পারি না।’

তবে ইসি আলমগীর এও বলেন, ‘আমাদের দরজা দাওয়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, আমাদের দরজা খোলা থাকবে তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত।’

ইসি যে ইভিএম ব্যবহার করে, তাতে কারচুপির সুযোগ নেই দাবি করে আলমগীর বলেন, ‘ইভিএমে চুরি হতে পারে। কিন্তু আমাদের কাছে যে ইভিএম আছে, সেটায় চুরি করা যায়, তার প্রমাণ দেন। সেই চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছে কয়েকবার। কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে আজ পর্যন্ত কেউ তো প্রমাণ করতে পারেনি যে আপনাদের যে ইভিএম তাতে চুরি করা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইভিএমে কারচুপি করা যায়- সে বিষয়ে কয়েকবার ওপেন চ্যালেঞ্জ দিলাম। লিখিতভাবে বললাম। আমাদের ওই চ্যালেঞ্জ এখনো ওপেন আছে। এটা বন্ধ করিনি। আপনারা শুধু বাইরে থেকে বলেন এটা এই-ওই, তার ভিত্তিতে তো একটি দেশ বা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। একটি প্রতিষ্ঠান চলে তার প্রমাণের ভিত্তিতে, তার দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে।’

সূত্র: যুগান্তর।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে কাতার বঙ্গবন্ধু পরিষদ

 

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, কাতার:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কাতার কেন্দ্রীয় কমিটি।

১৯শে আগষ্ট  (শুক্রবার) রাতে কাতারের রাজধানী দোহার আফগান রেষ্টুরেন্টে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম ফরিদুল হক এর সভাপতিত্বে এতে সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মীর মোশারফ হোসেন নয়ন।

প্রধান অতিথি ছিলেন কাতার আওয়ামীলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম তালুকদার বাবু।

শোকসভায় স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, ইঞ্জিনিয়ার জালাল আহম্মেদ, কপিল উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন নাছের, নুরুল আবছার বাবুল, জিয়া উদ্দিন জিয়া, মাহবুবুর রহমান বাবু, বোরহান উদ্দিন মোল্লা, মসিউর রহমান মিঠু, এস কে সফিক, আল আমিন খান, কাজী আশরাফ, আতিকুল মাওলা মিঠু প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ বিনির্মানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক অবদানের কথা তুলে ধরেন।বঙ্গবন্ধু খুব অল্প সময়ের মধ্যে একটি সংবিধান বাংলাদেশের জনগনকে উপহার দিয়েছিলেন। যেটি ছিল একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্য বিরাট অর্জন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠনের কঠিন কাজে বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর সময়ের মধ্যে তার দূরদর্শিতার মাধ্যমে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনের কাজকে অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।

শেষে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট নিহত সকলের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

মনোহরগঞ্জে পানিতে ডুবে এক ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে ইমতিয়াজ আহমেদ আবদুল্লাহ(৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

নিহত শিশু আবদুল্লাহ মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঝলম উত্তর ইউনিয়নের বাংলাইশ গ্রামের মিয়াজি বাড়ির সোহাগ মিয়ার একমাত্র ছেলে৷

রবিবার ( ২১ আগস্ট )সকাল ৯ টায় সময় এই দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে আবদুল্লাহ তাদের বাড়ির পাশে পুকুরে হাত মুখ ধুতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করে।  সকাল ৯টায় সময় পুকুরের পানিতে নিহতের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা দৌঁড়ে এসে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

কুমিল্লা নগরীতে বেশি দামে চাল বিক্রি ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখায় ৩ দোকানদারকে জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার চকবাজারের তিন টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার সকালে এই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।

ভোক্তা অধিকার জানায়, কুমিল্লার চকবাজারে মেসার্স শচীন্দ্র চন্দ্র সাহা নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অল্প দামে কিনে বেশি দামে চাউল বিক্রি করা হচ্ছিলো। এসময় প্রতিষ্ঠানটির মালিকের কাছে চাউল কেনার রশিদ দেখাতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেন নি। যে কারণে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই বাজারে মেসার্স হিরন চন্দ্র সাহা নামে আরো এক প্রতিষ্ঠানও চালের ক্রয়মূল্যেও রশিদ না দেখাতে পারায় তাদেরকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে নগরীর পুলিশ লাইন্সে নিউ লাইফ বেকারি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে শরবত বানানোর মেয়াদোত্তীর্ণ পাউডার পাওয়া যাওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম বলেন, ক্রেতাদের ঠকিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা লুটে নিতে যারা এ ধরনের বাণিজ্যিক অনৈতিক কার্যক্রম করবেন তাদের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকারের অভিযান চলমান থাকবে।

আধিপত্যের দ্বন্দ্বে কিশোর শাহাদাত খুন, প্রধান আসামিসহ ৬ জন গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা নগরীর আওয়ার লেডি অব ফাতেমা স্কুল এর সামনে কিশোর গ্যাং ‘রতন গ্রুপ’ প্রকাশ্য দিবালোকে শাহাদাৎ হোসেন (১৭) নামের এক কিশোরকে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এ হত্যাকান্ডের মূল হোতা মোঃ রতনসহ (২০) প্রধান ৬ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ সদস্যরা। এ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পরবর্তীতে গত ২০ আগস্ট রাতে কুমিল্লার দেবিদ্বার ও সদরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে কিশোর গ্যাং ‘রতন গ্রুপ’ এর লিডার রতনসহ ৬ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া কিশোররা হলেন নগরীর ফৌজদারী মফিজাবাদ কলোনী এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ রতন (২০), মো: জহির মিয়ার ছেলে মোঃ আকাশ হোসেন (২০),শাহালমের ছেলে মোঃ সিয়াম হোসেন (২০), ভাটপাড়া এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে মোঃ তানজীদ (১৯), কালিয়াজুড়ি এলাকার মৃত. মো: ফয়েজের ছেলে মোঃ ইয়াসিন আরাফাত@রাসেল (২১) এবং বাঘমারা গ্রামের মোহন মিয়ার ছেলে আসিফ হোসেন রিফাত (১৯)। গ্রেফতার অভিযান চলার সময় তাদের কাছ থেকে ২ টি সুইচ গিয়ার, ৪ টি বড় ছোরা ও একটি এন্টি কাটার উদ্ধার করা হয়।

গত ১৯ আগস্ট বিকেলে শাহাদাৎ হোসেনকে প্রকাশ্য দিবালোকে জনবহুল রাস্তায় নৃশংসভাবে হত্যা করে। নিহত শাহাদাৎ হোসেন নগরীর পুরাতন চৌধুরী পাড়া এলাকার বশু মিয়ার বাড়ির মোঃ শাহ আলম ভূইয়ার ছেলে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ২০ আগস্ট রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহাদাৎ নগর উদ্যানের একটি রাইডের সাবেক কর্মচারী। ভিকটিম বেশ কয়েকদিন সেখানে চাকরি করেছে এবং গত ১৫ দিন আগে উক্ত চাকরি সে ছেড়ে দিয়েছে। নৃশংস হত্যাকান্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতি দ্রুত ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও স্পর্শকাতর হওয়ায় তাৎক্ষনিকভাবে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একাধিক টিম মাঠ পর্যায়ে তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ ও তদন্ত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে এ নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরিভাবে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে চিহ্নিত করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, নিহত ভিকটিম শাহাদাৎ হোসেন (১৭) ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্য। ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্যরা গত ৬/৭ মাস আগে ‘রতন গ্রুপ’ এর একজন সদস্যকে মারধর করে। উক্ত ঘটনার জের ধরে উভয় গ্রুপের মধ্যে শত্রুতা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য, ‘রতন গ্রুপ’ এর সদস্যরা ০২ নং ওয়ার্ড এলাকায় এবং ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্যরা ০৪ ও ০৫ নং ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থান করে। উক্ত ০২ ও ০৪,০৫ নং ওয়ার্ডের মাঝখানে ‘ধর্মসাগর পার্ক’ অবস্থিত যা ১০ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে যখনই ‘রতন গ্রুপ’ এর সদস্যরা ঐ পার্কে যায় তখনই ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্যরা তাদেরকে ধাওয়া দেয়, একইভাবে ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্যরা ঐ পার্কে গেলে ‘রতন গ্রুপ’ এর সদস্যরা তাদেরকে ধাওয়া দেয়। ঘটনার দিন গত ১৯ আগস্ট আনুমানিক বিকাল ৪ টার সময় ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্যরা ‘রতন গ্রুপ’ এর সদস্য তানজীদের পরিচিত এক ছোট ভাইকে মারধর করে আহত করে। ফলস্বরূপ ‘রতন গ্রুপ’ এর সদস্যরা সিদ্ধান্ত নেয় যে, ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্যদের যেখানেই পাবে সেখানেই প্রতিহত করবে। এমন সময় ‘রতন গ্রুপ’ এর সদস্য তানজীদ এসে উপস্থিত অন্যান্য সদস্যদেরকে ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্যরা পার্কে অবস্থান করছে মর্মে তথ্য প্রদান করে। পরবর্তীতে, রতনের নেতৃত্বে ‘রতন গ্রুপ’ এর অন্যান্য সদস্যরা ফৌজদারী মফিজাবাদ কলোনী মাঠে একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ‘ঈগল গ্রুপ’ এর সদস্যদের আওয়ার লেডি অব ফাতেমা স্কুল এর সামনে ধাওয়া করে। ধাওয়ার এক পর্যায়ে ভিকটিম শাহাদাৎ দৌড়ে পালাতে না পারলে রাব্বিল তাকে ধরে ফেলে ও তাৎক্ষণিক গ্রুপের অন্যান্য সদস্যরা শাহাদাৎকে কিল-ঘুষি, লাথি ও এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে, স্থানীয় লোকজন শাহাদাৎকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

আসামীদের দেওয়া তথ্য ও প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ‘রতন গ্রুপ’ এর সদস্য রাব্বিল ভিকটিম শাহাদাৎ কে ধরে থাকা অবস্থায় তানজীদ সুইচ গিয়ার দিয়ে প্রথমে ভিকটিমকে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে। গ্রুপের অন্য সদস্য রানা ভিকটিম শাহাদাৎ কে কিল-ঘুষি মারতে থাকা অবস্থায় অন্য সদস্য আকাশ সুইচ গিয়ার দিয়ে শাহাদাৎ এর পেটের বাম পাশে বারংবার আঘাত করতে থাকে। অন্য সদস্য রতন, হাসিব, রিয়াজ, সানি, সাব্বির ও আরো কতিপয় সদস্য ভিকটিম শাহাদাৎ কে লাথি ও ঘুষি মারতে থাকে এবং রাসেল, সিয়াম, আসিফ বড় ছুরি নিয়ে ভিকটিম শাহাদাৎ কে চারপাশ থেকে ঘেরাও করে রাখে এবং নবী ভিকটিমের পিঠে বড় ছুরি দ্বারা আঘাত করলে ভিকটিম শাহাদাৎ ঘটনাস্থলে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ‘রতন গ্রুপ’ এর সদস্যরা দ্রুত ঐ স্থান থেকে পালিয়ে আত্নগোপনে চলে যায়।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বুড়িচংয়ে জাতীয় পার্টির সম্মেলনে বিরিয়ানি নিয়ে সংঘর্ষ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা জাতীয় পার্টির আয়োজিত সম্মেলনে ও দোয়া অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির সম্মেলনে বিরিয়ানি নিয়ে কাড়াকাড়ির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (২০ আগষ্ট) বিকেলে বুড়িচং উপজেলা সদরের মডেল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয় পাশের মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এ ঘটনা ঘটে।

উক্ত জাতীয় পার্টির সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বাà