All posts by jitu

নাচ গানে বর্ষা বরণ কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের

 

স্টাফ রিপোর্টার:

ষড়ঋতুর বাংলাদেশে এখন চলছে বর্ষাকাল। বৃষ্টি বাদলের দিন। আষাঢ়ের তৃতীয় সপ্তাহে বর্ষাকে বরণ করে নিতে সংগীতময় এক আয়োজন করেছে কুমিল­া সাংস্কৃতিক জোট।

শনিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় গানে-নৃত্যে বর্ষা-বন্দনায় ফুটে উঠেছে এখানকার মানুষের বর্ষার প্রতি ভালোবাসা। ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’ শিরোনামে বর্ণময় অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বর্ষার গান আর গানের তালে মনোমুগ্ধকর নৃত্যে।

অনুষ্ঠানে বর্ষাকথনে অংশ নেন অধ্যক্ষ শ্যাম প্রসাদ ভট্টাচার্য, কুমিল­া সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক দুলাল, কুমিল­া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, সোনার বাংলা কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম রেজা সৌরভ, আবুল হাসানাত আজাদ, জোটের সাবেক সভাপতি শহীদুল হক স্বপন ও বর্ষাবরণ উদযাপন পর্ষদের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ শামীম হায়দার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বর্ষাবরণ উদযাপন পর্ষদের সদস্যসচিব সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।

বক্তারা বলেন, বাঙালির জীবনে আরও পক্ষকাল আগেই এসেছে বর্ষা ঋতু। প্রকৃতিতে রোদ-বৃষ্টির খেলা চললেও বর্ষা যে এসে গেছে তা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ আগেই টের পেয়েছেন। নদীনালা, খাল-বিল পানিতে টইটম্বুর। আর নগর জীবনে বর্ষা এসেছে সুন্দরের প্রতীক হয়ে। এ বর্ষা আমাদের জীবনেরই অংশ। বর্ষার গান কবিতা আবহমানকাল ধরে বাঙালির জীবনে জড়িয়ে আছে। এরি ধারাবাহিকতায় কুমিল­া সাংস্কৃতিক জোটের এ আয়োজন। কেবল বর্ষা নয়, ঋতুভিত্তিক অনুষ্ঠানগুলো আমরা উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে করে থাকি।

ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উদযাপন পর্ষদের সমন্বয়ক শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জাহিদুর রহমান মামুন ও রাকা খন্দকার। সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন অভিজিৎ সিনহা মিঠু। যন্ত্রশিল্পী ছিলেন এম এ কাইয়ূম, জহিরুল ইসলাম, ভূষন সূত্রধর, বাপ্পী ও স্বপন।

অনুষ্ঠানে গানে-নৃত্যে বর্ষার রূপ, মাধুর্য, স্বরূপে বর্ণিত হয়েছে নানাভাবে। রাত দশটা পর্যন্ত হলভর্তি শ্রোতাদের হৃদয়ে জাগিয়েছে দোলা। সৃষ্টি করেছে বৈচিত্র্যময় অনন্ত দিগন্ত

“কুমিল্লা কি শুধু মোশতাকের এলাকা?”

সাইদুল হাসান:

রসমালাইয়ের কথা মনে হলেই যেই জেলাটির নাম প্রথমে মনে আসে তার নাম কুমিল্লা। রাষ্ট্রভাষা বাংলা হওয়ার জন্য যিনি প্রথম দাবি করেছিলেন সেই ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বাড়ি কুমিল্লা।  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম রূপকার শিব নারায়ণ দাস, শেখ মুজিবের কারাজীবনের সঙ্গী এবং যিনি শেখ মুজিবকে জেলে রান্না করে খাওয়াতেন সেই ভাষাসৈনিক অজিত কুমার গুহের বাড়ি কুমিল্লা, ভাষাসৈনিক রফিকুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লা,  উপমহাদেশের বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার শচীন দেব বর্মনের বাড়ি কুমিল্লা, খাবার স্যালাইন প্রথম যিনি আবিষ্কার করেছিলেন সেই বিজ্ঞানী রফিকুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লা। সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর বাড়ি কুমিল্লা। আইসিসির সাবেক সভাপতি ও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের বাড়ি কুমিল্লা। সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়ি কুমিল্লা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ও এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের বাড়ি কুমিল্লা, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার, পরিকল্পনা মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বাড়ি কুমিল্লা,  সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ার, ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, আজিজুর রহমান সরকারের বাড়ি কুমিল্লা, এফ সি এ এর সাবেক সভাপতি মাননীয় এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের বাড়ি কুমিল্লা।

সঙ্গীতশিল্পী আসিফ আকবর ও আলম আরা মিনুর বাড়ি কুমিল্লা। আইসিসির আম্পায়ার এনামুল হক মনির বাড়ি কুমিল্লা। কবি সুফিয়া কামাল ও কবি বুদ্ধদেব বসুর বাড়ি কুমিল্লা। বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খানের বাড়ি কুমিল্লা। মেজর আব্দুল গণি, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও গীতিকার আপেল মাহমুদের বাড়ি কুমিল্লা। লেখিকা, সমাজকর্মী ও জমিদার নবান ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর বাড়ি কুমিল্লা। বাংলাদেশের ৮ম প্রধানমন্ত্রী কাজী আবু জাফরের বাড়ি কুমিল্লা। সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি মোঃ তাফাজ্জাল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লা। সাবেক সেনা প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়ার বাড়ি কুমিল্লা। বিজিবির সাবেক মহাপরিচালক লেঃ জেনারেল মোঃ মইনুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লা। খ্যাতিমান চিকিৎসক ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্তের বাড়ি কুমিল্লা। সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ, ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারি ও সাহিত্যিক, গীতিকার আহমেদ উল্লাহর বাড়ি কুমিল্লা। সাস্টের উপাচার্য ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মাদ, অধ্যাপক আলী আশরাফ এমপি ও ক্রিকেটার শামসুর রহমান শুভ’র বাড়ি কুমিল্লা। দক্ষিণ পূর্ব বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত কুমিল্লা জেলায়। দর্শনীয় স্থান হিসাবে আছে: শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, ময়নামতি জাদুঘর, জাহাপুর জমিদার বাড়ি, বার্ড, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, চন্ডীমুড়া ধর্মসাগর দীঘি, চন্ডীমুড়া মন্দির, ম্যাজিক পার্ক ইত্যাদি। তাছাড়া কাজী নজরুল ইসলাম ও নার্গিসের স্মৃতি বিজড়িত স্থানের নাম কুমিল্লা।

আরো অসংখ্য গুণীজন ও বিখ্যাত স্থানের সমাহার কুমিল্লা। সেগুলো চোখে পড়ে না? শুধু মোশতাক নিয়ে পড়ে থাকা জ্ঞানের দীনতা। চর্মচক্ষু নয় জ্ঞানের চক্ষু দিয়ে কুমিল্লাকে উপলব্ধি করুন। তাহলে ‘কুমিল্লা’ কি তা বুঝতে সক্ষম হবেন।

লেখক:

সাইদুল হাসান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

কবিতা: ঘুড়ি

রেজাউল করিম (সাকিব):

গ্রামের দুষ্ট ছেলে
ছেলেটার ঘুড়ি আকাশে উড়তেছে,
সে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে।

আসলে মনের সুখে ঘুড়িটা নয়,
সে আকাশে উড়তেছে।
তার চিন্তাগুলো আকাশ কে নিয়ে।

গ্রাম বাংলার ছেলে সে,
রোদের মাঝে ঘাসেতে বসে আছে,
আকাশের দিকে তাকিয়ে।

সন্ধ্যায় মায়ের বকুনি তে,
সে হেসে উঠে বলে মা,
আমার ঘুড়িটা অনেক উপরে উঠেছে।

কবিতা: মা

মোঃরাকিব হোসেন:

এই ধরাতে জনম নিয়ে
যবে কেঁদেছি আমি,
সবচেয়ে সুখী মাগো
হয়েছিলে তুমি।

আমায় পেয়ে হাতে পেলে
আকাশের ঐ চাঁদ,
আদর স্নেহে ভরে দিলে
ছিলো না তো খাদ।

হঠাৎ ঝড়ে হারিয়ে গেলে
একা করে আমায়,
যেখান থেকে কেউ ফেরে না
ঐ দূর অজানায়।

নীল আকাশে হলে তুমি
ঝিকিমিকি তারা,
হাত বাড়িয়ে পাই না তোমায়
যায় না তো ধরা।

আজ বিধাতার কাছে মোর
শুধু এইটুকু মিনতি,
যেখানেই থাকো মাগো তুমি
পাও যেন শান্তি।

কবিতা: মুগ্ধতার ছড়াছড়ি

রেজাউল করিম(সাকিব):

ডেকে যায় পাখি, হরেক সুরের মিতালি
চিকচিক করে বালি, চড়ই পাখির ছুটাছুটি

উকি দিয়ে শিস দেয় টুনটুনি
ছোট গাছে তার ছোট বাসাটি

পাতায় পাতায় উড়ে বেড়ায় প্রজাপতি
কত রঙে ছুটাছুটি
শ্যামা পাখির ডাকাডাকি
পুবাল বাতাসে পাখিদের লুকোচুরি
মাছরাঙা, বক, পানকৌড়ি মাছ শিকারি
তাল গাছের ঢালে বাবুই পাখিদের বাসা গুলি
কতই না সুন্দর বাবুই পাখির ঝুলন্ত বাসাটি
ইগলের নীল আকাশে ঘুরাঘুরি

সোনালী রোদে ফড়িংঙের উড়াউড়ি
আকাশে সাদা মেঘের হাসি
ঘুঘু, দয়েল, হলুদ পাখি
ময়না, শালিক,টিয়া মুগ্ধ সুরে ডাকাডাকি
ফসলের মাঠে দাড়িয়ে আছে কাকতাড়ুয়াটি

পুকুর পানিতে মাছের লাফালাফি
গ্রামের রূপে খুব সকালে জাগে পাখি
সারাদিন তাদের মিষ্টি মাখা সুরের মিতালি
রাতে নীড়ে ঘুমায় পাখি
আকাশে তারার মিটিমিটি
জোনাক পোকা হলুদ আলোয় উড়াউড়ি
গ্রামে মুগ্ধ আলো মুগ্ধ রূপে মুগ্ধ সুরের ছড়াছড়ি।

কবি এ কে সরকার শাওন

এস এম আনোয়ার হোসেন অপু:

কবি এ কে সরকার শাওন কে নিয়ে লিখতে গিয়ে প্রথমেই আমার মনে আসা তাঁর লিখা কয়েকটি কবিতাংশ চয়ন করছি…

“আমার মনের গভীর ক্ষত
নাইবা জানলো কেউ,
হাসির রেখায় ঢেকে থাকুক
সাত সাগরের ঢেউ!”

কিংবা

“আফ্রোদিতির চোখের পাতায়?
কীর্তিনাশার বান চলে;
তাঁর দুখের ভাগী হবো
বিলীন হবো তার জলে!”

কিংবা

“আমার বাবা আমার বিশ্ব
বাবা ছাড়া আমি নিঃস্ব!
গুনে-মানে, ধ্যানে-জ্ঞানে
বাবা গুরু আমি শিষ্য!”

উপরের জনপ্রিয় পংক্তিমালাগুলি রোমান্টিক কবি এ কে সরকার শাওনের। প্রথম কবিতাংশটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ “কথা-কাব্যে”র কবিতা “দাগ রয়েই যায়” কবিতার। দ্বিতীয় কবিতাংশটি কবির দ্বিতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ “নিরব কথোপকথন” এর “মন পবনের নাও” কবিতার। তৃতীয় কবিতাংশটি তৃতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ “আপন-ছায়া”র “বাবার ছবি” কবিতার। এ রকম অনেক জনপ্রিয় কবিতা তিনি লিখেছেন যা দেশে বিদেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশ হয়ে আসছে।

কবিতায় রোমান্টিক ভাবধারার আধিক্য পরিলক্ষিত হয় বলে প্রেম পিয়াসীরা তাঁকে রোমান্টিক কবি বলে থাকেন! “কথা-কাব্য” কাব্যগ্রন্থের “বিরাগ-বচন” কবিতায় লিখেছেন,

“যে হৃদয়ে লাঙ্গল দিয়ে
রক্ত গঙ্গা বহাস,
জানিস না তুই
সেই হৃদয়ে
তোরই বসবাস!”

জনপ্রিয় কবিতা “আমার সজনী সেন” এ তিনি বিশ্বের মহান প্রেমিক প্রেমিকাদের তুলে ধরে নিজ প্রেয়সীকে লিখেছেন,
“সুন্দরের রানী ক্লিওপেট্রা তুমি
ট্রয় নগরীর হেলেন।
রবী ঠাকুরের লাবন্য তুমি,
তুমি আমার সজনী সেন!”

কবি এ কে সরকার শাওনের জন্ম ১৯৬৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের গোপালপুরে। পিতা মো: আবদুল গনি সরকার একজন সরকারী কর্মকর্তা ছিলেন এবং মাতা মিসেস সালেহা গনি সরকার ছিলেন একজন আদর্শ গৃহিনী। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলি সব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইনভিত্তিক পণ্য বিশেষ করে বই বিক্রির ওয়েবসাইটে বিক্রি হচ্ছে।

তাঁর কবিতা অতি কাল্পনিক। কবিতা নিয়ে তিনি নিজেই বলেছেনে, “আমার কবিতার চরিত্রাবলী কাল্পনিক এবং একান্তই নিজস্ব। জীবিত, মৃত ও অর্ধ-মৃত কারো সাথে কোন মিল নেই।” তাঁর কবিতার অন্যতম চরিত্র “সজনী সেন”। সে কি অশরীরী নাকি রক্ত-মাংসের কোন মানবী? এ নিয়ে রহস্যের কোন সুরাহা তিনি আজ ও করেননি। তাঁর ভাষায় “হৃদয়েশ্বরী” কবিতায় তিনি লিখেছেন,

“কেউ বলে নাটোরে
কেউ বলে চিরির বন্দরে
আসলে সেই মহা-মানবী
আছে শুধু আমার অন্তরে”

কোমল হৃদয়ের কবি অত্যন্ত পিতৃ-মাতৃ ভক্ত। কবির পিতা-মাতা ও জন্মস্থান “গোপালপুর” নিয়ে লিখা “শিকড়-শিখর” কাব্যগ্রন্থের “শিকড়-শিখর” কবিতায় তিনি বাবা ও মা নিয়ে যা লিখেছেন তা নিম্নরূপ।

“আগাগোড়া দেশপ্রেমিক
সহজ, সরল, সৎ, সুমন।
দেখেছি ঘুরে বিশ্বজুড়ে
বাবার মত বিরল সুজন!”

মিঠেকড়া মা আমার
গুনি অতি প্রত্যুৎপন্নমতি!
মিষ্টভাষী সরলা বিদুষী
বিধি সৃজিছেন অল্প অতি!”

তাঁর জনপ্রিয় কবিতাগুলি হচ্ছে, চশমা, তুমি আমার সজনী সেন, নারী তুমি অনন্যা, পরে কথা হবে, দাগ রয়েই যায়, আপন-ছায়া, ধন্যি মেয়ে, কাশ্মীরী শাল, পশীহারা, বাবার ছবি, আমি নইকো একেলা, কাঁঠাল, উদাসীন পথিকের মনের ব্যাথা, অপ্সরী, একাদশীর চান, নীল টিপ, বিরাগ-বচন, বিক্ষুব্ধ উর্মিমালা ইত্যাদি।

কবির শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি ঝালকাঠির উদ্ধোধন হাই স্কুলে। ছেলে বেলায় অসুস্থতার কারনে ১৯৭৫ সালে সরাসরি ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন । ১৯৮০ সালের জুনে উদ্ধোধন হাই স্কুলে ৯ম শ্রেণিতে থাকাকালে বাবার বদলীজনিত কারনে নিজ গ্রাম গোপালপুরে চলে যান। ১৯৮৩ সালে নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, ১৯৮৫ সালে নবীনগর সরকারী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করেন। ১৯৯১ সালে বাংলদেশ বিমান বাহিনীর এয়ারম্যান ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (এটিআই) থেকে এ্যারোনটিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং (এয়ারফ্রেম) থেকে প্রথম শ্রেণিতে এসোসিয়েট ইন্জিনিয়ারিং পাশ করেন। ১৯৯৬ সাল থেকে ১০ বছর ঐ ইন্সটিটিউটের প্রশিক্ষক ছিলেন। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বহিরাগত ) থেকে ইংরেজী সাহিত্য স্নাতক, ২০০৭ সালে এজাম্পশন বিশ্ববিদ্যালয়, থাইল্যান্ড থেকে ডিপ্লোমা ইন ইনফরমেশন টেকনোলজিতে স্নাতক লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও আইনশাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।

কবির অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলি যেমন বাঁশীওয়ালা, শিকড়-শিখর, আপন-আভাস, প্রলয়-প্রলাপ, আলো-ছায়া, প্রণয়-প্রলাপ, সজনী, প্রান্তিক-প্রান্তরে, চেয়ার ও চোর, বাঁকা চাঁদের হাসি (শিশুদের জন্য) ও ইংরেজি কবিতার বই” ঝড়হমং ড়ভ ওহংধহব” এবং গল্পগ্রন্থ “মেকাপ-বক্স” প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

১৯৯১ সালের ৫ জুলাই সাবেক আহসানউলাহ ইন্জিনিয়ারিং কলেজের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সত্তরের দশকের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আশেক জহির (আসল নাম এ কে এম জহিরুল হক ইব্রাহিম) সাহেবের দ্বিতীয় কন্যার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি ও তার সহধর্মীনি শিক্ষাবিদ রতœগর্ভা নাজমা আশেকীন শাওন এম. এ. এম-এড তিন কন্যা সন্তানের জনক-জননী। জ্যেষ্ঠ কন্যা নাজমুন সালেহীন তৃষা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষ করেছে। মেঝো কন্যা কামরুন সালেহীন তৃনা ষ্টাডি ইন ইন্ডিয়া (এসআইআই) প্রজেক্টের আওতায় ভারত সরকারের পূর্ণ স্কলারশিপে ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে (কিট) এরোস্পেস ইন্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা করছে। কনিষ্ঠ কন্যা সামশুন সালেহীন তূর্ণা রুশ সরকারের পূর্ণ স্কলারশিপে মস্কোর বিখ্যাত” পিরোগভ রুশিয়ান ন্যাশনাল রিসার্চ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি”তে ডক্টর অফ মেডিসিন পড়ার জন্য চুড়ান্ত তালিকায় রয়েছে। আগস্টের মাঝামাঝি মস্কো চলে যাবার কথা রয়েছে।

সংগঠন ও দল বিমুখ তিনি বাংলাদেশ সম্মিলিত কবি পরিষদের নিষ্ক্রিয় সভাপতি। বাড়ী থেকে কদাচিৎ বের হন। লিখালিখির পর অবসরে তিনি গান করেন। ষ্টারমেকারে এ প্লাস ও এ ডাবল প্লাস গ্রেডে কবির রয়েছে সাড়ে তিন শত গান।

সরকারী চাকুরী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে বর্তমানে বসবাস করছেন রাজধানী ঢাকার উত্তরখানের নিজ বাসভবন “শাওনাজে ভবনে”।

দৈনিক বাংলাদেশের আলো কবির সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করছে।

লেখক: এস এম আনোয়ার হোসেন অপু
স্টাফ রিপোর্টার
দৈনিক বাংলাদেশের আলো
+৮৮০১৭১১১৫১০১৩

কবিতা: বত্রিশ বছর পরে

এ কে সরকার শাওন:

ঠিক বত্রিশ বছর পরে আজ
দেখা হবে প্রিয় বন্ধুর সাথে
চায়ের আড্ডার অগ্রভাগে!
সেই জন্য আগে ভাগেই ফুলবাবু সেজে
ভ্যেনূতে পৌছাই বত্রিশ মিনিট আগে!

ঐ তো চাঁদমুখ দেখা যায়,
কালো হলুদের নকশাখচিত
জামদানী শাড়ীতে;
একাকী বসে দূরের টেবিলে
দূর দ্বীপ বাসিনী নিশ্চুপ বসে এক প্রান্তে!

বিধি বুঝি আজ বেশ
সুপ্রসন্ন অকৃপণ উদার;
বত্রিশ বছরে আমায় দিলেন
এক অনন্য উপহার!

একি অনাসৃষ্টি!
মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি!
তারঁ চোখে চোখ পড়তেই
হাত উঁচিয়ে হাসিমুখে ইশারায় জনান্তিকে
ডেকে নিয়ে নিলো সে আমায় একান্তে!

আরে জগলু যে, এসো এসো,
এই চেয়ারটায় বসো মুখোমুখি ;
তারপরে কেমন আছো বলো?
আশা করি তুমি বেশ সুখী!

কি করে বুঝলে বন্ধু;
তুমি কি জ্যোতিষী?
জ্যোতিষী আমি নই তবে
শুভাকাঙ্ক্ষী হিতৈষী!

বটে! তা আমি আছি বেশ;
বদলাই নি খুব একটা বড়!
কতদিন পরে দেখা আমাদের
অনুমান করতে কি পারো?

অনুমান বলছো কেন?
৮৯ এ শেষ দেখা, ৯০ এ শেষ চিঠি,
ফলালাম জানিয়ে লিখেছিলাম।
অতঃপর যে যার মতো যেনো নক্ষত্র,
অন্তহীন ছুটে চলা অবিরাম!

হ্যাঁ, সে গুলো সোনালী অতীত
আমরা ভালো বন্ধু ছিলাম;
স্কুলের শ্যামল ছায়ে দক্ষিণা বায়ে
মজার আড্ডায় গল্প কবিতায়
মনের ক্যানভাসে কতো ছবি আঁকতাম!

ম্যারাথন আড্ডায় পেরিয়ে যেতো
ঘন্টার পর ঘন্টা নিমিষেই;
ক্ষিপ্র ঘোড়ার বেগে মহাকালে
কোথায় হারালো সোনালী দিনগুলি সেই।

বাদ দাও আমার কথা জেরীন;
তুমি কেমন আছো বলো ?
চায়ের আড্ডায় নামের তালিকায়
তোমার নাম দেখে তনুমনে
আনন্দের ঝিলিক খেয়ে গেলো!

সে স্বভাবসুলভ স্মিত হেসে বললো
“এতোকাল পরে কেমন দেখছো আমায়?
আমি কি আগের মতই আছি?
না কি অনেক বদলে গেছি!”
দুষ্টু মিষ্টি হাসি ছাড়া বাকী বদলেছে সব
বদলে গেছে দেহাবয়ব
আজ বেশ ভরাট মুখাবয়ব
হয়তো বদলেছে সব অনুভব!

পাঁজী তুমি, দুষ্ট তুমি, তুমি তথৈবচ;
এবার থামো কথা কবিতার কাজী!
সবাই এসে গেছে দেখো
ঐ যে ডাকছে চায়ের আড্ডার মাঝি!

ইদুর কপালে হলে যা হয়
বন্ধু জি এম চেঁচিয়ে কয়
“এই জগলু জেরিনকে নিয়ে
তাড়াতাড়ি চলে আয়;
পরে কথা বলার ঢের সময় পাবি
কেক কাটবার সময় বয়ে যায়।”

চলো যাই সময় আর নাই
প্রার্থনা থাকলো শুধু একটাই,
আবার যেন বত্রিশ বছর পরে
শুধু বত্রিশ মিনিটের তরে পাই;
এমন মহতী চায়ের আড্ডায়!
যা গত বত্রিশ বছরেও পাই নাই!

চলতে চলতে সেই ক্ষণে
বিগলিত মনে ছলছলো নয়নে শুধায়
দেখা হয় কথা হয় বন্ধু;
আলো-আঁধারে প্রতিদিন প্রতিক্ষণে
কোন কিছুই ভুলি নাই এতেদিনে!

আর একটি কথা বলি শোন
বত্রিশ বছরেও
যদি আর কভু আর দেখা না পাই;
তোমার ক্ষমায় দিও মোরে ঠাঁই
আমার শেষ চাওয়া একটাই
ভালো থেকো বন্ধু, এবার বিদায়!

সে চলে গেলো হন হন করে
একদৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম তার পথের পানে
কারো প্রতি আমার কোন অভিযোগ নাই
বত্রিশ বছরেও একবার পাই বা না পাই!
আমিও এগোলাম আলোতে পথে চিক চিক করা
তাঁর অশ্রুকণাগুলো ডিঙিয়ে
যা আমার গন্ডদেশে গড়াচ্ছে বেয়ে!

-কবিতাঃ বত্রিশ বছর পরে
কাব্যগ্রন্থঃ আপন-আভাস
এ কে সরকার শাওন

বৃদ্ধের পায়ুপথে টর্চলাইট ঢুকিয়ে নির্যাতন: অবশেষে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পুর্ব শক্রতার জের ধরে পায়ুপথে টর্চলাইট ঢুকিয়ে বৃদ্ধ শেখ নাছির উদ্দিন মাইজভান্ডারীকে (৬৮) নির্যাতনের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আবুল হোসেন সানাজ (৪৫) সে উপজেলার চরকাজী মোখলেছ গ্রামের মৃত আাজাহার আহমেদের ছেলে এবং চরওয়াপদা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি।

রোববার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার থানারহাট বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম জানান, রোববার রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বৃদ্ধের ছেলে ইউপি সদস্য মো.রিপন বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৮-১০জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। একই সঙ্গে এ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। পুলিশ অভিযুক্ত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, পূর্ব শক্রতার জের ধরে গত শনিবার ২ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান ভূঞার ইন্ধনে ৯নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শানাজের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা উপজেলার থানারহাট সংলগ্ন আমানতগঞ্জ এলাকায় এমন পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

মামলা ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় থানারহাট বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তার শেখ নাছির উদ্দিন মাইজভান্ডারী। যাত্রা পথে থানারহাট টু সোনাপুর সড়কের মহিলা মাদ্রাসা সংলগ্ন মাইকওয়ালার বাড়ির সামনের সড়কে ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শানাজের নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা বৃদ্ধ শেখ নাছির উদ্দিনের পথ রোধ করেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার মুখ বেঁধে পাশের জঙ্গলে নিয়ে তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তার বাবার পায়ুপথে একটি টর্চলাইট ঢুকিয়ে দেয়। এতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে দুর্বৃত্তরা তাকে ফেলে চলে যায়। পরে তার জ্ঞান ফিরে আসলে তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে এবং রোববার ভোরে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সৈয়দ মহি উদ্দিন আবদুল আজিম জানান,  রোববার সকালে প্রায় দেড় ঘণ্টা অস্ত্রোপচার চালিয়ে টর্চলাইটটি বের করা হয়। বর্তমানে রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন

নাঙ্গলকোটে পৌর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাখাওয়াত হোসেন সুমনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর বাড়ী ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রবিবার দুপুরে নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন পৌরসদরের হরিপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদের সহধর্মিনী বকুল আজাদ, ছেলে শাহাজাহান আজাদ, মেয়ে শাহিনুর আজাদ ও উম্মে সালমা সহ পরিবারের সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ পৌর এলাকার হরিপুর গ্রামে নাঙ্গলকোট মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আজাদ মঞ্জিলে বসবাস করে আসছি। উক্ত বাড়ী নিমার্ণ করার সময় আমার মামা শ্বশুর উপজেলার মক্রবপুর ইউনিয়নের কনকৈইজ গ্রামের আবুল হাশেমের কাছ থেকে চলাচলের রাস্তার জন্য আড়াই শতক জমি ক্রয় করি। ওই সমেয়ে আবুল হাসেম প্রবাসে থাকার কারণে উক্ত জমি রেজিস্ট্রি করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে তিনি আমার ক্রয়কৃত জমি রেজিস্ট্রি না দিয়ে আদালতে মিথ্যা মামলা সহ নানা ভাবে আমাকে হয়রানি করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমি এ ব্যাপারে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর শাখাওয়াত হোসেন সুমনের কাছে সমাধানের জন্য দারস্থ হই। তিনি আমাকে বিষয়টি সমাধান করে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুমন বিষয়টি সামাধান না করে, উল্টো আমার মামা শ্বশুরের কাছ থেকে পূর্বে আমার ক্রয়কৃত জমিটি নিজ নামে কবলা করে আমাদেরকে জিম্মি করার চেষ্টা করে।

সর্বশেষ রবিবার ভোর রাতে কাউন্সিলর সুমন তার সন্ত্রাসী বাহিনীর শতাধিক সদস্য নিয়ে আমার বাড়ীর গেইট, সীমানা প্রাচীর ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়াল ভাংচুর চালায়। এ সময় আমরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ তে কল করলে তারা আমাদেরকে লাইনে রেখেই নাঙ্গলকোট থানার সাথে আমাদেরকে সংযুক্ত করিয়ে দেয়। কিন্তু কাউন্সিলর সুমন প্রভাবশালী হওয়ায় রহস্যজনক কারণে দীর্ঘ সময়েও নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ আমাদের সহায়তায় এগিয়ে আসেনি। এ ঘটনার পর থেকে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভগছি। আমরা এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নিরাপদ অভিবাসন তথ্য শিক্ষার্থীদের দোরগোড়ায়: ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজে কর্মশালা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা জেলার ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজের মিলনায়তনে নিরাপদ শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্à