All posts by jitu

গবেষণায় আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেলেন কুমিল্লার ছেলে আল-আমিন

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ.কে.এম আবদুল্লাহ আল-আমিন গবেষণা কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব প্রিসিশন এগ্রিকালচার কর্তৃক ‘আউটস্টানডিং গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন। দ্বিতীয় কোনো বাংলাদেশী হিসেবে তিনি এ পুরষ্কার অর্জন করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ.কে.এম আব্দুল্লাহ আল আমিনের বাড়ি কুমিল্লা আদর্শ সদর আমড়াতলী ইউনিয়নের ভুবনঘর গ্রামে। তিনি মরহুম আব্দুর রউফ মাস্টারের দ্বিতীয় ছেলে। দুই ভাই, এক বোন, ভাইদের মধ্যে সে দ্বিতীয়। তার স্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত। তার এই অর্জনে পরিবার এবং এলাকাবাসী খুব আনন্দিত।

জানা যায়, ‘ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব প্রিসিশন এগ্রিকালচার’ প্রিসিশন এগ্রিকালচার বিষয়ে ১৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনটি গত ২৬ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মিনিসোটাতে অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে আউটস্টানডিং গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়। পরে অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের সার্টিফিকেট এবং এককালীন অর্থ প্রদান করা হয়।

আরো জানা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা প্রিসিশন এগ্রিকালচার নিয়ে বিশেষ কাজ করেন তাদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরষ্কার দেয়া হয়। এ পুরষ্কারের জন্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থা থেকে নাম চাওয়া হয়। রিচার্স গ্রুপ থেকে নাম পাঠানো হয়। পরে ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে এই পুরষ্কারের জন্যে নির্বাচন করা হয়। যেখানে গবেষকের ব্যক্তিগত অর্জনের একটি সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত দিতে হয় এবং এখানে ৪০ নম্বর অন্তর্ভূক্ত থাকে। তার সাথে গবেষকের বর্তমান গবেষণার সারমর্মের জন্যে ৩৫ নম্বর থাকে। এছাড়া গবেষকের ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরতে হয় যেখানে ১৫ নম্বর থাকে। বাকী ১০ নম্বর থাকে গবেষকের গবেষণা গ্রুপের সন্তুষ্টির উপর। যার একটি বিবরণ পাঠাতে হয়।

গবেষকের পক্ষে গবেষণা গ্রুপ সেটি সাবমিট করে। গবেষক জানান, যুক্তরাজ্যের হার্পার অ্যাডামস বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল ইন্সটিটিউট অব এগ্রিটেক ইকোনোমিক্স তার পক্ষে এ প্রস্তাব পাঠায়।
তিনি ছাড়া এ বছর আমেরিকা, কানাডা, ইসরাইল, ব্রাজিল এবং চীন থেকে আরো ১০ জন এ পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। বর্তমানে আল-আমিন যুক্তরাজ্যের হার্পার অ্যাডামস বিশ্ববিদ্যালয়ে এলিজাবেথ ক্রিক ফেলো হিসেবে ‘ফসল উৎপাদনে স্বায়ত্তশাসিত কৃষি রোবোটিক্সের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ’ বিষয়ে পিএইচডি করছেন।এছাড়াও তিনি স্নাতকে প্রথম হওয়ার জন্য ‘বিশ্বাবিদ্যালয় পুরস্কার’ ও প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পায় ২০১৪ সালে।

গবেষক তার গবেষণার বিষয়ে বলেন, ‘আমি বর্তমানে আমার গবেষণার অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের পেক্ষাপটে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ করছি। যার মূল লক্ষ্য হলো কৃষির ফলে পরিবেশের যে ক্ষতি হচ্ছে তা কমিয়ে এনে কিভাবে লাভবান করা যায়। যেখানে জমির উৎপাদনশালতা বৃদ্ধির উপরও গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

চান্দিনাজুড়ে এক মাসে ২১ বার  ডাকাতি

 

চান্দিনা  প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনায় ডাকাতদের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে জনগণ। সড়ক, মহাসড়ক ও গৃহডাকাতি যেন সমান তালে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। ডাকাতদের নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যত কোন ভূমিকা না থাকায় আতঙ্কে রাত্রি যাপন করছে এ উপজেলার মানুষ। গত এক মাসে চান্দিনায় অন্তত ১৪টি গৃহডাকাতি, ৩টি সড়ক ডাকাতি ও ৭টি মহাসড়ক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতি রোধে বিভিন্ন এলাকায় রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে জনগণ।

উপজেলার গোবিন্দপুর, হারং, কুটুম্বপুর, মীরগঞ্জ, এতবারপুর, মাইজখার, কামারখোলা ও হাড়িপাড়া গ্রামে গত এক মাসে ১৪টি পরিবারে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও হারং উদালিয়া ব্রীজ এলাকায় ৩টি সড়ক ডাকাতি ও মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার হাড়িখোলা, তীরচর ও কুটুম্বপুর এলাকায় রড ছুড়ে ৭টি গাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মহাসড়কের কয়েকটি ঘটনা ভূক্তভোগীরা পুলিশকে অবহিত করলেও বাকিরা অসহায় হয়ে স্থান ত্যাগ করে।

পুলিশ হাতে গোনা কয়েকজন নামে-বেনামে ডাকাতকে আটক করলেও তালিকা ভূক্ত শীর্ষ কোন ডাকাত চক্রকে এখনও আটক করতে সক্ষম হয়নি। এমনকি ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া কোন মালামালও উদ্ধার করতে পারেনি চান্দিনা থানা পুলিশ। তবে ডাকাতির ঘটনায় চান্দিনা থানার এক উপ-পরিদর্শককে থানা থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে সংযোগ করা হয়েছে। এসব ডাকাতির ঘটনায় ভূক্তভোগীদের মামলা না করে নিরব থাকার পরামর্শ দেয় চান্দিনা থানা পুলিশ।

বুধবার দিনগত রাতে উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের হাড়িপাড়া ও কামারখোলা গ্রামের ৬টি পরিবারে গৃহডাকাতি করে সশস্ত্র ডাকাতদল। এসময় নগদ টাকাসহ অন্তত ২০ লাখ টাকার মামামাল লুট ও পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লুটে নেয় ডাকাতদল।

হাড়িপাড়া গ্রামের শাহ আলম জানান, আমি দুবাই প্রবাসী। ছুটিতে বাড়ি আসি। বুধবার দিনগত রাত ২টায় ডাকাতদল আমার বাড়ির গেইটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে নগদ ৬০ হাজার টাকা, ২টি মোবাইল ফোন, আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার লুটে নেয়।

কামারখোলা গ্রামের পূর্বপাড়া আব্দুল মান্নান ভূইয়া’র বাড়িতে ৪টি পরিবারে ডাকাতির ঘটনায় নগদ ৩ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা, সাড়ে ১২ ভরি স্বর্ণাংকার, ৬টি মোবাইল ফোন, বিমান টিকেট যুক্ত ২টি পাসপোর্ট সহ মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়।

কামারখোলা গ্রামের ইমাম হোসেন জানান, আমার বাড়িতে ডাকাতির ঘটনার পর চান্দিনা থানা পুলিশ এসে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আমাকে মামলা না করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, মামলা করলে ডাকাতদল গা ঢাকা দিবে, আমরা তাদেরকে ধরতে পারবো না। তারচেয়ে ভাল আপনারা নিরব থাকেন তাহলে আমরা সুন্দর ভাবে কাজগুলো চালিয়ে যেতে পারবো এবং আসামী ধরা সহজ হবে।

এছাড়া গত মঙ্গলবার (২১ জুন) দিবাগত রাত ১ টার দিকে ১০-১২ জনের সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাত হারং এলাকার নূরুজ্জামান সরকারের বাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা কেটে ঘরে ঢুকে তাকে ও তার স্ত্রীকে গলায় রামদা ঠেকিয়ে হাত ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে ঘরের ভেতরে থাকা আলমারি ভেঙে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটে নেয়। এরপর তাদের ভাড়াটিয়া লাভলী আক্তার এর ঘরে একই কায়দায় প্রবেশ করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।একই রাতে উপজেলার এতবারপুর গ্রামে মো. খোকন এর বাড়ীতে ডাকাতি হয়। রাত পৌনে ২টায় ঘরের দরজা ভেঙে মুখোশধারী দুইজন ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

ফেনী সদর উপজেলার বিল্লাল হোসেন জানান, আমি গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে প্রাইভেটকার যোগে বাড়ি ফিরছিলাম। রাত অনুমান সোয়া ১টায় কুটুম্বপুর এলাকায় আমার বাড়িতে বিকট শব্দ হওয়ায় চালক গাড়ি থামায়। আমার গাড়ি থামাতেই ৬-৭জন অস্ত্রধারী ডাকাত গাড়িতে এলোপাথারী আঘাত করতে শুরু করে। এসময় আমার সাথে থাকা নগদ ১২ হাজার টাকা নিয়ে যায়। আমার হাতের মোবাইলটি নিচে ফেলে দেওয়ার কারণে সেটি নিতে পারেনি এবং গাড়ি চালকের মোবাইলটি ছোট টাইপ মোবাইল হওয়ায় সেটিও নেয়নি।

এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, এসব ঘটনায় ২টি মামলা হয়েছে। আসামীও কয়েকজন আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লাসহ দেশের ১১ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার (০২ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন-ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে মৌসুমি বায়ু উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিম বঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এই অবস্থায় রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কি.মি., যা অস্থায়ীভাবে দমকায় ঘণ্টায় ৩০-৪০ কি.মি. পর্যন্ত ওঠে যেতে পারে। আগামী তিনদিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

বেলা ১১ থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে তেঁতুলিয়ায়, ১০৩ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩ মিলিমিটার, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মনোহরপুরে যুবক-যুবতীদের ৫০ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও হলেন ড্রিম টাচ ট্রেনিং সেন্টার

স্টাফ রিপোর্টার:
ড্রীম টাচ ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে কম্পিউটার ট্রেনিং, সেলাই ট্রেণিং ও লোন দেয়ার নামে কৌশলে কুমিল্লার শত শত শিক্ষার্থী, বেকার যুবক-যুবতীর কাছ থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে রাতের আধারে অফিস তালা দিয়ে পালিয়েছে রাসেল মিয়া শাওন (৪২) নামের এক প্রতারক।

এ ঘটনায় প্রতারিত হয়ে মো: ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন । এছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ কার্যালয়েও।

একাধিক সূত্র জানায়, প্রতারক রাসেল মিয়া শাওন এর আগেও নিজের নাম পরিবর্তন করে বিভিন্ন নামে অফিস খুলে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পালিয়েছে। এ ঘটনায় ঢাকা র‌্যাবের কাছেও অভিযোগ করেছিল প্রতারিত হওয়া মানুষগুলো। কিন্তু কোন সুরাহা হয়নি। রাসেল শাওন এর আগে তিন জায়গায় নিজের তিনটি নাম ব্যবহার করে। এর আগে রাজু, মুজাহিদ ও মনিরুজ্জামান লিমন নাম ব্যবহার করে কুমিল্লার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড ও যাত্রাবাড়ি এলাকায় সৃষ্টি ও সূর্য ট্রেনিং সেন্টার এবং কেরানীগঞ্জ এলাকায় কনফিডেন্স নামের ট্রেনিং সেন্টারের অফিস খুলে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যান। বিগত তিনটি ট্রেনিং সেন্টার খোলার পরও কেউ তার আসল পরিচয় সনাক্ত করতে পারেনি। ট্রেনিং সেন্টার বন্ধ করার সাথে সাথেই তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটিও বন্ধ করে দেন। সে সমাজের অসহায়-কম শিক্ষিত মানুষদেরকেই বেশি লক্ষ্য করে প্রতারণার মিশন শুরু করে। সে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও টার্গেট করে প্রতারিত করেন।

সর্বশেষ রাসেল মিয়া শাওন কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুরের হাজী ম্যানশন ভবনের ৫ম তলায় ড্রীম টাচ ট্রেনিং সেন্টার খুলে প্রতারণার জাল ছড়িয়ে দেন। বোকা বানাতে থাকেন শিক্ষার্থী ও অসহায় মানুষদের। এ সময় সে কান্দিরপাড়ের ভিক্টোরিয়া কলেজ রোডের দর্জি বাড়ি নামীয় প্রতিষ্ঠানের বিল্ডিংয়ের সাথের ৫ম তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেছেন। ২৭ জুন রাতে সবার টাকা পয়সা নিয়ে সে রাতের আধারে পালিয়ে যায়।
লিখিত অভিযোগে মোঃ ফরহাদ হোসেন উল্লেখ করেন, রাসেল মিয়া শাওন পরিচালনাধীন ড্রিম টাচ ট্রেনিং সেন্টারে আমিসহ অনেক যুবক-যুবতীদের প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে আমাদেরকে কম্পিউটার ট্রেনিং কোর্স করাবে বলে আমাদের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা করে নেয়া হয়। আমাদের মাধ্যমে আরো কয়েকশত ছাত্র- ছাত্রীদের সংগ্রহ করে তাদের কাছ থেকে একই হারে টাকা সংগ্রহ করে মোট ৫০ লাখ টাকা বিবাদী রাসেল মিয়া শাওন নিয়েছে। কিন্তু আমাদের এবং আমাদের মাধ্যমে সংগ্রহকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়ার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এমতাবস্থায় আমরা এবং ছাত্র- ছাত্রীরা ২৮ জুন সকাল ৮টায় ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে দেখি যে, দরজায় তালা লাগানো। বিবাদী রাসেলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সংযোগ বন্ধ পাই। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলের বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি ২৭ জুন রাত ৮ টায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তালা বন্ধ করে তাকে চলে যেতে দেখেছে স্থানীয়রা। তখন আমরা নিশ্চিত হই যে, রাসেল মিয়া শাওন আমাদেরকে কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়াসহ আমাদের মাধ্যমে সংগ্রহকৃত ছাত্র- ছাত্রীদেরকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ৫০ লাখ টাকা গ্রহণ করে পালিয়েছে।

ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হওয়া ইসরাত জাহান নিশি, শান্তা আক্তার , শাহিনুর, জান্নাতুল ফেরদৌস তৃষা, মাহমুদা আক্তার, ফারজানা, খাদিজা আক্তার , ফারহানা, জান্নাতুল ফেরদৌস, রিমি সাহা, চাঁদনী আক্তার, বিউটি ভৌমিক, আনিকা আক্তার, শারমিন, বিউটি আক্তার, উম্মে ছালমা তন্নী, শাওনসহ আরও অনেকে জানান, রাসেল মিয়া শাওন নামের এই প্রতারক বিভিন্ন নামে বিভিন্ন জায়গা ট্রেনিং সেন্টার খুলে এভাবে সবাইকে বোকা বানিয়ে প্রতারণা করে যাচ্ছে। আমরা খুব টেনশনে আছি। আমাদের মাধ্যমে যারা এখানে ভর্তি হয়েছিল, তারা এখন আমাদের চাপ দিচ্ছে। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।

 

 

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক ৩

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ও লাকসামে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ৩ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা, ১ হাজার ৫২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩১ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (১ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর এলাকা থেকে ১ হাজার ৫২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩১ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন, চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুর গ্রামের মৃত মুকবুল আহাম্মেদের ছেলে লোকমান হোসেন (৩৫) এবং একই গ্রামের মোঃ বাবুল মিয়ার ছেলে মোঃ তারেক হোসেন (২১)।

এছাড়াও পৃথক আরেকটি অভিযানে শুক্রবার সকালে লাকসাম উপজেলার উত্তর গাজীপুর এলাকায় থেকে ২০ কেজি গাঁজাসহ একজনকে আটক করা হয়। সে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার গোকুল নগর গ্রামের মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে মোঃ শাহিন মিয়া (৩৫)।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

অভাব অনটনে কৃষকের আ’ত্মহ’ত্যা

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আর্থিক সংকটে পড়ে এক কৃষক গলায় ফাঁস দিয়ে আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পুলিশ এ ম’রদেহ উদ্ধার করে। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কোন এক সময়ে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হেলালের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নি’হত কৃষকের নাম মো.হেলাল (৩৮) সে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফজল হকের ছেলে।

চরএলাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.বাহার উদ্দিন জানান, নিহত হেলাল দুই সন্তানের জনক। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। কিছু দিন আগে নদী ভাঙ্গনে তাঁর বাড়ি ঘর বিলীন হয়ে যায়। সে অভাব-অনটনে ছিল। কয়েক দিন তাঁর স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যায়। চাষাবাদে বারবার ক্ষতি হওয়ায় ধার-দেনায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তিনি নিজ বসত ঘরে একা ছিলেন। অভাব অনটনের এ চাপ সইতে না পেরে হেলাল নিজ বসত ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আ’ত্মহ’ত্যা করেন। শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির লোকজন তার ঝুলন্ত ম’রদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের ভাষ্যমতে অভাব অনটনে পড়ে ওই কৃষক গলায় ফাঁস দিয়ে আ’ত্মহ’ত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ম’রদেহ উদ্ধার করে। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ম’রদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

দেবব্রত ঘোষের অভিবাসন বন্ধু Migration Friend

 

স্টাফ রিপোর্টার:

নিরাপদ শ্রম-অভিবাসন তথ্যসমগ্র প্রকাশিত/নিরাপদ শ্রম-অভিবাসন নিশ্চিতকরণে প্রকাশিত হলো দেবব্রত ঘোষের অভিবাসন বন্ধু Migration Friend দৃষ্টিনন্দন প্রচ্ছদ এবং নজরকাড়া প্রাসঙ্গিক কভারপেজ সংবলিত নিরাপদ শ্রম-অভিবাসন নিশ্চিতকরণে প্রকাশিত হয়েছে দেবব্রত ঘোষের অভিবাসন বন্ধু Migration Friend বইটি।

চাকরি নিয়ে বিদেশ গমনেচ্ছু, বিদেশগামী এবং বিদেশ ফেরত কর্মীগণের সঠিক তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। অভিবাসন প্রত্যাশীদের কাছে সঠিক তথ্যের সংকুলান না থাকার কারণে প্রায়শই তাদেরকে প্রতারণার স্বীকার হতে হয়, অন্যের দ্বারস্থ হতে হয়। আর তখনই শুরু হয় প্রতারণার গল্প। শ্রম-অভিবাসন যেহেতু বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্যতম চালিকাশক্তি, তাই এ বিষয়ে অভিবাসী কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্যক ধারণা থাকা আবশ্যক।

অভিবাসন বন্ধু Migration Friend বইটি প্রকাশের সেটাই উদ্দেশ্য দেবব্রত ঘোষের। নিরাপদ, নিয়মিত, সুশৃঙ্খল এবং দায়িত্বশীল অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, মানব পাচার রোধ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রক্রিয়ায় মধ্যসত্বভোগীদের দৌরাত্ব নিরসন, উচ্চ অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, অভিবাসী কর্মীর অধিকার সুরক্ষা, অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা, অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের কল্যাণ কার্যক্রম এবং বিদেশগনেচ্ছু, বিদেশগামী এবং বিদেশ ফেরত কর্মীগণের শ্রম-অভিবাসন সম্পর্কিত সঠিক তথ্য বিনামূল্যে প্রাপ্তিতে সহায়তা প্রদানের লক্ষে কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ অভিবাসন বন্ধু Migration Friend নামে একটি বই রচনা ও সংকলন করেছেন। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সম্ভাবনা উন্মোচন এবং অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ঝুঁকি নিরসনকল্পে জনসাধারণের দোর গোড়ায় শ্রম-অভিবাসন সম্পর্কিত সঠিক তথ্য পৌঁছানোর লক্ষে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) কর্তৃক অনুমোদিত এই বইটি প্রকাশ করেছে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, কুমিল্লা। বিএমইটি’র মহাপরিচালক মোঃ শহীদুল আলম বইটির ভূমিকা লিখেছেন এবং International Centre for Migration Policy Development (ICMPD) পরিচালিত অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র বাংলাদেশ বইটি প্রকাশের ব্যয়ভার বহন করেছে।

অভিবাসন বন্ধু Migration Friend বইটিতে পর্যায়ক্রমে আলোচিত হয়েছেঃ ১। অভিবাসন প্রক্রিয়া এবং মাধ্যম

২। অভিবাসন প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠানসমূহঃ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি); ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড; বাংলাদেশ ওভারসীজ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল); জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস (ডিইএমও); প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক; বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা)

৩। অভিবাসন সম্পর্কিত আইনসমূহঃ ক) বহির্গমন অধ্যাদেশ, ১৯৮২ খ) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক আইন, ২০১০ গ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ ঘ) বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ ঙ) ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০১৮

৪। নীতি ও নীতিমালাঃ ক) বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (অনাবাসী বাংলাদেশি) নির্বাচন নীতিমালা, ২০১৫ খ) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান নীতি, ২০১৬ গ) বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (অনিবাসী বাংলাদেশি) নির্বাচন নীতিমালা, ২০১৮ ঘ) প্রবাসী কর্মী বিমা নীতিমালা, ২০১৯ ঙ) কোভিড-১৯-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসী কর্মী পুনর্বাসন ঋণ নীতিমালা, ২০২০

৫। বিধিমালাঃ ক) বহির্গমন বিধিমালা, ২০০২ খ) ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল বিধিমালা, ২০০২ গ) রিক্রুটিং এজেন্ট আচরণ ও লাইসেন্স বিধিমালা, ২০০২ ঘ) বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৭ ঙ) বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (রিক্রুটিং এজেন্ট লাইসেন্স ও আচরণ) বিধিমালা, ২০১৯ চ) বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (রিক্রুটিং এজেন্ট শ্রেণিবিভাগ) বিধিমালা, ২০২০

৬। পরিপত্রঃ ক) সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়ের তালিকা খ) বিদেশগামী নারী কর্মীদের অধিকতর সুরক্ষা গ) বিদেশগামী কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক বিমা ব্যবস্থা

৭। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যবস্থাপনা, প্রবাসী কল্যাণ ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের তালিকাঃ ক) শ্রম কল্যাণ উইং-এর তালিকা খ) জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস (ডিইএমও)-এর তালিকা গ) কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এর তালিকা ঘ) বিভাগীয় কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস এবং প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক-এর তালিকা ঙ) আইএমটি ও শিক্ষানবিশী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তালিকা

৮। অভিবাসন বিষয়ক এনজিও, আইএনজিও এবং অন্যান্যঃ রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু); ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম; ওয়্যারবী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন; অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (ওকাপ); বাংলাদেশী অভিবাসী মহিলা শ্রমিক সমিতি (বমসা); বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র (BNSK); ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (IOM); আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO); ইউএন উইমেন বাংলাদেশ; ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর মাইগ্রেশন পলিসি ডেভেলপমেন্ট (ICMPD); উইনরক ইন্টারন্যাশনাল; ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিল (DRC); হেলভেটাস বাংলাদেশ

৯। সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা

লেখক ও সংকলক দেবব্রত ঘোষ জানান, অভিবাসন বন্ধু Migration Friend বইটিতে বাংলাদেশে শ্রম-অভিবাসন সম্পর্কিত সামগ্রিক তথ্য সংযোজন করা হয়েছে যা সর্বস্তরের জনসাধারণের জন্য প্রয়োজনীয়। তিনি আরও জানান, জনগণের তথ্যের অধিকার নিশ্চিতকরণে অভিবাসন বন্ধু Migration Friend বইটির সফটকপি উপরে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে এবং বিনামূল্যে সেখান থেকে যে কেউ ডাউনলোড দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবে।