All posts by jitu

চান্দিনায় সংঘর্ষের ঘটনায় এলডিপির মহাসচিব আটক

 

চান্দিনা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চান্দিনায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ এর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে ড. রেদোয়ান এর গুলিতে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকবলীগ এর দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনার পর ড. রেদোয়ান আহমেদ  তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। তবে তার গাড়িটি অক্ষত অবস্থায় থানা হেফাজতে রয়েছে।

সোমবার (৯ মে) দুপুর আড়াইটায় চান্দিনা উপজেলা সদরের রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ক্যাম্পাস-২ মমতাজ আহমেদ ভবনের মিলনায়তনে এলডিপি’র ঈদ পুনর্মিলনী ও ছাত্রলীগ-স্বেচ্ছাসেবকলীগের যৌথ কর্মীসভাকে কেন্দ্রে করে ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রেদোয়ান আহমেদ থানায় আশ্রয় নিলে উত্তেজিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা-কর্মীরা চান্দিনা থানার প্রধান ফটক ঘেরাও করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপজেলা সদরসহ থানা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আহতরা হলেন- চান্দিনা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতা রূপনগর এলাকার বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকারের ছেলে মাহমুদুল হাসান জনি সরকার (২৮)। সে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। অপরজন হলেন চান্দিয়ারা গ্রামের নূরুল ইসলাম এর ছেলে নাজমূল হোসেন নাঈম (২৮)। সে বরকইট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মী। আহত দুই জনকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

প্রত্যক্ষদর্শী শরীফ জানান, চান্দিনা পৌরসভা কার্যালয় সংলগ্ন রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ক্যাম্পাস-২ মমতাজ আহমেদ ভবন এর সামনে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছিল। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে রেদোয়ান আহমেদ গাড়ি নিয়ে ক্যাম্পাসের সামনে আসার পর কলেজ গেইটে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতারা রেদোয়ান আহমেদ এর গাড়ি থামিয়ে কথা বলে। কিছুক্ষণ পর রেদোয়ান আহমেদ গাড়ি ঘুরে চলে যাওয়ার সময় স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা ওই গাড়িতে তরমুজ দিয়ে ঢিল মারে। এসময় রেদোয়ান আহমেদ গাড়ি থেকে পরপর দুইটি গুলি ছুড়ে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সামিরুল খন্দকার রবি জানান, চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ছাত্রলীগ ঈদের পূর্ব থেকে আজ (৯ মে) ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করতে প্রস্তুতি নিয়েছে। এরই মধ্যে পৌর এলডিপিও একই দিন একই স্থানে ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করে। সোমবার দুপুর থেকে ছাত্রলীগের আয়োজনে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা যখন মমতাজ আহমেদ ক্যাম্পাসে আসতে শুরু করে ঠিক দুপুর আড়াইটায় দিকে রেদোয়ান আহমেদ গাড়ি নিয়ে ওই ক্যাম্পাসের সামনে এসে গাড়ি থেকে ২টি গুলি করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে থানায় গিয়ে আশ্রয় নেয়। রেদোয়ান আহমেদ এর গুলিতে জনি ও নাজমুল গুলিবিদ্ধ হয়। তাদেরকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা কাজী আখলাকুর রহমান জুয়েল জানান, রেদোয়ান আহমেদ রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করতে আমাদের নেতা-কর্মীদের উপর অমানবিক ভাবে গুলি চালায়।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ জানান, আমাদের পূর্ব নির্ধারিত প্রোগ্রাম ছিল। আমাকে প্রধান অতিথি করে চিঠির মাধ্যমে পৌর এলডিপি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এরই মধ্যে আমাদের প্রধান ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগকে প্রোগ্রাম করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। আমরা ক্যাম্পাস-২ মমতাজ আহমেদ ভবনে পুর্ব নির্ধারিত প্রোগ্রাম করার কথা। দুপুরে আমি ক্যাম্পাস-২ এর সামনে গেলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের লোকজন আমার গাড়িতে হামলা করে। আমি আত্মরক্ষার্থে আমার লাইসেন্স করার শর্টগান দিয়ে গুলি চালাই। কার গায়ে গুলি লেগেছে আমি বলতে পারবো না। পরে আমি থানায় এসে আশ্রয় নেই।

এ ব্যাপারে কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) মো. ফয়েজ ইকবাল জানান, পাবলিক রোষানলে রেদোয়ান আহমেদ থানায় আশ্রয় নিতে আসলে আমরা তাকে আটক করি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

চান্দিনায় এলডিপি মহাসচিবের গাড়িতে হামলা; রেদোয়ানের গুলিতে আহত ২

চান্দিনা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চান্দিনায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ এর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে ড. রেদোয়ান এর গুলিতে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকবলীগ এর দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনার পর ড. রেদোয়ান আহমেদ চান্দিনা থানায় গেলে থানা ঘেরাও করে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মীরা। পরে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। তবে তার গাড়িটি অক্ষত অবস্থায় থানা হেফাজতে রয়েছে।

সোমবার (৯ মে) দুপুর আড়াইটায় চান্দিনা উপজেলা সদরের রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ক্যাম্পাস-২ মমতাজ আহমেদ ভবনের মিলনায়তনে এলডিপি’র ঈদ পুনর্মিলনী ও ছাত্রলীগ-স্বেচ্ছাসেবকলীগের যৌথ কর্মীসভাকে কেন্দ্রে করে ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রেদোয়ান আহমেদ থানায় আশ্রয় নিলে উত্তেজিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা-কর্মীরা চান্দিনা থানার প্রধান ফটক ঘেরাও করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  উপজেলা সদরসহ থানা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আহতরা হলেন- চান্দিনা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতা রূপনগর এলাকার বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকারের ছেলে মাহমুদুল হাসান জনি সরকার (২৮)। সে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। অপরজন হলেন চান্দিয়ারা গ্রামের নূরুল ইসলাম এর ছেলে নাজমূল হোসেন নাঈম (২৮)। সে বরকইট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মী। আহত দুই জনকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

প্রত্যক্ষদর্শী শরীফ জানান, চান্দিনা পৌরসভা কার্যালয় সংলগ্ন রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ক্যাম্পাস-২ মমতাজ আহমেদ ভবন এর সামনে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছিল। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে রেদোয়ান আহমেদ গাড়ি নিয়ে ক্যাম্পাসের সামনে আসার পর কলেজ গেইটে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতারা রেদোয়ান আহমেদ এর গাড়ি থামিয়ে কথা বলে। কিছুক্ষণ পর রেদোয়ান আহমেদ গাড়ি ঘুরে চলে যাওয়ার সময় স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা ওই গাড়িতে তরমুজ দিয়ে ঢিল মারে। এসময় রেদোয়ান আহমেদ গাড়ি থেকে পরপর দুইটি গুলি ছুড়ে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সামিরুল খন্দকার রবি জানান, চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ছাত্রলীগ ঈদের পূর্ব থেকে আজ (৯ মে) ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করতে প্রস্তুতি নিয়েছে। এরই মধ্যে পৌর এলডিপিও একই দিন একই স্থানে ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করে। সোমবার দুপুর থেকে ছাত্রলীগের আয়োজনে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা যখন মমতাজ আহমেদ ক্যাম্পাসে আসতে শুরু করে ঠিক দুপুর আড়াইটায় দিকে রেদোয়ান আহমেদ গাড়ি নিয়ে ওই ক্যাম্পাসের সামনে এসে গাড়ি থেকে ২টি গুলি করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে থানায় গিয়ে আশ্রয় নেয়। রেদোয়ান আহমেদ এর গুলিতে জনি ও নাজমুল গুলিবিদ্ধ হয়। তাদেরকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা কাজী আখলাকুর রহমান জুয়েল জানান, রেদোয়ান আহমেদ রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করতে আমাদের নেতা-কর্মীদের উপর অমানবিক ভাবে গুলি চালায়।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ জানান, আমাদের পূর্ব নির্ধারিত প্রোগ্রাম ছিল। আমাকে প্রধান অতিথি করে চিঠির মাধ্যমে পৌর এলডিপি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এরই মধ্যে আমাদের প্রধান ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগকে প্রোগ্রাম করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। আমরা ক্যাম্পাস-২ মমতাজ আহমেদ ভবনে পুর্ব নির্ধারিত প্রোগ্রাম করার কথা। দুপুরে আমি ক্যাম্পাস-২ এর সামনে গেলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের লোকজন আমার গাড়িতে হামলা করে। আমি আত্মরক্ষার্থে আমার লাইসেন্স করার শর্টগান দিয়ে গুলি চালাই। কার গায়ে গুলি লেগেছে আমি বলতে পারবো না। পরে আমি থানায় এসে আশ্রয় নেই।

এ ব্যাপারে কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) মো. ফয়েজ ইকবাল জানান, পাবলিক রোষানলে রেদোয়ান আহমেদ থানায় আশ্রয় নিতে আসলে আমরা তাকে আটক করি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

পুরাতন ছবি সরবরাহ করে কাউন্সিলর প্রার্থী রুনার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লায় এক কাউন্সিলর প্রার্থীকে সমর্থন করায় আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ির ফটক রাম দা দিয়ে কোপানো হয় ও ককটেল বিস্ফোরণের যে অভিযোগ পাওয়া যায় তা ভিত্তিহীন বলে বিভিন্ন সূত্র জানায়। ওই দিনের গেইট ও জানালার যে ছবি তারা সংবাদ মাধ্যমে সরবরাহ করেছে তাও অনেক দিনের পুরনো। মূলত ওই ওয়ার্ডের প্রয়াত কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেলের স্ত্রী কাউন্সিলর প্রার্থী শাহনাজ আক্তার রুনার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অংশ বিশেষ এই সাজানো ঘটনা। বিভিন্ন স্থানীয় সূত্র ও কাউন্সিলর প্রার্থী শাহনাজ আক্তার রুনার নির্বাচন পরিচালনাকারি হাবিব এমন অভিযোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার ( ৫ মে) দুপুরে বাড়িঘর ভাংচুর হয়েছে এমন অভিযোগ এনে রাত ৮ টায় সংবাদ সম্মেলন করেন আওয়ামীলীগ নেতা মোবারক হোসেন খোকন। তিনি কুমিল্লা নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, খোকনের বাড়ির জানালা, গেইট ভাংচুরের যে ছবিগুলো ৫ মে মিডিয়াতে আসছে, সেগুলো মূলত ওই দিনের না। কাউন্সিলর সোহেলের জানাজার আগে ওই আ’লীগ নেতার বাড়ির গেট ও জানালা ভাংচুর করে বিক্ষুদ্ধ জনতা। মূলত ৫ মে খোকনের বাড়ির সামনে দিয়ে একটি মিছিল গেছে। এছাড়া আর কিছুই হয় নি। ওই দিনের ঘটনার ছবি ৫ মে মিডিয়াকে সরবরাহ করে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।

কাউন্সিলর প্রার্থী শাহনাজ আক্তার রুনা আক্তার বলেন, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি সদর আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার ভাই আমাকে ১৭ নং ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ঘোষণা করেন। তারপর আমি খোকন ভাইয়ের বাসার সামনে দিয়ে আমার স্বামীর কবর জেয়ারত করতে যাই। আমার সাথে সাংবাদিকও ছিলো। আমি এ ঘটনার সাথে জড়িত না। তারা যে অভিযোগ তুলেছে তা মিথ্যা।

চকবাজারে অস্ত্রবাজির ঘটনার পলাতক আসামি রবিন ও সোহেল গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা নগরীর চকবাজারে আলোচিত অস্ত্রবাজির ঘটনার পলাতক আসামি রবিন ও সোহেলকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ, ডিবি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে গঠিত টিম।

রবিবার রাতে নগরীর  ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাবিল ও নুরপুর হাউজিং এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের গ্রেফতারে ব্লক রেইড করা হয়। এ সময় কাটাবিল এলাকা হতে সন্ত্রাসী সোহেল ও রবিন ( চকবাজারে অস্ত্রবাজির ঘটনায় পলাতক) কে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয় ।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহান সরকার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার হওয়া রবিন কুমিল্লা নগরীর চকবাজার এলাকার মৃত. মাহে আলমের ছেলে এবং সোহেল মিয়া বালুতুপা এলাকার মৃত. আবুল হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ০৫ টি এবং রবিনের বিরুদ্ধে ০২ টি মামলা রয়েছে। এসময় তাদের কয়েকজন সহযোগী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত এবং পলাতক আসামিদের বিরদ্ধে কোতয়ালি থানায় অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এধরনের ব্লক রেইড অব্যহত থাকবে বলে পুলিশ জানায়।

তিতাসে ৯৬ বোতল ভারতীয় মদ ও বহনকারী গাড়িসহ আটক-২

 

মোঃ জুয়েল রানা, তিতাসঃ
কুমিল্লা তিতাস উপজেলায় ৯৬ বোতল ভারতীয় মদ ও বহনকারী একটি প্রাইভেট কারসহ দুইজনকে আটক করেছে তিতাস থানা পুলিশ।

রবিবার (৮ মে) বিকেল ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিতাস থানার রোড আলাউদ্দিনের চায়ের দোকানের সামনে থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।

আটকৃতরা হলেন, সিলেট জৈন্তাপুর উপজেলার কেন্দ্রী গ্রামের ছগির আহমেদের ছেলে মনির আহমেদ(২৫) ও ১নং লক্ষীপুর টিল্লাবাড়ীর হাসেম মিয়ার ছেলে সুমন (২৮)।

জানান যায়, তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ সুধীন চন্দ্র দাসের নির্দেশনায় ও ওসি তদন্ত রফিকুল ইসলাম এর নেতৃত্বে রবিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই গিয়াস উদ্দিন, এএসআই বোরহান ও শাহজান থানা রোডের সামনে থেকে ৯৬ বোতল ভারতীয় মদ ও বহনকারী একটি প্রাইভেট কারসহ দুইজনকে আটক করে।

চৌদ্দগ্রামে জমির বিরোধে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে যুবককে হত্যা, একই পরিবারের ৪ জন আটক

স্টাফ রিপোর্টার :

মাত্র এক শতাংশ জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ইসরাফিল (২৮) নামে এক যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ সময় ইসরাফিলের মা ও চাচাতো ভাইসহ তিনজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ নারী-পুরুষসহ একই পরিবারের চারজনকে আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুরে উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা। নিহত ইসরাফিল ওই গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে। তাঁর ঈশান নামে দশ মাস বয়সী এক শিশু সন্তান রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসরাফিলের পিতা হানিফ মিয়া ও পাশ^বর্তী মোক্তল হোসেনের সাথে মাত্র এক শতাংশ জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। রোববার দুপুরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মোক্তল হোসেনের ছেলে সজিব, বোন নাসরিন, আইরিন ও মা রহিমা বেগম বিরোধকৃত ওই জায়গায় খড়ের গাঁদা(ছিন) তৈরি করতেছিল। এ সময় ইসরাফিল ও তার ভাই সালমান বাধা দিলে কিছু বুঝে উঠার আগেই মোক্তল হোসেনের ছেলে সজিব ইসরাফিলকে হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে গাঁড়ে ও মাথায় আঘাত করে। ইসরাফিলের চিৎকারে তার চাচাতো ভাই রামীম, মা রিনা বেগম ও চাচি আয়েশা বেগম এগিয়ে আসলে মোক্তল হোসেনের ছেলে ও মেয়েরা তাদেরকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদেরকে উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসককে ইসরাফিলকে মৃত ঘোষণা করেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাঃ রিফাতুল হক বলেন, ‘নিহত ইসরাফিলের গাঁড়ে ও মাথায় ভারী ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়’।

নিহত ইসরাফিলের চাচাতো ভাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রামীম বলেন, ‘ঘাতক সজিব পূর্ব থেকে পরিকল্পনা করে বিরোধকৃত জায়গায় খড়ের ছিন দিচ্ছিল। আমরা বাধা দিই এবং পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ আসার আগেই ঘাতক সজিব ইসরাফিলকে কুপিয়ে হত্যা করেছে’।

ইসরাফিলের ছোট ভাই সালমান বলেন, ‘এ জায়গা নিয়ে আমাদের সাথে ঘাতক সজিবের বাবা মোক্তল হোসেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। রোববার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা আমার ভাই ইসরাফিলকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং মা, চাচাতো ভাই ও চাচিসহ আরও তিনজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে’।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইসরাফিলের মা রিনা বেগম বলেন, ‘আমি ঘরের বাইরের চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি ঘাতক সজিব আমার ছেলেকে কুড়াল ও তার বোনেরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাচ্ছে। আমার চোখের সামনে তারা আমার কলিজার টুকরো কুপিয়ে হত্যা করেছে’।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ আবুল হাশেম সবুজ বলেন, ‘আহত রামীম, আয়েশা বেগম ও রিনা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে’।

এদিকে ইসরাফিলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত গ্রামবাসী ইসরাফিলের চাচা মোক্তল হোসেন, তার মেয়ে নাসরিন, আইরিন ও মা রহিমা বেগমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

কনকাপৈত ইউপি চেয়ারম্যান জাফর ইকবাল বলেন, ‘মোক্তল হোসেনের সাথে নিহত ইসরাফিলের বাবা হানিফ মিয়ার সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে একাধিকবার শালিশী সভা হয়। মোক্তল হোসেন শালিশী অমান্য করে এবং নকল দলিল সৃজন করে। বিরোধটি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আমরা উচ্চতর আদালতে আমরা বিষয়টি প্রেরণ করি। রোববার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মোক্তল হোসেনের সজিব ওই জায়গাতে খড়ের ছিন তৈরি করছিল। বাধা দেয়ায় তারা ইসরাফিলকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে’।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলায় ইসরাফিল নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। লাশ উদ্ধার শেষে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা মোক্তল হোসেন, তার স্ত্রী ও মেয়েসহ চারজনকে আটক করি। এছাড়া প্রধান অভিযুক্ত সজিবকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে’।

কবিতা: মায়ামাখা রূপ

রেজাউল করিম (সাকিব):

ভালোলাগেনা শহরটাকে
দেখা যায় না আকাশটাকে
অথচয় গ্রামের পাশে
আকাশটা নেমে থাকে
সরু ঐ গাছটি ছুতে চায় আকাশটাকে
আকাশ আর সবুজের মাঠে
হরেক রকমের খেলা খেলে
গ্রামের সকলে হাসি মাখা মুখে,
এই খেলা দেখে

সন্ধ্যায় কলরবে
পাখিরা নীড়ে ছুটে

রাতের আকাশে তারারা জ্বলে
বাঁশ ঝাড়ের মাঝে
চাঁদটা যেন লুকোচুরি খেলা খেলে
জোনাকিরা ছুটে আসে
হাজার মিটিমিটি বাতি নিয়ে
কৃষকেরা রাতে
তাদের এই বিনোদন দেখে

কুকিলের গানের ডাকে,
তাল মিলিয়ে গান ধরেছে
গ্রামের দামাল ছেলে
ঝিঁঝিঁ পোকার ডাকে
সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে

ভোরে, কৃষক যেন চোখ খোলে
ফজরের আজান শুনে,
পাখির কলরবে,
যেন সকল ফুলেরা রঙ পায় খুজে

আমার গ্রামে
অপরূপ রূপে সাজে
সকাল সন্ধা রাতে

এই মায়ামাখা রূপে
আলো ছায়ারা খেলা করে।

কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমী থেকে কুসিক নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে – রিটার্নিং কর্মকর্তা

 

ইসতিয়াক আহমেদ/সালাহ উদ্দিন সোহেল:

কুসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেছেন, কুসিক নির্বাচনের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমি থেকে।

রবিবার (৮ মে) বেলা ১১ টার দিকে কুমিল্লা জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা চলাকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী এ কথা বলেছেন। এ সময় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনজুরুল আলম, সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল হাসান, সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো: ইস্তাফিজুল হক আকন্দ, আঞ্চলিক কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার ও সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ রায়হান আরেফিন প্রমুখ।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী জানান, নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আমরা কিছু প্রার্থীকে শোকজ করেছি। প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার মত জরিমানা করেছি। প্রতিক বরাদ্দের পর প্রার্খীরা প্রচারণা শুরু করতে পারবে। এর পূর্বে মিছিল, শোডাউন ও যে কোন প্রকার সাংঘর্ষিক কাজ থেকে প্রার্থীদের বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। সবার সহযোগিতায় কুমিল্লাবাসীকে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নিবার্চন উপহার দেয়ার চেষ্টা করবো ।

তিনি আরো জানান, ইভিএম ভোট প্রয়োগে যাতে ভোটারদের অসুবিধে না হয় সেজন্য আমরা খুব সম্ভবত ১৩ জুন একটি মগ ভোটিংয়ের আয়োজন করবো। ওইদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোটাররা ভোট দেয়ার পদ্ধতি বিষয়ে ধারণা নিতে পারবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা আরো জানান, এ নির্বাচনে মোট ভোটার ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৭৯২ জন। পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ১১ হাজার ৬ শত জন ও মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ১৬ হাজার ১৯১ জন। এ নির্বাচনে হিজড়া সম্প্রদায়ের লোকজনও ভোট প্রযৈাগ করতে পারবে। হিজড়া ভোটার রয়েছেন একজন। এ নির্বাচনে ভোট প্রয়োগের মালামাল বিতরণ ও গ্রহণ করা হবে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে।

কুমিল্লাবাসীকে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নিবার্চন উপহার দেয়ার চেষ্টা করবো- রিটার্নিং কর্মকর্তা

 

ইসতিয়াক আহমেদ/সালাহ উদ্দিন সোহেল:

কুসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেছেন, সবার সহযোগিতায় কুমিল্লাবাসীকে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নিবার্চন উপহার দেয়ার চেষ্টা করবো ।

রবিবার (৮ মে) বেলা ১১ টার দিকে কুমিল্লা জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা চলাকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী এ কথা বলেছেন। এ সময় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনজুরুল আলম, সহà