All posts by jitu

তিতাসে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ঘর-বাড়ি পেলেন ২২ পরিবার

 

মোঃ জুয়েল রানা, তিতাসঃ
মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় ধাপে ঈদ উপহার হিসেবে সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৩২ হাজার ৯০৪টি পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জমির দলিলসহ ঘরের চাবি প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনারর পক্ষে কুমিল্লা তিতাস উপজেলা পরিষদ হল রুমে ২২টি উপকারভোগীদের মাঝে গৃহ চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর করেন উপজেলা প্রশাসন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মেরী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম মোর্শেদ এর সভাপতিত্বে ও সহকারি কমিশনার ভূমি কেএম আবু নওশাদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন ভূইয়া, তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ সুধীন চন্দ্র দাস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সরফরাজ হোসেন খান, কড়িকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মুরাদ, ভিটিকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক বাবুল আহমেদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ ফকির, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্য বৃন্দ।

এদিকে নতুন ঘর ও বাড়ি পেয়ে ভীষণ খুশি উপকারভোগীরা এবং তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করেন।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ হতে এর আগে তিতাস উপজেলায় প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মোট ৬২টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে বাড়ি দেওয়া হয়েছে।

চান্দিনায় প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘর পেলেন ৩২ গৃহহীন পরিবার

 

চান্দিনা প্রতিনিধি:
প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে কুমিল্লার চান্দিনায় ৩২ গৃহহীন পরিবারকে ঈদের আগে জমিসহ গৃহ বরাদ্দ দিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভিডিও কনফারেন্সে গৃহহীনদের জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত খ্যাতনামা চিকিৎসক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান গৃহহীনদের হাতে গৃহের চাবি ও জায়গার দলিল তুলে দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জিয়াউল হক মীর এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তপন বক্সী, পৌর মেয়র শওকত হোসেন ভূইয়া, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়া আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আরিফুর রহমান, থানা অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান প্রমুখ।

এসময় বক্তারা জানান, তৃতীয় পর্যায়ে চান্দিনায় মোট ৬০ পরিবারকে গৃহ প্রদান করা হবে এর মধ্যে ৩২টি গৃহ ইতিমধ্যে প্রস্তুত হওয়ায় ওই ৩২টি ঘর প্রদান করা হয়েছে। নির্মাণাধীন আরও ২৮টি ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হলে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে ১ম ও ২য় পর্যায়ে আরও ৬৮ পরিবারকে গৃহপ্রদান করা হয়েছিল। আধুনিক প্রতিটি ঘরগুলোর জন্য সরকার ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছে। প্রতিটি গৃহহীন পরিবারের জন্য ২ শতাংশ জমিও হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ ও বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

মহাসড়কে গাড়ি চাপায় প্রাণ গেল ২ যুবকের

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার রাজামারিয়া কান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে নয়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, সরাইল উপজেলার দেওড়াগ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে শরীফ মিয়া (২১) ও একই এলাকার কামাল উদ্দিনের ছেলে সালমান (২০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতরা মোটরসাইকেল চালিয়ে হবিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে রাজামারিয়া কান্দিতে অজ্ঞাত একটি গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এ সময় উভয় দিকে যানচলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।

  • দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ এবং সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি সরিয়ে নিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। এই বিষয়ে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

চাঁদপুরে আইসক্রিম কারখানাকে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ৫ হাজার টাকা জরিমানা

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ
বাজার তদারকি অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁদপুরের এক আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালিয়েছে চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী এলাকায় হাবিব আইসক্রিম কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনজনিত অপরাধ খুঁজে পাওয়া যায়। অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম বানানো, আইসক্রিমের মধ্যে ক্ষতিকর রঙ, স্যাকারিন পাওয়া, আইসক্রিমের মোড়কে খুচরা বিক্রয় মূল্য কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ কিছুই না থাকার অপরাধে উক্ত প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ মোতাবেক ৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও সতর্ক করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা।

এবিষয়ে চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন জানান, আইসক্রিম কারখানাসহ বিভিন্ন কারখানায় বাজার তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে। এবং ভোক্তার স্বার্থে ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের এমন অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

বিদেশ যাওয়ার টাকা যোগাতে বাবার সাথে প্রতারণা ও অপহরণের অভিনয়,৩ জন গ্রেফতার

 

স্টাফ রিপোর্টার:
বিদেশ গমণের টাকা যোগাতে বাবার সাথে প্রতারণা ও অপহরণের অভিনয় করার অপরাধে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ সদস্যরা।

গত ২১ এপ্রিল র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা অফিসে এসে মোঃ আব্দুস সোবহান, পিতা-মৃত মোঃ নুরুজ্জামান, সাং-আদ্রা, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লাতার শ্যালক মোঃ ফজলে হাছিব মজুমদার(২৩)‘কে কে বা কাহারা অপহরন করেছেন এই মর্মে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন গত ২০ এপ্রিল দুপুর ১টা হতে ২টার মধ্যে কুমিল্লার লাকসাম হতে কুমিল্লা শহরে আসার পথে অজ্ঞাতনামা স্থান হতে অপহরণ হয়। একই তারিখ তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাই। আমরা তাকে সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুজি করতে থাকি কিন্তু কোথাও তার কোন সন্ধান পাইনি। পরবর্তীতে ২১ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭ টার সময় তার শশুর, শাশুরী এবং তার নাম্বারে বার বার ফোন করে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে গত ২৫ এপ্রিল সকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালি থানাধীন আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ ফজলে হাছিব মজুমদার(২৩), পিতা-মনিরুল ইসলাম, সাং-দক্ষিণ ফেনুয়া, থানা-মনোহরগঞ্জ, জেলা-কুমিল্লাকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোঃ ফজলে হারিছ মজুমদার(২৩) জানায় গত ২০ এপ্রিল বেলা ১১টার সময় বাড়ি থেকে ফ্যান ঠিক করার কথা বলে লাকসামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে। সে লাকসাম আসার পরে আনুমানিক ২ টার সময় অজ্ঞাতনামা কিছু মলম পার্টি তাকে অজ্ঞান করে ফেলে অজ্ঞাতনামা একটি বাড়িতে নিয়ে যায় বলে প্রাথমিকভাবে র‌্যাবের কাছে স্বীকারোক্তি দেয়। সেখানে অজ্ঞাতনামা মলমপার্টিরা তার সঙ্গেথাকা মোবাইল, বিকাশের পাসওয়ার্ড এবং টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিয়ে তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে মলম পার্টির সদস্যরা তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন থেকে তার বাবা-মা এবং দুলাভাই এর নাম্বারে ফোন করে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করে এবং ৩/৪দিন তাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গুরতে থাকে।

পুনরায় তাকে অপহরণের বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদ করলে অন্য আরেকটি গল্প উপস্থাপন করে এবং এতে করে আমাদের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে মোঃ ফজলে হাছিব মজুমদারের ব্যাপক গড়মিল থাকায় পুনরায় মোঃ ফজলে হারিছ মজুমদারকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, ঘটনার দিন গত ২০ এপ্রিল ২০২২ইং তারিখ সকাল ১১:০০ ঘটিকার সময় বাড়ি থেকে ফ্যান ঠিক করার কথা বলে লাকসামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে। ফ্যানের দোকানে ফ্যান রেখে লাকসাম থানার পশ্চিমগাঁও সংলগ্ন কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট এর পাশে মারকাজুল সুন্নাহ বন্ধু মাজেদের মাদ্রাসায় চলে যায়। সেখানে যাওয়ার পরে আনুমানিক ১৭:০০ ঘটিকার সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে ফেলে এবং পরেরদিন ২১ এপ্রিল সকাল ০৭:৩০ ঘটিকার সময় সে এবং তার বন্ধুওসমাননিজেদের মূখে গামছা বেধেতার বাবার ফোন নাম্বারে কল দিয়ে তার ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানায় এবং তাকে ফিরে পেতে হলে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন লগবে অন্যথায় তাকে হত্যা করা হবে বলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিতে থাকে। তার পর আবার ফোন বন্ধ করে দেয়। ইতিমধ্যে সে জানতে পারে তার পরিবার তার অপহরণের বিষয়টি নিয়ে লাকসাম থানায় অভিযোগ করেছে। তখন সে ২১ এপ্রিল রাত ২০:০০ ঘটিকার সময় কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তার পরিচিত বন্ধু মাজেদ এর বাসায় গিয়ে রাত্রী যাপন করে এবং সেখানে থাকা অবস্থায় ২২ এপ্রিল পুনরায় তার মায়ের মোবাইলে ফোন করে হুমকি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করে। ওসমান ও মাজেদের মাধ্যমে মোঃ ফজলে হারিছ মজুমদার জানতে পারে ইতিমধ্যে তার অপহরণের বিষয়টি নিয়ে র‌্যাব কাজ শুরু করেছে তাই ২৩ এপ্রিল সকাল ১১:০০ ঘটিকায় নিজের অবস্থান পরিবর্তনের জন্য কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় গমন করে এবং সেখানে তার দুলাভাইকে ফোন করেঅত্যন্ত কঠোরভাবে হুমকি প্রতর্শন করে এবং তাদেরকে হুশিয়ারি প্রদান করে যেন তারা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট না গিয়ে তার দাবী অনুযায়ী ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করে।

ওসমানের নিকটবিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদে জানায়ায়, সেচ্ছায় আত্মগোপনে থাকা মোঃ ফজলে হারিছ মজুমদার(২৩) একজন নব্য বিবাহিত যুবক। তার ইচ্ছে ছিলো বিদেশ যাবে এবং নিজেকে বিদেশে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত করবে। কিন্তু সে বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে সন্তান হওয়ায় তার বাবা মা কোনভাবেই তাকে বিদেশ যাওয়ার জন্য অনুমতি দিচ্ছে না। এমতাবস্থায় সে তার পরিবারকে না জানিয়ে নিজে থেকেই পাসপোর্ট তৈরী করে। বিদেশ যাওয়ার যতো প্রয়োজনীয় অর্থ নিজের নিকট না থাকায় সে তার বন্ধু ওসমান ও মাজেদের সাথে আত্মগোপনে থেকে পরিবারের নিকট থেকে বিদেশ গনমনের প্রয়োজনীয় অর্থ আদায় করার পরিকল্পনা করে। পরবর্তীতে মোঃ ফজলে হারিছ মজুমদারের দেয়া এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৫ এপ্রিল কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানা এবং কোতয়ালি থানাধীন শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মলম পার্টির সদস্য মোঃ ওসমান গনি(২৬), পিতা-মোঃ মিজানুর রহমান, সাং-সাতেশ্বহর, থানা-মনোহরগঞ্জ, জেলা-কুমিল্লা এবং আব্দুল মজিদ(২৭), পিতা-মোজাম্মেল হক, সাং-দক্ষিণ ফেনুয়া, থানা-মনোহরগঞ্জ, জেলা-কুমিল্লাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা দায়েরের ২৪ ঘন্টার মধ্যে স্ত্রী হত্যাকারী পাষন্ড স্বামী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

মামলা দায়েরের ২৪ ঘন্টার মধ্যে স্ত্রী হত্যাকারী পাষন্ড স্বামী মোঃ ইকবালকে(৩৮) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ সদস্যরা।

গত ২৪ এপ্রিল কুমিল্লা সদরের কালিরবাজার ইউনিয়নের মস্তফাপুর (কাছার) এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বিলের মাঝে গৃহবধু ফারজানা বেগম(২৯)এর হাত মুখ বাধা অবস্থায় রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। ভিকটিমের বাবা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ২৪ এপ্রিল বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় ০৭ জনকে এজাহারভুক্ত ও ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৭৪/৩৯৬। ঘটনাটি বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে কুমিল্লাসহ সারা দেশে ব্যপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত নির্মম ও হৃদয় বিদারক হওয়ায় র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর গোয়েন্দা দল জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে গত ২৫ এপ্রিল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার এজাহার নামীয় ২, ৩ এবং ৬ নং আসামীদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন কুমিল্লা সদরের অলিপুর (উত্তর কাছার) এলাকার কাজী মোঃ আঃ হাকিমের ছেলে মোঃ মোক্তার হোসেন(৪৫), মৃত আর্জন আলীর ছেলে কাজী মোঃ আঃ হাকিম এবং মৃত মোখলেছুর রহমানের মোঃ আনোয়ার হোসেন(৫২)।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পৃথক আরেকটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্য হতে প্রাপ্ত তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ২৫ এপ্রিল রাতে রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার প্রধান আসামী ঘাতক স্বামী মোঃ ইকবাল হোসেনকে(৩৮) গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার হওয়া মোঃ ইকবাল হোসেন অলিপুর এলাকার কাজী মোঃ আঃ হাকিমের ছেলে।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে ইকবাল জানায়, গ্রেফতারকৃত ইকবাল পেশায় একজন অটো চালক হলেও অটো চালানোর আড়ালে সে অটোসহ বিভিন্ন গাড়ির বেটারী এবং গাড়ি চুরিসহ বিভিন্ন ধরণের চুরির কাজে সমপৃক্ত ছিল। তার নামে গাড়ি চুরির একাধিক মামলাসহ গাড়ির বেটারী চুরির অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সে একজন পেশাদার জুয়াড়ী, মুলত জুয়া খেলার টাকা যোগাতেই সে চুরিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত হতো যার কারণে তার সাথে তার স্ত্রী ফারজানার প্রায়ই কথা কাটাকাটি ও মনোমালিন্য হতো। সে তার স্ত্রী ফারজানাকে নিয়ে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন অলিপুর গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় থাকতো। ঘটনার দুইমাস পূর্বে ইকবাল অবগত ছিল। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং তারিখে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানায় তার নামে একটি চুরির মামলার ওয়ারেন্ট জারী হয়েছে, যার কারণে সে যে কোন সময় গ্রেফতার হতে পারে। সে গ্রেফতারের পরে জামীনে বের হওয়ার জন্য পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে ৫ হাজার টাকা জমিয়ে স্ত্রী ফারজানাকে দেয় এবং বলে আমি গ্রেফতার হলে তুমি এই ৫ হাজার টাকার সাথে তোমার বাবার বাড়ী থেকে আরও কিছু টাকা নিয়ে আমাকে জামিনে বের করবা। তার কিছুদিন পরেই গত ১১ মার্চ ২০২২ইং তারিখ ইকবাল তার নামে থাকা চুরির মামলার ওয়ারেন্টে গ্রেফতার হয়ে জেলে যায়। এদিকে স্বামী জেলে থাকায় স্ত্রী ফারজানা ভাড়া বাসায় শিশু সন্তানকে নিয়ে কি করবে কোনকিছু ভেবে না পেয়ে ইকবালের রেখে যাওয়া ৫ হাজার টাকা দিয়ে ট্রাক ভাড়া করে ভাড়া বাসার সমস্ত মালামল নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে যায় এবং বাপের বাড়ি থেকেই ইকবালকে দেখার জন্য জেলখানাতে যায়। জেলখানাতে গিয়ে ফারজানা তার স্বামী ইকবালকে ভাড়া বাসা ছেড়ে তার বাপের বাড়িতে চলে যাওয়ার ঘটনাটি বলতেই ইকবাল স্ত্রী ফারজানার উপর চড়াও হয় এবং তাকে দ্রুত ছাড়ানোর ব্যবস্থা করতে বল্লে ফারজানা তাকে জেল হাযতে ভালোভাবে খাওয়ার জন্য এক হাজার টাকা দিয়ে দ্রুত ছাড়ানোর ব্যবস্থা করবে বলে আশ্বাস দিয়ে চলে আসে। ইকবালের স্ত্রী তাকে জামিনে বের করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও জামিনে বের করার ব্যাপারে কোন তৎপরতা প্রদর্শন না করায় তার স্ত্রীর প্রতি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে তার অটোর মালিকের সহায়তায় এপ্রিল ২০২২ইং মাসের প্রথম সপ্তাহে জেল থেকে জামিন পেয়ে তার বোন কলির কাছে যায় এবং বোনের কাছে রেখে যাওয়া মোবাইল ফোন নিয়ে শশুর বাড়িতে যায়। শশুর বাড়িতে যাওয়ার পরে স্ত্রী কেন তাকে জামিন না করিয়ে বাসার মালামাল নিয়ে শশুর বাড়িতে চলে আসছে সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ফারজানা তার মতো জুয়াড়ী ও চোরের সাথে সংসার করবেনা মর্মে তাকে ডিভোর্স দেয়ার কথা বললে এই নিয়ে ইকবালের সাথে কথা কাটাকাটি ও বাকবিতন্ডা শুরু হয়। ঝগড়ার জেরধরে ইকবাল শশুরবাড়ি থেকে চলে আসে এবং প্রতিজ্ঞা করে তার স্ত্রী যেহেতু তার সাথে থাকবেনা সেহেতু সে তাকে দুনিয়াতেই রাখবেনা। এরই মধ্যে সে চিন্তা করতে থাকে ফারজানা যদি তার বাপের বাড়িতে থাকে তাহলে ইকবাল তার স্ত্রীকে হত্যা করতে পারবেনা তাই ইকবাল ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে ফারজানার কাছে নিজের ভূল স্বীকার করে ক্ষমা চায় এবং তাকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে তার প্রতি আকৃষ্ট করতে থাকে।

ঘটনার দিন ২৩ এপ্রিল সে তার স্ত্রী ফারজানাকে ফোন করে বলে সে জেলে যাওয়ার পূর্বে তার বোন কলির কাছে তিন হাজার টাকা রেখে গিয়েছিলো যা কলি তাকে দিবেনা কেননা ইকবালকে টাকা দিলে সে জুয়া খেলে টাকাগুলে নষ্ট করে ফেলবে বিধায় এই টাকা তার স্ত্রী ফারজানার নিকট দিবে। ইকবাল ঐ টাকা নিয়ে তার একমাত্র শিশু সন্তানফারহানা আক্তার ইভা(০৭)‘কে ঈদের শপিং করে দিবে বল্লে ফারজানা আসতে রাজি হয়। পরবর্তীতে ইকবাল ফারজানাকে আনতে শশুর বাড়ি আলেখারচরে যায় এবং ফারজানাকে নিয়ে শশুর বাড়ি থেকে আনার সময় নিয়মিত যাতায়তের রাস্তা ব্যবহার না করেইকবাল পূর্ব পরিকল্পিত জনশূন্যঅপর রাস্তা দিয়ে নিয়ে আসতে থাকে। পরিকল্পনা মোতাবেকইকবালের পূর্ব পরিকলপিত স্থান যেখানে ফারজানাকে হত্যা করার জন্য পূর্বেই ইকবাল ইট রেখে গিয়েছিলো সেই স্থানে আসা মাত্রই রাত আনুমানিক সাড়ে ৯ টার সময় ইকবাল তাকে পিছন থেকে ইট দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাত করে। ইকবালের ইটের আঘাতে ফারজানা মাটিতে পড়ে যায় এবং কান্নাকাটি শুরু করলে সে ফারজানার ব্যবহৃত ওড়না দিয়ে মুখ বেধে ফেলে এবং ইকবালের কাছে থাকা গামছা দিয়ে তার হাত বেধে ফেলে। এরপর একই ইট দিয়ে মাথায় একাধিকবার আঘাত করে। ইকবাল যখন স্থান ত্যাগ করে তখনও তার স্ত্রী জীবিত ছিল তবে রক্তক্ষরণ দেখে ইকবাল নিশ্চিত ছিল তার স্ত্রী খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যাবে তাই লোকজন চলে আসার ভয়ে সে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে ২৪ এপ্রিল সকালবেলা হত্যার বিষয়টি জানাজানি হলে ইকবাল রাজধানী ঢাকায় আত্মগোপনে চলে যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বেগমগঞ্জে অবৈধ পলিথিন কারখানায় অভিযান, অর্থদন্ড

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিসিকি শিল্প এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) নোয়াখালী শাখার তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ তিনটি পলিথিন তৈরীর কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় বিপুল অবৈধ পলিথিন জব্দ করা হয়।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুন্নাহার বেগম । এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ।

এসময় সরকার নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরীর করার অভিযোগে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে এসপি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং কারখানাকে এক লাখ টাকা, ভাই ভাই প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিংকে এক লাখ ও আল মদিনা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং কারখানাকে ৫০ হাজার টাকাসহ মোট দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক আবু তাহের মো. পারভেজ।

বেগমগঞ্জ উপজেলা র্ন্বিাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুন্ন্হাার বেগম জানান, পলিথিন কারখানার মালিকদের সর্তক করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ঘর পাচ্ছেন দাউদকান্দির ৫০ পরিবার

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৫০ পরিবার ঈদ উপহার হিসেবে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর পেতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আশ্রয়ণ প্রকল্পের এ ঘরগুলো উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করবেন।

সোমবার দুপুরে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম খান প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর(অবঃ) মোহাম্মদ আলী সুমন, প্রকল্প বাস্তবায়ন আহসান উল্লাহ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে দাউদকান্দি উপজেলার ১২৮ জন গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর করা হবে। ইতিমধ্যে ৫০টি ঘরের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলোর কাজ চলমান রয়েছে. তারমধ্যে ৮০টি ঘরের দলিলপত্র প্রস্তুত হয়েছে যা মঙ্গলবার সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেয়া হবে।

প্রতিটি ঘরে দুটি শয়নকক্ষ, বারান্দা, রান্নাঘর, শৌচাগার রয়েছে। এছাড়া এসব পরিবারের জন্য নিশ্চিত করা হচ্ছে বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি। প্রত্যেক পরিবারকে তার জমির দলিল নিবন্ধন ও নামজারি করে দিচ্ছে প্রশাসন। মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবেনা। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিত করতে একক গৃহ নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় দাউদকান্দি উপজেলায় ১ম পর্যায়ে ৪০টি ঘর, ২য় পর্যায়ে ৫২টি ঘর এবং ৩য় পর্যায়ে ১২৮টি ঘর। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এটি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম খান।