All posts by jitu

কুমিল্লায় শাশুড়িকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় শাশুড়িকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জামাল সিকদারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১।

র‌্যাব জানায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্য, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও নিবিড় নজরদারির ভিত্তিতে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ডেন্ডাবর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও নগদ ১১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর তারিখে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানাধীন মজিদপুর ইউনিয়নের শিবপুর এলাকার শিকদার বাড়িতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। অভিযুক্ত জামাল সিকদার নিহত সুফিয়া বেগমের (৭০) জামাতা।

জানা যায়, ঘটনার দিন জামাল সিকদার তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি তার ১৭ বছর বয়সী মেয়ে মারিয়া আক্তারকে মারধর ও লাথি মারেন। এতে মারিয়া গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনার কথা জানতে পেরে মারিয়ার নানি সুফিয়া বেগম জামালের বাড়িতে আসেন এবং তার মেয়েকে মারধরের কারণ জানতে চাইলে দু’জনের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠা জামাল সিকদার শাশুড়িকে মারধর করেন এবং পরে তাকে বাড়ির পাশের একটি খালের পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন।

প্রতিবেশীরা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের নাতি বাদী হয়ে তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর থেকেই আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। অবশেষে সফল অভিযানের মাধ্যমে মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ক্লাব নটরডেমিয়ান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নাসের বখতিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের প্রখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নটর ডেম কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ক্লাব নটরডেমিয়ান্স বাংলাদেশ লিমিটেডের সদস্যদের ভোটে ২০২৬-২৭ আগামী দুই বছরের জন্য কার্যকরী পরিষদ নির্বাচিত করা হয়েছে।

গত শনিবার বনানীস্থ ক্লাবের ফাদার পিসাতো ব্যানকুইট হলে ক্লাবের ৪র্থ হতে ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহন করা হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনে ১৯৬৫ ব্যাচের অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান শেখ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ সদস্যদের সরাসরি ৪৮৫ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ছিলে ১৯৯১ ব্যাচের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কচি ১৪৫ ভোট।

১০ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদের সদস্য নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৬০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ১৯৯৩ ব্যাচের খালেদ ফয়সাল রহমান জিতু। পরিষদে নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন ১৯৯৮ ব্যাচের আবু সালেহ মোহাম্মদ সায়েম ৫৯৪ ভোট, ১৯৯০ ব্যাচের শেখ আমিনুর রহমান চঞ্চল ৫৬৯ ভোট, ১৯৮৫ ব্যাচের শেখ মুনিরুল আলম টিপু ৫৫৫ ভোট, ১৯৯৯ ব্যাচের মোঃ নজরুল ইসলাম মল্লিক ৫৪৩ ভোট, ১৯৯৬ ব্যাচের আদনান নাফিস ৫২২ ভোট, ১৯৯২ ব্যাচের সাইফুল ইসলাম ৫০৭ ভোট, ১৯৯১ ব্যাচের আরিফুল ইসলাম চৌধুরী ৪৯৮ ভোট, ২০০০ ব্যাচের ডাঃ যোবায়ের হোসেন ৪৬০ ভোট এবং ১৯৯৪ ব্যাচের কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুল হক ৪২৯ ভোট পেয়ে ১০ম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে ১৯৯৫ ব্যাচের শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল গনি পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট, ২০০১ ব্যাচের মোঃ নাহিদুল হাসান পেয়েছেন ৩৫৫ ভোট এবং ২০০৪ ব্যাচের মোস্তাফিজুর রহমান সুজন পেয়েছেন ২৭৪ ভোট।

নির্বাচনে মোট ৮৬৭ জন ভোটারের মধ্যে ৬৫০ জন (প্রায় ৭৫ শতাংশ) সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ব্যালটে ২০টি এবং কার্যকরী পরিষদ সদস্য ব্যালটে ১৫টি ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়।

ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোঃ আতিকুল আযম –এর নেতৃত্বে ৭ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পুরো নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

কুমিল্লা স্টেডিয়ামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশি-বিদেশী অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশি-বিদেশী অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) ভোররাতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, কুমিল্লায় যৌথ বাহিনী কর্তৃক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকা হতে ১টি শটগান, ১টি বিদেশী পিস্তল, ৫ রাউন্ড শটগান কার্তুজ এবং ২০ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ব্যাটালিয়ন সদরে সংরক্ষিত রয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে বাসচাপায় পথচারীর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আঞ্চলিক মদিনা বাসচাপায় ফজলুর রহমান (৭৪) নামের এক পথচারী নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের জামুকরা মরহুম হাজী আনোয়ার উল্যাহর ছেলে ও চৌদ্দগ্রাম বাজারের মোবাইল গ্যালারীর মালিক মোঃ মানিকের পিতা। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকায়।
রোববার রাতে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক তোফায়েল আহমেদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল সাড়ে চারটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজারে কুমিল্লাগামী মদিনা বাস পথচারী ফজলুর রহমানকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও তার ছেলে বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী মোঃ মানিক আহত অবস্থায় ফজলুর রহমানকে উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহতের ছেলে চৌদ্দগ্রাম বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ মানিক বলেন, বাবা ফজলুর রহমান প্রায় সময় কেনাকাটার জন্য চৌদ্দগ্রাম মহিলা মাদরাসা রোডের বাড়ি থেকে বাজারে আসেন। রোববার বিকেল বেলায় পাউরুটি কিনে সড়ক পার হওয়ার সময় একটি মদিনা বাস তাকে চাপা দিলে গুরুতর আহত হন। পরে উদ্ধার করে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবার মৃত্যু হয়।

মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়িটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নেয়া হয়েছে। নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে’।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণপিটুনিতে একজন নিহত, আটক ৪

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গভীর রাতে ঘরে চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে সাহেদ আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের কোনাউর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সাহেদ আলী উপজেলার সেমন্তঘর গ্রামের মিল্লাত আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে সাহেদ আলী প্রথমে কোনাউর গ্রামের একটি বাড়িতে চুরি করেন। এরপর তিনি একই গ্রামের মোহাম্মদ আলী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে সিঁধ কেটে ঢোকার চেষ্টা চালান। ওই সময় বাড়ির লোকজন টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। উত্তেজিত গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানায়, খবর পেয়ে রোববার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নিহত সাহেদ আলী দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন।

ওসি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রাথমিকভাবে চারজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে কৃষিজমির মাটি রক্ষায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়, এক্সাভেটর ও ড্রাম ট্রাক জব্দ

স্টাফ রিপোর্টার:

কৃষি জমিনের টপ সয়েল রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসন। মাটি ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ন বন্ধে গত তিন দিনে ৪টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ সাফকাত আলী। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত আবাদযোগ্য কৃষি জমির টপ সয়েল কাটার অপরাধে এসময় “বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থা আইন, ২০১০” এর ১৫ ধারায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় অভিযুক্তদের নিকট থেকে। এসময় ১টি এক্সাভেটর ও ১টি ড্রাম ট্রাকও জব্দ করা হয়।

রবিবার (২১শে ডিসেম্বর) দুপুরে কনকাপৈত ইউনিয়নের পন্নারা, ভানুস্বর, কনকাপৈত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এদিকে প্রশাসনের একের পর এক অভিযানে অনেকাংশে কমে গেছে মাটি ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ন। এতে করে স্বস্থির নি:শ্বাস ফেলছে উপজেলার সাধারন মানুষ।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ সাফকাত আলী জানান, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত আবাদযোগ্য কৃষি জমির টপসয়েল কেটে ফেলার অভিযোগে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। কৃষি জমি রক্ষায় আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বসুন্ধরা এলপি গ্যাস টানা ষষ্ঠবার ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন

স্টাফ রিপোর্টার:

বসুন্ধরা এলপি গ্যাস শীর্ষস্থানীয় ও সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি এবারেও বাংলাদেশের এলপিজি খাতে সম্মানজনক ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। টানা ষষ্ঠবার এই অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলো বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি:।

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ১৭তম বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডে এলপি গ্যাস ক্যাটাগরিতে এই স্বীকৃতি লাভ করে ব্র্যান্ডটি।
গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর এক স্বনামধন্য হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এই স্বীকৃতি বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের গ্রাহকের ধারাবাহিক আস্থা এবং নিরাপত্তা ও গুণগত মানে নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের প্রথম বেসরকারি এলপিজি সরবরাহকারী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, আধুনিক অবকাঠামো এবং উদ্ভাবনী সেবার মাধ্যমে ভোক্তাদের আস্থা অর্জন করে আসছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং মোঃ রেদোয়ানুর রহমান, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার বেলাল হোসেন, এজিএম সেলস মোঃ আতাউর রহমান, এজিএম সেলস নূর কুতুব উল আলম, মোঃ আব্দুল্লাহ, যুগ্ম প্রধান প্রকৌশলী এবং ব্র্যান্ড ম্যানেজার মাসুম বিল্লাহ ও সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মুনজুরুল হোসেন সাফি।

এ অর্জন প্রসঙ্গে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং মোঃ রেদোয়ানুর রহমান বলেন,“টানা ষষ্ঠবার বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। গ্রাহক, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শুভানুধ্যায়ীদের আস্থা ও সহযোগিতার ফলেই এই স্বীকৃতি সম্ভব হয়েছে।”

এছাড়া সানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান এক বার্তায় বলেন,“এই সম্মাননা বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের প্রতিটি সদস্য ও আমাদের ভোক্তাদের প্রতি উৎসর্গ করছি। আমরা ভবিষ্যতেও নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত এলপিজি সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

উল্লেখ্য, এই অর্জনের মাধ্যমে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস (সানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান) আবারও প্রমাণ করলো যে, এলপিজি খাতে তারা আস্থা, মান ও নেতৃত্বের প্রতীক।

কুমিল্লা জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসন আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইনউদ্দিন চিশতি, বিএডিসি (সেচ) নির্বাহী প্রকৌশলী রুবাইয়াত ফয়সাল আল মাসুম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান হীরা, সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন, কৃষি অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং ইউএনওগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলার রাস্তা, ড্রেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও যানজট নিরসন নিয়ে আলোচনা হয়। জুলাই শহীদদের কবরের কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয়। কবরের কাজ যেনো সঠিকভাবে হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরদারি করতে বলা হয়। গৃহহীন জুলাই শহীদ ও আহতদের ঘর নির্মাণ করার জন্য বলা হয়। জানানো হয় মুরাদনগর উপজেলায় আহত গৃহহীন জুলাই যোদ্ধার জন্য ঘর করা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে। বিষয়গুলো মাথায় রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর থাকতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা, নথি সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সবার যার যার অবস্থান থেকে সচেতনতা জরুরি। যার যার অফিস স্থাপনার বিশেষ গুরুত্ব সহকারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনো দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

সভায় সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে যথাযথ ভূমিকা পালনের জন্য সকল দপ্তর প্রধানকে আহবান জানানো হয়।

ইউনিটি ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস

স্টাফ রিপোর্টার:

ইউনিটি ফাউন্ডেশন-এসএসসি ২০০১ ব্যাচের উদ্যোগে দ্বিতীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৫ এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস। ১৯ ডিসেম্বর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে কুমিল্লা কিংসকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস।

পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মো: ওমর ফারুক মজুমদার। এই টুর্ণামেন্টে মোট ৬ টি দল অংশগ্রহণ করে।

এই টুর্ণামেন্টে সেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস টিমের রাজু, সেরা বোলার নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ইঞ্জি: শাখাওয়াত, সেরা ফিল্ডার নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা কিংস টিমের অধিনায়ক কাজী সাইফুল, ম্যান অব দ্য সিরিজ নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস টিমের রাজু। এছাড়া এই টুর্ণামেন্টে তৃতীয় সেরা দল নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও চতুর্থ সেরা দল নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। টুর্ণামেন্টে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেছেন এশিয়ান টিভির মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ ও সাংবাদিক ইয়াছিন।

১৯ ডিসেম্বর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে সকাল ৭ টায় উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় কুমিল্লা ফাইটার্স ও কুমিল্লা কিংস। কাজী সাইফুলের কুমিল্লা কিংস প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান করেন। দলের পক্ষে শাহাদাত ৩৫ রান, আলমগীর ১ রান, রাজিব অপরাজিত ৪৪ রান ও ইরফান অপরাজিত ১২ রান করেন। কুমিল্লা ফাইটার্স এর পক্ষে নাহিদ একটি উইকেট পান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ছোটনের কুমিল্লা ফাইটার্স ১০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৯৬ রান করেন। ফলে ১৩ রানে জয় তুলে নেন কুমিল্লা কিংস। দলের পক্ষে কামরুল হোসেন সোহেল ২৫ রান, ছোটন ১০ রান, আশিক নবী ৭ রান, নাহিদ নেওয়াজ ৯ রান, কামরুল ২১ রান করেন। কুমিল্লা কিংসের পক্ষে কাজী সাইফুল ২ টি উইকেট পান, মুন্না ও রাজিব একটি করে উইকেট পান। কুমিল্লা কিংসের রাজিব ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৩ উইকেটে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে হারিয়েছে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কার্তিক চান্দার কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ১০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান করেন। দলের পক্ষে কার্তিক চান্দা ৮ রান, বশির ৪২ রান, মাছুম ১৯ রান, এম এ বাশার ১১ রান, মোজাম্মেল ২ রান, মিলান অপরাজিত ৬ রান, শাহ ইমরান অপরাজিত ১ রান করেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স দলের পক্ষে মাহমুদুল ২টি, ইঞ্জি: শাখাওয়াত ২টি, নাসির একটি উইকেট পেয়েছেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৮ ওভার ২ বলে ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায়। দলের পক্ষে নাসির ৭টি ছক্কা, ৩টি চারের সাহায্যে ৫৬ রান করেন। এছাড়া ইঞ্জি: শাখাওয়াত ২ রান, কৃষ দেব ৮ রান, সানাউল সোহাড় ৩ রান, মাহমুদুল ১ রান, বুলবুল ১১ রান, নুরুদ্দিন ২ রান ও আলমগীর ১ রান করেন। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স এর পক্ষে বশির ৪টি, এম এ বাশার দুটি ও মাষ্টার রিপন একটি উইকেট পান। এ ম্যাচে নাসির ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন।

দিনের তৃতীয় ম্যাচে কুমিল্লা গ্লাডিয়েটর্স ৭ উইকেটে কুমিল্লা টাইটান্সকে হারিয়েছে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা টাইটান্স ৫ উইকেট হারিয়েছে ৮৯ রান করেন। কুমিল্লা টাইটান্সের পক্ষে নাভিন ৩৪ রান, মামুন আব্দুল্লাহ ৭ রান, ফরহাদ ২ রান, কুদ্দুস গোলদার ৫ রান, বেলাল ৯ রান, আর্মি আনিস ৪ রান ও ফারুক ২ রান করেন। কুমিল্লা গ্লাডিয়েটর্স এর পক্ষে রাজু ও আনোয়ার একটি করে, ফারুকু দুইটি উইকেট পান। জবাবে বৗাট করতে নেমে কুমিল্লা গ্লাডিয়েটর্স ৭.৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায়। কুমিল্লা গ্লাডিয়েটর্স এর পক্ষে কামরুল ১৩ রান, রাজু অপরাজিত ৪০ রান, রবি ৭ রান, আনোয়ার অপরাজিত ২৫ রান করেন। কুমিল্লা টাইটান্সের পক্ষে ফারুক একটি উইকেট পান। নাভিন দুটি রান আউট করেন। এ ম্যাচে রাজু ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন।

গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে রানরেটে এগিয়ে থেকে সরাসরি ফাইনালে পৌছে যান কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস। অপরদিকে ফাইনালে যাওয়ার লক্ষ্যে দিনের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হয় কুমিল্লা কিংস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এ ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ২৫ রানে হারিয়ে ফাইনালে যান কুমিল্লা কিংস। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা কিংস ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৮ রান করেন। দলের পক্ষে আলমগীর কবির ৮ রান, শাহাদাত ৩২ রান, রাজিব ৬ রান, ইরফান ২ রান, বশির ১১ রান, সাইফুল ৬ রান ও জুয়েল ১ রান করেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এর পক্ষে ইঞ্জি: শাখাওয়াত ৪টি, সানাউল ৩টি উইকেট পান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা কিংস ৭ উইকেট হারিয়ে ৮৩ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সানাউল ৯ রান, শাখাওয়াত ২ রান, বুলবুল ১২ রান, নাসির ১৯ রান, কৃষ ৬ রান, ৯ রান ও আফসার ৫ রান করেন। কুমিল্লা কিংসের পক্ষে বশির দুটি, মুন্না দুটি, সাইফুর ও রাজিব একটি করে উইকেট পান। এ ম্যাচে বশির ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন।

বিকেলে ফাইনাল ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা কিংস ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৯ রান করেন। দলের পক্ষে রাজিব ১ রান, বশির অপরাজিত ৩৬ রান ও ইরফান অপরাজিত ৫৬ রান করেন। ইরফান ৮টি ছক্কা হাকান। কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস এর পক্ষে রাজু দুটি ও ফারুক একটি উইকেট পান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস এক উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায়। দলের পক্ষে রাজু ১১টি ছক্কা ও ৩টি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৮৩ রান করেন। এছাড়া কামরুল ২৩ রান, রবি ২ রান করেন। ফাইনালে অপরাজিত ৮৩ রান ও ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা গ্লাডিয়েটরস টিমের রাজু।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সুপার ফাইভ কমিটিতে আছেন যারা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সুপার ফাইভ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

কমিটিতে সভাপতি পদে রয়েছেন জাকারিয়া তাহের সুমন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন মোঃ আমিরুজ্জামান ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন মোহাম্মদ কামরুল হুদা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন মোহাম্মদ নজরুল হক ভূইয়া স্বপন।

 

চলতি বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ জেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। ঐদিন সভাপতি পদে জাকারিয়া তাহের সুমন ও সাধারণ সম্পাদক পদে আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমের নাম ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য যে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার প্রিন্ট ভার্সনে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সুপার ফাইভ কমিটিতে কারা আসতে পারেন সে বিষয়ে অগ্রিম সংবাদ প্রকাশিত হয়, যা প্রায় তিন মাস পর মিলে গেল